http://aloukikhasan.blogspot.com

স্লামডগ মিলিওনেয়ার

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0



আমরা যারা খাড়ায়া খাড়ায়া সিনমার পোস্টারের নায়িকার উন্নত বক্ষ দেইখা সিনমা হলে ঢুকি না, তারা কোনো সিনমা দেখার সিদ্ধান্ত লওনের আগে ওই সিনমার ঘটনা জাইনা লই প্রথমে। সিনমা হলে গিয়া হুট কইরা কোনো একটা সিনমার টিকিট কাইটা হলে ঢুইকা যাওনের ঘটনা খুব কমই ঘটছে জীবনে। সিনমা দেখনের আগে তাই সিনপসিস পইড়া (ইন্টারনেটে ডাউনলোডের বেলায়) অথবা মাইনষের মুখে, পত্রিকায় পইড়া সিনমায় যাই। স্লামডগ মিলিওনেয়ার ঠিক এই জায়গাতে পুরোপুরি সফল। অর্থাৎ স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনমাটা দেখুম কিনা এইটা সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হইছে এর কাহিনী।

তো এই সিনমার কাহিনী আমি এরকম শুনছি যে - একটা মুর্খ, অশিক্ষিত বস্তির পোলা কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়া কোটি টাকা জিতছে। তো পোলাটা প্রশ্নের উত্তর ক্যামনে দিছে! জানা গেল প্রতিটা প্রশ্নরে ঘিরা তার জীবনে কোনো না কোনো ঘটনা ঘটছে যার কারণে ওই পোলাটা প্রতিটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারছে। এই কাহিনীটুকু জানার পর আমি বুঝতে পারলাম ছবিটা ভালো হইব। কারণ নিজেরে দিয়া বিচার করলাম, কেউ যদি আইয়া আমারে কয়, এই হলো মেইন এসটোরি, আপনে পুরাটা লেইখা ছবি বানান। আমি তখন কি করুম? আমি কিছু প্রশ্ন তৈরি করুম, প্রশ্নের উত্তর মিলানোর লাইগা ওই পোলার জীবনে কিছু ঘটনা ঘটামু, যেইটা পাবলিকগো বিশ্বাসযোগ্য হইতে হইব। পুরা বিষয়টা চ্যালেঞ্জিং রাইটার এবং ডিরেক্টরের লাইগা। এতোসব চিন্তা কইরা আমি ডিসিশান লইলাম স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনমাটা দেখতে হইব।

আমি সবসময় কই, কোনো ছবির উপজীব্য ওই ছবির দেশ নির্দেশ করে। বৃটিশ পরিচালক ডেনী বয়েল নির্মিত এই ছবিরে 'বৃটিশ ছবি' কওয়া হইলেও আমি 'বৃটিশ পরিচালক কর্তৃক নির্মিত একটা বলিউড ছবি' ভাইবা নিছি। সিনমা শুরু হয় থানা থিকা, যেখানে জামাল নামের ওই বস্তির পোলারে টর্চার করা হইতাছিল, কেননা পুলিশ সন্দেহ করছে এই কোটি টাকার গেম শো-এ পোলাটা নিশ্চয়ই কোনো ট্রিকস করছে। নইলে অশিক্ষিত হইয়া এমুন কঠিন কঠিন প্রশ্নে উত্তর দ্যায় ক্যামনে? অনেক মাইর খাওনের পরও জামাল কইতে থাকে যে অয় কোনো ট্রিকস করে নাই। প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর অয় তার জীবন থিকা দিছে। এরমধ্যে বড় অফিসারের আগমন ঘটে। জামালরে হের টেবিলের সামনে বসাইয়া গত রাইতে হইয়া যাওয়া শো-এর রেকর্ডকৃত ক্যাসেট দেখা শুরু করে। প্রতিটা প্রশ্নের শেষে পজ কইরা জামালরে জিগায় প্রশ্নের উত্তরগুলা সে ক্যামনে দিছে। জামাল তখন অর জীবনের হিশটোরি কইতে থাকে।

