কওমি মহিলা মাদ্রাসার অন্দরে… (২)
১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২১
কয়েকজন হজূর বা মাদ্রাসা শুরু করার আগ্রহী লোকজন মিলে কিছু পুজি নিয়ে মাদ্রাসা চালানো শুরু করে। পরবর্তিতে ছাত্রীদের বেতন হয় প্রধান আয়ের উৎস। তবে বিদেশ থেকেও নানাভাবে-নানাখাতো অনুদান পেয়ে থাকে। কিছু মাদ্রাসার বড় কর্তারা সরাসরি বিদেশি সাহায্য যোগার করে থাকে। দেশগুলোর মধ্যে মিশর, সৌদি এবং কুয়েত প্রধান।
ইনটারেস্টিং একটা তথ্য হচ্ছে, এই বড় কর্তা (মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল বা প্রতিস্ঠাতা) বছরের বিশেষ কিছু সময়ে বিদেশে যান কালেকশনের জন্য, এবং যা কালেক্ট করেন তার থেকে কোনো এক হাদিসের (সম্ভবত একটা যাকাড় আদেয়ের হাদিস আছে যে, যে ব্যক্তি যাকাত গুলো কালেক্ট করে আনতো তাকে কিছু দেয়া হত অথবা তাকে ৩ ভাগের ১ভাগ দেয়া হতো ইত্যাদি। আমার খুব একটা জানা নাই। সেই প্রিন্সিপালকে এ ব্যপারে প্রশ্ন করটে পারিনি আমি। গোপন সুত্রে পাওয়া খবর। খবর সত্য এ জন্য যে তার বেতন যা তা দিয়ে সে যে জীবন যাপন করে তা একবারেই সম্ভব না) বদৌলতে সেই টাকার ৩ ভাগের এক ভাগ তার নিজের কোষাগারে জমা হয়। বিশাল আয়ের উৎস!!
কোরবানি ঈদের ছুটিতে ধনী ছাত্রীদের হাছে টাকা জমা নেয়ার রসিদ বই ধরায় দেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এবং ছুটির দিন ছাত্রীরা বাসার যাওয়ার আগে দান এবং জাকাতের রহমত-ফজিলতের উপর বিশাল এক তালিম দেয়া হয়। সেই তালিম শুনলে আপনি পরনের কাপড় ও খুলে দিতে চাইবেন।
গরুর চামড়ার টাকার ব্যপারেও তাদের আগ্রহ বেশ থাকে। মাদ্রাসায় সাহায্য চাওয়ার ব্যপারটা এক সময় ভিক্ষা করার থেকেও খারাপ ভাবে চোখে পরে। এক মাদ্রাসায় তো দেখলাম কোন অভিভাবক কত টাকা দিলো তা এনাওন্স করে মাদ্রাসায় বলে দিচ্ছে। তার জন্য দোয়াও বেশি হয়
। এদের কোনো প্রডাক্টিভ খাত নাই যেখান থেকে মাদ্রাসার খরচ চালানোর জন্য হাত না পাততে হয়।
আগেই বলেছি, কিছু মাওলানা তার মাওলানা বউ নিয়ে মাদ্রাসা শুরু করে। সে ক্ষেত্রে মাওলানা প্রিন্সিপাল এবং তার বউ ভাইস প্রিন্সিপাল (কখনো ব্যতিক্রম হয়) পদে আসিন হন। প্রিন্সিপাল কে বড় হুজুর এবং তার বউ কে “বড় আপা” অথবা “বড় খালাম্মা” ডাকা হয়। আমি প্রথমে যার কথা বলছি তাকে ডাকা হতো “বড় আপা”।
মহিলা কওমি মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষকও আছেন। এরা ক্লাস নেন পর্দার আড়াল থেকে। এদের কে বিষয়ের নাম অনুযায়ী ডাকা হয়। যেমন: বুখারী হুজুর, মুসলিম হুজুর, ক্বারী হুজুর…..। কখনও তার গ্রামের নাম অনুযায়ী। যেমন: বাগেরহাট হুজুর, কিশোরজন্গ হুজুর, ফরিদপুর হুজুর………।
হুজুরেরা ক্লাস নেন পর্দার আড়াল থেকে। গ্রিলের জানালার এ পাশ, ও পাশ এ কালো বা সাদা মোটা পর্দা। কোনো ভাবে পর্দা ভঙের উপায় নাই। তবে হঠাৎ একদিন দেখলাম জানালার উপরে পর্দার একটু ফাক দিয়ে এক জোড়া চোখ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। কি বা কাকে দেখছি আরো ভালো ভাবে দেখার জন্য সামনে যেতেই পর্দা উঠে গিয়েছিলো
।
