somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... পুকুর পাড়ে কে রে?
কাদামাটি কত প্রিয় ছিল তখন। কাঁচা নর্দমায় বানানো সেতুতে ছিলাম, আমের আঁটি থেকে আমার মত এক শিশু বেরিয়ে আসত তার মেরুন পাতা নিয়ে। আমি ছিলাম নদীর পাড় বরাবর দৌড়গুলোতে সবার পেছনে পড়ে। ফলত কাটা ঘুড়ি পড়ত নদীর জলে। জাম আর বকফুলের নরম ডাল বরাবরই ভেঙ্গে পড়ত, আমি নীচ থেকে দেখি, জামরুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। পড়তে বসলেই লোডশেডিং, একমাত্র গল্পের বই পড়ার মত মিটমিটে আলো।আর তারজালি ভেঙ্গে পড়ল, মাকড়সারা কোথায় গেল? বর্ষার পিপড়ে মত সজনের গাছে শুয়ো পোকা, কাঁচ পোকার টিপ,পতঙ্গজগতে রবিন্দ্রনাথ লিখে দিচ্ছেন 'সে', কাগজের নৌকারা চলে গেল শিলাইদহে।

আমি শৈশবেই আটকে রইলাম। সাঁতার কাটতে কাটতে হাঁফ ধরে, গঙ্গায় জল এত কম মাটিতে পা ঠেকে কিম্বা আমি লম্বায় একটু বড় হয়েছি। আশোকাদের বাড়ির জানালায় এসে একটু থমকাই, রাত দশটায় কি করে ও? সাইকেলে মাটিতে পা দিয়ে দাঁড়াতে পারি। কতদুর দেখা যায় ওই জানালায়, কেবল অশোকাকে ন্য়। নেপু পটাদের বাড়ি ফুলে ফুলে ডেকে গেছে অশোকাকে একবার নিয়ে যেতে চাই,চিত্তবাবুর কাছে পড়তে গিয়ে আর কতটুকু সময় পাওয়া যায়? না, এবার পরীক্ষায় সব থেকে বেশি পেতে হবে।

কলকাতা আস্তে আস্তে গিলে খেল আমায়। নদীতে সত্যি সত্যি জল কমে গেল।সেখানে জেলা স্তরে ভিলিবল খেলা হলেও আমার আগ্রহ ছিল, চুপচাপ কেটে যেত বিকেল। লণ্চঘাটে সন্ধ্যা নামলে একে একে ফিরে আসে ইলিশের নৌকো, সুমন এলেন আর পাল্টে গেল মেঘমালার রং,দশ ফুট বাই দশ ফুটে রাত্রি কাটে নিমেশে। আমি ছবি আঁকি, লিখি আর সকাল হলে মিশে যাই কলকাতার ভিড়ে। কার্তিকের ভাসানে কফিতে মুখ পোড়ে শৈশব প্রিয়ার সিথির সিঁদুরে।আমার মফস্বল আমার থাকে আর সব পর হয়ে যায়।

পিনাকীর লেখা পড়তে গিয়েই বিপত্তি,পুনর্লিখিত হয়ে যায় আমার অন্যজীবন, নদীতে ততদিনে চর পড়তে শুরু করেছে, প্রেমের জ্বরে পলি, আমি দোল খেলি হাজরাতে, উঠে বসি মাঝরাতে, চন্দ্রবিন্দুর গান শুনে ভাবি স্কন্ধকাটার ভীড়ে আমি এক টুনটুনি পাখি। সাদা কাগজ শুকনো চামড়ার মত পড়ে থাকে আর পুকুর ভর্তি কচুরি পানা, আমি ঢিল ছুড়িনি কত দিন, টের পাই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28719446 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28719446 2007-07-05 15:48:55
হুস-হাস
যে রাস্তা হেঁটে ১০ মিনিটে আসা যায়, সেটায় ৩০ মিনিট লাগলো, কেননা বারবার পেছন ঘুরে দেখছি গাড়ির হেডলাইট। ফোন বাজছে। হাত দেখালে গাড়ি থামছে না। রাত দেড়টা। ফোন বাজে, কেটে দিই, ধরি, কোন লাভ নেই। ঘড়ির শব্দ টের পাই। সার সার লরি স্যাট স্যাট বেরিয়ে যায়,ডিপসের নরকের টাইমের গল্পটা মাথায় আসে। ধুস।

সামপ্লেস এলসে বেয়ারা এসে বলে গেছে আর মদ দেওয়া হবে না। দেখলাম একে একে বাজনদাররা তার গীটার হাতে বেরিয়ে গেল। একা পড়ে আছে ড্রামসেট। এরপর উপরে উঠে অট্রিয়াম বন্ধ, কারণ আমাদের মোশন কনট্রোলের কথা শেষ হয়নি আর টিটো বলছে প্রসাদে ফাইভ পয়েন্ট ওয়ান বসে গেছে আমরা চাইলেই এখন একবার গিয়ে দেখে আসতে পারি।

তার বাড়িতে বোতল আছে জানার পরও আমি নেমে যেতে চাই রবীন্দ্রসদনে। যাওয়ার যায়গা তবে এখন এইচ এইচ আই বা তাজ বেঙ্গল। আজ থাক না, মোশন কন্ট্রোল করি, কাল না হয় দেখা হবে রীণাদির এডিটে। দেখি সেই বিশাল সাইজের গাড়িটা একা একা চলে গেল।

কেবল রাস্তা পরে আছে। তাকেই বেশ বন্ধু বন্ধু লাগছে , হিসাব করি আর ঘন্টা তিনেক কাটাতে পারলে সাকালে কিছু একটা পেয়ে যাব। তিনটে সিগারেট আছে, ঘন্টায় একটা। রেশন করতে হবে, নিজেকে বুদ্ধ-বুদ্ধ লাগে উইথআউট সুজাতা।

