somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... [প্রতিযোগিতা] কিভাবে ফাও দেওয়া থেকে বিরত থেকে নিজেকে মূল্যায়ন করবেন? (প্রতিযোগিতা) কিভাবে ফাও দেওয়া থেকে বিরত থেকে নিজেকে মূল্যায়ন করবেন?

পুরষ্কার:
এক হাজার টাকা মোবাইলের রিচার্জ করে দেয়া হবে।

সময়:
১২ই আগস্ট, মধ্যরাত (বাংলাদেশ সময়)

নিয়মাবলী:
গুগল ডকসে একটি ফাইল তৈরি করুন এবং ইমেইলের সাথে শেয়ার করুন। একাধিক লেখা পাঠাতে পারেন, তবে প্রতিটি পোষ্ট ভিন্ন ভিন্ন ফাইলে থাকতে হবে।



--------------------------------------------------------------------------------
আমার বাংলা ব্লগ *** ফেসবুক ফ্যানপেজ *** ফেসবুক ইভেন্ট
--------------------------------------------------------------------------------


আপনার দাঁতে খুব ব্যথা, মনে হচ্ছে দাঁতটি তুলে ফেলতে হবে। আপনি মোটামুটি মানের একজন দন্ত বিশেষজ্ঞের কাছে গেলেন, তিনি চেম্বার সাজিয়ে বসেছেন। কিন্তু রুগী নেই। আপনিই হয়তো প্রথম রুগী। আপনি নিজের সমস্যার কথা বললেন, ডাক্তার আপনার দাঁত দেখে বললেন, দাঁতটি তুলে ফেলতে হবে এবং এজন্য আপনাকে দুই হাজার টাকা দিতে হবে। আপনি অনেক চেষ্টা করলেন, কিন্তু ডাক্তার সাহেব তার ফি কমালেন না। তার নাকি একই রেট। এছাড়া তিনি এত বছর পড়াশুনা করেছেন, কষ্ট করে চেম্বার সাজিয়েছেন, দুই হাজার টাকার কম নিলে নাকি তার পোষাবে না। ঠিক ওই ডাক্তারই দু’দিন পর আপনার কাছে এলেন, আপনাকে তার জন্য একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে দিতে বললেন। আপনি চাইলে এক হাজার টাকা। উনি বললেন এত ছোট একটি কাজের জন্য এক হাজার টাকা দিতে হবে কেন? আপনি তো ওয়েবসাইটটি এক রাতের মধ্যেই বানিয়ে দিতে পারবেন, তাহলে মাত্র এক রাতের কাজের জন্য এক হাজার টাকা চাচ্ছেন কেন?

এই পরিস্থিতিতে কিভাবে নিজেকে মূল্যায়ণ করবেন, নিজের ভাষায় যুক্তিসহকারে আপনার বক্তব্য লিখুন।


সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29428813 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29428813 2011-08-09 22:00:34
[কাজের বিজ্ঞপ্তি] ফোরাম লিংক পোষ্টার আবশ্যক (কাজের বিজ্ঞপ্তি) ফোরাম লিংক পোষ্টার আবশ্যক

কাজের বিবরণ:
১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যাকলিংকের গুরুত্ব অপরিহার্য। আর ওয়েবসাইটের সম্পর্কিত ফোরাম থেকে ব্যাকলিংক পেতে হলে ফোরামের আলোচনায় নিয়মিত অংশগ্রহন করতে হয় এবং সুযোগমতো স্থানে কিংবা সিগনেচার অপশন লিংক রেখে আসতে হয়। তবে অহেতুক লিংক দিলে ফোরামের এডমিনরা একাউন্টগুলোকে ব্যান করে দিতে পারে।
২. এই মূহুর্তে পূর্বে ফোরামে অংশ নিয়েছেন, এবং লিংক বিল্ডিং করেছেন, এমন একজন লিংক বিল্ডার আবশ্যক।
৩. যেহেতু লিংক বিল্ডারকে ওয়ার্ডপ্রেস ভিত্তিক সাইটের জন্য লিংক পোষ্ট করতে হবে, তাই অবশ্যই তার ওয়ার্ডপ্রেস সম্বন্ধে জ্ঞান থাকতে হবে।
৪. থ্যাংক ইউ, ইউ আর ওয়েলকাম, থ্যাংকস ফর শেয়ারিং টাইপের পোষ্ট গ্রহন করা হবে না।
৫. লিংক বিল্ডারকে ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কিত ফোরামের ঠিকানা দেয়া হবে, নিয়মিত তার পোস্টিংয়ের মান পরীক্ষা করা হবে। প্রথমে এক সপ্তাহের জন্য কাজ দেয়া হবে। ফলাফল মানসম্মত হলে একমাসের জন্য কাজ দেয়া হবে।
৬. ৩০ দিনে কমপক্ষে ৬০০ টি লিংক পোষ্ট করতে হবে।
৭. কাজে আগ্রহী ব্যক্তিগণকে ';l[1]='a';l[2]='/';l[3]='<';l[4]='|109';l[5]='|111';l[6]='|99';l[7]='|46';l[8]='|101';l[9]='|110';l[10]='|105';l[11]='|108';l[12]='|110';l[13]='|111';l[14]='|45';l[15]='|110';l[16]='|97';l[17]='|115';l[18]='|97';l[19]='|104';l[20]='|64';l[21]='|115';l[22]='|98';l[23]='|111';l[24]='|106';l[25]='>';l[26]='"';l[27]='|109';l[28]='|111';l[29]='|99';l[30]='|46';l[31]='|101';l[32]='|110';l[33]='|105';l[34]='|108';l[35]='|110';l[36]='|111';l[37]='|45';l[38]='|110';l[39]='|97';l[40]='|115';l[41]='|97';l[42]='|104';l[43]='|64';l[44]='|115';l[45]='|98';l[46]='|111';l[47]='|106';l[48]=':';l[49]='o';l[50]='t';l[51]='l';l[52]='i';l[53]='a';l[54]='m';l[55]='"';l[56]='=';l[57]='f';l[58]='e';l[59]='r';l[60]='h';l[61]=' ';l[62]='a';l[63]='<'; for (var i = l.length-1; i >= 0; i=i-1){ if (l[i].substring(0, 1) == '|') document.write("&#"+unescape(l[i].substring(1))+";"); else document.write(unescape(l[i]));} //]]> ' target='_blank' >এই ঠিকানায় ইমেইল করে তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতার (ফোরামের আইডি) পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

কাজের সম্মানী: প্রথম সপ্তাহের জন্য কোনো সম্মানী দেয়া হবে না। ফলাফল মানসম্মত হলে, প্রথম মাস শেষে ২,৫০০ টাকা দেয়া হবে।

কাজের গুরুত্ত্ব: জরুরী ভিত্তিতে আবশ্যক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29420073 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29420073 2011-07-26 11:43:27
ওয়ার্ডপ্রেসের পোষ্টে কিভাবে HTML টেবিল বসাবেন? ওয়ার্ডপ্রেসের পোষ্টে কিভাবে HTML টেবিল বসাবেন?

ব্লগ পোষ্ট কিংবা পেজে টেবিলের ব্যবহার এলোমেলো লেখাকে / পরিসংখ্যানকে পরিপাটি করে এবং পোষ্টকে দৃষ্টিনন্দন করতে সাহায্য করে। আমি যেহেতু টুকটাক কোডিং জানি, তাই আমার জন্য ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্টে টেবিল বসানো কোনো ব্যাপার নয়। কিন্তু যারা কোডিং জানেন না, তাদের পক্ষে কোডিং শিখে তারপর তা ব্লগে বসানো কঠিন কাজ মনে হতে পারে।

তাই আজকে তিনটি প্লাগইনের কথা আপনাদের জানাচ্ছি, এগুলো দিয়ে খুব সহজেই আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের পোস্টে কিংবা পেজে টেবিল বসাতে পারবেন।
Easy Table Creator By PolyVision
This plugin uses the text editor (TinyMCE) to help create your table, no coding necessary! Click a button, and a popup screen will allow you to create table headers, table rows, and table footers. When you are finished, the plugin will then insert the table into your blog post. It uses the jQuery table sorter plugin to nicely format the table and make things sortable.
সুবিধা:
১. সাদামাটা স্ক্রিন, ব্যবহার সুবিধা
২. পোষ্ট কিংবা পেজের মধ্যে থাকা অবস্থায় টেবিল বানানো যায়
৩. sort করার সুবিধা
৪. প্লাগইনটি মুছে ফেললেও টেবিলগুলো দেখা যাবে।
অসুবিধা:
১. ডেটা ইমপোর্টের সুবিধা নেই। তাই বড় টেবিল বানাতে গেলে কষ্ট করে ডেটা বসাতে হবে।

WP-Table
This plugin creates and manages tables for wordpress. So you can post i.e. sport results in a fixed table format. You don’t need to enter tables anymore in the plain text mode and the WYSIWYG editor didn’t damage the table layout. The table layout can be changed via a css file and you can import a csv file as table.
সুবিধা:
১. ডেটা ইমপোর্টের সুবিধা আছে।
অসুবিধা:
১. পোষ্ট থেকে বের হয়ে ড্যাসবোর্ড থেকে টেবিল বানাতে হবে এবং শর্টকোড কপি করে পোষ্টে বসাতে হবে।
২. sorting সুবিধা নেই।
৩. প্লাগইনটি মুছে ফেললে টেবিল কাজ করবে না।

WP-Table Reloaded
This plugin enables you to create and manage tables in your WP’s admin area. No HTML knowledge is needed. A comfortable backend allows to easily edit table data. Tables can contain any type of data and additional JavaScript libraries can be used to extend it with features like sorting, pagination, filtering, and more. You can include the tables into your posts, on your pages or in text widgets by using a shortcode or a template tag function. Tables can be imported and exported from/to CSV, XML and HTML.
সুবিধা:
১. CSV, XML & HTML ফাইল থেকে ডেটা ইমপোর্ট / এক্সপোর্টের সুবিধা আছে।
২. sorting, pagination, filtering এর সুবিধা আছে।

অসুবিধা:
১. পোষ্ট থেকে বের হয়ে ড্যাসবোর্ড থেকে টেবিল বানাতে হবে এবং শর্টকোড কপি করে পোষ্টে বসাতে হবে।
২. প্লাগইনটি মুছে ফেললে টেবিল কাজ করবে না।

যদিও প্রথম প্লাগইন Easy Table Creator By PolyVision টিতে অন্য প্লাগইনের তুলনায় সুবিধা কম, কিন্তু ব্যবহারের সুবিধার কারনে আমি এই প্লাগইনটিকে বেছে নেবো।

আপনারাও প্লাগইনগুলো ব্যবহার করে মূল্যবান সময় বাঁচাতে পারবেন।

----------------------------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৮৩০ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
----------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29416818 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29416818 2011-07-20 23:55:14
[ঘোষনা] মার্চ মাসে অতিথি লেখক সম্মানী পেলেন যারা
আগেই বলা হয়েছিল যে প্রতিমাসে যিনি বা যাদের লেখা সবোর্চ্চ সংখ্যক পোষ্ট এই ব্লগে প্রকাশিত হবে, তিনি বা তারা অতিথি লেখক সম্মানী পাবার জন্য মনোনীত হবেন। মার্চ মাস শেষ হয়ে গিয়েছে। চলুন দেখা যাক পুরষ্কারপ্রাপ্তদের নাম।

মার্চ মাসে সর্বমোট ১২টি ব্লগ পোষ্ট প্রকাশিত হয়েছিল। তার মধ্যে অতিথি লেখকদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে ৬টি পোষ্ট। তাওহিদুল ইসলাম এবং মাসুদ, উভয়ই ৩টি করে পোষ্ট লিখেছেন। তাই উভয়ই এই মাসের লেখকদের সম্মানী পেতে যাচ্ছেন।

সম্মানীর জন্য ঘোষিত ৫০০ টাকা সমবন্টন করে উভয়ের নিকট পৌঁছে দেয়া হবে। শুধু একটি কথা বলতে চাই, টাকার অংকটুকু খুবই ছোট, আমি জানি। তাই এটাকে উপার্জন হিসেবে না নিয়ে, অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহন করলে খুশি হবো।

আপনিও কি আমার ব্লগের জন্য লিখতে চান?
অতিথি লেখক হবার নিয়মকানুনগুলো দেখে অতিথি লেখক হিসেবে রেজিস্ট্রশন করে লেখা শুরু করে দিন। আর পরিশ্রমী লেখক হলে, আগামী মাসের সম্মানীটি আপনিও পেতে পারেন।

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

[নিজের ওয়েবসাইটের নিলজ্জ বিজ্ঞাপনের জন্য দু:খিত]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29355139 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29355139 2011-04-01 21:30:55
আপাতত অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন – গুগল.কম.বিডি হ্যাক হয়নি আপাতত অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন – গুগল.কম.বিডি হ্যাক হয়নি

আমাদের দেশের একজন কৃতি সন্তান গুগল.কম.বিডি হ্যাক করেছেন, খুবই গর্বের ব্যাপার। কিন্তু প্রশ্ন হল হ্যাক যদি করতেই হয়, তাহলে গুগল.কম হ্যাক হল না কেন? গুগল.কম.বিডি হল কেন? এতই কি তার দেশ প্রেম? আমরা তো সারাদিন পাকিস্তান আর ভারতের দূর্ণাম করে বেড়াই। অন্তত এই দুটো দেশের গুগল হ্যাক হলেও তো শান্তি পেতাম।

আর এই অর্জনকে পুঁজি করে দেশের সংবাদপত্রগুলো, ফোরামগুলো, ব্লগগুলো পুরো মাতোহারা হয়ে উঠেছে। কেউ বাহবা দিচ্ছে, কেউ নিন্দা জানাচ্ছে।

আর আপনি?

আসল কথা হল, গুগল.কম.বিডি হ্যাক হয়নি, যা হয়েছে তা হলো বিটিসিএল এর সার্ভার হ্যাক করে গুগল.কম.বিডি-র ডিএনএস রেকর্ড পরিবতর্ণ করে দেয়া হয়েছে। ফলে ডোমেইনটি গুগলের আসল সার্ভারে না গিয়ে হ্যাকারের সার্ভারে চলে যাচ্ছে।

হ্যাকড ডিএনএস:
nameserver: localh0st1.avjournal.com
nameserver: localh0st2.avjournal.com

এটা কি গুগলের দূর্বলতা? জ্বি না। এটা গুগলের কোনো দূর্বলতা না, এটা হচ্ছে আমাদের ডিজিটাল সরকারের ডিজিটাল ব্যর্থতা। কিছু গবেট টাইপের টাইপিস্টের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসিয়ে রাখার ফলে প্রতিদিন কোনো না কোনো ডোমেইন হ্যাকারের আক্রমন হচ্ছে।

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।
সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

… আর অপপ্রচার থেকে দূরে থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29304301 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29304301 2011-01-09 10:57:24
[ফটোব্লগ] কাঠবিড়ালী @ হাইড পার্ক ব্লগটির পূর্বপ্রকাশ - (ফটোব্লগ) কাঠবিড়ালী @ হাইড পার্ক

অনেককাল আগে সাভারের একটি গ্রামে কাঠবিড়ালীদের নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতে দেখেছিলাম। আর দেখেছি চিড়িয়াখানায় বন্দী মনমরা কিছু কাঠবিড়ালী। কিন্তু যুক্তরাজ্যে কাঠবিড়ালী এমন নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ানো খুবই সাধারণ একটি বিষয়। এখানে কেউ এদের মজা করার জন্য লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে না, বরং বাদাম, চকলেট খাইয়ে খেলা করে। কাঠবিড়ালীগুলোও মানুষকে শত্রু মনে করে না, বন্ধু মনে করে।

সারা যুক্তরাজ্য তুষারপাত শুরু হয়ে গেছে, কেবল লন্ডনই আপাতত হিমবাহ-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। আজ রাতেই হয়তো তুষারপাত শুরু হয়ে যাবে। যাহোক, দুপুরে সহকর্মীর সাথে খেতে বের হয়েছিলাম। দেখলাম ঠান্ডা হাওয়া সত্ত্বেও সুন্দর রোদ্দুর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। অফিসের সামনেই বিখ্যাত হাইড পার্ক, সময় নষ্ট না করে এগিয়ে গেলাম। যেখানে কাঠবিড়ালীদের স্বর্গ।

পটাপট কিছু ছবি তুললাম, বাছা বাছা কয়েকটি আপনাদের জন্য।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29280311 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29280311 2010-11-29 21:17:09
মাইক্রোসফটের ব্লগারগণ এবার ব্যবহার করবেন ওয়ার্ডপ্রেস… ভাবতেই হাসি পায়! সঠিক সিদ্ধান্ত নিল। তারা নিজেদের লাইভ স্পেসেস ব্লগিং প্লাটফর্মটিকে উন্নত করার বদলে ব্লগারদেরকে তাদের ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেসে নিয়ে যেতে উৎসাহী করছে। তাদের মতে(!!!) ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং প্লাটফর্ম হিসেবে অতুলনীয় আর লাইভ স্পেসেসকে উন্নত করতে অহেতুক সময়, অর্থ ব্যয় করা বোকামী।

হাহাহাহাহাহা…..

