বাতাসে জল শুষে নিতে পারে যে সংশ্লেষ তার রাসায়ন, তার ইশারা প্রতিবার ব্যর্থ লক্ষ্য থেকে ফিরে আসতেগিয়ে, বুঝেনেয় গুপ্তচর,
তিন রকম সম্ভবনায় থিতু হয়েছে: নিজেই করছে মজুত, নিহত, কিংবা জলজ।
কলঘরে, ভাতের থালায় নিরাসক্ত অনুঘটন জানিয়ে দেয় পরিনতি। রক্ত
চুইয়ে চুইয়ে পুস্টিমূল্যে সন্ধান দিয়ে ফেলে সংক্রমন থেকে পুজের।
কিছু না জেনেই হঠাৎ বড়হয়ে যাওয়া প্রতিলিপি ফুসফুসের রক্তজাল ও বাতাসের বিনিময় ফাঁক ভরাট করতে থাকে সেইদিয়ে একদিন যা মাটি ছিল, জীবন ছিল, ঘাসের শিকর ধরে ছিল। মুখের উপরের গন্ধ মনে করে বোঝানো যায় না নিজকে।
---- বিস্তৃত:
মুখের উপর থেকে সরে গেছে প্রাথমিক গন্ধ
এককাল সহ যাবতীয় তিনকাল পরে আছে
ভিতর দরজার বৃষ্টিদেখা চিলতে ধূলার বসবাসে
এই হাত নোটের ময়লা ধরে অচল পয়সা জমিয়ে
তোলে আরও গোপনে। যতটা বেড়েছে ঘাস খাবার ও
জলের অভাবে, সংসারে লেগেছে ততই কথা ও সন্ত্রাস।
ঠোঁট ছুঁয়ে নির্ভরতা ভাগবাটোয়ারা হিসাব নিকাশ
জেনেই গেছি যখন দালালির কৃতবিদ্যা সাবলম্বন
টুকরো পাথর পর পর রেখে বানাই নিরাপদ ফুসফুস ও ফুটো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