এইখান থিকা ছবির কাহিনী আরো গতি পায়। বড় অফিসার আর জামাল মিলা গত রাইতের শো দেখে, সেইখান থিকা জামাল ফেলাশব্যাকে অর অতীত জীবনে ফিরা যায় তারপর আবার পুলিশ অফিসারের লগে বাস্তবে ফিরা আসে। এই যে বর্তমান (থানা-পুলিশ অফিসার)-নিকটবর্তী অতীত (গত রাইতের শো)-দূরবর্তী অতীত (জামাইল্যার অতীত, যেইটারে ক্রমান্বয়ে বর্তমানের দিকে লইয়া আসা) এই তিন কালরে এমন কইরা বৃটিশ পরিচালক ডেনী বয়েল গাঁথুনী দিছে যে দর্শকগো চোখে জার্ক লাগে নাই। দর্শক কখন যে কোন কালে চইলা যাইতাছে এইটা টের পায় নাই। দর্শক যখনই যেই কালটা দেখতে চাইব চাইব ভাবতাছে ঠিক তখনই ডিরেক্টর ওই কালেই দর্শকগো লইয়া গেছে বইলা আমার মনে হইছে।

এইবার আসা যাক এ্যাক্টিং নিয়া। পুরা পারফেক্ট। শুধু অনিল কাপুর আরেকটু যত্নবান হইলে ভালো হইত বইলা মনে হইছে। আর থানার মইধ্যে পুলিশের লগে বাতচিতের জায়গাটুকু ছাড়া সকল জামাইল্যার অভিনয় ফাস্ট কেলাশ হইছে। মাইয়াটারে মাঝে মাঝে আমার বিপাশা বসুর মতো মনে হইলেও অর এ্যাক্টিংও ভালো হইছে।



ছবির মইধ্যে অসংগতি খুব একটা নাই। ঝিলের পাড়ের পায়খানার গুয়ের মধ্যে ছোট জামাইল্যার ঝাপাইয়া পড়ার দৃশ্যরে কেউ কেউ অতিরঞ্জিত কইতে চাইলেও আমার তা মনে হয় নাই। কারণ আমার মনে পড়ছে আমার বড় ভাই ছুডুবেলায় টেনিস বল কুড়াইতে গিয়া, এমনই কোনো পায়খানার শুকাইয়া যাওয়া গুয়ের (যার উপরে হালকা দুর্বাঘাস জন্মাইছিল) উপর দৌড় দিতে গিয়া কোমর পর্যন্ত ডুইবা গেছিল। আমার আরো মনে পইড়া যায় দিল্লির সিনমা হলে (আমগো দেশের রূপমহল কিংবা মানসী মানের) 'কুচ কুচ হোতা হ্যায়' ছবিতে সালমান খান যখন ব্যাকশটে পরথম এন্ট্রি লইল তখন সারা হলের দর্শকেরা চেয়ার থাবড়ানি থিকা শুরু কইরা সিটি বাজানি আর চিক্কুর পাড়তাছিল। আমার চউক্ষে তখন পানি আইছিল হেগো সিনমার প্রতি আর আর্টিস্টগো প্রতি 'লভ' দেইখা। ইন্ডিয়ানগো তিনটা ধর্ম, সনাতন ধর্ম-বলিউড-কিরকেট। তো জামাইল্যার অমিতাভরে দেখনের লাইগা গুয়ের মধ্যে ঝাপাইয়া পড়নরে আমার অতি স্বাভাবিক মনে হইছে। তবে মাগীপাড়া থিকা লতিকারে উদ্ধারে রিয়েলিজম কম আছে। একটা মাগীপাড়া দালাল/ সুবিধাভোগী কর্তৃক কতোটা সুরক্ষিত হইতারে এইটা সম্পর্কে বিদেশী ডিরেক্টররে ইন্ডিয়ানরা ভ্রান্ত ধারণা দিছে।