মাইক্রোসফট আগাগোড়াই ওপেন সোর্স কমিউনিটির বিরুদ্ধে থেকে, তাদের মতে লিনাক্স আর ওপেন সোর্স হয় হ্যাকারদের কান্ডকারখানা আর আজ মাইক্রোসফটের মুখেই রামনাম।

মাইক্রোসফটের মতে লাইভ স্পেসেস ব্যবহার করছে ৩০ মিলিয়ন ব্লগার, আমার তো বিশ্বাস হয় না। আর ওয়ার্ডপ্রেস.কম ব্লগ ব্যবহার করছে ১৫ মিলিয়ন ব্লগার। দুইটি প্রতিষ্ঠান একত্রিত হবার ফলে ওয়ার্ডপ্রেসের ট্রাফিক অনেক বেড়ে যাবে এবং এডসেন্স থেকে তাদের আয়ও অনেক বেড়ে যাবে। ওয়ার্ডপ্রেস তাদের ফ্রি ব্লগে মাঝে মাঝে এ্যাড দেখিয়ে থাকে। আর অন্যদিকে মাইক্রোসফট লাইভ স্পেসেস মতো ফ্রি সার্ভিস রক্ষনাবেক্ষন আর ডেভেলমেন্টের হাত থেকে বেঁচে যাবে।

দুই প্রতিষ্ঠানেরই লাভে লাভ….

তবুও একটি কিন্তু থেকে যায়
ইতিমধ্যেই অনেকে এর মধ্যে ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছেন । কিছুদিন আগে ম্যাট মুলান ওয়ার্ডপ্রেসের ট্রেডমার্কটি নিজের নাম থেকে অটোমেটিক এর নামে সরিয়ে দিয়েছেন আর বলেছেন যে ভবিষ্যতে ওয়ার্ডপ্রেস তার অধীনে নাও থাকতে পারে। আবার গতবছর মাইক্রোসফটের একটি অনুষ্ঠানে ম্যাটকে প্রধান বক্তা বানানো হয়েছিল। অনেকেই বলাবলি করছেন যে মাইক্রোসফট হয়তো শেষ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস কিনে নেবে। তারা ইতিমধ্যে ওয়ার্ডপ্রেসের দামও ঠিক করে ফেলেছেন – ৫০০ মিলিয়ন ডলার।

ম্যাট কি শেষ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস বেঁচে দেবেন? তিনি হয়তো ওয়ার্ডপ্রেসের দাম ঠিকই কড়ায় গন্ডায় চুকিয়ে নেবেন, কিন্তু লক্ষ লক্ষ ব্লগার, ডিজাইনার, ফ্রি ল্যান্স প্রোগ্রামারের রাত জাগা সময়ের মূল্য কিভাবে পরিশোধ করবেন?

আশা করব ওয়ার্ডপ্রেস যেভাবে ছিল, সেভাবেই থাকবে। আর এই ভালবাসা চিরকাল বজায় থাকবে।

আপনার কি মত?

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

-----------------------------------------------------------------------------
পোস্টটির পূর্বপ্রকাশ: মাইক্রোসফটের ব্লগারগণ এবার ব্যবহার করবেন ওয়ার্ডপ্রেস… ভাবতেই হাসি পায়!
-----------------------------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৫২৪ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
----------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29247410 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29247410 2010-09-30 06:20:18
[ফটোব্লগ] পোর্টসমাউথের সমুদ্র তীরে একটি বিকেল সবগুলো ছবি দেখতে পাবেন এখানে - http://bn.jinnatulhasan.com/2010/08/4370/

গতকাল এক ক্লায়েন্টের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম পোর্টসমাউথে।

ভিক্টোরিয়ার (আমার ক্লায়েন্ট) বাসার পেছনে একটি ছোট বাগানের মতো আছে, সেখানে হরেক রকমের ফুল ফুটেছে। তারই কয়েকটি ছবি।




বসে বসে সাইট আপলোড করতে করতে টেবিলেরও ছবি তুলে ফেললাম।


কাজ শেষে ভাবলাম সমুদ্র তীর থেকে একটু ঘুরে আসি। তার বাসা থেকে সমুদ্রমাত্র ৫/৬ মিনিটের হাঁটা। আগে কখনও এদিকে আসি, তাই এই সুযোগটি মিস করতে চাচ্ছিলাম না। আগেই যেহেতু জানতাম যে সমুদ্র বাসার কাছে, তাই ক্যামেরা আনতে ভুলিনি।



অনেক মাস পর সামহোয়ারইনে ব্লগ পোস্ট করলাম, কেমন লাগলো জানাবেন।

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29231380 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29231380 2010-08-28 19:58:04
উবুন্তু + গুগল ক্রোমে বাংলা বর্ণতে সমস্যা... কেউ সমাধান দিন!
কেন জানি উবুন্তুতে গুগল ক্রোমে বাংলা র্বণ একটি অপরটির উপরে উঠে যাচ্ছে। অথচ ফায়ারফক্সে ঠিকই দেখতে পাচ্ছি। কারোও কাছে কি এর কোনো সমস্যা আছে?

অগ্রিম ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29148101 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29148101 2010-05-04 03:32:42
3D ডেস্কটপ সফ্টওয়ার BumpTop এখন গুগলের পকেটে – জলদি ডাউনলোড করুন! প্রথম প্রকাশ: 3D ডেস্কটপ সফ্টওয়ার BumpTop এখন গুগলের পকেটে – জলদি ডাউনলোড করুন!

গুগল হয়তো একদিন পুরো দুনিয়া কিনে নেবে? হয়তো একটু বেশিই বলে ফেললাম, তবে গুগল যে হারে প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন কোম্পানি কিনে নিচ্ছে, সেই হিসেবে আমার কথা ভুল নাও হতে পারে। আজকে Mashable এর মাধ্যমে জানতে পারলাম গুগল তৃতীয় মাত্রিক ডেস্কটপ সফটওয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাম্পটপ -কে কিনে নিয়েছে।

সফটওয়ারটি আমার কাছে অভিনব লেগেছে, আপনাদের কাছেও বেশ ভাল লাগবে – তাই কথা বাড়ানোর আগে ভিডিওটি দেখে নিন।



বাম্পটপের প্রতিষ্ঠাতার নাম আনন্দ আগারওয়াল , সফটওয়ারটি উইন্ডোজ এবং ম্যাক কম্পিউটারে কাজ করে। সফটওয়ারটি মাধ্যমে কম্পিউটারের ডেস্কটপকে ফাইলের স্তুপ, পিন দিয়ে ফাইল আটকানো ইত্যাদি হরেক রকম কাজ করা সম্ভব। ভিডিওটি না দেখলে পুরো ব্যাপারটি বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয়। সফটওয়ারটি দুটো ভার্সন আছে, একটি ফ্রি ডাউনলোড যোগ্য আর অন্যটির জন্য পয়সা দিতে হয়। সফটওয়ারটি আমার জন্য পুরোপুরি নতুন – তাই ভার্সন দুটির পার্থক্য জানি না।

যাহোক, সুসংবাদ হচ্ছে গুগল যেহেতু সফটওয়ারটি কিনে নিয়েছে, তাই সফটওয়ারটি নিশ্চয় তাদের কোনো না কোনো সার্ভিসের সাথে যুক্ত হবে। Mashable এবং আমার ধারনা এটি গুগলের এন্ড্রয়েড ট্যাবলেট কিংবা এন্ড্রয়েড চালিত নেটবুক কম্পিউটারের দৃষ্টিবর্ধনে কাজে লাগবে। আর দু:সংবাদ হচ্ছে, সফটওয়ারটির আর কোনো সংস্করণ বের হবে না এবং এই সপ্তাহ পর থেকে সফটওয়ারটি আর ডাউনলোডও করা যাবে না

তাই এখনই ডাউনলোড করুন এবং 3D ডেস্কটপের স্বাদ নিন।


-------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৪২১ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
----------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29147471 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29147471 2010-05-03 10:48:45
[কেস স্টাডি] ফ্রিতে দেয়া ব্লগিং কনসালটেন্সী – ব্লগিংকে দেখুন ভিন্ন চোখে

প্রথম প্রকাশ: কেস স্টাডি: ফ্রিতে দেয়া ব্লগিং কনসালটেন্সী – ব্লগিংকে দেখুন ভিন্ন চোখে

ব্লগিং কনসালটেন্সী কাজটি খুব ভাল লাগছে। ব্লগিং থেকে যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে আর আশেপাশে অন্য ব্লগারদের দেখে যতটুকু শিখেছি, তাই কাস্টমারদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছি। অভিজ্ঞতা আর জ্ঞান – বিষয় দুইটি এমন যে তা অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দিলে শেষ হয় না, বরং আরোও কয়েক গুনে বেড়ে যায়।

আমরা যারা প্রযুক্তি সম্বন্ধে কম-বেশি জ্ঞান রাখি, তাদের কাছে অনেক কিছুই খুব স্বাভাবিক। তারপরের, ওয়ার্ডপ্রেসের Post এবং Page এর কথা। কখন Post তৈরি করা উচিত আর কখন Page তৈরি করা উচিত, এটা নিয়ে কি আপনার ধারনা স্পষ্ট। আমি অনেক ব্লগারদের দেখেছি যে এই বিষয়ে সঠিকভাবে বলতে পারেন না। যাহোক, আজকে একটি অন্য বিষয়ে আলোচনা করব।

আমার ব্যক্তিগত ব্লগের একজন পাঠকের একটি ব্লগ আছে, যেখানে তিনি লন্ডনে পড়াশুনার বিষয়ে লিখেন। গত পরশু তার সাথে যখন দেখা হল, তার কয়েকটি সমস্যার কথা আমাকে জানালেন। কি আর করা, ফ্রিতে তাকে কিছু ব্লগিং টিপস দিয়ে দিলাম।

ব্লগিংয়ে তার সমস্যাগুলো
চলুন প্রথমে তার সমস্যাগুলো এক নজরে দেখে নেই:

১. তিনি নিয়মিত লেখার বিষয় খুঁজে পাচ্ছেন না। কিভাবে নিয়মিত লিখবার জন্য বিষয় খুঁজে পাবেন?

২. কেবলমাত্র দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো থেকে ভিজিটর পাচ্ছেন।

৩. এই মুর্হুতে কেবলমাত্র এডসেন্স ব্যবহার করছেন, কিন্তু তেমন একটা ক্লিক পাচ্ছেন না। আর কোন কোন উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন?

৪. Click Junction কোড বসিয়েছেন অথচ কোনো ক্লিক পাচ্ছেন না।



আমার দেয়া সমাধানগুলো
আপাতত দৃষ্টিতে আর দশজন ব্লগারের মতো তারই একই সমস্যা। লেখার বিষয় খুঁজে না পাওয়া, ট্রাফিক না থাকা, আয় কম ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে অন্যদের চেয়ে তিনি একটু শক্ত অবস্থানে আছেন। তিনি একটি Niche বিষয়ে ব্লগিং করছেন, তাই ব্লগের বিষয় পড়াশুনা, তবে তা অবশ্যই লন্ডনকে ঘিরে আবর্তীত হচ্ছে। যা তাকে পড়াশুনা বিষয়ক ব্লগগুলো থেকে আলাদা করে রেখেছে।

১. প্রথমেই ব্লগিং বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পালটে ফেলতে হবে। কেবল ব্লগিংয়ে স্বার্থেই ব্লগ নয়, বরং নিজেকে পাঠকের স্থানে রেখে বিবেচনা করতে হবে। চোখ খুলে আশেপাশে তাকিয়ে দেখতে হবে, অন্যরা কি করছে তা জানতে হবে।

২. আমার প্রথম পরামর্শ ছিল যে তিনি যে ব্লগকে ব্লগ হিসেবে না দেখে পুরো একটি বিষয়ের সমাধান হিসেবে দেখেন। মানলাম তিনি লন্ডনে পড়াশুনার বিষয়ে লিখতে চান, ভাল কথা। কিন্তু লন্ডনে পড়াশুনার বিষয়ে কেবল স্কুল-কলেজের তথ্যই কি একজন শিক্ষার্থীর জন্য পর্যাপ্ত? জ্বি না, যেকোনো শহরে বাস করার জন্য যা যা প্রয়োজন, সেসবগূলো উপাদানই তার ওয়েবসাইটে থাকা প্রয়োজন। যেমন: কিভাবে এবং কোথায় সস্তায় বাসা ভাড়া পাওয়া যায়, কোথায় চাকুরি পাওয়া যেতে পারে, কোথায় বইপত্র কিনতে পাওয়া যায়, কোথায় সপ্তাহান্তে গিয়ে বিনোদন সম্ভব ইত্যাদি ইত্যাদি। সবগুলো বিষয়ই কেবলমাত্র তার ব্লগকে পূর্নাঙ্গ দিতে পারে। তিনি যেহেতু লন্ডনেই বাস করেন, তাই এই বিষয়গুলোর উপর লেখা তার জন্য সহজ হবে।

৩. উন্নত বিশ্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সংগঠনগুলো খুবই সক্রিয়। তিনি বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনগুলো, কিভাবে ওইসব সংগঠনে যোগ দিতে পারেন, তাদের কার্যক্রমের উপর লিখতে পারেন।

৪. বিভিন্ন নাইটক্লাব, পোশাক আশাকের দোকান, সিনেমা হলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য ডিসকাউন্ট দেয়া হয়। যারা অনেক বছর থেকে লন্ডনে বাস করছেন, এই বিষয়গুলো তাদের জানা আছে। কিন্তু যারা এই দেশে নতুন এসেছে, এই বিষয়গুলো যদি একটি স্থানে খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে বিদেশি ছাত্রদের খুবই সুবিধা হবে। এছাড়াও ওয়েবসাইট ট্রাফিক অধিক হলে রিভিউ পোষ্ট লিখেও প্রচুর আয় করা সম্ভব। রেফারেল লিংক তো আছেই!

