somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উদ্বায়ীরা উধাও হও...

সীমার হবে , বুকের পশম নিচ্ছে কেটে_
পাল্টে নেবে মুখের সাঁজ-ও মুখোশ এঁটে ।

শুধরে নিলো জমাট বাঁধা দরদ-স্নেহ,
ভীষণ তাপে গলিয়ে দিয়ে; - ঝাঁঝরা দেহ
পোকায় খাওয়া; হাঁটছে এখন শূণ্য-চোখে,
দানব হবে ; শুষ্ক-কঠোর-রুষ্ঠ-রোখে !

ইতিহাসের ছিঁড়ছে পাতা গ্রন্থ ঘেটে ..
এখন কেবল গর্জ্বে ওঠা ক্রোধে ফেঁটে !

অসম্ভবের শেকড় টেনে উপড়ে ফেলা_
রক্ত-চোখের দৃষ্টি কেড়ে পুতুল খেলা _

লোহার হাতে আগুন জ্বেলে- লালের আভা
আপোষকামীর গলায় ছুড়ে হিংস্র থাবা
সর্বহারার পিঠের কাছে দেয়াল ঠেকা
বিলীন করে হাতের তালুর ভাগ্য-রেখা _

এখন থেকে জীবন-যাপন এসিড গেলা !
থমকে দেবে সকাল-সন্ধ্যা-রাত্রী বেলা !

কোমল আলোর কবর হবে কালের পেটে -
তপ্ত-দুপুর চিড়স্থায়ী রইবে সেঁটে !

অলস ঘুমের আরাম চাঁদর কাফন হবে ,
শয্যাশায়ী এই পৃথিবীর বাইরে রবে !

পাহাড় বেয়ে শ্যাঁওলা জমা পিছল সিঁড়ি
নতুন হবে ; আগুন দেবে অগ্নি-গিরি ।
পাথর গলার এখন সময় লাভার স্রোতে ,
উদ্বায়ীরা উধাও হবে দৃশ্য হতে !!

কে আছো হে - কে আছো হে..জাগবে কবে ?
এই এখনি বদ্ধ করো মুষ্ঠি তবে !

কঠোর পায়ে ক্রুদ্ধ দানব চলছে হেঁটে...
বাগান হতে সব আগাছা ফেলবে ছেঁটে !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28989944 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28989944 2009-08-06 23:11:20
ছাত্রলীগের গান <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
আমরা টেরর আমরা বিগ
আমরা ছাত্রলীগ !
মোদের পায়ের তলায় মুর্ছে স্বদেশ
উর্দ্ধ্বে তুলে মারসি কিক !

আমরা ছাত্রলীগ !!

থাকি; দিন-বা-রাতে অস্ত্র হাতে
পত্রিকা পাতায়,
আমরা শক্তখুলি রক্তে রাঙাই
ক্ষুর-চাপাতির ঘায় !

দিনে দিনে হচ্ছি দানব
ছুটছে সবাই দিগ্বিদিক _

আমরা ছাত্রলীগ !!

মোদের দক্ষতাতে হলগুলোতে
লক্ষপূরন বেশ!
নেত্রীদেবীর আশীর্বাদে
দখলপর্ব শেষ;

আমরা যেমন খুশি করবো তেমন
এই আমাদের সব সঠিক -

আমরা ছাত্রলীগ !!

আমরা ধরতে রাজী, জীবন-বাজী;
চান্দাবাজীর ভাগ_
কেউ খাবে আর কেউ খাবেনা??
ফাটাও ওদের নাক!

সংগে আছে কিরিচ-কুড়াল
রিভলবার আর লোহার শিক !

আমরা ছাত্রলীগ !!

সবাই যখন বুদ্ধি জোগায়
আমরা ধার ধারিনা ,
দেশটা মোদের বাপের তালুক/
পয়সা দিয়ে কিনা!

দারুন রাতের আমরা তরুন
গান্জা টেনে ঢুলছি “হিক” !

আমরা ছাত্রলীগ !!

মোদের চক্ষে ভাসে অস্ত্র-বারুদ
বক্ষ ভরা রাগ
কণ্ঠে মোদের কুন্ঠাবিহিন
“ধর-ধর-ধর” ডাক !

আমরা স্বরাষ্ট্র-“মা”র শ্বেত-কমলের
প্রশ্রয়ে নির্ভিক !

আমরা ছাত্রলীগ!!


ঐ দারুন মারামারির দিনে
আমরা ফাটাই শির
দিনবদলের আমরা সেনা
নতুন শতাব্দীর !

মোদের গৌরবে আজ নেত্রী-মাতা
ত্যজ্য করে দিচ্ছে... ? - দিক !

(তবু) আমরা ছাত্রলীগ !!

নিউ-ভিসনের ডিজিট মোরা
দলের-ভবিষ্যত,
মোদের তান্ডবে আজ দেশের মানুষ
দিচ্ছে নাকে খত ,

তবু মোরা গর্বিত ভাই
আদর্শিত (?) সু-সৈনিক !

আমরা ছাত্রলীগ !!

<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28934839 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28934839 2009-04-07 15:24:04
জ্বলছে জাহাজ . . .

এখন সময় ....
জঙ্গী বিমানের ককপিটে দাঁড়িয়ে আযান দেয়ার !
ঈমানের কেন্দ্রবিন্দু হতে সু-দীপ্ত উচ্চারণ
আল্লাহু-আকবার তাকবীর...
যুগের বিপ্লবী মুয়াজ্জিন ?
অত্যাচারীর জন্য বিভীষিকা-পয়গাম
ঘোষিত হোক !!

আমাদের দরকার
অন্ত:ত কয়েক শ' পারমানবিক বিস্ফোরক
যার দাপটে থরথর কাঁপে
সময়ের নমরুদ আর ফেরাউন;
সদা প্রস্তুত অশ্বারোহী সেনাদল-
সে-তো যুদ্ধাস্ত্রে প্রস্তুতির-ই আহবান ছিলো ...

পিছু হটবার জাহাজ
জ্বালিয়েছিলেন সেনাপতি তারিক ,
এখন আমাদের পালাবার পথ
এমনিতেই রুদ্ধ; দেয়ালে পিঠ ঘষে
তবে কেন ? কেন শয়তানের
টুঁটি চেপে ধরবোনা হিংস্র হুংকাড়ে ?

আমাদের সবগুলো
পরমানু গবেষণাগারে আজ হতে
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামাত হবে ,
তারপর - তারপর যে নরাধমের মুখ হতে
মুসলিম টেররিষ্ট শব্দ উচ্চারিত হবে_
তার কণ্ঠনালীতে এক সাহারা পিপাসা
ঢেলে দেবো আঙুলের তীব্র প্রতিরোধে !!

________________________________
"তাদের বিরুদ্ধে যথাসাধ্য শক্তি সঞ্চয় কর এবং যুদ্ধের জন্য সদাপ্রস্তুত ঘোড়া, যাতে করে তা দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন এবং তোমাদের দুশমনদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে পার; এছাড়াও তাদের মধ্যেও যাদেরকে তোমরা জাননা, কিন্তু আল্লাহ জানেন। আর তোমরা যা কিছুই আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করো তা তোমাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তোমদের প্রতি কোন জুলুম করা হবেনা।" [আল-আনফালঃ ৬০]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28872869 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28872869 2008-11-23 02:37:29
বাঁশের কেল্লার মহানায়ক : শহীদ তীতুমীর
-ছেলেটা হুমহাম তাড়াহুড়া করে ভাত মুখে পুরছিলো । এত তাড়া তার !! মা ধমক দিয়ে ধীরে সুস্থ্যে খেতে বলে , কিন্তু তার মাথায় তখন অন্য চিন্তা । সংগীরা অপেক্ষা করছে ও পাড়ার সুপাড়ী বাগানে । এমন সময় কে একজন দৌড়ে এসে তার কানে কানে খবরটা দিয়ে যায় , মন্ডলদের বাড়ির পেছনে একটা বাঘের বাচ্চা দেখা গেছে । ভাতের থালা থেকে হাত গুটিয়ে উঠে পড়ে সে । কতদিনের শখ- একটা বাঘের বাচ্চা পুষবে ... <img src=" style="border:0;" />

-তীতুমীরের জীবনগাঁথা নিয়ে লেখা কোন এক উপন্যাসের শুরুটা এমন ছিলো । অস্পষ্ট মনে আছে । নাম সম্ভবত "তীতুর লেঠেল " আতা সরকার লেখক ...

-সাইয়্যেদ মীর নীসার আলীর তীতুমীর হবার একটা গল্প-ও আজই শুনলাম । একেবারে ছেলেবেলায় নাকি তিনি রোগা ছিলেন , তাই দাদী গাছের বাকল, লতা, পাতা, শিকড় বেটে তিতা রস বানিয়ে খাওয়াতেন তাকে । অনায়াসে গিলে ফেলতেন তিনি সেই রস । দাদী এখান থেকেই তাকে ডাকতে শুরু করেন তিতা-মীর <img src=" style="border:0;" />

-২৭ জানুয়ারী ১৭৮২ সালে উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের এই মহান যোদ্ধার জন্ম হয় । বাংলা ক্যালেন্ডারের হিসেব অনুযায়ী তারিখটা ১৪ ই মাঘ- ১১৮২ । জন্মস্থান চব্বিশ পরগনার হায়দ্রাবাদ । তীতুমীরের বাবা মীর হাসান আলী এবং মা আবিদা রুকাইয়া খাতুন । তীতুমীর হযরত আলী রা: এর বংশধর । তার পূর্বপুরুষ সৈয়দ শাহাদাত আলী ইসলাম প্রচারোদ্দেশ্যে প্রথম আরব থেকে আসেন । শাহাদাত আলীর পুত্র সাইয়্যেদ আব্দুল্লাহকে জাফরপুরের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেয় দিল্লী প্রশাসন । উনি-ই বিচারকার্যের জন্য "মীর-ইনসাফ" উপাধি পান ....


-১৮ বছর বয়সে কুরআনের হাফেজ হন তীতুমীর । বাংলা - আরবী-ফারসী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করার পাশাপাশি একই সাথে একজন ব্যয়ামবীর পালোয়ান হিসেবে পরিচিত হন বন্ধুমহলে । ইসলামী আইন-বিচারব্যবস্থা - দর্শনশাস্ত্রেও পারঙগমতা অর্জন করেন তিনি ...

-মূলত: ১৮২২ সালে হজ্জ্বে যাওয়ার পর থেকেই তীতুমীরের চিন্তাধারার বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয় । বিশ্বমুসলিমের এই মহাসমাবেশের পর তার সাথে দেখা হয় সৈয়দ আহমেদ ব্রেলভীর সাথে । ১৮২৭ এ তিনি ফিরে আসেন নিজ গ্রামে । শির্ক ও বিদয়াতমুক্ত মুসলিম সমাজ গঠনের দাওয়াতে নেমে পড়েন । মুসলিম সমাজের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার দিকেও মনোযোগ দেন তিনি । তার কাজ শুরু হয় চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলায় ।

-কিছুদিনের মধ্যেই তৎকালীন সৈরাচারী সাম্প্রদায়িক জমিদারশ্রেনীর সাথে তীতুমীরের টক্কর শুরু হয়ে যায় । নানারকম অপমানজনক ট্যাক্স ধার্য করা হচ্ছিলো । মুসলমানদের দাঁড়ি রাখা .. এমনকি মসজিদের ওপর ট্যাক্স ধার্য করে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মদদপুষ্ট অত্যাচারী জমিদার কৃষ্ণদেব রায় । একই সাথে দেবনাথ রায় (গোবরা গোবিন্দপুর) , গৌড়ী প্রসাদ চৌধুরী (নাগপুর), রাজনারায়ণ (তারাকান্দি), কালিপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় (গোবরডাঙ্গা) প্রমুখ হিন্দু জমিদারেরাও সতর্ক হয়ে ওঠে তীতুর আন্দোলনের ব্যাপারে ।

-এসময় তীতুমীর অত্যাচারিত কৃষকদের কে সংগঠিত করে লাঠি-সড়কি জাতীয় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী গড়ে তোলেন । তার ভাগ্নে শহীদ গোলাম মাসুম ছিলেন এই মুজাহিদ বাহিনীর সেনাপতি ।

- জমিদার কৃষ্ণদেব রায় পার্শ্ববর্তী সরফরাজপুরে (বর্তমান নাম - সর্পরাজপুর) শত শত লোক জড় করে লাঠিসোঁটা, ঢাল-তলোয়ার, সড়কিসহ শুক্রবার জুমার নামাজরত অবস্খায় মসজিদ ঘিরে ফেলে এবং মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়। এদিন দু’জন শাহাদত বরণ করেন , আহত হন অসংখ্য । মুসলমানদের মামলায় পুলিশ ঘটনাস্খলে না গিয়ে থানায় বসেই মামলার রিপোর্ট দেয়।

-তিতুমীর তার লোকজন নিয়ে সরফরাজপুর থেকে ১৭ অক্টোবর ১৮৩১ সালে নারকেলবাড়িয়া হিজরত করেন। ২৯ অক্টোবরেই কৃষ্ণদেব নারকেলবাড়িয়া আক্রমণ করে বহু লোক হতাহত করে। ৩০ অক্টোবর এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে গেলে কোনো ফল হলো না। ৬ নভেম্বর কৃষ্ণদেব আবার মুসলমানদের ওপর নারকেলবাড়িয়ায় আক্রমণ করল।

-হিন্দু ও ইংরেজদের যৌথ আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাঁশের মজবুত খুঁটি দিয়ে কেল্লা তৈরী করেন । ইতিহাসে এটা ‘তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা’ নামে পরিচিত।

-শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমঝোতা করার সব উপায় ব্যর্থ হবার পর তীতুমীর বারাসাতে ইংরেজ সরকারের বিপক্ষে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেন । চব্বিশ পরগনার কিছু অংশ , নদীয়া ও ফরিদপুরের একাংশ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন । এটাই বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত হয় । বর্নহিন্দুর অত্যাচারে জর্জরিত অনেক হিন্দু কৃষক ও এ বিদ্রোহে ছিলো । বারাসাত বিদ্রোহে গোবরাগোবিন্দপুরের জমিদার নিহত হয় ।

- বারাসাত বিদ্রোহের পর তীতুমীর উপলদ্ধি করেন ইংরেজদের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত লড়াই আসন্ন । ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী সরকার কর্নেল স্টুয়ার্ডকে সেনাপতি করে একশত ঘোড়া, তিনশত পদাতিক সৈন্য, দু'টি কামানসহ নারকেলবাড়ীয়াতে রওনা করায় ১৩ নভেম্বর। মেজিষ্ট্রেট আলেকজান্ডার নারকেলবাড়ীয়ায় একজন হাবিলদার, একজন জমাদ্দার, পঞ্চাশ জন বন্দুক ও তরবারীধারী সৈন্য নিয়ে নারকেলবাড়িয়ার কাছাকাছি ভাদুড়িয়ায় উপস্খিত হন। পরে বশিরহাটের দারোগা সিপাহী নিয়ে ভাদুড়িয়ায় আলেকজান্ডারের সাথে মিলিত হয়। প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয় মুজাহিদ বাহিনীর সাথে । এতে উভয় পক্ষের লোক হতাহত হয়। যুদ্ধে দারোগা ও একজন জমাদ্দার মুসলমানদের হাতে বন্দী হয়, বারাসাতের জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট মি: আলেকজান্ডার পালিয়ে বেঁচে যান ।



-পরের দিন ১৪-নভেম্বর কর্নেল স্টুয়ার্ডের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনী তিতুমীরের বাঁশের কেল্লার প্রধান দরজায় পৌঁছে । স্টুয়ার্ড পথ প্রদর্শক রামচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাস করলেন, 'এই ব্যক্তিই কি তিতুমীর'? রামচন্দ্র, বলল 'হ্যাঁ, সে নিজেকে তিতু বাদশা বলে প্রচার করে। আপনার আগমনে তারা বাহানা পরিবর্তন করেছে।'

-স্টুয়ার্ড রামচন্দ্রকে বলল, 'তিতুমীরকে বলুন, বড়লাট লর্ড বেন্টিংক-এর পক্ষ থেকে আমি সেনাপতি হিসেবে এসেছি। তিতুমীর যেন আমার কাছে আত্মসমর্পণ করে। তবে উত্তরে সে যা বলবে তা আমাকে হুবহু বলবেন।'

-রামচন্দ্র তিতুমীরকে বলল, 'আপনি কোম্পানী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এখন জপমালা ধারণ করেছেন। আসুন, তরবারী ধারণ করে বাদশার যোগ্য পরিচয় দিন।'

-শুনে সাইয়েদ নিছার আলী তিতুমীর বললেন, 'আমি কোম্পানী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিনি। হিন্দুদের ন্যায় আমরাও কোম্পানী সরকারের প্রজা। জমিদার নীলকরদের অত্যাচার দমন এবং মুসলমান নামধারীদের প্রকৃত মুসলমান বানানোর জন্য সামান্য চেষ্টা করছি মাত্র।'

-তিতুমীরের জবাব শুনে রামচন্দ্র দোভাষী হিসেবে কর্নেল স্টুয়ার্ডকে বলল, 'হুজুর, তিতুমীর আত্মসমর্পণ করবে না, যুদ্ধ করবে। সে বলে, সে তোপ ও গোলাগুলীর তোয়াক্কা করে না। সে আরো বলে, সে তার ক্ষমতাবলে সবাইকে টপ টপ করে গিলে খাবে। সে এই দেশের বাদশা, কোম্পানী আবার কে?'