গুয়ের মধ্যে ঝাপাইয়া পড়া নিয়া ব্যাপক আলোচনা হইলেও আমি এখন একটা শটের কথা কমু যেইটা ছবিতে না থাকলেও চলত। তার আগে অন্য আরেকটা শটের কথা কই। দাঙ্গার কথা। হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা দেখানি হইছে। ওই দাঙ্গার শুরুতে মিউজিক অফ রাইখা শুধু ন্যাচারাল সাউন্ড রাইখা দৃশ্যের অবতাড়না ভালো হইছে। জামাল-কামালের মায়ের হঠাৎ উপলব্ধি কি জানি ঘটতে যাইতেছে টাইপের টেনশন দেইখা আমার প্রাণীজগতের কথা মনে হইছে। সকল মায় মনে হয় সন্তানগো বিপদ এমনে আগেভাগেই টের পাইয়া যায়। দাঙ্গাকারীগো দেইখা জামাইল্যার মায়ের চিক্কুর দেওন আর মাথায় বাড়ি দিয়া মাইরা ফালানোর দৃশ্য আমার কাছে বড়ই মর্মান্তিক ঠেকছে। এইটা ছাড়া দাঙ্গার অন্যান্য দৃশ্য বম্বে ফিলমের চেয়ে খুব বেশি আহামরি কিছু না। এখন আসি যেই শটের কথা কইতে চাইতাছি। সেইটা হইল এ্যাকশনে যাওনের আগে কামালের নামাজ পড়নের দৃশ্য। বর্তমান বিশ্বে মুসলিমরাই যে টেররিস্ট এইটা প্রমাণের চলমান চর্চার বাইরে যাইতে পারে নাই ডিরেক্টর। সারা ছবিতে ধম্মকম্ম না দেখাইলেও হঠাৎ কইরা একজন সন্ত্রাসীর নামাজ পড়নের দৃশ্য ছবিতে বড় একটা কালো দাগ।

আরো একটা দৃশ্যে বিরক্ত লাগছে। একটা প্রশ্ন জিগানোর পর শো এর ব্রেক আসে। তখন জামাল আর অনিল কাপুর দুইজনেই টয়লেটে যায়। ওই প্রশ্নরে ঘিরা জামালের জীবনে কোনো ঘটনা ঘটে নাই তাই জামাল উত্তর দিতে পারতাছিল না। টয়লেটে অনিল কাপুর আয়নায় ওই প্রশ্নের উত্তর লিখা বায়রাইয়া যায়। জামাল উত্তরটা দেখে। কিন্তু এই সিকোয়েন্স দেহনের লগে লগে আমার মনে হইছে অনিল কাপুর ভুল উত্তর লিখছে জামাইল্যা যেন না জিততে পারে। পরে দেখা গেল আমার ভাবনাটাই ঠিক।

ছবির ভাষা ইংরেজি এবং এইটা বস্তির অশিক্ষিত পোলারা ক্যামনে কইতাছে এইটাও নিয়াও অনেক বেকুব দর্শকের গাত্রদাহ হইছে। হেরা কিন্তু আবার শরৎচন্দ্রের বাঙালি চরিত্রগুলার মুখে হিন্দি শুইনা চমকায় নাই।

যাউগ্গ এখন কথা হইল ছবিটা হিট ক্যান? প্রধান কারণ আমার মনে হইছে এইটার ভিতরের মালমশলা। সারা বিশ্ব ইন্ডিয়ান বস্তির পোলাগো কাম কারবার দেইখা মজা পাইছে এইটাই হইল সত্য। দু:খ কষ্ট দেখতে ভালোই লাগে যদি আপনে দু:খ কষ্টের মধ্যে না থাকেন। ডেনী বয়েলের সার্থকতা এই জায়গাতেই যে মুম্বাইয়ের বস্তির জীবন অনেক সুন্দর (?) কইরা তুইলা আনছে। পাশাপাশি একজন অসফলের সফল হওনের গল্পও আছে। সেই গল্পটা সুন্দর কইরা বলা হইছে।

আগেই কইছিলাম যে ছবির উপজীব্য ওই ছবির দেশ নির্দেশ করে। এইটারে আরো ভালোভাবে বুঝানোর লাইগাই মনে হয় ডেনী বয়েল ছবির শেষে একটা বলিউডি নাচ-গান রাখছে। তবে সেটা যুইতের মনে হয় নাই। হয়তো শখ থিকাই ডিরেক্টর এইটা করছে। গানের চিত্রায়ণে বলিউডি মুন্সীয়ানা নাই।

মোটকথা ছবি দেইখা মজা পাইছি। আমদর্শক এতো পন্ডিতি বুঝে না। হেরা ভালো কইলেই সেইটা অস্কার আর গ্লোডেন এওয়ার্ড ভাইবা নিতে হইব। ছবি দেখনের আগে কাহিনীর লাইগা ডিরেক্টর আর স্ক্রিপ্টরাইটাররে যেমুন সাধুবাদ দেয়া শুরু করছিলাম ছবির শেষে টেলপে দেখলাম এই কাহিনী নিয়া একটা বই বাইরাইছিল। স্ল্যামডগ মিলিওনেয়ার কাহিনী ওই বই থিকা অনুপ্রাণিত। উইকির সৌজন্যে নিচে ছবির ক্রেডিটলাইন দিয়া দিলাম।

