আকাশে মেঘ ব্যতীত অন্যকিছু দেখিতেছি না...

কেন ঐশী ধর্মের মহাপুরুষগন বারংবার জন্মলাভ করেন পূবে আর পশ্চিমে দর্শন দেন বৈজ্ঞানিকগন...

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

পূবে বিশেষত বঙ্গদেশে যখন কার্যকারণ অনুসন্ধান কিংবা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষনের যাবতীয় প্রয়াস বিশ্বাস নামক অন্তসারশুন্য বস্তুর শৃঙখলে আবদ্ধ, তখন কারণ এর বিচিত্র ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন-অনুসন্ধানের মাধ্যমে সুচতুর পশ্চিম করায়ত্ত করিয়াছে টুলস এন্ড টেকনোলজি নামক চাবুক এবং সেই চাবুকের কষাঘাতে জর্জরিত আমরা। আমাদিগের পরামারাধ্য দেবতাবৃন্দ, আল্লা, ভগবান, কৃষ্ণ ও মোহাম্মদের টেনশনে আমরা যখন মুগ্ধ এবং গর্বিত মীমাংসার প্রশান্ত ভুমিতে নিজ নিজ মস্তিস্ক সমাহিত করিয়াছি, তখনতো শ্বেতচর্মধারীদের ভারি সুবিধা, - আমাদিগকে বিজ্ঞানের মধ্যে না রাখিয়া বিজ্ঞানের ব্যবহারজীবি তথা ক্রেতায় পরিণত করিবার সুবর্ণসুযোগ তাহারা ছাড়িবে কোন দুঃখে?

যে দেশে জগদীশচন্দ্র সত্যেনবোসের চাইতে পীর-ফকির-আউলিয়া অত্যধিক সমাদৃত, বৃহদাকার ডিগ্রী লইয়াও যে বুদ্ধিজীবি জ্যোতিষের প্রদত্ত প্রস্তর অঙ্গুরীয় ধারন করেন, দর্শনচর্চ্চার নাম করিয়া টুপিদাড়ির মজমায় মজিয়া যান এবং যে দেশে পাঠশালার পরিবর্তে ধর্মশালাগুলোর প্রবেশ এবং প্রস্থানপথ পদশব্দে মুখরিত হইয়া উঠে, - সেদেশে আমরা মরিস বুকাইলির ক্রোড়ে বসিয়া পবিত্র গ্রন্থের ভিতরে অতুলনীয় সব পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গনিতশাস্ত্র সন্ধান করিতে করিতে কোন একদিন মহা আবিষ্কারক হইয়া উঠিব ইহাতে সন্দেহ নাই।

ধন্যবাদ হে ঐশী ধর্মের মহাপুরুষগন! আপনারা বারংবার এই ভুমিতে আর্বিভূত হইয়া আমাদিগের ক্রীতদাস পদমর্যাদা অক্ষুন্ন রাখুন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞানচেতনাধর্ম ;

 

  • ১৬ টি মন্তব্য
  • ২৬০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬
comment by: ভক্কডা বলেছেন: ইলিশ মাছের তিরিশ কাটা
বোয়াল মাছের দাড়ি
তোর মায় রাইতে যায় আমার বাপের বাড়ি
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: ভক্কডা মহাশয়, অতীত লইয়া পড়িয়া থাকিলে চলিবে?

২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩১
comment by: বিহংগ বলেছেন: যে দেশে জগদীশচন্দ্র সত্যেনবোসের চাইতে পীর-ফকির-আউলিয়া অত্যধিক সমাদৃত, বৃহদাকার ডিগ্রী লইয়াও যে বুদ্ধিজীবি জ্যোতিষের প্রদত্ত প্রস্তর অঙ্গুরীয় ধারন করেন, দর্শনচর্চ্চার নাম করিয়া টুপিদাড়ির মজমায় মজিয়া যান এবং যে দেশে পাঠশালার পরিবর্তে ধর্মশালাগুলোর প্রবেশ এবং প্রস্থানপথ পদশব্দে মুখরিত হইয়া উঠে, - সেদেশে আমরা মরিস বুকাইলির কোলে বসিয়া পবিত্র গ্রন্থের ভিতরে অতুলনীয় সব পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গনিতশাস্ত্র সন্ধান করিতে করিতে কোন একদিন মহা আবিষ্কারক হইয়া উঠিব ইহাতে সন্দেহ নাই।
*****
৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লেগেছে.....সত্যি
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: আয়ুষ্মান ভবঃ।

৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১০
comment by: হাসিব বলেছেন:
ফটুক্টা দেইখা হাবিব মহাজনের কথা মনে পড়লো । উনি এই ফটুক্টা প্রফাইলে লাগায় রাখতেন ।
৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
comment by: মদনবাবু বলেছেন: ++

আমি টইটেল দেইখাই কাইত । ধন্যবাদ পন্ডিতজী ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: ॐ শান্তি, ॐ শান্তি !

৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৯
comment by: মদনবাবু বলেছেন: **টইটেল = টাইটেল**
৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
অতি উত্তম হইয়াছে...
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: স্বীয় টিকিখানি মহাশয়ের ব্লগে লিঙ্কায়িত দেখিতে পাইয়া যৎপরোনাস্তি কৃতার্থ হইলাম।

৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
comment by: কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: ঐশীবিধানগুলি মুলত মায়ার কুহকজালে জ্ঞানকে আবদ্ধ করেছে এতে দ্বিমত নাই। প্লাস।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: ঐশীবিধান বিক্রেতাগন শৃগালবৃত্তিতে পারঙ্গম কুটনীতিক; প্রকৃতার্থে শোষক।

৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০২
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: "সেদেশে আমরা মরিস বুকাইলির ক্রোড়ে বসিয়া পবিত্র গ্রন্থের ভিতরে অতুলনীয় সব পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গনিতশাস্ত্র সন্ধান করিতে করিতে কোন একদিন মহা আবিষ্কারক হইয়া উঠিব ইহাতে সন্দেহ নাই।"
১০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৯
comment by: নেমেসিস বলেছেন: সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছেন ।
১১. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
comment by: দ্বিধা বলেছেন: জটিলস্য...

 

 


মৌর্যযুগ অবসিত হয় নাই!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৫১০৪