somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমাকে সহায়তা করুন মানুষ বিপদে পড়লে মানুষেরই কাছে যায়। তাই তো!
আমি একজন পুরনো ব্লগার।
তবে নিয়মিত লিখতে পারি না বলে তেমনভাবে হয়তো পরিচিতও নই।
তারপরও কী আমি বন্ধুদের সহায়তা চাইতে পারি না? পারি। সেই দাবি থেকে বলছি।

টিপ বা লাল টিপ নিয়ে কোনো কবিতা বা গান কারও কী জানা আছে? নিশ্চয়ই কবি বা গীতিকারেরা টিপ নিয়ে লিখেছেন। কিন্তু আমার একটাও মনে পড়ছে না। আপনাদের জানা থাকলে এখানে বলুন। একাধিক কবিতা বা গান থাকলে আরও ভালো।

প্লিজ আমার পাশে দাড়ান। অপেক্ষায় আলিম জামান.......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29539120 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29539120 2012-02-11 18:50:26
প্লিজ হতাশ হবেন না মিরপুর স্টেডিয়ামে যে দল আগে ফিল্ডিং নেয়, তাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু আজ পিচের যে অবস্থা ছিল, তাতে অবশ্য ওই তত্ত্ব খাটে না। সাকিব কেন ফিল্ডিং নিতে গেলেন, বোঝা গেল না। পিচ তো আদ্র নয়, নিস্প্রাণ ও ফ্লাট। এখানে বোলারদের সুবিধা পাওয়া সহজ নয়। তার ওপর আমাদের পেস আক্রমণ ভালো নয়। রুবেল তাও যা একটু, শফিউল তো রীতিমত হতাশ করছেন। রবি শাস্ত্রীর ভাষায়, অর্ডিনারি বোলার।
অফিসের এক সহকর্মী বললেন, সম্ভবত লোটাস কামালের পরামর্শে বাংলাদেশ আগে ফিল্ডিং নিয়েছেন। তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত!!!
এটা নিছক মজা করার জন্য তিনি এ কথা বলেছেন।
তবে যত সময় যাচ্ছে, আমাদের হতাশা বাড়ছেই। ভারতের দর্শকদের যেখানে আনন্দ, সেখানেই আমাদের চরম নিরানন্দ।
কিন্তু আমরা এই ১৬ কোটি বাঙালি একটু আনন্দ চাই। প্লিজ সাকিব, কিছু একটা করুণ।
তারপরও হতাশ হতে চাই না। ভারত বড় দল। ভারত হয়তো জিতবে, এটাই হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের আরেকটু ভালো ক্রিকেট খেলা দরকার ছিল। শেষ পর্যন্ত আমি, আমরা সেটাই চাইব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29330035 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29330035 2011-02-19 16:57:46
টেস্টিমনি অফ সিক্সটি যদি থাকে, তাহলে আসুন। প্লিজ আলোচনা শুরু করুন। আমি একান্ত বাধ্য ছাত্র হয়ে অপেক্ষায় আছি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29328225 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29328225 2011-02-17 00:52:18 কেউ কী জানেন? উত্তরটা দেওয়ার জন্য আমাকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সময় শেষ।
সহকর্মী শরিফুল ইসলাম ভূইয়াকে জিজ্ঞেস করলাম। উনি বললেন, হ্যা বসার ঘরও যা, ড্রইং রুমও তা। আমি তাকে বললাম, প্রশ্নটা হলো বসার ঘরকে আমরা ড্রইং রুম বলি কেন? তখন তিনি বললেন, তা বলতে পারব না।
আরেক সহকর্মী রাজীব হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, ভূল প্রয়োগ হতে পারে। এটি সঠিক মনে হলো না।
প্লিজ ভাইয়েরা একটা ভাবুন। আর আমাকে উত্তরটা বলুন। আপনি নিজে না জানতল আপনার পরিচিত কাউকে জিজ্ঞেস করুন।
তবু্ও আমাকে জানান.....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29322497 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29322497 2011-02-08 11:47:41
সরকার যার, আদালত তার? কিন্তু মাঝে-মধ্যে মনে হয়, স্বাধীনতা-টাধিনতা সব বাজে কথা। সরকার যেমন চান, বিচার বিভাগ সেভাবে সহায়তা করেন। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট আদালত মালিবাগ হত্যাকান্ড থেকে আওয়ামী লীগ নেতা এইচবিএম ইকবালের নাম বাদ দিলেন। বাদ দিলেন আওয়ামী লীগের সাংসদ নুরুন্নবী শাওনের নামও। যাদের ছবি পত্রিকায় ছাপা হলো, যিনি মিছিলে সন্ত্রাসীদের নেতৃত্ব দিলেন, যে ঘটনায় ৪ জন লোক মারা গেল, যে ঘটনার কারণে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয় হল, সেই ইকবাল, সেই শাওনকে আদালত অব্যাহতি দিল। আদালত কী পত্রিকা পড়েন না? আদালতের কীসের ভয়?
শুধু ইকবাল নয়, এর আগেও আদালত থেকে এ রকম বিতর্কিত ব্যক্তিরা অব্যাহতি পেয়েছেন।
এ লেখার কারণে আমার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি, আমাদের এই ছোট বাংলাদেশ, লোকসংখ্যা ১৬ কোটি, সম্পদ কম। এ অবস্থায় যদি আইনের শাসনের এই অবস্থা হয়, তাহলের এই দেশের জনগণের ভবিষ্যত কী? এদেশের বাঙ্গালীদের ভবিষ্যত কী? এদেশের বাংলাদেশীদের ভবিষ্যত কী? এদেশের আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত কী? এদেশের বিএনপির ভবিষ্যত কী?
আমি জানি না। কিন্তু আমাকে এদেশেই থাকতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29230095 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29230095 2010-08-26 15:50:52
দুঙ্গার ফাঁসি চাই http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29190574 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29190574 2010-07-02 21:53:45 কয়েকজন বিশিষ্ট সমর্থকেরা কথা আমাদের এই সামছু ভাই আবার ফুটবলে আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক। তার ধারণা, কাপ এবার আর্জেন্টিনাই নেবে। বাংলাদেশে তিনি আবাহনীর সাপোর্টার। ভোট দেন নৌকা মার্কায়। তবে ক্রিকেটে তিনি পাকিস্তান বলতে অজ্ঞান। জান-জীবন দিয়ে দেবেন, তবু তিনি পাকিস্তানের খেলা দেখবেনই। আর্জেন্টিনা-আবাহনী-আওয়ামী লীগ, এ পর্যন্ত হয়তো বেঠিক ছিল না। কিন্তু এর সঙ্গে পাকিস্তান, ঠিক যায় না। কেউই মেলাতে পারেন না। এসব বৈপরীত্যের কারণে অনেকে তাকে কোপা সামছু বলেও থাকেন। আর তার ভাষায়, পাকিস্তানী খেলোয়ারদের নাকি তাকদ বেশি। এই শব্দটার অর্থ কী?
আমার ধারণা, যারা মৌলিক খেলায় বিশ্বাসী, তারা ব্রাজিলের সমর্থক, ক্রিকেটে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সমর্থন করেন। আর তারা আবাহনী করতেও পারেন, নাও করতে পারেন। আমার লাইন অবশ্য এ রকম। তাহলে যারা মৌলিকত্বে অবিশ্বাসী, তারা কী আর্জেন্টিনার সাপোর্টার? আমি জানি না। হতেও পারে, নাও হতে পারে। তবে দুএকজন আর্জেন্টিনার সার্পোটার আছেন, তারা কিছুটা হলেও ফুটবল বোঝেন বলে আমার ধারণা। কিন্তু মনে রাখবেন, এই সামছু ভাইয়েরা কিন্তু সংখ্যায় অনেক।
এই সামছু ভাই সম্প্রতি ঘোষনা দিয়েছেন, প্রথম পৃষ্ঠায় প্রতিদিন ম্যারাডোনার ছবি বড় করে দিতে হবে। তাতে নাকি আমাদের পত্রিকা ১০ হাজার বেশি বিক্রি হবে। আমি সামছ ভাইকে বললাম, আপনি এই পরামর্শটা অন্য কোনো পত্রিকাকে দেন, যাদের পত্রিকা চলে না, যাদের সার্কুলেশন দরকার।
আমাদের অফিসে আরও একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কথা বলতে পারি। এদের একজন সম্প্রতি বলেছেন, তিনি ব্রাজিল সমর্থন না করলেও এর ইংরেজি বানানের প্রথম দিন অক্ষর ঠিকই পছন্দ করেন। তিনি নাকি ব্রাজিলের খেলার সময় শুধু গ্যালারির দিকে তাকিয়ে থাকেন। তার আফসোফ, এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় ঠান্ডা বেশি পড়েছে, ততটা সুবিধা হচ্ছে না। আর বেরসিক ক্যামেরাম্যানরা একটু গ্যালারি দেখায় না। তারা নাকি ক্যামেরা মাঠের দিকে ধরে নিজেরা গ্যালারির দিকে তাকিয়ে থাকে!!
আর্জেন্টিনার সমর্থকদের আরও নানান কান্ড শোনাবো আরেকদিন। অপেক্ষায় থাকুন....... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29182289 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29182289 2010-06-21 22:05:55
এ পরাজয়ের দায় বাংলাদেশ নেবে না http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29149559 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29149559 2010-05-06 02:08:03 দুবাইয়ের নারীরা তবে শহরে খেজুর গাছ তেমন নেই। কান্ট্রি ক্লাব হোটেলে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি স্মার্ট ট্যাক্সিচালকের কাছে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, আবাসিক এলাকায় কিছু গাছ আছে। সেখানে প্রতিটা বাড়ি খেজুর গাছ দিয়ে ঢাকা। আর বানিজ্যিকভাবে যেখানে খেজুর চাষ হয়, সেটা আরও দুরে। শহর ছাড়িয়ে, মরুভূমির মধ্যে।
খেজুরের পরে আসা যাক নারীদের কথায়। দুবাইয়ে আমি তিন ধরনের নারী দেখেছি। এক ধরনের মেয়েরা আছে তারা পোশাক-আশাকে বেশ খোলামেলা। শর্ট ড্রেস পরে। কোনো কোনো সময়ে তারা আটশাট জিনস-গেঞ্জি পরে। এ পোষাক পরেই অফিসে যায়। রেস্টুরেন্টে যায়। দুবাইয়ের ভারতীয়রা এবং কিছু প্যালেস্টাইনি মেয়ে এ ধরনের পোশাক পরে। এই মেয়েগুলাই মাশাল্লাহ যে কোনো অনুষ্ঠান গরম করে রাখে।
আরেক ধরনের মেয়ে আছে, যারা বোরকা পরেন, কিন্তু মুখ খোলা। এবং এ বোরকাগুলো খুব টাইট, আটশাট। ইরান, ওমান ও কাতারি মেয়েরা, যারা দুবাইয়ে থাকেন, তারা এ ধরনের পোশাক পরেন। দুবাইয়ে কিন্তু মানুষ থেকে বাইরের লোক বেশি। অনেক সময় তাদের জিনসের ওপরে জামা, মাথায় স্কার্ফ পরতে দেখেছি।
আর কিছু মেয়ে আছেন, তারা আপাদমস্কক ঢাকা বোরকা পরেন। জানলাম, তারা নাকি একেবারেই স্থানীয়। একটা মেলায় দেখলাম, ২০ বা ২২ জন মেয়ে তাদের স্বামীদের সঙ্গে মেলায় ঢুকলেন। স্বামীরা সবাই স্থানীয় পোশাক পরা, অর্থাৎ সাদা জোব্বা। (বাংলাদেশ কী পারে না সেখানে জোব্বা রপ্তানী করতে) সবাই খুব লম্বা আর মোটাসোটা। সেই তুলনায় তাদের স্ত্রীরা বেশ স্লিম, দীর্ঘাঙ্গি। তারা কেবল নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন।
দুবাইয়ে পয়সা করেছেন ভারতীয়রা। তাদের মধ্যে কেরালার লোকেরা। এদের একটা বড় অংশ আবার মুসলমান। হোটেল, জুয়েলারি, নানা ব্যবসায় তারা এগিয়ে গেছেন। কেমনে হলো? জানতে চাইলাম আমার এক বাঙ্গালি ভাইয়ের কাছে। যিনি ১২ বছর ধরে এখানে আছেন। কিন্তু তার ভাষায় কিছু করতে পারেননি। বললেন, এরা প্রথম এদেশে এসে তাদের বউ-মেয়েদের আরবীদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়! এর বিনিময়ে আরবীদের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করে। প্রথমে আমি কথাটা ঠিক বুঝতে পারিনি। পরে বুঝলাম। এটা কী আমার বাঙ্গালি ভাইয়ের ক্ষোভ নাকি সত্য কথা, তা ঠিক বোঝা গেল না। হয়তো কিছুটা সত্যি, আর কিছু তার ক্ষোভ! তবে তিনি স্বীকার করেন, কেরালার লোক একজন আরেকজনের জন্য জান কোরবান করতে রাজি। কিন্তু অন্য কোনো দেশের লোকের জন্য পাচ পয়সার উপকার করতেও রাজি না তারা। সেখানকার অভিবাসী অনেত তরুনেরই স্বপ্ন, কেরালার কোনো মেয়েকে বিয়ে করা। ফিলিপাইনের একটা ছেলে বলছিল এ রকম কথা। তার ধারণা, এতে সে প্রচুর যৌতুক পাবে।
ব্যবসার দিকটা ইরানিরা যে কতটা ভালো বোঝে তা দেখলাম। তাদের একটা চেইন শপ আছে। নাম ডে টু ডে। এখানে কেনাটাকা করতে আসার জন্য তারা নাকি লোককে ভিসা দিয়ে এখানে নিয়ে আসে।
আগামী পর্বে লিখব, মিশরীয়দের রাতভর সীসা খাওয়ার গল্প।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29147693 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29147693 2010-05-03 17:19:27
যেভাবে লেখা হলো-যতদিন রবে পদ্মা যমুনা গৌরি মেঘনা বহমান এমনই একদিন কলকাতার বুদ্ধিজীবি মহলে রটে গেল পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করবে। সব আয়োজন সম্পন্ন। কবি অন্নদাশঙ্কর রায় প্রথম খবরটা পেয়েছিলেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে। সুভাষ মুখোপাধ্যায়েরা গড়ের মাঠে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ ডাকেন। সেখানে গিয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আহবান জানানো হয় অন্নদাকে। বাংলাদেশ তথা পূর্ববঙ্গের প্রতি অন্নদার ছিল গভীর ভালোবাসা আর আবেগ। তার জন্ম যদিও পূর্ববঙ্গে নয়, কিন্তু তার দুটি সন্তানের জন্ম এখানে। আর জীবনের দুটি ভাগ তিনি কাটান পূর্ববঙ্গে। তো গড়ের মাঠে যাওয়ার জন্য বাড়তি টান ছিল তার। গেলেন, কিন্তু এত ভিড় ছিল তিনি ভিতরে পৌছাতেই পারলেন না। তখন তার বয়স ৭০ এর কাছাকাছি। যদিও তিনি শারীরিকভাবে শক্ত-সামর্থ ছিলেন।
ফিরে বাসায় এসে তার বক্তব্যটি তিনি কবিতায় রুপ দিলেন,
যতদিন রবে পদ্মা যমুনা
গৌরি মেঘনা বহমান,
ততকাল রবে কীর্তি তোমার
শেখ মুজিবুর রহমান
দিকে দিকে আজ রক্তগঙ্গা
অশ্রুগঙ্গা বহমান
তবু নাহি ভয় হবে হবে জয়
জয় মুজিবুর রহমান।

এখানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ন দিক হলো, অন্নদা আশঙ্কা করেছিলেন শেখ মুজিবকে মেরে ফেলা হবে। তাই তিনি এ কবিতাটি লেখেন। তিনি যদি অন্যরকম ভাবতেন, বা তার মধ্যে যদি চিন্তা আসতো, শেখ মুজিবকে পাকিস্তানিরা মারার ঝুকি নেবে না, তবে কী ওই কবিতাটির সৃষ্টি হতো? আমার মনে প্রশ্ন জাগে। আর তিনি যদি গড়ের মাঠে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেতেন, তবে হয়তো কবিতাটি সৃষ্টি হতো না। বা তিনি যদি বাসায় এসে ওই সময় কলম, কাগজ নিয়ে না বসতেন, তাহলে কী হতো কে জানে। অনবদ্য, ঐতিহাসিক কবিতাটি হয়তো লেখাই হতো না।
অন্নদাশঙ্কর রায়ের '‌আমার ভালোবাসার বাংলাদেশ' বইটি পড়ে আমার এমন মনে হয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29103445 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29103445 2010-02-22 22:09:15
এক বছর পর আমি কেন লিখিনি? ফেসবুকে সময় বেশি দিয়েছি এটা সত্য। কিন্তু লেখা দুরে থাক, সামহোয়ারে তো ঢোকাই হয়নি। একবছরে বড়জোর তিন থেকে চারবার। কেন?
আমার এক অনুজ, হাসান নাম, ওর পরামর্শে এখানে আসা। ওই-ই এখানে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়। তার পরে আমাদের মাসুম ভাইসহ আরও অনেকের ভালো ভালো লেখা পড়ার লোভ পেয়ে বসলো। (খারেজি ভাই মাইন্ড কইরেন না!)
আসলে তখন ঘটনাও অনেক ছিল। কিছু কিছু ঘটনা অনুভুতিতে এতটা আঘাত লাগতো, না লিখে উপায় ছিল না। তারপরে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসলো। সবদিকে কেমন উৎসাহ, আশা জাগানিয়া খবর। ভালো, সব ভালো। কী আর লিখবো! তবে কী আমার বিষয়ের অভাব ছিল? আর আজ বা কেন বসছি?
বইমেলা থেকে আসলাম। গত বছর মেলার ক্যান্টিনে খাবার পেতে আমার আধঘন্টা বসতে হয়েছিল। এবার পাঁচমিনিটেই পেয়ে গেলাম। তবে কী ভিড় কম?
দেখা হলো ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটনের সঙ্গে। ওনার একটা ছড়া আছে-কোথায় থাকিস বাংলামটর, কী করিস লটরপটর!.....আর আনোয়ার স্যারকে দুর থেকে দেখে মনে মনে শ্রদ্ধা জানালাম।
বাংলা একাডেমির স্টলটার কোনো পরিবর্তন নেই। নতুন বই নেই। পুরনো বইয়ের নতুন সংস্করণ নেই।
বই কিনলাম মোট ৭টা। গেলাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে। ততটা জমল না। একই দলের একাধিক পরিবেশনা। পোশাকের পরিবর্তন নেই। যে পোশাক পরে শোকের গান, সেই পোশাকেই আনন্দের গান।
আমি বেরিয়ে আসলাম তিনটা গান শুনেই। কিন্তু আমি ও আমার স্ত্রী ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আসন দুটো পুরণ হয়ে গেল!
প্যাঁচাল-ক্যাচাল অনেক হলো। এবার সামহোয়ারে নিয়মিত পাবেন আমাকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29098620 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/29098620 2010-02-15 23:24:03
ক্ষতি একই সঙ্গে বলতে চাই বিডিআর সদস্যদের কথা। যারা বিদ্রোহ করেছিল, এর মধ্যে যারা পালিয়ে গেছে, যারা আটক আছে, তারা কিভাবে আছে, কোথায় আছে। তাদের পরিবারও উদ্বিগ্ন। যেসব বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছে, তাদের পরিবার কি কোনো ক্ষতিপুরণ পাবে না?
গণমাধ্যমের কাছে জনগণ সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ন প্রতিবেদন আশা করে। কিন্তু মানুষ সেটা পাচ্ছে কই? গনতান্ত্রিক দেশে এটুকু আশা করা যেতেই পারে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত বিচক্ষনতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য। তিনি এখন পর্যন্ত সঠিক কাজ করেছেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28917737 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28917737 2009-02-27 23:53:18
কিছু কথা, কিছু দেখা এরপরে কি হলো, সে বর্ণনা দেওয়ার জন্য এ লেখা নয়। আমরা কখন পৌছালাম, কিভাবে পদ্মা সেতু পার হলাম, আমাদের বাস কিভাবে নষ্ট হলো, কিভাবে বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেচে গেলাম, তা অবশ্যই বলব না। হ্যা আমরা কিন্তু গন্তব্যে পৌছে ছিলাম। তবে দিনটি নিশ্চয় সোমবার ছিল না।
আমার ছেলে স্বচ্ছ রাস্তার দুপাশে অনেক গাছ, নারকেল গাছ, সুপারি, মেহগুনি, ঝোপ-ঝাড়, পদ্মার অনেক পানি, মধুমতির পানি দেখে খুব খুশী হয়েছে। সে অনেক মানুষও দেখেছে, দেখেছে নানা জীবজন্তু। এসব দেখে ওর আনন্দ আমাকেও অনেক খুশি রেখেছে।
আমরা আজ দুপুরে ঢাকা ফিরলাম। দুদিন মায়ের রান্না খেয়ে আজ দুপুরে খেলাম শাশুড়ির রান্না। আজ রাতেও সেখানে খেতে হবে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
যাত্রা পথের গল্পটা শোনাতে পারলাম না বলে একটু খচখচানি মনে হয় থেকে গেল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28880799 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28880799 2008-12-10 20:02:52
জনাব আকবর আলী খান, আপনি কেমন আছেন ইদানিং আপনাকে কোথাও দেখছি না। আপনি সভা-সেমিনারে যাচ্ছেন না ? আপনি চ্যানেলে আলোচনা, টক শোতে যাচ্ছেন না। কেউ কি আপনাকে হুমকি দিয়েছে? আমি জানি আপনি এসব হুমকিতে দমে যাওয়ার মানুষ নন। তবে কি আপনি অসুস্থ্য? তাই হলে, কামনা করি আপনি দ্রুত সুস্থ্য হয়ে উঠুন।
আপনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনি হবিগঞ্জের এসডিও ছিলেন। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও আপনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আপনি একজন শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ। আমলা হিসেবে দেশ সেবা করেছেন ২০০৩ সাল পর্যন্ত। আপনার লেখা বই পরার্থপরতার অর্থনীতি দারুন একটি কাজ।
স্যার আপনি এখন কেমন আছেন, জানতে চাইছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28834842 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28834842 2008-08-25 17:36:25
transit http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28821914 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28821914 2008-07-19 17:09:19 রহস্য আছে একটু ভাবুন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যখন কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়, তখনই সীমান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিডিআর-বিএসএফ গোলাগুলি হয়। হতাহতের ঘটনা ঘটে। আজও চাপাইনবাবগঞ্জে বিডিআর-বিএসএফ সংঘর্ষে ২ বিডিআর সদস্য নিহত ও এক বিএসএফ সদস্য নিহত (বিএসএফের মতে আহত) হয়েছে। এর আগে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তারা যখন বাংলাদেশ সফর করেছেন, তখনও এ রকম ঘটনা ঘটেছে।
আমার মনে হয়, এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করানো হচ্ছে। এর মধ্যে কারো কারো হাত থাকতে পারে। বাংলাদেশে যারা ভারতবিরোধী এবং ভারতে যারা বাংলাদেশবিরোধী তাদের হাত থাকতে পারে। বাংলাদেশে জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধীরাও জড়িত থাকতে পারে। কারণ তাদের রয়েছে একট্রা পাওয়ার। এবং তাদের উদ্দেশ্য পরিস্কার, তারা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক চায় না। তারা না বুঝে ট্রানজিটের বিরোধিতা করে। এবং এই বিরোধিতাকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28821606 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28821606 2008-07-18 16:55:44
আনন্দবাজার পত্রিকা গত সাত/আট বছর যাবত আনন্দবাজার পত্রিকাটি ইন্টারনেটে পড়ছি। আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদকীয়, নিবন্ধ, বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা, গল্প এবং রবিবাসরীয়তে সাক্ষাতকার, মূলত এগুলোই আমি পড়ি। খবর পড়ি অল্প, তবে শিরোনামগুলো খেয়াল করি। পত্রিকাটির মেকআপ, ছবি এবং ক্যাপশন দেখি। প্রথম পাতায় সাধারণত ৬টি বা ৭টি খবর তারা দেয়। বিজ্ঞাপন একটি থাকে। বড় ছবি থাকে একটি।