Directed by
Danny Boyle
Loveleen Tandan (co-director)
Produced by
Christian Colson
Written by
Simon Beaufoy Vikas Swarup (novel)
Starring
Dev Patel Freida Pinto Anil Kapoor Irrfan Khan Tanay Chheda Saurabh Shukla Mahesh Manjrekar
Music by
A. R. Rahman
Cinematography
Anthony Dod Mantle
Editing by
Chris Dickens
Distributed by
Fox Searchlight Pictures Warner Bros. (US) Pathé (Intl.)
Release date(s)
12 November 2008 (US, limited) 26 December 2008 (US, wide) 9 January 2009 (UK) 23 January 2009 (India)
Running time
120 min.
Country
United Kingdom
Language
English Hindi
Budget
$15 million

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমিই প্রথম হইতে চাই, আপনেরে ধইন্যা দেওনের।

কাল্কাই দেক্লাম।

আমি মন্ত্রমুগ্ধ!
২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: 'বৃটিশ পরিচালক কর্তৃক নির্মিত একটা বলিউড ছবি'... ঠিক এইটাই ভাব্তাছিলাম কাইল্কা থাইকা।
৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭
সৌম্য বলেছেন: আমি এখনো দেখতে পারি নাই।

লেখাটা ভালো লাগলো। তবে ভাষারীতিটা এক্ষেত্রে অন্যরকম করলে আকর্ষনীয় হইতো।
৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: Sometimes...
You have to go through Shit...
(To get things you want...)
Literally.... ;)

৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭
বিডি আইডল বলেছেন: ছবিটা কাল রাতে দেখলাম....পোষ্ট ভালো হয়েছে...গতানুগতিক ছবির বাইরের ছবি হিসাবে ছবিটা ভালোই লেগেছে...হিন্দী ডায়ালগও প্রচুর ছিল...

কেউ চাইলে ডাউনলোড করতে পারেন:

Click This Link
৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৯
হাসিব বলেছেন: আমি ১০ মিনিট দেখার পর টাইনা টাইনা দেখছি । ভাল্লাগেনাই ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন:

মিডিয়া লাইনে কাম করনের পর চোখ আর আমজনতার নাই। হুদাই শটের দিকে, ক্যামেরার কেরামতির দিকে, সেটের দিকে, কস্টিউমের দিকে নজর চইলা যায়। মাঝে মাঝে নিজেরই বিরক্তি লাগে।

তুমি মনে হয় পরথম থিকাই অভক্তি নিয়া দেখতে শুরু করছিলা। অতো খারাপ না কিন্তু ছবিটা।

৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০০
ব্ল্যাক নাইট বলেছেন: সময় নিয়া পড়লাম। মজাও পাইলাম। যা হউক গা। আপনি তো সিনেমা দেকছেন, কিন্তু সিনেমা শুনছেন কখনো?

সিনেমা যদি শুনতে চান তা হইলে আপনি ৮৯.২ শুইনেন, আজ বিকাল ৩টার খবরের পর। যদি ঢাকায় থাকেন। সত্যি কইলাম মজা পাইবেন।
৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০১
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমার বেক্তিগত পার্ছৌনাল মোতামোত....

পুরা ছবির সবচে 'ক্রুয়েল' ছিন হৈলো..

'যখন লটিকা আইসা জামালের মাথায় তাক করা সলিমের হাতের পিস্তল আলতো হাতে নামায়া দেয়। '

আমার বুকটা ফাইটা যাতৈ নিছিলো...

জানিনা কেন্‌! :(
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
ঠিক কইছেন। আমারো খারাপ লাগছে। কিন্তু জামালের মায়ের বাড়ি খাওয়া মাত্র মইরা যাওনটা আমারে শক দিছে বেশি।

৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০২
বিডি আইডল বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: আমার বেক্তিগত পার্ছৌনাল মোতামোত....

