এবারের এএসসি পরীক্ষায় ৫২ হাজার অতিমেধাবীদের নাকি জায়গা কোথাও হবে না।
খুব বেশী হলে ২৫ হাজার পড়তে পাড়বে ভাল কলেজে। বাকিরা কি করবে?
মেধাবীর সংখ্যা এত বাড়ছে কেন? সরকার কি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খেলাধুলা করছে? কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রীরা আর কতকাল সরকারের এসব খামখেয়ালীর শিকার হবে?
আমার অঘা ভাতিজা, নাম, সোহেল, আমরা ভাবছিলাম যে এবার সে পাশই করবে না। এক্কেবারেই মধ্যম মানের ছাত্র। তারপর পড়াশুনায়ও মনোযোগী না। ও মা, এখন দেখি, সেও জিপিএ-৫ ....... ইতিমধ্যেই সে নিজেকে খুব জ্ঞানী ভাবা শুরু করেছে।
তাহলে ধরে নিতেই পারি ৫২ হাজারের মধ্যে আমার ভাতিজার মত কতজন আছে। এই ভাতিজারা যদি কলেজে ভর্তি হইবার না পারে তাইলে তো আত্মহত্যা ছাড়া উপায় নাই।
এত অতি মেধাবী সৃষ্টি কইরা সরকারও দেখি বিপাকে পড়বে। মাঝখান থেকে আসল মেধাবীরা ছিটকে যেতে পারে। গতবার বয়সের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি হয়েছিল। অনেক আসল মেধাবী বাদ পড়েছিল।
শিক্ষা নিয়ে গিনিপিগ চর্চা এখনও চলছে, আর কতকাল চলবে এদেশে কে জানে? এই কোমলমতিরা তো প্রতিবাদও করতে শিখে নাই এখনও।
৫২ হাজারের মধ্যে থাকা অন্তত একহাজার আসল মেধাবীরা যেন হারিয়ে না যায়। তাদের উচ্চ্ শিক্ষার পথ যেন সুগম হয়। তারা যেন দেশের জন্য, নিজের জন্য, কিছু করতে পারে, সেই দোয়াই করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


