.

সকল বাংলাদেশী ভাইদের প্রতি,আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১২:৫৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

এই ব্লগের অনেক ভাইকে দেখলাম এই সরকারের ও সেনাবাহীনির বিরুদ্বে লিখতে।কেউ নিজের স্বার্থে,কেউ না বুঝে,কেউ অনেক দিন মিছিল মিটিং হচ্ছেনা তাই পকেটের অবস্থা খরাপ সেই স্বার্থে, কেউ মিডিয়ার অপপ্রচারকে সত্য বলে,কেউ না বুঝে , কেউ আরেকজন বলে তাই আমিও করি এবং কেউ এটা দেশের ভাল বা জনগনের ভাল মনে করে করে।
আমাদের অবস্থা সেই ভাল্লুক আর মাছির ও তার মালিকের গল্পের মত।
ভাল্লুকের মালিকের গায়ে একটি মাছি বসেছে।ভাল্লুক সেটি তাড়াতে চায়।হাত দিয়ে অনেক চেষ্টা করল,কিন্তু মাছিটি আবার এসে বসে যায় মালিকের গায়ে।তাই এবার ভাল্লুকটি ঠীক করল মাছিটিকে তাড়াতে হবে।মাছিটি তাড়ানোর জন্য সে মালিকের গায়ে ঝাপ দিল।মাছিটিকে মারল এবং মালিককেও মারল।আমাদের অবস্থা ও তাই।

৩০ লক্ষ মানুষ সেদিন শহীদ হয় নাই এমন দেশের সপ্ন দেখে।এক জালিম পাকিস্তানি শাসকদের কাছ থেকে মুক্তি পায়ে অন্য জালিম শাসকদের কবলে পড়বে।সাধারন মানুষদের উপর জুলুম করবে।তাদের অর্থ আত্বসাত করবে। তারা রাস্তায় হামার গাড়ি চালাবে, BMW চালাবে জনগনকে শোষন করে।আর সাধারন মানুষ ফুটপাতে ভিক্ষা করবে। এরা সন্ত্রাসী পোষবে আর সাধারন মানুষের উপর অত্যাচার চালাবে।ধর্ষন করবে মেয়েদের,চাঁদাবাজি করবে আর বক্তৃতায় স্বাধীনতার কথা বলবে,গনতন্ত্রের কথা বলবে। মানুষের গাড়ি জ্বালাবে,গাড়ি ভাঙবে,হরতাল করে দেশের ক্ষতি করবে।দেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাবে।এই দেশ সেদিন শহিদেরা চায় নাই।এই সরকার এই প্রথম রাজনৈতিক অপরাধিদের বিরুদ্বে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছেন।
যাদের নগ্ন হাতের থাবা থেকে সাধারন মানুষেরা রেহাই পাচ্ছেনা।
আর আমরা কিনা সেই সরকারের বিরুদ্বে উঠেপড়ে লেগেছি।
আমাদের ধৈর্যের প্রয়োজন আছে।এই সরকার আমাদের দেশকে রাতারাতি স্বর্গ বানিয়ে দিবেনা।
আর মিডিয়ার অবস্থা দেখুন প্রায় প্রত্যেক মিডিয়ার মালিকেরা দূর্নিতির সাথে জড়িত।এবং এরা অনেকে বন্দীও।তাই তাদের সাংবাদিকেরা এই সরকারের বিরুদ্বে লিখবে না পক্ষে লিখবে?।আমাদের এই সরকার মানুষ ফেরেশতা না ।তাদের তো ভুল হবেই।এরা মানুষ।
তবে আমাদের রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীর চেয়ে ভাল মানুষ।যারা দেশের ভাল চায় ,মঙ্গল চায়।
যারা দূর্নিতিমুক্ত একটি দেশ চায়।
একটি শোষনমুক্ত সমাজ চায়।
দ্রব্যমূল্যের দামটা বেড়ে গেছে।কারন সেই কালো ব্যবসায়ীরা পন্য আমদানি করছেনা।ধরা খাওয়ার ভয়ে।তাই ওরা চিন্তা করছে অনেক দিন ধরে তো ব্যবসা করলাম ৫ টাকার জিনিস ১০ টাকায় বিক্রি করলাম,অনেক লাভ হলো।তাই কিছুদিন ব্যবসা না করলেও চলে।তবে এটিও একসময় ঠীক হয়ে যাবে।
কারন আমদানিকারকদের উপর থেকে ঋনের সুদের হার ১৬ শতাংশ কমিয়ে ১৩ শতাংশ করেছে।অনেক নতুন ব্যবসায়ী তাই আগ্রহ দেখাচ্ছে আমদানিকরার।
আর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অন্যদিন লিখবো।এরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
৩০লক্ষ শহীদদের প্রতি,
ওহে শহীদেরা তোমাদের আত্বার প্রতি সালাম।
তোমরা যে শোষনমুক্ত দেশ চেয়েছিলে তা আমরা দিতে পারিনি।আমাদের ক্ষমা করে দিও।
আমরা আজ বড় অসহায়।

