তারগুলি পিতল এবং রেশমের পাকানো সুতা দিয়ে তৈরী। দোতারার তারগুলি ধ্বনির বিচারে জিল তার, সুর তার, বম তার ও গম তার এই চার ভাগে বিভক্ত। মাঝারি আকারের ডই-এর মতো কাঠের ফ্রেমে চামড়া ও তার বেধে দোতারা তৈরী করা হয়। তারগুলিকে ফ্রেমেমের নিচ থেকে উঠিয়ে মাথার কানের সঙ্গে পেঁচিয়ে বাঁধা হয়, যাতে কান ঘুরিয়ে সেগুলির ধ্বনি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দোতারার মাথায় কাঠ কেটে ময়ƒরাদি পাখির নকশা করা হয়। এর কটি তৈরী করা হয় গরু-মহিষের শিং, হাড় বা কাঠের টুকরা দিয়ে। রংপুর অঞ্চলে একে বলা হয় চুটকি বা খুটনি।
এই বাদ্যযন্ত্রটি বসা অবস্থায় পায়ের ওপর রেখে এবং দাঁড়ানো অবস্থায় গলার সঙ্গে ঝুলিয়ে বাম হাতে আড়াআড়িভাবে ধরে ডান হাতে কটির ঘর্ষণ দিয়ে বাজানো হয়।
আমাদের দেশে ভাওয়াইয়া গানে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ভাওয়াইয়া ছাড়া ও মুর্শিদি, জারি, মারফতি, ভাটিয়ালী ইত্যাদি গানে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে কিছু আধুনিক গানেও এর ধ্বনিরস খুজে পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের কিংবদন্তি দোতার বাদকদের মধ্যে কয়েকজন- কানাই লাল শীল, অভিনাস শীল, আশুতোশ শীল, কুমোদ লাল শীল, নমুরুদ্দিন, মোঃ সোলায়মান, নিপিন্দ্র নাথ সরকার, শুশীল চন্দ্র বালো, চান মিয়া।
কে আমি!...............
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