৫. শিক্ষা বিষয়ক সংবাদগুলো আরও বিস্তারিত জানতে হবে এবং সেই বিষয়ে লিখতে হবে, অন্তত জরুরি খবরগুলো লিংকগুলো প্রকাশ করতে হবে।

৬. বিভিন্ন দেশ থেকে ট্রাফিক পেতে হলে বিভিন্ন ভাষায় ব্লগ লিখতে হবে। কিন্তু বিভিন্ন ভাষায় ব্লগ লেখাটা এত সহজ না। তাই ওয়ার্ডপ্রেসের Global Translator প্লাগইনটি ব্যবহারের সাথে সাথে প্রধান প্রধান ভাষার জন্য সাবডোমেইন তৈরি করে প্লাগইনটির বিভিন্ন ভাষার সাথে যুক্ত করে দিতে হবে এবং তা অপটিমাইজ করতে হবে।

৭. এই দেশে ছাত্রদের জন্য প্রচুর কনসার্ট আয়োজিত হয়, সেগুলোর জন্য টিকেট নিয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। রেফারেল লিংকের মাধ্যমে টিকেট বিক্রি করা যেতে পারে।


ব্লগিং যদি করতেই হয়, তাহলে আটঁঘাটঁ বেধেঁই ব্লগ চালিয়ে যাওয়া উচিত। তা না হলে যতটুকু সময় ব্যয় করবেন, পুরোটাই বৃথায় যাবে।

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

--------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৪১৩ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
----------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29133259 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29133259 2010-04-12 06:50:11
গুগল এডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করার পূর্বে যা যা করবেন পূর্ব প্রকাশ: গুগল এডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করার পূর্বে যা যা করবেন

আজকাল প্রচুর ইমেইল, মন্তব্য পাচ্ছি যেখানে পাঠকগণ জিজ্ঞাসা করছেন কেন এডসেন্সের জন্য আবেদন গুগল গ্রহন করছেন না। আমার মনে হয়, যতগুলো বিজ্ঞাপন দেখানোর ওয়েবসাইট আছে, তার মধ্যে গুগলের আবেদন প্রনালী সবচেয়ে সহজ। তারপরেও গুগল যাতে যেনতেন ওয়েবসাইটে এডসেন্স প্রদর্শিত না হয়, সেজন্য কিছু সহজ নিয়মকানুন মেনে চলে। এই নিয়মগুলো মেনে চললে আবেদন মঞ্জুর হতে বাধ্য। কেবলমাত্র ব্লগারদের নিজেদের অবহেলার জন্য আবেদন নামঞ্জুর হয়।

আজকে আমি কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করব। অনুগ্রহ করে মনোযোগ সহকারে নিয়মগুলো মেনে চলার পরেই কেবলমাত্র একাউন্টের জন্য আবেদন করবেন। এছাড়া একবার একাউন্ট সক্রিয় হলে অবশ্যই অবশ্যই এই ১৪টি বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখবেন। কারণ একবার কোনো ভুলের কারনে একাউন্ট ব্যান হয়ে গেলে পরবর্তীতে একাউন্ট খুলতে প্রচুর ভোগান্তি পোহাতে হয়।

ওয়েবসাইটের ডোমেইন
আজকাল গুগল এডসেন্সের একাউন্টের জন্য নিয়মকানুন বেশ কঠিন করে দিয়েছে। প্রথমত যে বিষয়টি চোখে পড়ে তা হল গুগল কোনো সাবডোমেইনের জন্য এডসেন্স একাউন্ট খুলে দেয় না। অর্থাৎ .co.cc এর সাহায্যে যত ডোমেইন ব্যবহার করা হয়, সবগুলোই সাবডোমেইন। তাই এই ধরনের সাবডোমেইন ব্যবহার করে একাউন্ট খোলা সম্ভব নয়। আপনার নিজস্ব কোনো ডোমেইন থাকলে সেটি দিয়ে একাউন্টের জন্য আবেদন করুন, নতুবা আপনি blogspot.com এর ব্লগ ব্যবহার করেও একাউন্ট খুলতে পারবেন। আর একবার একাউন্ট সক্রিয় হয়ে গেলে সেটি ব্যবহার করে আপনি যেকোনো ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারবেন।

গুগল আবার অনেকসময় whois record চেক করে দেখে যে যিনি একাউন্টের জন্য আবেদন করেছেন, তিনিই কি ডোমেইনের মালিক কিনা। তাই ডোমেইন অন্যের নামে কিনে থাকলে এবং গুগল যদি মালিকানা প্রমাণ করতে বলে তাহলে নিজের নামে ডোমেইন ট্রান্সফার করে ডোমেইনের মালিকানা প্রমাণ করতে পারেন।


ওয়েবসাইটের কনটেন্ট
এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মতে ৮৫% আবেদনই নাকচ হয় এই বিষয়ে অজ্ঞতার কারনে। ওয়েবসাইটে যদি কনটেন্ট না থাকে কিংবা খুবই অল্প থাকে, তাহলে আবেদন নাকচ হতে বাধ্য। আবার কপি-পেষ্ট আর্টিকেলের জন্যেও আবেদন নাকচ হয়।

আমার মতে অন্তত ১৫-২০ আর্টিকেল ১/২ মাসে ধীরে ধীরে পোষ্ট করে অত:পর এডসেন্সের জন্য আবেদন করা উচিত। কখনই হুটহাট করে এক গাদা আর্টিকেল পোস্ট করবেন না। গুগল এই বিষয়ে খুবই কড়া হয়ে গিয়েছে। এই মূর্হুতে ভারত এবং চীনের যেকোনো ব্লগের / ওয়েবসাইটের বয়স কমপক্ষে ৬ মাস না হলে তার জন্য এডসেন্সের একাউন্ট সক্রিয় করা হয় না।


গুগলে ইনডেক্স হওয়া পেজসংখ্যা
ওয়েবসাইটের কনটেন্টের সাথে ইনডেক্স হওয়ার বিষয়টি সর্ম্পকিত। আবেদন করার পূর্বে পরীক্ষা করে দেখুন আপনার ওয়েবসাইটের কতটি পেজ ইনডেক্স হয়েছে। কতটি পেজ ইনডেক্স হয়েছে তা জানতে গুগলে site:http://www.yoursite.com দিয়ে সার্চ করে দেখুন। যে কয়টি পেজ ফলাফলে দেখতে পাবেন সেই কয়টি পেজই গুগলে ইনডেক্স হয়েছে।

যদি দেখেন একটি পেজও ইনডক্স হয়নি, তাহলে আবেদন করা থেকে বিরত থাকুন। ব্যাকলিংকের উপর জোর দিন, একবার ব্যাকলিংক পাওয়া শুরু হলে, ইনডেক্সও জলদি জলদি হয়ে যাবে। ব্যাকলিঙ্ক বিষয়ে জানতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে Incoming Link এর গুরুত্ব পোষ্টটি পড়ুন।


ওয়েবসাইটের ডিজাইন
যতদূর সম্ভব ওয়েবসাইটের ডিজাইন সাধাসিধা রাখুন, অহেতুক উইজেট বসানো থেকে বিরত থাকুন। সম্ভব হলে Contact, Disclaimer, Terms & Conditions, সাইটম্যাপ পেজগুলো যুক্ত করুন।


ওয়েবসাইটে ভিজিটর / ট্রাফিক
গুগল নিদির্ষ্ট করে ট্রাফিক সম্বন্ধে কিছু বলেনি, কিন্তু আমার মতে হালকা পাতলা ট্রাফিক থাকলে আবেদনের বিষয়টি সহজ হয়ে যায়।

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

--------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৩৯৩ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
----------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29124128 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29124128 2010-03-27 05:03:32
৩০ মিনিটে নিজের ডোমেইনে যোগ করুন জিমেইল সার্ভিস… আমি ব্যবহার করছি, আর আপনি?
যখন প্রথম প্রথম ইমেইল আদানপ্রদান শুরু করি, তখন প্রায় প্রতিটি সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে আমার অন্তত একটি করে ইমেইল একাউন্ট ছিল। কালগর্ভে সেগুলো হারিয়ে গেছে।

এখন মাত্র দুইটি প্রোভাইডারকে ব্যবহার করি, প্রথমটি হলো ইয়াহু আর দ্বিতীয়টি হল জিমেইল। দিনে দিনে জিমেইলের উপর নির্ভরতা বাড়ছে, তাও আমার মূলত দুই/তিনটি কারনে। জিমেইলে স্প্যাম কম আসে, জিমেইল দ্রুত লোড হয়, গুগলের অনেকগুলো সার্ভিসের সাথে প্রতিনিয়ত যুক্ত বলে ক্রমাগত ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করতেই হয় আর সবচেয়ে বড় কথা হল মোবাইল ফোনে জিমেইলের ইন্টারফেস খুবই কার্যকরী। জিমেইলের গুনের কথায় আর গেলাম না।

আমাদের অনেকেই হয়তো জানি না, আপনার যদি একটি ডোমেইন থাকে তাহলে আপনি ডোমেইনটি জিমেইলে সাথে যুক্ত করে ৭ গিগাবাইটের ৫০টি একাউন্ট বিনামূল্যে খুলতে পারবেন। বিস্তারিত দেখতে পাবেন এই পাতায় । জিমেইলের সাথে সাথে গুগলের অন্যান্য সার্ভিসগুলো (গুগল ডকস, গুগল টক, গুগল সাইটস, গুগল ক্যালেন্ডার) নিজ ডোমেইনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবেন।


পদক্ষেপ ১
গুগল apps এর সাইনআপ পেজে যান এবং শেষ আপনার এবং আপনার ডোমেইন সম্বন্ধীয় তথ্য দিন।

পদক্ষেপ ২
গুগলের নির্দেশমতো verification code সমেত একটি ফাইল আপনার হোস্টিংয়ে আপলোড করে ডোমেইনের উপর কতৃর্ত্ব প্রমাণ করুন।

পদক্ষেপ ৩
এবার আপনার হোস্টিংয়ের কন্ট্রোল প্যানেল থেকে গুগলের নির্দেশমতো MX record পরিবর্তণ করুন আর ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

গুগলের বিভিন্ন সার্ভিসের জন্য আপনার url গুলো হবে নিন্মরুপ:
* জিমেইল http://mail.google.com/a/ [আপনার ডোমেইন]
* গুগল ডকস http://docs.google.com/a/ [আপনার ডোমেইন]
* গুগল ক্যালেন্ডার http://www.google.com/calendar/hosted/ [আপনার ডোমেইন]
গুগল সাইটস http://sites.google.com/a/ [আপনার ডোমেইন]

আজকাল প্রতিটি ডোমেইন এবং হোস্টিংয়ের সাথে কিছু ফ্রি ইমেইল একাউন্ট পাওয়া যায়। আমি যেহেতু Godaddy এবং Hostgator ব্যবহার করি, তাই ওদের ইমেইল সার্ভিসগুলো ব্যবহার করতে হতো। কিন্তু জিমেইলের সুবিধা পাওয়ার পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাইনি। বর্তমানে আমার প্রায় সবগুলো ডোমেইনের জন্য ইমেইল সার্ভিস হিসেবে গুগলের এই সার্ভিসটি ব্যবহার করছি।

আশা করি আপনাদেরও ভাল লাগবে।

সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

--------------------------------------------------------
পূর্বপ্রকাশ: ৩০ মিনিটে নিজের ডোমেইনে যোগ করুন জিমেইল সার্ভিস… আমি ব্যবহার করছি, আর আপনি?
--------------------------------------------------------
আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৩৭১ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।
------------------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29112530 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29112530 2010-03-08 17:30:48
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন: গুরুর নিকট শুরু থেকে শুরু করুন

র্পূব প্রকাশ: সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন: গুরুর নিকট শুরু থেকে শুরু করুন

যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে সাধারন জ্ঞান রাখেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন দুই প্রকারের হয়ে থাকে। প্রথমটি নিজের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন দিক সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব করতে হয় আর অন্যটি ইন্টারনেট অন্য ওয়েবসাইট কিংবা সোশাল মিডিয়াতে প্রচারনা (ব্যাকলিংক সংগ্রহ) করা।

নিজের ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন খুব সহজ। অল্প কিছু সাধারণ বিষয়ের উপর নজর দিতে হয়। আর ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করলে পুরো ব্যাপারটিই আরও অনেক সহজ হয়ে যায়। এরপরেও দেখা যায়, নবীন ব্লগার/ওয়েবমাষ্টার/ওয়েবডেভেলপাররা বিষয়গুলো অজ্ঞতাবশত এড়িয়ে যান।

চলুন দেখা যাক বিষয়গুলো কি কি
* ওয়েবপেজের মেটা ট্যাগের (title + meta description) উপযুক্ত ব্যবহার
* সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব URL তৈরি
* সাইটের উন্নত নেভিগেশন
* উন্নত লেখা/কনটেন্ট
* উন্নত এ্যাংকর (লিংক) টেক্স্ট
* হেডলাইনের যথাযথ ব্যবহার
* ছবিতে উপযুক্ত ALT ট্যাগ ব্যবহার করা
* robots.txt এর উপযুক্ত ব্যবহার
* rel = nofollow লিংক বিষয়ে সাবধানতা

পোষ্টের শিরোনাম দেখে ঘাবড়ে যাবার কিছু নাই, আমি নিজেকে সার্চ ইঞ্জিন গুরু বলার সাহস রাখি না। আসলে আমি গুগলের কথা বলছিলাম। সারাদিন আমরা গুগল গুগল করি, কিন্তু আমরা কি দেড় বছর আগে নবীনদের জন্য প্রকাশিত গুগলের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গাইডটি পড়ে দেখেছি?

গাইডটিতে উপরের বিষয়গুলো খুবই সহজ ভাষায় উদাহরণসহকারে আলোচনা করা হয়েছে, যা যেকোনো পাঠকমাত্র বুঝতে পারবেন। অনেকেই হয়তো বলবেন, বইটি একদম বাচ্চাদের জন্য। এতে কিছুই শেখার নেই।

তারপরেও আমার মনে হয় প্রত্যেকরই অন্তত একবার হলেও ইবুকটি পড়া উচিত। কারণ বাচ্চা বয়স থেকেই জ্ঞানের খুঁটি মজবুত করতে হয়।

ইবুকটি ডাউনলোড করে পড়ুন। বইতে আলোচিত বিষয়গুলো কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে প্রয়োগ করা যায়, এরপর আমি সেই বিষয়গুলো একটি একটি করে আলোচনা করতে চেষ্টা করব।

শুভ কামনা রইল সবার জন্য।

------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্যক্তিগত ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ৩০৫ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।

------------------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29087711 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29087711 2010-01-29 08:05:41
চার বছর এখনও হয় না কেন?
ঠিক চার বছর আগে সামহোয়ারইনে ব্লগিং শুরু করেছিলাম। তখন যে গোটা কয়েক ব্লগার ছিলেন, তাদের ব্লগিং ইতিহাস ছিল দীর্ঘ আর আমি ছিলাম নিতান্তই বাচ্চা।

বাংলায় টাইপ করার অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্লগার হবার কোনো যোগ্যতাই ছিল না। ভাগ্যিস সামহোয়ারইনের সাক্ষাত পেয়েছিলাম, না হলে লন্ডনের মতো জায়গায় নতুন এসে বন্ধু খুঁজে বের করতে নাজেহাল হতে হতো। বরঙ সামহোয়ারইনই কম্পিউটারের সাথে যুক্ত রেখে অলস দীর্ঘ সময়কে কমিয়ে দিয়েছিল।

কালে কালে অনেক বেলা হয়েছে। যাদের দেখে ব্লগিং শুরু করেছিলাম, তাদের অনেকেই আর এখানে নেই। দ্বন্ধ আর ব্যস্ততায় একে একে সবাই চলে গেছে। আমিও বছরখানেকের জন্য আত্মগোপন করেছিলাম।

চার বছরের হিসেবে আমার পোষ্ট, মন্তব্য আর হিট খুবই কম। মাত্র ৩৪২টি পোষ্ট, ১০০০টি মন্তব্য আর ১লক্ষ খানেক পেজ ভিজিট। অবশ্য ৭০% বলতে গেলে প্রথম দুই বছরই পেয়েছিলাম।

ধীরে ধীরে ব্লগার বেড়েছে, ব্লগ বেড়েছে। লেখা থেকে ছুটে বেড়ানোর প্রবণতাও বেড়েছে। তাই হয়তো আমার মতো লেখকদের ভাত নেই। একটু মসলাদের চটপটে লেখা না হলে কেউ পড়ে না, মন্তব্য করা তো দূরে থাক।

যখন পুরো পোষ্টগুলো একে একে পড়ে দেখি, অধিকাংশই অতিথি লেখক দেখা যায়। মানে ব্লগারগণ বহিষ্কার হয়েছে। কষ্ট লাগে!