বি:দ্র: যদি আমার কোন লিখা ভুল হয় দয়া করে মন্তব্যের ঘরে লিখুন।এবং গঠন মূলক সমালোচনা করুন।নীতিহীন মন্তব্যে করবেন না।

 

 

  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ৩৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:১০
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার সাথে একমত। এ সরকারকে সময় দেয়া উচিত। জিনিসপত্রের দাম বাড়া ছাড়া এ সরকারের ব্যর্থতা শুন্যের কোঠায়।
২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:১৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: ভাল বক্তব্য । ফুল মার্কস ৫ ! যদিও কিছু বানান ভুল খুব চোখে লাগছে । 'শহীদ' 'দূর্নীতি' এরকম আরে কিছু বানান ঠিক করে নিন ।
৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:১৮
comment by: কায়েস মাহমুদ বলেছেন: সত্যি কথা বলেছেন লেখাজোকা ভাই।
দ্রব্যমূল্য ছাড়া এই সরকারের ব্যর্থতা শুন্যের কোঠায়।
তবে তাও ইনশআল্লাহ ঠীক হয়ে যাবে।
আপনার কাছে অনুরোধ মানুষ যে ভূল ধারানায় আচে এই সরকার সম্পর্কে তাদের ভূল দূর করার জন্য ভাল পোষ্ট দিন ।ধন্যবাদ।
৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:২৬
comment by: সাইফুর বলেছেন: আপনার সাথে একমত। এ সরকারকে সময় দেয়া উচিত। জিনিসপত্রের দাম বাড়া ছাড়া এ সরকারের ব্যর্থতা শুন্যের কোঠায়। ঠিক বলেছেন....১০ এ ১০
৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:৪৫
comment by: গন্ডমূর্খ বলেছেন: গল্পটা বেশ ভাল হয়েছে। এতে আপনি নিজে যে কি পরিমান বিভ্রান্ত তা আমরা সবাই বুঝতে পারছি।

সেনাবাহিনী জনগণের মালিক না জনগণ সেনাবাহিনীর মালিক ? আমার মতে জনগণ ই সেনাবাহিনীর মালিক, কারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলে এ বাহিনী আর তার ম্যান্ডেট হলো দেশ ও জনগণকে বহিঃশত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা।

আপনি খুব সুন্দর করে ভাল্লুক মানে সেনাবাহিনী দ্বারা তার মালিক মানে জনগণ নিহত হতে যাচ্ছে সেটা তুলে ধরেছেন।
৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:৫১
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: ভাই খুব ভালো লিখেছেন।৫
তবে যাদের জন্য লেখা তারা কোন দিন ও
বুঝবে না! মাথা এবং হৃদয় দুইটাই অর্থের বিনিময়ে
হাসিনার খালেদার কাছে বন্ধক রেখেছে।
৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:৫৪
comment by: কায়েস মাহমুদ বলেছেন: আমি সরকারের কথা বলেছি সেনাবাহিনির নয়।
দেশ সেনাবাহিনী চালাচ্ছে না , দেশ চালাচ্ছে তত্ত্বাবোধয়ক সরকার।শুধু সেনাবাহিনী চলেনা জনগনের টাকায় সরকার ও চলে, এবং বেতন ও জনগনের টাকার।যারা জনগনের রক্ষক হয়ে আজ ভক্ষক।লিখার আরোও আছে কিনতু আমাকে ঘুমোতে হবে এখন কাল ডিউটি আছে।
৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ২:০২
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: জনগনের ট্যাক্সের টাকায় আমাদের শিক্ষকদের
বেতন দেয়া হয় ছেলেদের পড়া লেখা করানোর
জন্য। অসহায় মানুষের গাড়ী বাড়ী দোকান ভাঙার
জন্য নয়। হাসিনা খালেদায় জনগনের ট্যাক্সের
পয়সা খাইয়া কি কাম করছিলো? গরীব জনগনের
টাকায় তিনি ডক্টরেট নেয়ার জন্য বিশ্বের এই মাথা
থেইকা ঐ মাথা পর্যন্ত দৌড়াইছেন।আরেক জনের
পোলায় তো যা করার করেছে, সে নিজে ফালুর
লগে টিভি খুইলা ব্যবসায়ীনি হয়েছে। আরো কত কি
আছে সবই তো জানেন।তার পরে ও না জানার ভান
করলে কিছু করার নেই।
৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ২:০২
comment by: হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন: কায়েস মাহমুদ,বুঝা গেল যে আপ্নি দেশের জন্য চিন্তিত এবং এ বিষয়ে ভাবছেন।দেশের একজন মঙ্গলাকাঙ্খী।এ জন্য ধন্যবাদ।


