চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে নভোযানটির সময় লাগবে ১৬ ঘন্টা। বিজ্ঞানীরা একথা জানিয়েছেন। ভারতের স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (আইএসআরও) এর চেয়ারম্যান জি মাধব নায়ার সাংবাদিকদের বলেন, "অনন্যসাধারণ এক যাত্রা শুরু করেছি আমরা।"
ভারতের জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সরাসরি স¤প্রচার করা হয়েছে রকেট মহাশূন্যে যাওয়ার দৃশ্য। এ সময় বিজ্ঞানীদেরকে বুক চাপড়িয়ে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে এবং হাততালি দিয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে দেখা যায়।
একটি টেলিভিশন চ্যানেলে লেখা হয়, "গন্তব্য চাঁদ...... ভারতের জন্য ঐতিহাসিক দিন।" বিশ্বে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে চাঁদে এই অভিযান যেন ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।
চাঁদের পৃষ্ঠভাগের খনিজ, রাসায়নিক ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের নিখুঁত চিত্র তৈরি করাই এ অভিযানের উদ্দেশ্য। একাজে নভোযানটির সময় লাগবে দু বছর। এ অভিযানে ব্যয় হবে প্রায় ৮ কোটি ডলার।
ভারত গত বছর প্রথম ইতালির তৈরি একটি নভোযান কক্ষপথে পাঠায়। এর আগে ১৯৯৮ সালে ভারত ১০ টি স্যাটেলাইট মহাশূন্যে পাঠিয়েছিল।
ভবিষ্যতে ভারত চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া, ২০২০ সালের মধ্যে ভারত চীন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের সঙ্গে পাল্লা দিতে আরেকটি পরিপূর্ণ মহাকাশ কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে।
পুরো খবরটিই কপি করে দিলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম থেকে, কেন যেন বার বার খবরটি পরতে ভাল লাগছে। আমাদের পাশের এক টি দেশ। যেখান কার মিডিয়া জগতের সবাই কে আমারা নাম ধরে চিনি, যাদের চেহারা ,চালচলন সব কিছু আমাদের মত,যাদের সাথে আমাদের সব ক্ষেত্রে মিল। আজ তারা চাঁদে অভিযান শুরু করেছে।
অথচ আমরা কোথায়? আমরা এখনও "চাঁদ দেখা কমিটি" নিয়ে ব্যস্ত। এই চাঁদ দেখা কমিটি নিয়ে আবার কত বিতর্ক!!
আহারে ...... জীবিত থাকা অবস্থায় "চাঁদে গমন কমিটি" দেখার বড় শখ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

