ফেলে দেওয়া মাল, কেউ নেই ধারে কাছে, বাতাস এলে উড়ে সব তালগোল,এখনই ঠিক সময়,লুঠ তো করতেই হবে। হা হা হা...

ব্রাত্য রাইসুর ছবি ও জগিং সফটওয়্যার
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:১৮
1996এর ছবিটি রাইসুর আঁকা বললে ভুল হয়, আসলে সেই রকমই কিছু সন তারিখের সময় দেওয়ান মীজানকে প্রথম আঁকতে দেখি। তার অপার্থিব ড্রয়িং, ডাইনোসর ভিন্ন অন্য কোন জীব খাদ্যান্বেষণে ঊন্মার্গগামী। মীজানের টেক্সচার চারুকলা ইনষটিটিউটের মহম্মদ ইউনুসের মত তারপিন তেল ঢালা, ফলে সব কাটা কাটা, পানসে আপেল, জাষ্ট জ্বলে নিভে যাওয়া বালির তুবড়ি। এর অপরূপ সৌন্দর্য আশা করি রাইসু বুঝবেন না। তার লোলুপতায় ডামিয়েন হার্স্ট এর শিল্পকলা ঠাকুমা-দিদিমার আচারসম লাগে। এম্বিধ যন্ত্রনা রাইসুর নাই, ক্যালিফোর্নিয়া গেলে সে আরও এক রাউন্ড ক্যাসিনো খেলিয়া ফান করিতে পারে।
রাইসুর বাক্যাংশের eccentricity আমাদের জানা নেই, কিন্তু তার ছবি ভাঁজ করে পকেটে রেখে দেওয়া যায়, তার ভান আইসক্রীমসুলভ, রঙ ও সুগন্ধ কিন্তু এই আছে এই নেই। আপনা পোমো বলিয়া ভুল করিবেন না। তার ছবি ফ্রিৎজলা্যংএর ন্যায় ডায়াল এম ফর মার্ডার।
রাইসুর অক্সিজেন সিলিন্ডার নাই তার পেন ঘষাঘষি গাছের উপর কোপ মারার মত, ছিলকা ছিলকা। সেখানে স্বাস্থচর্চা ব্যতীত অন্য কোন শিল্পকলা নাই, যাহা সোভিয়েত রাশিয়ার ন্যায় আমাদের আপন ও ইউনুসের ন্যায় কাব্যধর্মি। ছবি দেখা শেষ হলে পড়ে থাকে রাইসুর ঝুটিখানি।
প্রকাশ করা হয়েছে: ফুটকাটা বিভাগে ।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
অতিথি বলেছেন:
খেপলে পোমোরাও মডার্ন হয় পিয়াল ভাই!
অতিথি বলেছেন:
প্রত্যেকটা পোমোর মধ্যেই তো মর্ডানিজম থাকবে। মডার্ন ছাড়া পোমো ক্যামনে হয়?
অতিথি বলেছেন:
অ্যা !
অতিথি বলেছেন:
পোমোর মধ্যে মডার্ন?দিদি স্বল্পজ্ঞানে যতোদূর বুঝি মডার্নিজমের ঐ নিয়মবদ্ধ খেপাখেপিরে দুর্নিয়মে আনতেই পোমো কাহিনীর শুরু।
অতিথি বলেছেন:
পোলাপানেরা একটু মন দিয়ে গ্রাহাম গ্রীন ও পড়ে না!

















