somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিজয় দিবসে বাচ্চাদের জন্যে স্লাইডসো

৭১' এর বিজয়ের উপর বাচ্চাদের জন্যে স্লাইডসো করবো আধা ঘন্টার জন্যে - মুক্তিযুদ্বের উপর ভালো ছবি খুজছি! সংগ্রহে থাকলে প্লিজ পাঠিয়ে দিন () অথবা লিংক পোষ্ট করুন এই পোষ্টে।

প্রবাসে ১৬ ডিসেম্বর পালন করছি - দেশি বিদেশি সব ধরনের দর্শকই থাকছে ওখানে।

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28879001 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28879001 2008-12-06 04:43:29
লেখা ফোনটিকে কি ভাবে কনভার্ট করবো?
http://bnwebtools.sourceforge.net/ ডাউন। অন্য কোন লিংক থাকলে প্লিজ জানাবেন।

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28867578 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28867578 2008-11-11 07:36:23
মাহবুব সুমন এখন একজন ছেলের বাবা!

গত সপ্তাহে মাহবুব সুমন পু্ত্র সন্তানের পিতা হলো। মা, সন্তান উভয়ই ভালো আছেন।

অভিনন্দন মাহবুব সুমন কে আমাদের (আমার মত) ক্লাবে যোগ দেয়ার জন্যে <img src=" style="border:0;" />

মাহবুব সুমন এর ব্লগ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28854465 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28854465 2008-10-14 06:46:42
প্রথম আলোর লেখা

প্রথম আলোর লেখা ফোনটিকে কি ভাবে কনভার্ট করবো?

জানালে উপকার হবে।

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28830345 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28830345 2008-08-13 08:58:37
ক্রিকেট খেলার ভিডিও লিংক খুজছি, আছে কি?
প্লিজ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28816736 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28816736 2008-07-04 16:25:24
বাংলাদেশ পাকিস্হান লাইভ ক্রিকেট খেলা দেখার লিংক
বাংলাদেশ পাকিস্হান লাইভ ক্রিকেট খেলা দেখার লিংক জানা থাকলে অনুগ্রহ করে এখানে পোষ্ট করুন।

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের জন্যে সুভকামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28807487 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28807487 2008-06-08 16:43:19
"২৯ বার মরে যাবার পরেও এখনও জীবিত'" বাংলাদেশী অষ্ট্রেলিয়ান ডাক্তারের চিকিৎসা সাফল্য

বাংলাদেশী অষ্ট্রেলিয়ান ডাক্তার আতিফুর রহমান এর চিকিৎসা সাফল্য '২৯ বার মরে যাবার পরেও এখনও জীবিত' লেখাটি ইংরেজীতে পড়তে হলে এই লিংকে ক্লিক করুন Click This Link

এ লেখাটি যদি কেউ বাংলায় অনুবাদ করেন - সত্যিই উপকার হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806762 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806762 2008-06-06 08:10:38
আমার কি হবে?
গত সপ্তাহে আমি ড্রাইভ করতেছিলাম (বউয়ের গাড়ী) কোন খান থাইক্কা এক ক্যান্গারু আইসা আছাড় খাইলো গাড়ির উপর। প্রানীটাকে বাচাইতে গিয়া আমরা রক্ষা পাইলাম অল্পের জন্যে। বেটা বেচে আছে কিনা জানিনা - তবে আমার টারাগোর পেছনের দরজা চেন্জ করতে হইবো এতে কোন সন্দেহ নাই। ঠিক করতে ২ সপ্তাহ লাগবে।

এ সপ্তাহে অফিসের কার পার্কিংয়ে গাড়ি (আমার ছোট গাড়ী) রাখলাম ৯টার সময়। ৫.২০ বাড়ী যাওয়ার সময় দেখি পেছনের বাম্পার ভছকানো। ট্রাকে গুতা দিয়া আমার সখের গাড়িটারে একেবারে ঠেলা গাড়ী বানায়া রাখছে। ড্রাইভার নোট দিয়া গেছে। একেবারে নাম, ঠিকানা দিয়া - আবার ক্ষমাও চাইছে! কমপক্ষে ১ সপ্তাহ লাগবে ঠিক করতে।

বাসে চড়লে আল্লাহই জানে কি হবে!

আমার হাটা ছাড়া আর কোন উপায় নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806454 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806454 2008-06-05 13:12:02
ফেইস বুকে লেখক আনিসুল হক
হঠাৎ করেই লিংক টা পেলাম:
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806143 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806143 2008-06-04 13:06:56
আগরতলা ভ্রমনের টিপস প্রয়োজন
জুলাইয়ের শেষে দু'দিনের জন্যে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা ঘুরে আসবো ঠিক করেছি। মূলত আমার এক ছোট (প্রাইমারী স্কুলের) বেলাকার বন্ধু, রতন পোদ্দারকে খুজতে যাবো। ঠিকানা এখনো পাইনি, তবে আগরতলায় গিয়ে পেয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। কেন জানি না - সব সময়ই তাকে আমি মিস করি।

একই সাথে আগরতলা একটু ঘুরে দেখতে চাই। টিপস প্রয়োজন।

১. মুক্তিযুদ্ব কালীন মেজর পয়েন্ট গুলোতে যেতে চাই - কোথায় কোথায় যাব?
২. ভালো নিরাপদ হোটেলে থাকতে চাই - কোথায় থাকবো?
৩. আগরতলা একাকী ভ্রমন কি নিরাপদ? (বিদেশে থেকে থেকে ভিতুর ডিম হয়ে গেছি!)
৪. বাই রোড যেতে চাই - কুমিল্লা হয়ে - বিদেশী পাসপোর্টে যাওয়া ঠিক কিনা?
৫. আগরতলার সাধারন মানুষ বাংলাদেশীদের কি ভাবে নেয়? (বোকার মতো প্রশ্ন তবুও করলাম)
৬. কি কি বিষয়ে আগাম সতর্কতা প্রয়োজন?