সবচেয়ে আগ্রহ নিয়ে পড়ি খেলার লেখা ও খবরগুলো, বিশেষ করে গৌতম ভট্টাচায্যের লেখা। সম্পাদকীয়গুলোর বিশ্লেষন দারুণ, ভাষার গাথুনি চমৎকার। শিরোনামগুলো বেশ আকর্ষনীয় হয়। বিজ্ঞানটা এই পত্রিকার লোকজন খুব ভালো বোঝে। সহজ করে লেখে।

কিন্তু কিছু সমস্যা আছে। নিউজে মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমন থাকে, যা সাংবাদিকতার প্রচলিত রীতির বাইরে। এটা ভালো লাগে না। তবে ভাষা ও বাক্য গঠনের দিক থেকে পুরো পত্রিকাটি একই রকম। প্রতিটা বিভাগের সমন্বয় দারুন। পশ্চিমবঙ্গের নিউজ বেশি, অবশ্য এটি আঞ্চলিক পত্রিকা।

পত্রিকাটি সিপিআই(এম) এর সমালোচনা করে খুব বেশি। মাঝে-মাঝে মনে হয়, পত্রিকাটি তৃণমূলের সমর্থক। খেলার খবর আমার ভালো লাগে, তবে লেখায় পরাজিত দলের প্রতি কোনো সহানুভূতি থাকে না, বরং তাদের হতাশ করে দেওয়া হয়। গৌতম ভট্টাচায্যের লেখা ভালো, কিন্তু স্টাইলে কোনো পরিবর্তন নেই।

বাংলাদেশীদের নামের বানান তারা খুব বিকৃত করে লেখে। শমী কায়সারকে লেখে সমী কাইজার, মাশরাফিকে মুশরাফি, এ রকম অনেক। তারা কাজটা বুঝে করে না, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। তারপরও পত্রিকাটি আমি পড়ছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28820953 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28820953 2008-07-16 17:21:22
দার্জিলিংয়ের রক গার্ডেনের কথা বলি
আমাদের গাড়ি আগেই ঠিক করা ছিল। রাত ৪টা, সোয়া চারটা নাগাদ গাড়ি হোটেলের সামনে আসবে। সবাইকে আগে উঠে তৈরি থাকতে হবে, এ রকম সাব্যস্ত হলো। হুইস্কি, চানাচুর, নানা ধরনের ফল সবই ছিল। সবাই এক রুমে বসে বোতল খোলা হলো। যারা বেশি উৎসাহ দেখালো, তাদের কেউ কেউ পানীয়র গ্লাস ধরলোই না। আমি দু এক চুমুক দিয়েছিলাম, মনে আছে। মার্চ মাস, দার্জিলিংয়ে তখন প্রচন্ড শীত। তাপমাত্রা ১ বা ২ ডিগ্রি। পানি ধরা যায় না। গরম পানির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু নিখিল ঠিকমত ব্যবস্থা করতে পারলো না। কেউ পেলো, কেউ পেলো না। তারপরও সবাই ঠিক সময়ে গাড়িতে ওঠা গেল। তখনও পুরো অন্ধকার। সে কি শীত রে বাবা! আমাদের এক বান্ধবী বরফ ঠান্ডা পানি দিয়ে টয়লেট করার কষ্টের কথা শোনালেন। আমরা সঙ্গে একমত হলাম এবং তার কষ্টের সমব্যথী হলাম।

আমাদের চালক কিন্তু কথা বলেই চলেছে। তার নাম সৌরভ। তার বাড়িও নেপালে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে তার গাড়িতেই আমরা দার্জিলিং যাই। তাকে আমাদের ভালো লেগে গেল বলে দার্জিলিংয়ের পুরো সাইট সিং'গুলো ঘুরিয়ে দেখানোর দায়িত্ব তাকেই দেওয়া হলো। ব্যাটা রসিক বটে। দেখতেও দারুন। এক বান্ধবী তার কাছে জানতে চাইলো, সে বিয়ে করেছে কি না। না করে থাকলে সে তাকে বিয়ে করতে চায়। সৌরভ জানালো, সে বিয়ে করেছে এবং তার দুটি ছেলেও আছে।

গাড়ি চলতে থাকলো।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28820334 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28820334 2008-07-14 23:36:35
দার্জিলিংয়ের মেয়েরা দার্জিলিং ভ্রমনের ওপর গতকাল লেখার পর অনেকেই অনুরোধ করেছেন বিস্তারিত লিখতে। তবে সেখানকার তরুনীদের নিয়ে কিছু বলা যাক, যা আমি দেখেছি। পাহাড়ের মেয়েরা সবাই যে তুখোড় সুন্দরী, তা নয়। তবে চেহারায় একটা কঠিন বা পাহাড়ি ভাব আছে। সাধারনত জিন্স ও গেঞ্জি ওদের প্রিয় পোশাক। অধিকাংশ মেয়েই স্লিম। অন্তত আমার চোখে কোনো মোটা মেয়ে আমি সেখানে দেখিনি। সেখানে অবশ্য প্রচুর বাঙ্গালি রমনী আছেন। তারা শাড়ি পরেন, তারা কিছুটা মোটা ধরনের, তাদের কথা আমরা বলছি না। দার্জিলিংয়ের মেয়েদের উচ্চতা মাঝারি, খাটোও আছে, যদিও আমাদের মানে বাঙ্গালীদের চোখে খাটো ধরা পড়ে না। কারণ মেয়েদের উচ্চতা আমরা সাড়ে ৫ ফুটের মধ্যেই চিন্তা করি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, সেখানকার কোনো মেয়েই খোপা করে না। চুলে তেল বা জেলি দেয় না। পিঠ গড়িয়ে কোমর ও হাটু অব্দি চুল অনেকেরই। ছেড়ে দেওয়া। বাতাস তাদের এলোচুল নিয়ে খেলা করে। দেখতে বেশ ভালো লাগে। আমার তো দারুণ লেগেছে।

এক বিকেলে রোপ ওয়ে, যা কি না সেখানকার ৭টা সাইট সিং' এর একটি। মৃদুমন্দ বাতাস। পাশে একটি দোকানের দিকে চোখ গেল। দুই তরুনী। বুঝতে অসু্বিধা হলো না তা মা ও মেয়ে। মেয়েটির বয়স ১৫, ১৬ বা ১৭ও হতে পারে। চোখে লাগার মত। আমি ওর কাছে একটা চিপস চাইলাম। ও সাড়া দিল না। ওর মা আমাকে চিপস দিয়ে ভিতরে গেল। তোমাদের এখানে জিসিপত্রের দাম খুব বেশি-- বলে মেয়েটিকে খেপাতে চাইলাম। কিন্তু হাসি ছাড়া কোনো জবাব পেলাম না। ফিরে এলাম আবার রোপ ওয়ের পাশে। কিছু্ক্ষণ ভাবলাম। আরেকবার ওর দোকানে যাওয়ার ইচ্ছে হলো। কিন্তু গেলাম না।

