এভাবে যে হঠাৎ কোন কথা বার্তা ছাড়া আচমকা একটা ইফতারের জমজমাট আসর হয়ে যাবে তা আগে থেকে কেউ ভাবতেও পারিনি আমরা। ডিউটি বিকেল ৫টায় শেষ। অফিস থেকে বের হয়ে আমার এক বেয়াই কে ফোন করলাম, বলল সেরাংগনে চলে আসতে । ভাবলাম একলা ইফতার করার চেয়ে দুজনে মিলে বেশ জমিয়ে ইফতার করবো। ওমা সেরাংগনে পৌঁছে ফোন করতেই বলল ওর ছোট ভাই ও আছে সাথে। আমি বসে আছি মোস্তফা সেন্টারের ক্যান্টিনে এমন সময় এনাম নামে এক বন্ধু কল করে জানতে চাইল কোথায় আছি। যখন বললাম সেরাংগনে একলাফে এসে হাজির সামনে। চল কাদিরের বাসায় ইফতারের আয়োজন করা হয়েছ। ঢাকার চকবাজারের ইফতারির মতো সেরাংগনেও এই রোজার মাসে নানা রকমের ইফতারির দোকান বসে এখানে। আমি আর এনাম কিছু কেনাকাটা করে চলে গেলাম কাদিরের বাসায়। সেখানে বাসার চিলেকোঠার ছাদে চাদর পেতে বিশাল আয়োজন । ২৪ জনের ইফতার একসাথে। মুরি -বুটের সাথে পিয়াজু, বেগুনি, সব্জি বড়া মেলা আয়োজন। আসার সময় আমরা ও পেপে, জুস, জিলাপি মুরি নিয়ে এসেছিলাম। সেগুলো ও একসাথে করা হল । নানান ফল আর মুখরোচক খাবারের সাথে ইফতার করলাম । পরে কথায় কথায় জানতে পারলাম আমার মতো সবাই এমনি ভাবে এসে হাজির। কাদির কে ধন্যবাদ এতো বড়ো বাসা নেয়ায়। এদের অনেকেই এখানে ব্লগান। দুঃখ একটাই ছবি দিতে পারলাম না। খোলা ছাদ আর মাগরেবের নামাজের পর অন্ধকার হয়ে যাওয়ায়। সবাই ইফতারের পর ওখানেই একসাথে জামাতে নামাজ পড়লাম। খুব ভালো সময় কাটলো রমজানের প্রথম দিনটি। দোয়া করবেন বাকি রোজাগুলো যেন রাখতে পারি।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