অনুগ্রহ করে সাহায্য করবেন। সবাইকে আগাম ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806066 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28806066 2008-06-04 08:24:59
কুলাউড়া রেলওয়ে হিন্দু ও মুসলিম টি ষ্টল
ফটো সৌজন্যে: http://www.priyoaustralia.com.au

ছবিটা ব্যাতিক্রম লেগেছে এ জন্যেই সেয়ার করলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28804054 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28804054 2008-05-29 08:05:37
ডুব সাতার ৩: মানিকের যুদ্ধ - ২
আমারদের বাসা থেকে দু থেকে তিন শ গজের মধ্যে ডাকাতিয়া নদী। যাকে বলে একেবারে কোল ঘেশে। আমার যৌবনের অনেকটা সময় কেটেছে তার পাশাপাশি কাছাকাছি থেকে। বাসার পেছনের পুকুরের চাইতেও আমার প্রিয় ছিল ঐ নদীতে ঝাপিয়ে পড়া। যখন তখন। বিশেষ করে বর্ষা কালে। হয়তো অন্য কোন সময় সে সব গল্প বলা যাবে।

১৯৭১ এর মার্চ থেকে মে’র মধ্যকার ঘটনাটা। ডাকাতিয়া নদীর ঠিক তীর ঘেষে এক বিশাল বটগাছ। এ গাছ থেকেই হাট অর্থাৎ খিলাবাজার শুরু। সেই বট গাছের নিচে আমরা ক’জন বন্ধু মিলে খেলছিলাম। পাশেই একটু দুরে, নুরুল ইসলাম মামা (পাশের বাসার খালুদের কাজের লোক) বড় বড় গাছের ডাল কেটে লাড়কি বানাচ্ছিলেন আপন মনে। হঠাৎ গুলির শব্দ। দুটি। মামাকে দেখলাম সব ফেলে খুড়িয়ে খুড়িয়ে প্রাণপনে দৌড়াচ্ছে বাসার দিকে। অচেনা আরেকজনকে দেখলাম নিজের বাম হাতে, ডান হাতের কব্জি চেপে ধরে নদীর পাড় ধরে অন্য দিকে প্রাণপনে দৌড়াচ্ছে। পরে শুনেছি ওটা রাজাকার, মুত্তিবাহিনীর তাড়া খেয়েই ওমন দৌড়াচ্ছে। মামার পায়ে লেগেছিল রাজাকার বা মুত্তিবাহিনীর ছোড়া গুলি। রাজাকারটাও আহত ছিল মুত্তিবাহিনীর গুলিতে।

বাজারে (খিলাবাজার; যে খানে মূল খটনাটির সূত্র) মুত্তিবাহিনী এসেছে। এটা আর গোপন থাকলোনা কোথাও। আস পাসের সবাই জড় হল মুত্তিবাহিনী দেখার মিছিলে। আমি অনেক চেস্টা করেও ভিড় ঠেলে কাছে যেতে পারলাম না। দুর থেকে আবছা দেখেই খুশি থাকতে হল। ভয়, উৎকণ্ঠা, আনন্দ, উচ্ছাস সবই কাজ করছিল সবার মধ্যে। ঐ মুত্তিবাহিনীর লোকজন দেখতে কেমন ছিল, দৃশ্যটা এ মূহুর্তে কিছুতেই মনে পড়ছে না। সে যাই হোক। তবে ওরা যে আমাদের এলাকার ছিল না এটা নিশ্চিত মনে আছে। ঐ দিনই এক পাঞ্জাবী সৈনিককে হাজির করা হল মুত্তিবাহিনীর কাছে, সাথে ছিল তার সদ্য বিবাহিতা বাঙ্গালী স্ত্রী। প্রথমে শোনা গেল ‘জোর করে বিয়ে করেছে সৈনিকটি’। পরে জানলাম এটা প্রেম ঘটিত, পাঞ্জাবী সৈনিকটি পাক বাহিনী থেকে পালিয়ে আসা সৈনিক। পাশের গ্রামেই মেয়ের বাড়ি। ওখানেই দুজন লুকিয়ে আছে।

শুনেছি মুত্তিবাহিনীর লোকজন স্বসন্মানে ওদেরকে ছেড়ে দিয়ে ছিল এবং অনুরোধ করেছিল ওরা যেন এ উপশহরের কাছ থেকে দুরে কোথাও পালিয়ে যায়। অন্য কোন অজ পাড়া গায়ে, যে খানে সহসা হানাদার বাহিনী যাবার সম্ভাবনা নেই। আমার ভাগ্য হয়নি ঐ দুজনকে দেখার কিন্তু আজও ঐ দিনের মুত্তিবাহিনীরা আমার স্মৃতির সূউচ্চ আসনে, মহান বীরত্বে জ্বল জ্বল করছে।