-দোভাষীর কাজ করতে গিয়ে রামচন্দ্রের বিশ্বাসঘাতকতায় যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো । সুশিক্ষিত ইংরেজ সৈন্য মেজর স্কটের পরিচালনায় ও তাদের ভারী কামানের গুলীর সামনে লাঠি আর সড়কির কৃষকসেনারা দাঁড়িয়ে গেলো । বাঁশের কেল্লা ধ্বসে পড়লো । তিতুমীর ও তার মুজাহিদরা হানাদারবাহিনীর কাছে মাথা নত না করে জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান । ১৯ নভেম্বরে শেষ হয়ে যায় তীতুমীরের প্রতিরোধ । শহীদ হন উপমহাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের এই বীরমুজাহিদ ।

__________________________
যেসব পেইজ দেখে লিখতে গিয়ে কিছুটা গোলমাল হয়েগেছে বলে আমার ধারনা ....
উইকিপিডিয়া | বাংলাপিডিয়া | নয়াদিগন্ত | বিবিসি জরিপ কোথাও খটকা লাগলে এগুলো দেখে নিয়েন ... :-)



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28871190 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28871190 2008-11-19 15:02:15
৬১ কেজি মাটির পিন্ড !!
ওর-ই পাশের রুমে - রশীদের ৫০০৬ এর আদিল ফয়সাল বলতেছিলো ফয়সালের শেষ কথা , "আমাকে নদীতে ফালাই রাখছো ক্যান ? " যন্ত্রণার অসীম সমুদ্রে ডুবে থাকা ফয়সালের মনে হচ্ছিলো তাকে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে !! আদিল স্বান্তনা দিছে , "তোমাকে যেখানেই রাখুক, আমরা আছি, ঠিক ই নিয়ে আসবো "

জানাযার কাতারে দাড়িয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাই পিছনে । বিরাট লম্বা লাইন ধরে ওরা দাঁড়িয়েছে পাঁচ বছরের সহচরকে বিদায় সম্বর্ধনা দেবার জন্য । বুক ঠেলে উঠে আসা কান্নার দমককে ঠেকিয়ে রেখে খেয়াল করি, ক্লান্ত-শ্রান্ত মুখগুলো কেমন বিস্মিত হয়ে কেবলি ফিসফিস করছে । প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ টুকুই তো ছিলো ফয়সালের জন্য , মাথার ওপরে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলি, আল্লাহ, তুমি নিয়েই গেলে ওকে ...

নতুন জামা পড়েও মন খারাপ করে আছি কেন ? এ ছিলো ওর অভিযোগ ! ওর সাথে প্রথম কথা !

ওরা ধরাধরি করে গাড়ি থেকে নামিয়েছে ফয়সালকে , চিড়চেনা হাসিমুখের ফয়সাল শাদা কাফনে জড়ানো জড়পিন্ড হয়ে গেছে । অবিশ্বাসী চোখে দেখি সে অদ্ভূত দৃশ্য ! ওকে নামাতে নামাতে মাটির সাথেই রেখে দিলো একেবারে । ইমামসাহেব জানাযার ৪ তাকবীরের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন , আমি ঘোর নিয়ে তাকিয়ে আছি শুয়ে থাকা ফয়সালের দিকে ...

কত অসহায় যে নিজেকে লাগছিলো .. ছন্নছাড়া ভাবনা হানা দেয় মনে , কিছুদিন আগে জিমনেশিয়ামে ওয়েট মাপছিলাম, খোলা মাঠে আকাশের নীচে দাড়িয়ে মনে হলো এই অনন্ত মহাবিশ্বে একষট্টি কেজি ওজনের এই মাটির বস্তুটুকু আমি ... আমার কি মূল্য - আমাকে যেকোন মুহুর্তে নাই করে দিলে কার কি আসে যায় !! অথবা আমি থাকলেই বা কি আসে যায় ...

স্রষ্টা এই আমি-মানুষকেই এতটা গুরুত্ব দেন , এত আলাদা সব ব্যবস্থা করে রাখেন, এত খেয়াল রাখেন , আমি যেন তার পছন্দের পথের একটু বাইরেও না সরে যাই, সেটুকু নিশ্চিত করতেও তার কত আয়োজন... অদ্ভূত লাগে ... ছন্নছাড়া লাইন মনে খেলা করে, আমার জন্য যে এক ফোঁটা চোখের জল ফেললো, তার জন্য জনম জনম কাঁদিবো ...

আমার স্রষ্টা তুচ্ছ এই আমিকে নিয়ে এত ভেবেছেন , মনে হতেই অন্যরকম অনুভূতি আসে ...

ফয়সালের প‌্যারালাইজড বাবা, ওর মা.... তখনো হয়তো জানেন না ও আর নেই !! মাকে জানানোই হয়নি যে ওর অবস্থা এতটা খারাপ । সামান্য আহত ফয়সাল খুব শিঘ্রী সুস্থ্য হয়ে যাবে , সেরকমই আশা নিয়ে পথ চেয়ে ছিলেন তিনি ... আবার ভাবি, ওর বোনটির কথা ! মেডিকেল পড়ে ডাক্তার হবে ... পৃথিবীর শেষদিনটি পর্যন্ত কি সে ভুলতে পারবে প্রিয় ভাইয়ার হারিয়ে যাওয়ার এই শোক .. যে ভাইয়াটা ওরই জন্য - কঠিন ভর্তিপরীক্ষার দিনটিতে সাহস জোগানোর-ভরসা দেয়ার জন্য এসে এভাবে একেবারে চলে গেলো ...


কুল্লু নাফসিন যায়িক্বাতুল মাউতি, ওয়া নাবলুওয়াকুম বিশশাররি ওয়াল খাইরি ফিতনাতান ওয়া ইলাইনা তুরজায়ূন !! প্রত্যেক জীবকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে , আর আমরা ভালো ও মন্দ অবস্থায় ফেলে তোমাদের সকলকে পরীক্ষা করছি । শেষ পর্যন্ত তোমাদের সকলকেই আমাদের দিকেই আসতে হবে ....

আল্লাহ , কেমন তোমার দেয়া সেই মৃত্যুর স্বাদ ... খুব ভয় লাগে ...

প্রিয় ফয়সাল - নামাজী ফয়সাল অনেক কষ্ট করে আমাদের থেকে চলে গেলো , আল্লাহ, তুমি এবার তাকে পুরোপুরি শান্তির একটা আবাস দিও ....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28869699 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28869699 2008-11-16 10:50:10
সোহেলের টিউশানি .. ..
-বাংলা ?
-৮৬
- ম্যাথ ?
-৯৮
-হায়ার ম্যাথ ?
-৯৯
-ফিজিক্স ?
-৮৮ ..... ডট ডট....

পরদিন বিকেলে সোহেল ক্রিকেট খেলতে মাঠে যাইতেছিলো । রাস্তা পার হবার সময় দেখা ইছুপ ছারের সাথে ।

ছার বল্লেন ,

- সোহেল , আমার ছেলেটারে তুই একটু পড়া !

সোহেল ; "না ছার" , বলে নিজের হাত মুচড়াতে লাগলো "আমি কি পড়াইবো, আমি পড়াইতে পারিনা" ... লাজুক সোহেল সংকোচে অর্ধেক হয়ে গেলো ।

এটা কিভাবে সম্ভব, সে কাউকে পড়াবে ? কখন পড়াবে ? কিভাবে পড়াবে ? বিকেল বেলা হলো ধুন্দুমার ক্রিকেট খেলার টাইম । সন্ধ্যার পরে খেলার মাঠের সুখ-দু:খের স্মৃতিচারণ !! কোনদিন কাউকে পড়ানোর অভিজ্ঞতা তার নাই ! তাছাড়া, ইছুপ ছারের ছেলে মেহদীর সাথেও তার কোনদিন তেমন কোন কথা হয় নাই । যেটুকুন হয়েছে, নিতান্তই চোখের পাতায় অস্বস্তি জাগানো দ্রুতরিদমের সালাম বিনিময় !

"পড়ানা একটু.. সম্মানী পাবি.. "

কান ঝাঁ করে ওঠে সোহেলের । মাটির দিকে তাকিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল দিয়ে রাস্তার খোয়া খুঁচাতে থাকে ! বুঝতেই পারেনি সেদিন সোহেল স্যারের কথা । "নাহ, ছার", বলে আবার ফ্যালফ্যালে হাসি হাসে বিব্রত সোহেল !


৫৫০০ টাকা কোচিং ফি আর অতিরিক্ত ছিলো ১৭০০ টাকা । একমাসের খরচ । গুনে গুনে বুঝিয়ে দিছিলো সোহেলের মা ।

সাকিব ভাই ই প্রথম একটা টিউশনি দিছিলেন । সোহেল জিজ্ঞেস করছিলো, সপ্তায় কয়দিন পড়াইতে হৈবে । ভ্রু কুঁচকে সাকিব ভাই জবাব দিছিলো, আটদিন । মাসে ৩২ দিন পড়িয়ে ৫০০ টাকা হাতে নেবার চাকুরী সোহেল এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দিলো ! ওর প্রথম ছাত্র মুন্তাসির বেশ মন খারাপ করেই মেস থেকে ফিরে গেলো সেদিন...


ভার্সিটিতে ভর্তির পর সুদুর মুগদায় সোহেলের দ্বিতীয় টিউশানি ! চার চারে ষোল দিন পড়াতে হবে ক্লাশ ফাইভের ছাত্রকে । টাকা পাবে ২০০০ ! তিনদিনে সোহেলের খরচ হলো পঁচাত্তর টাকা । "স্যার, আম্মু হামিদ আঙ্কেলের সাথে কথা বলতে বলেছে " - ছাত্রটি একথা বলার পরই সোহেলের মনে পড়লো, সে যেসব টেন্স আর পাষ্র্ট পার্টিসিপল শিখাইছিলো ছাত্ররে, তার কয়েকটাতে কোন পন্ডিতের কলমের খোচা , ভুল বলে চিহ্নিত করেছে...


এরপর বেশ কিছুদিন পুরোপুরি ছন্নছাড়া দিন কেটেছে সোহেলের । বাবা রুমমেটের ফোনে কল দিলেই জিজ্ঞেস করেন, "আব্বা টাকা লাগবে ? টাকা লাগলেই বলবি, সেলিমের কাছে পাঠিয়ে দেবো... " সোহেল বলে, "নাহ টাকা আছে"... তবুও কয়দিন পরপরই সেলিম চাচার বাসা থেকে ফোন পায় ও, "তোর আব্বা টাকা পাঠাইছে , নিয়া যা..."


ভোরে নাস্তা না করার অভ্যাসটা সোহেল রপ্ত করে এসময়ে । বিকেলটা এমনিতেই অভ্যাস হয়ে যায়... নাস্তা করার কথা মনেও পড়েনা..


বহুদিন পর, উত্তরা সাত নম্বরের একটা বাসার ঠিকানা হাতে পায় সোহেল । তিন দিন - ৩৫০০ টাকা । বেশ চমৎকার মাসখানেক পড়ায় সে । ছেলেটা মামার বাসায় থাকে । বাবা - মা চিটাগঙে.. কয়েকদিন পরে মামুন সোহেলের হাতে খুচরা মাসের ১২০০ টাকা দিয়ে বলে, স্যার, ব্যাচে পড়বো.. এভাবে পড়ে টাইম ম্যানেজ করা যাচ্ছেনা...


এবার ক্লাশমেট সুজিত নিয়ে গেলো সাথে করে । পুরোনো ঢাকার ঠাঁটারীবাজারে বাসা । এত চমৎকার .. খুব পছন্দ হলো সোহেলের । পড়ানো শুরুর সপ্তাহের মধ্যেই ছাত্রের পরীক্ষা শুরু । এবং সেই পরীক্ষায় ইংরেজী ও ম্যাথ, দুটোতেই খুব খারাপ ফলাফল । ছাত্রের বাবা আমিনুর রশীদ সোহেলকে বললেন, স্যার , আপনাকে আরেকটু কঠোর হতে হবে । আপনি না পারলে আমাকে বলবেন, পিটিয়ে চামড়া তুলে নেবো.. তাজ্জব সোহেল কয়েকদিন বেশ চোখ গরম রেখে পড়িয়ে গেলো ছাত্রকে .. স্ট্যান্ডার্ড ফোরের হিমেল ছেলেটা ফ্যাচফ্যাচ করে কাঁদলো-ও কয়েকবার সোহেলের ধমক খেয়ে ! একমাস এক সপ্তাহ পরে একদিন হিমেলের মা বললেন, স্যার ছেলেটা পড়তে চায় না । পড়ে আবার কখনো ঠিক হয়ে গেলে আপনাকে খবর দেবো... বড়ৈ আফসুস হলো সোহেলের...


ইশকুল জীবনের খাইরুলের ফোন এলো একটা একদিন । একেবারে নাকের ডগায় একটা ছেলেকে পড়াতে হবে । সোহেল হেঁটে যায় হেঁটে আসে... রিক্সা ভাড়াও লাগেনা । কী মজার টিউশানি । মাত্র নয়দিন পড়িয়ে মাস পাড় করে ৩৫০০ টাকা হাতে নিয়ে বেশ পুলক অনুভব করে ও । ... এরমধ্যে এক বন্ধে বাড়ি থেকে ফিরে এসে কয়েকদিন ফোন অফ করে ঘোরাফেরার পর ছাত্রটি এসে হাজির হয় ওর রুমে । বেশ আলাপে ছেলেটা কত কথা বলে ... তারপর আরো বলে, সপ্তাহে তিনদিন পড়ে সে কিছুতেই সিলেবাস কাভার করতে পারছে না । তাই, রাহাত ভাইকে বলে অন্য ইউনির দু'জন টিচার রাখার ব্যবস্থা করে দিয়েছে ওর বড় ভাইয়া । খুব বিনয়ী হয়ে বলে, "ছার, আমার তো মনে করেন, বাবার এত টাকাও নাই যে.. .. .. ."


বড়ৈ আমোদের ব্যাপার সোহেলের জন্য । সেদিন রাত্রেই একটা টিউশানি পেয়ে যায় ও... এবার গুলশান.. এতদিন ঢাকায় থেকেও এর আগে ও কখনো গুলশান যায় নি । এতদিনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংকের টিউশনি এটা । শেহাব ভাই বলেছেন, ছয় হাজারের কথাই বলছি সোহেল, তুমি ভেবে দেখো...

সোহেল ভাবাভাবি অনেক আগেই বাদ দিয়েছে ... টিউশনির প্রসংগ উঠলে সে একটা কথাই ভাবে...

ইছুপ ছারের কথা ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28856214 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28856214 2008-10-18 01:44:40
প্রিয়- ঈদ শুভেচ্ছা নি-ও... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ঈদ মুবারাক-ঈ-দ
মলিন-মুখী খুকীর মনে
জমাট বাঁধা জিদ ।।

চোকখু ফোলা ফোলা..
বাবার দেয়া জরীর জামা
দেয়না মনে দোলা !

'একটু হাসো খুকু '
নওল মামা দেয় উপদেশ
ঈদের সময়টুকু-

আনন্দে রও মেতে তুমি ,
পারবে যত খেতে তুমি ,
খেও ঈদের মিষ্টি...
সালাম দিও
আজকে ঘরে, আসবে অনেক ইষ্টি ।।

আম্মু আসেন এবার -
কিন্তু খুকী, ঠোঁট বাকিয়ে
বলছে , "নেভার.. নেভার.. " !!

সেমাই-পায়েশ-মিষ্টি __
রইলো পড়ে ; খুকুর মনে
দুখের মুষল-বিষ্টি !

ছোট্ট চাচু এসে ,
নাকের ডগায় আঙুল ঠুকে
নিজেই দিল হেসে !

খুকির মুখে তালা ;
কয়না কথা - ব্যর্থ হলো
মান ভাঙানোর পালা ।

কী জানি কি ভুল হয়েছে ..
অনেক না; এক-চুল হয়েছে..
তাতেই এমন গোমড়া_
গুমোট মনে আনন্দ নেই
ব্যথার কাজল-ভোমরা !


এমন সময় ভাইয়া ,
কোত্থেকে যে আসলো ছুটে
এহেন খবর পাইয়া !

খুকুর হাতের মুঠোয় _
হাত বুলিয়ে, বকুল তলে
চললো হেঁটে দু'টোয় ।

"কী হয়েছে আপুনি ?"
কোমল স্বরে শুধায় তারে,
খুকুর কন্ঠে কাঁপুনি ;

অনেক ভেবে চিন্তে -
বলল শেষে, কিনতে হবে
জরীর জামা তিনটে !!

ভাইয়া ভ্রু কুঁচকে,
চোখে হাসির ঝিলিক দিয়ে
বললো , ও-রে পুঁচকে ,

জানিসনে তুই বুঝি ;
চাচ্চু-মামা-দাদুর ঘরে
চল-তো গিয়ে খুঁজি !!

দু’জনে যায় আবার ঘরে..
শোবার ঘরে- খাবার ঘরে..
করছে খোঁজার ভান..
ফিচলে হাসি ভাইয়া হাসে
টইটম্বুর প্রান !!


তিনটে রঙীন জা-মা ,
গোপন ছিলো চমক দিতে
প্লান করেছে মামা !

খুকী ছুটে বাইরে...
আসমানীরা গরীব বড়
ঈদের জামা নাই-রে !

আম্মু-চাচু-ভাইয়া ,
আব্বু এবং মামার সাথে
দাদু-ও দেখে চাইয়া ,


তাদের যে এক খুকী ছিলো ,
মুখটা চন্দ্র-মুখী ছিলো ;
সেই খুকীটা অবলীলায়,
ঈদের জামা দিচ্ছে বিলায়’
কেমন খুশি মনে___
হেসে হেসে কইছে কথা
গরীব সখীর সনে !!

হেসেই সবে শেষ
ঈদের খুশি পূর্ণ হলো
মধুর পরিবেশ ।।

<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28848881 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28848881 2008-09-28 11:36:40
স্বপ্ন-টপ্ন
মাঝে মাঝে আমি নিজেই স্বপ্নের মানে বুঝে ফেলি । সেবারের স্বপ্নটা ছিলো এরকম ,

মোটা মোটা ইলেকট্রিক তারের মাঝে জড়িয়ে পড়ছি । শক লাগছে না, তবে অনুভব করতে পারছি, খুব বিপদের মাঝে জড়ায় পড়ছি । সাবধানে বের হয়ে আসতে হবে.. কিন্তু কিছুতেই বেরুতে পারছিনা । মন বলছে বেরুনোর চেষ্টা করলেই স্পার্ক হবে...

