আমার প্রিয় পোস্ট

যা ইচ্ছা তাই লিখব

ব্যাঙ্ক একাউন্ট

১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৩৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

কুয়ো ব্যাঙ সাগরে পড়লে আইঠাই খায়, তেমনি বাংলাদেশ ছেড়ে এসে এই দেশে তেমনি ধরাটা খাইছিলাম।

প্রথম ধরা খাইছিলাম proof of address নিয়া। ব্যাঙ্কে একাউন্ট খুলতে, NI নম্বরের (অনেকটা সোশাল সিকিউরিটি নম্বরের মতো) জন্য , GP-র (ডাক্তারের সাথে নিবন্ধিত হতে) জন্য আবেদন করতে এই proof of address চাই। আবার ব্যাঙ্ক একাউন্ট ছাড়া চাকুরীও পাওয়া যাবে না। হইলো ঠ্যালা!

কোনমতে islamic bank of britain বইল্যা একটা ব্যাঙ্ক আছে ওইখানে একটা একাউন্ট খুললাম। তাতেও লাভ হলো না, অনেকেই ওই ব্যাঙ্কের নামও শুনে নাই। তারও কিছুদিন পর এই ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট নিয়া আর প্রুফ অফ এড্রেস দিয়া hsbc ব্যাঙ্কে একাউন্ট খুললাম। ততদিনে একটা বাসা নিয়ে তার এড্রেস ব্যবহার শুরু করে দিয়েছিলাম।

hsbc শালারাও বদের হাড্ডি, স্টুডেন্ট একাউন্ট ধরায় দিয়েছিল, সাথে একটা solo র্কাড। কামের কাম কিছুই হয় না। কোন ওভার ড্রাফট নাই, র্কাড upgrade করবে না, একাউন্টও upgrade করবে না।

প্রায় দেড়বছর হয়ে গেল এই solo র্কাড ব্যবহার করতে করতে। হঠা্ত করে গত সপ্তাহে এক পোলা কইলো Lloyds TSB নাকি এক নতুন পোলারে পাচঁ হাজার পাউন্ট ক্রেডিট লিমিট দিয়েছে। শুনে তো আমার চড়ক গাছ। কয় কি হালা!

পরদিনও ছুটলাম পার্শ্বর্বতী Lloyds TSB র শাখায়, কাগজপত্র দেখে current account এর সবচেয়ে ভাল Premier একাউন্ট অফার করলো আর বলল এই একাউন্ট নিয়ে যাবতীয় সুবিধা পাওয়া যাবে আর সাথে সাথে তিনমাস পর ক্রেডিট র্কাড দিবে। আপাতত পাচঁশত পাউন্ড ওভারড্রাফট আর একদিন সর্বোচ্চ পাচঁশত পাউন্ড withdrawn পাওয়া যাবে। আমি তো যারপরনাই খুশি।

নাচতে নাচতে বাড়ি এলাম।

আমার কথা শুনে আমার আরেক হাউজমেটও গেল একাউন্ট খুলতে, ওরে দিল current account-silver। ওইটা কার্ডের সিরিয়ালে ২ নম্বর আর আমারটা ৫ নম্বর। যাইহোক কিছুটা খুশি লাগলো। কেন খুশি লাগল পরে কোন একদিন বলবো।

আজ সকালে Visa Debit Card পেলাম, এতদিন কারোও কাছে premier account এর debit card দেখি নাই, আর অন্য একাউন্টগুলো কার্ডগুলো দেখতে তেমন একটা ভাল না, কিন্তু আমার কার্ডটা দেখতে খুব সুন্দর আর যেদিন একাউন্ট খুলতে গিয়েছিলাম, ওইদিন একজনের হাতে এই কার্ডটা দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম - কবে যে অমন একটা কার্ড পাব, আর এক সপ্তাহের মাথায় পেয়ে গেলাম।

হয়তো তিনমাসের মাথায় ক্রেডিট কার্ডও পেয়ে যাবো। তাহলে আর সেমেস্টারের আগে ফি নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

আহ ....

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার প্রবাসী জীবন  বিভাগে ।

 

  • ৪ টি মন্তব্য
  • ২১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৪২
comment by: হ্রী বলেছেন: ভাল লাগলো লেখাটা পড়ে।
আরো নিয়মিত লেখুন।
২. ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: এখানে ব্যাংক একাউন্ট খোলার কাগজপত্র অনেকটা 'ডিম আগে না মুরগী আগে' ব্যাপারটার মতো। যাই হোক আমি কিন্তু এতোসব ঝামেলায় পড়ি নাই। ব্যাংক একাউন্ট খোলা যাবে না চিন্তা করেই ঝগড়া করতে গেছিলাম। কিন্তু আমাকে একাউন্ট দিয়ে দিছিল। এইচএসবিসি-র মাইয়াটাও জোশ আছিল।
৩. ১২ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
comment by: হাসান বলেছেন: এমনটা বলব না যে সময় পাই না। এটা একেবারেই মিথ্যা, বরং লেখার আগ্রহ পাই না আর পাবলিকে এমন লেখা পড়তেও চায় না @ হ্রী।

এখন আমার একাউন্টে যে পরিমান টাকার আসা যাওয়া তাতে সবাই বাপ বাপ করে একাউন্ট দেবে, কিন্তু আমিই এইচএসবিসির পর অন্য একাউন্ট নিতে আমিই আগ্রহী ছিলাম না। হাউজমেট সবাই বাড়ী ভাড়ার টাকা আমার একাউন্টে জমা দেয়, সাথে ইউটিলিটি বিল, ইউনির্ভাসিটির ফি, বেতন - সব মিলিয়ে প্রায় গড়পড়তা তিনহাজার আসা যাওয়া করে, যদিও মাসের শেষে সেই ৫০০ পাউন্ড ব্যালেন্স @ অলৌকিক হাসান
৪. ১২ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
comment by: ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: ক্রেডিট কার্ড তো হলো এবার সেগুলো খরচ করার জন্য একটা বিয়ে করেন ;-)

 

 


আমি হাসান, জিন্নাত উল হাসান। এই ব্লগে বেশ পুরান পাবলিক। অনিয়মিত লিখি, অধিকাংশ সময়ই আলগোছে ঢুঁ মেরে যাই। লন্ডনে আছি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩৪৩৬১