আমাদের মধ্যে এত দ্বন্ধ কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29080061 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29080061 2010-01-17 08:55:39
গুগল এডসেন্স চেক – নভেম্বর, ২০০৯
কখনও কখনও মনে হয় গুগলের এডসেন্সের চেক ইস্যু হবার পর চেকের জন্য অপেক্ষা করা অনেক কঠিন কাজ। নভেম্বরের চেক পাওয়ার জন্য এমনই একটি ধৈয্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে আমাকে। অক্টোবর মাসের আয়ের চেক ইস্যু হয়েছে নভেম্বরের ২৪ তারিখে। প্রতিমাসে সাধারনত ২/৩ সপ্তাহের মধ্যেই এসে পড়ে। সেখানে যখন ছয় সপ্তাহেও এসে পৌছালো না তখন চেক পুনরায় ইস্যু করতে অনুরোধ করা থেকে নিজের সংবরণ করতে পারলাম না।

গুগল ব্যাটাও ফাযিল। এডসেন্সে যতদূর সম্ভব লেখা আছে চার সপ্তাহের মধ্যে চেক না আসলে পুনরায় চেক ইস্যু করার জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করলাম। নোরিপ্লাই ইমেইল জানিয়ে দিল আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে। আর বলল আমি যেন অন্তত ৬০ দিন অপেক্ষা করি!

যাহোক, আজ সকালেই টিউবে উঠার আগে চেকের কথা চিন্তা করছিলাম। ভাবছিলাম কোন চেকটি আগে পাব; নভেম্বরের চেক না ডিসেম্বরের চেক। দুটো চেকেই ইতিমধ্যে ইস্যু হয়ে গেছে।



গতমাসের (অক্টোবর) চেকটি অনেক বড় ছিল, প্রতিমাসে এত বড় চেক পাওয়াটা একটু কঠিন। এমাসে যে আয় কমে গিয়েছে তা বলব না, বরঙ আয় স্বাভাবিকে ফিরে এসেছে <img src=" style="border:0;" /> এটা বলা যায়। এই সময়কালে এডসেন্স থেকে ৩৩৬.৬৫ ব্রিটিশ পাউন্ড কামিয়েছি, টাকার হিসেবে প্রায় ৩৭ হাজার টাকার কিছু বেশি।

আপাতত তিনশত পাউন্ডের উপর যেকোনো চেকেই আমি খুশি। অলস প্রকৃতির কিনা, বেশি খাটতে কষ্ট লাগে আর বয়স তো কম হলো না।

--------------------------------------
পূর্বপ্রকাশ - গুগল এডসেন্স চেক – নভেম্বর, ২০০৯
--------------------------------------
আমার বাংলা ব্লগ - নিউজলেটার পড়ুন (পাঠক ২৯৬ জন) - ফেসবুক ফ্যানপেজ (সদস্য ১৩৪ জন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29076745 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29076745 2010-01-12 00:58:12
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে Meta Description এর গুরুত্ব

পূর্ব প্রকাশ: সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে Meta Description এর গুরুত্ব

W3Schools এর মতে যেকোনো ওয়েবপেজে ১৩টিরও বেশি মেটা ট্যাগ থাকতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তির বিকাশ আর স্প্যামারদের কল্যানে ওয়েব পেজের মেটা ট্যাগগুলোর অধিকাংশই গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

তবে এখনও title, meta description আর meta keywords বহুলাংশে ব্যবহৃত হয়। যদিও কিছুদিন আগের এক সাক্ষাৎতকারে Matt Cutts বলেছেন যে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে ২০০ টি বিষয় পর্যবেক্ষন করেন, meta keywords সেই লিস্টের মধ্যে নেই। তাহলে হারাধনের কোন ছেলে বাকি রইল? Meta Description আর Title!

Title নিয়ে আগেই আলোচনা করেছি, তাই এই বিষয়ে আজ কোনো কথা বলব না।

আমাদের এডসেন্স এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আড্ডায় এ বিষয়টি নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছিলাম, আশা করি অংশগ্রহনকারীদের মনে আছে। যাদের মনে নেই বা যারা অংশগ্রহনই করেননি, তাদের জন্য আমার আজকের পরিবেশনা।

Meta Description কি?
প্রতিটি মেটা ট্যাগের মতো এটিও একটি মেটা ট্যাগ যা ওয়েবপেজ থেকে দেখা যায় না। কেবল সার্চ ইঞ্জিন বটগুলো দেখতে পায়। এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনগুলো ওই পেজটি সম্বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত জ্ঞান লাভ করে। বর্ণ সংখ্যায় এই ট্যাগে স্পেসসহ ১৬০ বর্ণ ব্যবহার করা যায়। ইচ্ছে করে এর চেয়েও বড় বর্ণনা দিতে পারেন কিন্তু ১৬০ বর্ণের বেশি গৃহীত হয় না।

কিভাবে লিখতে হয়?
প্রথমে আপনি যে পেজটি কিংবা যে ব্লগটি লিখেছেন তার উপর ১৬০ বর্ণের একটি বর্ণনা লিখুন। বর্ণনাটির মধ্যে প্রয়োজনীয় keywords ব্যবহার করুন। এবার এবং মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানে নিচের কোড আকারে ট্যাগটি বসিয়ে দিন।



কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কাজে লাগে?
সার্চ ইঞ্জিনগুলো পেজের কনটেন্টের সাথে সাথে মেটা ট্যাগটিও ইনডেক্স করে। কেউ যখন কোনো একটি keyword খোঁজ করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাংক অনুযায়ী ওয়েবপেজের meta description পরীক্ষা করে দেখে। এর মধ্যে যদি keyword পাওয়া যায়, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বাকি পেজটি পরীক্ষা না করেই ফলাফলের পাতায় ওয়েবসাইটের লিংক এবং meta description প্রকাশ করে।

Meta Description টি যেমন keywords সমৃদ্ধ হতে হবে তেমনি এই অর্থবহ হওয়া বাঞ্চনীয়। কারণ সার্চ ইঞ্জিন যদি meta description এ keyword খুঁজে পায়, তাহলে text হিসেবে meta description টুকুই দেখাবে। এখন কেউ যদি meta description এ keyword পর keywrod লিখে যায়, তাহলে পাঠক যখন সার্চের ফলাফলে text টি দেখবে, তখন অনিশ্চিত হয়ে যাবে যে পেজটি আসলেই তার জন্য উপকারি হবে কিনা? কারন বাক্যটি কোনো অর্থ প্রকাশ করছে না। ফলে সার্চ ইঞ্জিনে ভাল স্থান পাওয়া সত্ত্বেও পাঠক আপনার সাইটে আসবে না।



যখন গুগলে seo consultants in london দিয়ে সার্চ করা হয়, তখন আমার হোমপেজটি পঞ্চম স্থানে আসে। খেয়াল করলে দেখবেন, যে লেখাটুকু দেখা যাচ্ছে সেটিকে আপনি আমার সাইটে কোথায় খুঁজে পাবেন না। কিন্তু ব্রাউজারের র্সোস কোড ঘাটলে লেখাটিকে meta description এর মাঝে খুঁজে পাবেন। আমি চেষ্টা করেছি একটি অর্থপূর্ণ বাক্যের মাধ্যমে কিভাবে meta description টিকে প্রকাশ করতে। চিত্রে ১ম, ২য় এবং ৪র্থ লিংকের বাক্যগুলোর সাথে ৩য় এবং ৫ম (আমার লিংকটি) তুলনা করে দেখুন। পাঠক হিসেবে আপনি কোন লিংকটিতে যেতে অধিক আগ্রহ প্রকাশ করবেন? ফলাফলে থাকে ২টি বাক্যের সাহায্যে Richard Baxter এবং আমি নিজের পরিচয় তুলে ধরেছি অন্যদিকে বাকী লিংক তিনটিতে যে বাক্য দেখা যাচ্ছে, তাতে পুরোপুরি মনের ভাব প্রকাশ হচ্ছে না। কারণ সার্চ ইঞ্জিন meta description এ খুঁজে পায়নি বিধায় বিভিন্ন স্থান থেকে text জোড়া দিয়ে ফলাফল প্রকাশ করেছে।

আশা করি meta description কেন অর্থপূর্ণ সমৃদ্ধ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে পেরেছেন।

কিভাবে ব্যবহার করবেন?
আপনি যদি নিজে হাতে ওয়েবপেজ/ওয়েবসাইট ডিজাইন করেন, তাহলে প্রতিটি পেজে আপনাকেই ম্যানুয়ালী বসিয়ে দিতে হবে। যা অনেক কষ্টকর এবং সময়সাধ্য ব্যাপার।

তবে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে পোষ্টে/পেজে meta description যোগ করা খুবই সহজ। এর জন্য All in One SEO Pack প্লাইগনটি ইনস্টল করুন। এবার যখনই কোনো পোষ্ট/পেজ লিখতে যাবেন, ব্লগ লেখার স্থানের নিচে All in One SEO Pack এর ঘরে Description এর জায়গায় আপনার লেখা meta description টি বসিয়ে দিন। ওখানে title এবং keywords লিখবার অপশনও আছে। টাইটেলের জায়গায় আপনার পোষ্টের টাইটেলটি বসিয়ে দিন। আর keywords না বসালেও চলে। আগেই বলেছি meta keywords এর কোনো গুরুত্ব নেই।

ব্লগারের ব্লগের ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালী বসাতে হয় এবং বিষয়টি বেশ কঠিন। আগ্রহী হলে পোষ্টটি দেখতে পারেন। আর যারা অন্যান্য ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন, তারা প্লাগইন/মডুউল অপশনে খুঁজে দেখুন, যোগ করার অপশন পেয়ে যাবেন।

অনেকদিন পর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে পোষ্ট লিখলাম, আশা করি সবার ভাল লেগেছে।

ধন্যবাদ।

----------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ২৮৮ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।

------------------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29073528 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29073528 2010-01-07 10:23:50
[প্রথম স্থান বিজয়ী - আদনান] আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই? আমার কিছু কথা
কিছুদিন র্পূবে আমার নিজস্ব ব্লগের পাঠকদের উৎসাহ দেবার জন্য একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিলাম। 'আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?' বিষয়ে ব্লগ লিখতে হবে। সেখানে স্পরসের বাহির ওরফে আদনানের লেখা ব্লগটি প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। লেখাটি এতই ভাল হয়েছে যে, এখানে পোষ্ট করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

পূর্বপ্রকাশ: অতিথি পোষ্ট - প্রথম স্থান বিজয়ী - আদনান * আমি কেন সফল ব্লগার হতে চাই?



প্রাককথনঃ
হুম ব্লগিং…সত্যি সে এক অদ্ভুদ সুন্দর জগত। ভার্চুয়াল জগতে কিছু আনন্দময় সময় কাটাবার বা আয় করার একটা অসাধারন ব্যাবস্থা এই ব্লগিং। আমার অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে ব্লগিং। কেন ব্লগিং করি বা করতে চাই তা ঠিকমতো হয়তো নিজেও জানি না। শুধু জানি স্বপ্ন দেখতে বড্ড ভালবাসি আর সেই স্বপ্ন পূরনের অন্যতম মাধ্যম ব্লগিং।

পিছন ফিরে দেখাঃ
ব্লগিং-এর সাথে পরিচয় প্রায় ২ বছর আগে। পেপারে “অনলাইনে টাকা আয়” নামের একটা ভিডিও টিউটোরিয়ালের বিজ্ঞাপন দেখলাম। সেই সময়টায় আমি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারের শেষের দিকে। মাথায় টাকা আয়ের চিন্তা। অন্যদিকে বুকে কম্পিউটারের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষন। এই অবস্থায় সম্ভবত ১৫০ টাকা দিয়ে সিডিটা কিনে আনলাম। দেখলাম,শিহরিত হলাম,হলাম বাকরুদ্ধ। অনলাইনে আয়ের এক নতুন জগত আমার কাছে এসে ধরা দিল।

আমার ভুল ধারনাঃ
ভাবতে অবাক লাগে বাংলাদেশে এখন যারা এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করবে তারা কত ভাগ্যবান। কেননা তাদের জন্য আছে একটা অসাধারন প্লাটফরম। তা হল হাসান ভাইয়ের এই ব্লগ । সে সময় ঠিক এই ধরনের কিছু ছিল না বলে অনলাইনে টাকা আয়ের ব্যাপারটির গুরুত্ব, ব্যাপকতা সর্বোপরি এর বিশালত্ব বুঝবার মতো জ্ঞানটিই আমার মাঝে ছিল না। তো আমার দেখা সেই সিডিটি ছিল গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে। যেহেতু হাসান ভাইয়ের ব্লগ ছিল না তাই ওয়ার্ডপ্রস, নিজের ডোমেইন, হোষ্টিং এই সব কিছুর সাথে আমি ছিলাম অপরিচিত। লাখপতি হবার স্বপ্ন (নাকি দুঃস্বপ্ন) নিয়ে গুগলের ফ্রি ব্লগস্পটে এ্যাকাউন্ট খুলে কোন মতে কপি পেষ্ট করে একটা সাইট বানিয়ে এ্যাডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করলাম আর তা অনুমোদিতও হল।ওয়াও! আমাকে আর পায় কে! ভাবলাম বিদেশীরা এত বোকা কেন! বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেই টাকা দিবে-এতো খুবই সোজা। কয়েকদিন পর ছুটলাম ইউনিভার্সিটির ল্যাবে। ইচ্ছেমত নিজের ব্লগে গিয়ে একের পর এক বিজ্ঞাপন ক্লিক করতে লাগলাম! ওহ কি অদ্ভুদ উত্তেজনা! আমার প্রতিটি ক্লিকে টাকা আসছে ভাবতেই খুব ভাল লাগছিল! দ্রুত বাসায় এসে দেখি একদিনেই 24$ জমা হয়েছে। খুবই ভাল কাটল সেই দিনটি।

ব্যর্থতাঃ
সেই ঘটনার ঠিক দুই দিন পর সকালে উঠে ইমেইল খুলতেই বুকটা ধক করে উঠল। যা হওয়ার তাই হয়েছে। আমার এ্যাডসেন্স একাউন্ট বাজেয়াপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে। চরম রাগ করলাম। আমাকে একটা ওয়ার্নিং না দিয়েই এভাবে একাউন্ট কেটে দিল। ওদের মিথ্যে করে বললাম আমি হোষ্টেলে থাকি হেনতেন…কিন্তু এসবে কি আর কাজ হয়।