পুরা ছবির সবচে 'ক্রুয়েল' ছিন হৈলো..

'যখন লটিকা আইসা জামালের মাথায় তাক করা সলিমের হাতের পিস্তল আলতো হাতে নামায়া দেয়। '

আমার বুকটা ফাইটা যাতৈ নিছিলো...

জানিনা কেন্‌!

ওই সিনটা আসলেই ক্রুয়েল ছিল....সারা কৈশোর কাল খুইজা যারে পাইলো..সে রাতেই সে বড় ভাইয়ের দখলে!
১০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

অন্ধের মত আন্ধারে হাতরাইতেছি!
পাইলামও না, দেক্তার্তেও পার্লাম না!! আপসুস কৈ থুই !!!
১১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫
বিডি আইডল বলেছেন: @মনজুর ভাই...উপরে লিংক দিছি...আমি গতকাল নামিয়ে দেখেছি ওখান থেকে...ডিভিডি প্রিন্ট
১৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১১
আরিফুর রহমান বলেছেন: পোলায় কয়... আইলাভইউ...মাইয়া চোখের পলক না ফালাইয়াই কয়...সোহোয়াট!
১৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৩
নিঃসঙ্গ বলেছেন: কয়েক দিন আগে দেখছি ভালো লাগছে আপনার বর্ননা ও দারুন হইছে :)
১৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৬
লংকার রাজা বলেছেন: ভাল তবে ওভার রেটেড মুভি। দেভ পাটেল বাদে কেউ তেমন ভাল অভিনয় করে নি। ক্যামেরার কাজ গতানুগতিক কোন মুভির চেয়ে ভাল নয়। সর্বশেষে অপ্রাসংগিক একটা নাচ-গান (নাচ বা গান কোনটাই যার ভাল হয় নি) মুভির বারটা বাজিয়েছে।অন্তত ইন্টারন্যাশনাল ভার্শনে এটা বাদ দিতে পারত।
মুভির কিছু কিছু পার্ট ভাল হয়েছে তবে সবটা দেখার পর(বিশেষত ফিনিশিং) কেমন যেন রাম গোপাল মার্কা মনে হচ্ছিল। গোল্ডেন গ্লোব মাতানো অস্কার প্রার্থী মুভি মনে হয় নি একবারও।
ইন্ডিয়া এখন রাইজিং সুপার পাওয়ার, এদের কিছুটা খাট করে দেখানোতেই এত ফোকাস পাচ্ছে কি না কে জানে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১

লেখক বলেছেন: বিশ্বের বড় বড় পুরষ্কারগুলার বন্টনে আমার ক্যাঞ্জানি সবসময় একটা সন্দেহ কাম করে (আমি পাইলে সেইটা ভিন্ন কতা ... হি হি হি)। সেইটা ইউনুসের নোবেল হউক আর ইন্ডিয়ারে খাটো করনের লাইগা এই ছবিরে পুরষ্কার দেয়াই হোক। এগুলা আলাদা আলোচনার দাবি রাখে। অনেক তর্ক বিতর্কও হইতারে।

তয় আমোদের লাইগা ছবিটা ভালো হইছে। ছবির ক্যামেরার কাজ ভালো হইছে তয় ছবিশেষের নাচ-গান ভুয়া হইছে। ছবির লগেও ওইটার সম্পর্ক নাই। পরিচালক মনে হয় শখ মিটাইছে কোনোরকম।

১৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

আরিফ, এদানিঙ আমগো এইখানেও মাইয়াগ্ণি এমুন ঠাস ঠাস কইরা কইয়া ফালায়

"সো হোয়াট"! শুনতে বেশ লাগে কিন্তু।



@বিডি আইডল। এই লিংক থিকা নামাইতে তো ৭ দিন লাগব ! তবুও দেখি চেষ্টা করি.


১৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১
বিডি আইডল বলেছেন: @মনজু ভাই আপনার স্পিড কেমন...? এগুলো সব ডাইরেক্ট লিংক...মেগাআপলোড ট্রাই করতে পারেন
১৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: হ! শুন্তে তো বেশ লাগবোই। (এইখানে চরম দুঃখের ইমো বসায়া লন)

পুলাপাইনগিলিরে 'লভ/ভালোবাসা' হইতে আইপি শুদ্দা বেন কৈরা দেওনের কাম।
১৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৭
লংকার রাজা বলেছেন: প্ল্যাটফর্মে নায়িকার ক্লোজআপ ভাল লেগেছে,এছাড়া আর কোথাও ক্যামেরার মুন্সিয়ানা আমার চোখে পড়ে নি(চশমাটা চেন্জ করব কি না ভাবতেছি;););))
২০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০
মনজুরুল হক বলেছেন: স্পিড খারাপ না, কিন্তু আমি ভয়ে কোন "ডাউনলোডার" ব্যবহার করি না। "ড্যাপ" ছিল ফেলছি, স্পাইওয়্যর এর ভয়ে। লিংকটা ফাবারিটে রাখলাম। নামাতে পারব মনে হচ্ছে।
২১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০
হাসিব বলেছেন: ঘটনা হৈলো এই সিনেমায় নতুন কি জিনিস আছে ? বানাইছে হয়তো ভালো । কিন্তু সেই ভালা বানানি দিয়া কি পেট ভরে সবসময় ? সেই পুরানা মধ্যবিত্তের উইশফুল থিংকিং ছাড়া অতিরিক্ত কি অনুভুতি হয় এই সিনেমা দেইখা ?


অফটপিক - পিয়াজুরে গদাম দ্যাও । হালায় রিভার্স খেলতেছে ।
২২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: হেই মিয়া @লঙ্কার রাজা, অলৌকিক'দা নাহয় ফিল্ডের লুক, উনি কাটাছেঁড়া করতেই পারেন।

আপনেও কি ওই লাইনের নিকি?

আমাদের 'ফিল্মিয় অনুভূতিতে' আঘাত দিতাসেন কেন? ;)
২৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

আরিফ, পুলাপানের আর দুষ কি। মোবাইল,ম্যাসেঞ্জার,ল্যান্ড ফোন, কলচ্যাট.....
যাইবা কৈ? এইডিরে আসলে ব্যান না। সবটিরে কমলকুমার মজুমদার পড়াইতে হইব
(একপাতা পড়তে আধাঘন্টা লাগে)
২৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: (দীর্ঘশ্বাস)

কবে পামু এইসব কালেক্সন, ইন্টারনেটে?

(চিৎকার কৈরা) কেউ কি এইসব ক্লাসিকগুলা ইন্টার্নেটে দিতার্বো না?

স্ক্যান>ওসিআর>ইউনিকোড???
২৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

কি, কমলকুমার? বই আছে কিনা জানি না। তবে ফিল্ম আছে "অন্তর্জলিযাত্রা" এর পর
"নীমঅন্নপূর্ণা"। হলে চলেনি। আমি কোলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখছিলাম।

মনে হলো আমার মাথাটা ধরে কেউ একটা প্রচন্ড ঝাঁকি দিলো! ফ্যাবুলাস। দোকানে খুঁজেও পাই নাই।
২৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫১
আরিফুর রহমান বলেছেন: হম. লন্টনে কৈ পামু ? কৈতারেন?
২৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৭
মনজুরুল হক বলেছেন:
হুমম। চিন্তার কথা। লন্টনে "নীলু হাসনাত" নামে এক চরম হারামী আছে। আমার ভাই
(চাচেরা ভাই) ওই হালার কাচে থাক্তারে। কিন্তু হারামখোরের আইডিও কাউরে দিতারি না। ম্যাসেঞ্জারে বইয়া থাকে, তাও কথা কয় না।

ইষ্টএন্ডে ইন্ডিয়ান কম্যুনিটিতে দেক্তারেন।

চাইট্টা বাজে, ঘুমাইতে যাই। সকালেই আবার প্যাটের ধান্ধা...... হায়রে জীবন !!!
২৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
রাজর্ষী বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো আলোচনাটা । এবার দেখ্তাম্চাই। কিন্তু বিডি আইডল ভাই কোনো কাম হইতাছে না তো।
৩০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
ফাঁকি বাজ বলেছেন: বিডিভাই একটা ভাল লিংক দেন তো
৩১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আমার কাছে গড়পড়তা মনে হইছে ... এমনিতে ছবি হিসাবে খুবই ভাল .. কিন্তু অস্কারের ব্যাপারটা পুরোটাই হাইপ/ পলিটিক্স মনে হইতাছে ..

