পোষাকের ভিতর বাসকরে যে অস্পৃশ্যতা, রঙ পাল্টে যেন দাগবিহীন মোহ। সেখানেই সব আপত্তি গেঁথে রাখা, আসলে শর্তাধীন।
গলির মুখের প্রথম বাড়িটি, এরকমই বর্ণনা পরিচিত।তখনও গলি ধরে ঢুকে পড়েনি হাহাকার বেরিয়ে আসার গর্ত ও খোড়াখুঁড়ি , ফলে প্রথম বাড়িটি গল্পে ছড়ায় রাস্তারমোড়ের মালিকের কামসূত্র।
অনেক যতি পেরিয়ে গেলেও, তার সময় হয়নি। মেয়েটি যদিও ঝুল বারান্দায় দাঁড়ায়, বাহু যতটা চওড়া, গলা ও মাথা ততই ঝুলে থাকে বলে, চোখ তুলে একবার তাকালেই ছাপাকর্মী শেষরাতে হাই দিতে গিয়ে, পেচ্ছাপ, থুথু দিয়ে চেপে রাখেন, কয়েকফর্মা গুমখুন।
তারপরও যেখানে শলা পরামর্শ, রাস উৎসব, নিতান্তই আক্ষেপ সহ কোমড়ঢিলে দিয়ে হেলানো কসরত। সেইসব শর্ত বেয়ে ওঠার খুচরো দোকানদারি। চৌচালার খাতা কিনে, আলাদা পাতায় ঠেক-বাকী অঙ্ক।
যাইহোক, ব্ক্তব্য এই যে গলি ধরে এখন ঢুকেছে সূত্রানুসন্ধান। সেই পথ দিয়ে আনাগোনা করে ছা-পোষা অভিযোগ-আলাপ, মোড়ের মালিক 'কুকর হইতে সাবধান' নোটিশ তুলে দিয়ে, জানিয়ে দিচ্ছেন, নিজেরা অতি সুরক্ষিত। যেকোনও শর্তেই কোনও আপত্তি রাখেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


