আমার প্রিয় পোস্ট
- নবীনদের জন্য - নাদান
- একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি - মুকুল
- আমার মেয়ের নামে বন্ধক রেখো আসমানদারী - আজহার ফরহাদ
- ভিডিও দলিল: শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি তাঁদের আত্মত্যাগ - মানবী
- কেন লিখিনা - সামী মিয়াদাদ
- ফিরে পাওয়া মুখ - সুলতানা শিরীন সাজি
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-১ - মানচুমাহারা
- দুঃখপাচার - মুজিব মেহদী
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- সপ্তাহের নির্বাচিত ব্লগ [১৬ ডিসেম্বর - ২২ ডিসেম্বর] - একস্লিপ
- সামহোয়ারে ৩য় সংস্করনে কমেন্টে যেভাবে লিংক এড করা হয় - নাজিরুল হক
- উইকিপিডিয়া খুঁজছে --- আপনাকেই!! - রাগিব
- ব্লগার আড্ডার কয়েকটি ছবি.. - নতুন পৃথিবী
- ব্লগারদের মিলন মেলার কিছু ছবি !!! - সুখী মানুষ
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- সাহায্য চাই: ল্যাপটপে ভাইরাস: আইটি এক্সপার্টরা, বাঁচান.. - রাহী
- একা - সুলতানা শিরীন সাজি
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- পিডিএফ ফাইল তৈরির সফটওয়্যার ডুপিডিএফ (DoPDF) - বিপ্র
দুটি সংলাপের একটি কল্পচিত্র
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
প্রেক্ষাপটঃ (কল্পনা)
ঝাকরা চুলের বাবরী দোলানো কালপুরুষের বয়স তখন চব্বিষ কি পঁচিশ। কবি মানুষ। পড়নে খাদির পাঞ্জাবী, কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। মেয়েটির নাম কেউ জানেনা।সবাই বলে দেবীপ্রতিমা।
সেদিন ১৪ ই ফেব্রুয়ারী। কেউ বলে বন্ধুত্ব, কেউ বলে ভালোবাসার দিন।
ভোর হইতেই অতিশয় ভদ্র ,লাজুক কালপুরুষ নিজের সমস্ত লজ্জা,উৎকন্ঠা আর উদ্বেগ কে পাশ কাটাইয়া হাতে এক খানা চিরকুট লইয়া ,সটানে পদ্মদিঘীর পারে গিয়া হাজির হইলেন-উদ্দেশ্য দেবীপ্রতিমার জন্য গতাকাল সারা রাত জাগিয়া লেখা সংলাপ দিঘীর পাড়ে বসিয়া একবার আওড়াইয়া লওয়া। কালপুরুষ তার আবেগ ভরা কন্ঠে উচ্চারণ করিলেনঃ
আজ আমায় একটা গোলাপ উপহার দেবে কী? হোক সে
গোলাপ যে কোন রঙের- লাল, সাদা, হলুদ, গোলাপী- যে
কোন একটা হলেই হলো- দেবে কী আমায়? পথের ধারে
ফুলের দোকান। শত শত বাহারী ফুল। দু’টাকা, পাঁচ টাকা,
দশ টাকা- খরচ করলেই পেতে পারি পছন্দের কোন তাজা
গোলাপ। সেতো উপহার নয়, ভালবেসে কারো দেয়া নয়।
তুমি বন্ধু, তোমার কাছে একটা গোলাপ চাইতেই পারি।
দেবে কী আমায় একটা গোলাপ? নাইবা হলো তা লাল।
অন্য রঙের হলেও বা কম কিসের? তোমার দেয়া একটা
গোলাপ চাই’ই আমার চাই। থাকুক তাতে বিষের কাঁটা,
থাকলো না হয় লুকিয়ে কীট- প্রাণের যদি ছোঁয়া থাকে
দেখবো না আর অন্য কিছু। ভাবছো কেন অমন করে?
দিলেই না হয় ভালবেসে, সামান্যইতো একটা গোলাপ।
মনে করো, আজকে আমার জন্মদিন। হাসলে যে! ঈদের
খুশী ভেবেই না হয় দিলে একটা লাল গোলাপ। মেহেদী
রাঙ্গা হাতে তোমার মানায় ভাল লাল গোলাপ। তোমার জন্য
হতে পারি ছোট্ট সে এক ফুলদানী, তুমি কী তবে গোলাপ হবে?
ঠিক এই সময় গাছের আড়াল হইতে দুষ্ট কালবেলা বাহির হইয়া বায়না ধরিল বৃত্তান্ত কি জানিবার।যাবতীয় বৃত্তান্ত বুঝিয়া শুনিয়া,কালবেলা ঈষৎ হাসিয়া কহিলঃ
মনে যদি ধরে
ফুল রাখা দানী,
নিশ্চিত জেনো
আসিবে ঘুর্নি।
‘প’ চলে যাবে সবার আগে
সাথে নিয়ে যাবে ‘ল’ এর ‘আ’ কার
গোঁ ধরে থাকা ‘গ’ এর ‘ও’ কার
থাকল কি না, থাকল-
‘ল’ বেচারী শেষে বসে,
‘পাগল’ বনে রইল।
স্বপনের ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখো-
মুঠোয় ধরা ফুলদানীতে,
পাগল হয়ে চেয়ে রবে সে
গোলাপ ভেবে যারে চাহিতে!
(কপিরাইট সংক্রান্ত পুনশ্চঃ লেখার কালপুরুষ চরিত্র টির সংলাপ টুকু কালপুরুষ’দার ব্লগে লেখা“তুমি কী তবে গোলাপ হবে?” কবিতাটির হুবহু কপি এবং কালবেলা’র সংলাপটি উক্ত কবিতায় আমার নিজের করা মন্তব্য।)
খুবই ভালো লাগলো।কালপুরুষ আর কালবেলা একসাথে হোক।দিকে দিকে দিগ্বিজয় তাতে ছরিয়ে পড়বে নিশ্চয়।
কালপুরুষের দিগ্বিজয়
গোলাপের ক্ষয় কি হয়?
এটা না হলেই নয়
পাগলীর কথার মায়ায়
দুরে কি থাকা যায়।
গাছটিও গেনেছিলো,হায়।
ফুলদানী ঘুর্ণি জড়ায়,
দ্যাখে,কালবেলার কালজয়!
লেখক বলেছেন:
মূয়ীজ,
বেশি হয়ে গেল না? 
কালপুরুষ বলেছেন:
কালবেলা, আমার সামান্য লেখা নিয়ে আপনার কল্পনা চিত্র আমার প্রতি সম্মান দেখানোর সামিল। আমি অন্তর থেকে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আপনার ভাবনাকেও সম্মান জানাচ্ছি। আপনার মম্তব্যকৃত কবিতা আমার পোষ্টকে আরও বেশী সমৃদ্ধ করেছে। আপনার সুকোমল হৃদয় আরও বেশী সমৃদ্ধ হোক, অগুনিত মানুষের ভালবাসায় সিঞ্চিত হোক- এই শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ কালপুরুষ দা।
কালপুরুষ চায় ফুলদানি হ'তে
সেথায় রাখিবে গোলাপ ফুল।
হোক সে নানান রং এর
হোক সে নারীর কানের দুল।
বাহারী সব গোলাপের তরে
কালপুরুষের নাইকো হুশ্
কালবেলাকে ডাকিয়া বলে
গোলাপ পাইলে হইবো খুশ্।
কালবেলা বলে:
"মনে যদি ধরে
ফুল রাখা দানী,
নিশ্চিত জেনো
আসিবে ঘুর্নি "
উত্তোরাধিকার আসিয়া বলে।
এসেছি আমি সাত পাক ঘুরে।
রং ধনু হ'তে আনিয়াছি আমি
সাতটি গোলাপ ফুল।
ফুলদানি হ'বে আজ কালপুরুষ।
কালবেলা হ'বে প্রেমিক পুরুষ।
(স্বপন দেখিয়া কাটাবে রজনী)
উত্তোরাধিকার একথা বলিয়াই কাব্যবন হইতে চলিয়া গেলো।
শুভেচ্ছা.......।
লেখক বলেছেন:
ও রে খাইছে,
শিরীন জি.........বহত খুঊব...বহত খুঊব।
আপনি ভালো বলেন বলে এখনো আমার মত অনেকেই লেখালিখিটাকে অন্তর থেকে উপলদ্ধি করি।
সশ্রদ্ধা রইলো এবং শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
হি.........হি.........আছি আছি...।
আমি রাগ ইমনের ' দুই ঠোটে বিষ নিয়ে থাকি অপেক্ষায়' এর চক্করে পড়সিলাম। কি যে সব লেখে না! মারাত্নক ভালো লাগে।
আপনিও তো দেখি কম যান না !
আচ্ছা আপনি মাধুকরী পড়েছেন নিশ্চই। আমার এখন পুরাটা মনে নাই, ঝাপসা ঝাপসা মনে আছে। ওখানে মাঝে মাঝে ই কবিতা অথবা শায়েরীর আসর বসার বর্ননা আছে না? রাতভর? গহীন বনের মধ্যে একটু খোলা জায়গায় ,সামনে বারবিকিঊর আগুন জ্বলছে-পোড়ানো হচ্ছে শিকার করা মাংস - আর চলছে শায়েরী/ গজল নয়ত কবিতা পড়া......ঝাক্কাস। আমার কেন জানি ঐ ধরনের একটা চিত্র চোখে ভেসে উঠল !
ধন্যবাদ শিরিন।
কালপুরুষ বলেছেন:
বেলা শেষে কালবেলা ফিরলো বাড়ি কাল রাতে;
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি
গোলাপ ছিল তার হাতে।
সাজি নিয়ে শিরিন এলো
রাখবে ভেবে গোলাপ ফুল;
ঘরে রাখা ফুলদানি এক
ভেবে না পায় তার কী ভুল!
সুলতানা তার মুখখানিতে
ছড়িয়ে দিল মায়াবী হাসি;
নারী ও ফুল স্নিগ্ধ কোমল
তাইতো অমন ভালবাসি।
বইটা অনেকবার পড়েছি।এখনো সুযোগ পেলে পাতা উলটাই......
বইটার মধ্যেকার কিছু চিঠি ....কূর্চির ,রুষার আমার কাছে অসম্ভব ভালো লাগতো।
সেগুলোর কিছু শিমুল মুস্তফা আবৃত্তির মত পড়েছেন।
কালপুরুষ :আপনার লেখা দারুন।খুব ভালো লাগলো,
" বেলা শেষে কালবেলা
ফিরলো বাড়ি কাল রাতে;
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি
গোলাপ ছিল তার হাতে।
শুভেচ্ছা নিন দুজনেই।
খোলাচিঠি বলেছেন:
কালপুরুষের কবিতাটাতো ইনোভেটিভ ছিলই, কালবেলার প্রতিভা সেটাকে আরও ক্রিয়েটিভ করলেন। @ সুলতানা শিরীন সাজি,
আপনার মন্তব্য দুটোরই সৌন্দর্য আর বাড়ালো।
তিন জনকেই করোতালি।
লেখক বলেছেন:
খোলাচিঠির ,
অসংখ্য ধন্যবাদ। আবার আসবেন।
কালপুরুষ বলেছেন:
ধন্যবাদ @খোলাচিঠি।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
হুম্ম।
সবই পড়লাম।
চমৎকার।
সবাইকে প্লাস - আমি ছাড়া...।
কেননা বর্ণিত উত্তরাধিকার টি আমি নই ...।



















কালপুরুষ'দা,
আপনার অসাধারন কবিতাটির নিচে করা আমার মন্তব্য কবিতাটি একসাথে পোস্ট হিসাবে রাখার জন্য এই আয়োজন।