নির্ঝরকে সম্বোধন নয়। বিনিময় এবং প্রতিযোগিতা দুটোই অস্বাস্থ্যকর
[কথোপকথন নিয়ে টানা-হ্যাচরা চলছে এখানে বেশ কিছুদিন। গত শতাব্দীর বাক্যালাপ আসছে বার বার রেফারেন্স হয়ে। আমরা কথা বলছি খুব বেশি, কথার বর্ণমালার প্রলম্বমন। দীর্ঘশ্বাস আটকে যাচ্ছে খুব বেশি। এখানে রাখছি কথা, প্রলাপ এবং গুমোটবাক্যনির্মান ]
নান্দীমুখ অবভাস: এক ভন্ড আরেক ভন্ড রে চিন্তোনা। হাহাহহাআ জবাব দিন
এক ভন্ড আরেক ভন্ড রে চিন্তোনা। হাহাহহাআ |মুছে ফেলুন |
আপনার জবাবটি লিখুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
আমি ও আমরা : নতুন লেখা পাচ্ছিনা কেন? | ব্লক করুন।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল : কারন আট বছর আগে ফিরে যাওয়া যায় না বলে।
---------আট বছর আগে ফিরে যাওয়া যায়না এটা মানলাম, কিন্তু আট বছর আগের কথা গুলো তো বলা যায়। এই ব্লগে আমি আছি কদিন ১ বছরও হয়নি। ২০০১ থেকে কোন কবিতা লিখিনাই এই ব্লগে আসার আগ পর্যন্ত। তার আগে অনেক অনেক আগে লিখতাম। কিন্তু এখন তো সব নতুন কবিতাই লিখছি।আমার শুক্রানু ফুরায়ে যাবেআমি নপুংশকও হয়ে যাবো কোন দিন।কিন্তু কবিতা জন্ম বন্ধ হবেনা।
আপনার জবাবটি লিখুন
আমার মাথায় কর্পূর উবে যাচ্ছে দ্রুত।
আমি ও আমরা: নতুন কবিতা লিখাটা একটা কাজ আবার সন্তানের মাথা আচরিয়ে দেয়া, নতুন জামা পরানো সেটাও একটা কাজ। যতদিন সন্তান বড় (বই আকারে) না হয়।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল : আমার একটি কাথাই মনে হল:
হেমলতা গাছের খুব কাছে উড়াউড়ি করছে আগুনপাখি
আমি ও আমরা:: উড়ুক উড়তে দাও , দেখিনা কেমনে উড়ে
তোমার লিখা ইদানিং পাচ্ছিনা। বাশ ঢুকছে নাকি ইদানিং, বাঁশ বাগানে চাঁদ।
তখন বিকাল, কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: আমি গতকাল রাতে ছিলাম ঊনকোটি পাহাড়ে। বাস-রেলিফ।
মাটির ভিতর থেকে হা করে আছে সব মুখ। একমুখি লিঙ্গ এবং সুডোল নর্তকী। লতা-ফুল। একটা দুটো কাক ও তিনপুরুষের দৈব কৃপা প্রত্যাশি পুরোহিত পরিবার। পাথুরে সবুজাভ ঐখানে গতকাল আমি সমকামি হয়েছিলাম বিরল পাহাড়ি ঘুনপোকাদের সাথে।
_________________________________
শুধু জানি জায়গাটা, অনেকটা গিয়ে সূর্য দুবার ডুবলে,ছায়া পড়ে: তখন আরো পনর কদম হেঁটা পথ।সোনার কাঠি-রূপার কাঠি গাটছড়া বাঁধলে ঢলে পড়বে খুমপুই।
শুধু জানি জায়গাটা, অনেকটা গিয়ে ।
[খুমপুই= ফুল/ফুলকন্যা]
আমার এখানের শেষ বেলায় তুমি কী লিখে সূর্য ডুবালে?
আমি ও আমরা:অসাধারন কথাগুলো।
আমার ব্লগ ঘর তোমাকে কুর্নিশ করছে।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল : আমি গতকাল সত্যিই ঐ পাহাড়ে ওঠেছিলাম।
সেখানে কবির অপেক্ষায় হাজার বছরের সময়। সরকারি সিঁড়ি বেশ কয়েকধাপ থাকলেও,কানে কানে ফিসফিস করে সব বলেছে, তুমি ছুঁয়ে দিলেই , সবুজ প্রচন্ড সবুজ আর পুষে রাখা দীর্ঘশ্বাস প্যারোলের মেয়াদ ফুরিয়ে দেবে।ফুঁপিয়ে ওঠবে রুংতিরুং তোমার ছায়ায়।
বাপী যাবে সেইখানে!
