অনেকেই বলছেন সবার আগে না ভোট। না ভোটকে আমিও শ্রদ্ধা জানাই। যেখানে ভাল(সৎ,যোগ্য,দেশ-প্রেমিক)প্রার্থী নাই সেখানেই না ভোটের জয় হোক। একবার হলেও আমাদের দেখিয়ে দিতে হবে আমরা এখনো ভাল মানুষকেই নেতা মানতে চাই। আচ্ছা ধরুণ এবার ২৯৯টি আসনেই না ভোট জয়যুক্ত হলো। তাহলে কী হবে।
-লজ্জায় কী সকল প্রার্থীরা দেশ ছেড়ে দেবেন।
-তারা কী আর কখনো নির্বাচনে যাবার সাহস দেখাবেন না।
-তারা কী নিজ স্ত্রী সন্তানদের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাইবেন এই বলে যে আমি দেশ-জাতির অনেক ক্ষতি করেছি, দেশের সবার কাছে মাফ চাইতে পারবো না তাই তোমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছা, এই নাকে ক্ষত দিলাম।
-তারা কী জাতীয় সংসদের সামনে দাঁড়িয়ে শপথ করবেন, আর কখনও এই সংসদে বসার জন্য জনগণের কাছে ভোট চাইবেন না।
-তারা কী রাস্তায় হাঁটবেন আর বলবেন আমি-একজন প্রার্থী যিনি না ভোট পেয়েছি-আমাকে না বলুন।
-তারা একই ভাবে সকলের কাছেই বলবেন আমাকে না বলা হয়েছে, আমি সমাজের কলঙ্ক।
-তারা বলবেন, আমি আমার সন্তানের বাবা এবং স্ত্রীর স্বামী হিসেবে লজ্জিত।
-আমি আমার লজ্জা রাখার জায়গা পাচ্ছিন না।
-লজ্জায় এই জীবনে ভাতে আর কখনো লবন খাবো না।- পানে খয়ের,চুন খাবো না।
-বাজারে গিয়ে তাজা মাছের বদলে শুটকি কিনে খাবেন একবছর।
- এমন আরো অনেক কিছুই তাদের করা উচিৎ।
তারপরও এখানে একটা কিন্তু থেকে যায়। কিন্তুটা হচ্ছে তারা আমাদের নেতা। তাদের মনের মধ্যে কী এইসব কথা কখনও বসবাস করে। তারা কী একবারের জন্য হলেও নিজেকে নিজের আয়নায় দেখেন। তারা কী.. তারা কী..
২৯৯জন না হোক আমরা অন্তত ৯৯টি আসনে না ভোটকে জয়ী করতে পারি। আসনগুলো হচ্ছে-
+ যেখানে যুদ্ধাপরাধীরা প্রার্থী
+ যেখানে দুর্ণীতিবাজরা প্রার্থী
+ যেখানে নারী নির্যাতকরা প্রার্থী
+ যেখানে মাদক ব্যবসার গডফাদাররা প্রার্থী
+ যেখানে সন্ত্রাসীরা প্রার্থী
+ যেখানে সন্ত্রাসীদের বাবা, ভাই, চাচা,মামা প্রার্থী
+ যেখানে দখলদার ব্যক্তি প্রার্থী
+ যেখানে ত্রাণের টিন,গম আত্মসাৎকারীরা প্রার্থী
+ যেখানে চাঁদাবাজরা প্রার্থী
+ যেখানে দলীয় নেতাদের হাতে লাঞ্ঞ্ছিতরা প্রার্থী
এই তালিকার বাইরেও অনেককে আমরা না বলতে পারি। প্রায় প্রতিটি আসনেই এমন প্রার্থীর সন্ধান মিলবে। তাই আমার ৯৯টি `না' জয়ী আসন পেতে খুব বেগ পেতে হবে না, যদি আমরা একটু সচেতন হই।
আর নিজেদের স্বার্থে আমরা একবার সচেতন হই, দেখি ফলাফল কেমন হয়। একবার সাহসে বুক বাঁধি, বুক চিতিয়ে দাঁড়াই, ভয় কী বন্ধু?
প্রায় প্রতিটি দল-জোট থেকেই না ভোট পাবার যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয় দেয়া হয়েছে। তারপরও জোট প্রধানরা দুর্ণীতি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে মাথা তুলে কথা বলে। ওইসব কলঙ্কীত প্রার্থীদের হাতে দলের প্রতীক তুলে দেন। তাদের জন্য ভোট ভিক্ষা চান। আমরা লজ্জায় মরি। তাই অন্য সবার সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলি আসুন না ভোট দেই। দেশকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচাই।
........................... লেখাটা শামীমমা সুমির যা প্রথম আলোব্লগে প্রকাশিত । ভাল লাগায় এখানে আবার দিয়ে দিলামাল তার কআেছ ক্ষা চাই

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


