স্বর্গচ্যুত হবার প্রথম অভিজ্ঞতা

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

হুজুর আমাকে খুবই পছন্দ করতেন। প্রায়ই দাঁড় করিয়ে নানা প্রশ্ন করতেন, আমিও সাধ্যমত উত্তর দিতাম।
একদিন তিনি নিয়মমাফিক আমাকে বললেন, বলতো ইসলাম কিভাবে বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখতে পারে?
বললাম: সবাই যদি মুসলমান হয়ে যায়, তাহলে তো আর যুদ্ধ- হানাহানি থাকবে না। কারণ সব হানাহানি তো ধর্ম নিয়াই।
হুজুর বললেন, মুমিনের ব্যাটার মত বলছিস! আল্লার খাঁটি বান্দার মত বলছিস। সবার দিকে তাকায়া আরেকবার বল!
আমিও সবার দিকে তাকিয়ে বিশ্বশান্তি বিষয়ে আমার তত্ত্বখানা আরেকবার ঝেড়ে দিলাম। বুকটা গরবে ফুলে উঠল।

কিন্তু খুব বেশিক্ষণ আল্লা কারো ভালো চান না। বিরতির পরই কিবরিয়া স্যারের ক্লাস। অন্য সব স্যারের ক্লাসে যেমন কথা বলা যায় না, কিবরিয়া স্যারের বেলায় তা উল্টো। পড়া না থাকলে খামাখা বসে থাকার কি মানে, খালি না চিল্লালেই হলো- স্যারের সোজা কথা। তো সেদিনও পড়া শেষে আমাদের ফিসফিসানি চলছে, আর স্যারও যথানিয়মে গালে হাত দিয়ে জানালার বাইরে উদাস- এমন সময় হলো কি, ক্লাসে ছিল কয়েকটা বামপন্থী, আর আল্লামাবুদ জানে আশির দশকে এগুলা স্কুলে থাকতেই কেমনে পাকনা হয়ে যেত, আর জানেনই তো চিরকালের নিয়মে ওরা কারো ভাল দেখতে পারে না, খুব হিংসা ওদের- আমার যে একটু গর্ব হয়েছে বিশ্বশান্তির তত্ত্ব দিয়ে তা ওদের ভাল লাগবে কেন; স্যারকে আমার আবিষ্কার সম্পর্কে জানাল।

স্যার আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তুই এ কথা বলছিস?
জ্বি, বলেছি।
আবার বল, শুনি।
আমি আবার বললাম আমার তত্ত্বখানা: সবাই যদি মুসলমান হয়ে যায়, তাহলে তো আর যুদ্ধ- হানাহানি থাকবে না। কারণ সব হানাহানি তো ধর্ম নিয়াই।

স্যার আমার দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে জানালার বাইরে তাকালেন, কয়েক মুহুর্তের নীরবতা। আমি বসবো কিনা বুঝতে পারছিলাম না, পেছনে আবার ফিসফাস শুরু হয়ে গেছে।
স্যার জানালার বাইরে থেকে চোখ না ফিরিয়েই বললেন: কোন মুসলমান, শিয়া না সুন্নী?

আমার মাথায় বাজ ভেঙে পড়ল, পেছনের ফিসফিসানিও চুপ। বিশ্বাস করুন, আশির দশকের যে শিশুরা আমরা প্রতিদিন টিভিতে উপসাগরীয় যুদ্ধ নামের বিশেষ পর্বটির জন্য অপেক্ষা করতাম, আর তার পরই আমাদের দুই ভাইয়ের বালিশ যুদ্ধ শুরু হত, আমি ইমাম খোমেনীর সমর্থক, ও সাদ্দামের তাদের কাছে এই প্রশ্নের মানে অনেক। আমরা সবাই জানতাম, খেমেনি খাঁটি, কিন্তু সে শিয়া। আর সাদ্দাম সুন্নী হইলেও আমেরিকার লোক, সৌদি পয়সায় চলে। আমার নিজর পক্ষ ছিল তাই ইরান।

আমি তখনো দাঁড়িয়ে, পেছনে ফিসফিসানি আবার শুরু হয়েছে। যদিও তা হতম্ভবতার শেষের অনিশ্চয়তা মাখানো।

আমি বাকরুদ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলাম আমার দিকে আদৌ না তাকানো কিবরিয়া স্যারের দিকে। আমার শিশুস্বর্গ ভেঙে দিয়েও দেখো কি আশ্চর্য সহজ আর স্বাভাবিক তিনি। তাকিয়ে আছেন জানালা দিয়ে, যেন আমার সেই শিশুস্বর্গের কোন দাম নেই, যেন কোন অপরাধ তিনি করেননি আমার প্রতি। যেন সব কিছুই আগেই মত স্বাভাবিক।
কি কি যে ঘৃনা হলো বিকারহীন কিবরিয়া স্যারের প্রতি।

তখনো যদি জানতাম স্বর্গচ্যুতির এই মোটে শুরু!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২২
খারেজি বলেছেন:
রিপোম্ট , পুরনো পাঠকরা ক্ষমা করবেন। সোয়া এক বছরের আলসেমী ঝেড়ে স্বর্গচ্যুত হবার বাকি অভিজ্ঞতাগুলোও লিখে ফেলতে চাই এইবেলা, তাই এই কাণ্ড।
২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৬
শান্তির দেবদূত বলেছেন: তাইলেতো বাকী হইলো একটাই সমাধান, পৃথিবীর সবাই কমিউনিস্ট হয়ে গেলেই শান্তি আর শান্তি ..... কি বলেন ?
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন:
দেবদূত, আপ্নেই বলেন।

৩. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৬
সোজা কথা বলেছেন: আমার জন্য নতুন। ভাল লেগেছে!

=
Click This Link

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সোজাকথা।
এক্ষুনি দেখছি।

৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩১
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: প্রিয়তে রাখবো?
নাকি পুরোপুরি স্বর্গচুত্য হবার পর একসাথে রাখবো?
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: এক্ষুণি রাখেন।

আবার যদি আলসেমী পেয়ে বসে!

৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৪
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কোন ইজি ওয়ে আউট নাইরে ভাই, একমাত্র কেয়ামত ছাড়া এর কোন সমাধান নাই .... দুনিয়া জুড়েই একদল আরেক দলের উপর চড়াও হচ্ছে, নান বাহানায়, নান ঢং এ ..... কেউ ধর্মের নামে, কেউ বর্নের দোয়ায় দিয়ে, কেউবা শ্রেনীশত্রুর ফর্মূলা দিয়ে আবার কেউ বা পূঁজিবাদ থিউরী কপচিয়ে ..... :|
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন:

না, কোন ইজি ওয়ে নাই বটে।
কিন্তু আল্লা তো বলছেন, কিয়ামতের আগে সেই ইউটোপিয়া একবার আসবে, ইমাম মেহেদীর হাতে।

আমি তো হাটে হাটে ইউটোপিয়ার মালমসলা খুঁজি মোমিন বান্দার মত।

সেইটা তৃতীয় পর্বের কাহিনী।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: চলবে...

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: চলবে...

৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: শান্তির দেবদূত,কোন কমিউনিস্ট হইলে শান্তি? লেনিনপন্থী নাকি মাওপন্থী? নাকি ট্রটস্কির চ্যালা? নাকি মাওবাদী?:)
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: অন্ধকারে আর সব সঙ্গীত যখন গিয়াছে থেমে,
আমি আসিয়াছি নেমে,
আমার মত আর কেউ নাই...

৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৩
সুমন অহেমদ বলেছেন: এই পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা কমবে না. . বরং বাড়বে. . . এবং পৃথিবী তার আপন পথে ধ্বংসের দিকে এগুবে. . . পৃথিবী তার মৃত্যুকে স্বাগত জানানোর জন্য সর্বদাই পথ খুঁজবে আর পৃথিবীর এই খোঁজাখুজিতে সহায়তা করবে 'মানুষ'। ধর্মটা মাঝে মাঝেই অস্ত্রের রুপ ধারণ করবে. . .
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন:

ধর্মের হয়তো নতুন মানেও তৈরি হবে নতুন সমাজে।

৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৭
শান্তির দেবদূত বলেছেন: @ফারহান দাউদ , আরে ভাই আমিতো এইটাই কইতে চাইছি ....... এত ব্যাখা কইরা বললেতো মুসকিল , " আক্কলমান্দ কে লিয়ে ইসারাই কাফি হে " ;)
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন:


ইতিহাসের সব বড় ঘটনাতেই আক্ললমন্দরা টাসকি খেয়ে গিয়েছিল, আর ভাবছিল...তাইতো, তাইতো...

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: চলবে।

১১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: না মানে,আমি এট্টু কিবরিয়া স্যারের লাহান গালে হাত দিয়া বইতে চাইসিলাম,দিলেন ভাব ফুটা কইরা:(
১২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৩
অলস ছেলে বলেছেন: "সাবাস বেটা। মুমিনের ব্যাটার মত বলছিস! আল্লার খাঁটি বান্দার মত বলছিস। সবার দিকে তাকায়া আরেকবার বল!" :)

এই পোষ্টের মন্তব্য দেবদূত ভাই ই যথার্থ বলেছেন। উত্তর তোমার বিবেক জানে।
বাকী পর্বগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম।
১৩. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: খারেজি: ইদানীং ষ্টালিনের কান্ডকীর্তি নিয়ে একটা বই পর্তাছি। আংরেজি তো, পড়তে সময় লাগছে। দোয়া রাইখো, শেষ করতে পারলে একটা পোষ্ট দিবো ইনশাআল্লাহ।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: দিও।

একটা অদ্ভুদ ঐতিহাসিক মিল আছে জানো স্তালিন আর হযরত উমর এর ব্যক্তিত্বের মাঝে।

তোমার পোস্টে আমি সেই ব্যাখ্যাই দিব।

১৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
কেল্টূ দা বলেছেন: হক মাওলা বইলা বাকিটা ছাইড়া দেন ।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: আপ্নের হুকুম অমান্যের সাধ্য কি আছে?

১৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০১
রিসাত বলেছেন: স্বর্গচ্যুতির এই মোটে শুরু,, ছোটবেলার কথা মনে করাই দিলেন,,, আগে যখন আমার মনে কোন প্রশ্ন আসতো,, আমি দৌড়ে আব্বুর কাছে যাইতাম,,, কারণ উনি আমার সবচাইতে ভরসার মানুষ,,, একসময় সেই স্বর্গ থেইকা আমি আন্ডারগ্রাউন্ডে পড়লাম,,, কে দায়ী এখন স্পষ্ট মনে নাই,,, /:)

সবাই মিলে আর কতো আন্ডারগ্রাউন্ড পাঠাইতে চায়?:(( ভাগ্যিস আপনি বলেন নাই সব কয়টার হিন্দু হয়া যাওয়া উচিৎ তায়লে কিন্তু ধর্ম স্যারেই ওপারেশন এষ্টার্ট কইরা দিতো!B:-)

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন:
রিসাত, আরও বহু কথা মনে করিয়ে দিলেন।

না, রে ভাই, আন্ডারগ্রাউন্ডে না। এই সব তিক্ততা আমাদের মাটিতে দাঁড়া করিয়েছে।

স্বর্গ উদ্যানে আদম আর হাওয়ার নিষ্পাপ সুখে লাভটা কি, যারা এমনকি পরস্পেরর দেহ নিয়েও সচেতন না? তার চেয়ে ভালো সোডিয়াম আলো... এই সব তেতো ভালভাসা... আ...

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
রিসাত, আরও বহু কথা মনে করিয়ে দিলেন।

না, রে ভাই, আন্ডারগ্রাউন্ডে না। এই সব তিক্ততা আমাদের মাটিতে দাঁড়া করিয়েছে।

স্বর্গ উদ্যানে আদম আর হাওয়ার নিষ্পাপ সুখে লাভটা কি, যারা এমনকি পরস্পেরর দেহ নিয়েও সচেতন না? তার চেয়ে ভালো সোডিয়াম আলো... এই সব তেতো ভাবাসা... আ...

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
রিসাত, আরও বহু কথা মনে করিয়ে দিলেন।

না, রে ভাই, আন্ডারগ্রাউন্ডে না। এই সব তিক্ততা আমাদের মাটিতে দাঁড়া করিয়েছে।

স্বর্গ উদ্যানে আদম আর হাওয়ার নিষ্পাপ সুখে লাভটা কি, যারা এমনকি পরস্পেরর দেহ নিয়েও সচেতন না? তার চেয়ে ভালো সোডিয়াম আলো... এই সব তেতো ভালবাসা... আ...

১৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। একদম মাথার ভেতর দাঁড় করিয়ে দেয়। শুরুটা দুর্দান্ত।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, ট্রানজিস্টার। অন্যপোস্টগুলাও আশা করি আপনার ভাল লাগবে। আপনাকে ব্লগে নতুন দেখলাম, আমার বাড়িতেও প্রথম মনে হল।

১৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২০
টুশকি বলেছেন: তাইত বলি
পড়সি পড়সি লাগে
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন:
কে রে তুই? মিথ্যাবাদী খুকু?

সব মজার অভিজ্ঞতাই চেনা চেনা লাগে। আমারও এমন হয়।

মনে হয় আত্মাদের আল্লা যখন একজায়গায় রাখতেন, তখন যে আমরা সব জানতাম, তাই সত্যি।

তাইতো হঠাৎ নতুন স্টেসন দেখে মনে হবে, হুম চেনা চেনা।

১৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫
টুশকি বলেছেন: এই পোস্ট টা আমি আসলেই আগে পড়সি।আপনার অন্য নিক কি? এই নিকে লেখাটা দেখসি বলে মনে হচ্ছেনা
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: নারেমা,আরকোননিকআমারনাই। এইনিকেই বছরদেড়েকআগেদিছিলাম। এইডা গতজন্মেরস্মৃতি।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: নারেমা,আরকোননিকআমারনাই। এইনিকেই বছরদেড়েকআগেদিছিলাম। এটাটুশকিরগতজন্মেরস্মৃতি।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: কয়েকজন প্রিয়পোস্টে রাখছিল, সেখানে ক্লিককরেই হয়তো...

১৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২৬
তনুজা বলেছেন: স্বর্গচ্যুতির এই মোটে শুরু!
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার কি আরও আগে নাকি?

বাণী: ইঁচড়ে পাকা সর্বদা মন্দ নয়।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: তারপর চলবে...

২১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: চলতে শুরু করবে কখন? অপেক্ষায় আছি :)
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: কাল পাবেন।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: ই কমার্স নিয়া গবেষণা কতদূর?
অরিলরে রাখছ?

২৩. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
রিসাত বলেছেন: কাইলকা থেইকা পরীক্ষা:(
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: তুমার হইব।

জুইলা থাক।


কতছাত্র ব্লগ করে পড়া নষ্ট করে
পরীক্ষা আসিলে তাই চোখে জল ঝরে।
সর্বশিষ্যে...

২৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
মন মানে না বলেছেন:
বিজ্ঞান কহে দুনিয়ার এনট্রপি বাড়িতেছে ।

সুতরাং গ্যান্জামও দিন দিন বাড়িতেছে বলিয়া মনে হয় ।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন: বাড়তে দেন। মন আর মানে না।

২৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
হোরাস্‌ বলেছেন: পরের পর্বগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম। আশা করি সেগুলোও এটার মতই চমৎকার হবে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, হোরাস।
দেখাযাককিহয়।

২৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
কলুর বলদ বলেছেন: বেশি অপেক্ষায় রাইখেন না !
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: না, আইজ কাইল।

২৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
তরু বলেছেন: ভালো লাগলো।
স্বর্গচ্যূতিটা মনে হয় সমস্যা না।


আসলেই স্বর্গচ্যূতি হইলাম কি না এইটা নির্ণয় করাটাই আমার মনে হয় বড় সমস্যা।
কী বলেন?
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: তরু, ঠিক বলেছেন।

স্বর্গচ্যুতি আমাদের সাবালক হয়ে ওঠা।


স্বর্গের কিছু আনন্দ থাকেই, দায় থাকে না। বাসনা থাকে।

মাটির দুনিয়ায় (আপনি যখন ব্যক্তি হয়ে ওঠেন) সবটাকে ই দারুণ সব পরীক্ষ দিতে হয়।

২৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
অলস ছেলে বলেছেন: পর্তাছি। এখন পর্যন্ত যা পাইছি, ওমর এর সাথে ষ্টালিনের ঐতিহাসিক মিল হৈতে পারে দেখতেছি, কঠোরতায়। শাসন পরিচালনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তায়ও হতে পারে, কিন্তু ষ্টালিনের শাসনের পরিণতি আর ওমরের শাসনের পরিণতি দেখলে আরেকটু বুঝা যায়।

ভিন্নমতাবলম্বীদের লাখে লাখে সাইবেরিয়া পাঠানো, জগাখিচুড়ি কৃষিব্যবস্থা চালুর ব্যর্থ চেষ্টার দায়ে আরো কয়েক লাখকে কনসেনট্রেশান ক্যাম্পে পটল তুলতে দেয়া, পুলিশ ষ্টেট বানানো সোভিয়েতকে, এইগুলা যতই দেখতাছি, সার্বিকভাবে তো যোজন যোজন ফারাক দেখি। ওমরের সামনে যে কেউ দাড়ায়া যে কিছু বলতে পারতো, মোহরানা নিয়া মহিলার কথা বা কাপড় নিয়া আরেকজনের কথা, এগুলা তো তুমি জানই। ষ্টালিন কি বলতে পারছিল, ভলগার তীরে একটা কুকুরও না খেয়ে মারা গেলে নিজেরে দোষী মনে করমু?

যাইহোক, আশা করি, তোমার ব্যাখ্যা সুখপাঠ্য হবে।
২৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
অলস ছেলে বলেছেন: কমেন্ট ভালো লেগেছে। এখানে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক হবে বলে আবার দিলাম না। গিয়ে আমাকে আবার একটা হিট দান করতে পারো ;)
৩০. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ধর্ম ব্যবস্থা উঠে গেলেও খুব একটা লাভজনক হবে বলে মনে হয় না। মূলত যেটা প্রয়োজন, সবার সহনশীল একটা মনোভাব। এটা ছাড়া কখনোই স্থিতিশীলতা সম্ভব না।

লিখতে থাকুন। সাথে আছি। সবকয়টা পড়বার ইচ্ছা রাখি। :)
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: ধর্মের অসহনশীলতারও একটা ঐতিহাসিক কারণ ছিল, প্রয়োজন ছিল।

দ্বন্দ্বের ঐতিহাসিক প্রয়োজন লোপ পেলে কোন মতেরই অসহনশীল হবার কারণ থাকবে না।

৩১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৫
অরণ্যদেব বলেছেন: স্বর্গচ্যুতির এই মোটে শুরু! এইটা আপ্নেজ্জন্নি। আর আইল্সাজ্জন্নি একানে...

স্টালিন বিষয়ে যা পর্তেছেন তা আর পৈরেন্না। লাব নাই। যা সিকব্নে তা আপ্নে জানেন। যত্তোরকম ক্রুর আর নির্দয় বেপারসেপার আচে তার পাশ্খোলি স্টালিনের্নাম বহাইয়াল্ন।

ঐতিহাসিক পটভূমিতে স্টালিনের সবচেয়ে বড় শততুরু আম্রিকাও তারে সমর্থন্করে, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

"Problem of Laninism" By J.V.Stalin এইডা পরেন। কামে দিব। কমিউনিস্টগো ঘাউরানির ইসকোপ পাইবেন।
৩২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: :)
ধন্যবাদ ফ্যান্টম।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: মাথায় হাত বুলায়া দিলেন না?

৩৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪০
শয়তান বলেছেন: ইশকুলে পড়ার টাইমে প্রায়ই দেখতাম শিবিরের পোলাপানগুলা স্কুলটাইমেই অদের প্রোপাগান্ডা প্রচার করতে আসতো। এমনকি ভুলায়া ভালায়া সদস্য সংগ্রহও করতে দিত অদের কর্তৃপক্ষ। তখনও অবাক হৈছিলাম এইটা কেমনে সম্ভব করত অরা । তবে কি স্কুলেরই মাস্টাররা কেউ কেউ .................


সরকারি ইসকুল এ পড়তাম। সবই সম্ভব :(
৩৫. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

""দ্বন্দ্বের ঐতিহাসিক প্রয়োজন লোপ পেলে কোন মতেরই অসহনশীল হবার কারণ থাকবে না। ""
___________________________________________

দ্বন্দ্বের ঐতিহাসিক প্রয়োজন লোপ পেলে !! বলেন কি ? কোথাও কি একটু ভুল হচ্ছে??
৩৬. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
খারেজি বলেছেন: দ্বান্দ্বিকতার না, ধর্মীয় দ্বন্দ্বর প্রয়োজনের।

একটু ভুল শব্দ প্রয়োগ হয়েছে। দ্বান্দ্বিকতার তো শেষ নেই...
৩৭. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

ও আচ্ছা। তাই তো বলি.....
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনে ঠিকই বলেন, ভুল হ্‌ইলে কানে ধইরা বইলা দিবেন।

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পরের কিস্তিগুলোও আশা করি পড়েছেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এইপথে আলো জ্বেলে এ পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে, সে অনেক শতাব্দীর মনীষির কাজ.....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই