কাল নির্বাচন, বাংলার ঘরে ঘরে আনন্দ
সবাই নতুন (আমার মত অনেক গরীব মানুষ পুরাতন কাপড়ও পড়বে) জামা কাপড় পড়ে ভোট দিতে যাবেন।
সবাই কেন্দে গিয়ে ব্যালট নেবেন। গোপন কক্ষে গিয় সিল মারবেন। অত:পর হাসি মুখে বাসায় গিয়ে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবেন। কেউ কেন্দ্রে গিয়ে ঝামেলা পাঁকাবেন না। সেনাবাহিনী-পুলিশ-আনসার সবাই সারা দিন শান্তিতে দায়িত্বপালন করবেন। স্থানীয়রা তাদেরকে সাহায্য করে ভোট কার্যক্রমও এগিয়ে নেবেন।
বিকেল নাগাদ প্রার্থীদের ভোট জমা হবে নির্বাচন কমিশনে। আর রাতের দিকে ফলাফল পাওয়া যাবে। যারা জয়ী হবেন তারা সবাইকে সাথে নিয় পরাজিত প্রার্থীর বাসায় গিয়ে কোলাকুলি করবেন, মিস্টি খাওয়াবেন। তারপর এক সাথে বিজয় মিছিল করবেন।
এর ক'দিন পর বিজয়ী মহাজোট/জোট মন্ত্রী পরিষদ গঠন করবেন। পরিষদে বিরোধী জোট থেকেও কমপক্ষে ১০জনকে যোগ্যতার ভিত্তিতে মন্ত্রী বানাবেন।
সংসদে গঠনমূলক আলোচনা হবে। তর্ক হবে উন্নয়নের স্বার্থে। রাস্তায় কেউ মিছিল নিয়ে হাঁক ছাড়বেন না। হরতালে চাকা থেমে যাবে না।
....
...
...
..
..
প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদের ভাষণ শুনতে শুনতে এই পোস্টটি লিখলাম। এতে তাঁর ভাষণের ছায়া পড়েছে। এটা স্বীকার করি। কিন্তু আমার এই পোস্টের সঙ্গে কেউ দ্বিমতও করবেন না এমনটা বিশ্বাস করি।
সবাইকে নির্বাচনী শুভেচ্ছা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


