ঘোড়া : উপযোগিতাপর্ব্ব (দ্বিতীয়াংশ)
২৩ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
পড়ে আসুন: ঘোড়া : আকৃতিপর্ব্ব | ঘোড়া : প্রকৃতিপর্ব্ব
ঘোড়া : খাদ্যপর্ব্ব | ঘোড়া : আয়ুপর্ব্ব | ঘোড়া : উপযোগিতাপর্ব্ব (প্রথমাংশ)
... আমার বারান্দায় একটা সিংহাসন। আকাশ আর মাটির মাঝখানে। আমি আকাশকে বলতে পারি হে টুথপেষ্ট, - এই আমার টুথব্রাশ। এতে তোমার নীল পেষ্ট একটুখানি দেবে?
আর আমি মাটিকে বলি, শুনছো, তোমর ঐ সবুজ পাতার এককাপ চা খাওয়াবে? মটি কতো ঠান্ডা। তার উপর দিয়ে গরু হাঁটে, কুকুর হাঁটে, ছাগল হাঁটে, সাপ হাঁটে। হাঁটে আর হাঁটে।
আর রোদ? সে যে কি? সে যে কি? সে যে কেমন? আহা। ...আমার একটি হাত আছে। তাতে পাঁচটি আঙুল। আঙুলে নোখ আছে। নোখ নারীর ত্বক কেটেছে অসংখ্যবার। স্তন খুঁটেছে অসংখ্যবার। পিঠের মাংস খাবলে দিয়েছে অসংখ্যবার। তাতে পাওয়া গেছে এই রোদ!
রৌদ্রতপ্ত ক্রুদ্ধ ক্লান্ত অশ্বের কাছাকাছি রোদ ...
অগ্নিদগ্ধ আস্তো আস্তাবল ভস্মকৃত গলিত দগ্ধ অশ্বমাংসের গন্ধ এই রোদে ...
এই রোদের ভেতরে ভেতরে , রঙধনুর সাতরঙের চলাপথে চুটন্ত উদ্ধশ্বাসী ঘোড়দৌড়...
তারপর হাততালি।
(চলবে...)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): একটি উত্তরাধুনিক বাংলা গল্পের খসড়া ;
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কানা বাবা বলেছেন:
পন্ডিত কি মর্ত্যধাম ত্যাগিয়া সুরলোকে মাইগ্রেট কোর্ছে নিহি?
ম্যালাদিন হৈলো টিকিটিরও দ্যাখা নাই!
মাইনাচ্... মাইনাচ্... মাইনাচ্...
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:
মর্ত্যধামেই রহিয়াছি। যে মুঠোফোন খানি দিয়া আমি অন্তর্জাল ব্যবহার করিয়া থাকি মাসকাধিকাল যাবৎ উহা নিষ্ক্রিয় পড়িয়া থাকায় কিয়ৎকাল অন্তর্ধ্যানে থাকিতে হইয়াছে। এতদ্ব্যতীত কিঞ্চিৎ ইহজাগতিক সমস্যাও রহিয়াছে উহাদের সমাধানপুর্বক প্রত্যাগমনের আশা রাখি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















যথা পূর্ব্বং, তথা পরং...