আমার প্রিয় পোস্ট

আকাশ দিয়া উইড়া যাই

বৈজ্ঞান, বৈজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা এবং উহার মইধ্যে নাস্তইক্যবাদিগনের ভ্রান্তি-বিলাস।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:০৪

শেয়ারঃ
0 0 1

"যেই কারনে নাস্তিকরা বেওকুব" -যারা এখনো পড়েন নাই, এই রচনাটা মুলত তাদের জন্য একটু ভিন্ন আংগিকে লেখা। (তবে ইচ্ছা করলে আবার পড়তে পারেন)

----------x--------------x-------------x-------------x------------x----------x------------x-----------

আপনাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে যে বিজ্ঞান কি? আপনি কি বলবেন?

আপনি সম্ভবত বলবেন:

বিজ্ঞান হচ্ছে মনুষ্য প্রজাতির জ্ঞান অর্জনের একটি চলমান প্রকৃয়া যা যৌক্তিক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলে।

"বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা" বলতে কি বুঝায়?

মনুষ্য প্রজাতি জ্ঞান অর্জনের জন্য কিছু ইন্দ্রিয় এবং মগজের উপর নির্ভর করে। মানুষের ইন্দ্রিয় এবং মগজের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ হলে জ্ঞান অর্জনের প্রকৃয়াও সীমাবদ্ধ হবে। অতএব বিজ্ঞান অবশ্যই সীমাবদ্ধ হবে।

সুতরাং প্রথমে আমরা দেখি মানুষের ইন্দ্রিয় এবং মগজের ক্ষমতা কিভাবে সীমাবদ্ধ: জ্ঞান অর্জন করা হয় তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লষনের মাধ্যমে। মনুষ্য প্রজাতি তথ্য সংগ্রহ করে কতিপয় ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে। চোখ, কান, নাক, জিহবা, চামড়া। প্রতিটা ইন্দ্রিয় ভিন্ন ভিন্ন ধরনের জিনিস নির্নয় করতে পারে। চোখ দিয়ে আলো, কান দিয়ে শব্দ, নাক দিয়ে গন্ধ ইত্যাদি। চোখ দিয়ে মানুষ সব ধরনের আলো দেখতে পায় না, নির্দিষ্ট কিছু তরংগ দৈর্ঘের ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন অনুভব করতে পারে। এর বাইরের তরংগ দৈর্ঘের আলো সাধারনত যন্ত্রপাতির সাহায্য নিয়ে দেখা হয়, উদাহরন: অতি-বেগুনি, অবলাল ও এক্স-রে রশ্মি।

ধরেন মনুষ্য প্রজাতির যদি চোখ না থাকত। তাহলে কি হত? মানুষের সভ্যতা গড়ে উঠত সম্পুর্ণ ভিন্ন ভাবে। সমাজ, অর্থনীতি, বিচার ও শাসন ব্যবস্থা সব কিছু হত অনেক অন্যরকম।

আবার ধরেন যদি শব্দ শোনার জন্য কান না থাকত, সেই ক্ষেত্রে এই সবকিছু হত আরেক রকম।

মানুষের সভ্যতা ও বিজ্ঞান গড়ে উঠেছে কয়েকটি "অনুভব করা যায়" এমন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে। এই মহাবিশ্বে "অনুভব করা যায় না" এমন অনেক জিনিশ থাকতে পারে। এমন অনেক কিছু থাকতে পারে যা নির্নয় করার মত অংগ মানুষের শরীরে নাই।

ধরেন এমন একটা ইন্দ্রিয় "ক" যা দিয়ে মানুষ "খ" নামের এক ধরনের কিছু অনুভব করতে পারে। এখন, এই ধরনের কিছু যদি থাকত, তাইলে মানুষের যেই সভ্যতা আজকে আমরা দেখতেছি সেইটার চেহারাই অন্য রকম হত।

এখন যদি সত্যি সত্যি "খ", "গ", "ঘ" ........এই রকম অসংখ্যা কিছু মহাবিশ্বে থাকে এবং তা নির্নয় করার মত ইন্দ্রিয় মানুষের না থাকে, তাইলে বলতে হবে, হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা মনুষ্য অর্জিত বিদ্যা (তথা বিজ্ঞান) সবসময় অসম্পুর্ন ছিল এবং থাকবে।

মানুষের পক্ষে কখনই এই কথা দাবি করা সম্ভব না যে মানুষ যা যা অনুভব এবং কল্পনা করতে পারে এর বাইরে কিছু নাই।

(এখানে অনুভব করা বলতে শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয় বরং যন্ত্রপাতির সাহায্য নিয়েও যা যা ইন্দ্রিয়গাহ্য এবং কল্পনার ক্ষেত্রে গনিত এবং যুক্তি ইত্যাদির সাহায্য নিয়ে যা যা কল্পনা করা হয় তাও বুঝানো হয়েছে)

কল্পনা করার কথা আসলেই মানুষের মগজের কথা এসে যায়। মানুষের মগজের একটা সীমাবদ্ধতা হল, মানুষ অভিজ্ঞতার বাইরে কিছু চিন্তা করতে পারে না। আবার মানুষের চিন্তা "বহুসংখ্যক বিষয়" (যেমন: পরিবেশ, পরিস্থিতি, পারসেপশন, নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি) দ্বারা প্রভাবিত এবং ত্রুটিপরায়ন।

আশাকরি ইন্দ্রিয় এবং মগজের সীমাবদ্ধতা বলতে কি বলতে চাচ্ছি বুঝতে পারছেন। এই সীমাবদ্ধতার কারনে মানুষ যত বিদ্যা অর্জন করে তা অসম্পুর্ন থাকাই স্বাভাবিক। এই আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি যে বিজ্ঞানের একটা সীমারেখা অবশ্যই থাকবে যা মানুষ কখনই অতিক্রম করতে পারবে না।

এই সীমারেখাটাকে আমরা বলতে পারি "মনুষ্য জ্ঞানের সীমানা", যার বাইরের জ্ঞান মানুষ কখনই অর্জন করতে পারবে না। এমনকি এই সীমানার ভিতরে অনেক বিষয় এমন থাকতে পারে যা পুরোপুরি জানা সম্ভব হবে না।

নাস্তিক্যবাদিরা এই সীমাদ্ধতা উপেক্ষা করেই নাস্তিক হয়। সসীম বিজ্ঞানের অসীম গৌরবগাঁথার সত্য-মিথ্যা মিশেল দেওয়া নেশা-ধরানো গীত গাইতে গাইতে এরা একধরনের যুক্তিনাশক ধুম্রজাল তৈরী করে। বিজ্ঞান নামক কুয়ার মধ্যে নর্তন কুর্দন করতে করতে এরা ভুলে যায় যে এই কুয়ার বাইরে বিশাল একটা জগত আছে যা তাদের ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা সম্ভব না।

আপনাকে যদি কখনো কেউ প্রশ্ন করে যে নাস্তিক্যবাদ (Atheism) কি? আপনি তখন কি বলবেন?

আপনি বলবেন:

নাস্তিক্যবাদ হচ্ছে "বিজ্ঞানের সাথে কৌশলি মিথ্যা মিশিয়ে" জনসাধারনকে বোকা বানান পূর্বক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে অবিশ্বাসী করে তোলার অপচেষ্টা জনিত একটি সুচতুর মতবাদ মাত্র।

ভাল থাকেন। নাস্তিক্যবাদি কুপের বাইরের জগত সম্পর্কে অসচেতন হইয়েন না।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:০৬
কাকপাখি ২ বলেছেন: কমেন্ট মডারেশন: ধর্ম লইয়া গালাগালি করিলে আপনার কমেন্ট পাবলিশ করা হইবে না।
২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৩৪
লাবিব ইত্তিহাদুল বলেছেন: কথা ঠিক।
নাস্তিক রা বলে, "আল্লাহ যদি এতই পারে, তবে এখন আমাকে হুজুর বানায় দিক"

কিন্তু, আসল কথা হচ্ছে, দুনিয়া আখিরাতের জন্ন পরীক্ষা ক্ষেত্র। কেউ পরীক্ষার সময় সার কে যদি বলে, সার আপনি পারলে বলেন তো এইটা কি হবে।
সার কন্তু বলবেন না।

আল্লাহ সবাইকে বিবেক দিয়া বানিয়েছেন।
৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫৬
ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম।

১. জ্ঞানের বাস্তব রূপকেই বিজ্ঞান বলে; জ্ঞান যখন ছুন্নত (নিয়মমত) বাস্তব রূপ নেয়/ দেয় তখন তাকে বিজ্ঞান বলে; যিনি রূপ দেন তিনিই বৈজ্ঞানিক বা আলেম-উলামা।
যেমন: সুঁই তৈরী করার জ্ঞান আপনার আছে তাই আপনি জ্ঞানী। অতপর বাস্তবে সুঁই তৈরী করে আপনি বৈজ্ঞানিক হলেন। সুঁই বিজ্ঞানটিই তার সাক্ষি।
২. নাস্তিকতায়ো একটি ধর্ম। স্রষ্টায় বিশ্বাসীদের আস্তিক এবং স্রষ্টায় অবিশ্বাসীদের নাস্তিক বলে। প্রধানতঃ মানব ধর্ম ৩টি যথা: ১. আস্তিক ২. নাস্তিক এবং ৩. মোনাফিক।
৩ নং মোনাফেকরাই আল্লাহর দরবারে সবচেয়ে বেশী ঘৃণীত, অভিশপ্ত, ধৈর্যহীন, উশৃংখ্যল এবং আজাবপ্রাপ্ত-দূর্দশাগ্রস্থ; এবং স্ব ঘোষিত শিয়া, ছুন্নী, কাদিয়ানী, হাম্বলী, খৃষ্টান, ইহুদি, হিন্দু প্রভৃতি আস্তিকদের মধ্যেই ঐ মোনাফেক ধর্মাবলম্বির সংখ্যা অধিক থেকে অধিকতর।
৪. কে কোন্‌ দলে তার আলামত বহন করে সে নিজেই, তার কর্ম; সাক্ষি দেয় কোরান।
অতএব আপন পরিচয় পেতে সকলেরই কোরান বুঝে পড়া উচিত।
বিনীত।
৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:০৭
হোরাস্‌ বলেছেন: খ্রীস্টপূর্ব ৯ম থেকে ৬ষ্ঠ শতকে বিজ্ঞানের কি অব্স্হা ছিলো? তখন কার জৈন, বৌদ্ধ, তাওজিম, অথবা গ্রীকদের ব্যক্তি পর্যায়ে নাস্তিকতার উদ্ভব হইসে কিসের ভিত্তিতে?

বিজ্ঞান নাস্তিকতার ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে পারে কিন্তু সেটা আবশ্যক না। ।

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: বিজ্ঞান হইল মানুষের একপ্রকার জ্ঞান। পদ্ধতিগত ভাবে অর্জিত বস্তুবাদি জ্ঞান।

বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে এই জ্ঞান বৃদ্ধি পাইলেও মগজ ও ইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে পারবে না। কাজেই মানুষের জ্ঞান সব সময় সীমাবদ্ধ ছিল এবং থাকবে।

নাস্তিকতার কোন ভিত্তি নাই। কারন অসম্পুর্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্তের কোন ভিত্তি থাকে না।

বিস্তারিত না বুঝলে তর্ক করতে পারেন। তাতে বিষয়টা আরো ক্লিয়ার হবে।

৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১১
হোরাস্‌ বলেছেন: এইটা তো আমার প্রশ্নের উত্তর হইলো না।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: আপনের প্রশ্নের উত্তর এইটাই।

অসম্পুর্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্ত সঠিক---এইটা নাস্তৈক্যবাদিদের তালগাছের দাবি।

এই তালগাছের কোন ভিত্তি নাই।

অতিতের নাস্তিকরাও এই তালগাছের দাবি ছাড়ে নাই, এখনকার নাস্তিকরাও এই তালগাছের দাবি নিয়া বইসা আছে।

আপনে আমার পোষ্টের যুক্তিগুলা ভাল কইরা খেয়াল করেন। যুক্তি খন্ডানোর চেষ্টা করেন। তাইলে কনসেপ্ট আরো ক্লিয়ার হবে।

৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩৩
শাহাদাত রুয়েট বলেছেন: নাস্তিক্যবাদ একটি ফ্যাশন যারা এটা প্রচার করে তাদের না আছে পর্যাপ্ত যুক্তি না আছে বিশ্বাস। নিজেদের জাহির করতেই নাস্তিক বলে দাবী করে।
৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪৮
উপপাদ্য বলেছেন: নাস্তিকতা নিজেই একটা ধর্ম রুপে আবির্ভুত হয়েছে।

তবে বিরোধীতার ক্ষেত্রে যা হচ্ছে তা ঐ ইসলামিক এক্সট্রিমিস্টদের মতোই। ইসলামিক এক্সট্রিমিস্টরা যেমন কুরআনের কতিপয় আয়াত নিয়ে লাফায় তেমনি নাস্তিকরাও কুরআনের কতিপয় আ্য়াত নিয়ে লাফায় না বুঝেই।

তারা বলে কোরবানী নাকি একটা খামোখা রেওয়াজ, কার পোস্টে দেখছিলাম একজন প্রশ্ন করেছে কোরবানী দিয়া যদি পয়সা নস্ট হয় তাইলে সারা দুনিয়ার মানুষ যে বিড়ি খাইয়া কোটি কোটি টাকা নস্ট করতাছে সেটা নিয়ে পোস্ট নাই, আন্দোলন নাই কেন, নাস্তিকদের কোন মাথা ব্যাথা নাই???


নাস্তিক্যবাদ হচ্ছে "বিজ্ঞানের সাথে কৌশলি মিথ্যা মিশিয়ে" জনসাধারনকে বোকা বানান পূর্বক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে অবিশ্বাসী করে তোলার অপচেষ্টা জনিত একটি সুচতুর মতবাদ মাত্র। একমত।

এবং এটাও মনে করি কোন কিছু না বুঝেই মুহাম্মদকে গালাগালি করার নাম নাস্তিক্যবাদ।

আফসোসের বিষয় পৃথিবীর সবচে কার্যকরী ধর্মের প্রবর্তক মুহাম্মদ পৃথিবীকে যা দিয়েছেন তা সারা পৃথিবীর এ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া ও এবং ভবিষ্যতে যত মানুষ আসবে সবার মিলিত অবদানের থেকেও বেশী। তবুও তিনি একমাত্র ধর্ম প্রবর্তক যাকে নাস্তিকরা সবচে বেশী আক্রমণ করে। যদিও এর কারন হচ্ছে ইসলাম ধর্ম হিসেবে এ সময়ে সবচে বেশী বর্ধনশীল।
৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪৫
শুদ্ধ মিজান বলেছেন: "নাস্তিক্যবাদ হচ্ছে "বিজ্ঞানের সাথে কৌশলি মিথ্যা মিশিয়ে" জনসাধারনকে বোকা বানান পূর্বক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে অবিশ্বাসী করে তোলার অপচেষ্টা জনিত একটি সুচতুর মতবাদ মাত্র।"--আপনার এই কথাটির সাথে সহমত পোষণ করছি ।
৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৬
কঠিনলজিক বলেছেন: মোটা দাগে "যার কিছুই নাই" একে বারে "সর্বসান্ত" তার নাস্তিক্যবাদ ছাড়া আর কোন উপায় নাই।
"নাস্তিক্য বাদ" এটা মত হোক বা বিশ্বাস, ধর্ম হোক বা নীতি।
একটা জিনিষ খেয়াল করেন,
অতীত এবং বর্তমানে হাস্যকর হলেও কাকতালীয় ভাবে সকল নাস্তিক্যবাদী এবং ধার্মিকের মাঝে একটা লক্ষনীয় পার্থক্য পাবেন ।
"পৃথীবির সকল ধর্ম নিজের মহিমা/গুনাগুন প্রকাশে "স্বয়ংসম্পূর্ণ""।"নাস্তিক্যবাদ মহিমা তো অনেক পরের ব্যাপার অস্তিত্ব প্রকাশেও কমপক্ষে যে কোন একটা ধর্মের মুখাপেক্ষি"।

খোলাসা করে বললে এভাবে বলতে হবে , ধরে নেই "হিন্দু" ধর্ম।
হিন্দু ধর্ম ব্যাখ্যা বা বর্ণনা করতে বা "হিন্দু ধর্মের" গুনাগুন অথবা মহিমা বর্ণনা করতে হিন্দু ধর্ম অন্য কোন ধর্ম যে রকম "ইসলাম" এর মুখাপেক্ষি নয়।
ইসলাম ধর্মের উপস্হীতির অনেক আগেই হিন্দু ধর্ম মানুষ পালন করতো, ব্যাখ্যা করতো প্রচার করতো ।
ইসলামের সাথে তুলনামূলক ভাবে বা ইসলাম কে "বিদ্রুপ" করে হিন্দু ধর্ম প্রতিস্ঠা করার প্রয়োজন পড়ে নাই।
হিন্দু ধর্মে র নিজস্ব রীতি নীতি, আচার অনুস্ঠান, দিক নির্দেশনা আছে ।
নাস্তিক্যবাদী র ক্ষেত্রে বিষয় টা সম্পূর্ণ উল্টা।
যদি ধরে নেওয়া হয় এই মুহুর্তে পৃথিবী তে ৫ মিনিটের জন্য কোন ধর্ম অনুপস্থিত তা হলে এই ৫ মিনিট কি হবে ? এ ৫ মিনিট কি সবাই নাস্তিক গন্য হবে ?? মজার ব্যাপার হলো "না" এমন কি কোন ধর্মের অনুপস্থিতি গনিতিক নিয়মে "নাস্তিক্যবাদ" কে ৫ মিনিটের জন্য বিলীন করে দেবে B-)
নাস্তক্যবাদের অস্তিত্ব এবং জন্ম নির্ভর করে "অস্বীকার" করার মত অন্য যে কোন একটা ধর্ম বা বিশ্বাসের অস্তিত্বের উপর ।
যে কোন ধর্মের "প্রিচার" কে বলুন নিজের "ধর্ম" বা মতবাদ নিয়ে কিছু বলুন, সে যে ধর্মের প্রিচার হোক না কেন নিজের ধর্ম নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বলতে পারবে ।
একজন নাস্তিক কে বলুন আপনার নাস্তিক্যবাদ নিয়ে বলুন, কিন্তু অন্য কোন ধর্ম বা বিশ্বাস কে আঘাত না করে সমালোচনা না করে "নিজের মতবাদের পজিটিভ" দিক (যদি থাকে) বলুন।
৩০ টা বাক্য বলার বা লিখার ক্ষমতা থাকবে না ।
সমস্ত ইন্টারনেট ঘেটে "নাস্তিক্যবাদ" নিয়ে লেখা ৫ পৃস্টার যে কোন লেখা কাউকে দেখাতে বলুন যেখানে "নাস্তিক্যবাদ" এর আলোকে সীমাবদ্ব থেকে নাস্তিক্যবাদ নিয়ে কেউ কিছু লিখতে সামার্থ্য হইছে !!!
১০. ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৩৪
মো: সালাউদ্দিন ফয়সাল বলেছেন: উপপাদ্য ভাই একখান কঠিন কথা লিখিয়াছেন যে "কোন কিছু না বুঝেই মুহাম্মদকে গালাগালি করার নাম নাস্তিক্যবাদ" সম্পূর্নভাবে একমত। আরো একটা কথা বুঝতে পারছি যে সামনে নাস্তিকরা কাক নামক পাখিকেও দুচোক্ষে দেখতে পারবেনা। বাসার ছাদের কাককে লাঠি নিয়ে দৌড়ানোর দৃশ্যও দেখা যাইতে পারে।
১১. ২৭ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:৩১
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
নাস্তিক্যবাদ হচ্ছে "বিজ্ঞানের সাথে কৌশলি মিথ্যা মিশিয়ে" জনসাধারনকে বোকা বানান পূর্বক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে অবিশ্বাসী করে তোলার অপচেষ্টা জনিত একটি সুচতুর মতবাদ মাত্র।


++++++



কঠিনলজিক বলেছেন:
যে কোন ধর্মের "প্রিচার" কে বলুন নিজের "ধর্ম" বা মতবাদ নিয়ে কিছু বলুন, সে যে ধর্মের প্রিচার হোক না কেন নিজের ধর্ম নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বলতে পারবে ।
একজন নাস্তিক কে বলুন আপনার নাস্তিক্যবাদ নিয়ে বলুন, কিন্তু অন্য কোন ধর্ম বা বিশ্বাস কে আঘাত না করে সমালোচনা না করে "নিজের মতবাদের পজিটিভ" দিক (যদি থাকে) বলুন।
৩০ টা বাক্য বলার বা লিখার ক্ষমতা থাকবে না ।
সমস্ত ইন্টারনেট ঘেটে "নাস্তিক্যবাদ" নিয়ে লেখা ৫ পৃস্টার যে কোন লেখা কাউকে দেখাতে বলুন যেখানে "নাস্তিক্যবাদ" এর আলোকে সীমাবদ্ব থেকে নাস্তিক্যবাদ নিয়ে কেউ কিছু লিখতে সামার্থ্য হইছে !!!



++++++


অনেক ভালো লাগল!!





১২. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:৩৮
নুরুল বলেছেন: অসম্পুর্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্তের কোন ভিত্তি থাকে না --
ধর্মের ক্ষেত্রে কি এটা সত্য নয়?
১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধর্ম মানুষকে বাস্তবতার অদৃশ্য অংশের খবর দেয় যা মানুষের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য না। বাস্তবতার এই অদৃশ্য অংশকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত হল অসম্পুর্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্ত।

উদাহরন: একটা জীবিত শরীরের মধ্যে আত্মা থাকে, তার মানে আমরা এইভাবে লিখতে পারি: শরীর + আত্মা = জীবিত শরীর-----------(১)। আত্মা কথাটার উপরে আপনার আপত্তি থাকলে আত্মার যায়গায় অন্য কিছু ধরে নেন। এখন এই (১) নাম্বার ইকোয়েশনটাকে আমরা তথাকথিত বিবর্তনবাদের ক্ষেত্রে চিন্তা করি আসেন। বিবর্তনবাদিদের কথামত মানুষ আর বানরের পূর্বপুরুষ নাকি একই ছিল। বানর ও মানুষের এই তথাকথিত পূর্বপুরুষের নাম ধরে নিলাম "প্রাইমেট"

এখন

প্রাইমেটের দেহ + প্রাইমেটের আত্মা = জীবিত প্রাইমেট
বানরের দেহ + বানরের আত্মা = জীবিত বানর
মানুষের দেহ + মানুষের আত্মা = জীবিত মানুষ

বিবর্তনবাদ হচ্ছে মানুষ আর বানর প্রজাতির দেহের দৃশ্যমান অংশের সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া (বিতর্কিত) কিছু সিদ্ধান্তের উপর দাড়িয়ে থাকা একটি মতবাদ।

এইখানে জীবনের চালিকা শক্তি, যেইটাকে আমরা আত্মা বলতেছি, তার উপস্থিতিতে বিবর্তন তত্বের সত্যতা যাচাই --- এই বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়।

এইজন্যই বলছি অসম্পূর্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নেওয়া নাস্তৈক্যবাদি সিদ্ধান্ত সমূহ ভ্রান্তিমূলক।

It is still a challenge for scientists and philosophers to define life in unequivocal terms--wikipedia

১৩. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৫:০৩
জেমসবন্ড বলেছেন:
আমার মত অপদার্থের কথা বাদই দিলাম, গুরু জনেরা নাস্তিকদের সম্পর্কে কি বলে গেছেন, দেখেন-

A little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God." Francis Bacon.

আপনার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।
১৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২
অনিক আহসান বলেছেন: "বিজ্ঞান নামক কুয়ার মধ্যে নর্তন কুর্দন করতে করতে এরা ভুলে যায় যে এই কুয়ার বাইরে বিশাল একটা জগত আছে যা তাদের ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা সম্ভব না।"
------------------------------------------------------------------------------------- আমিতো জানতাম কাক পাখি ভাই একবিংশ শতাব্দীতে বাস করতেন... এখনতো দেখাতাছি...
১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: কি দেখতেছেন?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এইটা খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে লোকেরা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের ব্যাপারে সন্দিহান অথচ নিজেদের অস্তিত্ব তাদের কাছে আশ্চর্যের বিষয় মনে হয় না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই