somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অািম যা ভাবিছ Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28858029 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28858029 2008-10-22 10:07:02
আমার মোবাইল কার্ড কিনে ব্যবহার করি।
কেননা তাহলে নাম্বার ছড়ায়।
আমি বিরক্ত ছেলেদের ফোন রিসিব করতে করতে
এদের কি রাত দিন বলে কিছু নেই।
ভবতেছি নাম্বার চেঞ্জ করব।
বলেন তো কি করি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28857781 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28857781 2008-10-21 16:06:20
রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য Click This Link
রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য


১। ভিজিয়ে রাখা বা ম্যারিনেশান : বেশির ভাগ রান্নার ক্ষেত্রেই আগে থেকে খাদ্যসামগ্রী মসলাতে ভিজিয়ে রাখা বা ম্যারিনেশন একান্ত জরুরি। এতে রান্নার স্বাদ বাড়ে এবং সহজে রান্নাও হয়ে যায় তথা সময়েরও সাশ্রয় হয়। ভাত বা পোলাও বা ফ্রাইড রাইস বা বিরিয়ানি যাই রান্না হোক না কেন রান্নার আগে যদি আধ ঘন্টা কিছুটা লবণ এবং লেবুর রসে চাল ভিজিয়ে রাখা হয় তাহলে চাল সেদ্ধ হবে তাড়াতাড়ি এবং নরম হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

২। বেকিং : বেকিং ওভেনে রান্না করতে হলে অবশ্যই কাঁচা খাদ্যদ্রব্যকে ম্যারিনেট করতে হবে এবং ওভেন প্রথমে নির্ধারিত তাপমাত্রায় গরম করে নিতে হবে। তা না হলে খাদ্যবস্তুর উপরের অংশ পুরে যাবে কিন্তু ভেতরে কাঁচা থেকে যাবে।

৩। কাস্টার্ড : দুধ, চিনি এবং ডিমের মিশ্রিত রান্নাকে কাস্টার্ড বলে।

৪। কাবাব : মাছ এবং মাংসে দরকার মতো ঝাল, লবণ ইত্যাদি ও তার সঙ্গে ঘি মিশিয়ে জ্বলন্ত চুলায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঝলসিয়ে নেওয়াকে শিক কাবাব বলে। বেশি করে তেল বা ঘি দিয়ে ভেজে শামি কাবাব বা হাঁড়ি কাবাব তৈরি করা হয়।

৫। কোর্মা : পানির সংস্পর্শে না এনে বেশি ঘিয়ে দই দিয়ে অল্প জ্বালে রান্না করাকে কোর্মা বলে।

৬। কালিয়া : ঝাল ও কালিয়া প্রায় একরকম। মরিচ, রসুন, আদা, ধনে, জিরা ইত্যাদি বাটা দিয়ে রান্না হয়। অনেক সময় একটু তেঁতুল বা দই দিয়ে স্বাদ বৃদ্ধি করা হয়।

৭। গ্রেভি : বিভিন্নভাবে ‘গ্রেভি’ করা যায়। এটাকে কারি বলে। পেঁয়াজ, আদা, রসুন, নারকেল, পোস্তদানা, ধনে, জিরা, বাদাম প্রভৃতি বেটে তার সঙ্গে দই, টমেটো দিয়ে ঘন করে গ্রেভি তৈরি করা হয়। কিছু মসলা কড়াইতে গরম করে নিলে গ্রেভির স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

৮। বাসনপত্র : রান্নার ক্ষেত্রে বাসনপত্রের ভূমিকা যথেষ্ট। যেমন ডিমের ওমলেট করতে গেলে ফ্রাই প্যানে সুবিধা হয়। তেমনি মোগলাই পদ রান্না করতে তামার প্লেট বিশেষ উপযুক্ত হয়। চাইনিজ রান্না করতে নির্দিষ্ট আকারের কড়াই প্রয়োজন। আবার তন্দুর করার জন্য প্রয়োজন তন্দুরবাটি বা লোহার তৈরি বারবিকিউ।

৯। কড়াইতে তেল দেওয়ার আগে যদি খালি কড়াই ভালো করে গরম করে নেওয়া হয় তাহলে পোড়ার দাগ ধরে না সহজে।

১০। পাউডার দুধ তাড়াতাড়ি গুলতে শুকনো ডিশে পাউডার দুধের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে নিয়ে তারপর ঠান্ডা বা গরম যে কোন পানি দিয়ে দুধ গোলা যায় সহজে।

১১। ওল, কচু বা কচু শাক রাধার সহজ উপায় সামান্য তেঁতুল ব্যবহার করা বা ওল ভাতের সঙ্গে খাবার সময় লেবুর রস ব্যবহার করলে গলা চুলকানির কোনো ভয় থাকে না।

১২। প্রেসার কুকার ছাড়া তাড়াতাড়ি মাংস সেদ্ধ করার সহজ উপায় কয়েক ফোঁটা পেঁপের আঠা বা কয়েক টুকরো কাঁচা পেঁপে অথবা একটা গোটা সুপারি দিয়ে মাংস রান্না করা।

১৩। সুজি ভালো করে রাখতে শুকনো খোলায় যদি সুজিকে ভেজে রাখা হয় তাহলে পোকা ধরে না।

১৪। পাটালি গুড় দীর্ঘদিন ভালো রাখতে গুড়ের কৌটায় কয়েকটা মুড়ি ফেলে রাখা যেতে পারে।

১৫। বিস্কুটকে মুচমুচে রাখতে মুড়ির টিনে ভরে রাখুন।

১৬। হাতে মাছের আঁশটে গন্ধ দূর করতে হাতে সরষের তেল মেখে নিলে গন্ধ থাকে না।

১৭। দুধের বাটি পুড়ে গেলে দু-একটা পেঁয়াজ বেটে ওই বাটিতে পেঁয়াজবাটা ও পানি দিয়ে কিছুণ ফোটালে বাটি পরিষ্কার হয়ে যায়।

১৮। কেরোসিনের গন্ধ দূর করতে হাতে সরষের তেল মেঝে নিলে গন্ধ থাকে না।

১৯। পাতিলেবু টাটকা রাখতে হলে ঠান্ডা পানির মধ্যে রাখা লেবুকে মাটির নিচে পুঁতে রাখলে লেবু কয়েকদিন টাটকা থাকে।

২০। অড়হর ডাল তাড়াতাড়ি গলাতে হলে ফুটন্ত ডালে দু-চারটে চাল ফেলে দিলে ডাল তাড়াতাড়ি গলে যায়।