যাকগে। এর মধ্যে হুজুরদের পিটাতেও দেখেছি। পর্দার সাইড দিয়ে হাত বাড়ায় দিতে হবে, আর সে বেত বসিয়ে দিবে। তবে এটা খুবই কম হয়। সাধারনত শাস্তি দেয়ানো হয় কোনো শিক্ষিকার মাধ্যমে। হুজুররা বলে দিবে কাকে কি শাস্তি দিতে হবে, সেভাবে শিক্ষিকারা করবেন।
চলবে……
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। ![]()
শামস শামীম বলেছেন:
আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে সহমত পোষন করছি। কেবল ছাত্রীরাই নয় ছোট ছোট ছাত্রদেরও বিভিন্ন সিজনাল কালেকশানে নামানো হয়। ছাত্রদের দিয়ে কোরানে খতম পড়িয়ে ধর্মভীরু সাধারণ লোকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, গরু-বাছুর লুফে নেন হুজুররা। আরো কত কিসিমের কান্ড যে হয় এসব কারখানায় ছোট বেলায় দেখেছি।
আর বার্ষিক জলছায়তো একটু বেশি চাদা গোষণা করলে নারায়ে তাকবিরের....মাত্রা বেড়ে যায়। কত কিসিমের অসামাজিক কান্ড যে করেন হুজুররা। তাদের এমন কান্ডে শয়তানও লজ্জা পায়।
লেখক বলেছেন: ছোট চোত ছাত্রদের কে কোরবানি ঈদের দিন ছুটি দেওয়া হয় কালেকশন এ পাঠাবে বলে।
এমনি দিন গুলোতেও পাঠিয়ে দেয় বাড়ি বাড়ি সা হায্য চাওয়ার জন্য।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
আরো বিস্তারিত লিখেন ..........
উন্মোচক বলেছেন:
অন্যের অন্দরের খোঁজ তো ভালোই জানাইলেন, এবার নিজেরটাও জানান।
হুমায়ূন সাধু বলেছেন:
আরো আরো...
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আরো বিস্তারিত লিখেন ..........
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ঈমাণদারদের ঈমানের দেখি টালমাটাল অবস্থা , বিস্তারিত না পড়েই বোধহয় মাইনাসে ভাসায়া দিতেছে !
আল্লাহ এগুলারে আক্কেল দান করুন ।
সৌম্য বলেছেন:
৫ জনে মাইনাচ দিলো কেন? বুঝছি এইটাতেও মনে হয় ধর্মকে অবমাননা করা হইছে।
লেখক বলেছেন: আমি তো মামো না। মাইনাস দেয় কে?
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন:
চলুক ...
ভেংচুক বলেছেন:
বেবাক পর্রব আগেই পইরা লাইছি
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
খাইছে !!! এই ব্যপারে কিছুই জানতাম না আগে । চলুক
রশীদ বলেছেন:
চলুক ...
পারভেজ বলেছেন:
চলুক! আমি যতদূর জানি, ১০% এর মতো কমিশন নিজের কাছে রেখে দেয় বা দেয়া হয়।তবে এ ক্ষেত্রে দানের পরিমানটা কোটির অংক ছাড়িয়ে।
যারা মাইনাস দিয়ে গেলেণ তাদেরকে আরেকটু বেশী ধন্যবাদ, সত্যি কথা এভাবে প্রকাশ করলে খারাপ তো লাগতেই পারে, ঠিক না?
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
চলুক ...
জেমসবন্ড বলেছেন:
মাইনাচ যারা দিলেন তারা কি হুজুরগো দিলেন না কাজরীরে দিলেন ?আহা , বেচারী একটা ভাল উদ্যোগ নিল আর আমনেরা মাইনাচ দিলেন ?
মহিলা মাদ্রাসার সব কি খারাপ ? ভাল কিছু থাকলে তাও লেইখেন , নইলে নাস্তিকেরা তো এই হান থেইক্যা বলার নতুন মাল মশলা খুজব ।
লেখক বলেছেন: আমি তো ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু বলছিনা। একটা ব্যবস্থাপনার ত্রুটি গুলো বলছি।
নাস্তিকদের প্যচানো ইচ্ছে থাকলে যেকোন কিছু থেকে প্যচাতে পারে।
যীশূ বলেছেন:
অদ্ভুদ!

