বেশ অন্ধকার।বাতি কি নিভে গেল? না আগে থেকেই জ্বলছিল না। বাঁ হাত নাড়াতে নাড়াতে ঝিম ধরে গেল। হাত পাল্টাই, গোঁ গোঁ শব্দে সব দুষ্ট লরিরা মাছের মত ছিটকে বেরিয়ে যায়। বাঁ হাতটা আদৌ কাজ করছে কি না দেখার জন্য একটা সিগারেট ধরাতেই হল। না: ঠিক আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28719102 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28719102 2007-07-03 14:12:58
শুরুর ডাক
একটা পৃথিবী ঘোরে কেবল ঘোরে, এভাবেই মাঝে মাঝে মাথা কমলালেবু হয়ে যায় এবং সান্ট্রারর বোতলে বনসাই হয়ে ওঠে উইশডম ট্রী। আমের চাটনীর মত গন্ধ লাগা ঘাসে প্রজাপতি পাখা নিয়ে বিলকুল হাসে আর সার্ফের ফেনারা উড়ে যেতে যেতে বলে, তাদেরও মেঘজন্ম ছিল, ছিল বারো পার্বণ ও বর্ষা। গোমুখ গঙ্গোত্রী হরতুকি বয়রা এবং গঁদের আঠার মত সুখ। কেবল এ সভ্যতার কোন শুরু নেই, অসভ্যতারও নেই, তাই হাঁসগুলি প্যাঁকপ্যাঁক করে জলে নেমে খোঁজে মার্জিত গুগলি আর সুভাষ বোসের অন্তর্ধান রহস্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718859 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718859 2007-07-02 11:29:55
দু নৌকায় পা দিয়ে,বাংলা গানে
এই রাজা, সে ওলিওগ্রাফটি রাজা রবি বর্মার কোন পদ্ম ও হাঁস আর দেবী।মায়াময় ধুলো , ক্যম্বিস বলের ওপাশে তার ছেঁড়া সোফা , মিউ মিউ বিড়ালে উলের গুলিতে বাংলা গান। জানালায় পাহাড়, আকাশ ভরা জল,দরজায় গুঁজে রাখা খবরের কাগজ। জমছে তারা জমছে। ধুলো, প্যাঁচ ও ভীমসেনের ক্যাসেটের নাড়িভুড়ি।

এত ধিরে শব্দ লিখছি যেন সন্ধ্যা নামছে। শাঁখ বাজছে, জেট প্লেনের থেকে যাওয়া ধোঁয়া মত।আসলে সাদা মার্বেল মেঝেতে তার আলতার ছাপ, যে কনিক ইকোয়েশন নিয়ে সম থেকে তেহাই যাওয়া যায়, বাংলা গান, সেই কুকুরটি এখনও দাঁড়িয়ে, ওরে বোকা গ্রামাফোন! আসলে জানালা খোলা, পাল্টে যাচ্চে সচল ট্রেনের মত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718785 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718785 2007-07-01 18:12:43
ভ্রমর কইও গিয়া
হাতের তালু ফুল হলে আঙ্গুলের পাপড়ি হওয়া ছাড়া গতি নেই। তারা দুলতে লাগল বাতাসে। একদল সৈন্য কুচকাওয়াজ করতে করতে গাছের কান্ড বরাবর হাঁটছিল। তারা হাঁ করে বাতাস শুসে নিল। কার্বন ডাই অক্সাইড শেষ হয়ে যাওয়ায় পড়ে রইল অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন। তারা মনের দু:খে কাঁদতে গিয়ে জল হয়ে গেল।

ইলিশেরা এতক্ষণ ওয়েট করছিল, জল দেখে ঝাঁপিয়ে পড়ল।


(ছবি: সমীরা মোস্তাফা)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718752 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28718752 2007-07-01 13:33:22
তার ছিঁড়াদের তারায় তারায় http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28717217 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28717217 2007-06-23 11:39:25 টিপটিপ টুপ টাপ নিরালা দুপুরে নুপুরে
উল্টানো ছাতা যখন নৌকা হয়ে গেল তখন ঘড়ির কাঁচে ঝাপসা মেঘ,স্ক্রিন সেভারে পুরুলিয়া। বিছানা বালিশ ভিজে যাচ্ছে। পর্দার চেহারা হাতির মত। গুরু, এবার ক্রিকেট মাঠ নইলে ফোল্ডিং খাট।

পার্স বেগুনি বা তেলচিটে তেলেভাজার মত বুলডোজার নিয়ে বাড়িটা ভেঙ্গে ফেলে আমগাছে আম, এয়ারপোর্ট দিয়ে আসার পথে ভীষণ মাতাল হয়ে প্রচন্ড গরমে সিন্থেসাইজারের মত শুয়ে পড়ি। গুরু সাইজ দেকেছ? হাতে গরম নাহলে মার্গো সাবান।

প্ল্যানেট এম-এ, চৌকো টিভিরা নাচে গান গায় মালবিকা , মাথায় ফেট্টিতে পন্ডিচেরি আর অন্যদিকে ৩০ বছর হল নেতাজি ইন্ডোরে, আমাদের শিল্পায়নের প্রশ্নে কাবু করার জন্য স্মারনফ এল আর সিডিতে নন্দীগ্রাম। গুরু, ভরে দিয়েচি কবীর সুমন নাহলে ফুলবাগান।

ট্যাক্সিতে জল ঝরছিল, নেতাজি ইন্ডোরেও। শিলাজিৎ পিচ্চি মেয়েটার জন্য আফ্রিকার গান দিল সিডি ভরে আর লজেন্স বেচল গরমে আর ট্যক্সি হয়ে রাত একটায় বাড়ির নিচে ছেড়ে দিয়ে গেল। গুরু, দিস ইজ ব্লেন্ডিং না মানলে লোডশেডিং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28717100 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28717100 2007-06-23 00:12:09
কিছু নেই, আমি আছি তাই

(বাপ রে)






প্প্বসপ্প্বজ্জ প্প্বনপ্প্ম প্প্বনপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম,ে প্প্বঙ্প্প্ম্কপ্প্ব্মপ্প্বজ্জপ্প্ম্ব প্প্বঙ্প্প্ম?






েপ্প্ব্যপ্প্মপ্প্বেপ্প্মেম( আবার, আমি যা কি করি(খাইয়ালামু) )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716794 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716794 2007-06-20 19:23:12
আমার ভিতর ও বাহিরে
বাঁশ দিয়ে বানানো সেতু যেন তার বিনুনির মত, এবং বিয়ারে চুল ধুতে ধুতে, সময় হয়ে যায় নদী আর একসময় কেবল পোড়া আলুর খোসা ছাড়ানো, আর সেই মজা নদী ছাগল বেঁধে রাখে খোঁটায় খোঁটায়, সারা ঘড়িময়।

ঐ দূর ট্রেন, আমাদের ছোট নদী ভারী একলা। হুইসেল শব্দ নিয়ে মাথা ঝাকা দেয় আমাদের ছায়া আর লিচু গাছ, যেন সব বক এখুনি মেঘ হয়ে যাবে, অমন সবুজ ড্রইং খাতা তার আর ঐ দূর মন্দিরে ঘন্টা বাজে, টিপটুপ টিপটাপ, লিচু ঝরে। আর মাটির ঢেলা গড়াতে গড়াতে আমাদের মজা নদীর কলঙ্কে, কখন বা লিচু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716745 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716745 2007-06-20 11:46:02
নিদারুণ হাওয়ায় উড়ে যায় বেগতিক

দরজার সবুজ রং চুরি করে নিল সে, আর গোটা কাজুবাদামের জঙ্গলে তখন এক নক্ষত্র শুষে নিচ্ছিল সমস্ত বাক্সবন্দি মৌচাক-মধু।

কয়েকটা ডাবের খোলা সার্চ লাইটের আলোয় গড়াতে শুরু করে দিলে ভয় পেয়ে সব দূরে সরে যেও। তোমার বাড়ি আমার বাড়ি ঢেউএর তলায় সবাই কেবল বালি হয়ে পাড়ছে ক্রমাগত।

ঝাউ তোর আঙ্গুলগুলো এভাবে বাতাসে বাতাসে ক্ষয়ে যেতে যেতে কেবল আঁশটে গন্ধে বেঁচে থাকবে ছোটবেলার ড্রইং খাতা।

আর কত উড়ে যাবি ঝাউ? গ্রহ ও নক্ষত্রের অভিসন্ধি জানার মহাকাশ যান হয়ে ওঠে ঝনক ঝনক ঝাউ, সুই-ই-ই-ই-ই-ই-ই-ই, ঐ দূর বালুতট, ঐ সব চাঁদের কলঙ্ক। সসাগরা সমুদ্রের ফনা হাচড়ায়, পিছুটানে,ধুস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716561 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28716561 2007-06-19 10:13:44
আরেকটু উদার হলে, জাফলং
চট্টগ্রামে কোথাও বা জলের ছোপ মুছে গেল বড় তাড়াতাড়ি। নেহা ধুপিয়ার সংবেদনশীল শরীর তখনও বন্ধ টিভির কাঁচে রেখে গেছে ধুপের গন্ধ। খবর হয়ে ওঠে কিম্বা খাদ্য সেগুলি কুসুমপুর, কম্পাসের কাঁটা বলছে ফান্ড উঠলে জাফলং ঘুরে আসতে পারি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715935 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715935 2007-06-14 13:56:22
মায়াময় ব্লেড ও বনবাসের সিলেট
বেলফুলের গন্ধে স্তিমিত বিকেলে কোন জঙ ধরা ছাদে রঙিন রোদ পড়ে। কম্পাসের মত এদিকে ওদিকে নদী সেইমত ছাদে দোলা শাড়ি আর সারি সারি টব। আর গোল গোল শ্যাওলা-মাটির চাকতি নিয়ে টব হারা ছাদেরা মাথা নত করে মেঘ দেখে প্রমিকার চোখে।

টেলিভিশনে চ্যানেল প্রোমশনের মত ছুটে যাওয়া শাড়ি। অনামিকার সিলেটে এখন কেবল আ্যকাডেমি অব ফাইন আর্টস। নদীতে নৌকো যায়। চৈতন্য লাইব্রেরির তাকে ধুলো জমে জমে বাগবাজারের নরম পলি অজান্তে লেগে থাকে ধরা পড়ার জিনসে। লেক গার্ডেন্সের অটোয় চেপে এমন বাদলা দিনে অনামিকা সিলেটে চলে যায়।

ওহো আহিরিটোলায় রাজশ্রীদের বাড়ির কথাই আমি বলে উঠতে পারিনি। ছাদেতে কাঁচ ঘর। মানুষকে চিরে দেয় রঙিন কাঁচ। সন্ধ্যা মুখার্জির গলায় কেউ একটা গান গাইছিল। ঐন্দ্রিলা একটা ব্লেড দেখায় আমায় আঙ্গুল দিয়ে, সেই ব্লেড তখন উড়ে যাচ্ছিল, ওমন কিছু নদী পেরিয়ে সে কুমোরটুলি ও মতিঝিলের দিকে। সেই ব্লেড আমি মাঝে মাঝে দেখি উড়ে যাচ্ছে।

বাদলা দিনে অটোপোকারা কোনদিকে যে চলে যায়! লেকগার্ডেন্স থেকে সিলেট কতটা রাস্তা কে জানে। শুকনো দিনে অটো পাল্টে পাল্টে গড়িয়া, তারপর শ্মশান, মহা শ্মশান। এই খানে কথিত আছে অনামিকার সন্ন্যাস যাত্রার কথা। ওর ফ্ল্যাটে গ্লুস্টিকে "ভীষন দরকার" আটকে ঘুরতেই দেখি সেই মায়াময় ব্লেড উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে নদীগুলোর উপরদিয়ে, মায়াহীন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715866 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715866 2007-06-13 21:24:52
কোন দিকেতে রই

চিনি কম।


মেযো চ্যানেলের মত। ভায়োলিনে পনিটেলে, কালো সাদা অক্ষরে। সিনেমারা কখন জানি আমার লেবুর খসার মত শোয়ার ঘরের দেওয়াল হয়ে যায়। কেউ কামড়ে খায়, আর ইলিশের ডিমে সিলেটি কায়দায় তারা সব তব্বুর মত হাসে।

ঠান্ডা আম, সুনিপুন তোলা খোসায় আমি গীতা ঘটক ও রণধীর রায়ের মত এক বড় আমবাগান হয়ে উঠি। চা বাগানের মত মুছে যাওয়া কোন সভ্যতা কখনও পেপারওয়েটের মত অকেজো হয়ে ওঠে। তারপর খোলা চুলে জেমসের গানে কথা বসাতে বসাতে সেই সুইমিং পুলটার ধারে আমি হেনরিয়েটাকে দেখি।

আর সাকুরভের সিনেমার নামের মত সাদা কাগজেরা উড়ে যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715733 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715733 2007-06-12 17:45:34
একটু ঝাড়পিট হোক রাস্তা জুড়ে ছেঁড়া সব হাওয়াই চপ্পল।


প্লাস দিয়ে টেনে নিয়ে, ফাঁক করা কাঁটাতার।

ফ্রেমের মাঝে গরুগুলি রচনা লেখার মত।

গুলির শব্দ পেলে তারা কি সুনিপুন ভাবে তার গলে ফিরে আসবে?




রাস্তা। এখন কেউ আর নেই। সন্ধ্যে। হাওয়াই চপ্পলগুলো কেউ কুড়িয়ে নিয়ে যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715389 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28715389 2007-06-10 12:01:25
এখন সিগারেট বড় তাড়াতাড়ি পোড়ে
বড় তাড়া। ফস ফস সাফেল হচ্ছে তাস। চলন্ত বাস থেকে ছুড়ে দেওয়া পয়সা কোথায় গিয়ে পড়ে কে জানে? আর জলতলে পয়সা পড়ে ডুবে যেতে থাকে, প্রবল ঠান্ডা পড়ে। নো স্মোকিং টিং টিং বাতি, কাটাচিহ্ন,শিলাজিতের মিউজিক ভিডিওর মত ধোঁয়া, কড়ি কাঠে দুলে ওঠা চাইনিজ ল্যামপ।

আমি এইসব দেখি, পায়ের ছাপের মত শ্বেত পাথার ফলকে ঢেকে গেল তারাপিঠ আর মাঠেতে কচু পাতায় অজস্র ফড়িং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28714324 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28714324 2007-06-03 18:56:05
প্রচুর গুলির আওয়াজ হল বেড়া আর নেই।

শাড়ির ছেড়া পাড়
কলের মুখে পাইপটা তাই দিয়ে বাঁধা

আর দেওয়ালে পলেস্তারা শব্দ হয়ে
ঝরে পড়ে ঝুর ঝুর বালি।

পাখিরা উড়ে গেল
কোকিলা মাছের ঝাঁক
তত্সমে ফিরে এলে
জলে ভাসে ফুলকাগুলি
সাদা বেলুনের দল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28714018 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28714018 2007-06-02 19:19:34
ছায়া যায় ভেসে : ১০০তম পোষ্ট
ক্রমান্বয়ে লাল বদলায়। টিন্চার আয়োডিনের মত তুলো মেখে ভুত আমাদের মাংস-দেহগুলি। ছায়া দেয় সুরার গেলাসে। দাশরথি রায়ের পাঁচালী ও পমফ্রেট মাছ কিছুটা গল্পকথা গনগনে আঁচ, সাত নদী আর তের সমুদ্দুর পেরিয়ে অর্কিড সকালে টানা চলে বাংলা ব্লগ। মেট্রো রেলের কামরায় অবিরত ভাঙন শব্দ, রক্তকরবীর মত উদ্ধত কাঁটাতার আর কিই বা দিতে পারি।

পিঁপড়েদের মিছিলে খাওয়ারের কণা দেখে দুষ্মণ্তের চিনে ওঠা কোন ঘটনা নয়। শব্দের পাঁচিল, শাড়িতে শাড়িতে ভাঁজ, মেরুদন্ডের উপরে কঙ্কাল, সাজানো বাগানে ছায়া পরে তার। খেলা শেষে আঙুলগুলি ডুবে যাবে বেসনের গোলায়। আলুর চপ ও মুড়ি ভিজে বাতাসে ভারি হলে তেচোখো মাছেরা উঠে আসে পুকুরের কোণায়। ছায়া পড়ে, ছায়া নড়ে, শব্দেরা নড়ে ওঠে, শ্যাওলা রঙা জলের ভিতর। কখনো বা মাছ তারা, বোর্লি, কাজলি, বোয়াল। কখনো বা বটপাতা। ভেসে যাওয়া পিঁপড়ে পাতা ও ব্যাধের গল্পের মত। এইভাবে গড়ে ওঠে একশর খাঁচা।

ছায়া ছায়া ছায়া। পালাবার পথে সূর্য খেলে যায় দু এক রাউন্ড তাস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28712245 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28712245 2007-05-23 22:58:17
আন্দোলন জারী থাক, তৈরি হচ্ছে নতুন ব্লগ আসুন, সকলে আসুন।
গড়ি তুলি সেই দুনিয়া।
লাল চোখ নেই।
সকলের জন্য খাদ্য থাকবে মজুদ।

ঐ দেখা যায় নতুন ব্লগ, আসুন।

আজই কেবল, এই আন্দোলনের শুরু? আমার মনে হয় না।
যে কথা হচ্ছিল...

আজ আর একবার আওয়াজের শুরু। মডারেশন খুব খারাপ কাজ। কেউ কেউ ছেড়ে যাবেন বলেছেন, এবং ছেড়ে যাওয়া সংক্রামক।

ছেড়ে যেতেই তো পারি কিন্তু কেন?


এত পাগলামী নিয়ে কোথা যাই ?


কেমন হবে সেই নতুন বাসা। আনেকেই আনেক কিছু চান। কোন বন্ধু ব্লগারদের চাই। চাই আরো নতুনদের কেমন লেখা, কেমন ডিজাইন,আর কিসের কিসের সুবিধা , চাই ইউনিকোড...

এমন লিস্টি তো অনেক। আপনারা নিচে লিস্টি লিখুন।

আন্দোলন সংগঠিত হলে আমাদের মধ্যের তিন -চার জনে মিলে সহজেই বানিয়ে ফেলবে সেই নতুন বাসা, নতুন ব্লগ।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন :
আমি কিছু কাজ করছি ওয়ার্ডপ্রস মিউ নিয়া। আর কেউ থাকলে আওয়াজ দিয়েন। চিন্তা করতেছি লেখা বাদ দিয়া এইটা আগে ডেভলপ করে নেই!

শোহেইল মতাহির চৌধুরী বলেছেন :

সুমেরু, এতো খুব আনন্দের কথা!
এস. এম মাহবুব মুর্শেদ, অরূপ কামাল, হিমু, হাসান, কনফুসিয়াস; এ কয়জনের নাম বলতে পারি।
নবীন ব্লগারদের মাঝে আরো অনেকেই থাকতে পারেন।
চলুক, শুরু হোক।

এরা সবাই সাইট বানাতে পারবে।
ও হ্যা, ধুসর গোধুলি খুব কাজের ছেলে। কর্মী সে। ও নিশ্চিত সাইট ডেভেলপমেন্টে কাজ করতে পারবে।
মাহবুব মুর্শেদ আর অরূপ কামাল কে টেকনিক্যাল টিম লিডার করে দিলে ১৫ দিনে সাইট চালু হয়ে যাওয়ার কথা।

অমিত ও সুমন চৌধুরী জানিয়েছেন তাদের সন্মতির কথা।
ধন্যবাদ। সকলে দাবী লিপিবদ্ধ করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711673 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711673 2007-05-20 19:08:57
নতুন ব্লগ কেমন হবে ?

...


যেহেতু পোষ্টে কাটুম-কুটুম করেছি। তাই এটা ছোট করে দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711653 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711653 2007-05-20 18:14:22
তুলকালাম

হাঁসেরা নেমে গেল জলে,যখন তারা ছোট ছোট নৌকা হয়, পুকুর তখন বড় হতে হতে সমুদ্দুর হয়ে ওঠে।

কেটলি, ধোঁয়া ফুসফুস। তারপর চা পাতারা কিছুটা ঘুরল, কিছুটা ছুটল, দেখলুম আকাশ ভরা সূর্য তারা আর তার তত্বকথা ছাড়িয়ে আকাশের রঙান্তর।

নরম তালের খলবলে খলবলে শাঁস, ছাড়াতে ছাড়াতে যে বিরক্তির জন্ম,যৌনকামনার ভেতর আর কোন পর্দা যখন চাইনা, যদিও তার আগে জালি জালি ব্যান্ডেজের ভেতর সম্পূর্ণ শরীরটা ফুটে উঠতে থাকে,ভেঙে যাওয়া ও জ্বীবা পড়ে থাকে অবিচল।

আমার ছোটবেলার ঘুড়িগুলি জানি উড়ে গেছে সাত সমুদ্দর পার হয়ে কোন চম্পক নগরীতে, তাদের ভেতরে ছিল বুদ্ধবাবুর অনূদিত বোদলেয়ার আর সাত ঘোড়ায় টানা রথের জিন, তাই তারা কেউ আজ আমার কাছাকাছি নেই, হায় , আমার প্রেমিকারা।

আসলে জীবন কি আন্দোলন? সাইন-কস-কার্ডিওয়েড!
সে এক তুমুল কান্ড বটে, এতকিছু একসাথে ছুটে এলে, টিয়ার গ্যাস, লাঠি, বুলেট- আমরা ছত্রাখ্যান হয়ে পড়ি, এলোমেলো বিছানার চাদর, আলোর ঘুলঘুলি বটপাতারা, ঘুড়ি বাতাস কেটে উড়ে উড়ে চলে যাওয়া সমুদ্দুর পার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711618 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711618 2007-05-20 15:47:45
এবার জন্মদিনে
আরও একটা দিন হাজারিবাগে, এবং নেহাতই জন্মদিন। শ্যুটিং ছিল জোগিডি বলে একটা গ্রামে। কেটে গেল। মহুল গন্ধের বাইরে রোদ্দুরের গনগন আঁচে সারাদিন কেবল কুয়ো থেকে জল তোলাই হল। বিশাল বিশাল কুয়ো আর তার ভিতর ছায়া পড়ে গোটা পৃথিবীর। দূরের পাহাড়েরা কচ্ছপের মত গুটিয়ে থাকে কুয়োর জলে। জোগিডি গ্রামটার লয় নেই ক্ষয় আছে। জাঁকিয়ে বসেছে এচ আই ভি। এইরকমই জনা চল্লিশ বাচ্চার সঙ্গে কেটে গেল দিনটা। বটগাছে সুতো ঘুরিয়ে বটসাবিত্রী পুজো করছিল মহিলারা। এইতো। আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতে চায় সকলেই। কেন যে বয়স বাড়ে।

পাহাড়ের নিচে ছোট ছোট বাচ্চারা নাচল গাইল সন্ধ্যে অব্দি। শ্যুটিং শেষ হলে অনেকক্ষণ শুয়ে রইলাম পাহাড়ের নিচে। আস্তে আস্তে আকাশ ভরে গেল তারায়। আরও একটা দিন কেটে গেল। এবার রাত্রে ফিরে যেতে হয় হাজারিবাগের হোটেলে অথবা পুরনো সব ঘুনধরা গল্পের কাছে। না। এবারে আর হাঁটাহাঁটি করিনি। ক্লান্ত ছিলাম, একসময় ঘুমিয়ে পড়ি। এইতো এভাবেই জন্মদিন কেটে গেল।

সারাদিন মোবাইলে নেটওয়ার্ক ছিল না তাই ফোন টোনও পাইনি। তিনদিন বাদে এইমাত্র বাড়ি ফিরে মেলে দুটো খুচরো উইশ। কাঠমান্ডু থেকে চিত্র সাংবাদিক বন্ধু নীলায়ন একটা ছবি পাঠিয়েছে, সঙ্গে চারলাইনের একটা নোট, ষোল তারিখ মন ভাল ছিল না তাই কাঠমান্ডু থেকে আধ ঘন্টার দূরত্বে ভক্তপুরে পুরনো নেপালি আস্তানায় সে কিভাবে দিনটা কাটাল। ছবিটা রইল এই লেখার সাথে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711320 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711320 2007-05-18 23:54:00
যন্ত্রনার দিনে ও রাতে
Ïপ্রিয় পাঠিকা,

এখনও মাথার ভেতর তীব্র চিত্কার...

জু জু জুম জুম জুম.....

এই ভাবে তীব্র মাথা ব্যথা, যেন প্রতি বৃক্ষমূলে, কিছু যকৃত্ ও অলিন্দ-নিলয় সমূহ,জেগে ওঠ তোপধ্বনী, অখন্ড চরাচর, বাহুমূল টেনে ধরুণ শোকবিহ্বল লতা, মূত্রাশয় সর্বদা অলীক ফোয়ারা, কোন সে মহান শিল্পী, শেষ মালগাড়ি তার জরাকীর্ণ দেহ টেনে টেনে টেনে চলে গেলে কুয়াশা তিমিরে, জেগে ওঠো, আরঙ্গজেব , মাথা তুলে দাঁড়াও পার্থেনিয়াম সেনানীগুচ্ছ, তীব্র যন্ত্রণা সহ...

ঐ দূরে বড়ফ পাহাড় রামধনু, গোড়ালি উঁচিয়ে পড় পরীক্ষার ফল, এই ঘাস ঢেকে যাবে সান্তরার কোমল আলোয়,ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিকে ছাপা হবে, তই যাদি প্রজাপতি হয়ে ওঠো সমস্ত উপত্যকা, পুকুরের তলা থেকে কুড়িয়ে আনা কেশরগুচ্ছ বেটে নাও,কলাপাতা মৃদু-মৃদু দোলে, আলফ্রেড হিচকক টুপি করে নিয়ে আসে একঝাঁক গঙ্গাফড়িং...

… ংমজায় মজায় বেড়ে উঠছেন রবার্ট বেল, তার দস্তানা জুড়ে কিউব, সুবর্ণগোলক, ইলিপসয়েড, শীতের মেলার মাঠ সাবানের ফেনাগুলো অর্ধমৃত, কুঁয়াশা কুঁয়াশায় আলতো ঠোঁটে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে চাঁদ ও সউদাগর, কলম খুললেই ঘন দারুচিনি জঙ্গল, নিশীথ রাত্রি কেবল তোমাকে বলবে যন্ত্রনার কথা, থেমে থাকো পাখাগুলি, রেগুলেটারের কোন ব্যবস্থা নেই, অন্তত এই শীতল প্রবাহে, শিক্ষা শিক্ষা শেষে যখন সম্বল কতিপয় গ্রীটিংস কার্ড, চুপসে যাওয়া স্কেচপেন কালি, তেলচিটে হয়ে যায় কেবল দেওয়াল, ছাত্র-ছাত্রীরা আজো অদ্ভূত ফিসফিসে কথা বলে অমল দেওয়ালে ...

যা উড়ে...

নরম খৈ, বিকেলের রোদ্দুর খোলাচুল বইখাতা, তীব্র লেহনে মিশে যাক গন্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ, তীব্র দহনে জাগো প্রবজ্জা শাষককুল, পুকুরপাড়ে অচেতনে লাল কলাফুলটি, দহন, দহন, দহন দাসত্বে উড়ে যাও উপসর্গগুলি, অক্ষরভিক্ষা সমাপণে এসো শীত এসো, প্রবল প্রবল বেগে উড়ে যাও বুদবুদ ফেনা, ফেলে যাও নীড়, শীত, সাপের খোলস ...

যন্ত্রনার দিনে...

সাপ হয়ে থাকো, গুটিসুটি মেরে, অন্বেষণ অন্বেষণহেতু নাগরদোলা ভোর, করতলে নিয়ে এসো মুক্ত চীনেবাদাম, ঘোর ভোর ঘোরতর যন্ত্রনার সময় এখন, নুব্জপ্রায় দিন, নুব্জ আমলকী গাছটি, ছিন্নভিন্ন শীতলপাটি, উষ্ঞ কম্বল, নবান্নের সময় হয়ে এলো, শব্দ পাও, যন্ত্রনারা প্রবল ...

যন্ত্রনার রাতে ...

