আমার প্রিয় পোস্ট

জলপাই প্রেম

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

শেয়ারঃ
0 2 0



আমরা সিভিলিয়ান মানে কিনা সাদাসিধে মানুষেরা খুব যে সাদা আর সিধে নই তা আমরা সবাই জানি, তবু না জানার ভান করতে করতে যখন ভুলেই যাই, তখন জলপাইরাঙ্গা বন্ধুরা মনে করিয়ে দেন। কেন জানি না, হিপোক্র্যাট বলেই হয়তো, রঙ চিনিয়ে দেয়া জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদেরও শত্রু মনে হয়। কাকের মাংস কাক খায় না--এরকম একটা প্রবাদ আমরা আমাদের পুলিশ বাহিনীকে ব্যঙ্গ করতে প্রায়শই ব্যবহার করি। আজ মনে হয় কাকস্য কাক এর সবচাইতে বড় উদাহরণ পুলিশ না, আমরা---সাদাসিধে সিভিলিয়ানেরা!


খুব মনে পড়ে, পিলখানা বিদ্রোহের প্রথম দিনের কথা। বিডিআরের এলোপাথাড়ি গুলিতে রিকশাওয়ালা মরে গেছে। আহত অনেক। রাস্তায় গুলিতে লুটিয়ে পড়েছে নির্দোষ পুলিশ সার্জেন্ট, তাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনের মায়া করলো না বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মাথায় গুলি খেয়ে পড়ে রইলো রাজপথের উপর দেড়টি ঘন্টা...লাশটা আনার কেউ রইলো না। আমরা সাদা-সিধে মানুষেরা তখন পাগলা কুকুর হয়ে যাওয়া বিডিআরের সমর্থনে মিছিল করি। এ যে তাদের ন্যায়সংগত দাবির আন্দোলন...আমাদের সাদা-সিধে মানুষদের রক্তের উপর দিয়ে না গেলে চলবে কেন? তাই বলে কেউ ট্রাফিক সার্জেন্টকে বাঁচাতে যাওয়া মামুলি ছাত্রকে শহীদের খেতাবটা দিয়ে দিবেন না যেন! ও খেতাব জঙ্গীরা ধর্মসূত্রে কিনে রেখেছে, আমাদের বোমা মেরে মারার সময় নিজেরা আত্মঘাতী হবে, তখন খেতাবটা লাগবে না! আর কর্মসূত্রে কিনে রেখেছে জলপাইরাঙ্গা বন্ধুরা...উনাদের নিয়ে বেশি কথা বলা যাবে না। টুঁটি চেপে ধরবে যে!

এ তো গেল পিলখানার প্রথম দিনের কাহিনী, তখনো বিডিআরকে সমর্থন দিতে হাজার হাজার সাদাসিধে মানুষ পিলখানার বাইরে জমায়েত, কারও হাতে শান্তির প্ল্যাকার্ডও। যাক গে...শান্তি যদি আমাদের সাদা-সিধেদের সস্তার রক্তে আসে, ক্ষতি কি? ধীরে ধীরে কাহিনীপট ঘুরে গেল। দুইদিন পর যখন একটার পর একটা জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের লাশ ড্রেনের ময়লা পানিতে ভেসে উঠতে লাগলো, তখন আমরা সাদাসিধে মানুষেরা মুহূর্তের মাঝে দল বদলে নিলাম। জলপাইরাঙ্গা বন্ধু মরেছে বলে কথা! দেশ কাঁপিয়ে আর পত্রিকার প্রথম পাতা ভরে বুদ্ধিজীবীদের মতামত, তাঁদের বেশিরভাগই অবসরে যাওয়া জলপাইরাঙ্গা বুদ্ধিজীবী। পত্রিকার প্রথম পাতা থেকে শুরু করে শেষ পাতা ,মাঝের পাতা ভরে গেল জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের লাশের ছবিতে আর তাদের পরিবার পরিজনের কান্না আর অসহায়ত্বের কথায়। দিনের পর দিন পত্রিকায় চলতে লাগলো মারা যাওয়া জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের কতো কৃতিত্ব, পরিবারের প্রতি কার কতো ভালবাসা, ইনিয়ে বিনিয়ে চলতে থাকলো রাজ্যের উপাখ্যান। আহা! টিভি পর্দার সামনে আমরা সাদাসিধে মানুষেরা মৃত্যু দেখি আর চোখের জল ফেলি। টিভিওয়ালারাও নির্মল বিনোদন এর সুযোগ ছাড়লো না। চায়ের দোকানে পত্রিকা হাতে চালাতে লাগলাম নিরন্তর আড্ডা...



আমরা সাদাসিধে হিপোক্র্যাটেরা তখন ধানমন্ডি লেকে নিহত জলপাইরাঙ্গাদের আত্মার স্মরণে মোমবাতি জ্বলাতে ব্যস্ত! মাঝে দিয়ে যে সিভিলিয়ান বেকুবেরা প্রাণ দিল, তাদের স্মরণ করার সময় ছিল না। নাহলে নিশ্চিত কিছু একটা করতামই করতাম, কয়েকটা মোমবাতির তো আর অভাব হতো না, নিদেনপক্ষে আগরবাতি হলেও চলতো। কেউ আবার ফেসবুকে কান্নারত জলপাই বন্ধুর ছবি দিয়ে শোক প্রকাশ করলাম। নিন্দা জানিয়ে আর বিডিআরদের বিচার চেয়ে স্ট্যাটাস আর প্রোফাইল ফটো লাগালাম। জলপাইরাঙ্গা শহীদ(!) বন্ধুদের জানাজায় অংশ নিতে আমরা সাদাসিধেরা স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ জানাজায় অংশ নিলাম। সাদাসিধে বেকুবদের মনে হয় জানাজা হয় নাই, পত্রিকার পাতায় আর টিভির ক্যামেরায় তো দেখলাম না, হলে নিশ্চয়ই দেখতাম। আর হলোই বা, সেখানে আমাদের ভিড় বাড়ানোর দরকার কি? আমরা বরং প্যারেড স্কয়ারে জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের আত্মার মুক্তি কামনা করতে আসি।

তারপর এক সময় পত্রিকার পাতা ভরতে থাকে জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের পরিবার আর অন্য জলপাইরাঙ্গাদের দাবি-দাওয়াতে। কারো দাবি কোটি টাকা, কারো দাবি প্লট-ফ্ল্যাট, ছেলে মেয়ের লেখাপড়ার খরচ...ইংলিশ মিডিয়ামের খরচের ঠেলা কি কম কথা? জননেত্রী, দেশনেত্রী পালা করে সব শহীদ জলপাইদের পরিবারকে দেখতে যান, অমুক সাহায্য তমুক সাহায্য ১০ লাখ-১৫ লাখ! মাথা ঘুরে যাচ্ছে হিসাব করতে করতে!


তারপর এক সময় পত্রিকাওয়ালারা ক্ষান্ত দিল। জল তো অনেক গড়াল, আর কতো? ঘটনার দুই সপ্তাহ পর প্রথম বুঝি কারো মনে হলো মারা যাওয়া বিডিআর সদস্যদেরও পরিবার বলে কিছু একটা আছে। ১৬ মার্চ(আগে পরে হতে পারে) পত্রিকার* প্রথম পাতার এক কোণায় আসলো নিহত(শহীদ না কিন্তু) বিডিআরদের পরিবারদের কথা, রিডাইরেক্ট করে দেয়া হলো ভেতরের সাদাকালো পাতায়। বিডিআর এর এইট পাশ জওয়ানদের পরিবারের মানুষদের জল শুকিয়ে-শুকিয়ে আসা চোখের কান্না দেখাতে চাররঙ্গা কাগজ ভরানোর কোনো মানে আছে? সেজন্যই হয়তো জননেত্রী-দেশনেত্রীদের চোখে পড়েনি এ সংবাদ, নাহয় নিশ্চিত চোখে পড়তো! শুনেছি বিডিআর নাকি আধা-জলপাই! তাদের পরিবারের কথা এলো ঘটনার দুই সপ্তাহ পরে, মরে যাওয়া নিতান্তই সাদাসিধে বেকুবদের কথা কবে আসবে পত্রিকায় কে জানে! না আসলেও চলবে মনে হয়...


এখন পত্রিকার পাতায় চিপায় চাপায় দেখি বিডিআর সদস্যদের আত্মহত্যা। একে একে নাকি আট-নয়জন আত্মহত্যা করলো! কয়জন করলো জানার কি দরকার? আমাদের জলপাইরাঙ্গা বন্ধুরা আছেন ওদের টেককেয়ার করতে। শুনেছি লাশের পোস্ট-মর্টেমে নাকি আঙ্গুলের মাঝে সুঁই পাওয়া গেছে? খারাপ না। জলপাইরাঙ্গা বন্ধুরা এর আগে আমাদের উপহার দিয়েছিল হৃদরোগ, অপারেশন ক্লীন হার্টে। তারপর ক্রসফায়ার, এখন আত্মহত্যা। আমরাও জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের সাথে এক হয়ে বুদ্ধি হাঁটুর গোড়ায় নামিয়ে ভাবি... যেখানে জওয়ানদের পরিবার-পরিজন তাদের পথ চেয়ে বসে আছে, সেখানে দায়িত্বজ্ঞানহীন জওয়ানেরা আত্মহত্যা করছে...কি কলিকালই না আসলো!


ভাগ্য ভালো, আমাদের পাশে আমাদের জলপাইরাঙ্গা বন্ধুরা আছেন। তারা বারেবার বুটের তলায় পিষে আমাদের মনে করিয়ে দেন, “ব্লাডি সিভিলিয়ান”...গালি ভাববেন না যেন! আমরা যে সাদাসিধে তা ভুললে চলবে কেন? সেজন্যই তো উনারা মনে করিয়ে দেন। আর আমরা জলপাই প্রেমে দিনকে দিন মত্ত হই। সেই স্বাধীনতার আমল থেকেই এই চলে আসছে। বীরশ্রেষ্ঠ হবার মতো বীরত্ব আমরা সাদাসিধে মানুষেরা দেখাতে পারিনি একাত্তরে। বুকের সাথে গ্রেনেড বেঁধে ট্যাংকের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়া কিশোরের জীবন তেলাপোকার মতোই তুচ্ছ ছিল, তা কি সে জানত? মূর্খ কৃষক, মেধাবী ছাত্র আর ভঙ্গুর দেহের মজুরেরা যারা যুদ্ধে মরেছিল তারা বেঁচেছে। বাকিরা এখনো সে তেলাপোকা জীবন ধারণ করে চলছে। বীরশ্রেষ্ঠ, বীরপ্রতীক আরো কিসব পদক আছে না...ওইগুলার লিস্টিতে চোখ বুলিয়ে যাই, জলপাই রঙের ভিড়ে সাদাসিধে নামগুলো খুঁজে বেড়াই!

শেষে এসে ভয়ে ভয়েই বলি আজ, মানিনা আমি ওইসব পদক। পদকের লিস্টিতে চোখ বুলিয়েই শুধু নয়, আমাদের ৩৮ বছরের স্বাধীনতার পাতায় পাতায় চোখ বুলিয়ে দেখুন, হারামি পাকিদের যে ভ্রূণ আমরা আজও বহন করছি তা হলো এই জলপাইবন্ধুদের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতালিপ্সুতা!

*পত্রিকা হিসেবে প্রথম আলোর কথা বলা হয়েছে।



একবার মুছে যাওয়ার পর ফেরত পাওয়া পোস্ট। শেষ ছবিটা বোধহয় তেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে দিলেন, অথবা অনিচ্ছাকৃতও হতে পারে...যাই হোক। পোস্ট ফেরত পেয়েছি, তাতেই খুশি।এতোদিন পর আসলে মন্তব্য করারও আর কিছু বাকি নাই!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২২
আকাশনীল বলেছেন: জলপাই প্রেম- হে হে চমৎকার নামকরন। আমরা ব্লাডি সিভিলিয়ান কিবা বলতে পারি। মিডিয়া যার গুনগান করবে আম্রাও তারে নিয়া লাফাবো।

পদকের তালিকা আমি দেখেছি। এবং অবাক হয়ে দেখলাম তাদের নামের পাশে শুধু জল্পাই পদবী। বাংলার পথে-প্রান্তরে কত নাম না জানা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন তাদের কথা কখনো কেউ জানবে না।

শেষ ফটুক্টা জসিলা হইসে।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: পদকের তালিকা অদ্ভূত...মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এতো বিভেদ ছিল জানতাম না। মুক্তিযোদ্ধারও এলিট ক্লাস আর লোয়ার ক্লাস আছে!