টাইগার হিল দেখতে গিয়ে কি কান্ড হয়েছিল, তা বলবো আরেকদিন।











]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28819215 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28819215 2008-07-11 18:51:23
দার্জিলিং
দার্জিলিংয়ের অনেক কিছুই ভালো। সেখানকার মেয়েরা চুল বাধে না। খোলা চুলে বিকেলে ঘুরে বেড়ায়। দেখতে দারুন লাগে। দার্জিলিংয়ের বাতাসে ধুলো নেই। এ কারণে চুল বাধার প্রয়োজন হয় না।

শহরটা পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন নয়। বেশ নোংরা। সেখানকার তরুনদের মন ভালো। তবে গাড়ি চালনা, নতুবা কেয়ারটেকার, বা হোটেলে কাজ করা ছাড়া অন্য কোনো কাজ তাদের নেই। তাদের চোখে আমি দেখেছি বিস্তর হতাশা। এ রকম এক তরুন আজ আমার চোখে ভাসে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইচ্ছে করেই সেখানে কোনো কারখানা করে না। তাই আমি সুভাষ ঘিসিংয়ের পৃথক রাজ্যের আন্দোলনকে সমর্থন করি।

যা বলছিলাম। জীবনে একবার সবারই সেখানে যাওয়া উচিত। দেখার মত একটা জায়গা তো বটেই।

আজ কম্পিউটারে দার্জিলিংয়ের ছবিগুলো দেখছিলাম। আর ব্লগে দেখলাম, আরেকভাইও দার্জিলিং নিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। তাই আমি আর বসে থাকি কি করে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28818918 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28818918 2008-07-10 18:48:13
রাজনীতিবিদদের শাসনই ভালো রাজনীতিবিদদের অনেকেই ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতি করেন, তারপরও জনগণের সমস্যাগুলো তারাই জানেন ভালো। আর রাজনীতি করতে গেলে কিছু কাদা গায়ে তো মাখতেই হয়। ভারতে লোকসভার সদস্যদের মধ্যে ধর্ষক আছে, আছে খুনী। তাই বলে গনতন্ত্র তো আর থেমে নেই।
আর আমাদের একটা বাতিক আছে। আমরা সাংবাদিকেরা রাজনীতিবিদদের কিছু দোষ জানতে পারলে ফলাও করে ছাপাই। অথচ আমলা, সেনা কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দুর্নীতি খুঁজিই না।
একজন রাজনীতিবিদ মন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকেরা অনায়াসে কঠিন প্রশ্নটিও করতে পারেন। যেটা সম্ভব হয় না অবসরপ্রাপ্ত সেনামন্ত্রীর ক্ষেত্রে।
১৯৯১ সালে মোটা চালের দাম ছিল ৭ টাকা কেজি। ২০০৬ সালে তা ছিল ২০ টাকা। ১৬ বছরে বৃদ্ধি ১৩ টাকা। আজ মোটা চালের কেজি ৩৫ টাকা। এক বছরে বৃদ্ধি ১৫ টাকা।
তাই রাজনীতিবিদদের শাসনই ভালো। রাজনীতিবিদরা ১৫ বছরে অনেক দুর্নীতি করেছেন। কিন্তু জিডিপিও তো বেড়েছে অনেক। গনতন্ত্র থাকলে দেশে উৎসাহ থাকে। এখন দেশে উৎসাহ নেই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28756973 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28756973 2008-01-05 16:57:18
সাংবাদিক ও সংবাদপত্র এক বছরে বেকার হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার সাংবাদিক-কর্মচারী। আচ্ছা, সাংবাদিকদেরও পরিবার-পরিজন আছে। তাদেরও তো টাকা লাগে। যারা বেকার হয়েছেন, পরিবার নিয়ে এখন তারা কিভাবে আছেন, তা কি জানেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।
আমার দেশ, সংবাদ, দিনকাল, যায়যায়দিন পত্রিকার সাংবাদিকেরা বেতন পান না তিন থেকে ছয় মাস। কিভাবে চলছে তাদের পরিবার?
জরুরি অবস্থার সবচেয়ে বড় শিকার এদেশের সাংবাদিকেরা।
সাংবাদিকদের জন্য বছরের সবচেয়ে বড় প্রহসন ওয়েজবোর্ড। এমন একটি ওয়েজবোর্ড করা হলো, যা বাস্তবায়ন হলে বেতন আরও কমে যায়।
সাংবাদিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার ওয়েজবোর্ড রিভিউ করবে বলেছে। কিন্তু কমিটি এখনও গঠন করা হয়নি। কবে কমিটি হবে, কবে তারা প্রতিবেদন দেবে, আর কবে সরকার পাশ করবে?
এ অপেক্ষা কত দিনের? সাংবাদিককেরা রাষ্ট্রের শত্রু নয়, তারা দেশ ও জনগণের বন্ধু। তারা গনতন্ত্র চান। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28756378 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28756378 2008-01-03 18:01:19
তেলের দাম বাড়ায় উন্নয়ন অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যে পণ্যটি, সেটি নিঃসন্দেহে জ্বালানি তেল। আর বিশ্বজুড়ে এই তেলের সাম্প্রতিক দাম বৃদ্ধিকে বলা হচ্ছে বিশৃঙ্খল ও রীতিমতো অস্বাভাবিক। চলতি সপ্তাহে অশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৯৬ বা ৯৭ ডলার। অতীতে কেউ কেউ চিন্তা করেছিলেন জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলার স্পর্শ করলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। বর্তমানে অর্থনীতি কিন্তু সেই পরিস্থিতি অতিক্রম করছে।
জ্বালানি তেলের দাম আকাশে ওঠায় সবচেয়ে তিগ্রস্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্ব, যাদের জ্বালানি খরচ বেশি এবং অনেকাংশে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। আরও তিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশের মতো গরিব দেশগুলো। এসব দেশে জ্বালানির সঙ্গে জড়িত পণ্যগুলোর দাম বেড়ে যাচ্ছে। সরকারের রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ চলে যাচ্ছে জ্বালানি আমদানিতে। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উন্নয়ন।
নেপথ্য কারণ
২০০২ সালে জ্বালানি তেলের যে দাম ছিল, বর্তমানে দাম তার তিন গুণ। আর এ বছরের শুরুতে যে দাম ছিল, বর্তমান দাম তার ৪০ শতাংশ বেশি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো উত্তর ইরাকে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দমনে তুর্কি সেনা অভিযান। উত্তর ইরাকে তেল যথেষ্ট আছে তা নয়। তবে কিরকুক শহরকে সংযোগকারী একটি বড় পাইপলাইন আছে, যেটি কুর্দি অঞ্চলের দেিণ। যদিও এই পাইপলাইনটি ২০০৩ সালে ইরাক অভিযানের পর থেকেই তুরস্ক বন্ধ করে দিয়েছে।
ব্যাপক অর্থে ইরাকের উত্তরে সহিংসতা এই আতঙ্ক ও হুমকির জš§ দিচ্ছে যে, তা যে কোনো সময় ইরাক, ইরান, কুয়েত ও সৌদি আরবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বৈশ্বিক তেলের জোগানের ২০ শতাংশ দেয় এই দেশগুলো। বিশেষ করে আজারবাইজান থেকে তুরস্কের সেহাল বন্দর পর্যন্ত যে পাইপলাইন গেছে, এবং যেটি দিয়ে দৈনিক সাত লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়, কুর্দিরা সেটির তিসাধন করতে পারে সেই আশঙ্কা রয়েছে। এই আতঙ্ক তেলের দাম বাড়ার একটি বড় কারণ।
ইরানের পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়ার ইচ্ছা ও তা রোধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার হুমকিÑএটাও দাম বৃদ্ধির অপর এক কারণ। তা ছাড়া নাইজেরিয়ার তেল সমৃদ্ধ এলাকায় জঙ্গি সহিংসতা, আফগানিস্তান ও ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ সাম্প্রতিক দাম বৃদ্ধিকে উসকে দিয়েছে।
তেলের চাহিদা বাড়বেই
জ্বালানির চাহিদা এখন সর্বোচ্চ। চীন ও ভারতÑবৃহৎ দুটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে তাদের জ্বালানি চাহিদা। দুটি দেশেরই লোকসংখ্যা ১০০ কোটির ওপরে। দেশ দুটিতে নতুন নতুন ভোক্তাশ্রেণীর আবির্ভাব ঘটছে। চীনের জ্বালানি চাহিদা বাড়ছে প্রতিবছর ১৫ শতাংশ হারে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ২০০৩ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জাপান। ওই বছর তাদের টপকে যায় চীন।
পর্যবেকেরা উদ্বিগ্ন এ কারণে যে, জ্বালানির চাহিদা যে হারে বাড়ছে, জোগান সমানতালে বাড়ছে না। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির মতে, আগামী বছর জ্বালানির গড় চাহিদা বাড়বে দিনে ২২ লাখ ব্যারেল। চলতি বছর চাহিদা বাড়ে ১৫ লাখ ব্যারেল। এ ছাড়া ২০১২ সাল পর্যন্ত জ্বালানি চাহিদা প্রতিবছর দুই শতাংশ করে বাড়তে পারে।
ওপেকের কী করার আছে
জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক বিশ্লেষক জন রবার্টস মনে করেন, জ্বালানির দাম বাড়ার প্রধান দায়টা ওপেকের। যেহেতু এটি জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন এবং জ্বালানি রপ্তানির প্রধান অংশটি ওপেকের মাধ্যমেই হয়। দাম নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা আরও আক্রমণাÍক হওয়া উচিত। কিন্তু তাদের ভূমিকা খুবই দুর্বল। রবার্টস আরও উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দেন।
এখানে ওপেকের একটা বক্তব্য আছে। তারা কিন্তু উৎপাদন বাড়াচ্ছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যে উৎপাদন কোটা, তা তারা আগেই ছাড়িয়ে গেছে। ১ নভেম্বর থেকে দিনে পাঁচ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
অবশ্য উৎপাদন বাড়ানো নিয়ে ওপেকের মধ্যে মতভেদ আছে। বিশেষ করে সৌদি আরব সংকটকালে কোটার বাইরে আরও বেশি উৎপাদনের দিকে আগ্রহী। তবে অন্যরা তা নয়। ইরান, নাইজেরিয়া, ভেনেজুয়েলা তড়িঘড়ি উৎপাদন বাড়াতে চায় না। বরং বাজার গরম দেখতেই তারা পছন্দ করে।
ওপেকের বক্তব্য হলো, একশ্রেণীর জ্বালানি ব্যবসায়ী যেভাবে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, তাতে উৎপাদন বাড়িয়েও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। যারা আতঙ্ক ছড়িয়ে ফায়দা লুটছে তাদের বিরুদ্ধে আগে ব্যবস্থা নিতে হবে। আগে আতঙ্ক দূর করতে হবে।
কার লাভ, কার তি
আশির দশকের শেষ দিকে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি প্রায় সে রকমই বটে। দাম বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্র খুবই উদ্বিগ্ন। এমনিতে মার্কিন অর্থনীতির অবস্থা সংকটাপন্ন। আগস্টে শেয়ার বাজারে ধসের প্রভাব অর্থনীতিতে এখনো। বাড়ছে বেকারত্ব। মূল্যস্ফীতি কমছে না। এ অবস্থায় জ্বালানির দাম বৃদ্ধি তাদের বিশাল, বিরাট আকারের অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদনকারী দেশগুলো আছে ফুরফুরে মেজাজে। এক্সনমোবিল ও বিপির মতো বড় তেল কোম্পানিগুলোর এখন সুদিন। প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ ভেনেজুয়েলাকে নতুনরূপে সাজাচ্ছেন। পশ্চিমা সমালোচনাকে পায়ে দলে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে প্রচুর বিনিয়োগ করছেন। ভালো অবস্থায় আছে রাশিয়াও।
তবে বিশ্লেষকেরা আশা করছেন, বাজার আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। একটি ভালো ঘটনাই তেলের দাম ৭০ বা ৬০ ডলারে নিয়ে যেতে পারে।


আজকের প্রথম আলোয় প্রকাশিত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28745011 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28745011 2007-11-12 18:24:30
ইয়াবা ও জামায়াত তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত অন্যসব বিষয় ফেলে এই বিষয়টাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া। শাস্তি হিসেবে তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়ার প্রস্তাব করেন।
আমি এই বক্তব্যে আমার সমর্থন প্রকাশ করছি। থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা তার দেশে ক্রিয়াশীল প্রায় এক হাজার মিয়ানমারের ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ফাঁসিতে লটকেছিলেন। কিছুটা সমালোচনা হলেও কাজটা তিনি করেছিলেন। আজ তার সুফল পাচ্ছে থাইল্যান্ড।
মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের তরুন সমাজকে ধংস করে আমাদের ভবিষ্যত নষ্ট করছে। একটি পরিবারে একটি মাদকাসক্ত ছেলের উপস্থিতি কতটা কষ্টের, বিড়ম্বনার সেটা অন্যদের পক্ষে উপলব্ধি করা হয়তো সহজ না। যাদের পরিবারে এ রকম আছে, তারাই কেবল বুঝতে পারবেন।
গাজীপুরে একটি স্কুলছাত্রকে হত্যা করা হলো। একের পর এক এ ধরনের খুন বেড়েই চলছে। এসবই সমাজে মাদক গ্রহনের প্রতিক্রিয়া ও ফল।
একইভাবে সমাজ ধংস করছে জামায়াতও। তারা ইসলামের নামে বিভ্রান্ত করছে তরুনদের। ইয়াবার মত ভয়ঙ্কর মাদক জামায়াত। বিষবৃক্ষ জামায়াতের গোড়াটা কাটার এখনই সময়। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকারকে যেমন ব্যবস্থা নিতে হবে, তেমনি ব্যবস্থা নিতে হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে।
এর কোনো বিকল্প নেই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28740718 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28740718 2007-10-28 16:56:31
আমি তৃপ্তি পাই ঘুম থেকে উঠে লাল চা খেতে আমি তৃপ্তি পাই। কিন্তু মাসে এক বা দুদিন হয়তো সেটা ভাগ্যে জোটে।
একটু সময় নিয়ে পত্রিকা পড়তে আমি তৃপ্তি পাই। কিন্তু সেই সময়টা পাই না।
রোজা রেখে হাঁটতে আমি একদম তৃপ্তি পাই না। তারপরও আমাকে হাঁটতে হয়।
বই পড়তে আমি খুব তৃপ্তি পাই। বিশেষ করে গভীর রাতে। কিন্তু সময় পাই না।
পাঁচ তারকা হোটেলের বিছানায় ঘুমিয়ে আমি তৃপ্তি পাই। কিন্তু সেই সুযোগ কম পাচ্ছি।
লিখে আমি খুব তৃপ্তি পাই। ইদানিং সেই সময়টা বের করে নিচ্ছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28735839 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28735839 2007-10-06 15:16:53
সাংবাদিক ভাইরা
বাংলাদেশে সাংবাদিকেরা খুবই সতভাবে জীবনযাপন করেন। তারা তুলনামুলক খুব কম বেতন পান। অনেক সাংবাদিক অসুস্থ্য হয়ে পড়লে চিকিতস্যার টাকা থাকে না। হাত পাততে হয়, সাহায্যের আবেদন জানাতে হয় পত্রিকায়। অথচ ওই সাংবাদিক ভাই তার সারাটা জীবন ব্যয় করেছেন দেশের কাজে, উন্নয়নের কাজে। একজন সাংবাদিক যতটা আন্তরিকতার সঙ্গে দেশকে ভালোবাসেন, দেশের মঙ্গল চান, তা হয়তো অন্য কোনো পেশাজীবীর পক্ষে সম্ভব হয় না।

বর্তমানে তরুণ সাংবাদিকেরা খুবই প্রতিশ্রুতিশীল। তারা উচ্চ শিক্ষিত। সত্যিই তারা এ কাজটিকে ভালোবাসে। তাই বেশি বেতনের লোভ ত্যাগ করে কষ্টের জীবন বেছে নেয়। আর কে না জানে, সাংবাদিকেরা বেশি পরিশ্রম করে, তাদের নেই রাত নেই দিন। তারা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে পর্যন্ত যেতে পারে না। তাদের চেয়ে ত্যাগ স্বীকার আর বেশি করে কে?

তারপরও সাংবাদিকেরাই যেন অনেকের দুচোখের বিষ, তারা যেন শত্রু। তাদের কাছ থেকে কলম কেড়ে নাও। তাদের লিখতে দিও না। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দাও। বর্তমানে এসব চলছে। এর সবই হয়তো ভুল প্রমাণিত হবে। ততদিনে আমাদের দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28734846 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28734846 2007-10-01 15:56:21
চোখে জল এসেই গেল আজকের কাগজে অনেক ভালো মানুষ আছেন। অনেক বয়সী মানুষ আছেন। মাহবুব আলম ভাইয়ের কথা এই মুহুর্তে বেশি মনে পড়ছে। তার হাত ধরেই আমার সাংবাদিকতা শুরু। আমার লেখা প্রথম নিউজটি তিনি সম্পাদনা করেছিলেন। নিরহঙ্কার, বড্ড ভালো মানুষ।
কাজী শাহেদ আহমেদ কোনো সময় পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেননি। বরং তিনি কাগজটিকে ব্যবহার করেছেন তার অন্যান্য ব্যবসা পরিচালনার হাতিয়ার হিসেবে।
আজকের কাগজের জন্য এবং আমার শ্রদ্ধাভাজন সাংবাদিকদের জন্য খুবই খারাপ লাগছে। চোখে জল এসেই গেল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28732278 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28732278 2007-09-19 19:00:24
মান্নান ভুইয়ার জুতাদান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির (মইন উ পন্থী) মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার জুতা চুরি হয়ে গেছেÑ এই সংবাদ পাওয়ার পর বিএনপির শত শত নেতা-কর্মী মান্নান ভূঁইয়াকে জুতা দিয়েছেন। বন্যার এই মৌসুমে জুতা নিতে না চাওয়ায় নেতা-কর্মীরা দলের মহাসচিবের প্রতি ভালবাসার নিদর্শন স্বরূপ তাঁর গাড়িতে জুতা ছুড়ে মেরেছেন।
গতকাল শনিবার বিএনপির ২৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মান্নান ভূঁইয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে গেলে জুতাদানের এই ঘটনা ঘটে।
বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াপন্থী নেতা-কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে মান্নান ভূঁইয়ার গুলশানের বাসা থেকে জুতা চুরির কাজ করে আসছেন। গত দুইদিনে এই অপ তৎপরতার শিকার হন মান্নান ভূঁইয়ার। দুইদিনে মান্নান ভূঁইয়ার নতুন এক জোড়া জুতাসহ মোট চার জোড়া জুতা চুরি হয়। গতকাল অনেক খোঁজাখুঁজি করে জুতা না পেয়ে মান্নান ভূঁইয়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে জে মাহাবুবুর রহমানের জুতা পরে জিয়াউর রহমানের কবরে যান।
মুহুর্তের মধ্যে এই খবর প্রচার হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির কয়েকশ নেতা-কর্মী নিজ টাকায় নতুন জুতা কিনে জিয়াউর রহমানের কবর কমপ্লেক্সে আসেন। মান্নান ভূঁইয়া সেখানে পৌছার সঙ্গে সঙ্গে তারা জুতা নিয়ে এগিয়ে যান। কিন্তু বেশ কয়েক দফা চেষ্টার পরও তারা জুতা দিতে পারেননি। এ সময় মান্নান ভূঁইয়া নেতা-কর্মীদের বলেন, ‘আপনারা আমাকে জুতা না দিয়ে এই টাকা দিয়ে বন্যার্তদের সাহায্য দিন।’
পরে কবর জিয়ারত শেষে মান্নান ভূঁইয়াকে নেতা-কর্মীরা আবারও জুতা দিতে চাইলে তিনি দ্রুত গাড়িতে ওঠে চলে যেতে চান। এ সময় নেতা-কর্মীরা শত শত জুতা তার গাড়িতে ছুড়ে দেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো জুতাই গাড়ির ভেতরে যায়নি বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728886 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728886 2007-09-01 19:41:24
ডায়ানা বদলে দিয়েছিলেন ব্রিটেনকে একে একে চলে গেল ১০টি বছর। এখনো কত জীবন্ত তাঁর স্মৃতি! এখনো তিনি বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান ব্রিটিশ। জীবদ্দশায় তিনি দামি পোশাক যদি নাও পরতেন, না থাকতেন ট্যাবলয়েডের পাতায়, তবু তিনি বেঁচে থাকতেন, আজও যেমন আছেন। রণশীল ব্রিটিশ রাজতন্ত্রকে আধুনিকতার প্রলেপ তিনিই দিয়েছেন। দরিদ্র, যন্ত্রণাকিষ্ট শিশুটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন তিনিই। বসনিয়া, এঙ্গোলাসহ বিভিন্ন দেশে ভূমি মাইনের বিরুদ্ধে প্রচারে তিনিই নেমেছেন, ইন্দোনেশিয়ায় কুষ্ঠ রোগীর শয্যাপাশে বসে রোগীকেই বিব্রত করে ছেড়েছেন। রণশীল এমপিরা নাখোশ হওয়া সত্ত্বেও তিনিই প্লাকার্ড ধরে দাঁড়িয়েছেন পরিবেশ রার আন্দোলনে। ডায়ানার মতো একজন বেশ কম লেখাপড়া করা নারীর জন্য এ অনেক বড় অর্জন। সম্ভবত এ কারণেই মৃত্যুর এক দশক পরও সব ব্রিটিশের মনে তাঁর বিরামহীন উপস্থিতি। সব না হলেও অধিকাংশ তো বটেই। ব্রিটিশদের জীবনে-অস্তিত্বে ডায়ানা যেভাবে যেখানে লুকিয়ে আছেন, এখন সময় সেগুলো খুঁজে দেখার।
২.
ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ কখনো সাাৎকার দেন না। সমালোচকেরা বলেন, নিজের দুর্বলতাগুলো যাতে বেরিয়ে না যায়, আবার ঠাট বজায় থাকে, তার জন্য এ এক দারুণ কৌশল। রানি হওয়ার পর গত ৫৪ বছরে একবারও গণমাধ্যমের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়নি রানিকে। রাজপরিবারের সমালোচনা করা যাবে না, ব্রিটেনে এ এক অলিখিত নিয়ম। সব গণমাধ্যমকে তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়।
রাজপরিবারের সদস্যরাও একই রকম। আভিজাত্য তাঁদের অলংকার। রাজপরিবারের সদস্যরা বাইরে বের হলে সবাইকে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ১৯৮১ সালের ২৯ জুলাই প্রিন্স চার্লসের বধূ হয়ে আসার পর ডায়ানা স্পেনসারের তা ভালো লাগেনি। তিনি রাজবধূ থাকা অবস্থায় বিভিন্ন কনসার্টে যেতেন, কখনো চার্লসকে সঙ্গে নিয়ে, কখনো একাকী, কনসার্টের মঞ্চে উঠতেন, আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতো হাত তালি দিতেন, প্রকাশ্যে কিছুটা হই-হুল্লোড় করতেন, নাচতেনও। স্যার এলটন জনের বন্ধু হন এভাবে। তিনি সাধারণের মধ্যে গেলে তাঁদেরই একজন হয়ে যেতেন। ঘনিষ্ঠদের জড়িয়ে ধরতেন, চুমু খেতেন। ১৯৮৫ সালে প্রিন্স চার্লসের ৩৭তম জš§দিনে ডায়ানাই উঠে গিয়েছিলেন মঞ্চে। তাঁর আবেগের প্রকাশ ছিল এ রকম, এভাবে। বলার অপো রাখে না, রাজপরিবারের সদস্যরা, স্বামী চার্লস, বা পাথর-হƒদয়ের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথÑকেউই এসব পছন্দ করেননি।
একটা সময় রানি বুঝতে পারেন কোথায় যেন একটা ভাঙনের শব্দ। রাজপরিবার নিয়ে মানুষের ােভ। শুরুটা করেছিল এমওআরআই নামে একটি সংগঠন। সেটা ১৯৬৯ সালে একটা জরিপ করে। তাতে ১৮ শতাংশ ব্রিটিশ অভিমত দেন, তাঁরা রাজতন্ত্রের বিলোপ চান। এরপর রাজতন্ত্রের জনপ্রিয়তা নিয়ে হাজারও জরিপ হয়েছে। এখন অবশ্য রাজতন্ত্রের জনপ্রিয়তা ৮৫ শতাংশ। এই জনপ্রিয়তার জন্য কেউ যদি অবদান রেখে গিয়ে থাকেন, তিনি ডায়ানাই। রাজপরিবারের সদস্যরা এখন আর ততটা অনুদার নন। যে রানি ডায়ানাকে পছন্দ করতেন না, তিনি এখন প্রয়াত প্রিন্সেসের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান দু-হাতভর্তি ফুল নিয়ে। এমনকি সিংহাসনের উত্তরাধিকারে রাজপরিবারের নারী সদস্যরাও সমান অংশীদার। দীর্ঘ বিতর্কের পর সেটাও মেনে নিয়েছেন তিনি।
এমওআরআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ওরচেস্টারের ভাষায়, অবশেষে রাজতন্ত্র বুঝতে পেরেছে যে জনগণের সমর্থনের ওপরই তারা দাঁড়িয়ে আছে, আর তাদের পতনও জনগণের কাছে। আর এই আধুনিকতা ও বদলে যাওয়ার ধারণা তৈরিতে সহায়তা করেছেন ডায়ানা। প্রিন্সেসের মৃত্যুই এই ‘বোঝা’টা আরও দ্রুত করেছে। ক্যামিলা পার্কারের রানি হওয়া উচিত কি না, ডায়ানার মৃত্যুর পর মাত্র ১৫ শতাংশ ব্রিটিশ এ ধারণা সমর্থন করেছিলেন। আজ এই সমর্থন পৌঁছেছে ৩৮ শতাংশে। ওরচেস্টারের মতে, রাজতন্ত্রের পরিবর্তনের সঙ্গে বদলেছে জনগণের ধারণাও। রাজতন্ত্রের প্রতি তাঁদের ধারণা অনেকটা স্বাভাবিক। এই ধারণা বদলের জায়গায় পুরোপুরি নেতৃত্ব দিয়েছেন ডায়ানা। সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার মনে করেন, ডায়ানা আমাদের শিখিয়ে গেছেন নতুনভাবে ব্রিটিশ নাগরিক হওয়ার উপায়। ১৭ বছর পাদপ্রদীপের আলোয় থাকাকালে তিনি অভিজ্ঞ হয়েছেন, অভিজ্ঞ হয়েছে ব্রিটেনও; তিনি বদলেছেন, বদলেছে ব্রিটেনও।
৩.
প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ডায়ানা তাঁর ছেলেবন্ধু ব্রিটিশ হার্ট সার্জন হাসনাত খানের স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কল্পনা ও হতাশা তাঁর মনোজগৎকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল ওই সময়। তাঁর এই স্বপ্ন ছিল এরই বহিঃপ্রকাশ। এরপর তাঁর জীবনে এল চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী দোদি আল ফায়েদ। দুজন মুসলিমকে বন্ধু ও প্রেমিক হিসেবে বেছে নিয়ে তিনি ব্রিটিশ সমাজকে সহিষ্ণুতা আর ধৈর্যের পরীায়ও ফেলেন। কৃষ্ণাঙ্গ এমপি, বর্তমানে ব্রিটেনের সমতা ও মানবাধিকারবিষয়ক কমিশনের চেয়ারম্যান ট্রেভর ফিলিপস মনে করেন, গায়ের রং, ধর্ম নিয়ে ব্রিটিশদের যে উদ্বেগ, তা ডায়ানাকে কখনো ছুঁয়ে যায়নি। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, ব্রিটেন একটি বহু সংস্কৃতির দেশ, নানা বর্ণের মানুষের দেশ। গোড়া, শেতাঙ্গ ব্রিটিশরা কখনো তা মেনে নিতে পারেননি। তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর জন্য কি এই মেনে না নেওয়াটাই দায়ী!
৪.
নারীবাদীরা কিন্তু ডায়ানার সমালোচনা করতে ছাড়েন না। ব্রিটিশ নারীবাদী লেখিকা নওমি উলফের দাবি, ডায়ানা লিঙ্গসমতায় আগ্রহী ছিলেন না। তিনি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সমালোচনা করতেন, এটা পুরোনো ধাঁচের ও রণশীলÑসে কারণে; পুরুষদের আদর্শ ও বিশ্বাসকে সেখানে বেশি মূল্য দেওয়া হয়, সে কারণে নয়। অনেক কমিউনিস্টের কাছে ডায়ানা কেবলই একজন বহুগামী। অনেকে স্মরণ করিয়ে দেন, রাজবধূ না হলে কে ডায়ানার খোঁজ রাখত। আসলে এসব আলোচনা-সমালোচনাই তীব্রভাবে বাঁচিয়ে রাখছে ডায়ানার স্মৃতি।
কল্পনা করুন তো, ডায়ানা এখনো বেঁচে আছেন। ৪৬ বছর বয়সে নতুন একজন ছেলেবন্ধু নিয়ে ম্যানহাটনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে দিন কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় তিনি কি জনপ্রিয়? সম্ভবত। কিন্তু কিংবদন্তি? সম্ভবত না। তরুণ বয়সে মারা গিয়ে নিজের অমরত্ব নিশ্চিত করেছেন ডায়ানা। চামড়ায় ভাঁজ পড়ার আগে মৃত্যুই শ্রেয়।
(আজকের প্রথম আলোয় প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728711 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728711 2007-08-31 17:54:48
ভারত যা চায় যতটুকু বুঝতে পেরেছি, সেখানকার কমন পিপল খুব ভালো। নিজ দেশকে তারা অসম্ভব ভালোবাসে। নিজেদের মধ্যে হিংসা-হানাহানি আছে, তবে যখন দেশ ও জাতীয়তাবোধের প্রশ্ন, তখন সবাই এক। বেশ ভালোলাগে এই ব্যাপারটি।
কিন্তু ভারতে যারা ক্ষমতায় বসেন, তারা কেন যে প্রতিবেশীদের সহ্য করতে পারেন না। প্রতিবেশিরা শক্তি-সামর্থ-আয়তনে তাদের অনেক ছোট। তবু নয়াদিল্লি চায় না, প্রতিবেশী দেশগুলোতে গনতন্ত্র বজায় থাকুক। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গণতন্ত্র তারা মেনে নিতে পারে না। এই দুটি দেশে সামরিক শাসনই তাদের পছন্দ। এ কারণে বারবার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গণতন্ত্র ব্যহত হয়।
এ অবস্থায় ভারত বিশ্ব আসরে দেখাতে পারে, তারাই দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণতান্ত্রিক শক্তি। তারাই এ অঞ্চলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
ভারত চায় না ক্ষুদ্র প্রতিবেশীগুলো শান্তিতে থাকুক। এ কারণে নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় আজ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে অশান্তির মধ্যে রেখে ভারত চায় নিজে শান্তিতে রেখে। ভারতের এই নীতিটা মেনে নিতে পারি না।
বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের এত ভয় কেন? আমি বুঝতে পারি না।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728554 http://www.somewhereinblog.net/blog/kazialimblog/28728554 2007-08-30 16:36:37