বায়ান্ন হাজার অতি মেধাবীরা

২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

এবারের এএসসি পরীক্ষায় ৫২ হাজার অতিমেধাবীদের নাকি জায়গা কোথাও হবে না।

খুব বেশী হলে ২৫ হাজার পড়তে পাড়বে ভাল কলেজে। বাকিরা কি করবে?

মেধাবীর সংখ্যা এত বাড়ছে কেন? সরকার কি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খেলাধুলা করছে? কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীরা আর কতকাল সরকারের এসব খামখেয়ালীর শিকার হবে?

আমার অঘা ভাতিজা, নাম, সোহেল, আমরা ভাবছিলাম যে এবার সে পাশই করবে না। এক্কেবারেই মধ্যম মানের ছাত্র। তারপর পড়াশুনায়ও মনোযোগী না। ও মা, এখন দেখি, সেও জিপিএ-৫ ....... ইতিমধ্যেই সে নিজেকে খুব জ্ঞানী ভাবা শুরু করেছে।

তাহলে ধরে নিতেই পারি ৫২ হাজারের মধ্যে আমার ভাতিজার মত কতজন আছে। এই ভাতিজারা যদি কলেজে ভর্তি হইবার না পারে তাইলে তো আত্মহত্যা ছাড়া উপায় নাই।

এত অতি মেধাবী সৃষ্টি কইরা সরকারও দেখি বিপাকে পড়বে। মাঝখান থেকে আসল মেধাবীরা ছিটকে যেতে পারে। গতবার বয়সের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি হয়েছিল। অনেক আসল মেধাবী বাদ পড়েছিল।

শিক্ষা নিয়ে গিনিপিগ চর্চা এখনও চলছে, আর কতকাল চলবে এদেশে কে জানে? এই কোমলমতিরা তো প্রতিবাদও করতে শিখে নাই এখনও।

৫২ হাজারের মধ্যে থাকা অন্তত একহাজার আসল মেধাবীরা যেন হারিয়ে না যায়। তাদের উচ্চ্ শিক্ষার পথ যেন সুগম হয়। তারা যেন দেশের জন্য, নিজের জন্য, কিছু করতে পারে, সেই দোয়াই করি।

 

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ১৪৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬
comment by: হনলুলু বলেছেন: হুমম ......
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: খালি হুমম হালুম বললে চলবো না। বারটা বাজি গেছে লেখাপড়ার

২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
comment by: মানুষ বলেছেন: আহারে আর কয়দিন পরে জন্মালে আমিও ভাল ছাত্র হইতে পারতাম
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: হাজার শোকর করেন যে, তথাকথিত ভাল ছাত্র হন নাই। ব্লগিং করা ছুটিয়া যাইত তখন।

৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:২৭
comment by: আক্রমণ বলেছেন: এ+ এর বন্যা যে করে হোক থামাতে হবে। এত সহজ যদি সব কিছু হয়ে যায় তবে এই কমলমতি শিক্ষার্থীদের ভালোর চেয়ে খারাপ হবে বেশী। ৫২ হাজার এ+ আনন্দের খবর নয় এটা সংশয়ের খবর। এ+ এখন ৮০ পেলেই পাওয়া যায়। আমার মতে তা ৯০ তে নিয়ে যাওয়া উচিত।
৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩১
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ঘটনাটা আসলে কি ?
একটা ব্যাপার ভাল লাগছে যে বোর্ডস্ট্যান্ড জাতীয় ফালতু জিনিস নাই। পত্রিকায় রিপোর্ট হয় না , মাত্র ২ ঘন্টা পড়ে বোর্ড স্ট্যান্ড করেছে। কোন টিউটর ছিল না, ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ইন্জিনীয়ার হতে চাই। ইত্যাদি..।
২৯ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: মি: উদ্দিন, আপনার মধ্যে খালি ভুল, শুধুই ভুল। আক্রমনের মন্তব্য দেখুন

৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
comment by: আক্রমণ বলেছেন: @ নাজিম উদদীন, ভুল। কে বলেছে এ ধরনের কথা হয় না। পেপার পড়লেই পাবেন। আর ২ ঘন্টা পড়ার বেপারটা এখনকার ছেলে-পেলে বলে না। তারা এখন যথেষ্ট স্মার্ট।
৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: হায়রে কপাল!!! যদি আর দশটা বছর পরে জন্মাতাম।
২৯ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: দাদু, আপনার মন্তব্যটা কিন্তু পাইলাম না

 



 

comment by:
একটি প্রথম শ্রেণীর বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কর্মরত আছি। চলে যাচ্ছে কোনরকম। বেশী ভাল থাকারতো কথা না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩৮৮৫