শেষ ফটুকের জন্য ব্যানও খাইতে পারি:(

২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
...অসমাপ্ত বলেছেন: শেষ লাইনে জাঝা...!!

...সেটাই ...যে রিকশাওয়ালাটা বা এইট পাশ বর্বর সৈনিকগুলো 'ভুল সময়ে ভুল জায়গায়' থাকার শিকার, তাদের কথা চিন্তা না করাই ভাল। আর যাই হোক... এরা তো আর দেশের রত্ন না। আর এদের নিয়ে কথা বললে পাছে ষড়যন্ত্রে ইন্ধনদাতা হতে হয়।

...আর বিডিআরের সাম্প্রতিক মড়ক?!! ....এগুলো মিডিয়ার অপপ্রচার। দেশের মহান জলপাইয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা। ...আসুন আমরা এককাতারে ব্লাডি সিভিলিয়ান হই। :)
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: একটা পুরা জাতি কেম্নে হারামি হয় আমি বুঝে উঠতে পারি না। পাকিস্তানের কালচার দেখেন আর ইতিহাস দেখেন... বর্বরতার চূড়ায় একেবারে! তারা গণতন্ত্র কয় বছর পাইছে আল্লাহ মালুম! যে কয়বার পাইছে আর্মির ভয়ে ভয়ে দিন গুজরান করছে। আর এই হারামির জাত থেকে এই এক ক্ষমতার ভূত বাংলাদেশের আর্মির কাঁধে রইয়া গেল...এই দুঃখ কই রাখি?

৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
তানভির আহমেদ বলেছেন: অনেক ভয় নিয়ে মন্তব করলাম। বাংলাদেশে অনেক ব্লাডি সিভিলিয়ান, তাই কিছু সিভিলিয়ান মরলে কি আসে যায় ?
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ভয়ে ভয়ে থাকা ভালো। জলপাই বন্ধুরা তাই চায়। আমরা মরলে ক্ষতি নাই। ছিনতাইকারী ধরতে গিয়া পুলিশ মরলে ক্ষতি নাই। গার্মেন্টসে আগুন লাইগা শত শত লাশ পড়লেও ক্ষতি নাই। বসুন্ধরায় ফায়ার ফাইটার মরলে ক্ষতি নাই। লঞ্চডুবিতে মরলেও ক্ষতি নাই, ছাগল আছে বোনাস। তবে আর্মি মরলে সমস্যা...ট্যাঙ্ক বের হবে ব্যারাক থেকে...ভয়ে ভয়ে থাকেন।

মামুলি তেলাপোকার জীবন পার করা মানুষ মরলে মরছে, কিন্তুক আর্মি মরলে একবারে শহীদ! মাঝামাঝি কিছু নাই!

৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
শুধুমন্তব্য বলেছেন: শেষে এসে ভয়ে ভয়েই বলি আজ, মানিনা আমি ওইসব পদক। পদকের লিস্টিতে চোখ বুলিয়েই শুধু নয়, আমাদের ৩৮ বছরের স্বাধীনতার পাতায় পাতায় চোখ বুলিয়ে দেখুন, হারামি পাকিদের যে নষ্ট ভ্রূণ আমরা আজও বহন করছি তা হলো এই জলপাইবন্ধুদের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতালিপ্সুতা!

নিজের মন্তব্য করে ব্যন খাইতাম চাই না এম্নিতে ই জেনারেল বানাইয়া দিছে।

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: আমি এখনো ছেপ:)

৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
...অসমাপ্ত বলেছেন: @আকাশনীল... পদক নিয়ে আমার শোনা সবচেয়ে ফালতু কথাটা শুনেছিলাম এক জলপাই ব্র্রিগেডিয়ারের কাছ থেকেই। ..." সিভিলিয়ার পদক লাগাইবো কই। আর্মির তো তারা লাগাইন্নার জায়গা আছে। সিভিলিয়ানের তো সেইটাও নাই।" ...

অবশ্য এদের গন্ডু কপোট্রোন থেকে এর বেশি কিছু আশা করাও বোকামো।

....ফাকি গুলো আগেও যা ছিল ...এখনও তেমনই ভাবে। নব্য প্রজন্মের কিছু ফাকির সাক্ষাৎকার আছে বিবিসির নেওয়া, ইউট্যুবে পাওয়া যায়। দেখলে বোঝা যায়, একটা জাতি আসলে ঠিক কিজন্য ছোটবেলা থেকে মাথায় তব্দা খাওয়া হিসাবে পয়দা ও বড় হয়।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ভাবতে খারাপ লাগে, আমাদের জাতি জন্মকালেই কিছু স্বার্থপরের দেখা পাইছে।

পাকিগুলা জাহান্নামে যাক, তাতে আমার কি! কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাথা থেকে পাকি ভূত ছাড়াতে হবে। আর কোনো দেশে আর্মির এত্তো সাহস হয় না গণতন্ত্রকে হুমকি দেয়। মায়ানমার, উত্তর কোরিয়া এখন গণতন্ত্রের স্বপ্নও দেখে না। আর্মিকে এখনি সিধা করতে না পারলে পরিণাম ভয়াবহ।

পাশের দেশ ভারতকে দেখেন। আর্মির বেল নাই। আর বাংলাদেশে দেখেন, চাকরী শেষে আর্মির মাথাগুলারে আবার বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের হেড বানায় দেয়! কি এমন যোগ্যতা তাদের??

৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। ক্যাডেট কলেজে পড়েও যে সাদা -কালোর ফারাক করতে ভুলে যান নাই এজন্য আরো ভালো লাগলো।
ইদানিং শুরু হয়েছে ছবি ও ভিডিও দিয়ে তাদের প্রতি সহানুভতী স্মৃস্টির হাস্যকর প্রয়াস সাথে সুশীল বুদ্ধিজীবিদের কলমে-মাতম। ৭৫ - ২০০৯, ৩৪ বছরে আর্মিদের অপকর্ম নিয়ে লিখলেতো মহাভারতের মতো মহাবাংলাও লেখা যাবে।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: থুক্কু...আমি ক্যাডেট না ভাই। তবে ক্যাডেট বন্ধু অনেক। তাদের মনোভাবও আমার মতোই। সুশীলদের কথা বাদই দিলাম! আগে প্রথম আলোরে চিনতাম না। এই দুই বছরে হাড়ে হাড়ে বুঝছি!

৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
চাচামিঞা বলেছেন: ওদের বিপক্ষে লিখলেই দোষ, কারন ওদের কোনো দোষ থাকতে পারে না।
Click This Link
ঐলেখাতে বিসিশ্ট ব্লাগরে প্রশ্ন বানে আমাকে নিচের কমেন্ট করতে হইসিলো:

অপারেশন ক্লিন হার্ট কবে হলো খেয়াল নাই, তবে মনে আছে ওরা দল বেধে একলাইনে যখন হেটে যেতো তখন পাবলিক আসলেই ভয় পেতো, অন্তত আমার ভয় লাগতো, যদিও ভয় লাগার কিছুই না। এটা খুব ভালো। কিন্ত আমি নিজের চোখে এটাও দেখেছি ওরা একদিক দিয়ে হেটে যাচ্ছে, আর একটু দুরেই মাদক দ্রব্য বিক্রী হচ্ছে। স্হানটার নাম বলি - কাটাবন, আমার নিজের চোখে একাধিক বার দেখা ঘটনা, কারন ঐ রাস্তায় আমাকে প্রায়ই ব্যবহার করতে হয়, যেহেতু আমি ঐ এলাকার আশে পাশেই থাকি।
=======================================
ঐ প্রিওডের কথাই বলি....আমার এক বন্ধু তখন বাইং হাউজে চাকরি করতো। একটা ট্রুপ তাকে রাতে অফিস থেকে ফেরার পথে সার্চ করে। (নিরাপত্তার খাতিরে সার্চ করা লাগতেই পারে)। তার কাছে অবৈধ কিছুই ছিলো না। কিন্তু দুর্ভাগ্য জনক ভাবে তার পকেটে থাকা মোবাইলটা তখন বেজে ওঠে। তখন ঐ ট্রুপ থেকে তাকে প্রশ্ন করা হয় - ঐ বেটা কতো টাকা বেতন পাস তুই, তোর পকেটে মোবাইল? কান ধরে উঠা বসা কর......তাকে সেদিন অযথা ২০ বার কান ধরে উঠা বসা করতে হয়েছিলো। মানুষকে মানুষ ভাবলে এমনটা হওয়ার কথা ছিলো না। আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
========================================
একাধিক বার ওরা দেশের আইন শৃংখলা ঠিক করার কাজে নিযোজিত হয়েছে.....ওরা কি করতে পেরেছে, আমাকে বলেন।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ওরা মনে করে এক ধাক্কায় তারা সব জঞ্জাল মুছে ফেলবে। সমস্যা হলো ওরা নিজেরাই জঞ্জালের একটা অংশ!! ওদের কোনো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নাই। আছে শুধু ক্ষমতার লোভ। কতো যে পলিটিক্স ওদের মধ্যে ... কাছে থেকে না দেখলে বোঝা যাবে না

৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
অপ্‌সরা বলেছেন: খাঁটি সত্য কথাটাই লিখেছো ।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ভয় কোনো মহৎ ব্যাপার না আপু, কেন একটা গোষ্ঠি নিজেদের অস্ত্র কিংবা গায়ের জোরে অন্যদের ভয়ার্ত করে রাখতে চাইবে? এর নাম কি স্বাধীনতা?

৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
চাচামিঞা বলেছেন: পাবলিক ব্লাডি সিভিলিয়ান না.....ওরা হইলো স্ল্যাম ডগ.......

কারন:
এপর্যন্ত যতগুলো ন্যাক্কার জনক ক্যু হইসে (ক্ষমতার লোভে/হিংসার জন্য) ওগুলো কারা করসে?............
ওদের বাড়ি/ঘর আর জৌলোস দেখলে টাসকি খাইতে হয়, ওরা কতো বেতন পায়?
ওরা এখন পর্যন্ত দেশের কি কামটা করসে? (স্বাধীনতার পরে)
বেসরকারি বিমান/ নৌ/বিদ্যুৎ ইত্যাদির মতো প্রতিস্ঠনের কর্ণ ধার ছিলেন অঃবঃপ্রঃ ........।
তারা ঐ শিল্পগুলোকে কি দিয়েছেন?
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: এইটা এক আজিব প্রোগ্রাম...সোর্স কোড নাই, ইনপুট দিতেই হবে। যা মন চায় দেন ইনপুট, আউটপুটও নাই!!