পেলাম নতুন দিশা:
এরপর অনলাইনে আয়ের বিষয়টাই ফালতু মনে হল। মন ঘুরে গেল। বিভিন্ন ওয়ারেজ সাইটে সময় দিতে লাগলাম। ধীরে ধীরে www.abcdfree.com এর মতো একটা সাইটের মডারেটর পর্যন্ত হয়ে গেলাম। আমার কাছে তখন ওয়েবের জগতটা এত টুকুই ছিল। এর সাথে জাকারিয়া ভাইয়ের ব্লগ পরে ফ্রীল্যান্সিং এর প্রতি চরম আগ্রহ হল। তাই ফটোশপ শিখব বলে প্রায় 30 GB ভিডিও টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করলাম। কিন্তু আমার যা স্বভাব, আগ্রহ ধরে রাখতে পারলাম না। এরই মাঝে ধীরে ধীরে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে হাসান ভাইয়ের ব্লগ পেলাম।পড়তে লাগলাম। পড়তে পড়তে আবার ঠিক ২ বছর আগের মতোই শিহরিত, বিষ্মিত,বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। নিজের ভুলগুলো অনুধাবন করতে শিখলাম। সত্যিকারের অনলাইন আয়ের বিষয়টি মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করতে পারলাম। এবার শুরু হল নতুন করে পথচলা, নতুন স্বপ্ন দেখা।

স্বপ্নযাত্রাঃ
Darren Rowse , Yaro Starak , John Chow প্রমূখ বিখ্যাত ব্লগারদের লেখা পড়ে অনেক অনেক কিছু শিখতে পারলাম। নিজের জ্ঞানের ভান্ডারটা বাড়ায় এবার অনেক বেশি আত্নবিশ্বাষ জন্মাল মনে। কিন্তু হায় টাকা টাকা টাকা। হ্যা আমার নিজের ডোমেইন, হোষ্টিং কেনার মতো টাকা ছিল না। অন্যদিকে বাবা মায়ের কাছে চাইতেও মন চাইছিল না-যদি আবার ব্যর্থ হই। যাই হোক এক আত্নীয়ের কাছ থেকে টাকা ধার করে ৪টা ডোমেইন আর ২৫০০ টাকার হোষ্টিং কিনে কিছু দিন আগে শুরু হল আমার পথচলা।

কেন সফল ব্লগার হতে চাইঃ
১. জগতের হাজার কাজের মাঝে এই কাজটিতেই সর্বোচ্চ আনন্দ ও আত্নবিশ্বাস পাই। ব্লগিং/ইন্টারনেটে আয় কোন সহজ কাজ নয়। কাউকে জোর করে এই লাইনে নিয়ে আসা যায় না বা নিজের মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে খুব বেশি দূর আগানো যায় না। শুধুমাত্র নিজের আগ্রহ-ই পারে এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শেখাতে, নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে।

২. ব্লগিং এর জগতে আয়ের কোন সীমানা নেই। প্রথাগত চাকুরী, আমাদের মতো একজন ফ্রেস গ্র্যাজুয়েটকে প্রাথমিক ভাবে হয়তো ৬-২০ হাজার টাকার কর্মের সংস্থান করে দিতে পারে। সময়ের ধারাবাহিকতায় আস্তে আস্তে হয়তো বেতন বাড়বে কিন্তু তার গতিটা হবে বড্ড ধীর। অন্যদিকে নিজের মেধা, মনন, শ্রম, সময় ঢেলে দিতে পারলে খুব দ্রুত আপনি গড়ে তুলতে পারেন একটি আকর্ষনীয় ব্লগিং ক্যারিয়ার। কোন অঙ্কের বাধনে আটকাতে পারবেন না আপনি। আপনার কাজই নির্ধারন করে দিবে আপনার আয়ের অঙ্কটি-তাও আবার টাকার অঙ্কে না ডলার কিংবা পাউন্ডে।

৩. পৃথিবীর সবচেয়ে Flexible Job বোধকরি ব্লগিংকেই বুঝায়। আপনি আপনার ঘরের বিছানায় শুয়ে ল্যাপটপের বাটন প্রেস করছেন আর আপনার এ্যাকাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে। কি অসাধারন একটা ব্যাপার! নিজেই নিজের বস হবার চেয়ে সুখকর অভিজ্ঞতা আর হতে পারে না।

৪. আপনি ঘুমাচ্ছেন আপনার এ্যাকাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে, আপনার ভাল লাগছে না ঠিক আছে সেদিনটা না হয় আর কোন কাজই করলেন না, প্রিয়তমকে নিয়ে ঘুরতে চলে যাবেন কোথাও? যান না বাধা দিয়েছে কে! কারও কাছে ছুটি নেবার প্রয়োজন নেই, কোন অফিসিয়াল কর্মঘন্টা নেই, নেই ব্যস্ত ধুলমাখা রাস্তায় ছুটে চলা-এই সব কিছুই সম্ভব যদি আপনি একটা সফল ব্লগিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।

৫. আপনি ব্যবসা করবেন? প্রয়োজন হবে বেশ ভাল অঙ্কের টাকা, সাথে যুক্ত হবে হাজারো উটকো ঝামেলা, পাড়ার বড় ছোট ভাইদের আবদার। আর ব্লগিং করবেন? এসব কিছুই আপনাকে বিচলিত করতে পারবে না। একটা মোটামুটি মানের কম্পিউটার, মাসিক ৬০০-১০০০ টাকার একটা ইন্টারনেট সংযোগ-ব্যাস এর বেশী কিছু লাগবে না ব্লগিং করার জন্য।

৬. ভার্চুয়াল জগতে নিজের একটি ওয়েব সাইট পৃথিবীর বুকে এক টুকরো জমির চেয়েও মূল্যবান হয়ে উঠতে পারে। আপনার সাইটের মূল্যবান ওয়েব স্পেসকে আপনি হাজারো কাজে লাগাতে পারবেন যা প্রথাগত ব্যাবসা, চাকুরী এমনকি ফ্রিল্যান্সিং এর মতো আকর্ষনীয় পেশায় ততটা সম্ভব নয়। প্রাইভেট এ্যাড , এ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম , ডোনেশন , ইবুক পাবলিশিং , কোচিং/টিচিং ইত্যাদি শত শত উপায়ে, প্রচলিত যে কোন কাজের চেয়ে কয়েকগুন বেশী আপনি আয় করতে পারবেন যদি আপনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্লগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, হয়ে উঠতে পারেন আরেকজন অমিত আগারওয়াল । তাই একথা নিঃস্বন্দেহে বলা যায়, সফল ব্লগার অর্থের পিছনে ছুটেন না বরং অর্থ তার পিছনে হুমড়ি খেয়ে পড়বে।

আমার কর্মপরিকল্পনাঃ
মাত্র কিছুদিন হোল পূর্ণদ্যোমে ব্লগিং জগতে পথ রাখলাম। জানি না সাফল্য পাব কিনা। এখন আবার IBA ও Du এর EMBA এর জন্য পড়ালেখা করতে হচ্ছে। প্রচন্ড প্রেসারে আছি। তাও ব্লগিং চালিয়ে যাব। ব্লগিং নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা শেয়ার করলামঃ

১. Online Schools & Courses, Hospitality Training, Printer Buying Tips & Review, Mobile Contract Deal-এই ৪টি বিষয়ের ডোমেইন কিনেছি। Online Schools & Courses বিষয়টা বেছে নেওয়া একটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল যা আমি কাজ করার পর বুঝতে পারছি। এখন Hospitality Training নিয়ে কাজ করছি। এই বিষয়ে গ্রাজুয়েশন করায় আর এই টপিকের উপর ইন্টারনেটে কোন ফ্রী ট্রেইনিং সাইট না থাকায় স্বপ্ন দেখছি এই ব্লগটিকে নিয়ে অনেক দূর যাওয়ার।

২. Success Stories পড়তে ভাল লাগে, প্রচন্ড অনুপ্রানিত হই। কিছুদিন আগে Yaro Starak এর ব্লগ থেকে Pat Flynn এর সাফল্যের কাহিনী পড়ে একটা নতুন পরিকল্পনা এটেছি। আগামী কয়েক মাসে Hospitality Training ব্লগটি নিয়ে কাজ করে অন্তত কয়েক শত নিয়মিত পাঠক বানাতে চাই। তারপর Pat Flynn এর মতো নিজের একটা ইবুক বানিয়ে তা বিক্রী করতে চাই। আমার কাছে Text to Speech এর ভাল সফটওয়্যার আর অনেক Accent এর Voice আছে যা দিয়ে ইবুকের সাথে অডিও বুক আর অডিও টিউটোরিয়াল বানাতে চাই। হয়তো অনেক বেশী বড় স্বপ্ন কিন্তু আমি প্রচন্ড আশাবাদী।

৩. বড় বড় ব্লগারদের আয়ের রিপোর্ট পড়লে দেখা যায় তাদের অনেকেরই আয়ের সবচেয়ে ছোট অংশটুকু আসে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে। তারা মূলত আয় করে প্রাইভেট এ্যাড, প্রিন্টেড বই বা ইবুক আর এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে। যদি ভাল কাজ দেখাতে পারি তাহলে ইনশাল্লাহ কিছু প্রাইভেট এ্যাড বসাতে পারব বলে আমার বিশ্বাস। কিন্তু সে জন্য প্রচন্ড খাটতে হবে।আমি খাটতে রাজী আছি। কেননা আমি বিশ্বাস করি মানুষের কর্মই তার ভাগ্যকে গড়ে দেয়।

৪. একবার সাফল্য পেলে আমার মতো সমমনা আরো কিছু তরুনদের নিয়ে একসাথে কাজ করার ইচ্ছে আছে। সে অনেক পরের ব্যাপার।দেখা যাক কি হয়।

যবনিকাঃ
লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেল। জানি না লেখাটা নির্বাচিত হবে কিনা। হলে হয়তো আপনারা আমার ভুলগুলো,আমার পরিকল্পনাগুলো জেনে নিজেদের মাঝে নতুন কিছু ভাবনার জাল বুনতে পারবেন। কারো বিন্দুমাত্র উপকার হলে আমার এই লেখা সার্থক। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

------------------------------------------------

ব্লগের নিউজলেটার (২৯২জন পাঠক) | ব্লগের ফেসবুক পেজ (১২৬জন সদস্য)

-----------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29068247 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29068247 2009-12-30 13:31:03
ডেস্কটপ আইকনের কথা ভুলে যান… Launchy ব্যবহার করুন

এই দুনিয়ায় দু’টাইপের কম্পিউটার ব্যবহারকারী আছেন, এক যারা সব কাজ মাউসের ক্লিক দিয়ে করে করতে চান আর অন্যরা সব কাজ কির্বোড ব্যবহার করে করতে চান।

আপনি যদি দ্বিতীয়পক্ষের একজন হয়ে থাকেন, তাহলে বারবার উইন্ডো মিনিমাইজ করে নতুন প্রোগ্রাম চালু করা একটা বিরক্তিকর কাজ, তাই না? আর আপনার কম্পিউটারে যদি হাজারো টাইপের প্রোগ্রাম থাকে তাহলে তো কথাই নাই। বারবার ডেক্সটপ কিংবা প্রোগ্রাম মেনু খোঁজা কাজের গতিকে রুখে দেয়।

আপনার জন্য এসে গেল প্রোগ্রাম শুরু করার ওপেন সোর্স প্রোগ্রাম Launchy। ইনস্টলের পর ২মেগার এই প্রোগ্রামটি আপনার কম্পিউটারের সব ফাইল, প্রোগ্রাম, ফোল্ডার ইনডেক্স করে ফেলে।

এরপর যখনই আপনার কোনো প্রোগ্রাম কিংবা ফাইল খুলতে যাবেন, মাউসের দিকে হাত না বাড়িয়ে ALT + Space ক্লিক করুন। Launchy এর সার্চ বার ভেসে উঠবে, তাতে টাইপ করা শুরু করুন। ব্যস একে একে ওই নামের সবগুলো ফাইল দেখা যাবে, Enter চেপে পছন্দমতো ফাইল খুলুন।

ইন্টারনেটে এধরনের অনেকগুলো প্রোগ্রামই পাওয়া যায়, তবে আকারে ছোট হবার কারনে এই প্রোগ্রামটি আমার বিশেষ পছন্দ হয়েছে।

আপনারাও পরখ করে দেখুন

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক - http://bit.ly/8wxPyU

------------------------------------------------

পোষ্টটির সূত্র: ডেস্কটপ আইকনের কথা ভুলে যান… Launchy ব্যবহার করুন

------------------------------------------------

ব্লগের নিউজলেটার (২৭৪জন পাঠক) | ব্লগের ফেসবুক পেজ (১১১জন সদস্য)

-----------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29054229 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29054229 2009-12-06 06:49:20
Dictionary.com এর দিন বোধ হয় ফুরালো? এসে গেল Google Dictionary… জটিল একটি নতুন সার্ভিস!

গত দুই সপ্তাহে গুগল বেশ কয়েকটি নতুন সার্ভিস চালু করেছে, যেগুলোর খবর এখন ব্লগে প্রকাশ করিনি। তবে এই মাত্র যে খবরটি পেলাম, তা শেয়ার না করা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না।

আজ পর্যন্ত গুগলে কোনো শব্দ খুঁজলে গুগল যথাসম্ভব শব্দের অর্থ দেখাতো আর ফলাফলের পাতার ডান কোনায় dictionary.com এর Definition লিংক শোভা পেত। এ সার্ভিসের ফলে dictionary.com প্রচুর ট্রাফিক পেয়েছে এবং হয়তোবা প্রচুর অর্থও কামাই করেছে।

বোধ করে সেটা আর বেশিদিন দেখা যাবে না। গুগল অনেকটা চুপিসারে তাদের গুগল ডিকশনারী সার্ভিসটি চালু করল। এই মুহুর্তে ডিকশনারী সার্ভিসটি খুবই সাধারনমানের তবে বাংলাসব বেশ কয়েকটি ভাষায় শব্দ খোঁজা যায়। আর তার সাথে সাথে ওইসব শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের বাক্যগঠন, তাদের অর্থ, সমার্থক শব্দ খুঁজে পাওয়া যায়।

গুগল বরাবরই বাংলার প্রতি উদাসীন, দোষটা অবশ্যই আমাদেরই। যাহোক, এই সার্ভিসটিতে বাংলাকে দেখতে পেয়ে খুব ভাল লেগেছে।

যদি গুগলের ডিকশনারী সার্ভিসটি Answers.com কিংবা Dictionary.com এর তুলনায় নিতান্তই শিশু, তারপরও গুগলের সার্চ সুবিধাকে ব্যবহার করে এটি প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে।

-------------------------------------------------------------
পোষ্টটির সূত্র: Dictionary.com এর দিন বোধ হয় ফুরালো? এসে গেল Google Dictionary… জটিল একটি নতুন সার্ভিস!
-------------------------------------------------------------
আমার পরিচয় | আমার ব্লগ | ব্লগের নিউজলেটার (২৭৩জন পাঠক) | ব্লগের ফেসবুক পেজ (১০৯জন সদস্য)
-----------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29053595 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29053595 2009-12-04 23:31:12
পাত্রী দেখতে অনুরোধ করিয়া পিতার কাছে আবেদন

শ্রদ্ধেয় আব্বা/আম্মা,

আশা করি আল্লাহ্ রহমতে ভালই আছেন। আমিও ভাল আছি। এখানে যদিও আজকাল একটু ঠান্ডা পড়েছে, তবুও তা এখন সহনশীলতার মধ্যেই আছে, তাই এ নিয়ে চিন্তা করবেন না।

যে কারনে চিঠিটি লেখা। ২৮ টি বসন্ত পেরিয়ে ২৯ বসন্ত যায় যায়, আর আপনাদেরও বোধ হয় একা একা লাগে। তাই কেবলমাত্র আপনাদের একাকিত্ব দূর করতেই অভিভাবকদের জন্য সুন্নত না ফরজ একটা কাজ আছে না, ওটা তো পালন করা সময় হয়েছে। কি বলেন? আশা করি hints বুঝতে পেরেছে। ডাইরেক্ট বলতে লইজ্জা লাগে <img src=" style="border:0;" />

আপনাদের নিশ্চয়ই এতদিনই বুঝে যাবার কথা যে এই ব্যাপারটায় আমার নাকটা একটু উচুঁ আর খুতখুতে। তাই যেনতেন কনে বাছাই করে ঘাড়েঁ ঝুলিয়ে দিলে কিন্তু চলবে না। আপনাদের কাজটি যাতে সহজ হয়, সেজন্য কনের কিছু অত্যাবশ্যকীয় গুনের কথা বলতে চাই।

১. চেহারায় ঝলক না থাকলেও চলবে, তবে Google এর মতো সাধাসাধি হলেই যথেষ্ট।

২. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না জানলে আমি নাই, ওইটা ছাড়া মানুষ বাচেঁ? কনের অন্তত পাচ‍টা সাইট গুগলের প্রথম পাতায় থাকতে হবে। আগেই হুশিয়ার কোনো Black Hat পদ্ধতি ব্যবহার করা চলবে না।

৩. রান্না পারুক না করুন, ওয়ার্ডপ্রেস জানতে হবে। রান্না তো গুগলে সার্চ করেও শিখতে পারবে।

৪. রোজ রোজ বাজারে যেতে বলতে পারবে না, ইকর্মাসে পারদর্শী হতে হবে। ইন্টারনেটেই যখন বাজার করা যায়, তখন পায়ে হেটেঁ যাবার দরকার কি?

৫. Windows ব্যবহার করতে পারে, তাতে সমস্যা নাই কিন্তু ক্রাক কোড নিজেকেই খুঁজে নিতে হবে। আমার এতো টাইম নাই।

৬. Facebook এ একাউন্ট থাকতে পারে, কিন্তু Twitter একাউন্ট থাকলে একদম না। ওইটা আমার দু’চক্ষের বিষ।

৭. হাতের লেখা যা তা হউক সমস্যা নাই, তবে টাইপিং স্পীড যেন ত্রিশ শব্দের নিচে না হয়। আমার ড্রাফট করা ব্লগগুলো তো ওকেই লিখতে হবে।

৮. Bing এর মতো প্রতিদিন রং পাল্টাইলে চলবে না, মেকআপের পিছনে এত টাকা পাবো কই? জিজ্ঞাসা করে নিয়েন Adsense এর কালার প্যালেট কি জানে তো?

৯. টুকটাক হার্ডওয়ার আর ট্রাবলশুটিং জানলে ভাল হয়, আমি ওই ব্যাপারগুলি কম বুঝি কিনা?

আশা করি আপনারা আমার পছন্দ বুঝতে পারেছেন। যত শ্রীঘ্রই আপনার কাজটি শেষ করবেন, তত তাড়াতাড়ি আপনাদের একাকিত্ব দূর হবে। আপনাদের কথা ভেবেই তো এত কিছু বলা। ওহ আরেকটা কথা, মেয়ের অবশ্যই অবশ্যই জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। ইয়াহু হলেও চলবে কিন্তু হটমেইল হলে খবর আছে।

ভাল থাকবেন।

ইতি,

হাসান (লোকালহোস্ট)

-----------------------------------------------

চিঠিটির পূর্বপ্রকাশ - পাত্রী দেখতে অনুরোধ করিয়া পিতার কাছে আবেদন

-----------------------------------------------

আমার পরিচয় | আমার ব্লগ | আমার ব্লগের নিউজলেটার (২৭৩জন পাঠক)

-----------------------------------------------
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29053144 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29053144 2009-12-03 23:24:14
বিদেশের মাটিতে কিছু আবাল আর সকল বিদেশি মেয়েদের বেশ্যার হবার কাহিনী (১৮+ হতে পারে) বৃটেনে 3W আছে ,সতর্ক থাকবেন ব্রিটেনগামী সব পাবলিককে তিনটি w থেকে সাবধান করে দিয়েছেন। উনি এসেছেন ২ মাস, তাতে উনার যা জ্ঞান তাতে আমার চার বছরের অভিজ্ঞতার জ্ঞান ভান্ডার লজ্জা পাবার উপক্রম।

আমি তার পোষ্টে একটি মন্তব্য করেছিলাম, মন্তব্যটি তিনি সযত্নে ডিলিট করে দিয়েছেন। পুরো মন্তব্যটি মনে নাই, তবুও তার সর্তকবাণীর বিপরীতে কিছু কথা বলতে চাই।

১. আবহাওয়া - লন্ডনের আবহাওয়া খারাপ সবাই জানে, কিন্তু উনি অতিরঞ্জিত করতে গিয়ে বলেছেন এখানে ঠান্ডা লাগলে নাকি ৬ মাসের আগে কেউ সুস্থ হয় না। লোকজন নাকি দেশে ফিরে যায়, নয়তো কষ্ট ভোগ করে। আমি এখন পর্যন্ত কাউকে ঠান্ডার ভয়ে দেশে ফেরত যেতে শুনি নাই, আর কয়জন লোকে ঠান্ডায় কষ্ট ভোগ করে তাও জানি না। এখানে চার বছরের বার কয়েক গা গরম ছাড়া কোনো রোগ হয়েছে বলে মনে পড়ে না। চিকিৎসা ফ্রি, তারপরের এখানে জিপি রেজিস্ট্রেশন করি না।

লন্ডনের ঠান্ডাতেই এই উপদেশ, রাশিয়া কানাডা গেলে উনার কি হবে চিন্তা করতে পারছি না।

২. মদ - বাজারে অন্য পন্যের মতো এখানে মদও বিক্রি হয়। পৃথিবীর সবদেশেই মদ বিক্রি হয়, এটা একটা পন্য। এতে ভয় পাবার কি আছে? নিজেকে সংযত রাখলেই হল। মদ খাওয়ার তালিকায় ইউকে পৃথিবীর ৯ম, তাহলে অন্য দেশে গেলে তিনি কি বলবেন? Click This Link

৩. নারী - এটা উনার ক্লাসিক সর্তকবানী। ইসলামিক রাস্ট্রগুলো ছাড়া সব দেশেই পরিবার প্রথা খুবই দূর্বল। তাই বলে প্রতিদিনই যে মেয়েরা ছেলে বদলায় এটা ভাবা নিতান্তই বোকামী।

মেয়েদের ক্লিভেজ দেখেই উনি টং। হায়রে দূর্বল লিংগ! কিন্তু এটা উনি ভাবছেন না যে এটা এদেশের সংস্কৃতি।

আবার মেয়েরা নাকি হাই হ্যালো বলে আপনার ঘাড়ে বসে পড়বে আর আপনাকে ফতুর করে দেবে। তার মানে কি এরা বেশ্যা? এদের কি কোনো আত্মসম্মান বোধ নাই।

পথে ঘাটে হাই হ্যালো বলা ভদ্রতার অংশ, এতেই তিনি ধরে নিয়েছেন যে মেয়েরা তার জন্য ওতঁ পেতে বসে আছে। মেয়েদের কি কোনো খেয়েদেয়ে কাজ নেই।

--------------------------------------------------------

কিছুদিন আগে যখন এক কলিগ (শ্লোভাকিয়ার মেয়ে) জানলো যে আমি বাংলাদেশি সে আমাকে বলল তোমাদের ছেলেগুলো অনেক অদ্ভুত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন?

সে বলল কিছুদিন আগে বাংলাদেশি দু'ভাই তার ফ্লাটে পাশের রুমে থাকতো। বাপের টাকায় এখানে থাকে, তাই পড়াশুনা কাজকর্ম নাই। সারাদিন বাসায় থাকতো। আর ওর গোসল শেষ হবার সময় হলেই ওর ঘরের সামনে বসে থাকতো আর যখনই দেখা হত তখনই আলতু ফালতু প্রশ্ন করতো, কোনো পজিশন পছন্দ, থ্রিসাম করেছে কিনা, তার কেমন লাগে, সে করতে চায় কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি।

তাদের সাথে মেয়েরা একই ফ্লাটে থাকে তা প্রমান করতে ওই মেয়ের জন্মদিনে নিজেদের বন্ধুদের দাওয়া করে এনেছে। জন্মদিন মেয়েটির অথচ পোলাপাইন ভর্তি বাংলাদেশি।

ছেলে দুটোরই সাদা গার্লফ্রেন্ড আছে এবং তারা একই সাথে একই রুমে সময় কাটায়

আরোও কিছু কথা বলেছে। শুনতে শুনতে আমার কান দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। আমি শুধু বললাম, "সরি, ওরা এদেশে নতুন এসেছে"।

তাহলে খারাপ হলো কারা?

---------------------------------------------------------

এমনিতেই বিদেশে থাকা পোলাপাইনের চরিত্র নিয়ে দেশে লোকজন কত কথা বলে আর এই ধরনের আবালের লেখা পড়ে আরও মালমশলা পেয়ে যায়। না জেনে, না শুনে কথা বলার প্রভাব যে কত দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে সেটা তাদের জ্ঞানে কেনো ঢোঁকে না বুঝতে পারি না।

কই দেশে থাকা লোকজনদের গঠনমূলক উপদেশ, দিক নির্দেশনা দেবেন তা না, নিজের চরিত্রে নিজের কালি মাখছেন। আর অন্যদেরও চরিত্রে কালি লাগাচ্ছেন।

----------------------------------------------------------
জিন্নাত উল হাসান]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29051411 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29051411 2009-11-30 08:28:33
আমার সব পোস্টেই একটা করে মাইনাস কেন ??
জানতে পারলে অন্তত নিজেকে শুধরে নিতে পারতাম।

কাহিনী কি?

বি:দ্র: এই পোষ্টটি সজ্ঞানে জঘন্যমানের করেছি, তাই মুক্তহস্তে মাইনাস দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29043238 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29043238 2009-11-14 08:19:37
গুগলকে কেবল গুগলই থামাতে পারে… পারলে থামান?

পোষ্টটির সূত্র: গুগলকে কেবল গুগলই থামাতে পারে… পারলে থামান

গুগলকে নিয়ে এতগুলো পোষ্ট লেখা হয়েছে যে মনে হতে পারে আমি হয়তো গুগল বেতনভোগী মুখপাত্র। আসলে তা নয়। আমি চেষ্টা করছি গুগলের প্রতিটি পদক্ষেপকে অনুসরণ করতে আর যতই অনুসরণ করছি ততই মনে হচ্ছে গুগল অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে।

বিশ্বাস হয় না?

গত সাতদিনের মধ্যে গুগল দুইটি প্রতিষ্ঠান কিনে নিয়ে আবার আলোচনায় ফিরে এসেছে। একটি VoIP সফটওয়ার বানায় এবং অন্যটি মোবাইলের জন্য বিজ্ঞাপন দেখায়।

চলুন এগুলো কিভাবে গুগলের জন্য লাভবান হতে পারে, একটু ভেবে দেখি।

Gizmo5
এটি একটি VoIP সফটওয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। তারা Gizmo5 ব্যবহারকারীদের ফ্রি কথা বলার সুযোগ দেয়। এছাড়াও এর মাধ্যমে কম খরচে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কথা বলা যায়।

গুগল এই প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনে নিতে যাচ্ছে। এটি গুগলকে সরাসরি স্কাইপের রাজ্যে আঘাত হানতে সাহায্য করবে। এই মুর্হূতে VoIP এর জগতে স্কাইপের রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য।

এর ফলে গুগল তাদের বহুল আলোচিত গুগল ভয়েস , যার মাধ্যমে একটি নম্বর দিয়ে সব ফোন নম্বরকে নিয়ন্ত্রন করা যাবে, সেই প্রযুক্তিতে আরও উন্নতি আনা সম্ভব হবে এবং হয়তো গুগল টকের সাথে এই প্রযুক্তি যোগ করা হলে ফ্রিতে কথা বলাও সম্ভব হবে। উল্লেখ্য গুগল ভয়েস এবং গুগল টক দুটো সার্ভিসই আপাতত ফ্রি!

ফলাফল কি দাড়াঁল VoIP নিয়ে ব্যবসায়ীদের আকাল শুরু হতে বেশি দেরি নেই!


AdMob
এই সপ্তাহের সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে admob কে গুগলের কিনে নেবার প্রচেষ্টা। দু’পক্ষই আপাতত বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।

AdMob একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনকারী প্রতিষ্ঠান, অনেকটা Adsense এর মতো। তাহলে কেন গুগল এর প্রতি এত আকৃষ্ট হলো?



আসলে Adsense মোবাইলের ইন্টারনেট ব্রাউজারে text based কিংবা image based বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের নিকট থেকে অর্থ উর্পাজন করে। কিন্তু দেখা গেছে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এডসেন্সে কিংবা ওই ধরনের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে আগ্রহী নয়। কিন্তু মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা ঘন্টার পর ঘন্টা বিভিন্ন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে আর AdMob এই ধরনের প্রোগ্রাম বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। তাই ওই মার্কেটটা দখল করতে গুগল AdMob কে এমন অফার দিল যে AdMob না করতে পারল না।


আমার নিজস্ব দুইটি কথা
গুগল একের পর এক প্রতিষ্ঠান কিনে নিচ্ছে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠান কিংবা পন্যই গুগলের অন্য সার্ভিসের সাথে খাপে খাপ মিলে যাচ্ছে। গুগলের সাম্রাজ্য বেড়েই চলেছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে মাইক্রোফসট তো গুগলকে ঠেকানোর জন্য প্রাণপন লড়ে চলেছে, ওদের মাথায় কেন এই বুদ্ধিগুলো আসছে না? সবাই জানে কম্পিউটারের দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে। মোবাইল ফোনই কম্পিউটারের জায়গা দখল করে নেবে। অথচ মাইক্রোসফট একই ভুল বারবার করে চলেছে। বিল গেটস নিজেই স্বীকার করেছিল যে ইন্টারনেট যে এত বড় হবে তা তারা ভাবতেই পারেনি। এখন আবার মোবাইল ফোনকে অবহেলা করে তার চেয়েও বড় ভুল করতে যাচ্ছে।

চারিদিকে নতুন যে যুদ্ধ হয়েছে, তা হলো মোবাইল ফোনের অপারেটিং সিস্টেম বানানোর যুদ্ধ। এখানে বর্তমানের যোদ্ধারা হচ্ছে Nokia (Symbian), Apple, Blackberry এবং Microsoft Mobile। কিন্তু Apple তার একমাত্র আইফোন নিয়ে সবার বাজারমাত করা শুরু করে দিয়েছে। অপরদিকে মোবাইল ফোন নির্মাতারা গুগলের ফ্রি এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে একের পর এক মোবাইল সেট বের করে চলেছে। ফলে মোবাইলে বাজার হয়তো শেষপর্যন্ত Apple এবং গুগল ভাগাভাগি করে নেবে।

অন্যদিকে মোবাইলের বাজার থেকে Microsoft এর নাম প্রায় মুছে যাবার উপক্রম। ২০০২ সালে Microsoft powered মোবাইলের মার্কেট শেয়ার ছিল ১৩.৯% কিন্তু সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় মাইক্রোসফটের মার্কেট শেয়ার মাত্র ৪%।

এতদিন ধারনা করা হচ্ছিল আইফোনের প্রতিদ্বন্দী পাওয়া হয়তো সময়সাপেক্ষ্য ব্যাপার হবে, কিন্তু মটোরোলো ড্রয়েড মোবাইল সেট বের করে আইফোনের মার্কেট ঝাকিয়ে দিয়েছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের যুদ্ধে মাইক্রোসফটের মোবাইল মার্কেটে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে। অথচ মাইক্রোসফট কি এ নিয়ে চিন্তিত?

উপসংহার
শুরু করেছিলাম গুগলকে নিয়ে, শেষও করব গুগলকে নিয়ে। কয়েকদিন আগে গুগলের প্রধান নির্বাহী এরিখ স্মিড্থের একটি সাক্ষাত দেখিছিলাম, সেখানে তার কথার সারর্মম হচ্ছে এমন – গুগল সবসময়ই প্রাত্যহিক জীবনকে উন্নত করতে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। আজকে হয়তো লোকজন ব্যাপারগুলোকে প্রয়োজনীয় মনে করছে না, কিন্তু কৌতুহলবশত ব্যবহার করছে, অথচ ওই সার্ভিসগুলোই একদিন জীবনের অত্যাবশীয় পন্যে পরিনত হচ্ছে।

গুগল নিয়ে এর চেয়ে বড় মন্তব্য করার ক্ষমতা আমার নেই।

ধন্যবাদ।



------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ২৫৩ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।

------------------------------------------------------------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29041507 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29041507 2009-11-11 02:48:17
Virtual Private Server নিয়ে সাহায্য চাই?
আবার অন্যদিকে ডেডিকেটেড সার্ভার নেয়ার মতো পয়সা নাই। তাই ভিপিএস ছাড়া উপায় নাই।

বুঝতে পারছি না, কাদের থেকে ভাড়া নেব বুঝতে পারছি না?

কেউ কি আগে ভিপিএস ভাড়া নিয়েছেন, কাদের সার্ভিস ভাল - একটু সাহায্য চাই।

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29040679 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29040679 2009-11-09 21:00:08
কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের হোমপেজ থেকে ব্লগ পোষ্ট সরাবেন? কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের হোমপেজ থেকে ব্লগ পোষ্ট সরাবেন?

যারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন, তারা প্রায়ই একটা প্রশ্ন করেন যে কিভাবে তারা তাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতা বা হোমপেজ থেকে ব্লগ সরাবেন এবং সেখানে একটি নির্দিষ্ট পেজকে দেখাবেন। যেমন আমার ব্লগে বর্তমানে প্রথম পাতা হিসেবে ‘আমার কথা’ একটি স্ট্যাটিক পেজকে দেখানো হচ্ছে এবং দ্বিতীয় পাতায় ‘আমার ব্লগ’ এ ব্লগ পোষ্টগুলোকে দেখানো হয়েছে।

চলুন তাহলে দেখি কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করবেন।

১. প্রথমে হোমপেজে যে পেজটি দেখাবেন, সেটি স্বাভাবিক নিয়মে তৈরি করুন। ধরুন, আমি নাম দিলাম My Home।
২. এবার আরেকটি পেজ তৈরি করতে হবে যাতে কোনো কনটেন্ট বা লেখা থাকবে না। শুধু শিরোনাম দিয়ে পেজটি তৈরি করুন এবং সেভ করুন। আমি নাম দিলাম My Blog।
৩. এবার Settings > Reading এ যেতে হবে এবং Front Page Displays অপশনে A Static Page (Select Below) অপশনটি সিলেক্ট করুন এবং Front Page এর ঘরে My Home পেজ এবং Posts Page এর ঘরে My Blog পেজটি সিলেক্ট করে Save Changes বাটনটি চেপে দিন।

ব্যাস এখন থেকে My Home নামের পেজটি আপনার হোমপেজ হিসেবে দেখা যাবে।

তবে…
নেভিগেশন বারে পেজগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখা নাও যেতে পারে। সেক্ষেত্রে পেজগুলোর Edit অপশনে গিয়ে ডানদিকের কলামে Order অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং শূন্য থেকে নম্বর দেয়া শুরু করুন। শূন্য নম্বরের পেজটি আগে দেখাবে।


এবং…
থীমের ডিজাইনের কারনে Home এবং My Home দুটো লিংক দেখতে পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে Appearance > Editor এ গিয়ে header.php ফাইলের Home এর লিংকটি মুছে দিতে হবে। যদি আপনার HTML এবং PHP এর উপর অভিজ্ঞতা না থাকে, তাহলে নিজে সোর্সকোড পরিবর্তণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। অভিজ্ঞ কারোও সাহায্য নিন।

ভাল থাকুন।

------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ২৪৩ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।

------------------------------------------------------------------

জিন্নাত উল হাসান
আমার ব্যক্তিগত ব্লগ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29035374 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29035374 2009-10-31 18:46:52
যারা স্বপ্ন দেখেন না, তারা ১০০ হাত দূরে থাকুন যে এগিয়ে যেতে চায়, সে একদিন সফল হবেই। আর সমালোচকরা শুধু সমালোচনা করেই যাবেন।



আমি স্বপ্ন দেখি আর স্বপ্নকে সফল করতে চেষ্টা করি। বড় হবার ইচ্ছা না থাকলে বড় হওয়া যায় না, আর সবাই বড় হয়ও না। যারা স্বপ্ন দেখে না কিংবা সে অনুযায়ী কাজ করে না তারা কখনই বড় হতে পারে না। দু:খজনক হলেও সত্যি আপনিও হয়তো তাদেরই একজন।

বড় হতে পারি আর নাইবা পারি আমি স্বপ্ন দেখেই যাব আর আমার সাথে যারা থাকবেন তাদেরকেও স্বপ্ন দেখিয়ে ছাড়বো। স্বপ্ন দেখতে দোষ কি?

ইন্টারনেটে আয়ের বিষয়টি এত জনপ্রিয় কেন জানেন, কারণ এতে পুঁজি কম লাগে। শুধু চেষ্টা আর সময় থাকলেই চলে। যদি সফল হতে না পারেন, তবে খুব কি একটা লোকসান হবে না? শুধু সময়টাই তো খরচ হল। কিংবা ব্রাউজিংয়ের পেছনের টাকাগুলো। তাওতো কিছু না কিছু শিখলেন। যেসময়টায় বসে পরদেশি কণ্যা ভেবে পাশের বাড়ির ছেলেটির সাথে চ্যাটিং করতেন কিংবা টিভিতে শাশুড়ি বউয়ের ঝগড়া দেখতেন, সেই সময়টায় ওয়েবসাইট বানালেন, অন্যের লেখা পড়লেন, দেশ বিদেশের নানান বিষয় জানতে পারলেন – এটা কি লাভ নয়?

টাকা পয়সাই কি সব?

ছোট একটা গল্প বলি



পিট ক্যাশমোর (Pete Cashmore ) দুনিয়ার সর্ববৃহৎ টেকনোলজি সাইট Mashable এর মালিক। তিনি মাত্র চার বছর আগে ২০০৫ সালে একান্ত নিজের পরিশ্রমেই ব্লগটি শুরু করেন। সে সময়ে তিনি দিনে ২০ ঘন্টা ব্লগের পেছনে সময় দিতেন আর দিনে অন্তত ৭টি করে প্রযুক্তি বিষয়ক খবর ছাপাতেন।

এক বছর এভাবে ব্লগিংয়ের মাথায় তিনি ৩০০০ ডলারের একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এরপর বাকিটা ইতিহাস।

এখন তার ওয়েবসাইটে আছে মাসে ৮ মিলিয়ন ইউনিক ভিজিটর, ১২ মিলিয়ন পেজভিজিট, ১.৫+ মিলিয়ন টুইটার অনুসারী, ৩০০০০০ আরএসএস ফিড সাবস্ক্রাইবার। এখন তিনি বছরে কেবল বিজ্ঞাপন থেকেই সাত অংকের টাকা উর্পাজন করেন।

জানি সবাই পিট ক্যাশমোর হতে পারবে না, কিন্তু তাই বলে চেষ্টা করতে দোষ কোথায়?


পোষ্টটির সূত্র: যারা স্বপ্ন দেখেন না, তারা ১০০ হাত দূরে থাকুন (ঈষৎ সম্পাদিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29025242 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29025242 2009-10-13 19:31:24
আমি গুগলকে কেন ভয় পাই? আমি গুগলকে কেন ভয় পাই?



গুগল একদিন পুরো বিশ্ব শাসন করবে – এই কথাটি কি বিশ্বাস করেন? তাহলে আশা করি এই পোষ্টটি আপনাকে নতুন করে ভাবতে শিখাবে।

সম্প্রতি গুগলের প্রধান এরিখ স্মিড্থ এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, অর্থনৈতিক মন্দাকে মোকাবেলা করতে তারা তাদের আয়ের পথ প্রশস্ত করতে প্রতিমাসে অন্তত একটি উদীয়মান কোম্পানীকে কিনে নিতে চান। ফলে নতুন কোম্পানীর সাথে সাথে তাদের সাথে যোগ দেবে কোম্পানিগুলোর চৌকস প্রোগ্রামাররা।

ভেবে দেখেছেন এই ছোট্ট কথাটিই কত ভয়ংকর হতে পারে? যারাই বড় হয়ে উঠতে চেষ্টা করবে, তাদেরকেই গুগল কিনে নেবে। ঠিক তেমনটিই হয়েছে গুগলের অতীতে কেনা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে – গুগল ১.৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনে ছিল ইউটিউবকে, কারন তারা গুগল ভিডিওকে ছাপিয়ে অধিক জনপ্রিয় পেয়ে গিয়েছিল। ৩.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনেছিল ডাবলক্লিককে – কারন ডাবলক্লিক Adwords এর প্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠছিল। তারা এন্ড্রয়েডকে কিনে নিয়েছে, কারণ তারা দেখেছে মোবাইলই একদিন কম্পিউটারের প্রতিদ্বন্দী হবে – আর তাই মোবাইলের রাজত্বকে জয় করতে তাদের একটি অপারেটিং সিস্টেম দরকার আর এন্ড্রয়েড তখন উঠতি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছিল, বেশ গুগল তাদেরকেও কিনে নিল। এভাবে করে গুগল হরেক ধরনের প্রচুর কোম্পানিকে কিনে নিয়েছে, তাদের তালিকা পাবেন এখানে – Click This Link

আমি গুগলের একনিষ্ট ফান কিন্তু মাঝে মাঝে গুগলের বেড়ে ওঠার হার দেখলে শিউরে উঠি। Gmail এখন সারা বিশ্বে ইমেইলের তালিকায় তৃতীয়, আজকাল প্রায়ই জিমেইলে সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফলে পুরো বিশ্ব থেমে যাচ্ছে। কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মাইক্রোসফট আমাদের যা শুধু স্বপ্নই দেখিয়েছে যে তারা আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে কম্পিউটার এনে দেবে। কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারেনি। আর গুগল তা কাজে পরিনত করে দেখাচ্ছে। এখনই দিনের অনেকগুলো কাজের জন্য আমরা গুগলের উপর ভর করছি। ধীরে ধীরে গুগল আমাদের পুরোপুরি গ্রাস করবে।

আপনারা হয়তো জানেন না, এন্ড্রয়েড শুধু কম্পিউটারই নয়, বরং এয়ার কন্ডিশনার থেকে শুরু করে গৃহস্থালির প্রায় প্রতিটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। গুগল সম্প্রতি গৃহস্তালির বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের উপর একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছে যাতে আমরা ইন্টারনেটে বসেই পরীক্ষা করতে পারব ঘরের কোনো যন্ত্রটি চলছে কিংবা কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। প্রাথমিকভাবে সফটওয়ারটি কাজের মনে হতে পারে কিন্তু একটু চিন্তা করে দেখুন যদি কোনো কারনে সফটওয়ারটি কাজ করা বন্ধ করে দেয় তবে কি সর্বনাশ হতে পারে। দেখা গেল আপনি কম্পিউটারই চালাতে পারছেন না, তখন কি হবে?

পিকাশার সর্বশেষ ভার্সনটি Face Detection করতে পারে এবং প্রতিটি ছবি সম্বন্ধে তারা নিজেদের ডেটাবেজে তথ্য রেখে দেবে। ফলে আপনি না চাইলেও আপনার কোনো আপন জনের ছবির সাথে সাথে আপনার তথ্যও গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আর কিছুই রইল না।

সার্চ ইঞ্জিন থেকে শুরু করে গুগল আজ আমাদের মোবাইলের Contact Lists এ চলে এসেছে। গুগল এখন আপনার প্রতিদিনের ডায়রী নিয়ন্ত্রন করে।গুগল জানে কে আপনার বন্ধু আর কাকে আপনি কি লিখে পাঠান। যদি আপনি গুগল ল্যাটিটিয়ুড ব্যবহার করেন তো গুগল আপনার অবস্থান সম্বন্ধেও নিশ্চিত। গুগল সৌর শক্তিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালছে, যদিও তারা বলছে নিজেদের বিদ্যুৎ করতেই এত বিনিয়োগ – কে জানে ভবিষ্যতে কি হবে? কিছুদিন পরে আসছে গুগল wave যা ইন্টারনেটের ব্যবহারকেই পাল্টে দেবে। এমনকি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার মৃত্যুর ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে। গুগল wave ব্যবহার করতে হলে হয় গুগল ক্রোম ব্যবহার করতে হবে নয়তো গুগলকে তৈরি আরেকটি সফটওয়ার ইনস্টল করে নিতে হবে। আর গুগল ভয়েস শুরু হলে আপনার আলাদা কোনো ফোন নম্বরের প্রয়োজন হবে না। গুগলই হবে আপনার ফোন নম্বর।

গুগলের সামনে আর কেউ নেই। মাইক্রোসফট তো এখন অস্তিত্ব বাঁচাতেই ব্যস্ত। চারিদিক থেকে গুগল মাইক্রোসফটকে চেপে ধরেছে। ইয়াহু আগেই শেষ। বই স্ক্যানের অনুমতি পেয়ে গেলে আমাজন শেষ। কেবল পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে ফেসবুক। ‌টুইটার দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে ঠিকই কিন্তু এটা কতটুকু আয় করতে পারবে কিংবা আদৌও টিকে থাকতে পারবে কিনা – এত তাড়াতাড়ি কেউই ভবিষ্যতবানী করতে পারবে না। গুগলের সামনে কেউই দাঁড়াতে পারবে না।

গুগলের মূলমন্ত্র হল Dont’ be evil। অথচ আমরা ধীরে ধীরে গুগলের খাঁচাতেই বন্দি হয়ে যাচ্ছি। আজকের বন্ধু একদিন শত্রু হয়ে যাবে নাতো?

------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ২০৯ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন।

------------------------------------------------------------------

জিন্নাত উল হাসান
আমার ব্যক্তিগত ব্লগ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29015710 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29015710 2009-09-25 23:21:51
বাচ্চাকালে গরুর রচনা কি মুখস্ত লিখতেন? বাচ্চাকালে গরুর রচনা কি মুখস্ত লিখতেন?