দুপুরের একটু আগে নাপিত এল আমার চুল কাটতে (সাধারণত নাপিত আমাদের বাসায় এসে চুল কেটে যেত)। আব্বা বল্লেন, ন্যাড়া করে দিতে। আমি পালাতে গিয়ে বড় আপার হাতে ধরা খেলাম, বসতে হল নাপিতের সামনে। মাথার সামনের দিক ন্যাড়া করা হয়েছে, পেছনের দিক বাকি। এমন সময় আব্বা এলেন মহা বিপদের খবর নিয়ে। পাঞ্জাবী হানাদার বাহিনীরা বাজারের দিকে আসছে, কারণ ওরা খবর পেয়েছে, মুত্তিবাহিনীর লোকজন এখানে আছে। বড়জোর পনর মিনিট লাগবে পৌছাতে।

নদীর ঘাটে একটি মাত্র নৌকা পাওয়া গেল। খোলা নৌকা, ছাদ নেই। তাও ভাগ্য ভাল যে পাওয়া গেল। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আব্বা সবাইকে বাধ্য করলেন নৌকায় উঠতে। আমিও সাথে থাকলাম আধা নেড়া হয়ে। মা কিছু চাল/ডাল নিতে চাইলেন - আব্বা সায় দিলেন না। এক কাপড়েই আমরা সবাই রওয়ানা দিলাম এক দুর সম্পর্কের নানা বাড়ীর দিকে। জুলাব আলী নানা। যার জন্যে আমরা ঘরের বাইরে জুতা রাখতে পারতাম না। যেটা পছন্দ হতো সেটাই নিয়ে চলে যেত। পরে ধরা পড়লে হাসতো। আমাদের শোবার ঘর থেকে ‘পাক ও খাবার’ ঘরটা আলাদা ছিল। জুলাব আলী নানার ওটা ছিল গভীর রাতের আস্তানা। ভাত, তরকারি উধাও হলে মা বুঝতেন, এটা কার কাজ। সে যাই হোক, নানা নানী মহা খুশি হলেন আমাদেরকে দেখে। অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের খাবার ব্যবস্থা হয়ে গেল। আর মুহুর্তে আমি হয়ে গেলাম সবার হাসির খোরাক। আধা ন্যাড়া। নানী আমাকে রেসকিও করলেন শেষ পর্যন্ত। পুরো মাথাই ন্যারা করে দিলেন। ঘন্টা দুয়েক পর, এখান থেকেও আমাদেরকে সরে যেতে হল আরো ভিতরের দিকের গ্রামে। বর্ষা কাল, খুব একটা সহজ ছিল না, এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে মুভ করা।

এবার গিয়ে উঠলাম মায়ের মামার বাড়িতে। নানা (মায়ের মামা), নানি ও খালারা মহা খুশি হলেন আমাদেরকে দেখে। মামারা সবাই ঢাকায়। আমি আমার বয়সি এক মামাত বোনকে পেলাম এখানে। নানার বাড়ি বেড়াতে এসে আটকা পড়েছে বেচারি। সারাদিন ওর সাথেই খেলাধুলায় মেতে থাকলাম। সপ্তাহ খানেক থাকতে হয়েছিল ওখানে।

হঠাৎ আব্বা খবর পেলেন আমাদের দাদা বাড়ীতে যত গুলো ঘর ছিল, সব গুলোকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে হানাদার বাহিনী। বাড়িতে কেও ছিল না বলে, সবাই প্রাণে রক্ষ্যা পেয়েছে। কারণ আমার এক আর্মি দুলাভাই (চাচাত বোনের স্বামী) মুত্তিবাহিনীর সাথে যোগ দিয়েছে। তখনও আমার চাচাত বোনের বিয়ের এক মাস পুরন হয়নি। আব্বা আর দেরি করলেন না। চলে গেলেন দাদা বাড়ি।

এখানে প্রসংগত বলে রাখি, আমার সেই দুলাভাই দেশ স্বাধীন হবার পর নিখোজ ছিলেন। এত বছর পরও ফিরে আসেননি। শুনেছি যুদ্বকালিন অবস্থায় শহীদ হয়েছেন কোথাও। কেওই সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। তিনি ছিলেন বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তান।

(চলবে)

[এ লেখার প্রতিটি চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক। বর্তমান সময়ের সাথে এর কোন ঘটনা প্রবাহের কোন রকম বা ধরনের কোন মিল নেই। কোন কাকতালীয় মিল খুঁজে পেলে, ধরে নেবার কোনোও কারণ নেই যে, ওরা আমার লেখা থেকে উৎসাহ পেয়েছে। ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28803235 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28803235 2008-05-27 06:17:09
খেক খেক <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> - জঘন্য
খেক খেক করে হাসা - এই একটা হাসির শব্দকে আমার কাছে জঘন্য লাগে। অশালিন মনে হয়। আপনার কেমন লাগে? কেমন মনে হয়? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28800824 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28800824 2008-05-21 12:42:29
ডুব সাতার ২: মানিকের যুদ্ধ ১
একটি গল্প দিয়েই শুরু করি। ১৯২০ বা ৩০ শতকের মিশনারীজদের গল্প।