১০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
বাঙ্গাল বলেছেন: সাংঘতিক সত্য পোষ্ট।
এরপরও আমাদের সেনা বাহিনী বলতে হইলে...আগায় একটা ...পাসায় একটা "দেশপ্রেমিক" কইতে হবে। হেগ জন্য ঢাকায় ২টা ডিওএইচএস...মিরপুরে ১ টা। ২টা ক্যান্টন্মেন্ট...
এরপরেও পিলখানায় যাইতে হেগ ২ ঘন্টা লাগব কয়া পাছা তুইলা ঘুমাইলে ক্ষতি নাই।কিন্তু ক্ষেমা করা যাবে না গরীব বিডিয়ারকে।
------------
কন্সপিরেসি থিওরী-পারট ৩ (জ়ঙ্গি রাষ্ট্রের ছায়া)
Click This Link
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: বিডিআর বিদ্রোহে বাইরের হাত থাকতে পারে, কিন্তু তাই বলে সাধারণ বিডিআরদের বিদ্রোহ মিথ্যা হয়ে যায় নাই। বিদ্রোহীরা অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করছে, কিন্তু তাতে আর্মিদের অপরাধ ঢাকা পড়ে নাই। মে.জে. শাকিল সহ অন্য অনেকেই দুধে ধোয়া তুলসী পাতা ছিল না, তবে তাদের বিচারের ভার জওয়ানদের কেউ দেয় নাই, যেমনটা করে জওয়ানদের নির্বিচারে মেরে ফেলার দায়িত্বও আর্মির কাউকে দেয়া হয় নাই

১১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১২
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: অসাধারণ! একবাক্যে অসাধারণ।
আমরা ব্লাডি সিভিলিয়ান। এই শব্দটা উচ্চারণ করতে কিন্তু সিভিলিয়ানরা ভয় পায়। কিংবা অনেকে ব্লাডিটাকে আড়াল করে নিজের সাথে নিজেই একটা বোঝাপড়া করেন। যাইহোক, শেষমেষ অন্তত আপনি সাহস নিয়ে বলতে পেরেছেন, আমরা সবাই ব্লাডি সিভিলিয়ান। অন্তত তাদের কাছে।
অনেক জায়গায় দেখবেন, লেখা থাকে, সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
তখন একটু হাসি পায়। হায়রে আমরা সাধারণ। কখনই অসাধারণ হতে পারবো না। ঐখানে অসাধারণ হতে হলে পোষাকের ব্যাপার আসে। সেই জলপাই রঙ মানেই অসাধারণ।
এজন্য....এজন্যই যখন বীরশ্রেষ্ঠ নামগুলোর দিকে তাকাই; তখন মনে হয় হায়রে আমার দেশের মানুষগুলো। জলপাই রঙ নেই দেখেই বীর শ্রেষ্ঠত্ব পেলো না। হয়তো তাদের থেকে বীরের মতো যুদ্ধ করে মরেছে, কোনো শিশু, কোনো মহিলা, কোনো কৃষক, কোনো শিক্ষক কিংবা রাস্তার ভিখারি। কিন্তু তাতে কি! তারা তো ব্লাডি সিভিলিয়ান।
আমরা এ যুগের ব্লাডি সিভিলিয়ান। তাই আমরা সাধারণ। অসাধারণ কিছু নই।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতার মানে যদি আরেক এলিট ক্লাসের বন্দুক আর পেশীর জোরের কাছে অসহায় হয়ে ভয়ে থাকা হয়, তাহলে স্বাধীনতার কোনো মানে নাই। এ স্বাধীনতার দরকার নাই। সাধারণ যদি আমরা হই, অসাধারণের প্রয়োজন আমাদের দেশে নাই। আমরা সাধারণেরাই দেশের জন্য যা কিছু করতাছি, উনারা কি করছে হিসাব দিতে বললে কই যাবে? দেশের সামরিক বাজেটটা কোথায় যায়? আউটপুট কি?

১২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
চানাচুর বলেছেন: ভালো লিখেছ.......অনেককিছু জানতে পারলাম.....পিলখানার হত্যাকান্ডের সময় পরীক্ষা ছিল টিভি দেখতে পারি নি........বিশ্লেষণধর্মী লেখা। সবার লেখাটা পড়া উচিত। ধন্যবাদ
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: সুশীল হয়া গেলা নাকি? আর পরীক্ষা দিতে দিতে টায়ারড হইয়া গেলাম,ব্লগে আইসা তারপরেও তোমার মুখে খালি পরীক্ষার কথা শুনি /:)

১৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
নুশেরা বলেছেন: ভাঙ্গা পেন্সিলকে অভিবাদন। আর কিছু বলার নাই।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: ধইন্যা:-B

১৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: তুমার এই পোস্টে গোটা বিশেক মাইনাচ আশা করতেছিলাম , একটা ও পরে নাই দেইক্খা ভাবতেসি , ব্লগীয় সুশীলরা গেলো কই ??
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: কমদামী ব্লগার হওয়ার একটা সুবিধা আছে, হেভিওয়েট সুশীলেরা পড়তে আসে না লেখা:)

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: :)

১৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
আউলা বলেছেন: খুব সুন্দর করে সবকথাগুলো বলেছো। তোমাকে ধন্যবাদ পিচ্চি। চানাচুর আমাকে বলল তোমার এই লেখার কথাটা। অনেক অনেক ভালথাকো।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা খালাম্মা। দোয়া রাখবেন:P

১৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
ফূতিওয়ালা বলেছেন: সাধারন মানুষ যারা মারা গেলেন তদের বেপারে যা লিখলেন তাতে সহমত।

বাকিটা ....... উদ্দেশ্যপ্রোনদিত কিনা বুঝতে পারিনি।

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: বাকি আর কি ছিল? উদ্দেশ্যটাও বলেন...আমিও একটু বুঝি

১৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
নিঃসঙ্গ বলেছেন: খুব মনে পড়ে, পিলখানা বিদ্রোহের প্রথম দিনের কথা। বিডিআরের এলোপাথাড়ি গুলিতে রিকশাওয়ালা মরে গেছে। আহত অনেক। রাস্তায় গুলিতে লুটিয়ে পড়েছে নির্দোষ পুলিশ সার্জেন্ট, তাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনের মায়া করলো না বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মাথায় গুলি খেয়ে পড়ে রইলো রাজপথের উপর দেড়টি ঘন্টা...লাশটা আনার কেউ রইলো না।

এই ৩ জনের কথা আমরা ভুলে গেলাম :(
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: সাদাসিধা সব মানুষদের কথাই আমরা ভুলে যাই...ব্যাপার না!

১৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
বড় বিলাই বলেছেন: ভয় পাচ্ছি আপনাকে না আবার ব্যান খেতে হয়। +++++
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: নাহ...খাবো না

২০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৫
চানাচুর বলেছেন: আমার পড়াশুনার অবস্থা করুণ। এই জন্য অস্থির লাগে এইজন্যই পরীক্ষা জিনিসটা মাথায় ঢুকে গেছে কারণ আমার প্রিপারেশন যাই থাকুক আমাকে তো শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার হলে যেতে হবে। এইটা নিয়েও তুমি টিটকারী মারলা।:(
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: হুমম...পরীক্ষার সময়টা বহুত জ্বালা...পার হয়ে গেলে মনে থাকে না:)

২১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৭
চোরকাঁটা বলেছেন: হুম। ছবিটা তো এক্কেরে ইশপেসাল দিলা!! ;)
আমি অবশ্য মরা আর মারা দুইডারই বিপক্ষে।
মরছে কামডাও খারাপ, মারতাছে কামডাও খারাপ :|
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: আমরা সবাইই বিপক্ষে। তবে কথা হলো কেউ মরে নিহত হবে কেন আর কেউ মরে শহীদ হবে কেন? মাপকাঠিটা কি?

২২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সেই হতভাগা মৃত ছাত্রটার কথা ভেবে মায়া লাগতেছে ভাইয়া।
কষ্টের হলেও সত্য, অই ছেলেটার কথা আমিও বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম।
এখন খারাপ লাগতেছে।

মিডিয়ার আসলে কি প্রভাব !!!!

সিভিলিয়ান্দের মদ্ধ্যে থেকেই তো আর্মিতে ঢুকে।
আমার কয়েক দোস্ত আপ্রাণ চেষ্টা করতেছে।

হাতে যখন বন্দুক থাকে, নিরীহ কবুতরের দিকে এমনিয় দৃষ্টি চলে যায়।

একটা ভাল কথা বলছেন, জল্পাই রাঙ্গা আবসর প্রাপ্তরা দেশের এতএত প্রতিষ্ঠানের হেড হয়ে, দেশকে কী এমন দিল !!!

আপনাকে আগে থেকেই ভালো লাগত। এখন, সেটা আরো একটু বাড়লো।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: হাতে যখন বন্দুক থাকে, নিরীহ কবুতরের দিকে এমনিয় দৃষ্টি চলে যায়

এই জন্যই অস্ত্রধারীদের বিচার করতে দেয়া হয় না, তাদেরকে অস্ত্র চালানোর অনুমতি দেয়ার ক্ষমতাও নিরস্ত্র কারো হাতে থাকে। এই দুই সীমা যখন তারা ভাংতে চায়, তা স্বীয় লোভ থেকেই চায়

২৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: বাঙ্গালী আবার প্রমান করেছে তারা হুজুগে জাতি।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: তিতা সত্য কথা!

২৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
মাহবুব সুমন বলেছেন: আবারো পড়লাম, আবারো ভালালাগা রেখে গেলাম। সত্য বলার সাহস আজ কাল অনেকেরই নাই।
ক্যডেটের ব্যপার টা আরেকজনকে বলতে গিয়ে বলে ফেলেছিলাম। স্যরি।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: ব্যাপার না।

২৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭
রাহিদুল সামান্না রকি বলেছেন: শেষে এসে ভয়ে ভয়েই বলি আজ, মানিনা আমি ওইসব পদক। পদকের লিস্টিতে চোখ বুলিয়েই শুধু নয়, আমাদের ৩৮ বছরের স্বাধীনতার পাতায় পাতায় চোখ বুলিয়ে দেখুন, হারামি পাকিদের যে নষ্ট ভ্রূণ আমরা আজও বহন করছি তা হলো এই জলপাইবন্ধুদের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতালিপ্সুতা!

আশায় আছি আবারো একটা শ্লোগানে গোটা জাতি এক হবে। জলপাই রঙের বন্ধুরা বুঝেব তাদের খাচার বাইরে যারা আছে তারাও এই দেশের মানুষ। খাচার জন্য দেশ নয় দেশের জন্য খাচা।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: জলপাই বন্ধুদের বুঝিয়ে দিতে হবে তাদের সীমানা কতোটুকু।

২৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
'লেনিন' বলেছেন: আপনার আবেগঘন লেখা ভালোই হয়েছে। কিন্তু শেষে জলপাইদের বিষোদগার করে প্রপাগান্ডাবাজদের সাফাই হয়ে যাচ্ছে।

আমরা 'ব্লাডি সিভিলিয়ান' না বলে বলুন আমরা 'বেকুব'। আর এই 'বেকুব'রাই তো হারামি হবে তাইনা?
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: হেহে...আপনার কাছে যেটা প্রপাগান্ডাবাজদের সাফাইমূলক বিষেদাগার মনে হলো, সেটাই বাস্তবতা। ৩৮ বছরে সব পাল্টালেও জলপাইদের ক্ষমতার লোভ পালটায় নাই।

আশেপাশে দেখেন। প্রায় সমশক্তির দেশ ভারত আর পাকিস্তান, উন্নতির দৌড়ে কতো ব্যবধানে আগায় আছে ভারত? কেম্নে আগাইলো? কারো কাছে জাদুর প্রদীপ ছিল না। সত্যিকারের গণতন্ত্র ভারতে ছিল। পাকিস্তানে সামরিক যুগের ফাঁকে ফাঁকে এখনো যে গণতন্ত্র মাঝে সাঝে দেখেন, তা হইলো আর্মি তুষ্ট করণপূর্বক গণতন্ত্র। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটটাও একই। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তা হিসাবে আর্মিদের অবসরের পরে চাকরির গ্যারান্টি(যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক), বিদেশের মিশনের টাকা আর সামরিক বাজেটের ভাগ দিয়া এখনো তোষণ চলতাছে।

আর্মি যে সরকারের চাকর, সেটা তাদের মনে থাকে না। নীতিগত ভাবে অস্ত্রধারীদের বিচারের ক্ষমতা দিতে হয় না, তাহলে অস্ত্রধারী আর সন্ত্রাসীর মধ্যে পার্থক্য থাকে না। আর্মিরা বিচার করার কেউ না, মৃত্যুদণ্ড তারা আত্মহত্যা আর হার্ট এটাকের মাধ্যমে চালাতে পারে না...দেশে আইন-বিচার আছে। আর্মিদের ক্ষমতার লোভের আগুনে বাংলাদেশ কম পুড়ে নাই। দেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায়গুলার অনেক গুলাই তাদের রচনা।

সরকারে উচিৎ শক্তভাবে তাদের বুঝায় দেয়া, যে তোমরা সরকারের চাকর। তোমার দৌড় তোমার ব্যারাক পর্যন্ত যতোক্ষণ না সরকারের প্রয়োজন হয়। এ জিনিস এখন থেকে বুঝাতে না পারলে তাদের ক্ষমতালিপ্সুতার সবচাইতে বড় শিকার তারা নিজেরাই হবে। ওদের ক্ষমতার যে লোভে সরকার প্রশ্যয় দিয়ে যাচ্ছে, এ লোভ বাড়বে,ওদের লোভের আগুনে মুজিব-জিয়া পুড়ছে, আগামীর সরকারপ্রধানেরা পুড়ে মরবে, আমরা সাদাসিধা পাবলিক হায়েস্ট তিন-চারটা লাত্থি খাব।

২৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
'লেনিন' বলেছেন: "সরকারের চাকর, সেটা তাদের মনে থাকে না" - দেখুন আর্মি সরকারের চাকর বলার চেয়ে জনগণের চাকর বলা ভালো। কিন্তু নীতি বিবর্জিত একক রাজনীতিবিদদের নিশ্চয়ই তারা চাকর নয়?

