1996এর ছবিটি রাইসুর আঁকা বললে ভুল হয়, আসলে সেই রকমই কিছু সন তারিখের সময় দেওয়ান মীজানকে প্রথম আঁকতে দেখি। তার অপার্থিব ড্রয়িং, ডাইনোসর ভিন্ন অন্য কোন জীব খাদ্যান্বেষণে ঊন্মার্গগামী। মীজানের টেক্সচার চারুকলা ইনষটিটিউটের মহম্মদ ইউনুসের মত তারপিন তেল ঢালা, ফলে সব কাটা কাটা, পানসে আপেল, জাষ্ট জ্বলে নিভে যাওয়া বালির তুবড়ি। এর অপরূপ সৌন্দর্য আশা করি রাইসু বুঝবেন না। তার লোলুপতায় ডামিয়েন হার্স্ট এর শিল্পকলা ঠাকুমা-দিদিমার আচারসম লাগে। এম্বিধ যন্ত্রনা রাইসুর নাই, ক্যালিফোর্নিয়া গেলে সে আরও এক রাউন্ড ক্যাসিনো খেলিয়া ফান করিতে পারে।
রাইসুর বাক্যাংশের eccentricity আমাদের জানা নেই, কিন্তু তার ছবি ভাঁজ করে পকেটে রেখে দেওয়া যায়, তার ভান আইসক্রীমসুলভ, রঙ ও সুগন্ধ কিন্তু এই আছে এই নেই। আপনা পোমো বলিয়া ভুল করিবেন না। তার ছবি ফ্রিৎজলা্যংএর ন্যায় ডায়াল এম ফর মার্ডার।
রাইসুর অক্সিজেন সিলিন্ডার নাই তার পেন ঘষাঘষি গাছের উপর কোপ মারার মত, ছিলকা ছিলকা। সেখানে স্বাস্থচর্চা ব্যতীত অন্য কোন শিল্পকলা নাই, যাহা সোভিয়েত রাশিয়ার ন্যায় আমাদের আপন ও ইউনুসের ন্যায় কাব্যধর্মি। ছবি দেখা শেষ হলে পড়ে থাকে রাইসুর ঝুটিখানি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:২৪