২১। পাটা সহজে পরিষ্কার করতে কিছুটা লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে দিলে পরিষ্কার হয়ে যায়।

২২। কম টকের দই তৈরি করতে দুধে একটুকরো নারকেল ফেলে রাখলে দই তেমন টক হয় না।

২৩। তরকারির খাদ্যগুণ ঠিক রাখার জন্য রান্নার সময় সামান্য তেঁতুল ফেলে দিন।

২৪। গরম চা বা কফি খেতে গিয়ে অনেক সময় জিভে ছ্যাঁকা লাগে তখন যদি মুখে কিছুটা চিনি দিয়ে রাখা যায় বিশেষ উপকার পাবেন।

২৫। চাল ও ডালে শুকনো নিমপাতা বা মরিচ রাখলে পোকা ধরে না।

২৬। করলা বা পটলের মাঝখানটা কেটে দু টুকরো করে রাখলে বেশি দিন ভালো থাকে (রান্না ঘরে)।

২৭। পেঁয়াজ কাটার আগে দুফালি করে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে চোখে যন্ত্রণা দেবে নাএবং পানি গড়াবে না।

২৮। দেশলাই বাক্সে কয়েকটা চাল রাখলে বর্ষাকালে কাঠির বারুদ ঠিক থাকে।

২৯। কাঁচের গ্লাসে গরম কিছু নিতে গেলে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গরম কিছু ঢালার আগে চামচ রাখলে গ্লাস সহজে ফাটে না।

৩০। প্লেটে যদি মাছের গন্ধ হয়ে যায় তাহলে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার ছিটিযে ধুয়ে নিলেই আর গন্ধ থাকবে না।

৩১। ফ্রিজের মধ্যে খাবার সোডা এক প্যাকেট রেখে দিলে ফ্রিজের ভেতর আর গন্ধ থাকবে না।

৩২। গরম মসলার গুঁড়া এয়ার টাইট প্যাকেটে ভরে রাখলে ভালো থাকবে অনেক দিন।

৩৩। খেজুর গুড় দিয়ে পায়েস করতে গেলে অনেক সময়ই দুধটা ফেটে যায়। সে ক্ষেত্রে দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে গুড় মেশাতে হবে। এবার আর একবার ফুটিয়ে নিলেই
চমৎকার গন্ধ হবে।

৩৪। লুচির ময়দায় ময়ান মিশিয়ে যখন দেখা যাবে মুঠো পাকালে ময়দা ঝুরঝুরে হয়ে যাচ্ছে, তখন বুঝতে হবে ময়ানের পরিমাণ ঠিক হয়েছে।

৩৫। আচার তৈরি করার আরও একটি ভালো উপায় হলো তেল প্রথমে গরম করে নিয়ে তারপর ঠান্ডা করে ব্যবহার করা, এতে ছাতা পড়ার সম্ভাবনা থাকে না। কাঁচা তেল ব্যবহার না করাই ভালো।

৩৬। আচার তৈরি করার সময় তেলে সব সময় একটু ভিনেগার মিশিয়ে নিন। আচার ভালো থাকবে এবং আম অথবা যে জিনিসেরই আচার হোক না কেন টুকরোগুলো আস্ত থাকে।

৩৭। অনেক রান্নাতেই চিনাবাদম অথবা কাজু বাদামের ভাজার কথা বলা থাকে। কিন্তু বাদাম ভাজতে গেলে প্রচুর তেল লাগে। এত তেল খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়। বাদামে সামান্য তেল মাখিয়ে শুকনো তাওয়াতে নাড়াচাড়া করে নিলে তেল লাগবে অনেক কম।

৩৮। মরিচ কাটলে বা বাটলে হাত অসম্ভব জ্বালা করে। ঠান্ডা দুধের সর লাগান। জ্বালা জমে যাবে। অথবা ঠান্ডা দুধ দিয়ে ধুয়ে নিন। হাত পুড়ে গেলেও তখনি ঠান্ডা দুধ দেবেন। ফোসকা পড়বে না, জ্বালাও কমে যাবে।

৩৯। সালাদে বা অন্য কোনোভাবে কাঁচা শাকসবজি খেতে হলে সেগুলো ধুয়ে সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে তাতে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ ভিজার পর তবেই ব্যবহার করবেন। এতে জীবাণু সংক্রমিত হয় না।

৪০। কেক বানাতে গিয়ে যদি দেখেন ডিম নেই, ঘাবড়াবেন না। প্রতিটি ডিমের বদলে এক টেবিল চামচ দুধ ও দুই চা চামচ কর্নফাওয়ার ব্যবহার করুন।

৪১। চায়ের কাপে লেগে থাকা বাদামি দাগ তুলতে হলে লবণ দিয়ে মাজুন।

৪২। মাসের মধ্যে কমপে দুবার গ্যাসের বার্নার, কিছুক্ষণ কোরোসিনের তেলে ডুবিয়ে রাখলে বার্নারের ফুটোয় ময়লা জমবে না।

৪৩। পোড়া দাগ যদি খুব পুরনো হয়ে যায় তাহলে দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা, আধাকাপ ভিনেগার আর এক কাপ পানি একসঙ্গে মিশিয়ে দশ মিনিট ফোটান, এরপর ভালোভাবে ধুলেই দাগ উঠে যাবে।

৪৪। পাতলা কাঁচের থালা পরিষ্কার করার জন্য কখনো পানিতে ডোবাবেন না। ফেটে যেতে পারে। ভিনেগার দিয়ে পরিষ্কার করলে ঝকঝকে থাকবে।

৪৫। স্টেনলেস স্টিলের প্লেটের গায়ে লেগে থাকা দাগ পরিষ্কার করতে চাইলে একটুকরো সাদা কাপড় ভিনেগারে ডুবিয়ে ঘষলেই প্লেট পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৪৬। কাঁচের প্লেটের দাগ টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে দিলে সহজেই উঠে যায়।

৪৭। কিসমিসের গায়ে ছাতা ধরা আটকাতে হলে কিসমিসগুলোকে ময়দার মধ্যে নাড়াচাড়া করে নিন। পরে ধুয়ে নিলেই ব্যবহার করা যাবে।

৪৮। মাছ কাটতে গেলে অনেক সময় কাঁটা বিধে যায়। প্রথম কাঁটা বেধা জায়গায় লবণ দিন। ব্যথা কমবে। কাঁটা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসবে।

৪৯। পাটায় ছোট ছোট গর্তে মসলা জমে থাকলে পরিষ্কার হয় না সহজে। কিছুটা বালি দিয়ে বাটুন। পাটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৫০। আমরা প্রায়ই নানারকম রান্না করি কলাতায় মুড়ে। যেমন ইলিশ মাছের পাতুরি। কাঁচা পাতা ব্যবহারের সময় প্রায়ই ফেটে যায়। কলার পাতাটি আগে আগুনে সেঁকে নরম করে নিন পাতা ফাটবে না।

৫১। কোনো অনুষ্ঠানে যদি ভুলবশত প্রয়োজন অতিরিক্ত লেবু কাটা হয়ে যায় তবে অতিরিক্ত লেবুগুলোকে লবণের ডিশে রেখে দিন। বেশ কয়েক দিন ভালো থাকবে।

৫২। ফ্রিজে একটি পাতিলেবু টুকরো করে কেটে রেখে দিন। ভেতরের যাবতীয় গন্ধ লেবু শুষে নেবে, ফ্রিজ থাকবে পরিষ্কার।

৫৩। কোনো কারণে বেশি খাওয়া হয়ে গেলে অন্তত আধঘন্টা ধরে এক গ্লাস গরম পানি একটু একটু করে খাবেন। এতে হজম হয়ে যাবে।

৫৪। বাদামের খোসা ছাড়াতে গেলে প্রথমে বাদামগুলোকে পাঁচ মিনিট ফুটন্ত পানিতে রেখে দিন। পানি ঝরিয়ে নিয়ে দেখুন সহজেই খোসা উঠে আসবে।

৫৫। রান্নার সময় সবজির গন্ধ দূর করতে হলে সামান্য পাতিলেবুর রস বা চিনি মিশিয়ে দিবেন।

৫৬। চা করার পর চায়ের পাতা ফেলে না দিয়ে বাড়ির মেঝেতে ঘষুন। মেঝে চকচকে হয়ে যাবে।

৫৭। সরাসরি জ্বারে দিয়ে রুটি না সেঁকাই ভালো। পুরোনো কাপড়ের টুকরো তৈরি করে, তাওয়ার উপরে রাখা রুটির চারপাশে ওই টুকরো দিয়ে চাপ দিলেই রুটি ফুলে উঠবে।

৫৮। অনেক সময় টক দই, বিশেষ খরে পুরোনো হয়ে গেলে বড্ড বেশি টক হয়ে যায়। সে ক্ষেত্র দই কাপড়ের টুকরোয় বেঁধে বেশ খানিকণ ঝুলিয়ে রাখতে হয়। তাতে দইয়ে যে পানি থাকে
তা ঝরে যাবে। এবার প্রয়োজনীয় মাত্রায় দুধ মেশান। টকদই টাটকা ও মিষ্টি হয়ে যাবে।

৫৯। ঘিয়ের গন্ধ অক্ষণ রাখতে হলে গিয়ের পাত্রে একটু আখের গুড় রেখে দিন।


৬০। আলু সেদ্ধ করার পর এ পানি দিয়ে যদি প্লেট ধোওয়া যায় তাহলে প্লেট ঝকঝকে হবে।

৬১। টাটকা পেঁপের ঘন কষ একটা কাঁচ বা ছোট প্লেটে রাখুন। কষ জমে গেলে, কষের সমপরিমাণ লবণ মিশিয়ে রোদে দিন। শুকিয়ে গেলে গুঁড়ো করে মুখ বন্ধ শিশিতে রেখে দিন। মাংসের
পরিমাণ বুঝে ১/২ চা চামচ বা ১ চা চামচ গুঁড়ো কষ কাটা মাংসে ভালো করে মেখে ঘণ্টাখানেক ঢেকে রাখুন। ঘন্টাখানেক পর মসলা ইত্যাদি দিয়ে যেমন মাংস হয় রান্না করুন। তাড়াতাড়ি মাংস সেদ্ধ হবে। যে সময় বা যে জায়গায় হাতের কাছে কাঁচা পেঁপে নেই অথচ মাংস তাড়াতাড়ি রান্না দরকার তখন ওই গুঁড়োটি কাজে লাগে।

৬২। সব রকম ফলই কেটে স্টিলের বাঁটিতে রাখা ভালো, তাহলে কাটা ফল কাল হয় না।

৬৩। টিনে বা কৌটায় চাল রেখে উপরের দিকে ১-২ আঙ্গুল খালি রেখে নিমপাতা খালি জায়গায় ভালো করে দিয়ে দেবেন। নিমপাতা ছায়ায় রেখে রস শুকিয়ে নেবেন।

৬৪। লাল গুঁড়ি পিঁপড়ের জ্বালায় যখন কোথাও কিছু রাখার উপায় থাকে না দুধ মিষ্টি যেখানে যা রাখা হয় সব জায়গা লাল পিঁপড়েয় ভরে যায়। তখন হাঁড়ি বা প্লেটে যাতে দুধ মিষ্টি রাখবেন
তার গাযে একটু সরষের তেল হাম বা কাপড় দিয়ে লাগিয়ে দিলে আর পিঁপড়ে ধরে না।

৬৫। সুজি, সেমাই শুকনো কড়াইতে কিছুটা বাদামি করে ভেজে মুখ বন্ধ কৌটায় রাখতে চট করে পোকা লাগে না।

৬৬। সালাদ বানাবার লেটুস পাতা অনেক সময় নরম ন্যাতার মতো হয়ে যায়। খুব ঠান্ডা পানিতে ২০ মিনিট রেখে তাতে একটু চিনি মিশিয়ে নিলে বা এক টুকরো কাঠকয়লা ফেলে দিলেও নরম ভাব কমে যাবে।

৬৭। নারকেল কোরার সঙ্গে খুব মিহি করে কাটা ১টি পেঁয়াজ বা ২টি লবঙ্গ ইচ্ছে হলে সামান্য রসুন শুকনো তাওয়ায় ভালো করে নেড়ে ঠান্ডা হলে বোতলে বদ্ধ করে রাখবেন। রান্নায় কখনো কখনো ব্যবহার করে দেখবেন। তাজা নারকেলের চেয়ে স্বাদ কম হবে না।