"নীতিগত ভাবে অস্ত্রধারীদের বিচারের ক্ষমতা দিতে হয় না, তাহলে অস্ত্রধারী আর সন্ত্রাসীর মধ্যে পার্থক্য থাকে না।" -- সেক্ষেত্রে ডিফাইন করতে হয়, আর্মি কী? আর্মি থাকার দরকার আছে কিনা? একটি সুশৃঙ্ক্ষল বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর আইনই দরকার হয়। এক কথায় মাফ করে দেয়ার মতো ব্যক্তিগত বিষয় নয় সেগুলো... অন্যান্য দেশের মডেল ধরে তুলনা করা যেতে পারে।

প্রচলিত সামরিক বাহিনীকে প্রচলিত তাদের নিয়মেই তো বিচার করতে হবে নাকি? আপনি কী ভুলে গেছেন সেখানে নিয়মের ব্যত্যয় করা মানেই কঠিন শাস্তি? নাকি গাফুরুর রাহীম মায়াদয়া দিয়ে সব অপরাধ সাধারণ কোর্টে হবে? কোন দেশে তা হয়ে থাকে?

২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: রাজনীতিবিদ কি আর সরকার কি সে পার্থক্যটা আপনি ধরতেই পারেননি। সরকার আর রাজনীতিবিদ কনসেপ্টটাই আলাদা। প্রথম প্যারার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার তাই কোনো মানে নাই। পৃথিবীর দুয়েকটা দেশ বাদে প্রতিটা দেশে আর্মি সরকারের চাকর, এইটা নতুন কিছু না। সরকারের ডাক না পড়লে আর্মির ব্যারাকের বাইরে এক পা ফেলারও সাহস হতে পারে না! হতেই পারে না।



একটি সুশৃঙ্ক্ষল বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর আইনই দরকার হয়।
হুমম, তার মানে যেই আইন অনুযায়ী বিডিআররা আত্মহত্যা করতাছে, ভালোই করতাছে...কি বলেন? চলতে থাকুক। আমি বিবেক থেকে এটা মানতে পারি না, আপনি মানলে মানেন। আমার সমস্যা নাই।


বিদ্রোহে খুন খারাপি করে বাড়াবাড়ি বিডিআর করছে, বাইরের শক্তিও সাথে ছিল নিশ্চিত প্রায়। তাই বলে সাধারণ বিডিআররা যে বিদ্রোহে যোগ দিছিল, তা কিন্তু মিথ্যা হয়ে যায় নাই। কি কারণে গুটিকয়েক সন্ত্রাসীর প্লান সফল হল? হাঁটুর গোড়ায় বুদ্ধিওয়ালাদের মতো সাধারণ জওয়ানদের ছাঁদ থেকে ফেলে দিলে সে কারণ সমাধান হবে ভাবলে ভাবুন। আমার ভাবনা এতো অল্পতে থামে না।

২৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৩
পারভেজ বলেছেন: অন্যান্য দিক থেকে তোমার সাথে অনেকটাই একমত। তবে সেদিন বিডিআর জওয়ানদের ভেতর যারা সরাসরি নৃশংসতার, ও নারী অবমাননার সাথে জড়িত ছিল; তাদের জন্য যদি দুগ্ধপোষ্য শিশু সন্তানও পথ চেয়ে বসে থাকে, তবুও তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হাত কাঁপা উচিত না। সেটা আইনি প্রক্রিয়ায় হোক বা জিজ্ঞাসাবাদে হোক। তবে এই কারণে যাতে একটাও নিরীহ প্রাণহানী না ঘটে সেটার সচেতনতা কাম্য।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: শাস্তির প্রক্রিয়া থাকে পারভেজ ভাই। আত্মহত্যা করানো প্রক্রিয়া না। বিচার ছাড়া হত্যা আমি সমর্থন করি না। অস্ত্রধারী অস্ত্রের মুখে কোনো বিচার করতে পারে না। সেরকম হলে কিন্তু বিডিআরের ঘৃণ্য কাজও সমর্থন করতে হবে, তারাও অস্ত্রের মুখে নিজেরাই বিচারক হয়ে দুর্নীতিবাজ সিনিয়রদের বিচার করছে।

২৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১১
'লেনিন' বলেছেন: "সরকারের ডাক না পড়লে আর্মির ব্যারাকের বাইরে এক পা ফেলারও সাহস হতে পারে না! হতেই পারে না।"

আর তাই আর্মি বিডিআর ঘটনায় ২৫/২৬ তারিখে পুরোপুরি নিষ্ক্রীয় ছিলো। নাকি চারপাশ ঘিরে রেখেছিলো? যখন জেনে গেলো অন্তত শতাধিক নিহত হয়েছে.. তখন তারা ব্রাশ ফায়ার শুরু করেছিলো?

নাকি আপনি মনে করেন, যে আর্মি নির্বিচারে বিডিআর জওয়ানদের এখন হত্যা করলে প্রতিশোধ নেয়া হয়ে যাবে? যারা এমন ভাবছে তারাই ভাবছে কী করে?

এতোগুলো প্রাণের কোনোই মূল্য নেই? এতো বড় চক্রান্ত কে? কেনো করলো? না বের করেই পাল্টা গণহত্যা হবে?

@পারভেজ আপনার সাথে পূর্ণ সহমত।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: কারণ কি আর্মি বের করতে চাচ্ছে? কিভাবে আসলে? ছাঁদ থেকে ফেলে দিয়ে? বাহ বাহ!

আর্মি বিডিআরের ঘটনায় কি করতে পারতো মনে করেন? যারা তাদের অত্যাধুনিক(!) গোয়েন্দা দল দিয়ে এই সামান্য খবর বের করতে পারলো না যে পরদিন কিছু হতে পারে, যারা নিজেদের অফিসারদের নিরাপত্তার জন্য গোয়েন্দাগিরি করতে পারে না, তারা কামান দিয়ে গোলা মারলে যে ক্যান্টন্মেন্টে নিজেদের উপরে গোলা পড়বে না সে নিশচয়তা কি!!


ঘটনায় কোনো রক্তপাতই হতো না যদি শুরুতে আর্মি তাদের মাথা খাটাতো, গোয়েন্দাদল নিজেদের কাজ করতো।

৩০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৫
হাইফেন বলেছেন: আপনের ২ডা ল্যাখা পইড়া ভাল্লাগচিল, এহন তো দেহি পুরা ফাউল একটা পোলা, আন্দাজে কতা কন। মাইনাস।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: আমি নিজেই মাঝে মাঝে নিজেরে চিনি না, আপনাদের কমেন্টসে চিনতে পারি। অনেক ধইন্যা!

৩১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
'লেনিন' বলেছেন: লেখক বলেছেন: কারণ কি আর্মি বের করতে চাচ্ছে? কিভাবে আসলে? ছাঁদ থেকে ফেলে দিয়ে? বাহ বাহ!

কথাটি কেনো বলেছেন স্পষ্ট নয়।

আর আপনার আদর্শ বিদ্রোহ অবস্থায় ১০০০০ সৈন্যকে (যারা ১০/১২ বার আত্মসমর্পনের আহবান প্রত্যাখ্যান করেছে) কীভাবে নিষ্ক্রীয় করা হতো?

যুদ্ধবিদ্যায় আমি আপনি নই বরং সেনাবাহিনীই অভিজ্ঞ হয়ে থাকে। একা আমিও বলছি না আর্মি'কে দায়িত্ব দেয়া উচিৎ ছিলো সবাই তা বলছে। আর শেখ হাসিনার ভাষণের একদিন দেরিটাও সবার মনে বি-শা-ল প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

আপাতত এখানেই এই বিতর্কের ইতি টানছি।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: এতো বড় চক্রান্ত কে? কেনো করলো? না বের করেই পাল্টা গণহত্যা হবে?

এই প্রশ্নের জবাবে বলছিলাম, কথা বের করার জন্যই কি বিডিআর ছাঁদ থেকে নিজে নিজে লাফায় পড়তাছে?


ইনডেমনিটির রাস্তা আর্মিই দেখাইছে সবাইকে, বিডিআর তাই এতো মানুষ মেরেও ক্ষমা পাবার জন্য দেশবাসীকে জিম্মি করছে। কোনো অপরাধেরই ক্ষমা হতে পারে না, ক্লিন হার্টে বিনা বিচারে হার্ট ক্লিন করার অপরাধের কঠিন বিচার করা হলে আজকে বিডিআর ক্ষমা চাওয়ার সাহস পেত না, খুন করার আগে দশবার ভাবতো।


আর্মিকে বিদ্রোহ দমানোর দায়িত্ব দিলে রক্তপাত বাড়তো। এটা আপনি না বুঝতে চাইলে আমি বুঝাতে যাবোও না। এটা আর্মির কাজ বলতাছে সামরিক বুদ্ধিজীবীরা, ওইদিনের ঘটনার পর থেইকাই শুইনা আসতাছি। ওদের কথা ওরা বলুক, আমার কাছে ওদের ফুটা পয়সার মূল্য নাই।

৩২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪০
পারভেজ বলেছেন: শেখ হাসিনার পদক্ষেপটা পূর্ণ সমর্থন যোগ্য। কারণ তা না হলে, আশেপাশের স্কুলগুলির অন্তত হাজার হাজার বাচ্চার জীবন নাশের সম্ভাবনা ছিল। যেটার রিস্ক সরকার নিতে পারেনা। নিজেরা বিচারক হয়ে শাস্তি দেয়া আর আর্মি পরিবারের মেয়েদের প্রকাশ্যে সন্মানহানীকরা (অন্যশব্দ ব্যবহার করলাম না; অনেকেই জানে কি নারকীয় ঘটনা ঘটেছিল) - এই দুই এর ভেতর পার্থক্য আছে। দোষী প্রমানিত হলে শাস্তি কে দিল সেটা হয়তো গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য বিপদজনক; কিন্তু ন্যায় বিচারের জন্য সেটা প্রয়োজন হতে পারে বৈকি। ৭১ এর দালাল রাজাকারদের সেই সময়ে স্থানীয় ভাবে বিচার করে ফাঁসীতে লটকালে আজকে এই দাবী তুলতে হতো না আর।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: আমাদের এরকম মানসিকতার কারণে অভাবের জন্য যারা সন্ত্রাসী, রাস্তা থেকে ক্রস্ফায়ারে পটল তুলছে। স্বভাবের সন্ত্রাসী মাথাগুলা বহাল তবিয়তে আছে।

অপরাধ যাই করুক, আইন আছে। বিচার হবেই।ছাঁদ থেকে ফেলে দেয়ার মানে নাই। নিজেদের হাতে আইন তুলে নেয়া জলপাই বন্ধুদের জন্য হালাল হলে তাদেরকে প্রেসিডেন্টের মতো আইনের আওতার বাইরে রাখা হোক। আমরা নিচুতলার মানুষেরা দেখে যাব, উনারা যেন আইনের প্রয়োগ ঘটাতে পারে।

৩৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
'লেনিন' বলেছেন: "৭১ এর দালাল রাজাকারদের সেই সময়ে স্থানীয় ভাবে বিচার করে ফাঁসীতে লটকালে আজকে এই দাবী তুলতে হতো না আর। "

এই কথাটিতে একটি চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে যায়....


এখনো অনেক রাত! ভোর হবার অনেক বাকী.... যুদ্ধ শেষ হয়নি.. রাজাকাররা বেঁচে আছে... তারচেয়ে বড় আরো রাজাকার তৈরি হচ্ছে!!! আহ!!!
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আজকের স্টিকি পোস্ট দেখে অনেক কিছু জানতে পারছি

৩৪. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৩
পারভেজ বলেছেন: :) যেখানে সংসদের মতো খোঁয়াড়ে আইন প্রনীত হয়, আর সার্টিফিকেট নকল করে বিচারকের আসনে বসা যায়, সেখানে আইনের শাষণ ঠিকমতো আশা করা যায় না। ওয়াইল্ড ওয়েস্ট কখনো কখনো প্রয়োজন হয় বৈকি। যেখানে আত্মরক্ষার অধিকারই আইন। আমি জানি, শুশীল সাধারণ মানবাধিকারবাদী হয়ে আমি কখনোই এই কথাগুলি বলবো না বা সমর্থন করবো না। কিন্তু কিছু কিছু অমানুষকে আইনের ফাঁক ফোঁকড়ের সুযোগ দেয়া উচিত না।
তোমার লেখাটা কিন্তু আমি সমর্থন করি। তবে মাঝে মাঝে মনে হয় কিছু সরাসরি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন আছে বৈকি। জলপাই প্রেম আমার নাই! ভারতেও ক্রসফায়ার হয়, জলপাইরা কিন্তু সেখানে আমাদের গুলির মতো এতো পরাক্রমশালী নয়। এটাও একটা অনুকরনীয় উদাহরণ হতে পারে।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ক্রসফায়ারে যদি সন্ত্রাসী মাথা মরতো, আমার আপত্তি ছিল না। বিডিআর অসন্তোষ নিজ স্বার্থে কাজে লাগাতে মুল কলকাঠি যে নাড়ছিল তাকে ছাঁদ থেকে ফেলে দিলে আমার এই পোস্ট আসতো না।

৩৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৭
ভুতের আড্ডা বলেছেন: চক্র উপন্যাসটির শেষ কিস্তি দিয়েছি। পড়ে মতামত জানাবেন প্লিজ।
Click This Link
৩৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
মুক্ত মানব বলেছেন: একটা অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছে আমার মনে। আমার ছোট মামা একজন জলপাই অফিসার। সৌভাগ্য বলেন আর দুভার্গ্য বলেন, আমার মামার সাথে আমাদের সম্পর্কে কোন খাদ নাই। মামার বাসায় আমার অনেক সময় কাটে। আপনারা যে ৩৮ বছরের জলপাই শত্রুদের কথা বলছেন তাদের অনেককেই দেখার সৌভাগ্য আমার হয় নি। কারন আমা বয়স ই হয়নি এত। তবে যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, সেদিন থেকে আমি এই আর্মিকে জনকল্যানে কাজ করতেই দেখেছি। উদাহারণ দেবার প্রয়োজন মনে করছি না। আমি শুধু বলতে চাইছি, এই আর্মি আর আগেকার আর্মির মধ্যে অনেক পার্থক্য।
অনেকেই ১/১১ এর কথা বলেন। আমার মনে আছে, মামার সিভিল বন্ধুরা ফোনের পর ফোন করে বলছিল, "তোরা কি চুড়ি পড়ে আছিস? দেশটারে শেষ কইরা দিল। তোরা চুপ কেন? তোরা কবে মাঠে নামবি?" হায়রে জনগন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তারা আবার বলতে শুরু করল, "তোরা কি শুরু করলি? কামাই রোজগার বন্ধ। লোকে ভয়ে কিছু দিতে চায় না। বউ বাচ্চা নিয়ে চলমু কেমনে? দ্রব্য মুল্য যেমনে বাড়তছে।"

কেউ একজন দেখলাম ছবি সহ ভোটার তালিকায় দুর্নীতির অভিযোগ করেছে। ব্যক্তিগত ভাবে আমি অবাক। এখানে দুর্নীতি কোথায় হল? আর যদিও হয়, সত্যি আমি বা আমার মত অনেকেই জানে না। দয়া করে যদি দুর্নীতি গুলো সবার সামনে আনতেন, আমরাও জানতে পারতাম।

একজন সাহসী এবং সত্যিকারের বীর ছাত্র অন্যের জীবন বাচাতে গিয়ে নিজে জীবন দিয়েছে। তাকে রাষ্ট্র কেন সম্মানোনা দিল না তার দোষ আর্মির। বিচিত্র এই দেশে এটা সম্ভব। সরকারের কোন দোষ নেই। সব দোষ আর্মির।

মেজর জেনারেল শাকিল দুর্নীতিবাজ। অবাক হলেও সত্য, যে এর কোন প্রমান নেই। তার পরও আমরা গলা ফাটিয়ে বলব, শাকিল দুর্নীতিবাজ। আমি বলতে চাইছি না যে শাকিল দুর্নীতিবাজ নয়। আপনার কাছে যদি প্রমান থাকে সবা সামনে নিয়ে আসুন। প্রমান ছাড়া গলবাজির মানে কি?

দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ব্লাকশীপ আছে। আর্মিতেও আছে। তবে এই দু একজন ব্লাকশীপের কারনে পুরো আর্মির গুষ্টি উদ্ধারের কারন কি?

আর্মি বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিস্ঠান, যেখানে প্রতিটা প্রমোশনের পুর্বে পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। পাশ করতে না পারলে প্রমোশন বন্ধ। অথচ অন্যান্য প্রদিস্ঠানে প্রমোশন হয় সিনিয়রিটির প্রায়োরিটিতে। যেখানে মুল্যায়নের কোন সুযোগ নেই। দলীয় কর্ম হলেও প্রমোশন পাওয়া যায়। পরীক্ষায় পাশ করে প্রমোশন হওয়া অফিসারেরা যোগ্য নয়। যোগ্য কারা? যারা রাজনীতি করে। চমৎকার।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: ভোটার তালিকায় দুর্নীতির অভিযোগ প্রায় মিথ্যা বলে মনে হয়, তালিকায় ভুল হতে পারে, কিন্তু দুর্নীতি হয়নি বলেই আমার মনে হলো।


আপনার মামা যদি ডিফেন্সের হয়ে থাকে, তাকেই জিজ্ঞেস করুন শাকিল দুর্নীতিবাজ কিনা। ডিফেন্সের লোক ভালো করেই শাকিলের কাহিনী জানে, জরুরী অবস্থার সময় টাকা পাচার করতে গিয়ে এয়ারপোর্টে ধরা পড়ে মিসেস শাকিল, আর্মি ঘটনা চাপা দেয়।

আর্মির দুর্নীতির অভিযোগ জানতে চাইছেন ... হাসি পেল। ওদের এক সৈনিক বিডিআরের ঘটনার দিন দৌড়াতে গিয়ে অস্ত্র ফেলে অসতর্ক পজিশনে পড়ে, যেটা লাইভ দেখাইছিল। সেই ক্লিপ মিডিয়া আর্মির চাপে আর দেখাতে পারে নি। এই সামান্য উদাহরণ থেকেই বুঝা উচিৎ আর্মিদের কি কি দুর্নীতি আপনি ধরতে পারবেন আর আমি কি কি দেখাতে পারবো। নিজেদের অপকর্ম চাপা দেয়া আর্মির পুরানো স্বভাব।

রাষ্ট্রের ভুলের দোষ আর্মির ঘাড়ে চাপাইনি। আমি শুধু প্রশ্ন করেছি, শহীদ হবার মাপকাঠিটা কি? আপনিই বলুন। ফায়ারম্যান তার কাজে গিয়ে অয়সহায় হয়ে আগুনের কাছে মরলে সে শহীদ হয় না, তাহলে আর্মি অফিসার কাজে গিয়ে তার সৈনিকদের হাতে খুন হলে কেন শহীদ হবে?


পুরা আর্মির গুষ্ঠি উদ্ধার আমি করিনি, আমার লেখা পড়ে তাই বুঝলে ভুল করেছেন। আমি ওদের ক্ষমতালিপ্সুতার ভূতের গুষ্ঠি উদ্ধার করেছি।

পাশ আর প্রমোশন নিয়ে কথাটা আমার কাছে হাস্যকর লাগলো। ডীফেন্স সম্পর্কে আমি হয়তো আপনার চাইতে এইদিক দিয়ে বেশিই জানি। আর্মিদের রাজনীতিক ক্যারিয়ার কতোটা শক্তিশালী তা অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধানদের নির্বাচনে দাঁড়াতে দেখলে বঝবেন, তাও না বুঝলে আর্মির সাথে প্রধানমন্ত্রীর কথোপকথনের টেপ শুনে নেন। আর্মিতে পলিটিক্সের জোর কদ্দুর ওইটা শুনলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে। আপনার মামাও ভালো বলতে পারার কথা এই সম্পর্কে। একটা নির্দিষত র‌্যাংক পর্যন্ত কাজ দেখিয়ে প্রমোশন হয়...বাকিটা মামার কাছে শুনেন।

৩৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
তীর্থক বলেছেন: ওভারঅল ভাল লেগেছে। তবে কিছু পয়েন্টে একটু মতভেদ আছে।

লেখক বলেছেন: তাই বলে কেউ ট্রাফিক সার্জেন্টকে বাঁচাতে যাওয়া মামুলি ছাত্রকে শহীদের খেতাবটা দিয়ে দিবেন না যেন।

তীর্থক: আমি একটা ভিডিও চিত্র চাচ্ছি এটা দেখার জন্য যে মামুলি ছাত্রটি আসলেই ট্রফিক সর্জেন্ট'কে বাচাতে চাচ্ছিল।
তবে এটা মুল বিষয় নয়। মুল বিষয় হচ্ছে এই লেখাটিতে শহীদ আর নিহত নিয়ে একটা দন্দ্ব তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু নিহত'কে শহীদ আর শহীদ'কে নিহত বললে যে মারা গিয়েছে তার কি লাভ হচ্ছে সেটা ধরতে পারিনি।

লেখক বলেছেন: দুইদিন পর যখন একটার পর একটা জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের লাশ ড্রেনের ময়লা পানিতে ভেসে উঠতে লাগলো, তখন আমরা সাদাসিধে মানুষেরা মুহূর্তের মাঝে দল বদলে নিলাম।

তীর্থক: সেটাই স্বাভাবিক এই জন্য যে আমরা সাধারন লোকজন এখনও জানিনা ভিতরে আসলে কি ঘটেছিল এবং কেন। সেনাবাহিনী'র ১৬৮ জন নিহত/ শহীদ হয়েছে এটাই মুল কথা। আর মেরেছে বি ডি আর জওয়ানেরা। স্বভাবতই সাপোর্ট বি ডি আরে'র বিরুদ্ধে যাবে। তাইনা?

লেখক বলেছেন: আমরা সাদাসিধে হিপোক্র্যাটেরা তখন ধানমন্ডি লেকে নিহত জলপাইরাঙ্গাদের আত্মার স্মরণে মোমবাতি জ্বলাতে ব্যস্ত! মাঝে দিয়ে যে সিভিলিয়ান বেকুবেরা প্রাণ দিল, তাদের স্মরণ করার সময় ছিল না।

তীর্থক: এটা আপনার ব্যর্থতা। আপনার এই লেখাটা কেন সেদিন দেননি সেটাই এখন ভাবছি। জানিনা আমরা সবাই কেন সমালোচনা করতে এত পছন্দ করি তাও সময় ফুরানোর পর।

লেখক বলেছেন: তারপর এক সময় পত্রিকার পাতা ভরতে থাকে জলপাইরাঙ্গা বন্ধুদের পরিবার আর অন্য জলপাইরাঙ্গাদের দাবি-দাওয়াতে।

তীর্থক: আই অ্যাপ্রিশিয়েট। সেনাবাহিনী'র পরিবারগুলোকে এষ্টাব্লিস করার দায়িত্ব সরকারের। আমাদেরও সহযোগীতার হাত বারিয়ে দেয়া উচিৎ।

লেখক বলেছেন: ঘটনার দুই সপ্তাহ পর প্রথম বুঝি কারো মনে হলো মারা যাওয়া বিডিআর সদস্যদেরও পরিবার বলে কিছু একটা আছে।

তীর্থক: যে বি ডি আর'গুলো মারা গেলো তারা নিরিহ ছিল আর যারা বেঁচে আছে তারা চক্রান্তে'র অংশ এটা ভাবার কোন সুযোগ আছে কি? আপনি যদি লেন্সহীন চোখে দেখেন তাহলে যেপক্ষ মরেছে সেই পক্ষই নিরীহ ছিল আর যারা মেরেছে তারা সবাই খুনি। এখন সরকারের দায়ীত্ব হচ্ছে প্রকৃত খুনিদের খুজে বেড় করা আর নিরিহদের রক্ষা করা। বি ডি আরদের পরিবারগুলোকে সহানুভুতি দেখানোর সময় এখনও এসেছে কি?

লেখক বলেছেন: এখন পত্রিকার পাতায় চিপায় চাপায় দেখি বিডিআর সদস্যদের আত্মহত্যা। একে একে নাকি আট-নয়জন আত্মহত্যা করলো! কয়জন করলো জানার কি দরকার?