এটা আমার মনে থাকা অন্যতম সেরা স্বপ্ন ! সকালে ঘুম ভাংতেই প্রচন্ড মন খারপ হলো.. কাগজে লিখে রাখলাম বিবরনটা-যতখানি মনে থাকে .. এর মাত্র কয়েকদিন পর জীবনের প্রথম টাইফয়েডে যেদিন পড়লাম....বলিনি কাউকে, কিন্তু ওই স্বপ্নটার বাস্তবায়ন বলেই মনে হয়েছিলো সেটা...:-*

স্বপ্নের কথা লিখতে গিয়ে অতি শৈশবের একটা স্বপ্নের কথা মনে পড়ে... সকালে ঘুমভাঙা বিছানায় চিত হয়ে চিল্লায়ে কানতেছি... কারন স্বপ্নের বিস্কুটে কামড় দেয়ার আগের মুহূর্তে স্বপ্ন গেছে ভেংগে ....

স্বপ্নের রেশ কতক্ষণ থাকে ? খুব বেশি সময় না ! জড়ানো চোখ নিয়ে যেটাকে অতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়, মনে হয় সারাদিন এটা নিয়ে ভেবে পার করে দেয়া যাবে, হাত মুখ ধুয়ে এসে বসতে বসতে সেটা অর্থহীন ফালতু মনে হয় । এজন্য মাঝে কিছুদিন কাগজে লিখে রাখছিলাম কয়েকটা স্বপ্ন । কারন , সা-ধা-র-ন-ত দু:স্বপ্ন আমি দেখিনা - স্বপ্ন নিয়ে ভাবতে মজা লাগে তাই । কিন্তু লিখে না রাখলে পুরো ব্যাপারটাই যায় বিকৃত হয়ে ...


bibek has gone through his best dream, yester-night (!).. what a dream !! everything favorite was present there... <img src=" style="border:0;" /> and he was controlling the sequences.. <img src=" style="border:0;" />.

যে স্বপ্নটা আজ মাথার মধ্যে সারিন্দা বাজাচ্ছে, সেটা লিখে ফেলার লোভ সামলাতে পারিনি । কিন্তু লিখতে গিয়ে আজাইরা কত কথা বলতে বলতে মোটামুটি ভুলে যেতে বসেছি ...

গুছিয়ে লিখতে পারবো বলে মনে হচ্ছে না । কি কি ঘটলো, আপাতত সেটা তুলে রাখি ..

১. কোন একটা অফিসে (নামটা মনে আচে, তবে বলবো না) সারাদিন কাজ করেছি । কি কাজ ঠিক মনে নেই । সম্ভবত টিচার টাইপ ! তবে কাজটা আমার খুব পছন্দের ছিলো + প্রচুর পরিশ্রমের ছিলো । কেন যেন সেটা খুব আনন্দের সাথে করেছি । এটুকুন সময়ে যা ভাবিনি, কাজ শেষ হলে সেটা পেলাম । মানে আমার পকেট ভরে টাকা দেয়া হলো <img src=" style="border:0;" /> আরেকজন দেখি ঝগড়া করছে, টাকার পরিমান নিয়ে । আরো বেশি নাকি দেয়ার কথা । অবাক আমিও তার সাথে গলা (?) মেলাই ...

২. কাজ করাকালীন সময়ে মূল ঘটনার বাইরে আরো কিছু ঘটছে । একটা ছেলেকে আরেকটা ছেলে পেটালো... ইট ছুড়ে মারলো মাথায়... <img src=" style="border:0;" />

৩. পকেট ভরা টাকা খুব উৎসাহের সাথে অনুভব করতেছিলাম । রিক্সা নিয়ে আমার ঠিকানায় পৌছুলাম । উমম... মনে পড়ছে .. বাজারে ছিলাম কিছুক্ষণ । ভাবছিলাম গোল মাছটা রূপচাঁদা মাছ । মাছওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম, ভয়ে ভয়ে , দাম বলা যাবে না, তাইনা ? <img src=" style="border:0;" /> মনে হচ্ছিলো অনেক দাম হবে.. এরমধ্যে রূপঁচাদা হয়ে গেলো গোল ফুটবলের মত কোন ইলিশ মাছ থেকে কেটে নেয়া একটা টুকরো । দাম চাইলো ৪০০ টাকা (পষ্ট মনে আছে) আমি বলছি ৩০০ । এক কথায় দিয়ে দিলো মাছটা । দু:খ লাগলো একটু । বিনাবাক্যে দিয়ে দেয়া মানেই আমি অনেকখানি ঠকেছি ...<img src=" style="border:0;" />

৪. হলের বারান্দায় ছিলাম । খেয়াল করলাম, নিচে বেশ হইচই হচ্ছে ... আরেকটু লক্ষ্য করতেই বোঝা গেলো, আমি আজ যেখানে কাজ করেছি, আরো কিছু ছেলে সেখান থেকে কাজ করে টাকাপয়সা নিয়ে আসছে । সেটা নিয়ে কি যেন ঝামেলা হইসে <img src=" style="border:0;" />

৪. দেখতে দেখতে বিরাট গন্ডগোল বেধে গেলো <img src=" style="border:0;" /> একপক্ষ চলে এলো আমার রুমে । খুব বিরক্ত লাগছিলো । চেনামুখ এবং অপছন্দের ... কিন্তু সাহস হচ্ছিলো না কিছু বলার ... এরমধ্যে আমার রুমটা পরিবর্তিত হয়ে গেছে । মনে হচ্ছে এটা কোন বাসা যার ৪ টা আলাদা আলাদা রুম আছে । ভেতরের রুমে আমি ও আমার কোন বন্ধুকে ঠেলে দিয়ে ওরা বাইরের রুম নিয়ে নিলো । মারামারি টাইপের কিছু হবে...

৫. প্রতিবাদ না করে পারা গেল না এবং মুহুর্তেই প্রচন্ড বিপদে পড়ে গেলাম । অতি আপনজন কেউ (মনে করি, তার নাম খ ) ঘুমিয়ে আছে । ওদের টার্গেট তাকে আক্রমন করা । রূখে দাড়ালাম । আমাকে টান মেরে ওই একই রুমে বন্দী করে ফেলল । ভয় দেখালো । উপায়ান্তর না দেখে দরজা ধরে হ্যাচকা টানে খুলে ফেল্লাম (আজকের স্বপ্নের বৈশিষ্ট্য হলো, সাপ তাড়া করলেও দৌড়াতে পেরেছি , স্বপ্নের মধ্যে এর চেয়ে মজার ব্যাপার আর নেই )

৬. আঘাত এলো, বুক পেতে নিলাম <img src=" style="border:0;" /> মন বলছে, খ বুঝতে পেরেছে, তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আমি কি করছি । সে খুব কৃতজ্ঞ... <img src=" style="border:0;" />

৭. খ কে কাধের ওপর তুলে নিয়ে দরজার বাইরে চলে এলাম । দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে খ অজ্ঞান । এখানেও সুখের ব্যাপার হলো, পকেট ভর্তি টাকাটা তখনো রয়ে গেছে <img src=" style="border:0;" /> মেডিকেলের দিকেই আপাত গন্তব্য । আবার রিক্সা । এমন রিক্সা, গিয়ার অলা সাইকেলের মত যার চেইন বাড়ানো কমানো যায় । স্পিড খুব <img src=" style="border:0;" /> কিছুদুর গিয়েই বুঝতে পারলাম, ওরা ফলো করছে আমাকে :-* তাই ওই মেডিকেলের টার্গেট চেন্জ করে আরেকটার দিকে ছুটলাম । মানে রিক্সাতেই...

৮. প্রচন্ড কুয়াশায় ঘেরা চারিদিক । ধুষর এবং শান্ত এবং কেমন একটা এবড়ো থেবড়ো মেঠো পথে ধীর গতিতে চলছে রিক্সাটা । দুপাশে লাউয়ের মাচার মত অস্পষ্ট কিছুর অস্তিত্ব ! খ এর জ্ঞান ফিরেছে । বুঝতে পারছি, খ আমার পাশে বসে আছে... আবার অনুভব করতেছি, খ কে কাঁধে তুলে সেই যে বেরিয়েছিলাম, এখনো ওখানেই রয়ে গেছে । আস্তে করে কাঁধ থেকে খ কে নামিয়ে খ এর কাছেই ফেরত দিয়ে বল্লাম, দেখোতো, ঠিক আছে কিনা ? এটা তোমার... <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28845655 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28845655 2008-09-20 12:55:06
Opera ব্রাউজারে এখন শুধু স্পাইরোগ্রাফ আঁকি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> ফায়ারফক্স দ্যা বেষ্ট...

বলা যায় নেট ব্যবহারের শুরু থেকেই অপেরার ভক্ত ছিলাম । মুল কারন হোমপেইজে স্পিড ডায়াল নামে ৯ টা ওয়েবসাইটের প্রিভিউ সহ সেইভ করে রাখার সুবিধা । আরেকটি কারন হলো যে কোন ওয়েবের লিঙ্ক আইকন এড্রেসবারে সেইভ করে রাখা যায় । মাউস দিয়ে ধরে টেনে নিয়ে বসিয়ে দেয়া.. <img src=" style="border:0;" />

ফায়ারফক্সের চেয়েও অপেরা অনেক ভালো, এটা নিয়ে তর্ক করেছি আইটি স্পেশালিষ্টদের সাথেও <img src=" style="border:0;" /> কেন যেন মনে হতো, ফায়াফক্সে একেবারেই স্পিড পাওয়া যায় না । অপেরায় দুর্দান্ত স্পিড । একে একে সবগুলো ভুল ই ভাংলো ।

যারা এখোনো জানেন না, তাদের জন্য দুটা এডঅনের সন্ধান দিচ্ছি...

১. ফাষ্র্ট ডায়াল

- এটা হলো অপেরার স্পিড ডায়ালের বাবা <img src=" style="border:0;" /> ইন্সটল করার পর ফায়ারফক্সের টুলস => এ্যাড অনস থেকে ফাষ্র্টডায়াল খুজে নিয়ে অপশনস থেকে থাম্বনাইল কোয়ান্টিটি বাড়িয়ে নেন প্রয়োজনমত । আমি এখন পর্যন্ত ৬ x ৪ চব্বিশ টা করেছি । বুঝতেই পারছেন, কেন অপেরাকে ভুয়া বলার পর্যায়ে চলে গেছি ... ওখানে লিমিট মাত্র ৯ টা ...

২. স্মার্ট বুকমার্কস বার

- অপেরা থেকে দ্বিতীয় যে সুবিধাটা পেতাম, সেটা ভ্যালুলেস করে দিলো এই এ্যাডঅন টা । টুলবার হিসেবে বুকমার্কস বার হয়তো ডিফল্ট হিসেবেই ফায়রফক্সে থাকে । সেখানে কোন ওয়েব লিংক এ্যাড করতে চাইলে ওটার ওপর রাইট ক্লিক করে New Bookmark দিলে ওয়েবের নেইম আর লোকেশন দিয়ে সেইভ করা যায় । কিন্তু সমস্যা হলো আইকনের সাথে নামটাও বারের মধ্যেই থেকে যায় । তাই খুব বেশি সাইটের এ্যাড্রেস একবারে দেখা যায় না । স্মার্ট বার এ্যাডঅনের অপশনস থেকে বুকমার্ক বারকে অটোহাইড করা যাবে । মাউস ধরলেই ওপেন - কার্সর সরিয়ে নিলে হিডেন.. একই সাথে শুধু আইকনগুলো ভিজিবল - ওয়েবের নাম, মাউস উপরে ধরলেই শো করবে... আনডু ক্লোজড ট্যাব...

টুলবার বাটন




৪. অপেরা স্পাইরোগ্রাফ

ছোটবেলায় মেলা থেকে কিনেছিলাম স্পাইরোগ্রাফ আঁকার টুল <img src=" style="border:0;" /> এটার নাম যে স্পাইরোগ্রাফ তা অবশ্য জানতাম না । অপেরা উইজেটে খুজে পেলাম জিনিসটা । বেশ মজার...

মেনুবার থেকে Widget => add widget এ ক্লিক করলে পেইজটা ওপেন হবে .. এখানে নিচের সারির দ্বিতীয়টা হলো স্পাইরোগ্রাফ .. Launch করেন.. এ্যাড হয়ে যাবে... এরপর ইউজেটস মেনু থেকে ওপেন করে স্পাইরোগ্রাফ আঁকতে পারবেন...



ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর টিপ্স কম্পিউটার গ্রুপ থেকে দেখে নিন... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28838562 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28838562 2008-09-04 07:49:43
রো-জা-দা-র.... :-||

প্রথম যখন রোজা রাখার অভিজ্ঞতা শুরু হলো, তখন ছিলো আমার ক্রিকেটবেলা । দা' দিয়ে বানানো কাঠের এবরো-থেবরো ব্যাট আর ন্যাড়া টেনিস বল নিয়ে সারাদিন কেটে যেতো খুব দ্রুত ।

অনেক ছোট ছিলাম । ৮ কি ৯ বছর বয়স । শুরুটা পুরো ত্রিশ দিয়েই হয়েছিলো । মানে প্রথমবার থেকেই পূর্ণমাসব্যাপী সবগুলো রোজা রাখতে পেরেছিলাম <img src=" style="border:0;" /> সমবয়সী আরো কয়েকজন থাকায় ব্যাপারটা ছিলো জেদের মত । কেউ রোজা ভাঙলো তো সে হেরে গেলো ...

সেহরী খাওয়াটা খুব ঝামেলার ব্যাপার ছিলো । সেহরী না খেয়ে যে দু'চার দিন রোজা রেখেছি, সেগুলো বেশি আরামের ছিলো <img src=" style="border:0;" /> সকালে ডাকতে ডাকতে আম্মার খবর হয়ে যেতো ... খাবার পরে নামাজ ...

কিছুটা বড় হবার পর, সকালে ছয় সাত জনের শুরু হতো দৌড় । ব্যায়াম করতে যাওয়া... হালকা চালে দুলতে দুলতে দৌড়িয়ে এয়াপোর্টের হলদে আলোর ল্যাম্পপোষ্টগুলো পর্যন্ত গিয়ে আবার ফিরে আসা ... রোজার সময়েই কেন যেন এই অতিরিক্ত পরিশ্রম করার জোশটা সবার মধ্যে উদয় হতো .. যত্তসব!!

আলো ফুটলেই প্রথমে বাড়ির উঠোনে শুরু হতো ক্রিকেট ... ক্রিকেট শেষ হলে সাতচারা বা জামরুল গাছের হেলানো ডালটায় গিয়ে ঝাপাঝাপি... বিকেলে মাঠে গিয়ে বড়মাপের ম্যাচ জমতো <img src=" style="border:0;" />

প্রথমদিনের রোজাটা একটু কষ্টের ছিলো । বিকেলের দিকে বেশ কাহিল হয়ে পড়তো পোলাপান... দুয়েকদিন পার করতে পারলে আর সমস্যা হতো না...

একটা কথা মনে এলে এখনো হাসি পায়.. রোজার দুপুর গড়িয়ে যখন বিকেল হতে থাকে, তখন মনে হতো ইফতারে কত না কি যেন খেতে পারবো.. গাছ থেকে পেয়ারা - কোথাও থেকে বড়ই - কোথাও থেকে জামরুল সংগ্রহ করে গুছিয়ে রাখছি.. সন্ধ্যায় খিচুরি কিংবা বুট বেগুনি পিয়াজু খাবার পর খেয়াল করে দেখি অতসব শখের সংগ্রহের প্রতি কোন আগ্রহ ই নেই... B<img src=" style="border:0;" />




কয়েকদিন আগেও রোজা হতো শীতকালে !! শেষদিকে ঝিঁঝিঁর ঝুম ঝুম ডাকাডাকিতে ঝালাপালা কান .. ইফতারির পর কয়েকজন মিলে শুরু হতো, ঝিঁঝি ধরার পালা... কয়েকটা পাটখড়ি (টাইঙ্গা) মুঠি করে একটা বাঁশের খুটিতে পেটানো হতো, সেই সাথে অদ্ভূত ডাকাডাকি, আয় ঝিঁঝিঁ আয়... তর মায় তরে থুইয়া ডাইল- চাইল ভাজা খায় .. পাটখড়ি পেটানোর শব্দে আকর্ষিত হয়ে ঝিঁঝি এসে গায়ে পড়তো.. তারপর ধরে ফেলাটা কোন সমস্যা ছিলো না <img src=" style="border:0;" />


ইফতারির প্রাথমিক ধাক্কাটা শেষ হলে নামাজের পরে শুরু হতো অন্য পর্ব <img src=" style="border:0;" /> বুট আর মুড়ি অথবা খোসাসুদ্ধ কাঁচা কলাই (খেসারি) সেদ্ধ.. আহা এই জিনিসটার কথা মনে পড়লে খুব আফসোস লাগে... দাঁত দিয়ে খুটে খোসা ছাড়িয়ে লবনাক্ত দানা চিবানো , দারুন মজার ছিলো....

গত অনেকগুলো বছর ধরেই রোজার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে... সত্যি-ই ব্যাপারটা বেশ ঝামেলাপূর্ণ এবং মোটামুটি কষ্টকর হয়ে পড়ছে । হলের ডাইনীঙে ভোররাত্রে সেহরী খাওয়ার চাইতে রুমে বসে বিস্কুট খেয়ে রোজা রাখা অনেক বরকতের ব্যাপার <img src=" style="border:0;" /> এমনি স্বাভাবিক সময়েই তেলহীন-মশলাহীন ভেজে পোড়া পোড়া করে রাখা আঁশালো মুরগীর টুকরো মুখে রোচেনা, সেই জিনিস খেতে হয় ঘুমভাঙা ভোর রাতে...

গতবারের আগেরবার আমরা তিনজন রুমে রান্না করেছিলাম.. ভালো কেটেছে ওই দিনগুলি.... প্রত্যেকটা দিন একই ম্যেনু- সিনিয়র ভাইয়াটা মাঝে মধ্যে অভিযোগ করার মৃদু চেষ্টা করলেও বিকল্পের অপ্রতুলতার কারনে মেনে নিতেন <img src=" style="border:0;" /> ঘুমানোর আগে আগে ভাত রান্না করে রাখতাম আর ডিম প্রথমে ফেঁটিয়ে ভেজে প্রচুর পিয়াজ আর অনেকখানি মরিচ হলুদ তেল দিয়ে আবার রান্না করতাম । ভাতের সাথে সেদ্ধ দেয়া আলুটা ভর্তা করে নিলেই হলো... খুবই মজা লাগতো নিজেদের অপটু হাতের এই চড়াইভাতি.. ডাইনিং রুমে খাওয়ার চেয়ে একশ গুন আরামের ব্যাপার ... :`>

ইফতারি মোটামটি উইংএর কয়েকটা রুমের সবাই মিলে একসাথে হয়.. এটা নিয়ে সমস্যা নেই । বেশ জম্পেশ রেগুলারিটি মেইনটেইন হইতেসে...<img src=" style="border:0;" /> রমজানে ইফতারির একটা আকর্ষনীয় ব্যাপার হলো তিনটা ছাত্রসংগঠনের ইফতার মাহফিল । সবাই ভালো ই খাওয়ায়.. ওই তিনদিন বেশ উৎসবের মত একটা ব্যাপার ... <img src=" style="border:0;" />

এবার কিভাবে কি হবে আমি এখনো ঠিক জানিনা... আমার রুমমেটের ভাবসাব দেখে মনে হয় কিছু একটা প্লান করে রেখেছে... <img src=" style="border:0;" /> ... ওয়েটাইতে থাকি.. দেখি কি বলে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28837219 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28837219 2008-09-01 00:14:21
ছিঁচকে চোরা -র বাকি অংশ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> প্রথমটুক ত্রিভুজ লিখসে
......
এমনি করে দেশটা আমার
হচ্ছে চোরের আখড়া
চুরির জিনিস ভাগ করে নেয়
কুকুর শেয়াল কাক রা

কুকুর দেখায় শেয়াল ভালো
শেয়াল বলে কাক
চোরের ভালো চোরে ই বোঝে
দেশ পুড়ে হয় খাঁক

ক্যারেক্টারের সার্টিফিকেট
একজনে দেয় অন্যরে
মুখের ওপর মুখোশ পরায়
সভ্য সাঁজায় বন্যরে

আমজনতার হাতের মুঠোয়
অনেক নাকি ক্ষমতা
চোরের মায়ে আদায় করে
চোরের জন্য মমতা

বীর বাঙালী ভীষণ ভালো
মনটা নরম-আবেগী !!!!!!!!!!!
বেকুবরা সব ভোটার হলে
চোর ছাড়া আর পাবে-কি ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28833494 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28833494 2008-08-22 06:08:40
উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... হে লোক সকল! মুহাম্মদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কারও পিতা নন, বরং আল্লাহর রাসূল ও নবীদের ধারাবাহিকতা সমাপ্তকারী ।

- এ হচ্ছে সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ আল কুরআনের সূরা আহযাব এর ৪০ নম্বর আয়াতে সু-স্পষ্ট ঘোষণা ।

আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন (জীবনব্যাবস্থা) কে পরিপূর্ণ করে দিলাম । এবং তোমাদের জন্য ইসলামকেই জীবনব্যবস্থা হিসেবে মনোনীত করলাম ।

- সুরা মা'য়েদা : ৩য় আয়াত ; রাসুলুল্লাহ সা এর বিদায় হজ্জের পরপর ই নাযিলকৃত আয়াত ।

মিথ্যা নবুওয়্যতের দাবীদারেরা :

রাসুলুল্লাহ সা এর জীবদ্দশাতেই মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই পন্থা শুরু হয় । এক্ষেত্রে প্রখম ব্যাক্তিটি ছিলো আসওয়াদ আল আনসারী । নবুওয়্যতের দাবীদার এই ব্যাক্তি ৩ মাস ধরে তার প্রচারনা চালিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় ।

নবুওয়্যতের দাবীদার তৎকালীন আরো কয়েকজন হলো,

১. তুলায়হা বিন খুওয়ালিদ,
২. মুসায়লামাতুল কাজ্জাব ,
৩. সাজাহ বিনতে আল হারিস

এর মধ্যে তুলায়হা রাসুলুল্লাহ সা এর অসুস্থার সুযোগে নিজেকে নবী দাবী করে বসে । এই ব্যক্তির কারনে শহীদ হন উক্কাশা ইবনে মিহসান আসাদী (রাঃ) ও ছাবিত ইবনে আকরাম বালাবী (রাঃ) এর মত প্রখ্যাত সাহাবা । পরবর্তীতে খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর কাছে পরাজিত হয়ে ইনি আন্তরিক তওবা করে ইসলামে ফিরে আসেন এবং শেষপর্যন্ত অটল থাকেন ।

মুসায়লামা কাজ্জাব আর সাজাহ (মহিলা) এরা বিয়ে করে যুগ্মভাবে নবীত্বের দাবীদার হয়ে বসে ! এদেরকে জাহান্নামে পাঠাতে গিয়ে অগণিত কুরআনের হাফেজ সহ প্রায় হাজার জন সাহাবাকে শাহাদাত বরন করতে হয় ।

রাসুল সা এর মৃত্যুর পরে আবুবকর রা কে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সময় অতিক্রম করতে হয় । অসংখ্য লোককে বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায় এরা । আবুবকর রা এর কঠোর দিক নির্দেশনায় সম্পূর্ণরূপে ধুলিস্যাত করে দেয়া হয় মিথ্যাবাদী বিভ্রান্তকারীদের !

এরপর....
বহুদিন এধরনের কোন অপছায়া মুসলমানদের মধ্যে দেখা যায় নি ।

পলাশী-পরাজয়ের পর উপমহাদেশে বিদ্রোহের দাবানল :

পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হবার পূর্ব পর্যন্ত উপমহাদেশে শাসনভার ছিলো মুসলমানদের কাছে । খুব স্বাভাবিকভাবেই দখলদার ইংরেজ সরকারকে একটা মুহুর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেয়নি এই জনপদের মুসলমানরা । আর তাদেরকে গাইড করেছেন তৎকালীন আলেমসমাজ । এসময়ে আলেমদের ওপর নেমে আসে কঠোর অত্যাচার আর হত্যাযজ্ঞের খড়্গ ।

দিল্লীর চাঁদনীচক থেকে খায়বার পর্যন্ত এমন কোন গাছ ছিল না যার শাখায় উলামায়ে কেরামের গর্দান ঝুলেনি.. ... .. ... ..ইংরেজদের ফাঁসির কাষ্ঠে প্রতিদিন ৮০ জন করে আলেমকে ঝুলানো হতো
- এটা ইংরেজ ঐতিহাসিক টমসন এর লেখা ।

১৮৫০ থেকে ১৮৫৭ সালের মধ্যে ইংরেজদের নিয়মিত সেনাবাহিনীর প্রায় ৩৩ হাজার সৈন্যকে অন্তত ১৬ টি অভিযান পরিচালনা করতে হয় আলেমদের ইন্ধনে স্বাধীনতার সংগ্রামরত মুসলিম মুজাহিদদের বিরুদ্ধে ।

উইলিয়াম হান্টারের দি ইন্ডিয়ান মুসলিম বইয়ে ভারতে বৃটিশ শাসনের জন্য মুসলমানদেরকে "স্থায়ী বিপদ" নাম দিয়ে চিহ্নত করা হয় ।

১৮৬৪ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত ১৪ হাজার আলেমকে ফাঁসি দেয়া হয়। কোরআনের তিন লাখ কপি জ্বালিয়ে দেয়া হয় এবং ৮০ হাজার মাদ্রাসা ধ্বংস করা হয় এই স্থায়ী বিপদ থেকে ইংরেজ সাম্রাজ্য রক্ষা করার জন্য ।

কিন্তু...

পুরোপুরি ব্যার্থ হয় ইংরেজ রাজ !!


উইলিয়াম হান্টারের নেতৃত্বেই কমিশন গঠন করে ১৮৬৯ সালে পাঠানো হয় কারন সন্ধানের জন্য । এরা আবিষ্কার করে স্বাধীনতার জন্য এমন আক্ষেপ-এমন সর্বস্ব বিলিয়ে দেয়ার আকুতি- সবকিছু হারিয়েও অদম্য মুসলিম সমাজের প্রেরণাস্থল ।

রিপোর্ট আসে...

"ভারতীয় মুসলমানরা কঠোরভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে। তাদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনেই নির্দেশ রয়েছে বিজাতীয়দের শাসন মানা যাবে না এবং শাসকদের জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করতে হবে। তাদের ধর্মীয় নেতারা ফতোয়া জারী করেছে যে, ভারত বর্ষ দারুল হরব বা শত্রুদেশে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় মুসলমানদের উপর জিহাদ ফরজ হয়ে পড়েছে। জিহাদের প্রেরণায় মুসলমানরা উন্মাদের মত আত্মাহুতি দিতে পারে"



বুদ্ধিমান হান্টার পরামর্শ পাঠান কেন্দ্রে,

মুসলমানদের মধ্য হতে আমাদের আস্থাভাজন এমন একজন পন্ডিত ব্যক্তিকে নবী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে, যিনি বংশ পরম্পরায় আমাদের আস্থাভাজন বলে প্রমাণিত হবেন। দারিদ্র-পীড়িত ধর্ম-জ্ঞানহীন মুসলমানদের মধ্যে তার নবুয়তী তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে সকল প্রকার সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার নিশ্চয়তা দিতে হবে। অতঃপর সেই নবী এক সময় ঘোষণা দিবে, আমার নিকট এই মর্মে ওহী এসেছে যে, ভারতবর্ষে বৃটিশ সরকার আল্লাহর রহমত স্বরূপ এবং ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা এখন থেকে জিহাদ হারাম করেছেন। এভাবে মুসলমানদের জিহাদী চেতনা দুর করতে হবে। অন্যথায় ভারতে আমাদের শাসন দীর্ঘায়িত করা সম্ভব হবে না।


এই হলো পেছনের কাহিনী । এরপর ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতায় গোলাম কাদীয়ানীর নবী হবার প্রচেষ্টা চলতে থাকে । ইংরেজদের প্রতি আস্থার প্রকাশ ঘটান এই ব্যাক্তি বিভিন্ন সময়ে...

আমার মরহুম পিতা আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে শুধুমাত্র ইংরেজ সরকারের খেদমতের জন্য কোন কোন যুদ্ধে প্রেরণ করেছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারের সন্তষ্টি অর্জন করেছেন। আর এ অধমের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা মির্জা গোলাম কাদের যতদিন বেঁচে ছিলেন তিনিও পিতা মরহুমের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মনে প্রাণে বৃটিশ গভর্ণমেন্টের খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন।

- গোলাম কাদীয়ানী শাহাদাতুল কুরআন গ্রন্থ।


জিহাদ নিষিদ্ধকরণ ও ইংরেজ সরকারের আনুগত্য সম্পর্কে আমি এত বেশী পুস্তক রচনা করেছি ও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছি যে, ঐগুলো একত্র করলে ৫০ টি আলমারী ভর্তি হয়ে যাবে।

- গোলাম কাদীয়ানীর ইয়াকুল কুলুব গ্রন্থ ।


"হে পূণ্যময়ী ভারত সম্রাজ্ঞী মহারাণী ভিক্টোরিয়া! তোমার মহত্ব ও সুখ্যাতি তোমার মোবারক হোক। এদেশের ওপর খোদার দৃষ্টি রয়েছে। যে প্রজার ওপর তোমার মতা বিরাজমান তাদের ওপর খোদার রহমতের হাত রয়েছে। তোমার পবিত্র নিয়তের অনুপ্রেরণায় খোদা আমাকে পাঠিয়েছেন। যাতে পরহেজগারী, সৎচরিত্র ও শান্তির পথ দুনিয়াতে আবার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।

- ইংরেজদের অনুপ্রেরণায় নবী হওয়ার কথা প্রকাশ করে ফেলেন এভাবে তার সেতারায়ে কায়সারাহ বইয়ে ...


তার বর্তমান অনুসারীদের বিভ্রান্তি :

গোলাম কাদীয়ানীর বর্তমান অনুসারীরা প্রচার করতে চায় সে নিজেকে নবী দাবী করেনি । কিন্তু এটা তাদের বিভ্রান্তি অথবা বিভ্রান্ত করার আরেক অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না.. অবশ্য গোলাম কাদীয়ানী এই বিভ্রান্তির শুরুটা নিজেই করে রেখেছিল ।


দেখুন, ...

- আমি মাহদী এবং ব্রিটিশ সরকার আমার তরবারি । আল্লাহ এই সরকারকে সাহায্য করার জন্য ফেরেশতা প্রেরন করেছেন - ১৯১৮সালের ৭ই ডিসেম্বর কাদিয়ানী পত্রিকা "আল ফজল" এ তার বক্তব্য ।

- ১৮৮৫ সালে নিজেকে তিনি মুজাদ্দেদ হিসাবে দাবী করেন
- ১৮৯১ সালে নিজেকে মাহদী হিসাবে আবার দাবী করেন
- এক-ই বছরে সে আবার দাবী করে প্রতিশ্রুত মসীহ বলে
- ১৯০১ সালে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নবী বলে দাবী করে বসে


মীর্যা গোলাম কাদিয়ানী ১৮৯১ সালের ২১শে অক্টোবর তাবলীগে রেসালাতের ২য় পাতায় বলেন : হযরত মোহাম্মদ ( স: ) আল্লাহর প্রেরিত শেষ নবী , তার পরে আর কোনো নবী আসবেন না ।

"মেরাতে কামলাতে ইসলাম" বইয়ের ৩৮৩ প্ষ্টায় তিনি বলেন : আমি নবী নই তবে আল্লাহ আমাকে নবায়নকারী কালিম বানিয়েছেন ।

এইসাথেই আবার , "হাকীকাতুল ওহীর" ৬৮ পাতায় বলতেছে : ঐ আল্লাহর শপথ , যার হাতে আমার প্রান , তিনিই আমাকে প্রেরন করেছেন এবং নবী নামে অভিহিত করেছেন




গোলাম কাদীয়ানীর ছেলে-তার দ্বিতীয় খলিফা কি বলে, শোনেন,


আমাদের উপর বৃটিশসাম্রাজ্যের অনেক অবদান রয়েছে। আমরা পূর্ণ শান্তি ও আরামের সহিত আমাদের উদ্দেশ্য সাধন করছি এবং বিভিন্ন দেশে প্রচারের উদ্দেশ্যে আমরা যেতে পারছি। বৃটিশ সরকার এখানেও আমাদের সাহায্য করছে। এটা হলো আমাদের উপর তাদের পূর্ণ করুণা ও দয়া

- 'বারাকাতুল খেলাফত' নামক গ্রন্থের ৬৫ পৃষ্ঠা ।


গোলাম কাদীয়ানির নিজের বানী দিয়েই শেষ করি...

আমাদের হিতাকাংখী সরকারের জন্য আমরা সকল প্রকার বিপদ সহ্য করছি এবং ভবিষ্যতেও করবো। কেননা, তার করুণা ও দয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বৃটিশ সরকারের জন্য আমরা আমাদের প্রাণ ও ধন-সম্পদ উৎসর্গ করবো। আর প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে উহার মর্যাদা ও উন্নতির জন্য আমরা সর্বদা প্রার্থনা করবো।

- গোলাম আহমদের রচিত 'আরিয়া ধর্ম' পৃষ্ঠা- ৭৯ ও ৮০...

আরো জানতে SWI বা wiki থেকে পাতা উল্টান ....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28829918 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28829918 2008-08-12 00:42:21
অ ই ক খ ঙ ঞ
দিন দুপুরে হিন্দু পুড়ে
ছাই হয়েছে - খবর রটে
বিন্দুটারে সিন্ধু করে -
সেই খবর-ই জবর রটে

সংখ্যালঘু নির্যাতিত
মৌলবাদীর দোষটা-খাটি
কলম ফেটে দরদ ঝরে
সম্পাদকের কান্নাকাটি

বুদ্ধিজীবি বিবৃতি দ্যান
মৌলবাদের শেকড় তোল
জঙ্গীবাদি ততপড়তা
সত্যি এবার রূখতে হলো

জানতে পারি দু'দিন পরে
আসল খবর - খুব মামুলি
দুখ্খজনক দুর্ঘটনায়
প্রাণ হারালো মানুষগুলি

ধুমপায়ী এক লোকের হাতে
নিজের ঘরেই অগ্নিশিখা
সেই আগুনেই পুড়লো মানুষ
হয়তো ছিলো ভাগ্যে লিখা

মৌলবাদের জিন্দাবাদের
জন্য তো ভাই এই লেখা না
"উত্তেজিত হবার আগে
সবার উচিত সত্য জানা"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28828527 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28828527 2008-08-07 23:12:44
লাইলাতুল মিরাজের বিষ্ময়যাত্রা: বোঝার চেষ্টা করছি...
১.পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুববেগে ধাবমান সকল রেফারেন্স ফ্রেমে পদার্থ বিজ্ঞানের যে কোন সূত্র একই রকম সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।

২. শূণ্যস্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোর বেগ ধ্রুব এবং এ বেগ আলোর উৎস ও পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক বেগের ওপর নির্ভরশীল না ।

এবং কোন বস্তু থেকে বিকিরিত আলো আমাদের চোখে এসে পৌছালেই আমরা তাকে দেখতে পারি । যেমন সূর্যকে প্রকৃতপক্ষে ৮ মিনিট পরে দেখি আমরা ।

প্রথম কথা হলো মিরাজ মহান-নবী মুহাম্মাদ সা এর জন্য একটি মিরাকল বা মু'জেজা । মিরাকল এমনই ফ্যাক্ট যার মানেই হচ্ছে মানবীয় ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে আয়ত্ব করা সম্ভব না । যদি মিরাকল কে মানুষ বুঝেই ফেলে তবে সেটা আর মিরাকল থাকেনা ।

মিরাজের রাত্রিতে কি হয়েছিলো :

১. সুরা বণী ইসরাইলের প্রথম আয়াত, তিনি সেই পরম-পবিত্র মহিমাময় সত্ত্বা যিনি তার স্বীয় বান্দাহ কে এক রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত । যার পরিবেশকে করেছেন তিনি বরকতময় । যেন তাকে নিজের কিছু কুদরত দেখান । নিশ্চয় ই তিনি সবকিছুর শ্রোতা ও দ্রষ্টা ।

২. সুরা নাজ্ ম এর ১৩-১৮ আয়াত, ...পুনরায় আর একবার সে তাকে (জিবরাঈল্) সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে দেখেছে । যার সন্নিকটেই জান্নাতুল মাওয়া অবস্থিত । সে সময় সিদরাকে আচ্ছাদিত করছিলো এক আচ্ছাদনকারী জিনিস । দৃষ্টিঝলসেও যায়নি কিংবা সীমা অতিক্রমও করেনি । সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ দেখেছে ।


-৬২২ খৃষ্টাব্দের ২৭ রজব মধ্যরাতে জিবরাঈল আ মুহাম্মদ সা এর কাছে এলেন "বুরাক" নামের বাহন নিয়ে । বুরাক শব্দটির অর্থ বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রিসিটি শব্দের সাথে সম্পর্কিত ...

- রাসুল সা এসময় ঘুমিয়ে ছিলেন । জিবরাঈল আ তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে আল্লাহর ম্যাসেজ পৌছে দিলেন । এসময় রাসুলুল্লাহ সা এর বক্ষ পুনরায় বিদীর্ণ করে জমজমের পানি দিয়ে ধোয়া হয় । হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ী রাসুলের বক্ষ (অন্তর) প্রজ্ঞা এবং আলো [ইংরেজীতে wisdom ও splendour (special light "Noor") ] দিয়ে পূর্ণ করে দেয়া হয়!! রাসুল সা এরপর হাউজে কাউসর এর পানি তে গোসল করেন !

-মিরাজের যাত্রার দুটি অংশ ছিলো । প্রথমটি আনুভূমিক দ্বিতীয়টি উলম্ব । প্রথম অংশটিকে ইসরা বলা হয় । এসময়ের ভ্রমণটি ছিলো বায়তুল্লাহ (কাবা) থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত । বায়তুল মুকাদ্দাসে (মসজিদুল আকসা-ফিলিস্তীন) আল্লাহ তায়ালা সকল নবীর সমাবেশ ঘটান । এসময়ে সকল নবী এবং ফেরেস্তারা সম্মিলিতভাবে ২ রাকায়াত নামাজ আদায় করেন নবী মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ সা এর ইমামতিতে ।

- এখান থেকে শুরু হয় উদ্র্ধমূখী যাত্রা । মানুষের কল্পণার অতীত গতিতে বোরাক ছুটে চলে মহাশূণ্যের দিকে । আকাশের প্রতিটি স্তরে প্রধান ফেরেস্তাগন এবং নবীদের সাথে সাক্ষাৎ এবং কথাবার্তা হয় রাসুলুল্লাহ সা এর সাথে । ১ম স্তরে হযরত আদম (Adam) আ, ২-য় স্তরে হযরত ইয়াহিয়া (John) আ এবং হযরত ইশা (Jesus Christ) আ, ৩-য় স্তরে হযরত ইউসুফ (Joseph) আ , চতুর্থ স্তরে হযরত ইদরীস (Enoch) আ, পন্ঞম স্তরে হযরত হারুন (Aaron) আ , ষ্ষঠ স্তরে হযরত মুসা (Moses) আ এবং সপ্তম স্তরে হযরত ইব্রাহীম (Abraham) আ মুহাম্মদ সা কে স্বাগতম জানান <img src=" style="border:0;" />

- জীবরাইল আ এর বোরাক পরিচালনায় রাসুল সা সিদরাতুল মুনতাহা নামক স্থানে এসে পৌছলে উদ্র্ধমূখী যাত্রার দ্বিতীয় স্তর শুরু হয় । এপর্যায়ে জীবরাঈল আ আর অগ্রসর হতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।

-বাহন পরিবর্তন হয় এখানে । রফরফ নামের আরেকটি যান রাসুলুল্লাহ সা কে আল্লাহর নিকটবর্তী স্থানে (!!) পৌছে দেয়ার দায়িত্ব নেয় !




আইনস্টাইন ও স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটি :

আলবার্ট আইনস্টাইন তার স্পেশাল থিওরী আব রিলেটিভিটি প্রকাশ করেন ১৯০৫ সালে এবং জেনারেল থিওরী অব রিলেটিভিটি প্রকাশ করেন ১৯১৭ সালে । এখানে সাধারন একটা প্রশ্ন মনে আসে তাহলো, কেন তিনি স্পেশাল থিওরী, জেনারেল থিওরীর আগেই প্রকাশ করলেন । জানিনা... কেউ জানলে জানাতে পারেন ...


প্রথম স্বীকার্য: Special Principle of Relativity - The laws of physics are the same in all inertial frames of reference. In other words, there are no privileged inertial frames of reference.

দ্বিতীয় স্বীকার্য: - Invariance of c - The speed of light in a vacuum is a universal constant, c, which is independent of the motion of the light source.


এ থিওরী থেকে প্রাপ্ত ফলাফল :

১. টাইম ডায়ালেশন (সময় দীর্ঘায়ণ) : একই ঘটনার , স্থির কোন স্থানে পরিমাপকৃত সময়ব্যবধান ধ্রুববেগে গতিশীল স্থানে পরিমাপকৃত সময় ব্যবধানের চাইতে বেশি । (অর্থাৎ রুমে বসে ব্লগ লিখতে ৩ মিনিট লাগলে কোন মহাকাশযানে বসে লিখতে হয়তো ১ মিনিট লাগবে- ব্যাপারটা এরকম...)


২.Relativity of simultaneity : মনে করুন, আপনি কোথাও দাড়িয়ে একই সাথে ২ টি ঘটনা ঘটতে দেখছেন । কিন্তু ওই ঘটনাদুটিই অন্য কোন স্থান ( ধরুন, গতিশীল) থেকে অন্য কেউ একই সাথে ঘটতে দেখবে না । সে দেখবে একটি ঘটনা শেষ হবার পর বা শুরু হবার কিছুক্ষণ পর আরেকটি শুরু হলো ।

৩. লরেন্জ কনট্রাকশন : একই বস্তুর ডাইমেনশন (দৈর্ঘ্য..উচ্চতা..) গুলো দুটি ভিন্ন গতিতে গতিশীল স্থান থেকে মাপলে ভিন্ন ভিন্ন পাওয়া যাবে ।


৪. বস্তু গতিশীল হলে এর ভর বৃদ্ধি পায়....

৫. E = mc² ......... ভর আর শক্তি একই সত্তার ভিন্ন রূপ এবং রূপান্তরযোগ্য ।


....
....
....


মি'রাজ ও স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটি :

১. রাসুলুল্লাহ সা এর উদ্র্ধগমনের সম্ভ্যাব্যতার ব্যাপারটি নিয়ে প্রশ্নের কোন অবকাশ ই নেই । যেহেতু মহাকাশ ভ্রমন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক থিওরী -ও আজকাল অনেক পুরোনো হয়ে গেছে ।

২. অন্তত একজন হলেও লাইট-স্পিড বা এর চেয়ে বেশি গতিতে ভ্রমণ করতেই হবে আইনস্টাইনের সূত্রকে বাস্তবতা দেয়ার স্বার্থে হলেও । ধরে নেই সেই ভ্রমণকারী মুহাম্মাদ সা ।

৩. মহাবিশ্ব ভ্রমণ শেষে রাসুল সা ফিরে এসে দেখতে পান, দরজার শেকল ঠিক আগের অবস্থানে দুলছে । এতবিশাল স্থান অতিক্রম করার পরেও সময়ের কোন হেরফের কিভাবে না হয়ে পারে ?

উত্তর ১: আল্লাহ ইজ অলমাইটি..
উত্তর ২: স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটির; টাইম-স্পেস-ভেলোসিটি রিলেশন । আলোর গতির সমান গতিতে চললেই সময় স্থির হয়ে যাবে খুব সহজে । তখন সময়কে ধরে রেখে যতখানি ইচ্ছা কাজ করে নেয়া সম্ভব । টাইম ডায়লেশন এবং Relativity of simultaneity মূলত এ দুটি ফলাফল এ ঘটনার ব্যাখ্যা ।


৪. আলো ১ বছরে ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার পরিমান স্থান অতিক্রম করতে পারে । এবং বলা হয় পৃথিবীকে কেন্দ্র ভাবলে দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ব্যাসার্ধ ৪৬.৫০ বিলিয়ন আলোকবর্ষ । অর্থাৎ আলোর গতিতে চললেও এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছুতে এত বিশাল সময়ের প্রয়োজন । যদিও মহাবিশ্বের সত্যিকার ব্যাস আরো অনেক অনেক বেশি । তো, প্রশ্ন দাড়ালো রাসুল সা কিভাবে এত বিরাট সময়কে অতি অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারলেন ?

উত্তর : স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরী থেকে প্রাপ্ত লরেন্জ কন্ট্রাকশন ফলাফল । এ ফলাফল অনুযায়ী গতিশীল অবস্থানে দৈর্ঘ্য সংকুচিত হয়ে যায় । অর্থাৎ রাসুল সা এর জন্য গতির কারনে মহাবিশ্বের বিশাল দৈর্ঘ্য ছোট হয়ে গিয়েছিলো । আল্লাহ ই জানেন , আসলে কি হয়েছিলো !!


৫. E=mc2 সূত্র অনুযায়ী, কোন বস্তু আলোর গতিতে চলমান হলে তা বস্তু থেকে শক্তিতে রুপান্তরিত হয়ে যাবে । এই শক্তি যখন পুনরায় বস্তুতে রুপান্তরিত হবে তখন কিছু পরিমান লস হবে যা mass defect বলে পরিচিত । কোন জীবন্ত শরীর এই প্রকৃয়ার মধ্য দিয়ে গেলে নাকি তার শারীরীক কিছু পরিবর্তরন হওয়া উচিত । যেমন শরীরের অংগ প্রত্যংগ গুলোর অবস্থান পরিবর্তন । কিন্তু মিরাজের ক্ষেতে এমনটা হয়নি । কেন ?

উত্তর : এখানে একটি ব্যাপার মনে করিয়ে দিতে হবে আবার । মি’রাজ ছিলো একটি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা যা বাস্তবে ঘটেছিলো । এটি কোন থিওরী বা সূত্র বা ধারনা নয় । এটি বাস্তবতা ।

যেকোন সূত্রকেই বাস্তবে সত্য হতে হলে কিছু শর্ত সম্পন্ন হওয়া লাগে । খুব সাধারন কিছু ব্যাপার উদাহরনস্বরূপ, তাপ-চাপ-.. ইত্যাদি.....

যতদুর ভাবা যায়, মিরাজে; আইনস্টাইনের থিওরীর এই অংশকে অতিক্রম করা হয়েছিলো কিছু পূর্বপ্রস্তুতির মাধ্যমে । যাত্রার পূর্বে মহানবী সা এর বক্ষ বিদীর্ন করা, অন্তর প্রজ্ঞা ও নুর দিয়ে পূর্ণ করে দেয়া.. এসবের সত্যিকারের রহস্য আমরা জানিনা এখন ও.....


তারপর.....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28825656 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28825656 2008-07-30 15:58:15
যাদুর বর্গ
একটা ছকে সাজানো কিছু অঙ্ক; যোগ করলে সবদিকে ১৫ হয় ।

মুখস্ত করে ফেলেছিলাম, নিয়মটা জানার সুযোগ না থাকায়..

ম্যাজিক স্কয়ার বানানোর নিয়মঃ

১. বিজোড় ম্যাজিক স্কয়ার বানাবার মূল সূত্রটা হলো , যেকোন সংখ্যার পরবর্তী সংখ্যাটা তার ঠিক (ডানদিকে+কোনাকুনি উপরে)-র ছকে বসাতে হবে ।


মজার এই ম্যাজিক শিখতে চাইলে আসুন...

ক. বিজোড় সংখ্যক (৩*৩ বা ৫*৫...) ছকওয়ালা একটা বর্গ আকতে হবে..

খ. প্রথম সংখ্যাটা (১) সবচেয়ে উপরের সারির(row) ঠিক মাঝখানের ছকে বসবে..

গ. সূত্র অনুযায়ী এর পরের সংখ্যাটা (২) হবার কথা যেখানে, সেখানে কোন ছক নাই ।(ডান+উপরের ছকে) এক্ষেত্রে পরবর্তী সংখ্যাটা ঐ সূত্রের ছক যে কলামের উপরে অবস্থিত সেই কলামের সবচাইতে নিচের ছকে বসবে । **সূত্রের ছক=প্রাথমিক নিয়মানুযায়ী যেখানে পরবর্তীঅঙ্কটি বসার কথা..

ঘ. এবার সাধারন নিয়ম, কোনাকুনি ডান+উপরে উঠে যাওয়া, এবং একের পর এক সংখ্যা (অঙ্ক) বসানো..

ঙ. ছক শেষ হয়ে গেলে আবার গ. এর মত । এবার যেতে হবে ওই সারিটার(row) সর্ববামের ছকে । (৩ এর পরে ৪)


চ. সুত্রের ছকে আগেই কোন সংখ্যা দেয়া হয়ে থাকলে লাষ্ট ফিলাপ ছকের জাষ্ট নীচের ছকে যেতে হবে, নিচের চিত্রে, ৫ এর পরে ৬ যেখানে হবার কথা সেখানে আগেই ১ বসে গেছে, তাই ৬ , ৫ এর নিচে চলে এসেছে..

ছ. এভাবে একসময় ১ টা কর্ণ(ডায়াগনাল) সেটাপ হয়ে যাবে (চিত্রে ১৫ পর্যন্ত)। পরবর্তী সংখ্যাটি সর্বশেষ ফিলাপ ছকের জাষ্ট নিচের ছকে (অর্থাৎ ১৫ এর পরে ১৬ বসবে ১৫ এর নিচের ছকটায়)...


জ. বাকিটুকু আগের মত ।




সবধরনের ম্যাজিক স্কয়ার-ই , যে কোন সংখ্যা দিয়ে শুরু করা যায় । তবে প্রতিটি ক্রমিক সংখ্যার পার্থক্য সমান হতে হবে । নিচের স্কয়ারটি ২ থেকে শুরু হয়েছে এবং ২, ২+৩=৫, ৫+৩=৮... এভাবে এগিয়েছে ..



২. জোড় ম্যাজিক স্কয়ার এর জন্য ২ টা পদ্ধতি । একটা ৪ এর গুনিতক সংখ্যক ছকের জন্য(৪*৪, ৮*৮, ১২*১২...), আরেকটা ৪ এর গুনিতক বাদে অন্য জোড় সংখ্যাগুলির জন্য (৬*৬,১০*১০,১৪*১৪)...

২.ক. ৪ এর গুনিতক ম্যাজিক স্কয়ার...
মূল সূত্রটা হলো, ৪ এর যত গুনিতকই হোক না কেন, ৪*৪ এর মত মনে করে নিতে হবে.. এবং যেকোন এক কোনার ছক (যেমন, বাম+উপর অথবা ডান+নিচ) এ প্রথম অঙ্ক/সংখ্যাটি বসিয়ে সারি বরাবর এগিয়ে যেতে হবে (আগেরবার কোনাকুনি এগিয়েছি)
এবং প্রথম ধাপে, অঙ্কগুলি বসাতে হবে কেবলমাত্র বর্গের কর্ণ বরাবর অবস্থিত ছকগুলোতে...

ক. উদাহরনস্বরূপ ৮*৮ একটা ছক বানানো হল..

খ. (বাম+উপর) এর ছক থেকে ২*২ করে প্রতি ৪ টা ছককে চিহ্নিত করা হলো । উদ্দেশ্য হলো , একটা ইমাজিনারী ডায়াগনাল তৈরী করা ...

গ. (বাম+উপর) এই ছকে প্রথম সংখ্যাটা বসাই...

ঘ. এবার প্রতিটা সারির বাম থেকে ডানে যেতে যেতে ডায়াগনালের ছকগুলো পুরন করতে থাকি.. সারির শেষে পৌছে গেলে আবার নীচের সারির সর্ববামের ছকে আসতে হবে..


ঙ. এভাবে সর্বশেষ ছক পুরন হবার পরে সম্পূর্ন বিপরীত থেকে শুরু করতে হবে আবার । অর্থাত (সবচেয়ে নিচ + ডান) এই ছকে প্রথম সংখ্যাটা (১) ধরে নিয়ে প্রতিটা সারির ডান থেকে বামে এগিয়ে যেতে যেতে ফাকা ছকগুলি (ডায়গনাল বরাবর ছকগুলি প্রথমবার পুরণ করা হয়েছে, এবার বাকিগুলো..) পুরন করতে হবে..
কম্বাইন করার পর ৮*৮ ম্যাজিক স্কয়ার


একটা ৪*৪ ম্যাজিক স্কয়ার



২.খ. ৪ এর গুনিতক বাদে অন্য জোড় সংখ্যাগুলির জন্য (৬*৬,১০*১০,১৪*১৪)..

এইটায় ঝামেলা একটু বেশি...
পরে পোষ্ট এডিট করে আপডেট করবো... (হয়তো <img src=" style="border:0;" />)

* আরো কিছু ম্যাজিকাল জ্যামিতিক ফিগার রয়েছে..
ম্যাজিক হেক্সাগন



এছাড়া মাল্টিপ্লাই ম্যাজিক স্কয়ার (এটাতে যোগের পরিবর্তে প্রতিটি কলাম, রো বা ডায়াগনালের অঙ্কগুলোকে গুন করলে সমান/একই ফলাফল পাওয়া যায়

একই সাথে যোগ+গুন এর ফল একই হবে, এমন ম্যাজিক স্কয়ার ও রয়েছে..
ম্যাজিক কিউব...
ম্যাজিক সার্কেল..
এরকম অনেক ধরনের ফিগার আছে ।

গনিতের এই ম্যাজিক্যাল দুনিয়াটা অদ্ভূত সুন্দর, শিখে ফেলতে পারলে মজা পাবেন যে কেউ, সন্দেহ নেই...<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28791563 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28791563 2008-04-27 00:15:58
মাথার কাছে মায়ের শাড়ি কোথায় রাখি.. কোথায় রাখি... ভাবতে ভাবতে-ই ওটার স্থান হলো ওখানটায়..
এখন ভাবলে-ই কেমন একটা অনুভূতি হয়..

কি ভেবে যে বলেছিলাম, আম্মা শাড়িটা পাঠিয়ে দেবেন, জানালার পর্দা বানাবো ..
আম্মা-ও একজনকে দিয়ে শাড়িটা পাঠালেন আমার কাছে..
কোন প্রশ্ন-ই উঠলোনা কোথাও থেকে; যে , শাড়ি দিয়ে পর্দা বানাতে হবে কেন ?
দুনিয়ায় কি কাপড়ের অভাব পড়েছে..
আজব খেয়াল...

কিছু-ই বানানো হয়নি । সুন্দর করে ভাজ করে রুমের লকারে রাখলাম কয়েকদিন । মাঝে মধ্যেই বের করে দেখি । ভাজ সমান করে আবার রেখে দেই ।
অনেকদিন হয়ে যায়...
বাড়ি গেলে আম্মা ঠিক-ই প্রশ্ন করেন, পর্দা বানাইছো ..?
উত্তর , না..
ছোট ভাইটার টিটকারী, ওম্মা, ও শাড়ি নিলো ক্যান হঠাত.. ঘটনা কি.. ?
আমি হাসি..
কোন জটিল বা প্যাচানো চিন্তা আমার নেই..
জাষ্ট সরল হাসি..
ব্যাপারটায় যে একটা মা বিষয়ক আবেগের ব্যাপার আছে তাও মনে আসেনা..
ভাবি ও না কিছু..

ইন্টারমিডিয়েটে-ক্যামেষ্ট্রি সেকেন্ড পেপার পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরতে গিয়ে দেড়ি করে ফেলেছিলাম । বাড়ি থেকে ১৬ কিলোমিটার দুরে , একা শহরে গিয়ে পরীক্ষা দেই.. দু’চারদিন ঝামেলা তো বেধেই যেতে পারে...আমি কেয়ার করিনা...

সেদিন বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা হয়হয় সময়ে বাড়িতে ফিরে দেখি আমাদের বাসায় আসপাশের বাসার লোকজনের ভীড় .. আমি কেন এত দেড়ী করলাম.. নিশ্চয়-ই খারাপ কিছু ঘটে গেছে.. এই টেনশন তখন ছড়িয়ে পড়েছে অন্যদের মাঝেও .. আমি দুয়ারের কাছে এসেছি-তখন আম্মা ও হুড়মুড় করে বেরিয়েছেন মাত্র.. প্রতিবেশিরা এতক্ষন অভয় দিয়ে - সান্তনা দিয়ে বসিয়ে রেখেছিলেন.. কিন্তু ... সন্ধ্যার অন্ধকারের আগমনে আম্মা আর থাকতে পারেন নি.. সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাকে খুজতে বেরুবেন...

আরো হাজারো দৃশ্য মনে জমা থাকলে-ও , সেই সময়ের এই শাড়িটা পড়া আম্মাকেই মনে পড়ে কেন যেন...

বাড়িজুড়ে টেনশনের ঝড় বইয়ে দিয়েছেন বলে সেদিন আমি রেগে গেছিলাম...
আম্মার ওপড় আমি রাগ করতেই পারি.. পারি সেটা প্রকাশ করতে-ও...

একটু দেড়ি হয়েছে বলে এমন করে লোকজনকে জানিয়ে দিতে হবে সেটা..?

আম্মা পাল্টা ধমক দিছিলেন, তুই কি বুঝবি? এই লাইনের বাস এক্সিডেন্ট হয় প্রায় -ই..

হাহ.. এইচ.এস.সি র মাত্র কয়েকটা দিন পরে-ই এই ঢাকাতে এসে চোখের সামনে দেখেছি গাড়ির নিচে প্রানের হাহাকার..
আম্মা- আপনাকে বলিনি..

একাকী শহরে আরো কত কষ্টের মুখোমুখি হয়েছি...কতবার অসহ্য কষ্টে শহরের রাজপথগুলোতে হেটেছি ঘন্টার পর ঘন্টা... গ্রামে থাকতে যেমন কষ্টের সময়টা সাইকেল নিয়ে ভিনগায়ের অচেনা রাস্তায় বেড়িয়ে পড়তাম...
.. .. .. সব যদি আপনাকে জানাই, তাহলে তো চলেনা.. ..

প্রথম যখন হলে উঠলাম, ছাদের কাছাকাছি ছিলাম । সন্ধ্যার পর থেকেই অনেক রাত পর্যন্ত বসে থাকতাম ছাদে গিয়ে.. বছর খানেক পরে রুম চেইন্জ করে নিচে চলে এলাম । ওই সময়ে ঘটে ব্যাপারটা । বিছানা-বইপত্র- আরো দু’চারটা আসবাব নতুন রুমে নিয়ে আসার সময়ে আম্মার শাড়িটা তড়িঘরি করে বালিসের কাভারের ভেতরে চালান করে দেই...

বেশ কিছুদিন মনেই ছিলোনা । কাভারটা ধুয়ে দিতে গিয়ে একদিন চোখে পড়লো ..

মজাই পেলাম সেদিন .. দারুন তো, দারুন জায়গায় স্থান হয়েছে শাড়ির ..
আমার অজান্তেই আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে সে...
ঠিকাছে.. থাকুক ওখানে-ই <img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28787523 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28787523 2008-04-13 22:06:03
আদম আ: থেকে মুহাম্মদ সা: এর বংশধারা আদম আ


(মানব জাতির প্রথম পুরুষ । বেহেশত থেকে পৃথিবীতে সরাসরি অবতীর্ন করা হয় তাকে । মানব জাতির আদী মাতার নাম হাওয়া । )

২. শীষ (অর্থ “আল্লাহর দান”)

৩. ইয়ানিশ (অর্থ সত্যবাদী)

৪. কায়নান (অর্থ সমান)

৫. মাহলীল (অর্থ প্রশংসিত)

৬. ইয়ারদ (অর্থ হচ্ছে নিয়ন্ত্রক)

৭. আখনুখ

(সম্ভবত ইনি হযরত ইদরীস আ, আদম আ এর পর প্রথম নবী, কলম দিয়ে তিনি ই প্রথম লেখার সূচনা করেন )


৮. মাতু শালাখ


( এর অর্থ হচ্ছে যার দুত মারা গেছে , উনি মার্তৃগর্ভে থাকাকালীন তার বাবা-আখনুখ মারা যান)

৯. লামাক

১০. নূহ আ:


(নুহ আ এর আসল নাম আব্দুল গাফ্ফার, নূহ শব্দটির অর্থ কান্না, সম্ভবত তিনি আল্লাহর ভয়ে প্রচুর কাদতেন বলে তার এমন নাম হয়েছিল । হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের বর্ণিত “মনু” ই হচ্ছেন নূহ আ, ইতিহাসের বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় ভারতবর্ষে হিন্দুজাতির আগমন নুহ আ এর প্লাবনের পরেই হয়েছিল । সরাসরি নুহ আ এর উম্মত হচ্ছেন আজকের হিন্দু জাতি )


১১. সাম


১২. আরফাখশাজ (অর্থ জ্বলন্ত প্রদীপ)

১৩. শালেখ (অর্থ প্রতিনিধি)

১৪. আয়বার

১৫. ফালেখ

১৬. রাউ

১৭. সারূগ

১৮. নাহুর (অর্থ কুরবানীদাতা)

১৯. তারেহ (অন্য নাম আযার - অর্থ , হে খোড়া ব্যাক্তি)

২০. ইবরাহীম


(শব্দটির মুল রূপ হলো, আবূন রহিম যার অর্থ দয়ালু পিতা, খৃষ্টানদের মধ্যে প্রচলিত নামটির রূপ হচ্ছে আব্রাহাম, মূলত বর্তমানে প্রচলিত জাতিগুলির সবাই ইবরাহীম আ
এর প্রতি সমানভাবে সম্মান প্রদর্শন করে থাকে... মহানবী সা এর নবুওতের সময়েও আল্লাহ বিভিন্ন সময়ে আরবের মুশরিক, ইয়াহুদী খৃষ্টানদেরকে “ইবরাহীমের দ্বীন” এর প্রতি আহবান জানিয়েছেন


২১. ইসমাঈল


(অর্থ আল্লাহর অনুগত- আল্লাহর নির্দেশে কুরবানী হতে পিতার ছুড়ির নিচে শুয়ে পড়েছিলেন নির্দিধায়, কুরবানীর ইতিহাস এখান থেকেই শুরু, তিনি ১৩০ বছর বেঁচে ছিলেন,তার মাতা হাজেরা মিশরীয় বংশদ্ভুত ছিলেন - রাসুল সা এর ওসীয়ত আছে এব্যাপারে, তিনি বলে দিয়েছিলেন সাহাবাদের, যেন মিশর জয় করার পরে তার অধিবাসীদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করা হয়, কারন, মুসলিম রাষ্ট্রের বিজিত অমুসলিম নাগরিক আইনানুগ ভালো ব্যবহার এর অধিকারী এবঙ আত্মীয়তার সূত্রেও ...)

২২. নাবিত

২৩. ইয়াশজাব ( অর্থ হচ্ছে নিন্দুক)

২৪. ইয়ারাব

২৫. তায়রা (দু:খ ভারাক্রান্ত)

২৬. নাহুর (পৃর্ববর্তী আরেক পুরুষের একই নাম রয়েছে)

২৭. মুকাওয়াম

২৮. উদাদ (স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা-শাব্দিক অর্থ)

২৯. আদনান (অর্থ চিরস্থায়ী)

৩০. মায়াদ (অর্থ শক্তিমান)

৩১. নিযার (শাব্দিক অর্থ অল্প)

৩২. মুযার (মুল শব্দরূপ মাযীরা, যা দুধের তৈরী একধরনের খাদ্যের নাম)

৩৩. ইলয়াস

(অর্থ, এমন বীর যিনি কখনও যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাননা)


৩৪. মুদরাকা (তার ২ ছেলে, খুযায়মা ও হুজায়ল)

৩৫. খুযায়মা

(এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে কোন কিছুকে শক্ত করে বাধা, তার ৪ ছেলে, কিনানা, আসাদ, আসাদাহ ও হুন)

৩৬. কিনানা

(তার মায়ের নাম আওয়ানা, তার ৪ ছেলে, নাজর ,
মালিক, আবদে মানাত, মিলকান, শেষ তিন জনের মা ভিন্ন)

৩৭. নাজর

(তার মা বাররাহ যার বংশ উপরের দিকে ইলয়াস(৩৩)এ একত্রিত হয়েছে , নাজরের নামই ছিলো কুরাইশ)

৩৮. মালিক (মালিকের মায়ের নাম আতিকা)

৩৯. ফিহের

(ফিহের শব্দটির অর্থ হচ্ছে লম্বা পাথর, তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে, গালিব, মুহারিব, হারিস ও আসাদ এবং জান্দালাহ এর মায়ের নাম লায়লা)

৪০. গালিব (তার তিন ছেলে লুআঈ, তায়ম ও কায়সের মায়ের নাম সালমা)

৪১. লুয়াই


(তার ৭ ছেলে, কা’আব, আমির, সামাহ এর মায়ের নাম মাবিয়াহ । আওফ, সাদ, খুজাইমাহ হারিস এর মা ভিন্ন ভিন্ন )

৪২. কা’আব

(রাসুল সা এর আগে ইনিই প্রথম আরব ঐক্যের ডাক দেন । কারো কারো মতে সপ্তাহের একটি দিনকে জুমআ নামটিও তার দেয়া, এই দিনে তিনি কুরাইশদের একত্রিত করে রাসুল সা এর আগমনের কথা আলোচনা করতেন , তার তিন পুত্র ছিল,
মুররা, আদী, হুসায়স এর মায়ের নাম ওয়াহশ্যিয়া যার পুর্বপুরুষ ফিহের (৩৯))


৪৩. মুররা


(শব্দটির অর্থ অতিশয় তিক্ত, তার ৩ ছেলে, কিলাব, তায়ম, ইয়াকাযা)


৪৪. কিলাব (তার ২ ছেলে ও ১ মেয়ে)

৪৫. কুসাই (তার ৪ পুত্র ও ৪ মেয়ে ছিল)

৪৬. আবদে মানাফ (অন্য নাম মুগীরা)

৪৭. হাশিম


(তার ৪ ছেলে -আব্দুল মুত্তালিব, আসাদ, আবূ সায়ফী, নাযলাও ৫ মেয়ে - শিফা, খালিদা, যাঈফা, রুকায়্যা, হাইয়া.. আব্দুল মুত্তালিব ও রুকায়্যা আপন ভাইবোন ছিলেন ।

৪৮. আব্দুল মুত্তালিব

(আসল নাম শায়বা, তার এই নামের কারন জন্মের সময়েই তার মাথায় পাকা চুল পাওয়া গিয়েছিল <img src=" style="border:0;" />, তিনি ১৪০ বছর বেচে ছিলেন, তিনিই নাকি চুলে কলপ ব্যবহার করেন সর্বপ্রথম, তার ১০ ছেলে ও ৬ মেয়ে ছিল...আব্বাস, হামজা, আব্দুল্লাহ, আবু তালিব, যুবায়র, হারিছ, হাজলা, মুকাব্বিম, যিরারা, আবু লাহাব.. এবং মেয়েরা ... সাফিয়্যা, উম্মে হাকীম বায়যা, আতিকা, উমায়মা, আরওয়া, বাররাহ) )


৪৯. আবদুল্লাহ


(তিনি পিতার সবচেয়ে স্নেহভাজন ছিলেন । যমযম কুপের সংস্কার করতে গিয়ে বিরোধ বাধলে আব্দুল মুত্তালিব মানত করেন তার যদি ১০ সন্তান জন্ম নেয় এবং জীবদ্দশায় বয়োপ্রাপ্ত হয় তবে ১ জনকে কুরবানী করবেন । পরবর্তীতে তীর টানা (এক ধরনের লটারী) য় আব্দুল্লাহর নাম চলে আসে । তিনি মানত পৃর্ন করতে উদ্যত হলেও অন্যান্য কুরায়শদের বাধা ও পরামর্শে হিজাজের জনৈক মহিলা জোতীষীর পরামর্শ নিয়ে ১০০ উট আব্দুল্লাহর পরিবর্তে কুরবানী দেয়ার মানত করার পরে তীর টানায় আব্দুল্লাহর পরিবর্তে উটের নাম চলে আসে । ) <img src=" style="border:0;" />


৫০. মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


(রাসুল সা এর মাতা আমিনা সমগ্র কুরাইশ বংশের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন মহিলা ছিলেন ।আবদে মানাফ (৪৬)থেকে তার পির্তৃবংশ আলাদা হয়ে গেছে । এবঙ তার মায়ের বংশ কুসাই(৪৫) থেকে আলাদা হয়েছে । রাসুল সা এর মুহাম্মদ নাম আমিনাকে স্বপ্নের মধ্যে জানিয়ে দেয়া হয়েছে । এর আগে আরবে আরো ৩ জনের মুহাম্মদ নাম ছিলো । তাদের পিতা রা জেনে ফেলেছিল যে সর্বশেষ নবী যার আগমনের সময় আসন্ন তার নাম মুহাম্মদ হবে । )

__________________________
রিলেটেড আরো কিছু লিঙ্ক...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28781302 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28781302 2008-03-21 22:52:33
টুপিওয়ালারা শুনুন, "তোমরা সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে ধারন কর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়োনা"
আমাদের চেয়ে বেশি ঐক্যসূত্র আর কার আছে? হাজারো শিরা উপশিরার মত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থেকেও আমাদের পক্ষেই সম্ভব পাশাপাশি দুটি আংগুলের মত একই বিন্দুতে মিলে থাকা । কেবলমাত্র আমাদের পক্ষেই সম্ভব ফিলীস্তীনের শহীদ মুজাহিদটির জন্য ভারতবর্ষের কোন এক অজানা গন্ডগ্রামে বসে দুহাত তুলে চোখ ভাসানো আন্তরিক আকুতিতে ।

এ বিশ্ব আমাদের । আমরা এখানে অনাহুত নই । এ বিশ্ব এবং আমাদের প্রত্যেকের স্রষ্টা এক ও একমাত্র একজনই । আমাদের বিশ্বাস এবং আমাদের চুড়ান্ত গন্তব্যের এই সীমাহীন ঐক্য থাকার পরেও আমরা কেন নিজেদেরকে দুর্বল ভাবি । আমাদের কালেমা এক- আমাদের অনুসরনযোগ্য নেতাও মাত্র একজনই ।

আহা...
এতটা বোকামীও কেউ করতে পারে ! কতটা অজ্ঞানতার অন্ধকারে ডুবে গেলে কেউ পারে দিনের পর দিন একই শত্রুর থেকে আঘাত পেয়ে তাকে পাল্টা আঘাত করার দরজা বন্ধ করে দিয়ে, নিজের ভাইকে আঘাত করতে ! তুমি শিয়া-তুমি সুন্নী-তুমি অমুক-কত অদ্ভুত আমাদের বিভক্তির সীমারেখাগুলি !! আমরা কেন একবার ভাবিনা আমাদের সকলের সেই একমাত্র চুড়ান্ত উচ্চারণ-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ.....মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ...

এতটা অন্ধ হয়ে গেছি আমরা... যতটুকু বড় করা যায়, চোখকে ততটুকু প্রসারিত করে দেখছি , এক আল্লাহ জিন্দাবাদ এর অবিশ্বাসীরা আক্রমন শানানোর জন্য একবারও ভাবছে না কোনটা শিয়া , কোনটা সুন্নী ... কে ইরাকে থাকে আর কে বাংলাদেশের বাসিন্দা... যাদেরকেই ভাবছে কালেমায়ে শাহাদাতের অনুসারী না হোক কেবল উচ্চারনকারী ; ওদের অস্ত্রের নল তাদের দিকেই তাক হচ্ছে নির্দিধায় । উপলদ্ধিতে একটুও আলোড়ন তুলছে না আমাদের । আপসোস আমাদের জন্য ।


খন্দক যুদ্ধের অবস্থাটা ছিলো , সামনে পেছনে , ডানে বায়ে উপর নীচএ... ১০ দিক থেকে মুসলিম বাহিনীকে বিপদ ঘিরে ফেলেছিল । সে যুদ্ধে মাটির দেয়ালের প্রতিরোধ বিজয়ী করেছিল মুসলিম বাহিনীকে । আজ আক্রমনের মাত্রা এতটুকু বাড়েনি বা কমেনি । কেবল মাত্র ধরন পরিবর্তিত হয়ে গেছে । আজকেও অসংখ্য দিক দিয়ে এ জাতিকে আক্রমন করা হচ্ছে । আমরা আক্রান্ত হচ্ছি আমাদের সাংস্কৃতিক মুল্যবোধে, আমরা আক্রান্ত হচ্ছি আমাদের পারিবারিক বন্ধনব্যবস্থায় । আমাদের বিশ্বাসের ভিতকে নাড়িয়ে দিতে আক্রমন শানানো হচ্ছে আমাদের প্রিয় নবীর প্রতি । মিডিয়ার দৈত্যের পায়ের চাপে আমাদের নাভিশ্বাস উঠে গেছে । ... আহা .. আমাদের আলেমরা বিতর্ক তুলছে আরামদায়ক আলস্যে... দাড়ির দৈর্ঘ্য কতটুকু হওয়া দরকার , তারাবীর নামাজ ২০ রাকাত নাকি ৮ রাকায়াত... শবে বরাতের রাতে নামাজ পড়া যায়েজ না নাজায়েজ...

আমরা নিজেদেরকে বিভক্ত করে ফেলছি.. ওরাও যতটা সম্ভব উষ্কানী দিচ্ছে সে বিভক্তির দাবানলে..কিন্তু বিশ্বাস করুন তাদের চোখে আমরা এতটুকু বিভক্ত নই । তাওহীদের অনুসারীরা ওদের চোখে ঠিকই একটামাত্র দেয়ালের ভিন্ন ভিন্ন ইট । ওদের উদ্দেশ্যে কোনরকম ভিন্নতা নেই কারো প্রতি । ভৌগোলিক সীমারেখা আমরা টেনে দেই..ওরা টানেনা...ইরাকী মুসলমান আর কাশ্মীরের মুসলমান যেমন একই ব্যবহার পায় বাঙালী মুসলমান তার থেকে ভিন্ন ব্যবহার পাবে, এটা কখনও সম্ভব নয় । সুন্নী মুসলমান তাদের ধ্বংসের টার্গেট-শিয়া মুসলমান সে টার্গেটের বাইরে নয় ....


ভেঙ্গে ফেলো সকল বিভেদ-দেয়ালগুলি
একত্র হও ,এক কাতারে, আজ সবে...
দেখবে; কোথায় পালিয়ে গেছে শেয়ালগুলি,
এই ধরনী আবার খোদার রাজ হবে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28779726 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28779726 2008-03-16 23:14:26
এক মধ্যবয়সী নারী এখনও রয়েছে হাত বাড়িয়ে
এতবড় বাড়িতে ঘর একটাই । টিনের চালা ।

এটা স্বরুপকাঠি গ্রামে মমিনউদ্দিনের বাড়ি । ৫ ছেলে ২ মেয়ে মমিনউদ্দিনের সংসারে ।

পাশের বাড়ির তোফাজ্জল রাজাকার দলে নাম লিখিয়েছে ! হতাশ হয়েছে আব্দুর রহিম । ছোটবোনের সামনেই সশব্দে প্রার্থনা করেছিলো, আল্লা অগো বাড়ির সবকয়ডা মিলেটারীর গুল্লিতে যেন মরে । অবাক বেনুকে বলেছে কারন , অইবাড়ির পুবের বাগানে বড়ই গাছে এই বড়বড় বড়ই পাকছে । মুই একলা খাইতে পারতাম তাইলে...

বেনুর চাইতেও ১ বছরের ছোট আব্দুর রহিম ।

এক সন্ধ্যায় গানবোট ভেসে যায় সুগন্ধ্যা নদী থেকে । মাইকে তোফা রাজাকারের চিৎকার শোনা যায় । গ্রামবাসীকে হুশিয়ারী দিয়ে যাচ্ছে বাংলায় । রাতের একটু গভীরে শিউরে উঠে স্বরুপকাঠি গ্রামের বাসিন্দারা । কানফাটানো গর্জন শোনা যায় উত্তরের দিক থেকে । বিমান বন্দর ওদিকে । মিলিটারী ক্যাম্প করেছে যেখানে । গোয়ালের গাভীগুলো ভয়ে ডাকাডাকি করতে থাকে , দরজা খুলে ঘরের দক্ষিনে চলে যায় বাড়ির বাসিন্দারা । বুকসমান উচু মাটির ভিত্তির আড়ালে বসে দোয়া-ইউনুস পড়তে থাকে , কেউ মনে মনে , কেউবা শব্দ করে । দুজন কামলার সাথে মমিনউদ্দিন নিজে চলে যান গোয়ালে । ৫ টা গরু হাকিয়ে নিয়ে আসেন এপাশটায় । ৬-৭ টা ছাগল ও স্থান পায় ঘরের আড়ালে ।

তেমন কিছু ঘটেনা রাত্রিবেলা । জীবনের কিছু ভিন্নমাত্রার অভিজ্ঞতা হয় মাত্র । সামান্য অনিশ্চয়তা কেটে যায় ভোরের সূর্য উঠলে । ৫ ভাই বাবার সাথে চলে যায় মাঠে । বেনুকে মা পাঠান নদীর ধারে শাক তুলতে ।

আচামকা দুম শব্দে কলিজা উড়ে যায় বেনুর । পায়ের কিছুটা দুরে ঘুরছে একটা কি যেন । দুরে .. নদীতে দেখা যায় মিলিটারী গানবোট । অতদুর থেকেই মেশিনগানের টার্গেট করেছে শাক তোলারত নিরীহ কিশোরীকে । উদ্র্দ্ধশ্সাসে বাড়িমুখে দৌড় দেয় মেয়েটা । বাড়ির মধ্যে ঢুকে কাপতে থাকে থরথর করে । দাদা দাদা.. বলে আবার ছুটে যায় মাঠে । বাবা-ভাইদের কাছে সংবাদটা পৌছে দেয় ।

থুরথুরে বুড়া সেকান্দার রাস্তার পাশে বসে হুক্কা টানছিলো । বয়রাটা খেয়াল করতে পারেনি । পিছনে ধুম লাথি খেয়ে ছিটকে পড়ে ডোবার মধ্যে । হতবাক আতঙ্কে কোনমতে ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখে ১০-১৫ জনের একটা পাকি দল গটমট হেটে চলে যাচ্ছে ।

বিরাট জামগাছটার মগডালে বসে ছিলো আব্দুর রহিম । আতঙ্কিত হয়ে লক্ষ্য করলো বাবা রাস্তার দিকে যাচ্ছেন । মিলিটারীরা থামালো তাকে । ফ্যাকাসে মমিনউদ্দিনের সাথে কি যেন কথাবার্তা হলো... আঙুল তুলে এদিক ওদিক কিছু দেখিয়ে দিয়ে পিছনে ফিরে বাড়ির মধ্যে আসতে শুরু করলো । দু তিন কদম হেটে ভয়ে আতংকে ঝেড়ে দৌড় দিলো মমিনউদ্দিন ।

বিকেলে বাজার থেকে ফিরে সবার বড় শামসুদ্দিন জানালো বাজারের দুলাল সাহা আর অজয় পোদ্দারকে মেরে ফেলেছে । নদীর বাধানো ঘাটের ওপরটা রক্তে ভেসে গেছে ... যুদ্ধের প্রথম মৃত্যুসংবাদ ।

২ মেয়েকে নানাবাড়িতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয । অন্যরা বাড়িতেই থাকবে । কোন কার্যকর সিদ্ধান্ত নয় .. সবাই ই বুঝতে পারে ..পুরো দেশ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিনত হয়ে গেছে । বিভীষিকামুক্ত একটা নিরাপদ কোন কোথায় ? আব্দুর রহিমের চেচামেচিতে সেও সফরসঙ্গী হয় বোনেদের । বুয়া মুইও যামু, বলে বড়বোন শানুর আচল চেপে ধরে আর ছাড়েনি ।

সুগন্ধ্যা পাড়ি দিয়ে একটা পরিবার দু টুকরা হয়ে গেলো সেদিন রাতেই ।

ভুল ছিলো, যে ভুল আর কোনোদিন শুধরে নেয়া যায় না । বেনু-শানুদের মামার গ্রামটাতেই আগে আগুন ছড়ালো ব্যাপকভাবে । যুদ্ধের আগুন-প্রতিশোধের আগুন-বিক্ষোভের আগুন-কাপুরুষদের জ্বালানো আগুন ।

আগুনে পুড়লো , যারা পুড়তে চেয়েছিলো...
আগুনে পুড়লো যারা পুড়তে চায়নি, তারাও...

মিলিটারীরা তিন মামাকে ঝাজরা করে দিলো । রাজাকারেরা লুটে নিলো বাড়িতে সম্পদ বলতে যা ছিলো...

বেতবনের পেছনের শুকনো ডোবায় লুকিয়ে বেনু বেচে গেলো । আগুনের আভায় শেষবারের মত দেখেছিলো আব্দুর রহিম আর শানু পেছনের বাগান দিয়ে নদীর ঘাটের দিকে দৌড়াচ্ছে । দুজনের আর কোন খোজ পাওয়া যায়নি..কখনও...

মধ্যবয়সটা কত ? ১০+৩৭=৪৭- নাহ এটা তো বুড়ো প্রায় ...

যাই হোক না কেন ... বড়বাড়ির যে দোতলা ঘরটা থেকে মাঝে মধ্যেই ইনিয়ে বিনিয়ে কান্নার সুর ভেসে যায় বাতাসে ... ওটা বেনুর ঘর..


Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28779466 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28779466 2008-03-15 22:42:17
কি বলে<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /> আজ নাকি সবার মনখারাপ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> আছে বড় পাশ তার
গম্ভীর মুড নিয়ে হাঁটে সে<img src=" style="border:0;" />

মস্তকে টাক তার
চুলে শত বাঁক তার
নিজ হাতে কাঁচি নিয়ে কাটে সে<img src=" style="border:0;" />

নাপিতের গোষ্ঠী
পায় ফোঁস-ফোঁস টি<img src=" style="border:0;" />
পারে নারে টাকা কভূ খসাতে

ব্যায়ামের ওস্তাদ
টোস্ খেয়ে ভাঙে দাঁত
ঘাম ঝরে ওঠা আর বসাতে:-*

কঞ্জুসী ভাব তার
কারো কোন আবদার
কানে ঢোকে, নাহি ঢোকে পকেটে<img src=" style="border:0;" />

আটকিয়ে ঝাপ-দোর
কষে দেয় থাপ্পর
সাজা এই বেহিসাবী শখেতে<img src=" style="border:0;" />

ইশকুলে ক্লাসে
খাঁটে সারা বেলা-সে
বিশরাম নাই এক রত্তি...<img src=" style="border:0;" />


শাষনের পদ্ধতি
নয় তার বদ-অতি
ঘুষি হাঁকে বলেনা যে সত্যি<img src=" style="border:0;" />

হাসে যদি ছাত্রে
বের করে দাঁত-রে
কাঁদা এনে দ্যান দাঁতে লেপ্টে<img src=" style="border:0;" />

যদি পড়া না পারে--
মারে ফের চাপা-রে
দেরী কভূ হয়না-তো খেপতে<img src=(" style="border:0;" />

মহা খেপে মাষ্টার
ছুড়ে মারে ডাষ্টার
গালাগালি শুরু করে বেঁহোসে<img src=(" style="border:0;" />

ধুমাধুম ছয়-সাত
ঘুষ্-কিলে হয় কাত
মেরে দেয় আধখানা দেহ-সে <img src=" style="border:0;" />

কাঁদে যদি ছাত্রে
মারে নারে গাত্রে
বেঞ্চির পায়া খুলে রাখে সে<img src=" style="border:0;" />

ইশকুল পালালে
গুনগুন লা-লা-লে
গান গেয়ে ওঁৎ পেতে থাকে সে/<img src=" style="border:0;" />


<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28775059 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28775059 2008-02-29 08:21:36
আমার শানকি-ভরা ফুলের মত ভাত " style="border:0;" />

রমজানে বাড়িতে থাকলে ইফতারীতে ভাত খেতে আকুপাকু করে মন <img src=" style="border:0;" /> আব্বা হয়তো জিলাপী টিলাপী -আরো কি কি কিনে আনেন , ছুয়েও দেখতে ইচ্ছা করে না । প্লেট উঁচু করে ভাত নিয়ে গোমরা মুখে বসে থাকি <img src=" style="border:0;" />

সত্যিকারের এক ভেতো বাঙ্গালী আমি ! কোন এক পাঠ্য বইয়ের কবিতার একটা লাইন মাথায় ঘুরপাক খায়<img src=" style="border:0;" /> তুই যে আমার শানকি ভরা ফুলের মত ভাত - ভাষার সাথে তুলনা করেছিলেন কবি, আমি ভাত খাওয়ার সময় কেন যেন এটা ভাবতে খুব ভালো লাগে, ভাত নয়-ধবধবে সাদা কোন সুরভিত ফুল খাচ্ছি । বিশ্বাস করুন, একেবারে সত্যি কথা বলছি ...:-*


ভাতের অবশ্য কয়েকটা রকমফের আছে, আমার ! সবচেয়ে ভালো লাগে পান্তা ভাত ! সাথে যদি থাকে মুচমুচে একটা ডিমভাজা তাহলে বেষ্ট <img src=" style="border:0;" /> না থাকলে দু-তিনটা পোড়া-শুকনো মরিচ এবঙ অবশ্যই অনেকখানি লবন । পৃথিবীর সেরা খাদ্য <img src=" style="border:0;" />

ইউনি বন্ধকালীন হলে থাকলে মাঝে মধ্যে রুমে রান্না করি মজা করে। এসময়ের মুল আকর্ষণ হয় মাড়-ভেজা ধোয়া ওঠা খুব নরম গলানো গরম ভাত । মাখালে ময়দার মত মিশে যাওয়া ভাত-উফ কি মজা !!

আরেকটা আছে । আমি বলতাম ভাত ভুনা । এস.এস.সি. পরীক্ষার সময় প্রথমে আব্বার কাছ থেকে শিখেছি । রাত জেগে পড়তাম । একদিন রাত দুটার দিকে আব্বা কেরোসিন কুকারে জিনিসটা বানালেন । সত্যি, সে এক খাবার বটে । এখনও বাড়িতে গেলে এটা বানানো চাই ই, নিজেই বানাই । বড় একটা পেয়াজ কুচি, ৬-৭ টা কাচামরিচ সেটাও একেবারে কুচি করে কাটা , হলুদ, সয়াবিন তেল আর দুএকটা এলাচ । মশলাগুলো গরম তেলে একটু সিদ্ধ হয়ে এলেই প্লেট মেপে ভাত ছেড়ে দেই । তারপর চামচ দিয়ে অনবরত নাড়ানো । একটা সময় ভাত কড়াইয়ের গায়ে লেগে লেগে গেলে স্বাদের পূর্ণতা <img src=" style="border:0;" />

রুমে রান্না করার জন্য লাষ্ট চাল কিনেছি ৪৫ টাকা কেজিতে <img src=" style="border:0;" /> আমার শখের ভাত খাওয়া প্রজেক্ট বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে বলে মনে হচ্ছে <img src=(" style="border:0;" /> আমার ফুলের মত ভাত , আহা... বাড়ি যাবো খুব শিঘ্রি...ভাত খেতে বাড়ি যাবো ...<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28773141 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28773141 2008-02-22 23:19:20
আজকের দিনে ক্যামনে আনন্দ করি ? " style="border:0;" />
উনারা সব ঝলমল করতেসেন হলুদ কাপড়ের উজ্জলতায় । চোখ তুলে তাকাতে পারিনা কোনদিকে..<img src=" style="border:0;" />

কি ব্যাপারস ? ১৪- ফেব্রুয়ারী তো আজ না ..:-*
অনুসন্ধানে জানা গেলো আজকে ১-লা ফাল্গুন । তাই চারিদিকে এহেন বসন্তবরনের উচ্ছ্বাস...

