আমি কোন কাজকেই ছোট ভাবি না। যে কোন কাজ করতে পিছু পা হই না। এবং যে কাজই করি না কেন চেষ্টা করি সবসময় তা ভালভাবে এবং অন্য আর দশজনের মতো না করে একটু ভিন্ন ভাবে সুন্দর আর নিঁখুত ভাবে করতে। আর এই জন্যই আজ এই সিংগাপুরে এত অল্প সময়ে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পেরেছি।
আমি কাজ করি একটা ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে। এই দেশে আসার পরই জা্নতে পারলাম প্রতিটি কাজের মাঝেই কত অজানা বিপদ লুকিয়ে থাকে। আর এই বিপদে পড়ে প্রান দিতে হ্য় হাজার হাজার মানুষকে।
Click This Link
শুরুতেই তাই আমি স্হির করলাম আমার দেশের কত মানুষ আর শিক্ষিত হয়ে এই দেশে আসে! বেশির ভাগ ই ভাল ভাবে নাম লিখতে জানে না। বিদেশী একটা ভাষায় কাজ এবং তার বিপদের বর্ণনা তারা অনেকেই ভাল ভাবে বুঝে না। আমি তাই নিজেকে যোগ্য করে তোলবার জন্য কম্পানিতে কিছু কোর্স করার আবেদন করি এবং ম্যানেজমেন্ট সম্মতি দেয়। শুরু হল আমার পথ চলা।
বর্তমানে আমি একটি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র সেফ্টি কোঅরডিনেটর হিসাবে কাজ করছি। কিন্তু এই দেশে প্রথম এসেছিলাম আর আট দশটা সাধারন শ্রমিক হিসেবই। এখন এই বাংলাদেশীর মতামতকে প্রাধাণ্য দেয়া হ্য় প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকান্ডে।
জীবনে অনেককিছু করার ইচ্ছে ছিল। এখনও আছে। কিন্তু কতটুকু পারবো জানিনা। বাস্তবতার সাথে প্রতিনিয়তই যুদ্ব করে যাচ্ছি ভবিষ্যত সুখ -স্বপ্নের আশ্বাসে। কত পথ - ঘাট প্রান্তর পেরিয়ে এই প্রবাসী জীবনে এতটুকু উপলব্ধি হচ্ছে এখানেই এই জীবনের সমাপ্তি হবে কি না ? নাকি যেতে হবে আরো বহু দূর...................
ভালবাসা , প্রচন্ড ভালবাসার তাগিদেই সব ছেড়ে পড়ে আছি এই দূর দেশে। প্রিয়তমা স্ত্রী, একমাত্র সন্তান- এদের একটু হাসিমাখা মুখ আর আর্থিক দৈন্য-দশা থেকে মুক্তি এই লক্ষ্য কে সামনে রেখে আমার পথ চলা শুরু। লেখাটা কি হল জানি না তবে কথা গুলো বলার একটাই উদ্দেশ্য আর তা হল আপনারা যে যেখানেই কাজ করছেন না কেন সেই কাজের যোগ্য হয়ে উঠুন তবেই সাফল্য আপনার হাতের মুঠায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