এক আদিবাসী (এবওরিজিনি) দাদা তার নাতিকে গল্প শোনাচ্ছিলো। এক ভোরে তিনি দেখলেন, কয়েকজন সাদা (British) হঠাৎ সমুদ্রের দিক থেকে উদয় হয়ে সমুদ্র পাড়েই তাবু খাটিয়ে ঘর বানাতে শুরু করলো। ঘরটা দাঁড় করাতেই তাদের সারাটা দিন চলে গেলো । সন্ধা হতে না হতেই সবাই ক্লান্ত পরিশ্রান্ত এবং ক্ষুধার্থ হয়ে পড়লো। খাবার সংগ্রহে যাবার মতো শক্তি বা সাহস তখন আর কারোরই রইলো না। শেষ পর্যন্ত সবাই বাকি রাতটা না খেয়েই কাটিয়ে দেবার সিদ্বান্ত নিলো।

অন্যদিকে, এক আদিবাসী যুবক সকাল থেকেই সেই মিশনারীজদের লক্ষ্য করছিলো দূর থেকে। বিকেলেও মিশনারীজদের টানা একই ধরনের বিশ্রামহীন কাজ দেখে খুব মায়া হল তার। সে ঘর থেকে মাছ ধরার লাঠিটা নিয়ে সমুদ্রে গেলো মাছ ধরতে। বৌকে বলে গেলো - ঐ পরদেশী মেহমানদের জন্যে কিছুভাল মন্দ শাক -সব্জী রান্না করতে । অল্প ক্ষণের মধ্যেই বেশ কটি বড় বড় মাছ নিয়ে ফিরে এলো সেই যুবক। রাতের আগেই বিশাল ভোজের আয়োজন সম্পন্ন হয়ে গেলো মিশনারীজদের জন্যে।

সন্ধ্যায় যুবক আর তার বৌ অতি কষ্টে বিশাল খাবারের বহর নিয়ে হাজির হলো মিশনারীজদের তাবুতে। মিশনারীজরা যতো না অবাক হলো, তার চেয়ে বেশি খুশী হলো খাবার দেখে। সাদরে গ্রহন করলো দুজনকেই। পরিচয়ের পালা শেষ হতে না হতেই এবার শুরু হলো খাবারের প্রস্তুতি। নিয়ম অনুযায়ী সবাই খাবার সামনে নিয়ে হাত তুললো মোনাজাতের ভংগিতে। গডের অনেক প্রশংসা করা হলো । এবং শেষে বলা হলো ‘Thanks god for sending us this delicious food'।

দাদা নাতিকে বললেন, আদিবাসী catch fish, আদিবাসী fry fish, আদিবাসী carry fish (to missionaries), no thanks to আদিবাসী, thanks to god! সাদাদের কখনোও বিশ্বাস করোনা, এরা খাবে তোমার, ধন্যবাদ দিবে গডকে!

বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ? আ-জীবন আমার যুদ্ধ আমার নিজের সাথে। এটা কাদের যুদ্ধ ছিল? কাদের বিরুদ্ধে ছিল? কেন ছিল? কারা আমাদের সাহায্য করলো? কাদেরকে আমরা সন্মান দিলাম? কাদের কে দিলাম ধন্যবাদ? এরা কারা হলো আমাদের প্রতিনিধি? কারা সংসদে? কাদের হাতে বিশেষ বাংলাদেশী পাসপোর্ট? আ-জীবন আমার যুদ্ধ আমার নিজের সাথে। এ যুদ্ধে জয় ছাড়া অন্য কোন পথ আমার জন্যে খোলা নেই এখন। এটাই প্রজন্মের দাবী, আমি নিশ্চিত।

আমার জন্ম ১৯৬৬ সালের ডিসেম্বরে। সেই সুত্রে স্বাধীনতার বছর আমার বয়স ছিল খুবই কম। তখন আমি পাঁচ বছরের শিশু মাত্র। বেশ কিছুবিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ১৯৭১-এর তেমন কিছুমনে নেই। আমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা খুবই ছোট্ট একটা উপশহরে, যেখানে সপ্তাহে দুবার হাট বসতো। গ্রাম থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন সেই উপশহর। শ’খানেক দোকান এবং পাঁচ ছ’টা বাসা (পরিবার) নিয়েই আমাদের ছিল বসবাস। আমাদের প্রান্তে মাত্র দুটি বাসা, ডাক্তার ফ্যামিলী আমরা আর তার পাশে বেশ বড় কাপড় ব্যাবসায়ী ফ্যামিলী।

বাবা যদিও হাতে অস্ত্রনেননি কখনো, তবুও তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। প্রায়ই মুক্তিবাহিনীর গোপন মিটিং বসতো আমাদের বাসায়। কাপড় ব্যাবসায়ী খালু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে, তাই অন্য ধরনের মিটিং বসতো তাদের বাসায়। যুদ্ধের শেষের দিকে পাক বাহিনী যখন আমাদের বাসা তল্লাশি করতে আসে, তখন আমরা সবাই পালিয়ে গিয়েছিলাম নৌকা করে, বাবার এক বন্ধুর বাড়িতে। পাশের বাসার সেই খালুই আমাদের ঘরবাড়ি দেখে শুনে রাখতেন সব সময়। এবারও তিনি পাক বাহিনীকে পোড়াতে দিলেন না আমাদের বাসা, কিন্তু আসবাব পত্র রক্ষা করতে পারলেন না। সব ঘর থেকে বের করে এনে পোড়ানো হলো তাঁর সামনেই। যাক সে সব কথা।

১৯৭১ সালের মধুর কণ্ঠ যা এখনো আমার কানে ভাসে ‘‘আকাশ বানী কলকাতা ...খবর পড়ছি নীলিমা স্যান্নাল’। আব্বার বিশাল বড় রেডিওর খবর শুনতে আসতো আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার নানান বয়সের প্রচুর লোক। আমিও আব্বার কোলে গিয়ে বসতাম অন্য সবার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার জন্য। খবরের চেয়ে ওটাই আমার কাছে বেশী প্রিয় ছিলো। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে দুএকটা সংবাদের আবছা আবছা প্রতিক্রিয়া এখনোও আমার মনে আছে।

১৯৭২ সালের প্রথম থেকে আমার বড় ভাই বেলায়েত হোসেন স্বপন ‘বাতায়ন‘ নামে একটি দেয়াল পত্রিকার সম্পাদনা করতেন। হাতে লেখা মাসিক পত্রিকাটি বাবার চেম্বারের বাইরের দিকের দেয়ালে বেশ বড় যায়গা জুড়ে পেস্ট করে লাগানো হতো। পলিথিন দিয়ে ঠেকে দিয়ে, রাতে নিচে লাগাতেন বেশ ক’টা হেজাক লাইট (কেরসিনের বেশ উচ্ছল বাতি)। প্রতি হাট বারের রাতেই পাঠক সংখ্যা হতো সব চেয়ে বেশী। আমি এখনো ১৯৭২ বা ১৯৭৩-এর বেশ কিছুলেখা বা পাঠক সমাবেশের কথা মনে করতে পারছি। সম্ভবত ১৯৭২ এর শেষের দিকে এর একটি মুদ্রন সংকলন বেরিয়েছিলো ‘বাতায়ন‘ নামেই। বাতায়নের প্রথম সংখ্যার উপ-সম্পাদকীয় কলামের শিরনাম ছিল ‘মানিকের যুদ্ধ‘। বিষয়টি শুনেছি, কিন্তুপড়ে দেখার মতো সামর্থ্য এবং পরে সুযোগ আমার কখনো হয়নি। পড়াশুনার জন্যে ঢাকাতেই থাকতে হতো বছরের বেশীর ভাগ সময়। ১৯৮২ সালের দিকে আমি যখন সিলেট থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে বাড়ী আসি, আমার খুব জানতে ইচ্ছা করছিলো ‘এত কম বয়সে - আমি আবার কী যুদ্ধ করেছি!’ ১৯৭১-এ লবনের দাম খুব বেড়ে গিয়েছিলো। একসময় এমন হলো যে সবখানে লবন পাওয়াও যেতো না। ‘মানিকের যুদ্ধ’ সম্পাদকীয়তে সম্পাদক বর্ননা করেছিলেন, বাঙ্গালী যে যার অবস্থানে থেকে কে কীভাবে যুদ্ধ করেছিলো পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। আমার যুদ্ধ ছিলো লবনের বিরুদ্ধে। খাবো না লবন। মা নাকি অনেক বলে কয়েও আমাকে মানাতে পারেননি সে সময়।

(চলবে)

[এ লেখার প্রতিটি চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক। বর্তমান সময়ের সাথে এর কোন ঘটনা প্রবাহের কোন রকম বা ধরনের কোন মিল নেই। কোন কাকতালীয় মিল খুঁজে পেলে, ধরে নেবার কোনোও কারণ নেই যে, ওরা আমার লেখা থেকে উৎসাহ পেয়েছে।]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28796840 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28796840 2008-05-12 09:09:13
আপনিও নেংটা <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />
একদিন, এলাকার চেয়ারম্যান তার নিজস্ব গ্রাম প্রশন্নপুরের রাস্তা দিয়ে হাটছিলেন। অনেকটা হাওয়া খাওয়ার ভংগিতেই। ফুর ফুরে তার মেজাজ। হঠাৎ খেয়াল করলেন, ৭/৮ বছরের একটা ছেলে উল্টা দিক থেকে হেটে আসছে তার দিকেই। চেয়ারম্যান দাড় করালেন ছেলেটাকে।

চেয়ারম্যান: তুই আমাগো করিমের পোলা না?

ছেলে: হ, চেয়ারম্যান সাহেব, আমি করিমের পোলা।

চেয়ারম্যান:তা তোর জামা কাপড় কই? নেংটা শরীরে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতাছ কেন?

ছেলে: জামা কাপড় লাগবো কেন? আমি জামা কাপড় পরি না - সারা দিন এমনিই থাকি।

চেয়ারম্যান: বেয়াদপ ছেলে মুখে মুখে কথা বলে! <img src=" style="border:0;" /> যা বাড়ি যা - আবার তোরে নেংটা দেখলে খবর আছে কইলাম!