তবে বিষয়টি আপ্নি যেভাবে সহজে ব্যাখ্যা করেছেন তেমন নয় হয়তো।
আচ্ছা আপনি কি বলবেন যে গরীব হকারদের উচ্ছেদ করে দেয়া হলো,গ্রামে গঞ্জে হাটবাজার ভেঙ্গে দিয়ে গরীব ব্যবসায়ীদের ফতুর করে দেয়া হলো এগুলোর বিষয়ে আপনার মতামত কী?
তাছাড়া আপনি বললেন আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
তবে কৃষিঋণের সুদের হার যে দশ ভাগ থেকে বাড়িয়ে বারো শতাংশ করা হয়েছে,এটা কি আপনার জানা আছে?
১০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ২:০২
comment by: জায়দান বলেছেন: সবাই খারাপ, এই সরকার এবং বাংলাদেশ আর্মি ছাড়া। অবৈধ সরকারের দালালির জন্য ১ দাগানো হইল।
১১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ২:২১
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: সুক্ষ কারচুপি কইরা দেশের ক্ষমতায় যারা ছিলেন
তারা কি বৈধ ভাবে না অবৈধ ভাবে ছিলেন? আমার কথা না হসিনা মালাকারের কথা।দেশে অনেকবার
কারচুপি হয়েছে শুধু হসিনার সময়ে হয় নাই!
তাই হসিনা আর খলেদা গংদের কাছ থেকে বর্তমান
সরকারের বৈধতা নেয়ার দরকার নাই।
তারা গাড়ী বাড়ী ভাঙা আর দোকান লুটপাট
কইরা হসিনা খলেদার সেবা করতেছে। তাদের
দেশ নিয়া চিন্তা করার কথা না।
১২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৪৬
comment by: মাহবুবা আখতার বলেছেন: কায়েস মাহমুদ, আপনি সেনাবাহিনীকে সমর্থন করে যুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু আপনিই বলুন,
সেনাবাহিনীর দায়িত্ব কোনটি? দেশ চালানো নাকি দেশকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা?
আপনি ভুক্তভোগী নন তা আপনার লেখা থেকে বোঝা যাচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লে আমরা টিকতে পারব তবু, গরীব মানুষগুলোর কথা ভেবে দেখেছেন? হোসাইন-এর লেখায় কিছু পয়েন্ট আছে, সেগুলোও ভেবে দেখবেন।
সবচেয়ে বড় কথা কি জানেন, শুধু দুটো জিনিস মনে রাখতে হবে, সেনাবাহিনীর হাতে মানুষ নিরাপদ নয় তা তারা ইতিমধ্যে প্রমাণ করে দিয়েছে। তারও চেয়ে বড় কথা হল, একটি অনির্বাচিত সরকার (আপনার মতে সেটা সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত না হলেও প্রকৃতপক্ষে সেটা সেনাবাহিনীর সরকারই। তা নাহলে প্রতিদিন পত্রিকায় ফখরুদ্দীনের সাথে মঈনের নাম আমাদের দেখতে হত না। ) এভাবে দীর্ঘ সময় ক্ষমতা দখল করে রাখতে পারে না। গণতান্ত্রিক দেশে অন্তত পারে না।
১৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:৪৭
comment by: সাজেদিন বলেছেন: যারা এই সরকারকে দেখতে চাচ্ছেন না তারা কি চান,একটু বলবেন? যুক্তি দিয়া বইলেন? এবং যা চান সেটার যথার্থতা কতটুকু সেটা মাথায় রাইখা বলেন , একটু বলেন তো শুনি?
১৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৩৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: কায়েস মাহমুদ -
আপনার যদি কোন রাজনৈতিক এফিলিয়েশ না থাকে মানে আপনি যদি শিবির না করেন তা হলে নীচের অংশটা পড়ুন।