তীর্থক: সংক্ষাটা আপনি সম্ভবত ঠিক বলেন নি। কিন্তু এই বিষয়টি অলরেডি একটি এ্যালর্মিং ইস্যু হয়ে গেছে। কেউ আত্মহত্যা করছে আবার কেউ মারা যাচ্ছে। আত্মহত্যা করার মত দুর্বল চিত্তের লোক বি ডি আরে আছে এটা ভাবা যায় না। আর এভাবে একজনের পর একজন কেন মারা যাচ্ছে সেটাও ভাবার বিষয়। কোলের খোকাও বুঝবে যে এটা অতিরিক্ত টর্চারের ফল। কিন্তু সরকার কেন মুখে আন্গুল দিয়ে বসে আছে সেটাই বুঝতে পারছি না। সবখানেই চক্রান্ত।

লেখক বলেছেন: বীরশ্রেষ্ঠ হবার মতো বীরত্ব আমরা সাদাসিধে মানুষেরা দেখাতে পারিনি একাত্তরে।

তীর্থক: যার বীরশ্রেষ্ঠ, বীরবিক্রম বা বীরউত্তম হয়েছে তারা বা তাদের পরিবারগুলো কি খুব সুখে আছে মনেহয় আপনার? আর ভুলে যাবেন না গোল করে যে দলকে জিতাল সে কিন্তু ট্রফি নিতে মঞে ওঠেনা। খারাপ খেললেও দলনায়কই মঞে ওঠেন ট্রফি নিতে।

লেখক বলেছেন: শেষে এসে ভয়ে ভয়েই বলি আজ, মানিনা আমি ওইসব পদক। পদকের লিস্টিতে চোখ বুলিয়েই শুধু নয়, আমাদের ৩৮ বছরের স্বাধীনতার পাতায় পাতায় চোখ বুলিয়ে দেখুন, হারামি পাকিদের যে নষ্ট ভ্রূণ আমরা আজও বহন করছি তা হলো এই জলপাইবন্ধুদের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতালিপ্সুতা!

তীর্থক: এটা অকাংশে সত্যি হলেও এর মধ্যে কিছু ভুলও আছে। ১৯৯০এর পরে বাংলাদেশে আর কোন আর্মি সরকারের উত্থান হয়নি। কিন্তু তার পরেও গনতান্ত্রকি সরকার আমাদের কতটা ভাল রাখতে পেরছে কিংবা কতটা ভাল থাকতে দিয়েছে? ১৯৭১ থেকে ১৯৯০ এ আমরা যতটা খারাপ ছিলাম ১৯৯১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত কি আমরা তার চাইতে ভাল আছি। ভেবে দেখুন ১৯৭১ টু ১৯৯০ যেমন ১৯ বছর ঠিক তেমনি ১৯৯১ টু ২০০৯ ও ১৯ বছর। আর বাংলাদেশে গনতান্ত্রিক সরকারই কিন্তু সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল। অথচ আমরা আজও সেই করাপটেড সরকারগুলোর পায়ের তলাতেই পরে আছি আর বসে বসে মার খাচ্ছি। দোষটা আর কারোই না, আমাদের নির্বুদ্ধীতার তা না হলে কেন আমরা বারবার ভুলমানুষগুলোকেই ভোট দেই। দোষ আমাদের নির্লিপ্ততার তা না হলে এই করাপটেড সরকারগুলো কি করে আমাদের মাথায় ছড়ি গুড়ায় আর আমরা চেয়ে চেয়ে দেখি।

আগে নিজেকে সুধরানোটাই এখন বড় দায়ীত্ব। কি মনে হয়?
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: তীর্থক: কিন্তু নিহত'কে শহীদ আর শহীদ'কে নিহত বললে যে মারা গিয়েছে তার কি লাভ হচ্ছে সেটা ধরতে পারিনি।

সে ক্ষেত্রে আপনার কাছে শহীদ কথাটার হয়তো গুরুত্ব নেই, তাই সে তর্কে গেলাম না।



তীর্থক: স্বভাবতই সাপোর্ট বি ডি আরে'র বিরুদ্ধে যাবে। তাইনা?

আমি তার বিরোধিতা করিনি।



তীর্থক: এটা আপনার ব্যর্থতা। আপনার এই লেখাটা কেন সেদিন দেননি সেটাই এখন ভাবছি। জানিনা আমরা সবাই কেন সমালোচনা করতে এত পছন্দ করি তাও সময় ফুরানোর পর।

আমি এ লেখাটাও এখন দিতে চাইনি, আমার ব্লগ হিস্টোরি দেখলেই বুঝবেন, আমি এ ধরণের ব্লগারই না। তবে বিডিআর সদস্যদের আত্মহত্যা নিয়ে কেউ উচ্চবাচ্য করলো না দেখেই আমি হতাশ হলাম, সে হতাশা থেকেই লেখা।




তীর্থক: আই অ্যাপ্রিশিয়েট। সেনাবাহিনী'র পরিবারগুলোকে এষ্টাব্লিস করার দায়িত্ব সরকারের।

মারা গেলে বেনাভোলেন্টসহ বিভিন্ন ফান্ড আছে আর্মির, তাতে অতিরিক্ত কিছু দেয়ার যুক্তি কি?বিডিআরের হাতে মরছে দেখে অতিরিক্ত পাবে??
যুদ্ধে মারা যায় না সৈনিক? সে চিন্তা করেই তো তাদের ফান্ডিং সিস্টেম দাঁড়া করানো আছে।




তীর্থক: সংক্ষাটা আপনি সম্ভবত ঠিক বলেন নি।

আর্মিরা স্লো পয়জনিং এর মতো করে মারছে, তাই সংখ্যাটা আমিও ট্রেস করতে পারিনি। আমি ৪ পর্যন্ত গণেছি। ব্লগেরই এক ব্লগার কিছুদিন আগে সংখ্যাটা নয় জানিয়েছেন। যাই হোক, সংখ্যাটা বড় ব্যাপার না।



তীর্থক: খারাপ খেললেও দলনায়কই মঞে ওঠেন ট্রফি নিতে।

বীরশ্রেষ্ঠ পদক কোনো ট্রফি না। তাও যদি মনে করতে চান ট্রফি, তাহলে সেটা তো কর্ণেল ওসমানীর পাওয়ার কথা, তাই না?




শেষ প্রশ্নের উত্তর বলি। ভালো থাকি আর খারাপ থাকি, আমরা নিজেরা ভোট দিয়ে চোর জিতাই আর ডাকাতকে জিতাই, সেটা বড় ব্যাপার না। অনাহূত অতিথির মতো আর্মির শাসন সহ্য করবো না। নিজের মায়ের কিল গায়ে সয়, সৎমার কিল সয় না। কেন সয় না সে প্রশ্ন নিজেকে করুন। নিজেদের শোধরানো উচিত এ কথা সত্যি, তাই বলে আর্মির ডান্ডা খেয়ে শুধরাবো না। আমাদের শুধরানোর দায়িত্ব তাদের কেউ দেয়নি।

শেষের লাথিটা তাই সেইসব মাথামোটাদের জন্য... যারা শৃংখলার নামে বাউলের চুল কেটে ন্যাড়া করে, পায়ে পা উঠিয়ে রিকশায় বসার জন্য শীতের রাতে পুকুরের পানিতে দাঁড়া করায় রাখে, যারা ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে নিজেদের ব্লাডি সিভিলিয়ানদের চাইতে উঁচু পদের কিছু একটা ভাবে, যারা রক্তাক্ত করেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাস, যাদের অস্ত্র বারবার গর্জে উঠেছে আপন দেশের মানুষের বিরুদ্ধে। এই পোস্টে আমি তাদেরই মুন্ডুপাত করতে চেয়েছি।

৩৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
'লেনিন' বলেছেন: লেখক বলেছেন: ক্রসফায়ারে যদি সন্ত্রাসী মাথা মরতো, আমার আপত্তি ছিল না। বিডিআর অসন্তোষ নিজ স্বার্থে কাজে লাগাতে মুল কলকাঠি যে নাড়ছিল তাকে ছাঁদ থেকে ফেলে দিলে আমার এই পোস্ট আসতো না।

ক্রসফায়ারগুলো দুটো কারণে করা হয়... এক বলা হয় ওদের কুকীর্তি'র শেষ নেই। বিচারে তেমন কোনো দণ্ড দেবার মতো সাক্ষ্য প্রমাণ মেলেনা কিন্তু জন-জীবনের জন্য ক্ষতিকর।

আরেক হলো... ওরা দোষী কিন্তু ওদের দোষের মূল আবাস বা গডফাদারের অস্তিত্ব নিশ্চহ্ন করা সম্ভব নয়। অথবা তার অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন তাই তাকে নিরাপত্তা দিতেই 'ক্রসফায়ার'।

কারণ প্রকৃত গডফাদারগণ আমাদের চোখের সামনের অনেক প্রভাবশালি আপাত জনদরদী, শিল্পপতি... যাদের ধরা যায়না।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা কি হইলো তাহলে? টাকা থাকলে দোষী হলেও আপনাকে মারবো না, আর না থাকলে গুলি কইরা মাইরা ফেলবো, তাই না? এই জিনিস আর যেই সমর্থন করুক, আমি করবো না। তাতে কিছু হয়তো যায় আসবে না, তবু করবো না।

৩৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০১
তীর্থক বলেছেন: লেখক বলেছেন: সে ক্ষেত্রে আপনার কাছে শহীদ কথাটার হয়তো গুরুত্ব নেই, তাই সে তর্কে গেলাম না।

তীর্থক: আসলেও নেই। ওটা শুধু ফোলানো ফাপানো একটা শব্দ। শহীদ বা তার পরিবার এতে গর্ব বোধ করতে পারে কিন্তু এটা কোন মতেই তাদের জন্য ভাল থাকার গ্যারান্টি দেয় না।

লেখক বলেছেন: মারা গেলে বেনাভোলেন্টসহ বিভিন্ন ফান্ড আছে আর্মির, তাতে অতিরিক্ত কিছু দেয়ার যুক্তি কি?বিডিআরের হাতে মরছে দেখে অতিরিক্ত পাবে??
যুদ্ধে মারা যায় না সৈনিক? সে চিন্তা করেই তো তাদের ফান্ডিং সিস্টেম দাঁড়া করানো আছে।

তীর্থক: আপনার কি মনেহয় ঐ ফান্ডই এনাফ। আমার মনে হয়না। অতএব আপনার সাথে আর এই বিষয়ে তর্ক করছি না।

লেখক বলেছেন: বীরশ্রেষ্ঠ পদক কোনো ট্রফি না। তাও যদি মনে করতে চান ট্রফি, তাহলে সেটা তো কর্ণেল ওসমানীর পাওয়ার কথা, তাই না?

তীর্থক: কর্ণেল ওসমানীর কেন পাওয়া উচিৎ? কেন পাননি? উত্তর জানা আষএ আপনার?

লেখক বলেছেন: শেষ প্রশ্নের উত্তর বলি। ভালো থাকি আর খারাপ থাকি.........এই পোস্টে আমি তাদেরই মুন্ডুপাত করতে চেয়েছি।

তীর্থক: আর্মি'কে শাসন করার সুযোগ দিচ্ছে কে? আমরা।
আর্মি'র ডান্ডা খেয়ে শুধরাতে চাননা ভাল কথা। কিন্তু আওয়ামিলীগ-আর বি এন পি'র ডান্ডা খেয়ে খেয়ে দেশটাকে রাসাতলে দেবেন আর মুখে বলবেন নিজের মায়ের ডান্ডা খেয়ে সুখে আছি তাহলে আর সরকারের দোষ দিয়ে লাভ কি বলুন? সরকার পরিবর্তনেরও তো কোন প্রয়োজন দেখছি না।
সুস্থ বুদ্ধীমান মানুষ অবশ্যই আর্মি'র শাসন চাইবে না। তবে আপনি সরকারের প্রতি কেন এতটা বায়াসড সেটাও বুঝতে পারছি না।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: তীর্থক: আপনার কি মনেহয় ঐ ফান্ডই এনাফ। আমার মনে হয়না। অতএব আপনার সাথে আর এই বিষয়ে তর্ক করছি না।

একটা ন্যুনতম যুক্তি দেখান, কি কারণে তারা যুদ্ধে মারা গেলে যেই ফান্ড পাওয়ার কথা, তার অতিরিক্ত পাবার দাবি রাখে? লঞ্চ ডুবে মরলে তো ব্লাডি সিভিলিয়ানেরা ছাগল পাইয়া থাকে শুনছি। উনারা ফার্স্ট ক্লাস সিটিজেন, ছাগলের বদলে নাহয় একটা গরুই দেন উনাদের!




তীর্থক: কর্ণেল ওসমানীর কেন পাওয়া উচিৎ? কেন পাননি? উত্তর জানা আষএ আপনার?