রাত বলে কিছু নেই, শব্দ ডুবে যাওয়া জাহাজ এখন, ঘড়ির প্রবল শব্দে, ছুটে যাওয়া উখঞ ইঞ্জিন, যেভাবে ছড়ানো মেঘগুলি, রাতের আতর, শব্দে শব্দে ফোনে ফোনে কেটে যাওয়া প্রহর, রাস্তার ধুলো ও বালি, ভাঙা ডিম সাদা খোলা, পড়ে থাকা চুনগোলা, বালি বালির সয়ে যাওয়া চরাচর ও স্মৃতি, কাতর, জেগে থাকো, প্রহর ও প্রবন্ধময় স্বাদগন্ধহীন তীব্রতর বেগে ছুঁয়ে যাও ধুমকেতু, রেলিংএ ও যন্ত্রনার ছাদে ...

... এইখানে শেষ হোক, আম্রপালীসভা শেষ হও যন্ত্রনা ও ফসিল সময়৷
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711013 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28711013 2007-05-17 10:53:58
আয় তবে উড়ি
এখানে ডাবের জলে ডিজিটাল সাঁস, একতা কাপুরের মতন স্মুথ ঘুম এলে, আমি দুই বেলা সিনেমা ধুয়ে জল খাই।


হাঁসের মাংসের মত ভোদকা গন্ধ নিয়ে আমরা সিনেমা লিখব, আমাদের ওড়াওড়ি বসুন্ধরা সিটি, রবীন্দ্রসদন মেট্রো ষ্টেশনে রাতে মাতাল হলে আমিও গাই গুলজারের রবীন্দ্রসঙ্গীত, রামা হো, হো হো। ঐ যে পুলিশ বাতাসা ঠোলা, তোরাও বলে যা আমার বাপে কবে চাকর হল। বাতাসে সাপেরা বাজে, চল হেঁটে গাঁজা পার্কে, মাসির কাছ থকে আরেকটা বোতল তুলে আনি।

তারপর আমরা উড়ব শহর জুড়ে পুলিশের সিটির মতন, রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেব গুরু সিনেমার নামে, পাবলিকের মার কেওড়া তলা পার...

আমরা বাদুড় হলে,ঢিল ছুড়ে সব কাঁচ ভাঙতে ভাঙতে বলব সিনেমা মাইজি কী জয়..





এইভাবে উড়তে শুরু করলে আমরা থামতে পারি না। কেবল উড়তে থাকি আর মাঝে মাঝে সিনেমা সিনেমা করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710775 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710775 2007-05-15 19:17:49
আমার জঙ্গল জন্ম
ভোর হল। চোখ খুলল। কমলাফুলির টিয়েটা। চারপাশে মহুয়া গন্ধ। পাশের কোয়ার্টারে থাকতে থাকতে সে প্রিয় হয়ে যায়। আমরা কোয়ার্টার ছেড়ে দিলে, বোতোলও প্রিয় হয়, ইয়ে যো মোহাব্বত হ্যায়, না কোন হিন্দী গান , না।

আরে চারপাশে পুটুস। দেখে সর্ষে ক্ষেত বলে মনে হয়? না কিছুই মনে হয় না, কারণ বাগবাজারে ঐন্দ্রিলাদের বাড়ির ছাদের প্রত্যেক জানালাতেই পুটুস। আমাদের বাঁচাবে বলে। তা সেবার বিহার থেকে একটা চিঠিও লিখিনি পুটুসকে, তাতেই ধুন্দুমার।

যাই হোক, গাছের মাঝে বাড়ি ছিল। ন্যাংটো নদীতে স্নান ছিল। বি ই কলেজের কোন এক বৌদি ছিল, যার দরজার সামনে মাঝ রাতে আমরা বাঘের ডাক ডাকতাম। আর তার আগে ও পরে মহুয়া খেতে খেতে আমরা জঙ্গলের এক একটা গাছ হয়ে যেতাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710679 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710679 2007-05-15 09:56:29
প্প্বুপ্প্ব্র... http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710634 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710634 2007-05-15 00:09:57 আমার টাইপিষ্ট অমনি হল গাছ, তুলাইপোনজার মত। এমনভাবে সারাদিনই জল গড়ায়,খুটুর খুটুর উদ্ধার, পায়রার মত অক্ষর উড়ে উড়ে আসে।

লিখতে বসে, গল্পকথায় বোধহয় পিরিত জমে, গল্পও তাই উঠছে জমে, ট্রেন থামেনা ইস্টিশনে, ভোর হয়,ফুল ফোটে, অক্ষরেরা জোটে।

এমনভাবেই উপন্যাস এল নদীর নামায়, পায়রা উড়িয়ে টাইপ করা কে তার থামায়। আলতা বোতল উল্টে গেলে কলাপাতা আনো, ১০৮ দুর্গা লিখতে, টাইপিষ্ট কে জেনো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710092 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710092 2007-05-11 10:25:19
হাতিশালে হাতি জলকে নেমে পড়ে। ছোটবেলা জুড়ে রাধাচুড়া ফুল এক সময় সর্ষের ক্ষেত হয়ে পড়ে,যেন পোষ্টকার্ড ।ভুলভাল ঠিকানায় চলে যাওয়ার আগে,ঐ যে কুরোসাওয়ার কাকেদের মত তারা উড়ে যায়, আমাদের কাকতাড়ুয়ারা বেগুণক্ষেতে বসে দিনক্ষন হিসাব করে নিয়মিত।

সুন্দর কাঠের বাক্সে সাজিয়ে রাখো হাড়। হাতির দাঁতগুলি এই ভাবে একদিন গাছ হবে, কিম্বা তার দাড়ি। বাক্সের জানালা -দরজা হলে তাকে মিউজিয়াম বানিয়ে দেব, সমস্ত বাসের টিকিটগুলি তুলে রাখি, কেবল রুমাল ফেলে আসি সিনেমা হলে।
একদা সেই মিউজিয়ামে আমার বসবাস।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710018 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28710018 2007-05-10 19:38:04
নাই যদি জানলে
কথা, দু:খ। ওমন গুলতির মত সাই করে উড়ে গেলে যদিও বা চৈতন্য হয়।