৬৮। ঘি বেশি দিন ঘরে থাকলে কেমন একটা কটু গন্ধ হয়ে যায়। ভাত বা তরকারিতেও খাওয়া যায় না। এই রকম ঘি একটি ডেকচিতে বা কোনো প্লেটে ঢেলে দুধ দিয়ে জ্বালে বসান। ঘিয়ের সঙ্গে দুধ জ্বাল দিয়ে দুধ শুকিয়ে যখন ঘিয়ের চাঁছির রং হবে তখন নামিযে ছেঁকে নিন। কটু গন্ধ চলে যাবে।

৬৯। পেঁপের কষে অনেকের অ্যালাজি হয়। হাতে গুঁড়ি গুঁড়ি ফুসকুড়ি হয়। আস্ত পেঁপে বটি দিয়ে বড় বড় খন্ড করে কেটে একটি প্লেটে পানি নিয়ে তাতে ভিজিয়ে রাখুন। হাত না লাগিয়ে পানি ফেলে দিয়ে আবার পানি নিয়ে খন্ড পেঁপেগুলোর কষ ধুয়ে ফেলে পছন্দমতো টুকরায় কেটে নিন। এতে হাতের অত দূরাবস্থা হবে না।

৭০। সরষে বাটার সময় সরষেতে একটু লবণ দিয়ে বাটলে সরষে তিতা হয় না।

৭১। রান্না তরকারিতে লবণ বেশি হলে সামান্য টক ও সামান্য মিষ্টি দিলে লবণাক্ত স্বাদ কমে যবে।

৭২। ছোট করে কাটা বেগুনে রান্নার কিছু আগে লবণ মাখিয়ে রেখে কিছুণ পরে কিছু পানি ফেলে দিয়ে ভাজলে, ভাজতে তেল কম লাগে।

৭৩। দই দিয়ে কষে যে সব রান্না করা হয় তাতে অনেক সময় দই ছানা ছানা হয়ে যায়। দইয়ের সঙ্গে সামান্য ময়দা দিয়ে ফেটিয়ে মসলা কসার সময় দিলে দই ছ্যাঁকরা কম হয়।

৭৪। যে পানিতে বা কাগজি লেবু চিপলে রস বের হতে চায় না, সেই রকম লেবু কিছুক্ষণ গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ও চিপলে অনেক রস বের হবে।

৭৫। কাঠের ডিশে লবণ রাখলে বর্ষাকালে লবণের নিচে ব্লটিং কাগজ বা ওই রকম কিছু কাগজ ভাজ করে রেখে দিলে লবণের অনেক পানি কাগজে টেনে নেয়। লবণ মোটামুটি শুকনো থাকে।

৭৬। আলু গোল না করে কেটে লম্বালম্বি করে কাটলে সহজে সেদ্ধ হয়।

৭৭। হলুদের গন্ধে অনেক সময় তরকারির স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। লোহার কিছু পুরিয়ে সেটা তরকারির মধ্যে ডুবিয়ে নিলে হলুদের গন্ধ অনেকটা কমে যায়।

৭৮। রান্নার সময় হাতে অনেক সময় হলুদের ছোপ লেগে যায়। কিছুতেই উঠতে চায় না। কাপড় কাচার সোডা হাতে বেশ করে ঘষে, ভালো করে হাত ধুয়ে একটু গ্লিসারিন হাতে ভালো করে লাগালে সোডা দিয়ে ঘষার জন্য হাত খসখসে লাগবে না ও হলুদের রঙও অনেকটাই উঠে যাবে।

৭৯। রান্না করার পর বাটা মসলা অনেক সময় বেশি হয়ে যায়। বাসি হলে বাটা মসলা খারাপ হয়ে যায়। বাড়িতে ফ্রিজ না থাকলে বাটা মসলায় লবণ মাখিয়ে জালের নিচে রাখলে ২-৩ দিন ভালো থাকবে।

৮০। রসুনের খোসা ছাড়ানোর আগে অল্প পানিতে ভিজিয়ে রাখালে খোসা ছাড়াতে সুবিধা হয়। নখেও ব্যথা লাগে না।

৮১। রান্না করার পর ছ্যাঁকা লাগলে বা গরম তেল ছিটে হাতে বা অন্য কোথাও পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গায় লবণ দিয়ে চেপে কিছুক্ষণ বেঁধে রাখলে ফোসকা পড়ে না। লবণ ও মাটি একত্রে
মোটা করে লাগালে জ্বালা কমে, ফোসকা পড়ে না।

৮২। মোচা ও কচু কাটার সময় হাতে বারবার লবণ মাখিয়ে নিলে মোচা ও কচুর কষ হাতে লাগবে না।

৮৩। ঠান্ডা ভাত গরম করতে হলে ডিশে পানি চড়িয়ে তাতে লবণ দেবেন। পানি ফোটামাত্র ঠান্ডা ভাত ঢেলে একটু ফুটিয়ে নামিয়ে মাড় গেলে ফেলবেন। তাতে ভাত ঝরঝরা হবে।

৮৪। কাঁচা মুগ ডাল ভেজে পানিতে ধুয়ে নিলে ডালের রং কালো হয় না, না ধুলে ডালের কুড়া ভাজা হয়ে কালো রং হয়। ডালের সঙ্গে কুড়া থাকলে ডালের রং উজ্জ্বল হয় না।

৮৫। ভাজা মুগ পানিতে রান্না করার পর কেমন যেন কালচে ফ্যাকাসে লাগে। ভাজা সোনামুগ ডালে সে আগের রং দেখা যায় না। ডাল বাঘার দেওয়ার সময় ফোড়ন পুড়ে এলে সমান ১ চামচ চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চিনি গলে লাল ফেনা হয়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গেই সেদ্ধ ডাল ঢেলে, নেড়ে মিশিয়ে দিন। মরিচবাটা, হলুদবাটা না দিয়েও সোনামুগের ডালের সুন্দর রং হবে। ছোলার ডালেও কোন বাটা মসলা না দিয়ে শুধু চিনি পুড়িয়ে এই রকম করে দিলে সুন্দর রং হবে।

৮৬। শসা কাটার সময় শসার বোঁটার দিকে চাকা করে কেটে সেই চাকাটি শসার কাটা জায়গায় গোল করে ঘষতে থাকলে ফেনা ফেনা মতো বের হবে। এটা শসার তিতা কষ। যদি শসা তিতা স্বাদের হয়, এই কষ বের করলে তিতা কম লাগে। শসার মাথার দিক থেকে বোটার দিকে লম্বালম্বি খোসা ছাড়াবেন। এতে তিতা কম লাগে।

৮৭। কাঁচামরিচ বড় মুখের বোতলে বা প্লাস্টিকের থলেতে রেখে ভালো করে বদ্ধ করে রাখরে ২-৩ দিন বেশ টাটকা থাকে।

৮৮। ১ চা চামচ বেকিং পাউডারের বদলে ১/৪ চা চামচ সোডা ও ১/২ চা চামচ ক্রিম অফ টার্টার মেশালে ফল হবে।

৮৯। ব্রেড ক্রাম্বের গুঁড়ো কর্নফাওয়ার, সুজি ব্যবহার করা যায়।

৯০। কাঁঠাল কাটার আগে আস্ত কাঁঠাল পানিতে ডুবিয়ে ১৪/১৫ মিনিট সেদ্ধ করে কিছুটা ঠান্ডা হলে রান্নার জন্য পছন্দমতো কেটে নিন। কাঁঠালের আঠার ঝামেলা থাকবে না।

৯১। লবঙ্গ রান্নায় দেওয়ার আগে ফুল ফেলে দিবেন। লবঙ্গের ফুলে অনেক সময় তরকারি তিতা স্বাদের হয়ে যায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28857720 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28857720 2008-10-21 14:22:15
আহারের সহবত
০ বড় হা করে খাবেন না।

০ খাবার চিবানোর সময় মুখ বন্ধ রাখবেন।

০ আওয়াজ করে খাবেন না।

০ মুখে খাবার নিয়ে কথা বলবেন না।

০ চা পানের সময় শব্দ করে চুমুক দেবেন না।

০ পিরিচে ঢেলে চা খাবেন না।

০ চা’য়ে বিস্কুট ডুবিয়ে খাবেন না।

০ এঁটো খাবার টেবিলে ফেলবেন না। আলাদা প্লেটে ফেলুন।

০ টুথপিক ব্যবহারের সময় বাঁ হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে নিন।

০ এক সাথে অনেক ভাত প্লেটে নেবেন না।

০ সারা হাত মেখে ভাত খাবেন না।

০ খেতে খেতে আঙ্গুল চাটবেন না।

০ খাওয়ার সময় ডান হাতে পানির গ্লাস ধরবেন না।

০ সবার সামনে ঢেঁকুর তুলবেন না।

অনেকের সাথে

০ খাবার দেয়া মাত্রই শুরু করবেন না। অন্যদের জন্য অপেক্ষা করুন।

০ কোনো খাবার নিতে দূরে হাত বাড়াবেন না।

০ দূরের খাবার প্রয়োজন পড়লে পাশের জনকে অনুরোধ করুন।

০ কোনো কারণে খাওয়ার মাঝে উঠতে হলে ‘এক্সকিউজ মি’ বলে উঠুন।

কাঁটা চামচের সহবত

০ অনানুষ্ঠানিক জমায়েতে কাঁটা চামচ ব্যবহারে অসুবিধা হলে হাত দিয়েও খেতে পারেন। তবে আড়ম্বর অনুষ্ঠানে অবশ্যই কাঁটা চামচ ব্যবহার করবেন।

০ বাঁ হাতে কাঁটা চামচ ব্যবহার করবেন।

০ বাঁ হাতে কাঁটা এবং ডান হাতে ছুরি ধরবেন।

০ চামচ দিয়ে প্লেটে শব্দ করবেন না।

০ যে কোনো খাবার মুখে দেয়ার মতো ছোট টুকরায় কাটুন।

০ পুরো খাবার একবারে টুকরো করে ফেলবেন না।

০ স্টেক অথবা গ্রিলড আইটেম খাওয়ার সময় ছুরি এবং কাঁটা চামচ ব্যবহার করুন।

০ পরোটা অথবা নান হাত দিয়েই খান।

০ রেস্তোরাতে খাওয়ার সময় ন্যাপকিন থাকলে অবশ্যই তা ব্যবহার করুন।

০ স্যুপের সাথে চামচ না থাকলে প্লেটের পাশে থাকা গোলাকৃতি চামচ ব্যবহার করুন।

০ শব্দ করে স্যুপ খাবেন না।

০ ন্যুডলস খাওয়ার সময় কাঁটা চামচ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ন্যুডলস জড়িয়ে নিন। সামনে ঝুঁকে মুখে দিন।

০ সালাদ সাধারণত কাঁটা চামচ দিয়ে খাওয়া উচিত।

০ স্যান্ডউইচের আকার বড় হলে প্রথমে সুবিধাজনক আকৃতিতে কেটে নিন। পরে চামচের সাহায্যে খান।

০ কাটার প্রয়োজন নেই এমন খাবারে ছুরি ব্যবহার করবেন না।

০ খাওয়া শেষে কাঁটা চামচ সোজাসুজি প্লেটের মাঝখানে রাখুন।

মনে রাখবেন

০ যিনি খাবার এগিয়ে দেবেন তাকে ধন্যবাদ জানাবেন।

০ রোল বা টোস্ট ছোট ছোট টুকরো করে মুখে দিন।

০ মাখন কিংবা জ্যাম অথবা জেলি সার্ভিং ডিশ থেকে সরাসরি নিজের প্লেটে নেবেন না। আগে সাইড প্লেটে রাখুন। এরপর বাটার দিয়ে রুটি মাখুন।

০ কী করবেন বুঝতে না পারলে অন্যরা কী করছে খেয়াল করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28855489 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28855489 2008-10-16 14:08:09
কমলার শরবত উপকরণ : কমলা ৪টি, চিনি ২ টেবিল চামচ, পানি ১০০ মিলি।
প্রণালী : প্রথমে কমলাগুলো ছিলে নিতে হবে। তারপর চিনি ও পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটি গ্লাসে শরবত ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28855055 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28855055 2008-10-15 16:50:26
কলার শরবত " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> উপকরণ : কলা বড় ৪টি, চিনি ৫০ গ্রাম, পানি ১০০ মিলি।



প্রণালী :
প্রথমে কলা ছোট ছোট করে টুকরো করতে হবে। তারপর পানি ও চিনির সাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেল কলার শরবত। একটি গ্লাসে ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28833200 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28833200 2008-08-21 15:37:39
তরমুজের ললি
উপকরণ : তরমুজের বিচি বাদ দিয়ে কিউব করে কাটা ২ কাপ, চিনি ৩ টেবিল চামচ, লবণ সামান্য, লেমন জুস ১ টেবিল চামচ, পানি আধা কাপ।

প্রণালী : সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে আইসক্রিমের ছাঁচে ঢেলে তিন-চার ঘন্টা ফ্রিজে রেখে জমিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28832807 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28832807 2008-08-20 15:41:12
টমেটোর শরবত
উপকরণ : টমেটো ২৫০ গ্রাম, চিনি ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ ১/২ চা চামচ, পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী : টমেটো, চিনি, গোল মরিচ ও পানি একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিয়ে একটি গ্লাসে ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন টমেটোর শরবত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28831148 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28831148 2008-08-15 14:07:26
গরমে আরাম
উপকরণ:
তরল দুধ ১ কাপ, পানি ১২ কাপ, চিনি ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।

প্রনালি:
১। দুধের সাথে পানি মিশিয়ে ফুটান। ঠান্ডা করে চিনি মিশিয়ে ৪-৫ ঘন্টা রেফ্রিজারেটরে রাখুন।
২। পরিবেশনের আগে লেবুর রস ও বরফ কুচি মিশান। দুই পরিবেশন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830869 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830869 2008-08-14 16:25:17
ব্লক
means unblock করার কোন উপায় আছে কি।
আমাকে একটু জানান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830498 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830498 2008-08-13 18:19:39
আনারসখোসার সরবত উপকরণ:
আনারসের খোসা (জলডুবি) ১টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ১/২ কাপ, লবণ, বরফকুচি প্রয়োজনমতো।

প্রনালি:
১। সরস এবং পাকা (খোসার রং হলুদ হবে) একটি আনারসের খোসা ভালো করে ধুয়ে ডুবো পানিতে (প্রায় ৪ কাপ) সিদ্ধ দিন। কয়েকবার ফুটে উঠার পরে আনারসের সুগন্ধ বের হলে চুলা থেকে নামিয়ে পাতলা কাপড় দিয়ে রস ছেঁকে নিন। ঠান্ডা করুন।
২। রস ঠান্ডা হলে চিনি মিশান। প্রয়োজন মতো পানি মিশাতে পারেন। লেবুর রস ও বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। ৪ পরিবেশন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830456 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830456 2008-08-13 16:03:38
বাতাবি লেবুর সরবত
উপকরন:
বাতাবি লেবুর রস ১/২ কাপ, ঠান্ডা পানি ১/৪ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, বরফকুচি।

প্রনালি:
১। জাম্বুরা বা বাতাবি লেবুর রস মিহি কাপড়ে ছেঁকে নিন অথবা বাতাবি লেবুর সাথে পানি মিশিয়ে ব্লেন্ডারে রস করে ছেঁকে নিন। চিনি মিশিয়ে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। ১ পরিবেশন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830113 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28830113 2008-08-12 15:33:00
গ্রিল চিলি মাংস যা যা লাগবে : গরুর মাংস ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ভাজা ১ কাপ, তেল ৩ টেবিল চামচ, রসুন বাটা এক চতুর্থাংশ চামচ, আদা বাটা এক চতুর্থাংশ চামচ, সাদা গোলমরিচ ১ চা চামচ, পেঁয়াজ পাতা আধা কাপ, কর্নফাওয়ার ১ টেবিল চামচ, পানি ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১২/১৩টি, চিনি ১ চা চামচ, চাইনিজ মসলা ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালী
প্রথম পর্যায়
কড়াইতে তেল বসিয়েসব মসলা মাংস একত্রে মিশিয়ে ১০ মিনিট কষান।
দ্বিতীয় পর্যায়
এবার পেঁয়াজ, সয়াসস, চিনি, লবণ এবং চাইনিজ মসলা দিন।
তৃতীয় পর্যায়
এবার কর্নফাওয়ার পানিতে গুলিয়ে নিন। মাংস সিদ্ধ হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28829372 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28829372 2008-08-10 16:11:23
মুক্তিযুদ্ধ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828715 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828715 2008-08-08 14:34:37 রেষ্টুরেন্ট
এই দীর্ঘ তালিকায় ফ্যাশন, গ্লামার, অভিনয়, সাহিত্য, খেলাধূলা এমনকি রাজনীতির খুঁদে খেলোয়াড়দের নামও চলে আসবে অনায়াসে।


বস্তুত স্টেক (সে সিজলিং কিংবা নন সিজলিং যেটাই হোক) নামের এই বিশেষ প্রক্রিয়ার সুপক্ক কিংবা অর্ধপক্ক গোমাংসের পদটির রসনাবৈভব রীতিমতো ঈর্ষাযোগ্য। স্টেকের স্বাদের সাথে যোগ হয়েছে আভিজাত্য। কেননা এটি মূলত প্রিমিয়াম ডিশ।

আঁশযুক্ত ও নরম রসালো মাংসখণ্ডই মূলত স্টেকের প্রাণ। উত্তর আমেরিকায় উদ্ভূত মাংস খাওয়ার এই স্বাদু রেসিপি একই সাথে প্রকাশ করে- যিনি খাচ্ছেন তার রুচি এবং সামর্থ্য। ভোজন রসিকের পছন্দের ওপর অবশ্য স্টেক গ্রীলড নাকি প্যান ফ্রায়েড হবে তা অনেকটা নির্ভর করে। তবে স্টেক বলতে প্রথমত বোঝায় গ্রীলড বীফের বড় ফালি বা টুকরো। তবে স্বাদ অনুযায়ী বাড়ে বা কমে ম্যারিনেশন এবং গ্রিলিং বা ফ্রাইংয়ের সময়কাল।

তাই স্টেক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে মাংসের বিশেষ কোয়ালিটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ন তার রন্ধনসময়কালও। স্টেকের জন্য প্রয়োজন হয় মিহি আঁশের রসালো মাংস। ফলে আমাদের হাটে মাঠ চড়ে বেড়ানো দেশী গরুর মাংস ভূনা, কষা ঝোল কিংবা কাবাবের প্রণালীতে যতই উপাদেয় হোক না কেন স্টেকের ক্ষেত্রে সেটি একেবারেই অচল।

এ ক্ষেত্রে দরকার ফার্মে বড় হওয়া ও বিশেষ প্রযুক্তিতে প্রসেস করা মাংস। ফলে মানসম্পন্ন স্টেকের মাংস হয়ে ওঠে দুর্লভ, সে কারণে এটি দামিও বটে।
যেমন স্টেকের জন্য ভুবন বিখ্যাত ‘কোবে’ বীফ। জাপানের কোবে অঞ্চলে প্রস্তুতকৃত এই বিশেষ বীফ স্টেকের দাম গড়পড়তা বাঙালির পিলে চমকে দিতে কাফি। ভাল মাংসের সাথে সাথে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না করাটাও স্টেকের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেমন কেউ কেউ খেতে পছন্দ করেন ব্লু রেয়ার বা রেয়ার কুকড স্টেক।

৩৭.৮ ডিগ্রি থেকে ৪৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গ্রীলড, সিজলিং বা প্যানফ্রায়েড। এই ধরনের স্টেকের উপরিভাগ হবে ধূসর বাদামি আর কাটলে পরে ভেতরটা থাকবে লাল। তাই আদর করে কেউ কেউ একে ডাকে ব্লাড রেয়ার বলে। যারা খেতে চান আরেকটু পক্কমাংস তাদের জন্য মিডিয়াম বা মিডিয়াম ওয়েল। ৫৭.২ ডিগ্রি থেকে ৬৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্টেকের বাইরে হবে বাদামি আর ভেতরে রসালো গোলাপি। তবে বাঙালি রসনা উপযোগী টেন্ডরলীয়ঁ বা টিবোন যে কোন স্টেকের ক্ষেত্রে ওয়েলডান হওয়াই ভাল।
৭৮ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটু বেশি সময় ধরে গ্রীলকরা স্টেকের চারপাশটা হবে গাঢ় বাদামি। তার ভেতরটা হবে তুলতুলে। স্টেকের জন্য মাংস কাটার মধ্যে আছে অনেক কারিকুরি। যেমন চাক স্টেক আসে গরম্নর গলার মাংস থেকে।

আয়রন স্টেক আসে বাছুরের নরম কাঁধ থেকে। ফ্লাঙ্ক স্টেক তৈরি হয় রিবস থেকে আর ইংরেজি ‘ক’ অক্ষরের মতো দেখতে টি-বোন স্টেক আসে শিরদাড়া থেকে।

যদিও মাংস বা আরো নির্দিষ্ট করে বললে গোমাংসই স্টেকের মূল উপাদান তবু মৎস্যপ্রেমীরাই বা বঞ্চিত হবে কেন স্টেকের স্বাদ থেকে? তাই স্টেকে ঢুকেছে সমুদ্রের স্বাদ।

বিশেষত নরওয়েজিয়ান স্যামন বা টুনারও বেশ ভাল স্টেক হয়। আর স্টেকের সাইড লাইন হিসেবে থাকে মূলত বীনস টমেটো, মাশরুম, গাজর, পেঁয়াজ, শসা ইত্যাদি। আর আমেরিকান স্টাইলে স্টেকের দোকানকে বলা হয় স্টেক হাউজ।

যাই হোক, যে প্রসঙ্গে এসব কথা বলা সেটি হচ্ছে ঢাকায় এখন অনেক রেঁস্তোরাতেই পাওয়া যাচ্ছে স্টেক। সেগুলো কতটা স্বাদ-গন্ধ মানের ব্যাকরণ মেনে তৈরি করা সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ থেকেই যায়।

যদিও তারকা হোটেলের কথা খানিকটা আলাদা। তবে ব্যাকরণ মেনে শুধু স্টেকের জন্যই একটা স্পেশালাইজড ফুড কোর্ট প্রতিষ্ঠা করাটা বেশ সাহসের ব্যাপার।

সাহসটা দেখিয়েছেন বটে স্বত্বাধিকারী আরশাদ হোসেন। হ্যাঁ, স্টেক হাউজের কথা বলছি। গুলশান ১-এর ১৩০ নং রোডে মান্ত্রার উপরেই যার স্খিতি। নামের ব্যাপারে কোন রাখঢাক নেই। ‘স্টেক’ পাওয়া যায় তাই ‘স্টেক হাউজ’। ডোর ঠেলে ঢুকলেই প্রশস্ত রেঁস্তোরা। একই সাথে এখানে রয়েছে ৮৪ জনের বসার ব্যবস্খা।

ঋজু গদি মোড়া কাঠের চেয়ার স্বল্প, রেশমীচোরা আলোর নিবিড় মুগ্ধতাটা একটা ডেট-লাঞ্চ বা ফ্যামিলি ডিনার উভয়ের জন্য আদর্শ। একই ছাদের তলায় স্টেক হাউজে রয়েছে একটা চমৎকার মকটেল অ্যান্ড জুসবার। যার ডান দিকে এক স্বচ্ছ কাঁচঘেরা লাউঞ্জ। একটু আয়েশীভঙিতে সান্ধ্য সান্নিধ্য বা দুপুরে মেজাজী মৌতাতটুকু উপভোগ করা যেতে পারে অনায়াসে। আবার স্মোকারদের জন্য রয়েছে বাইরে খোলা হাওয়ায় সীসা লাউঞ্জ।
এটা-ই স্টেক হাউজের অন্যতম চমৎকারিত্ব যে, একই ছাদের তলায় সব রকম ভোজনপ্রেমীদের জন্যই রয়েছে স্বতন্ত্র আয়োজন। স্টেক হাউজ তার নামের প্রতি সুবিচার করতেই সার্ভ করে ইমপোর্টেড ফিশ অ্যান্ড মিট স্টেক। এই তালিকায় যেমন আছে টিবোন স্টেক, চাক স্টেক, রিব আই, সিরলিয়ঁ বা টেন্ডারলিয়ঁ স্টেক তেমনি আছে নরওয়োজিয়ান স্যামন, টুন ইত্যাদি।

আবার লোকাল স্টেকের লাইনটাও যথেষ্ট লম্বা। স্টার্টার হিসেবেও রয়েছে ফেন্সশ স্যালাড হতে কুড়মুড়ে নানান কন্টিনেন্টাল ডিশ। স্যুপের পেয়ালায় জিভডোবানো যেতে পারে অনায়াসে। তবে অবশ্যই মিস করবেন না ডেজার্ট। কেননা একটা লম্বা ভুঁড়িভোজের শেষ পাতে আইসক্রিম, বা ব্রাউনিজ বা ফ্রেশ ফ্রুট কিন্তু চাই-ই চাই।

স্টেক হাউজ
সিইসি (জি)১
সড়ক ১৩০
গুলশান ১ ঢাকা।

সংগ্রহ




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828684 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828684 2008-08-08 12:23:33
নোনা ইলিশে বেগুন ভুনা
উপকরণ : নোনা ইলিশ ৪-৫টি, ছোট বেগুন আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ ও মেথি ৫-৬টি।

প্রণালী : ১. নোনা ইলিশ রান্না করার ১ ঘন্টা আগে পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুযে নিতে হবে, যেন লবণ না থাকে। তারপর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে। ২. বেগুন ফালি করে মাঝে ছুরি দিয়ে কয়েকটি দাগ কেটে একটু চিড়ে লবণ ও হলুদ মাখিযে ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে। ৩. আধা কাপ তেল গরম করে তাতে মেথি দিয়ে তা উঠিয়ে ফেলে দিতে হবে। এই তেলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিযে কষিযে মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে ১ কাপ পানি দিতে হবে। ফুটে উঠলে বেগুন ভাজা দিতে হবে। কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828387 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828387 2008-08-07 15:07:20
ফুলকপির রোস্ট
যা যা লাগবে : ফুলকপি মাঝারি সাইযের ১টি, মাংসের সিদ্ধ কিমা ১ কাপ, পনির কুচি পোয়া কাপ (গ্রেটেড), পেঁয়াজ পোয়া কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, মরিচ গুড়া আধা চা চামচ, হলুদ গুড়া আধা চা চামচ, গোল মরিচ গুড়া আধা চা চামচ, গরম মসলার গুড়া ১ চা চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, ডিম ১টি, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, ময়দা আধা কাপ।

যেভাবে বানাবেন :

১. পোয়া কাপ তেল গরম করে পেঁয়াজ অল্প ভেজে হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন দিয়ে কষিয়ে কিমা দিয়ে ৫-৬ মিনিট ভুনতে হবে। গোলমরিচ গুড়া, টমেটো সস, গরম মসলার গুড়া দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়া চাড়া করে নামাতে হবে।

২. ফুলকপির বোঁটা ও ডাঁটা বাদ দিয়ে, কুসুম কুসুম গরম পানিতে, লবণ দিয়ে আস্ত ফুলকপি ২৫-৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার ফুলকপি লবণপানি থেকে উঠিয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

৩. ডিম ফেটিয়ে কিছুটা ডিম রেখে দিয়ে বাকি ডিমের সাথে রান্না মাংসের কিমা, পনির, কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে মাখিয়ে ফুলকপি উল্টিয়ে সাবধানে কপির ফাঁক দিয়ে কিমা ঠেসে ঠেসে ভরতে হবে যেন ফুলকপি না ভাংগে।

৪. ময়দার সাথে সামান্য লবণ ও দুই টেবিল চামচ তেল দিয়ে কিছুক্ষণ ময়ান দিয়ে অল্প পানি দিয়ে মথে ২০-২৫ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে।

৫. এবার ময়দার খামির দিয়ে রুটি বেলে রুটির উপরে ডিমের প্রলেপ দিয়ে ফুলকপির যে দিকে মাংস ভরা হয়েছে সেইদিকে ঢেকে দিয়ে কপির সাথে চেপে চেপে দিতে হবে।

৬. গরম ডুবো তেলে ফুলকপির দুই পিঠ ভেজে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828107 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28828107 2008-08-06 19:17:39
ছুরি শুঁটকি ভর্তা উপকরণ : ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।

প্রণালী : শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28827700 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28827700 2008-08-05 18:46:18
ভালবাসা love is stronger than death.]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28827364 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28827364 2008-08-04 19:00:34 চিকেন কাটলেট
উপকরণ: হাড় ছাড়া মুরগীর বুকের মাংস ২ কাপ, গলানো মাখন ১০০ গ্রাম, ময়দা দেড় কাপ, পানি দেড় কাপ, লবন হাফ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি দুই টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ, ডিম ২ টি, টোস্ট বিস্কুটের গুড়া পরিমান মতো, পেয়াজ কিউব করে কাটা ১ কাপ।

প্রণালী: মুরগীর মাংস পিষে নিন। এবার চুলায় একটি পাত্রে পানি ও গলানো মাখন দিন। পানি ও মাখন ফুটে উঠলে ময়দা দিয়ে খামির তৈরি করে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার ময়দার খামিরের সঙ্গে পেষা মুরগী, লবন, ধনেপাতা কুচি, টেস্টিং সল্ট, ডিম একসাথে মাখুন। তারপর কাটলেটের শেপ করে টোস্ট বিস্কুটের গুড়ায় মেখে ডিপ ফ্রিজে ১৫-২০মিনিট রাখুন। এবার ডুবো তেলে ভাজুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826576 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826576 2008-08-02 15:32:35
পাপায় সালাদ
উপকরণ : পেঁপে, পেঁয়াজ, সাদা গোলমরিচ, লেমন জুস, চিনি, পেঁয়াজ পাতা, মরিচ, রসুন (অল্প পরিমাণে) ও সালাদ অয়েল।

প্রস্তুত প্রণালী : পেঁপে, পেঁয়াজ আর পেঁয়াজ পাতা স্লাইস করে কেটে চিনি মেশাতে হবে। এগুলোর সঙ্গে মরিচ, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া, রসুন ও সালাদ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826547 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826547 2008-08-02 13:55:13
সবজির স্যুপ
উপাদান :
সবজি ২৫০ গ্রাম। মাশরুম, বিনস্প্রাউট ১ টেবিল চামচ, ভিনেগার ১ টেবিল চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ২টি (বিচি ছাড়া), নুডলস আধা কাপ, গোলমরিচ সিকি চা চামচ, সয়াসন ১ চা চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, চিলি সস ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি, পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা।

প্রস্তুত প্রণালী :
সবজি পাতলা করে কেটে নিন। পেঁয়াজ খোসা ছাড়িয়ে নিন। ৪ কাপ পানি গরম করুন, তাতে টুকরা করা মাশরুম দিন এবং বলক উঠলে সস ও লবণ দিন। চুলা বন্ধ করে কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, বিনস্প্রাউট দিন। খাওয়ার আগে ভিনেগার অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826313 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826313 2008-08-01 18:35:50
টমেটো স্যুপ
উপাদান :
টমেটো ৪টি, রসুন কুচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১টি (বিচি ফেলে), গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, কালোজিরা সামান্য।

প্রস্তুত প্রণালী :
টমেটো, পেঁয়াজ, রসুন এবং ৪ কাপ পানি সব একসঙ্গে দিয়ে জ্বাল দিন। এরপর ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর তারের মোটা চালুন দিয়ে চেলে নিন। তারপর আবার চুলায় দিন। খাওয়ার আগে ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, লবণ মিশিযে নিন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826280 http://www.somewhereinblog.net/blog/kaniz/28826280 2008-08-01 16:43:44