কিছু কিছু ব্যাপার একদম অবিশ্বাস্য যেমন ঐ বয়সের পোলাপান তো বড়দের ও হার মানায় ..
কোন কোন যায়গায় আবার পশ্চিমের ভংগি টের পাওয়া যায় ..

ইন্ডিয়ান রা মনে হয় না ভাল চোখে দেখতাছে ব্যাপার টা .. কারন এই খানে বস্তির ব্যাপারটা খুব সাধারন .... এই সব ব্যাপার আমরা গায়ে মাখি না ..

বাইরের কারো চোখে এই গুলিই বিসাদৃশ্য মনে হবে ..

ছবির কাহিনী টান টান ..

অমিতাভ বচ্চনের নিয়া যে পলিটিক্স করছে সাংবাদিকরা এইটা পুরাটাই ভুয়া ..।
অমিতাভের বল্গে গেলেই দেখা যায় \
৩২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
কাজ করে খাই বলেছেন: দু'বার দেখেছি... মোটামোটি সবই ভালো তবে সম্পাদনা সবার চাইতে বেশী ভালো লেগেছে।
৩৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০০
কাজরী... বলেছেন: চমৎকার লাগছে।
৩৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
পিঁয়াজু বলেছেন: অলৌকিক হাসান,

আপনি হাসিব ভাই এর কথাটা শুনে ঠিক করলেন না। কারণ, আমি আপনাকে খারাপ কিছু বলিনি। বলেছিলাম "গুড জব ইয়ার" তারপরেও মন্তব্যটা মুছে দিলেন?
আর যদি পারেন তবে কষ্ট করে হাসিব ভাইকে একটা বিয়ে দিয়ে দিন।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২১

লেখক বলেছেন: প্রথমত আমি আপনার 'ইয়ার' না। আমার ব্লগে এই প্রথম কমেন্ট করেছেন তাই প্রথমে সম্মান করে কিছু বলিনি।

দ্বিতীয়ত হাসিব আমার ব্যাচমেট, স্কুলবন্ধু, দীর্ঘদিনের সাথী কমরেড। অবশ্যই ওর উপর আমি আস্থা রাখি বেশি।

৩৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৯
আনিক বলেছেন: দেখলাম ছবিটা..........।কিন্তু শেষ পর্যন্ত জামাল মালিকের কি হইলো বোঝা গেলোনা....একটু বুঝাইয়া দেন।
৩৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
পিঁয়াজু বলেছেন:
হাসিব ভাই যদি আপনার বন্ধু হয় তাহলে আমিও ব্লগার হিসাবে ইয়ার। বিষয়টা যদিও অনেকটাই জোর করেই আমাকে বলতে হলেও কথাটা সত্য। আমার ইয়ার হতে আপনার ইগোতে সমস্যা হলে তা বললেই চুকে যায়,
আপনার পোষ্টে কমেন্ট না করেলও আপনার সব পোষ্টই আমি পড়ি।
সেই কলোনী থেকে মেয়ের ছালোয়ার চুরি করা পোষ্ট (আমার ছেলেবেলা) থেকে বিবাহ, গাড়ি কেনা হয়ে
স্লামডগ পর্যন্ত সব।
অন্যকথায় বললে বলতে হয় আমি আপনার একজন ওয়েল উইসার ।
দ্যাটস অল!

৩৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
ভেংচুক বলেছেন: এই পিয়াজু কুন হান থুন উদয় হইলো, কুনু বলগে, ফুরামে এই রহম বে শরীয়ীত মার্কা ফুডু আজ পর্যন্ত কাউরে লাগাইতে দেহি নাই

হাসিব ভাই এর বেচ মেট ছিলো??????????????????

বেপার ডা নিয়া কেমুন জানি মাথা আউলিয়া যাইচাছে, গভীর সরযন্ত্রের ইনদন পাইতছি
৩৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৯
ভেংচুক বলেছেন: ভাইসব ছুডু মানুশ কমেন্ট টারে খমাসুন্দর হিসাবে দেইকেন