আজকা ১-লা ফাল্গুন হইলেও দিনটা একলা মানুষদের জন্য না । বুঝতে পারছি একটু একটু..জোড়া শালিকদের ভীড় দেখেছি ফুটপাথ আর রিক্সায়... <img src=" style="border:0;" />

বন্ধু মুহিব আর কামালের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্তে পৌছালাম, বসন্ত আসলে আমাদের জন্য সেরম(!) কিছু না । এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আহা..জীবনের আরেকটা বসন্ত একলা একলা পার হয়ে যাচচে..<img src=" style="border:0;" />


<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28769956 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28769956 2008-02-13 12:06:27
ইসলাম গ্রুপের পোষ্টের কিছু বৈশিষ্ট্য
ইসলামগ্রুপে কেবল নামাজ পড়ার নিয়ম শেখানো আর রোজার ফজিলত বর্ণনা করা হবে এমনটা ভাবার কোন কারন নেই..

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা .. ইসলাম গ্রুপ ইসলামের সাথে সম্পর্কিত যে কোন বিষয় তার পাতায় তুলে ধরবে ।

মুসলিম বিশ্বের খবরাখবর তো সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । উইকিপিডিয়ায় প্রদত্ত তথ্য ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে কি আচরন করে তাও ইসলাম গ্রুপ পর্যালোচনা করবে ।

ইসলামী সঙ্গীতের ইউটিউব প্রেজেন্টেশন ইসলাম গ্রুপে থাকতেই পারে ! ইসলামী মোরালিটিসম্পন্ন গল্প এগ্রুপের সৌন্দর্য...

জামাত ইসলাম নাম নিয়ে রাজনীতি করে এদেশে । এদের রাজনীতি কি ধারার -তা নিয়ে আলোচনামূলক পোষ্ট ইসলামগ্রুপের নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক নয়। ইসলাম গ্রুপে বরং এদেশের সবগুলো ইসলামী দলের আলোচনা হওয়া উচিত..

তাছারা শুধুমাত্র ইসলামের প্রতি ভালোবাসার কারনে যদি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে রাজাকার বলা হয়-তার প্রতিবাদী পোষ্ট ও ইসলাম গ্রুপ সাদরে স্থান দেবে তার পাতায় ।

মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যে গ্রুপটি ব্লগে চমৎকার একটি অবস্থান নিতে পারলেও সবাইকে মনে রাখতে হবে এটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে.. এমনকি গ্রুপের নীতিমালা নিয়ে আলোচনামূলক পোষ্টটিও এখন পর্যন্ত ফাইনাল করা হয়নি ....

যারা এতো অল্প সময়েই ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলছেন, তাদের কে গ্রুপের বেশ কয়েকটি আলোচনামূলক পোষ্টে অংশ নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরার আহবান জানাচ্ছি..

আর গ্রুপ ছেড়ে দিতে চাইলে দয়া করে শিশুতোষ নাটক করবেন না । এধরনের নাটক-সিনেমা মার্কা কাজ করে কেউ কোনদিন ইসলামকে যেমন পরাজিত করতে পারে নি ঠিক তেমনি ইসলাম গ্রুপের অবস্থানকেও দুর্বল করতে পারবেনা, ইনশাআল্লাহ...


এখানে দেখুন ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28769408 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28769408 2008-02-11 22:46:34
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সর্বশেষ ভাষণ - ইসলামী জীবনব্যবস্থার আন্তর্জাতিক মেনিফেষ্টো সবচেয়ে বড় ইসলামী সমাবেশে ভাষণ ।

আন্তর্জাতিক মেনিফেষ্টো হিসেবে এদুটি ভাষণে রাসুল সাঃ যা বর্ণনা করেছেন, তা মানবীয় চিন্তা ও কল্পনার অতীত । এতে আল্লাহর একত্বের বিপ্লবী আকীদা ঘোষণা করা হয়েছে । আল্লাহর আনুগত্যকে ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলিক চালিকাশক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে । পরস্পরের জানমাল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে-হত্যাকান্ডের শাস্তি মৃত্যুদন্ড অপরিহার্য করা হয়েছে ।

সুদখোরির বিধ্বংসী রীতি উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রতিশোধ ও পাল্টা প্রতিশোধের অব্যাহত ধারার অবসান করা হয়েছে । স্বামী-স্ত্রীর অধিকার নিশ্চিত করে পারিবারিক ব্যবস্থার ভিত্তি মজবুত করা হয়েছে ।

আল্লাহর একত্ব ও মানবজাতির আদি-পিতার একত্বের ভিত্তিতে মানবীয় ঐক্যের ধারনা দিয়ে সকল প্রকার ভৌগলিক ও বংশীয় ভেদাভেদকে নিশ্চিহ্ণ করা হয়েছে ।

যখনই এবং পৃথিবীর যে স্থানেই ইসলামী আন্দোলন চলবে এবং ইসলামী ব্যবস্থা চালু হবে , তার ভিত্তি এই মতাদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে । এ মেনিফেষ্টো ইসলামের মৌলিক মেনিফেষ্টো-মানবজাতির মুক্তির মহাসনদ । এ মেনিফেষ্টোর বিপরীত যেকোন জীবনব্যবস্থা অনৈসলামীক এবং অবশ্যই বিশ্বজাহানের একমাত্র স্রষ্টা আল্লাহ রব্বুল আলমীনের নিকট অগ্রহনযোগ্য ।

প্রিয় নবীর এ সর্বশেষ ভাষণ অনন্তকাল ধরে অনাগত মুসলমানদের জন্য অর্পিত দায়িত্বস্বরুপ । রাসুল সাঃ এ ভাষণের প্রতিটি অংশ বলার পরেপরেই বলেছিলেন উদাত্তকণ্ঠে , আমি আল্লাহর বানী পৌছে দিয়েছি । একথাটা জানার পরে প্রত্যেক মুসলমানের সতর্ক হয়ে যাওয়া দরকার ।

যে উদ্দেশ্য সফল করার জন্য রাসুল সা এত কষ্ট - এত নির্যাতন সহ্য করেছেন-যে অপরিসীম ধৈর্য ও সহিষ্ণুতারকোন নজীর পৃথিবীতে নেই... প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সেই উদ্দেশ্য সফল করার কাজে এগিয়ে আসা ।

ছবির জন্য কৃতজ্ঞতাঃ ব্লগার তাহসিন সাঈদা মুন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28767755 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28767755 2008-02-06 23:20:39
পুলিশের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি নাকি পেতে যাচ্ছি ?<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
কি মনে করে ওনাদের কাছে গিয়েছি । দেখি মোটামোটা পাটের বস্তার মত কি সব গায়ে দিয়ে আছেন<img src=" style="border:0;" /> আমি কেমনে যেন বুঝাতে পারলাম আমার শীতার্ত অবস্থা <img src=" style="border:0;" /> এক ভাইজানের দয়া হলো <img src=" style="border:0;" /> আমাকে একটা জ্যাকেটের মত দিলেন । দিলেন তো দিলেন-নিজের হাতে পড়িয়ে দিলেন<img src=" style="border:0;" /> ভালোই গরম জিনিস ..

সমস্যা হলো জ্যাকেটটার শুধু একটা পাশ আছে :-* আমার এক হাত ওটার হাতার মধ্যে ঢুকেছে । অন্য পাশ খালি <img src=" style="border:0;" />

এরপরের কিস্যু মনে নাই ..

ঘুম ভাঙছে ৩ টার সময়<img src=" style="border:0;" />

দুপুরে ক্লাশ শেষে রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । হিম হিম আবহাওয়ায় কম্বল জড়িয়ে আরামদায়ক সময় । বলা যায় গভীর ঘুম একেবারে ।

একটু চিন্তা লাগছে/<img src=" style="border:0;" /> পুলিশের উষ্ণ অভ্যর্থনা খুব ভালো কিছু নয়...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28766439 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28766439 2008-02-02 20:16:11
বুড়ো আমি কাঁদি একা ; ইনিয়ে... বিনিয়ে...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> নাকি চাস্ হৃদয়ের উত্তাপ ; অঞ্জন ,
বল তুই ভালো করে, একখানা মন চাস্ -
নাকি শুধু বন্ধুর , টাকা লাখ পঞ্চাশ ?

বোকা আমি ;- ধোঁকাবাজ করে মৃদু চালাকী ,
'সুতো বিনে শুধু ফুলে হবে ভাই মালা কি ?
জেনে নিও দরকার , ফুল-সূতো উভয়ের
দু’জনার মিলে হবে আগমন শুভ-এর’ !

কুঞ্চিত কপালেতে ভাবি এই তত্ত্ব ,
অঞ্জুর কথাগুলি কতখানি সত্য ।
মগজের ইঞ্জিণ ; গতি অতি মন্থর ;
ভেবে কুল পায়না-রে দুর্বল অন্তর !
শুভ হবে ওর সাথে দোস্তিতে মাতলে ?
মনটাতো দেয়না - হে কোন পথ বাৎলে ।

তাই........

দ্বিধাহত মনটারে সিধাহাতে রুখে দেই ,
ভাবনার ইতে টেনে বন্ধুকে বুকে নেই

আহা........

ভাবনার ইতি টেনে বন্ধুকে বুকে নেই ....
সেই ভূলে এ-জীবনে আজো আমি সুখে নেই ।
নিঃস্ব করে মোরে সব নিলো ছিনিয়ে ,
বুড়ো আমি কাঁদি একা ; ইনিয়ে... বিনিয়ে....


<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28765664 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28765664 2008-01-30 23:29:48
উইন্ডোজ মুভি-মেকার ব্যবহার করতে পারছিনা- সমাধান দিন " style="border:0;" />। দেখে মনে হচ্ছিলো সে কিছু একটা লিখছে । চোখে চশমা থাকার কারনে বোঝা যাচ্ছিলো না <img src=" style="border:0;" />

আমি গোসল করে রুমে এসে দেখি ব্যাপারটা । চুপচাপ অন্য রুমমেটের মোবাইলটা নিয়ে বেশ কিছু ছবি তুলে ফেলি <img src=" style="border:0;" /> ছবিগুলো দিয়ে মুভি মেকার দিয়ে মিনিট দুয়েকের একটা গানের সাথে এড করে দেই । দারুন মজা হয়েছিলো ।

মুভিমেকার দিয়ে মজার মজার কাজ করা যায় । আমার খুব প্রিয় একটা ফিচার । কবে ঠিক মনে নেই, হঠাত করেই অপশনটা কাজ করছে না /<img src=" style="border:0;" />ওপেন করতে গেলে বলে , আনস্পেসিফাইড এরর <img src=(" style="border:0;" /> প্রিন্ট স্ক্রীণ দিলাম ।

নতুন করে সেটআপ দেয়ার পরে দুচারবার কাজ করে । এরপর আবার একই সমস্যা...

কি করা যায় ?

কম্পিউটার গ্রুপে প্রকাশিত...



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28765658 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28765658 2008-01-30 22:59:52
মেয়েটি বেঁচে আছে কিনা জানিনা...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
মনির ভাইএর সাথে আমার এক্সট্রা খাতিরটা হয়েছিল সাইকেলের কল্যাণে। আমার একটা সাইকেল ছিলো বাড়িতে থাকতে । উনি প্রায় প্রতিদিন এসে সাইকেলটা নিয়ে যেতেন- এত বিরক্ত হতাম- তারপরও কিভাবে কিভাবে যেন ওনার ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেলাম ।

তো... ঢাকায় প্রথমদিনই মাথা আউলা হয়ে গেলো । কি যেন একটা হাহাকার - আমার আম্মা কোথায় আর আমি কোথায়.. কিভাবে সম্ভব আমার পক্ষে ঢাকায় থাকা

বিকেলবেলাই মনির ভাইকে বুঝাতে চাইলাম, আমি বাড়িতে থেকেই ভর্তিপরীক্ষার প্রস্তুতি নেব ।

যেভাবেই হোক উনি আমাকে ঠেকালেন...

পরদিন বিকেলে ঘুরতে বেরিয়েছি । সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউ । ঢাকার ম্যাপে সবচেয়ে মোটা দাগের রাস্তা ..

হাটছিলাম ফুটপাথ ধরে । আচমকা কিছু অদ্ভূত শব্দ অনুভব(!) করলাম । সে শব্দ বা দৃশ্যকে মানুষের ভাষায় রূপান্তর করা যায়না । চিতকার-হাহাকার...কেমন এক মিশ্রন..

গাড়িটা কেঁপে উঠেছিলো..

একটা মেয়ে রাস্তায় পড়ে আছে..তার বোনটা হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছে..এদের একটা ভাই গাড়িটার পেছনে দৌড়াচ্ছে থামানোর জন্য...

মনির ভাই ছুটে গেলেন । আমি দুহাতে মুখ চেপে স্থানুর মত দাড়িয়ে রইলাম..

পরদিন সবকটা পত্রিকা উল্টেপাল্টে দেখেছি, কোথাও খবরটা পাইনি । ধারনা ছিল, ভিআইপি রোডে এক্সিডেন্টের খবর পত্রিকায় আসবে..আমি জানতে পারবো মেয়েটা বেচে আছে কিনা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28764706 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28764706 2008-01-27 16:01:30
এক ভন্ডের ইসলাম এ্যালার্জি- অতি পরিচিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী নমুনা যেকোন জিজ্ঞাসা, খবরাখবর, আলোচনা ও চিন্তা.....
করার জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরী করা হয়েছে সামহোয়্যার ইন ব্লগে গ্রুপিং ফিচারের মাধ্যমে ।

নতুন ভার্সনের পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলেও ইসলামিক মাইন্ডেড ব্লগারদের কোন গ্রুপ তৈরী হচ্ছিলো না । ইতোমধ্যে অনেকগুলি গ্রুপ তৈরী হয়ে গেছে । গ্রুপের পেইজ থেকে সার্চ করার অপশন যোগ করা হয়েছে ইতোমধ্যে । সেই ভন্ড এতগুলো গ্রুপ তৈরী হওয়ার মধ্যে কোন বিভক্তির লক্ষণ খুজে পায়নি । এখন " ইসলাম" নামের গ্রুপ তৈরী হওয়ার পর তার বোধোদয় হয়েছে, আহারে বাংগালী জাতি বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে ...

এই পাবলিকের পরিচয় কি ? দেশপ্রেমিকের মুখোশ ধারী এই পাব্লিক প্রচন্ড গালিগালাজ করার কারনে ২৪ ঘন্টা ব্যান থেকেছিলো একবার । সামহোয়্যারিনে মহানবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ কে কটাক্ষ করে ছবি প্রকাশকারী ব্লগারদের ডিফেন্ড করে সে নির্দ্বিধায় ! যে কোন অশ্লীল পোষ্টে তার উৎসাহমূলক কমেন্ট খুজে পাওয়া যায় ...


ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা কি বই পড়ে জানার দরকার আছে বাঙালী জাতির ? ধর্মনিরপেক্ষতার মুখ ভরা বুলি আর ভার্চূয়াল রাজাকার নিধনের সুষ্পষ্ট ও পরিচিত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইসলাম কে সহ্য করতে না পারা ।

আমি নিরপেক্ষ...কারন আমি মনে করি প্রত্যেকের অধিকার রয়েছে প্রত্যেকটি সুযোগ লাভ করা ....বাট একটা সমস্যা...ইসলাম বা ইসলামি ব্যাক্তিত্ব কিন্তু রাজাকার ..কাজেই যদি রাজাকার না হতে চাও তবে ইসলামের নাম মুখে এনোনা..
এই হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষ ভন্ডামির নমুনা ...

এদের ইসলাম ঠেকানোর সস্তা পদ্ধতি সে এখানেও আ্যপ্লাই করেছে । ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে http://www.somewhereinblog.net/group/islam এ নাকি রাজাকার আছে !!!

ছি..কি কুৎসিত শয়তানী ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28763721 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28763721 2008-01-24 07:13:37
ঘুম আসিতেছে না / ঘুম ইজ নট কামিং <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> তার সঘন <img src=" style="border:0;" /> আল্টিমেটাম-মানে ঘনঘন হুমকি-ধামকি চলছে ফুলস্পিডে..

এরই মাঝে ৫ দিনের প্লান নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু । ৫ দিন থাকতে পারিনি । ৩ দিন পরেই খবর এলো, দেশব্যাপী অবরোধ না কি যেন । বাংলাদেশ অচল করে দিবেন নেতৃ-বঙ্গবন্ধুর কন্যা/<img src=" style="border:0;" /> ..

অতএব বাক্সপ্যাটরা গুছিয়ে আমরা ব্যাক টু দ্যা প্যাভিলিয়ন ।

যা হোক... ঘুমের নাম শুনেছিলাম আগেই । বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলস্টেশন নাকি । শিলিগুড়ি থেকে দুপুর ২.০০ টার দিকে আমাদের জীপ চলতে শুরু করেছে । বেশ উত্তেজিত সবাই । কারন অল্প একটু পরেই দেখা গেলো রাস্তা উপরে উঠতে শুরু করেছে । হুমরি খেয়ে সবাই জানালার দিকে নাক ঠেকিয়ে রেখেছে । বিষ্ময়কর সৌন্দর্য চারিদিকে । আমাদের গাড়ি উঠছে তো উঠছেই । একসময় শুরু হল প্যাচানো রাস্তা.. যাষ্ট 'সাপের মত প্যাচানো' যাকে বলে !

পকেটভর্তি জলপাই ছিল। কাজ হলোনা । একসময় অসুস্থ হয়ে পড়লাম আমি । কষ্টের চেয়ে বিব্রত বেশি । ভাবছি অন্যদের কথা- ইশ কি ভাবছে ওরা !

কিছুক্ষণ পর স্বাভাবিক হলাম । সৌন্দর্য দেখা বাতিল তখন <img src=" style="border:0;" /> কেবল একটাই চাওয়া... ঘুম, তুমি চলে এসো..

কারন ঘুম চলে আসা মানে আমাদের যাত্রা শেষ<img src=" style="border:0;" /> প্রায় । গাড়িটা থামলে বাচি ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28763088 http://www.somewhereinblog.net/blog/kashfulblog/28763088 2008-01-22 03:09:29