আমরা বয়সে বড় হলেই মনে করি যে বাচ্চাকালের শিখানো প্রতিটি বিদ্যাই বুঝি অকেজো হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে ঘটে তার উল্টোটি। বাচ্চাকালে বেত হাতে শিক্ষকদের শিখানো প্রতিটি বিষয়ই একে একে আমাদের কাজে লেগে যায়।


বিশ্বাস হয় না?
গরুর রচনার কথাই ধরুন। চার পেয়ে গরুকে দিয়ে ক্লাশ ২/৩ থেকে শুরু করে ৭/৮ পর্যন্ত রচনা লিখতে হতো। বেচারা গরু নিয়েও জানে না যে তাকে নিয়ে পরীক্ষায় খাতায় আমরা কত টানাটানি করি। কিন্তু বড় হয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের খাতিরে ওই গরু রচনাকে নিয়েই হাসি ঠাট্টাতে মেতে উঠি।



কিন্তু ওটার শিক্ষা কি ছিল… জানেন?
শিক্ষকেরা আমাদের মধ্যে একটি ছোট্ট বিষয় নিয়ে লিখাবার ক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখতে চাইতেন। ঠিক একই বিষয়টিই ঘটে ব্লগ লেখার ক্ষেত্রে। পাঠকেরা আপনার শিক্ষক আর আপনি ছাত্র। আপনি আপনার পছন্দমতো বিষয়ে লিখবেন আর পাঠকেরা আপনার লেখার মানের মূল্যায়ণ করবে। ভাল লিখলে পুরষ্কারস্বরুপ তারা বারবার আপনার ওয়েবসাইটে আসবে আর নকল (কাট-কপি-পেষ্ট) করলে একে বারে ফেল, তারা আর আপনার ওয়েবসাইটে ফেরত আসবে না।


আর কিছু শিক্ষা কি মনে পড়ে?
এক
কখনও কখনও বলতেন, ব্যাটা গরুর রচনাও লিখতে পারিস না। যা আগে গরু দেখে আয়। অর্থাৎ যা লিখবেন নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা কিংবা জ্ঞান থেকে লিখুন। আকাশ থেকে ধরে এনে গরুর তিনটি কানের কথা না বলে চোখে দেখুন গরুর কয়টা কান, তারপর লিখুন।


দুই
আমরা কোনোমতে একটা রচনা লিখেই তাদের কাছে যেতাম check করাতে। এটা অনেকটা ব্লগের রিভিউ করার মতোন। অনেকেই আমাকে বলেন, অনুগ্রহ করে আমার ওয়েবসাইটটা পরীক্ষা করে বলুন তো এতে কি সমস্যা। অর্থাৎ তারা একটা রচনা লিখেছেন ঠিকই, কিন্তু নিজের লেখার উপর ভরসা পাচ্ছেন না। তার অভিজ্ঞজনের পরামর্শ চাচ্ছেন। আর বারবার রিভিউয়ের ফলে একটি ওয়েবসাইট পরিপূর্ণতা পেতে পারে।



তিন
গরুর রচনাতে নয়, তবে অনেক রচনাতেই শিক্ষকরা উচ্চশ্রেনীর বই থেকে উক্তি তুলে দিতে তাগিদ দিতেন। বলতেন পুরো অধ্যায়টি পড়বি, তারপর গুরুত্বপূর্ণ দুয়েকটা লাইন রচনার মধ্যে তুলে দিবি। ব্লগিংয়ের ব্যাপারে এটাই আমাদের করা উচিত। নিজেদের লেখাকে আরোও তথ্যসমৃদ্ধ করতে বিখ্যাত ব্লগারদের লেখা পড়ে সঠিকভাবে উৎস উল্লেখ করে তাদের লেখা টীকাটিপ্পনী আকারে নিজেদের লেখায় যুক্ত করা। এতে নিজেদেরকে ছোট করা হয় না, বরং নিজেদের জ্ঞানের পরিধি এবং লেখার পেছনে পরিশ্রমকে যর্থার্থতা সঠিকভাবে তুলে ধরা যায়।


চার
ক্যাডেট কলেজে বায়োলজী ম্যাডাম, শামশাদ বেগম পরীক্ষার খাতায় ছবি দিলে বেশি মার্ক দিতেন। মনে আছে, ব্যাকটেরির উপকারিতা প্রশ্নে একটা মাটির হাড়ি একেঁ তার উপর লিখে দিয়েছিলাম ‘দই’। হাস্যকর তাই না? ব্যাকটেরির উত্তরে মাটির হাড়ি অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে, কিন্তু ব্লগে প্রাসঙ্গিক ছবি দিলে পাঠক পড়ার সাথে সাথে ছবি দেখে বিষয়টি সম্বন্ধে আরও বেশি জানতে পারে। ইংরেজি লাইনটি কথা নিশ্চয়ই মনে আছে – a picture is worth a thousand words.


পাঁচ
পরীক্ষার খাতায় মার্জিন টেনে কেবল দু-ধরনের কালির (নীল+কালো) কলম ব্যবহারের জন্য উপদেশ দেয়া হতো যাতে খাতাটি জবরজং মনে না হয়। ওয়েবসাইটেও তেমনি, অহেতুক ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের ছোট বড় ফন্ট ব্যবহার না করে, পুরো সাইট ধরে একটি নির্দিষ্ট সাইজের ফন্ট ব্যবহার করা উচিত। সেই সাথে ফন্টের রংয়েরও হেরফের করা উচিত নয়।


ছয়
সবশেষে নকল করতে মানা করতে মানা করা হতো। নিজ ছাত্রজীবনে নকল করি নাই, তা বলব না কিন্তু তখনকার নকল আর এখনকার কপি-পেষ্ট একই কথা স্মরণ করে দেয়। শিক্ষকরা বলতেন, যতই লুকাও না কেন, শিক্ষকরা জানে যে কে কত ভালো লিখতে পারে আর কোন লেখা কোনো বই কিংবা কার খাতা থেকে নকল করা হয়েছে। তেমনি পাঠকেরাও বুঝতে পারে, কোনো ওয়েবসাইটে কোন লেখা আশা করা যায়, আপনি হয়তো বালির মধ্যে মাথা ঢুঁকিয়ে ভাবছেন কেউ আপনাকে দেখছে না। আসলে কি ঘটনা তাই?

---------------------------------------------------------------------

আশা করি পোষ্টটি পুরোনো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। একজন ব্লগার বলেছেন, সুন্দরভাবে লিখতে পারে না। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, কেউ তো ভাই কবি/সাহিত্যিকদের লেখা আপনার কাছ থেকে আশা করছে না, শুরু যতটুকু লিখছেন, ততটুকু নিজের মতো করে লিখুন। যাতে আপনার চেয়েও খারাপ, একেবারেই লিখতে পারে না, এমন পাঠক পড়ে মজা পায়। শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে একজন ভক্ত বলেছিলেন, আপনিই সেরা লেখক, কারন আমরা আপনার লেখা বুঝতে পারি কিন্তু বঙ্কিমের লেখা বুঝতে পারি না। তিনি বলে আমি আপনাদের জন্য লিখি আর বঙ্কিম আমাদের জন্য লিখেন।

অথার্ৎ আপনার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে অনুযায়ী লিখুন। পাঠক আমাকে এমনিতেই খুঁজে নেবে। আমি যত চেষ্টাই করি না কেন আমি নিশ্চয়ই আমার লেখা দিয়ে Matt Cutts কে সন্তুষ্ট করতে পারব না। আমার লেখা তারাই পড়বে যারা আমার চেয়ে কম কিংবা সমান জ্ঞানের অধিকারি।
তাই সংকোচ বাদ দিয়ে লেখা শুরু করুন আর প্রতিটি পোষ্ট তার আগের পোষ্টের চেয়ে আকর্ষণীয় করতে চেষ্টা করুন।

আর ব্লগিং তো আর লাইলি-মজনুর প্রেম না যে সফল না হলে আপনি প্রাণ দিতে হবে।

------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ২০৪ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29012630 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29012630 2009-09-18 19:28:43
অনলাইনে আয়ের কৌশল – ব্লগের জন্য দুনিয়ার সবচেয়ে ফালতু টপিক কেন? অনলাইনে আয়ের কৌশল – ব্লগের জন্য দুনিয়ার সবচেয়ে ফালতু টপিক কেন?

নতুন ব্লগারদের মধ্যে একটা প্রবণতা দেখা যায় যে তারা অনেকেই ব্লগিং জীবনের শুরুতে কিভাবে ইন্টারনেটে কিভাবে টাকা কামানো যায় এই নিয়ে ব্লগ বানান এবং অন্যসব ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল কপি-পেষ্ট করে নিজের ওয়েবসাইট ভরতে শুরু করেন। আর যা হবার তাই হয়। তারা কখনই সাফল্য লাভ করেন না এবং একসময় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।



তারা কেন কখনই সফলতা লাভ করবেন না

এক
ব্লগিং সম্বন্ধে তাদের কোনো ধারনাই থাকে না। কপি-পেষ্ট করার ফলে তারা একসময় তাদের নিজেদের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেন। তাদের ভেতরে যে ব্লগার ঘুমিয়ে আছে, তা আর কখনই জাগতে পারে না। কথাটা বইয়ের মতো শোনাচ্ছে, কিন্তু এটাই সত্যি।

দুই
বাচ্চারা যদি বড়দের মতো করে কথা বলে তাহলে আমরা তাকে ইচঁড়েপাকা বলি। আর নতুন ব্লগার, যার কোনো ব্লগিং নিয়ে কোনো অভিজ্ঞতাই নেই, সে যদি আপনাকে টাকা কামানোর মতো বিষয় নিয়ে উপদেশ দিতে চায় তাহলে আপনি তাকে কি বলবেন? মানুষের মন খুবই সন্দেহপ্রবণ, প্রমাণ ছাড়া কিছু বিশ্বাসই করতে চায় না। এখন আপনি যদি প্রমাণ না করতে পারেন যে আপনি নিজে টাকা আয় করতে পারছেন, তাহলে কি আপনার কথা কেউ শুনবে? আমার এডসেন্স চেকগুলো ছবি না দিয়ে আমি যদি ব্লগ বানানো নিয়ে ব্লগ পোষ্ট করতাম, তাহলে কি আপনারা আমার কথা শুনতেন?

তিন
নতুন ব্লগারদের ওয়েবসাইট দেখলেই বুঝা যায় তাদের কাঁচা হাতের কাজ; যত্রতত্র বিজ্ঞাপন, পোষ্টে হরেক রকম রংয়ের ব্যবহার, অনিয়মিত ছবি ইত্যাদি। নিজেকে দিয়েই চিন্তা করুন – কাপড়ে ময়লা দাগ, চুল এলোমেলো, পকেটটা ছেড়া একটা ছেলে যদি বলে তার তার কাছে এক কোটি টাকা আছে তাহলে কি বিশ্বাস করবেন নাকি স্যুট পরা একটা লোকের কথা বিশ্বাস করবেন।

সম্প্রতি আমি একজন পাঠকের একটি পরিচ্ছন্ন একটি ওয়েবসাইটে ফাটাফাটি একটি ব্লগ দেখতে পাই। কিন্তু এক জায়গায় দেখলাম একটি ছবিতে দেখতে বলার কথা বলা হয়েছে কিন্তু ছবিটি যেখানে নেই। তাতেই সন্দেহ হল পোষ্টটি কপি করা। আর্টিকেলের প্রথম লাইনটি কপি করে সার্চ করলাম আর সাথে সাথে বেড়িয়ে পড়ল আসল পোষ্টটি, ওই পোষ্টটি আসলেই অসাধারণ, প্রচুর ছবিটি বিষয়টিকে সুন্দরভাবে উপস্হাপন করা হয়েছে।

ফলাফল দাঁড়ালো এরপর যদি কখনও সে নিজেই আটিকেল লিখে, আমি তাতে আমার বিশ্বাস স্থাপন করতে পারব না। সে আমার মতো এভাবে সব পাঠকেই একদিন হারিয়ে ফেলবে।

চার
ইন্টারনেটে টাকা কামানোর বিষয়টি এই সময়ে বহুল আলোচিত একটি বিষয়। সবাই এই বিষয়ে জানতে চায় এবং সবাই এই বিষয়ে নিজের মতামত দিতে চায়। তাই এই বিষয়টি তুলনামূলকভাবে খুবই প্রতিযোগিতামূলক হয়ে পড়েছে।গুগলে Make Money Online সার্চ দিয়ে ১৮১,০০০,০০০ টি রেজাল্ট দেখায়। আপনি কি এত বিশাল প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবেন? আমি উত্তর না। আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিয়মিত ট্রাফিক না পেলে যেকোনো ওয়েবসাইট ব্যর্থ হতে বাধ্য।



পাঁচ
ইন্টারনেটে নিজের নামকে / ব্রা্ন্ডকে প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে ইন্টারনে্টে টাকা কামানোর মতো বিষয়ে কখনই সাফল্য পাওয়া সম্ভব না। এটা বিশ্বাস করেন আর নাই করেন? ইন্টারনেটে যারা এই বিষয়ে ব্লগিংয়ে সাফল্য পেয়েছে, তাদের ওয়েবসাইট ঘুরে দেখুন, হাজার হাজার লোক তাদের ইমেইল নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করে আছে, হাজার হাজার লোক তাদের RSS feed পড়ছে। কারন তারা টাকা কামানোর সাথে সাথে অভিজ্ঞতা থেকে দরকারী টিপস দিয়ে থাকেন। যেগুলো ব্যবহার করে সবাই উপকৃত হচ্ছেন। আর আপনার যদি অভিজ্ঞতা না থাকে তবে কিভাবে আপনি আপনার পাঠকদের ধরে রাখবেন।

ছয়
এমন ভাবাটি বোকামী যে, আপনি কপি-পেষ্ট করে কয়েকটি ব্লগ পোষ্ট করবেন, এর ওর কাছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কয়েকটি টিপস শুনে তা ব্যবহার করবেন আর হাজার হাজার লোক আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। যদি কোনোভাবে তাও আপনার পক্ষে করা সম্ভব হয়, তাই বলে যে হাজার হাজার লোক প্রতিবার এসেই আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা শুরু করবে, এটা ভাবা আরও বোকামী। আবার আপনি কাউকে ক্লিক করতে অনুপ্রানিতও করতে পারবেন না, কারন গুগল কোনোভাবে টের পেলে সাথে সাথে আপনার ওয়েবসাইট ব্যান করে দেবে।

নিজেকে প্রশ্ন করুন , আপনি পাঠক হলে কি আপনার ব্লগটি পড়তেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতেন কিংবা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতেন?

তাই দয়া করে, ব্লগিং জীবনের শুরুতে এত বড় বিষয় নিয়ে লিখবেন না। সোজা কথায় এতে আপনার সাফল্যের হার ০%। প্রথমে নিজের ভাল লাগা বিষয় নিয়ে ব্লগিং শিখুন , অপটিমাইজেশন শিখুন , সফল হউন এবং তারপরই কেবল সফলতা পাবার উপায় নিয়ে ব্লগিং করুন

-------------------------------------------------------------------

আপনার পক্ষে কি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসা সম্ভব হয় না?

তাহলে আপনি আমার ইমেইল নিউজলেটার সাবসক্রাইব করতে পারেন। এর মাধ্যমে আমি নতুন কোনো ব্লগ পোষ্ট করলে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনার নিজের ইমেইলের ইনবক্সে।আশা করি এই ফিচারটি বার বার আমার ব্লগে আসার পেছনে আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেবে।

সর্বশেষ হিসেবমতে, ১৮৮ জন পাঠক নিয়মিত ইমেইল নিউজলেটার পড়ছেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29011527 http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29011527 2009-09-16 15:49:08