আপনার লেখার শুরুতেই দেখছি গলদ। শুরুতে বলছেন - "এই ব্লগের অনেক ভাইকে দেখলাম এই সরকারের ও সেনাবাহীনির বিরুদ্বে লিখতে।"

কারন গুলো বলছেন -
১) কেউ নিজের স্বার্থে,
২)কেউ না বুঝে,
৩)কেউ অনেক দিন মিছিল মিটিং হচ্ছেনা তাই পকেটের অবস্থা খরাপ সেই স্বার্থে,
৪)কেউ মিডিয়ার অপপ্রচারকে সত্য বলে,
৫) কেউ না বুঝে ,
৬)কেউ আরেকজন বলে তাই আমিও করি এবং কেউ এটা দেশের ভাল বা জনগনের ভাল মনে করে করে।

আপনি কি উপরের অভিযোগের প্রমান হিসাবে ছয় জন ব্লগারের ৬টা লেখার লিংক দিতে পারবেন?

আবারও বলছি ..যদি শিবির না করেন তাহলে সবার লেখা ভাল করে বুঝে কথা বলা জরুরী। সবার সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গী এক নাও হতে পারে - তার মানে এই না যে এরা জানে না।

ধন্যবাদ।
১৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৯:১৯
comment by: যীশূ বলেছেন: ব্লগ দেখি দালালে ভইরা গেল!
১৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৭
comment by: অশ্রু বলেছেন: অসাধারণ লিখেচেন। তবে আপনার এই পতাকটা বেবহার করা উচিত হয়নি। এই পতাকা আমাদের পতাকা না
১৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
comment by: জ্বালাময় বলেছেন: পুরো ঘটনার পর ফখরুদ্দিন সাহেবের কোন মূল্যায়ন আমরা পাইনি। বরং তিনজন সামরিক কর্মকর্তা সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী তুলে ধরেছেন। তারপরো কায়েস মাহমুদ সাহেব বলছেন এটা সেনাবাহিনীর সরকার নয় বেশ ভালই বুঝছেন।
১৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:১৬
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ভাল পোষ্ট। ৫ পাওয়ার যোগ্য।
@দি-এ-টিম,
গরীব হকারদের উচ্ছেদ করা প্রসংগে আমি বলতে চাই,একজন সকলের মন রক্ষা করতে পারেনা। সরকারকে কিছু কিছু কাজ করার জন্য কখনও কখনও কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয় যেটা আবেগ দিয়ে দেখলে চলবেনা। পৃথিবীর কোন দেশেই এইরকম যত্রতত্র ছড়ানো ছিটানো ব্যাবসাকে বৈধতা দিতে চায়না। আপনি যদি দেশের যানজটের কথা একটু চিন্তা করেন তবেই বুঝতে পারবেন সরকার কেন এই ধরনের কাজ করতে বাধ্য হয়েছে। সব রাস্তার ফুটপাথগুলো হকারদের দখলে। যেহেতু এদেশের বেশিরভাগ মানুষই নিম্নবিত্তের তাই এটা আমাদের ইমোশনে লাগতে বাধ্য। সরকার নিশ্চই এটাও বোঝে যে, এতগুলো লোকের আবেগে আঘাত দিয়ে কোনমতেই এদেশে স্থায়ী সরকার হিসেবে টিকে থাকা যাবেনা কিন্তু তবুও এধরনের পদক্ষেপ নেয়ার পেছনে কেবল একটা যুক্তিই যথেষ্ট, আর তা হল , বাংলাদেশের অবস্থা একটুকরো ত্যানার মত, এক অংশ ঢাকি তো আরেক অংশ বেড়িয়ে পড়ে। একটা ভাল কাজ করতে গেলে সবার সুবিধা কখনই হয়না। সেটা নিয়ে কোন ইস্যু তৈরী না করে এদেরকে সময় দিন যেন হকারদেকে পুনর্বাসন করা যায়। বিগত দুর্নীতিবাজ সরকারেরা যদি এতদিন বহাল তবিয়তে তাদের মেয়াদ পুর্ণ করতে পারে আর পরোক্ষভাবে হকার সহ এদেশের সাধারণ মানুষদের রক্ত শুষে শুষে মোটা হতে পারে তবে এই সরকারকে আরেকটু সময় দিতে অসুবিধা কোথায়?
১৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
comment by: ইেলারা বলেছেন: ভাল পোষ্ট।৫।

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪৩৯৯