ছেলে: চেয়ারম্যান সাব শুধু শুধু আমারে বকেন কেন?/<img src=" style="border:0;" /> শুধু আমিই কি লেংটা? আপনিও তো নেংটা।

চেয়ারম্যান: (নিজের লুংগির দিকে তাকিয়ে) আমি নেংটা!? <img src=(" style="border:0;" />

ছেলে: হ, লুংগির নিচে আপনিতো নেংটাই! <img src=" style="border:0;" /> (দৌড়)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795752 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795752 2008-05-09 07:58:19
ডুব সাতর ১: জন্মস্থান (পাঠকদের ভালো না লাগলে এটাই ১ম এবং শেষ পোষ্ট)
করিম আলি চা খাবার কথা বলে, এল এমন একটা সময়ে, যখন দুপুরের খাবার না সাধলেই নয়। বললাম বসে পড়। ও বিনয়ের সাথে আমার আহ্বানে সাড়া দিল। আমি খেতে খেতে কথা শুনা খুব পছন্দ করি, করিম সেটারই যোগান দিচ্ছিল, শুরু থেকেই। চমৎকার কথা। অতি সাধারণ বিষয় কিন্তু অসাধারণ তার উপস্থাপন । আমি সব সময়ই তার আন্তরিক সঙ্গ, আলাপ চারিতা উপভোগ করি বেশ। এবারও তার ব্যতিক্রম হলনা। নিঃসন্দেহে।

করিম একটা বই নিয়ে এসেছিল আমার অনুরুধে। বইটির নাম A dictionary of Muslim Names by Salahuddin Ahmed সুন্দর মলাটের বই। UK থেকে প্রকাশিত, প্রকাশ কাল ১৯৯৯। আমার এক বন্ধু ‘বাবা’ হবে কিছুদিনের মধ্যেই তার জন্যই এই ধার। অভ্যাসমত লেখকের পরিচিতিটা পড়া শুরু করলাম প্রথমে। অনেক গুনের অধিকারী লেখক ভদ্রলোক। বাংলা ইংরেজি মিলিয়ে প্রচুর বই তার। লেখক পরিচয়ের শেষ প্যারাটা পড়ে চোখ কপালে উঠল। এও কি সম্ভব? ১৯৯৯ সালে এসে লিখছে - লেখকের জন্ম পূর্ব পাকিস্থানে (বর্তমান বাংলাদেশ)! হায় খোদা, আমার জন্মওতো পূর্ব পাকিস্থানে! Excitement টা হজম করলাম মনে মনে। করিম, বাংলাদেশীদের পাকিস্থান প্রীতি একদম সহ্য করতে পারেনা। বললাম, ভাল বই করিম, কোথায় পেলে এ বই? হা বইটা ভাল, আমার এক Australian সহকর্মী আমাকে উপহার দিয়েছে, গতবছর। দেখেছ? লেখক তার জন্মস্থান লিখেছে পূর্ব পাকিস্থানে! ভাল যে রাজাকারটা বাংলাদেশে থাকে না। হতাশ ভাবে করিম বলে উঠল। এসব রাজাকার আর নব্য রাজাকারে ভরে গেছে বাংলাদেশ এখন! আমি বল্লাম অযথাই মন খারাপ করছ, ভদ্রলোকতো মিথ্যা লিখেনি। এরকম লিখতেই পারে। তার মত প্রকাশের অধিকার অবশ্যই আছে। আমার কথায় নিঃসন্দেহে দুঃখ পেল করিম। তার হা হয়ে থাকা মুখ দেখেই বুঝলাম। আর যাই হোক আমার মুখ থেকে এ কথা সে আশা করেনি। আমি বল্লাম শোন, মন খারাপ করো না। গত বছর আমার এক বড় ভাইকে আমন্ত্রন জানিয়েছিলাম এদেশীয় ডিনার পার্টিতে। পরিচয় পর্বে উনি বল্লেন ‘আমি বাংলাদেশের’। অনুষ্ঠানে এক অতিথি প্রশ্ন করলেন ‘বাংলাদেশের কোন অংশে আপনার বাড়ি?’ উত্তরে বড়ভাই কি বল্ল জান? বল্ল আসামে। আমিতো অবাক, বেহুশ হবার অবস্থা। আসাম বাংলাদেশের অংশ? আমার এ ছোট্ট জীবনে কখনো এ সংবাদ শুনিনি । বড়ভাই বাংলাতে আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বল্লেন ‘এ দেশিওরা (সাদারা) ‘আমার বিশেষ অঞ্চলের নাম’ থেকে আসামকেই ভাল করে চিনে’। আমি আমার কাল কঠিন মুখে শুকনো হাসি এনে বল্লাম ‘তাই নাকি? জানতাম নাতো!’ পরে শুনেছি (বিশেষ অঞ্চল বাসীর কাছ থেকেই) বিশেষ অঞ্চলের বসবাস কারীরা আসলেই আসামী, বাঙ্গালী না। এজন্যই হয়তো বেঙ্গলী নামেই অন্য অঞ্চলের লোকজন পরিচিত সেই বিশেষ অঞ্চলে। ব্যাপারটা সত্যি কি অসত্যি? তা আমি জানিনা। যা হোক দুঃখ পাবার কিছু নেই। যে যে ভাবে পরিচয় দিয়ে ভাল বোধ করে। সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। আমার মনে হয় ‘দেশ্বাত্ববোধ’ চাপিয়ে দেবার মত কোন ব্যাপার নয়। এটা সম্পুর্ন বোধের ব্যাপার। ব্যাত্তিগত বোধের ব্যাপার। আমার কথায় করিম খুশি হল বলে মনে হল না। হয়তোবা তার পেটের ভাতটাকেই চাল হবার ব্যবস্থা করে দিয়েছি আমি। সে যাই হোক, এ বিষয় নিয়ে আর করিমের সাথে এখন কথা বলা যাবে না। প্রসংগ পালটালাম। বল্লাম এস তোমাকে একটা চমৎকার গান শুনাই। যাবার আগে গানের সাথে চা-টা যোগ হওয়ায় কিছুটা হাল্কা হল করিম।

করিমের দুঃখ, আমি সবকিছুই হাল্কা ভাবে নেই, এমনকি অনেক গুরুতর কঠিন ব্যাপারও। যা অনেক ক্ষেত্রেই দুর্বল ও হীন দেশপ্রেমের পরিচয়। আমি নাকি লিখতে পারি, লিখতে চাইনা। বলতে পারি, বলতে চাই না। আমি নাকি মধ্যভোগী ভদ্রতার লেবাচে, আত্মকেন্দ্রিক সার্থপর হায়নার মত আচরন করি। মন সত্যের চাইতে স্বার্থের দিকেই এগিয়ে যাই বেশী। আমি তার কথা মন দিয়ে শুনি কিন্তু একমত হইনা সবসময়। এই হল করিম আলি। আমার অনেক দিনের বন্ধু। আমার প্রিয় সমালোচক, আমার প্রিয় বন্ধু।

আর হা বলে রাখি, করিম আলির জন্মও কিন্তু পাকিস্থানেই। পূর্ব পাকিস্থানে। এখন কাগজে কলমে সে লেখে বাংলাদেশ। সেটাইতো লিখা উচিৎ। আপনি কি বলেন?

আচ্ছা সত্যি করে বলুনতো, আমি কি এতই নিচ? (চলবে)

[এ লেখার করিম, আমি সহ প্রতিটি চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক। বর্তমান সময়ের সাথে এর কোন ঘটনা প্রবাহের কোন রকম বা ধরনের কোন মিল নেই। কোন কাকতালিয় মিল খুজে পেলে, ধরে নেবার কোন কারণ নেই যে, ওরা আমার লেখা থেকে উৎসাহ পেয়েছে। ]

এ লেখাটি কিছু বছর আগে - অন্য অনলাইন প্রত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795394 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795394 2008-05-08 09:17:06
সত্যিই, লেখার ক্ষমতা কি আমার আছে?
এ পর্যন্ত শুধু অন্যদের ভালো লেখার প্রসংসা, মন্দ লেখার নিন্দা করে গেলাম। নিজের মতো করে, নিজে কিছু লিখতে পারলাম না। অথচ - মনে অনেক কথা জমা। সে রকমইতো মনে হয়। প্রতি সকালে স্বপ্ন দেখে দেখেই ঘুম ভাংগে এখনো। ঘুম ভেংগে, স্বপ্ন গুলোর প্রকাশ করার তাগিদ আসে মনে মনে। কিন্তু দুপুরের মধ্যেই মিলিয়ে যায় সব। আর পারিনা স্বপ্ন গুলোকে গুছাতে। পারিনা আর!<img src=" style="border:0;" />

পারি না মানে, পারি না। চেষ্টা করিনি তা নয়! করেছি, হাজার চেষ্টা করেছি। নিকর্মা মগজ জানে - আর আমি জানি, কতবার হালচাষের ব্যাবস্হা করেছি। কিছুই ফলেনি! <img src=(" style="border:0;" />

অন্যদের লেখার উপর খবরদারি করতে করতেই জীবনটা গেল!!<img src=(" style="border:0;" />

সত্যিই, লেখার ক্ষমতা কি আমার আছে?<img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795068 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28795068 2008-05-07 07:39:43
ফোনটিকে কনভার্ট করবো কি ভাবে? http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28786795 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28786795 2008-04-11 10:43:03 আজকের ক্রিকেট ম্যাচের লিংক জানলে পোষ্ট করেন প্লিজ! http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28780760 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28780760 2008-03-20 09:49:54 চড় কালচার - কালচার চড়!
না মারলে যেমন ছেলে মেয়ে মানুষ হয় না (অভিবাবকদের মতে; আমার ছেলের মতে উল্টোটা), তেমনি চড় না মারলে - আমরা - বাংগালীদের মারামারি/মনের ঝাল পুর্ন হয় না। হাত তুলতেই হবে - না হয় - গহীন মনের গভীর ঝাল মিটবে না। আজকাল আবার মনের ছোট খাটো মিল অমিল - চড় দিয়ে শুরু করে যাত্রা। একটু চারিদিকে তাকিয়ে দেখুন!

কেন যে চড়টা মারা হলো - মাঝে মাঝে গবেষনার বিষয় হয়ে দাড়ায় আমার কাছে। আর চাকর বাকর হলেতো কথাই নেই। ব্যাপারটা না ঘটলেই বরং অস্বাভাবিক।

যেমন:
ধরুন বাংলা ছায়া ছবি দেখছেন - ব্যাপারটা না ঘটলেই বরং অস্বাভাবিক।
ধরুন বাংলা (হুমায়ুন আহমেদের) নাটক বা টেলিফিল্ম দেখছেন - ব্যাপারটা না ঘটলেই বরং অস্বাভাবিক।
ধরুন বাংলাদেশ ক্রিকেট প্লেয়ার (আশরাফুলের/মাসরাফীর) প্রেকটিস দেখছেন - ব্যাপারটা না ঘটলেই বরং অস্বাভাবিক।

উপরের ঘটনার সাথে জড়িত সবাই - ওরাতো মানুষ - রাগ - আবেগের বাইরে ওরা নয়! বহিপ্রকাশে চড় টড় তো থাকতেই পারে। কি বলেন?

সে যাই হোক, পাঠক আপনার কাছে আমার দুটি বিনিত প্রশ্ন:

১. কখনো কি চড় খেয়েছেন? কেন? আপনার চড়'পর অনুভুতিটা কি?
২। কখনো কি কাউকে চড় মেরেছেন? কেন? আপনার চড়'পর অনুভুতিটা কি?

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সবাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28780111 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28780111 2008-03-18 08:57:01
আশরাফুল... এবার নাদির শাহ http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28779018 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28779018 2008-03-14 10:15:54 রাগ এবং ভালোবাসা - মুহাম্মদ জাফর ইকবাল প্রথম আলো লিংক ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28779010 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28779010 2008-03-14 07:51:03 ওনলাইন Address Book এর জন্যে কোড চাই; ১০০ ডলারের মধ্যে এই লিংকের ফিচার গুলো আমার প্রয়োজন। ভালো ফিচার হলে us$১০০ ডলার পর্যন্ত পে করতে পারবো। অবশ্যই সিকিউরিটি থাকতে হবে।

Same type of open source code here ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28778743 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28778743 2008-03-13 10:07:15
আশরাফুল - আর কত? http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28778498 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28778498 2008-03-12 09:53:26 আসুন স্বাধীনতার মাসে বিজয়ের ধারাবাহিকতায় কথা বলি!
বেশ ক'দিন থেকে লক্ষ্য করছি, একই ধরনের লেখা বা একই লেখা বার বার পোষ্ট করা হচ্ছে। মতের দ্বিমত যে খানে - সে খানে, প্রায়ই গালাগালির শেষ সীমানাকেও ক্রস করছেন কেউ কেউ।

নিজেকে খুবই অসহায় মনে হয়।

আসুন স্বাধীনতার মাসে বিজয়ের ধারাবাহিকতায় কথা বলি! নিজেদের প্রিয় বিষয়গুলো অন্যদেরকেও জানার, সেয়ার করার সুযোগ দেই।

আমরাই পারবো এই কাজটি। আমাদেরকে পারতে হবেই!

ভালো থাকুন সবাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775974 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775974 2008-03-03 11:44:44
আংগ বাড়ি নোয়াখালি, বাড়ি নোয়াখালি; যে দিকে চাই, মনে হড়ে, কেন্নে থাকতাম বুলি
... যদিও আমার বাড়ি নোয়াখালি নয়। ভালো থাকবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775918 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775918 2008-03-03 04:33:24
আজকে কি আপানার জন্মদিন? http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775034 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775034 2008-02-29 04:29:56 ভাষা, স্বাধীনতা, দেশ নিয়ে ভালো ডকোমেন্টারি ও ফিল্মের লিষ্ট প্রয়োজন (রি-পোষ্ট)
আপনাদের দেয়া লিষ্ট: ১. জীবন থেকে নেয়া; ২. ওরা ১১ জন; ৩. মুক্তির গান; ৪. মাটির ময়না; ৫. জয়যাত্রা; ৬. ধীরে বহে মেঘনা; ৭. মুক্তির কথা; ৮. আগুনের পরশমনি; ৯. খেলাঘর; ১০. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী; ১১. ৭১-এর যীশু; ১২. হাঙ্গর নদী গ্রেনেড; ১৩. শ্যামল ছায়া; ১৪. স্টপ জেনোসাইড; ১৫. আবার তোরা মানুষ হ; ১৬. আলোর মিছিল; ১৬. তিতাস একটি নদীর নাম ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775031 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28775031 2008-02-29 03:57:05
ভাষা, স্বাধীনতা, দেশ নিয়ে ভালো ডকোমেন্টারি ও ফিল্মের লিষ্ট প্রয়োজন
আপনাদের দেয়া লিষ্ট: ১. জীবন থেকে নেয়া; ২. ওরা ১১ জন; ৩. মুক্তির গান; ৪. মাটির ময়না; ৫. জয়যাত্রা; ৬. ধীরে বহে মেঘনা; ৭. মুক্তির কথা; ৮. আগুনের পরশমনি; ৯. খেলাঘর; ১০. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষ; ১১. ৭১-এর যীশু; ১২. হাঙ্গর নদী গ্রেনেড; ১৩. শ্যামল ছায়া ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28774751 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28774751 2008-02-28 10:16:12
বর্নসপ্ট থেকে কি ভাবে ইউনিকোডে বা ফোনটিকে কনভার্ট করবো! http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28774457 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazblog/28774457 2008-02-27 06:54:40