কবিতাকে আমি বৈশ্বিক মনে করি। যেহেতু আমাদের অবিমিশ্র সংস্কৃতির কোনো ইতিহাস নেই।
কবিতা ধরবে সময় এবং সমসাময়িক প্রকরণ। যা প্রথাকে ছিন্ন করে। নতুন প্রকরণ তৈরি করে--নির্ঝর নৈঃশব্দ
_____________________________________________
নির্বাহী গুণহীন ছাঁটাই পরিধি নিয়ে চলে যাই অন্ধকারে
এসো, কিছু সাধারন কথা বলি---দীপঙ্কর
_____________________________________________
সাধারন কথা। কী সে কথা ! সুন্দর কী সাধারন ! সাধারন কী অভুক্ত পাকস্থলীর পরিচ্ছন্ন দেয়াল। অথবা টইটম্বুর সৌষ্ঠবে সামান্য প্রসাধন !
অন্ধকারে কেন যাওয়া! আলো ছাড়া কোথায় ফুটে ওঠে জীবন চর্চা !
এই ছাপানো অক্ষর-সংযোগও প্রতিফলিত ঘটনা।
ছাঁটাই পরিধি -কথাটি নিতান্তই কোনও ছবি তৈরী করে না। নির্বাহী যেখানে অনুপযুক্ত , বাতিল না হলেই অপরাধ। এখানে গুণহীন প্রকরনের জাহির কেবল ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়া কিছুই না।
এসবই সাধারন কথা। যা দিয়ে দিনপাত হয়। সকাল-সন্ধ্যে এক হয়ে যায়।
কবিতা সময়কে ধরে থাকে : সময়ই একমাত্র যা সংজ্ঞা নিরপেক্ষ বাধ্যতামূলক পরিবর্তনকামী, যার পার্থক্য-চরিত্র সমান্যই আলাদা : চেহারা দেখে চেনা যায় বিভেদ। সময়, তার নিজের অনকে অনেক সময় কাটিয়ে, বজায় রাখা পরিবর্তন উন্মোচন করে, যা ইতিহাস। তা সাধারন।
সেই ইতিহাস নেই, ঘটনা থাকে, তার প্রক্রিয়া কাজ যা সময়ের অনুপাতি, সেটাই চূড়ান্ত অনুঘটনে ইতিহাস।
কবিতায় কোথাও, সময়ের বাধ্যতামূলক গতি ধরা থাকে না, বাস্তবিক ধারাবিবরনী'র খোলে--এই শেষ তিনটে শব্দই সাধারন হতে গিয়ে প্রথাকে ছিন্ন করে, এই সংশ্লেসে ।
যেখানে সময়, পাল্টে যায়, মুহূর্তেই আক্ষরিক নতুন, চরিত্রে অভিন্ন, প্রতিটি পাশাপাশি সম্পর্কিত এককে, সেখানে দূরবর্তী দুই অন্তসংযুক্ত সময়ক্ষেপ, আক্ষরিক ভিন্ন চরিত্র কিংবা প্রচ্ছায়া। এটি বোধকরি বৈশ্বিক প্রকরন।
এই ইতিহাস নেই, থাকা অনুচিত, সেটি হয় না, ইতিহাস অতীত সংবেদন। এখানে সময় নিরন্তন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