সকাল থেকে কাঠ ঠোকরা ঠুকে চলেছে তার ঠোঁট, গাছটা বুঝি ভীষণই শক্ত।

প্রশ্নেরা ভেসে যায়, বাসি ফুল, টোপরের ভাঙা শোলা হয়ে। নদীই আশ্রয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28709341 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28709341 2007-05-06 12:05:42
আমার কিছু কথা ছিল- অত:পর মৌসুমী ভৌমিক
তার পর খোঁজ। যশোর রোডের, দ্বিতীয় আ্যলবামটি বাতি নিভিয়ে শুনি, প্রথমটির কথা জানি নাগাল পাইনা। শুনি তার আ্যলবাম বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তিনি থাকেন লন্ডনে, সেখানেই তারেক-ক্যাথরিনা ও যশোর রোড। আমারও এলোমেলো দিন যায়, চিল হওয়া আর হয়ে ওঠে না। চিলেকোঠায় বসে ছবিও আঁকি না।

পরের আ্যলবাম হাতে এল অরূপ সেনগুপ্তের বাড়িতে রিলিজের আগেই। ওর তখনকার বৌ প্রৈতি ছিল মৌসুমীর শান্তিনিকেতনী বন্ধু। টাইমস মিউজিকের কভারের আঁকিবুকিগুলো ওর করা। একএকদিন সন্ধেবেলা অরূপের গ্লফগ্রীনের বাসা থেকে ওর শ্বশুরবাড়ি বিজয়গড়ে যেতাম ওর শ্বশুরের মদে জল মেশানোর জন্য। ডাক্তার তাকে মদ খেতে বারণ করেছেন। তাকে এক গ্লাস জলে একছিপি মদ , যা দশ কুড়ি ফোঁটার বেশি নয়, মিশিয়ে মদ বলে খাওয়ানো হত, আর তিনি তাতে দিব্যি নেশা করতেন, টানটান হয়ে শুয়ে। মাঝে মাঝে ঘুম ভাঙলে তাকে খালি বোতল দেখানো হত। খলি বোতল মজুদ রাখার দরকার হত না, সেটা খালি করার জন্য আমরা ঠিক হাজির হয়ে যেতাম সন্ধেবেলা।

আমার এহেন উপকারপর্ব বেশীদিন চলেনি, আমি কলকাতা ছেড়ে দিল্লী চলে যাওয়ায়। কিন্তু তার আগেই মৌসুমি কলকাতায় চলে এলেন তার কথকতা নিয়ে, পাকাপাকি। আনন্দবাজারের শোভন তরফদারের মতই সেও শিবাজীদাতে অনার্স, ফলে কীর্তন শোনার সুযোগ হল একদিন, তার । অরূপের কাছে শুনেছি যা এতদিন, তার রবীন্দ্রসঙ্গীত, শুনতে পেলাম। যেন,নিজের কথা নিজেই বলে গেল, আমাদের নম্বরই দিল না। না তার লেখা গান, সেদিন শুনিনি সম্ভবত। প্রচুর হাসল টলমল টলমল করে, আর জানলাম তাদের প্রেম পর্বের কথা, ঐ দেখা যায় লন্ডন যেন।


এর মধ্যে অনেক গ্লাসে জল গড়াল। মৌসুমী আলাদা হল, প্রৈতিও আলাদা হল। আরূপের সাথে কোন যোগাযোগ নেই। মৌসুমীর কোন খোঁজ পাই না। ঘরোয়া আসরেই বেশি গান গান। এক গান শুনলে দেখা পাই তার। যেন কাছে বসে আছে, আর হাসছে মিটিমিটি। অদ্ভূত ভাবে টেলিভিশন কোম্পানীদের তাকে না-পসন্দ, গানের অনুষ্ঠানেও তার দেখা পাই না। যেন অদৃশ্য খিটিমিটি আছে ,যেন অভিমান। দশ বছরের সঙ্গী ট্রামকোম্পানীর সেই গিটারিয়াও এখন নেই। মূলত খালি গলায় গান ও ঘুরে বেড়ানো।

কালকের অনুষ্ঠান নিয়ে বেশি কিছু আর লিখব না। সন্দীপনের কলকাতার দিনরাত্রিতে পড়েছি , পোয়েট্রি বাই ক্যান্ডেল-লাইটের কথা, সেই একই হলে আমিও কিছুটা সময় রেখে এলাম, কিছু সময় যেভাবে ইনট্যক্ট থেকে যায়, অমলিন। কখনও দোতারা কখনও খোল। কখন যেন সরোদও শুনলাম। আর কোমল গান্ধারের মত শেখালেন, মা ডাকতে, আবার। ভাল থাকুন মৌসুমী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28709210 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28709210 2007-05-05 12:12:03
মাঝিরে কয় ঘাম বহমান রোদে একঠোঙা চানাচুরের মত কলকাতার ট্যাক্সি
কাল মাঝরাতে তারা ছিল আরশোলা ছারপোকা

বিনদাস, পোষ্টারে ছেয়ে ঢেকে ফুটপাত, খেঁদা আর পেঁচি
মিটমিটে ল্যাম্পের আলোয় যেটুকু আছে রাস্তার তা আলপনা

আজ দুপুরে,
কেবল ঘাম হল।

নদীর হাওয়া, অনেক দূর।
হাতে আব্বাসউদ্দিনও নেই।
টক দই সম্বল, নোনতা ঘাম
আর ট্যক্সির ড্রাইভার পা দুটো জানালার বাইরে ছুড়ে ঘুমায়
ইথিওপিয়ার মত, কোন ট্যক্সিই দুপুর রোদে সিঙ্গি শাবক হয়ে ওঠে না।

রাস্তায় পিচ গলতে থাকে তবু নদী হয়ে ওঠে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28708726 http://www.somewhereinblog.net/blog/karubasonablog/28708726 2007-05-02 17:55:40