আমার প্রিয় পোস্ট
- লালসালুর ‘ধর ধর শিবির ধর, সকাল বিকাল নাস্তা কর’ এবং আমার অভিজ্ঞতা - মোহাম্মদ লোমান
- দক্ষিন তালপট্টি :বাংলাদেশের দাবী ও আন্তর্জাতিক আইন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- চুক্তির দিনই ভারত বেরুবাড়ির মালিক হয়েছে- বাংলাদেশ আজও পায়নি তিন বিঘা ।১৬২ ছিটমহল মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৬ মাসের মধ্যে বিনিময়ের কথা থাকলেও ৩৫ বছরেও হয়নি - ইমন১৯২৪
- প্রিয় কবিতাঃ কাজী নজরুল ইসলাম - জলপাই দেশি
- বর্তমান পদার্থবিদ্যার এক বিতর্কিত বিস্ময় LHC - সালাহউদ্দীন আহমদ
- জনৈক বেরসিকের বিটিভি ম্যাগাজিন দর্শন - সীমান্ত আহমেদ
- যদি বিবর্তন(আপনারা যে রূপ বলেন) সত্য হয়, তাহলে অন্যায় শ্রেষ্ট । (নাস্তিকদের মতামত ও জানতে চাই) - ফুয়াদ০দিনহীন
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- একটি কর্মঠ খরগোশ আর দুটি নীতিবাক্য - আশফাকুর রহমান
চুক্তির দিনই ভারত বেরুবাড়ির মালিক হয়েছে- বাংলাদেশ আজও পায়নি তিন বিঘা ।১৬২ ছিটমহল মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৬ মাসের মধ্যে বিনিময়ের কথা থাকলেও ৩৫ বছরেও হয়নি
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
এই চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদের ১৪ উপঅনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ভারত দক্ষিণ বেরুবাড়ি ইউনিয়ন নং-১২ এর দক্ষিণ দিকস্থ অর্ধাংশ ও পার্শ্ববর্তী ছিটমহলগুলোর অধিকারী হবে, যে এলাকার পরিমাণ প্রায় ২.৬৪ বর্গমাইল এবং বিনিময়ে বাংলাদেশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহলের অধিকারী হবে। বাংলাদেশের পানবাড়ী মৌজার (পাটগ্রাম থানা) সঙ্গে দহগ্রামকে সংযুক্ত করার জন্য ভারত বাংলাদেশকে �তিনবিঘা' নামে ১৭৮ মিটার * ৮৫ মিটার এলাকা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেবে।
১৯৭৪ সালের এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর পেরিয়ে গেছে। ভারত চুক্তির দিনই বেরুবাড়ির মালিকানা স্বত্ব বুঝে নিয়েছে। কিন্তু বিনিময়ে বাংলাদেশকে আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম যাওয়ার জন্য তিন বিঘা জমির করিডোরটি আজও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেয়নি
মূল পোস্ট- ইমন১৯২৪
গোপন ও প্রকাশ্য বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমেও বাংলাদেশকে রাতারাতি ভারতের ইচ্ছার অধীনস্থ করা হয়েছিল। এই কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী নতুন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ বেরুবাড়ি ভারতের হাতে তুলে দেয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ভারত পেয়েছিল ফারাক্কা বাঁধ চালু করার সম্মতি। এই সম্মতির ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য মরণ বাঁধ হিসেবে চিহ্নিত ফারাক্কা বাঁধ চালু করার ব্যাপারে ভারত নিয়েছিল চাতুরিপূর্ণ কৌশল।
মূল পোস্ট - আশরাফ রহমান
১৯৭৪ সালের ১৬ মে ‘ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তি’র মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশাল ছিটমহল বেরুবাড়ির দখল চিরতরে নিয়ে নেয়। চুক্তি ছিল বেরুবাড়ির বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশকে তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তর করবে। কিন্তু ভারত বেরুবাড়ির দখল নিলেও অধ্যাবধি বাংলাদেশকে তিনবিঘা দেয়নি। এছাড়া ‘ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তি’ কে ভারতের লোকসভা (পার্লামেন্ট) আজও পর্যন্ত অনুমোদন দেয়নি। ফলে বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার অধিবাসীদের মূল ভূ-খণ্ডে যাতায়াত করার জন্য ভারতের অনুগ্রহের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তিনবিঘার মধ্য দিয়ে করিডোর দিলেও ভারত ঘড়ি ধরে বাংলাদেশের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করছে।
মূলপোস্ট -ব১কলম
আরেক মজার পোস্ট (by এ. এস. এম. রাহাত খান)ও আমি ব্লকড
লেখক বলেছেন: কে কইছে দেয় নাই?উপরের ছবিটাতে তিন বিঘার সামনে বসে তুলা।তার পর করিডোর দিয়ে হেটে ছিট মহলে যাই।
তবে কি কারনে ৯২ পর্যন্ত বিলম্ব হয়েছে তাও পোস্টে আছে।
(বলতে পারেন ২৪ ঘন্টা কেন এখনও দিচ্ছে না)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সুধাসদন বলেছেন:
কথা না রাখাই ভারতের নীতি। তারপরও আমাদের নেতারা তাদের চিনলো না!
লেখক বলেছেন: চিনলনা তো চিনলনা। এখন আবার দাদাদের নিয়া বুক ও ফোলায়। হাসিবু নাকি দাদাবাড়ি যাবেন। এখন সব দিয়া আসার মতলব।
দিগন্ত বলেছেন:
১৯৭৪ সালের ১৬ মে ‘ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তি’র মাধ্যমে বাংলাদেশের বিশাল ছিটমহল বেরুবাড়ির দখল চিরতরে নিয়ে নেয়। চুক্তি ছিল বেরুবাড়ির বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশকে তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তর করবে।- চুক্তির কোনো ডকুমেন্ট আমি পাইনি যাতে ছিটমহলের কথা বলা আছে।
Click This Link
বিডি আইডল বলেছেন:
এসব নিয়ে আপচুস করে লাভ নাই...
ধীবর বলেছেন:
নেপালের সাথে বানিজ্য করার জন্য করিডোর দেবার চুক্তি করলেও, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ভারত, আমাদের সাথে করা সেই চুক্তিকে সম্মান করেনি। এ রকম অজস্ত্র উদাহারণ আছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয় যে, ভারত আমাদের সুপ্রতিবেশি নয়। এবং তাদের স্বার্থ সংরক্ষন করার অর্থই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করা। +
দিগন্ত বলেছেন:
চুক্তি ছিল বেরুবাড়ির বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশকে তিনবিঘা করিডোর হস্তান্তর করবে।- ঠিক নয়, চুক্তি ছিল ভারত তিনবিঘা লিজ দেবে।
ক্লান্ত ঈগল বলেছেন:
হমম...........বাংলাদেশের মাথায় কাঠাল ভাঙসে এই তো আসল কথা....।এটা সবাই করে.......তবে তথ্য টা নতুন জানলাম
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















