মাননীয় আদালত, আসামী এতটাই অভিনব যে তাকে হাতকড়া পরানো যায়নি,
তার জন্য ডালকড়া বানাতে হয়েছে। আসামী এই বৃক্ষ নিরীহদর্শন কিন্তু অপরাধ গুরুতম।
জরুরী অবস্থায় এর পাতারা মিছিল-সমাবেশ করেছে, শ্লোগান দিয়েছে, কারফিউর রাতে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে চেনা গাড়ি দেখলেই মুতে দিয়েছে, পার্শ্ববর্তী একটা নিরীহ জলপাই গাছকে লাথি মেরে মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
মাননীয় আদালত, একবার এক কাক উড়ে যেতে যেতে হেগে দিয়েছিল; সেই কাকের গু থেকে এই বৃরে জন্ম।
এই জারজ, বেদাত বৃক্ষ ব্লাডি ও বেপরোয়া কিংবা ব্লাডি বলেই বেপরোয়া; তবে পেটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে, একে শারীরিক ও মানসিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হোক।
মধ্যরাতের স্বাধীন আদালত ৭ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।
৭ দিন পরে টবে করে আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়; এটর্নি জেনারেল ব্যাখ্যা দেন-আসামী অন্তঃস্থভাবে সশস্ত্র ছিল, কয়েকশো ঘনমিটার বাতাস, সজোর পাদে তিন কর্মকর্তা আহত, আসামীর শাস্তি দৃষ্টান্ত হোক।
আদালত রায়ে বলেন, আসামী কসুরময় খালাস তবে বায়ুগ্রহণ পর্যবেণে রাখা হোক, বংশবিস্তার রোধে স্থায়ী কনডমের ব্যবস্থা করা হোক।
আর অনাসামী সকল বৃক্ষকে নির্দেশ দেয়া হলো, স্বেচ্ছাবনসাঁই অথবা জলপাই হয়ে যান।।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