আমি ও আমরা: আমি যেখানে থাকি সেখানে খালি পাহাড় আর পাহাড়। আমি এই অনুভূতি গুলো রোজ পাই।
তুমি যাবে নাকি আমার সাথে।
ঘ্যান ঘ্যান চল না, কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: আমি গতকাল সত্যিই ঐ পাহাড়ে ওঠেছিলাম।
সেখানে কবির অপেক্ষায় হাজার বছরের সময়। সরকারি সিঁড়ি বেশ কয়েকধাপ থাকলেও,কানে কানে ফিসফিস করে সব বলেছে, তুমি ছুঁয়ে দিলেই , সবুজ প্রচন্ড সবুজ আর পুষে রাখা দীর্ঘশ্বাস প্যারোলের মেয়াদ ফুরিয়ে দেবে।ফুঁপিয়ে ওঠবে রুংতিরুং।
বাপী যাবে সেইখানে!
তোমার ছায়ায়।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: আমারও ত পাহাড় আর সমতলের অভিসন্ধিতে বড় হয়ে ওঠা।
তোমার ওখানের পাহাড়গুলো ভীষন শিক্ষিত আর ভীষন স্মার্ট।
এখানকার বোকা পাহাড়গুলো তোমার অপেক্ষায় আছে, আমার জন্য কোন পাহাড়ি বিছা ওত পেতে নেই।
আমি ও আমরা, দম চালাই , পেরেক মারি, পাহাড় দাড়িয়ে থাকে: সময় ঘড়ির ঘন্টাটা খালি বাদুরের মতন ঝুলে
আর সময় যত বাড়ে ততই আমার পায়ে পরে একেকটা শেকলের ভাজ
ইচ্ছা করলেই আমি যেতে পারিনা এখন বরং তোমার কবিতায় আমি বোকা পাহার খুজি
চল না বাপী, ও বন্ধু চল, কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: বাপী, আজ তোমার অফিস কী শেষ হবে না।
আমি ও আমরা: একটু পরেই বের হয়ে যাবো।শেষ হবে না।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: তোমাদের ওখানে এন ডি টি ভি দেখতে পাও কি? জানি না।
যদি থাকে, তোমাকে ঐ বোকাকে দেখিয়ে দেব
আমি ও আমরা: না দেখা যায়না। তাতে আপনার কী? তুমি বরং ছবি তুলে দিও। না থাক
ফাকিবাজদের ফাকিবাজিতে স্পর্ধা দিতে নেই।
কবিতাই লিখতে হবে
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: টুনটুনা টুন লাংটিলালা
লাংটিলালা টুনটুনাটুন
------------------------------------------------------------------------------
চল্ না বাপী চল্, কাকশালিখচড়াইগাঙচিল: ফোকর গলে ছড়িয়ে পড়া প্রাগৈতিহাসিক গুহার চাবি
আমি এক যুবক ঘোড়া এবং যুবতি ঘুড়ির সাথে উড়িয়ে দিয়েছি
ইশ্বরের প্রতি রেখেছে পুরানো তামাক ও ছত্রাক
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল ফোকর গলে ছড়িয়ে পড়া প্রাগৈতিহাসিক গুহার চাবি
আমি এক যুবক ঘোড়া এবং যুবতি ঘুড়ির সাথে উড়িয়ে দিয়েছি
পুনরাবৃত্তি হবে জানি তবু, শিশুহাত ইশ্বরের প্রতি রেখেছে পুরানো
তামাক ও ছত্রাক । হাতে রাখে তীব্র স্পর্ধা।
ওঁ ভ্রান্তি:
ছন্নছাড়ার পেন্সিল: হায়! আমি দেখি লাড্ডুগুড্ডু! ওদিকে মেতে ছিলাম মানবচরিতের বিচিত্র তর্কে। আগুনপাখি-কে মন্তব্যের ঘরে দেখে ভাবলাম পুরনো লেখায় কেউ নতুন মন্তব্য করছে। ক্লিক করতেই নেশাজমানো কবিতা!
ভালো লাগলো বাপ্পী ভাই আপনার মেটামরফোসিসোয়িত কবিতাটা! দারুন ভাঙন, সে ভাঙন থেকে নতুন জন্ম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