পিয়াজু আপা/ না ভাই , বুজবার পারতাচি না, কিচু মনে লইয়েন না
৩৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আলোচনা ভালো লাগলো...
৪০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
অপু ফিরোজ বলেছেন: ছবিটা দেখতে হবে ।
৪১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
এমআ০০৭ বলেছেন: দেখছি ভালো লাগছে আপনার বর্ননা ও দারুন হইছে ।
৪২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
বিধান রিবেরু* বলেছেন: স্লামডগ দেখেছি। ভালো সিনেমা। অন্তত ঐসব গজনি কিংবা রাব নে বানা দি জোড়ি থেকে শতগুণে ভালো চলচ্চিত্র। এর আর রহমানের সঙ্গীতে পশ্চিমী ও প্রাচ্যের সংমিশ্রণ: সুন্দর। ক্যামেরার কাজ তথা পরিচালনা ভালো। শুধু শেষের খাপছাড়া ঐ নাচগান ছাড়া।

এই ব্লগের আলোচনাও বেশ মজা লাগলো।
৪৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
মেঘ বলেছেন: লিখাটা ভালো লাগলো।

পারলে পড়বেন Click This Link

আমি তো আবার "ওয়াচ" স্ট্যাটাস এ আছি সামুতে। জানেন তো!! বড় নেতা হতে হলে জেলে যাওয়া আবশ্যক। বড় ব্লগার হতে হলে ঘড়ি,মঈন ঊ, বন্ধ অনেক কিছুই হতে হয়। আমার বিখ্যাত হওয়া ঠেকায় ক্যা!!!
৪৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫০
মনজুরুল হক বলেছেন:
এইবার মেঘ এর "বিখ্যাত" হওয়া আটকায় কে!! মেঘ এর মন্তব্যে উত্তম জাঝা !!!
৪৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: দারুন একটা ছবি দেখলাম।

আসলেই 'ফিল-গুড ম্যুভি অভ দ্যা ডিকেইড।'
৪৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সিনেমাটা একেবারে প্রথমদিকে দেখছিলাম, মুক্তি পাবার সাথে সাথে। দেইখাই ভাল্লাগছে .. পরে আরেকবার দেখছি ।
সবকিছু মিলায়া ভালো লাগছে।
৪৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: ব্লগস্পটে আপনার 'কুয়াশাখ্যান' পড়েছি। অনেক সুন্দর করে লিখেছেন।
৪৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
মাহিরাহি বলেছেন: ছবিটা দেখিনি।

তবে এখন ছবিটি নিয়ে ভারতে প্রতিবাদ আন্দোনল শুরু হয়ে গেছে।

কারন ছবিটির নাম।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ সারা ভারতের কোটি কোটি বস্তিবাসী ছেলেপুলেদের বস্তির কুত্তার সাথে তুলনা করা হয়েছে।

ইংরেজী নামটির বাংলা করলে দাড়ায় বোধহয় কোটিপতি বনে যাওয়া বস্তির কুত্তা।
৫০. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
মুকুট বলেছেন: ভালো লেগেছে ছবিটা, গতানুগতিক ধারার বাহিরে এক আলাদা থিমের ছবিঃ এখান থেকে দেখতে পারেন>>http://www.bollyv4u.com/Watch-Slumdog-Millionaire.php
৫১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কেন বাংলাদেশে ছবি বানাব

আপনার এই পোষ্ট এই খানে নেই কেন? এটি কপিপেষ্ট করে দিতে ইচ্ছে করছে। মনের কথাগুলো বলেছেন।
৫২. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
বিপ্লব রহমান বলেছেন: অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়লাম @ পোস্ট।

কথ্যভাষায় লেখার জন্য পড়তে একটু কষ্ট হয়েছে সত্যি; কিন্তু আপনার বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত।

একটু দেরীতে কালই ছবিটা দেখলাম। কোনো ঘটনা অতিরঞ্জিত মনে হলেও ছবিটা ভালোই লেগেছে। আর হেরে না যাওয়ার যে স্পিরিট এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে--আমার মনে হয়, এই স্পিরিটটুকু সর্বত্র প্রতিষ্ঠা করা এখন খুব দরকার।

অনেক ধন্যবাদ।
৫৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: স্লামডগ মিলিওনেয়ার দেখার পর আমার প্রতিক্রিয়া:

Click This Link
৫৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৭
দীপান্বিতা বলেছেন: কথ্যভাষায় লেখার জন্য পড়তে একটু কষ্ট হয়েছে সত্যি; কিন্তু আপনার বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত।.......:)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৩৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://aloukikhasan.blogspot.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই