ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- রাজশাহী নগরীতে সোমবার জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত শফিক ‘বাধ্য হয়ে’ মিছিলে যান বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম।
সোমবার রাতে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার ভাই কোনো রাজনীতি করত না, পেটনীতি করত।”
“ইসলামী ব্যাংকে চাকরি নিতে হলে নিজেকে শিবিরের কর্মী পরিচয় দিতে হয়। আমার ভাই শিবিরকর্মী পরিচয় দিয়ে চাকরি পায়,” যোগ করেন তিনি।
বিএনপি ঘোষিত গণমিছিল কর্মসূচি অনুযায়ী চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী সোমবার বিকালে রাজশাহী নগরীতে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় গুলিতে নিহত হন শফিকুল ইসলাম শফিক। পুলিশ অবশ্য বলেছে, তারা মিছিলে কোনো গুলি চালায়নি।
রফিকুল বলেন, “আমরা শুনেছি, শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সংঘর্ষ শুরু হয়। পালানোর সময় ভাই নিহত হয়। জেনেছি গুলিতে মারা গেছে।”
রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানার অচিনতলায় পৈত্রিক যৌথ পরিবারে বাব-মায়ের সঙ্গে থাকতেন শফিক। তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের অভ্যর্থনা শাখায় কাজ করতেন। তার সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
নগরীর মুক্তি ক্লিনিকের প্যাথলজি বিভাগে কর্মরত রফিকুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই হাসপাতালে যারা চাকরি করে তাদের জোর করে মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়।”
“চাকরি বাঁচাতেই শফিক বাধ্য হয়েছে মিছিলে যেতে,” বলেন তিনি।
রফিকুল বলেন, মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে হেতেম খাঁ গোরস্থানে ভাইয়ের দাফনের পরিকল্পনা করছেন তারা।
তার দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী, লোকনাথ হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে সংসারের হাল ধরতে কর্মজীবনে ঢোকেন শফিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