কর্ণেল ওসমানীর কেন পাওয়া উচিৎ বুঝেন নাই? আপনি ট্রফি দলনায়ককে দিতে চাইলেন, দলনায়ক তো উনিই ছিলেন, তাই না? সেক্টর কমান্ডারদেরও দিতে পারেন... বীরত্ব যদি মাপকাঠি হয়, তাহলে সাতটা বীরশ্রেষ্ঠ এর একজন কমসে কম সিভিলিয়ান হতেই পারতো। এক্সপেক্টেড প্রোবাবিলিটি আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তাই বলে। আর অধিনায়কত্ব মাপকাঠি হলে ওসমানীর পাওয়ার কথা, তাই না?




তীর্থক: সুস্থ বুদ্ধীমান মানুষ অবশ্যই আর্মি'র শাসন চাইবে না। তবে আপনি সরকারের প্রতি কেন এতটা বায়াসড সেটাও বুঝতে পারছি না

কিভাবে বুঝলেন আমি সরকারের প্রতি বায়াসড? আমি বায়াসড, তবে গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি। বিএনপিই হোক আর আওয়ামিলীগই হোক, দেশের মানুষ ভোট দিয়া আনলে আমি তাতেই রাজি।




তীর্থক: আর্মি'কে শাসন করার সুযোগ দিচ্ছে কে? আমরা।

আর্মিকে আমরা আনি না। ওরা অস্ত্রের জোরে আসে। ওই জোর নাই বলেই আমরা পাবলিক কখনো ক্ষমতা পাব না, পাবে ওই জলপাইরা। আওয়ামীলীগ বিএনপি নাহয় আমাদের ভোটে আসে, জলপাইএর যোগ্যতাটা কি?
যার যার কাজ তার তার করা উচিৎ। ওদের কাজ যুদ্ধের জন্য তৈরী থাকা, ক্ষমতা দখলের জন্য না। আমাদের শাসন করার কাজ ওদের না। ওরা এমন কোনো ফেরেশতা না।

৪০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৫
হাল্ক বলেছেন: মিয়া জটিল লিখছো। সরাসরি প্রিয়তে ।



তোমার এই ব্লগ পড়ে আমিও লিখলাম।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: পইড়া আসছি

৪১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৭
মুক্ত মানব বলেছেন: ভাই, আপনি অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত আমার চেয়ে বেশি জানেন। তাই বলে আপনার অনেক কিছু আমি মেনে নিতে পারছি না।
আপনি "অনেকেই ১/১১ এর কথা বলেন। আমার মনে আছে, মামার সিভিল বন্ধুরা ফোনের পর ফোন করে বলছিল, "তোরা কি চুড়ি পড়ে আছিস? দেশটারে শেষ কইরা দিল। তোরা চুপ কেন? তোরা কবে মাঠে নামবি?" হায়রে জনগন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তারা আবার বলতে শুরু করল, "তোরা কি শুরু করলি? কামাই রোজগার বন্ধ। লোকে ভয়ে কিছু দিতে চায় না। বউ বাচ্চা নিয়ে চলমু কেমনে? দ্রব্য মুল্য যেমনে বাড়তছে।" এই অংশটুক সম্পর্কে কোন মন্তব্যই করেন নি। আমি যদি ভুল লিথে থাকি তবে বলেন মিথ্যে কথা।

আমি বলিনি যে মেজর জেনারেল শাকিল দুর্নীতিবাজ নয়। আমি শুধু প্রমান চাইছি। নিরেট প্রমান। লোক মুখে শোনা প্রমান। আর আমার মামার কথা বলছেন? তিনি জানলেও জানাবেন না, কারন আর্মিতে দুর্নীতি প্রমান হবার সাথে সাথে চাকরি চলে যায়। বাকি টা কি ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে?

মনে করুন, আপনি দেশের উপর ভীষন বিরক্ত। যে কারনেই হোক, আপনি বিরক্ত। আপনি কি আমাদের জাতীয় পতাকায় লাথি মারতে পারবেন? আমার বিশ্বাস পারবেন না। তাহলে আপনি কি করে "আমাদের সার্ভভৌমত্বের প্রতীক আর্মিকে লাথি মারায় খুশি হন?" আপনি কি আর্মিকে শুধু একটা প্রতিষ্ঠান ভাবেন? ধিক, এই মন মানষিকতার।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: আপনি আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলছেন, আপনাকে আমি চিনি না, আপনার মামাকে বা তার বন্ধুদের চিনি না। নাহলে হয়তো কিছু একটা বলতাম।


প্রমান চাইলে আপনার মামার সাথে কথা বলে দেখেন, হাইকমান্ড তাকে মন চাইলে জানাইতে পারে কিছু। দুর্নীতি করতেন কিনা বুঝতে চাইলে শাকিলের ছেলেমেয়ে কোথায় পড়ে, আর শাকিলের সম্পত্তির খোজখবর নেন। শাকিলের মেয়ে আকিলকে আমি খুব কাছ থেকে চিনি। আপনি খবর নিয়েন, তারপর ভাবেন। সরকারি বেতন-স্কেলে কেউ ওরকম লাইফস্টাইলে চলতে পারে কিনা যুক্তি দিয়ে ভাবেন।

আর আর্মিতে দুর্নীতি করলে চাকরি যায় শুনে হাসিই পাইতাছে। বাকি আর কি ব্যাখ্যা করবেন। আর্মির প্রতি আপনার অগাধ বিশ্বাস দেখে ওদের ফেরেশতা মানা শুরু করবো ভাবতেসি। মামাকে জিজ্ঞেস করে আমাকে এইটুক তথ্য জানান, ক্লিন হার্টের সময় ঘুষ খেল যেসব অফিসার, যাদের বিরুদ্ধে টাকা খেয়ে কমদোষীদের হার্ট ক্লিন করার আর টাকা খেয়ে সন্ত্রাসী মাথাদের হার্ট ক্লিন না করার অভিযোগ পাওয়া গেছিল, তাদের কি হইছে? আমি খুব ভালো জানি তাদের কি শাস্তি হইছে, আমাকে জানাবার দরকার নাই, আপনি নিজে জেনে মন শান্ত করেন।


মন মানষিকতাকে ধিক দিছেন ভাল, আপনার ধিকে কিছুই যায় আসে না আমার। তবে আমার মন-মানষিকতা আপনি বুঝছেন কিনা সন্দেহ। লাথিটা ছিল জলপাইবন্ধুদের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতালিপ্সুতার প্রতি, বোল্ড করে রাখা অংশটা পড়লেই বুঝবেন। আর্মি ফেরেশতার বাহিনী না। কিন্তু নিজেদের দোষ তারা বিচারও করবে না, উলটা মিডিয়ার গলা চাইপা ধরবে দোষ ঢাকতে, তার উপর আবার ফেরশতা সাইজা নিজে মাতবর হয়ে আমাদের শিক্ষা দিতে আসবে। আপনি যতো খুশি সাপোর্ট করেন, আমি করবো না। আপনার শত ধিকও আমার গায়ে লাগবে না।


অফটপিকে বলি, আর্মির সাথে হাসিনার কথাবার্তার টেপ শুনছেন? শুনলে বুঝতাম আপনি কতো অন্ধ সাপোর্টার

৪২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। অসাধারন ,
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৩. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
মুক্ত মানব বলেছেন: আসলে সমস্যাটা কোথায় আমিও বুঝতে পারছি না। আমি আবার কখন বললাম শাকিল দুর্নীতি করে নাই। আমি শুধু নিরেট প্রমান চাইছি। কারো মুখের কথা নয়। আমার ধারনা তা আপনার কাছে নেই। শুধু আপনার কাছে কেন, কারো কাছেই নেই। তার পরও আমরা অন্যের মুখে শুনে গলাবাজি করব।

আর্মিকে আমি কোন সময়ই ফেরেসতা বলি নাই। আমার দৃষ্টিতে মানুষ সৃস্টির সেরা জীব। সুতরাং মানুষ সবসময় ফেরেসতাদের উপরে। আর আমি মনে হয় আগেই বলেছিলাম, "দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ব্লাকশীপ আছে। আর্মিতেও আছে। তবে এই দু একজন ব্লাকশীপের কারনে পুরো আর্মির গুষ্টি উদ্ধারের কারন কি?"

দুভাগ্যজনক হলেও আমার মামা অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় সাঈদ ইস্কান্দারের এলাকার দায়িত্বে ছিল। আমি মনে হয় আপনার চেয়ে এ বিষয়ে আসলেই বেশি জানি। আপনি যা বলেছেন তার পুরোটাই মিথ্যে।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: শাকিলের খবর নিতে বলছিলাম মামার কাছ থেকে, সেটা নিছিলেন? নিরেট প্রমাণ নিরেট প্রমাণ করতাছেন, আর্মির লাইভ ফুটেজ সারাদিন দেশবাসীকে বিনোদন দিল, সে ভিডিও রাতে বেলা কেটে দেয়া হলো। এথেকে বুঝেন না, মুখচাপা দেয়া আর্মির স্বভাব? নিরেট প্রমাণ নাই, বিশ্বাস করতে মন চাইলে করবেন, নাইলে শাকিলের পরিবারের হিসাব নেন। মেয়ে কোথায় পড়ে, কতো টাকা বেতন দেয় খবর নেন। ওইটা চাইলে প্রমাণ হিসাবে ধরতে পারেন, আর্মির পে-স্কেলে ওইরকম স্কুলে ছেলে-মেয়েকে পড়ানো সম্ভব কিনা, ছেলে-মেয়ে স্কুলের বাইরে যেসব জায়গায় পড়ে, সেখানে পড়ানো সম্ভব কিনা।



মুক্ত মানব বলেছেন: দুভাগ্যজনক হলেও আমার মামা অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় সাঈদ ইস্কান্দারের এলাকার দায়িত্বে ছিল। আমি মনে হয় আপনার চেয়ে এ বিষয়ে আসলেই বেশি জানি। আপনি যা বলেছেন তার পুরোটাই মিথ্যে।

হা হা হা...মজা পেলাম। সব মিথ্যা হলে ইনডেমনিটির দরকার পড়তো না। দশ বছরের বাচ্চাও তা বুঝে। আপনার মামার উদাহরণ বারবার টানতাছেন, আমি কিছু বলতে চাইলেও পারতাছি না, তাতে আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করা হয়ে যাবে। পারলে মামাকে জিজ্ঞেস করেন ক্লিন হার্টের শেষের দিকের সময়কার কথা। আপনার মামা কি কারো হার্ট ক্লিন করছিলেন? করে থাকলে এটাও জিজ্ঞেস করেন, কেন করছিলেন? পাপীর পাপটা কি ছিল? সে পাপের জন্য মৃত্যু কি প্রাপ্য ছিল? প্রাপ্য হয়ে থাকলে সে পাপীর উপরের যতো পাপী তারা কি সাজা পাইছিল? ক্লিন হার্টে ঘুষের কথা যদি মিথ্যা বলতে চান, সে আমলের পত্রিকা দেখতে পারেন। খোদ আর্মি কয়েকটা দুর্নীতির তদন্ত করছিল।

৪৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
তীর্থক বলেছেন: লেখক বলেছেন: একটা ন্যুনতম যুক্তি দেখান, কি কারণে তারা যুদ্ধে মারা গেলে যেই ফান্ড পাওয়ার কথা, তার অতিরিক্ত পাবার দাবি রাখে? লঞ্চ ডুবে মরলে তো ব্লাডি সিভিলিয়ানেরা ছাগল পাইয়া থাকে শুনছি। উনারা ফার্স্ট ক্লাস সিটিজেন, ছাগলের বদলে নাহয় একটা গরুই দেন উনাদের!

তীর্থক: ভাইজান আপনার কথাগুলো হচ্ছে তর্কের স্বার্থে আর আমার কথাগুলো আবেগতারিত হয়ে। যুক্তির বিচারে আপনি রাইট। কিন্তু আপনি যেহেতু আর্মি'র বিপক্ষে সেহেতু কিছুটা অন্ধও।
আর্মি অফিসারদের ফ্যামিলেগুলোর দিকে তাকান। ছোটা বাচ্চাগুলোর পড়া-লেখা এবং ভবিষ্যত ঐ ফান্ডের টাকায় ঠিকভাবে গড়ে উঠবে মনেহয় আপনার? যদি মনেহয় তাহলে আর তর্ক চলেনা। ওদের বাবা বেঁচে থাকলে কিন্তু এই প্রশ্নগুলো উঠতো না।

আর ছাগল-গরুর ব্যপারে বলি। আপনি নিজের অজান্তে কমিনিউ্যজমের ফর্মুলায় কথাটা বলেছেন ওটা এই জাতী কখনও মানবে না।
যারা ছাগল পায় তারা কেন গরু পেলনা সেটা নিয়ে যদি আপনি লিখেন তবে অবস্যই আমার সাপোর্ট থাকবে। কিন্তু আর্মি'কে কেন ফান্ডে'র অতিরিক্ত টাকা দেয়া হচ্ছে তার বিপক্ষে আপনার যুক্তি আমি মানছি না। দু:ক্ষিত।

লেখক বলেছেন: কর্ণেল ওসমানীর কেন পাওয়া উচিৎ বুঝেন নাই? আপনি ট্রফি দলনায়ককে দিতে চাইলেন, দলনায়ক তো উনিই ছিলেন, তাই না? সেক্টর কমান্ডারদেরও দিতে পারেন... বীরত্ব যদি মাপকাঠি হয়, তাহলে সাতটা বীরশ্রেষ্ঠ এর একজন কমসে কম সিভিলিয়ান হতেই পারতো। এক্সপেক্টেড প্রোবাবিলিটি আর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তাই বলে। আর অধিনায়কত্ব মাপকাঠি হলে ওসমানীর পাওয়ার কথা, তাই না?

তীর্থক: আপনি আমার প্রশ্নটা ধরতে পারেন নি। আমি বলেছি কর্ণেল ওসমানীর কেন পাওয়া উচিৎ ছিল এবং কেন পাননি সেই প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা আছে কি না।
আর ৭ জনের অন্তত একজন বীরশ্রেষ্ঠ সিভিলিয়ান থেকে হতে পারত কথাটা ভাল বলেছেন যদিও আমি এব্যপারে শুশীল সমাজের কোনও রব শুনিনি। কিন্তু ২-১ জন তেমন সিভিলিয়ান কি আপনার জানা আছে যারা বীরশ্রেষ্ঠ হওয়ার যোগ্যতা রাখে। অবস্যই সাধুবাদ জানাব যদি এমন একটা লিষ্ট দিতে পারেন। লেখালেখি এবং প্রচার চালাব বলেও কথা দিচ্ছি।


লেখক বলেছেন: কিভাবে বুঝলেন আমি সরকারের প্রতি বায়াসড? আমি বায়াসড, তবে গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি। বিএনপিই হোক আর আওয়ামিলীগই হোক, দেশের মানুষ ভোট দিয়া আনলে আমি তাতেই রাজি।

তীর্থক: আপনি রাজী এবং মোটামুটি পুরো দেশও। তা না হলে ৭০% ভোট কাষ্ট হত না।
কিন্তু আমি বায়াসড হতে পারিনা সেই সরকারের উপর যে সরকার আওয়ামিলীগ- বি এন পি অথবা জাতীয়পার্টি'র নাম নিয়ে ক্ষমতায় আসে শুধু আমাদের শাসন আর শোষন করতে। আমার কাছে ওরা সবাই একই মুদ্রার এপিঠ- ওপিঠ। তাই বলে আমি আর্মি'র শাষনও ঠেকাতে চাই যে কোন মুল্যে।

লেখক বলেছেন: আর্মিকে আমরা আনি না। ওরা অস্ত্রের জোরে আসে। ওই জোর নাই বলেই আমরা পাবলিক কখনো ক্ষমতা পাব না, পাবে ওই জলপাইরা। আওয়ামীলীগ বিএনপি নাহয় আমাদের ভোটে আসে, জলপাইএর যোগ্যতাটা কি?
যার যার কাজ তার তার করা উচিৎ। ওদের কাজ যুদ্ধের জন্য তৈরী থাকা, ক্ষমতা দখলের জন্য না। আমাদের শাসন করার কাজ ওদের না। ওরা এমন কোনো ফেরেশতা না।


তীর্থক: যদি ক্ষমতার জোরেই আসে তাহলে গত ১৯ বছর কেন এলোনা। ক্ষমতা কে বেঁধে রাখলো :-)) রহষ্যটা কি?
আর্মির যোগ্যতা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত অপদার্থ সরকার যারা দেশটাকে লুটে-পুটে চুষে- চেটে খেয়ে শশান বানিয়ে ফেলতে চাচ্ছে। আর্মিকে পথ দেখিয়ে দিচ্ছে ক্ষমতায় আসার। জনগনকে নিজেরাই নিজেদের উপরে ক্ষেপিয়ে তুলছে আর আর্মি'কে সুযোগ করে দিচ্ছে বাঁকা পথে ক্ষমতা দখল করতে।
আর কি উচিৎ কি উচিৎ না সেটা সরকার কেন বুঝতে পারছে না অথচ আপনি বুঝে ফেললেন সেটাই ভাবছি। আর্মি অবস্যই ফেরেস্তা না। ৭১এ পাকিস্তানি আর্মি এদেশ কি করেছে আমরা নিশ্চয়ই ভুলে যাইনি। আমার কোন বংশধর নিশ্চয়ই পুলিশ-আর্মি'তে যাবে না সেই মিনিতী করি সৃষ্টিকর্তা'র কাছে।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: তীর্থক: ভাইজান আপনার কথাগুলো হচ্ছে তর্কের স্বার্থে আর আমার কথাগুলো আবেগতারিত হয়ে। যুক্তির বিচারে আপনি রাইট। কিন্তু আপনি যেহেতু আর্মি'র বিপক্ষে সেহেতু কিছুটা অন্ধও।

প্রথমত আমি আর্মির বিপক্ষে না, তাদের শৃংখলার শিকল পড়ানোর পক্ষে। দ্বিতীয়ত আমি আর্মির বিপক্ষে বলে আমি অন্ধ, আর আপনি স্বপক্ষে দেখে আপনার চারটা চোখ আছে? কখনো দেখা হলে নিশ্চয়ই পায়ের ধুলা মাথায় নিবো।

ফান্ডের টাকা মৃত অফিসারদের পরিবার চলতে পারে যেন সেভাবেই চিন্তা করে দেয়া হয়। শত্রুর গুলিতে মরলে যে টাকা দেয় হয়, বিডিয়ারের গুলিতে মরলে তার চাইতে বেশি দেয়ার কোনো প্রয়োজন নাই। যারা যুদ্ধে মারা যায় তাদের ছোট বাচ্চা থাকে না?

দেশের ব্লাডি সিভিলিয়ানরা জাতীয় দুর্যোগে মরে ছাগল পায়, আর আপার ক্লাস জলপাইরা লাখ লাখ টাকা পাবে, সেটা মানতে না পারলে যদি কম্যুনিজম হয়ে থাকে তাহলে হয় আমি কম্যুনিস্ট, নাহয় আপনি কম্যুনিজম চিনেন না।





তীর্থক: কিন্তু ২-১ জন তেমন সিভিলিয়ান কি আপনার জানা আছে যারা বীরশ্রেষ্ঠ হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

নাহ, আমার জানা নাই। জলপাই বীরদের চিনতাম, উনারাই শ্রেষ্ঠ বীর ছিল। উনাদের উপরে আবার কোনো বীর ছিল নাকি!




তীর্থক: যদি ক্ষমতার জোরেই আসে তাহলে গত ১৯ বছর কেন এলোনা। ক্ষমতা কে বেঁধে রাখলো :-)) রহষ্যটা কি?

রহস্য জানেন না? দেশের সরকারী অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অবঃ জলপাই, দুর্নীতি দেখেও না দেখা...সেই সাথে জেনারেল অবঃ মুস্তাফিজের(নামটা মনে হয় মুস্তাফিজ) মত পলিটিকাল প্লাটফর্মের কথা নাহয় বাদই দিলাম! ধরেই নিলাম নাহয়, আওয়ামী লীগ আমলে সেনাপ্রধান হলে কি হবে, উনি অবঃ হবার পর পলিটিকস শুরু করছেন




তীর্থক: আর্মির যোগ্যতা আপনাদের ভোটে নির্বাচিত অপদার্থ সরকার যারা দেশটাকে লুটে-পুটে চুষে- চেটে খেয়ে শশান বানিয়ে ফেলতে চাচ্ছে।

তাইলে নির্বাচিত সরকারের দোষ মানেই আর্মির যোগ্যতা? উনাদের কি এখন দ্বিতীয় সরকার ভাববো নাকি? সংবিধানে পরিবর্তন আনার একটা দাবি শুরু করেন। সাথে আছি।

পাকিস্তান আর্মি যা করছে বাংলাদেশে, বাংলাদেশ আর্মি তার কাছাকাছি আচরণ পাহাড়ে করে আসছে, চলেশ রিছিলদের কথা না জানলে খুঁজে দেখুন।

আর্মি দেশের গর্বিত বাহিনী। আমার এই পোস্ট তাদের কেউ দেখলে ভাববে তাদের মুন্ডুপাত করছি, ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছি, যেভাবে আপনারাও দেখছেন। এটা আমাদের বাঙ্গালির সমস্যা, সমালোচনা করলে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। জোট সরকার জে.এম.বি. পুষছে, জঙ্গিবাদের কথা বললে জঙ্গিবাদ চাপা না দিয়া মিডিয়ারে চাপা দিতে চাইছে, পাছে ভাবমূর্তির গরুটা দড়ি ছিড়ে ছুটে যায়!

ফেরেশতার বাহিনীর আর কোনো দোষ আপনাদের যেন কেউ জানাতে না পারে সেজন্য কানে আঙ্গুল দিন। বালিতে মুখ ডুবিয়ে ভাবতে থাকুন, বালিঝড় হচ্ছে না।

৪৫. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
মুক্ত মানব বলেছেন: তীর্থক ভাই, আপনার অনেক কিছুই আমার মতের সাথে মিলে যাচ্ছে। আমার একটা ধারনার কথা বলি। শুধুই আমার ধারনা। মিথ্যে হতে পারে। সেটা হল "ভাঙ্গা পেন্সিল ভাই রাজনীতি করেন।" এই কারনে ধারনা হল যে, রাজনীতি বিদরা দেশটা লুটে পুটে খেলেও বাধা দেবার কেউ নেই। থাকলে একমাত্র আর্মিই আছে। তাই ১৯ বছর বার বার সুযোগ পাওয়া স্বত্বেও যে আর্মি ক্ষমতা দখল করেনি তাদের ক্ষমতালিপ্সু বলে অপবাদ দিতে বাধছে না।

আমি আর আমার মামার কথা বলব না। আমি আমার কথা বলি। আমি সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্র ছিলাম। সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যায়ের একজন ডিরেক্টরের পরিচিত হওয়ায় আমি সব সময় টিউশন ফি এর ৭৫% ছাড় পেয়েছি। সম্মানিত ডিরেক্টর সাহেব এই ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এখন আপনি যদি বলেন, একজন কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে আপনার বাবার বেতন থেকে তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন দেয়া সম্ভব নয় । সুতরাং আপনার বাবা দুর্নীতি করেন। আমার কি কিছু বলার থাকতে পারে?

আমি কিছুক্ষন আগে একটা তথ্য পেলাম। সঠিক কিনা জানাবেন। মিসেস শাকিল "স্কলাস্টিকা" এর টিচার ছিলেন। ইহা যদি সত্য হয় তবে নিশ্চই আপনি আপনার প্রশ্নের জবাব পেয়ে গেছেন। দয়া করে "স্কলাস্টিকা" এর অন্যান্য শিক্ষকদের সম্পত্তির হিসাব নিন। ভাই, তর্ক করতে ভাল লাগে না। তাই এ বিষয়ে আমি এখানেই ইতি টানছি।
শেষ কথা শুধু এটুক বলতে চাই, "আপনি সেনা সদস্য আর হাসিনার কথোপথনের একটা অংশ শুনেছেন মাত্র। আমিও সেটকি শুনেছি। তার বাইরে যে আরো ২ ঘন্টার মত কথা হয়েছে তা শুনে এসে এ ব্যাপারে কথা বলবেন দয়া করে।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: "ভাঙ্গা পেন্সিল ভাই রাজনীতি করেন।"

ব্লগের বুয়েটিয়ান এবং স্কুলের বন্ধুরা অনেকেই আমাকে বাস্তবে চিনে। ওরা হাসতে হাসতে মারা যাবে একথা শুনে।

আর্মি আর প্রধানমন্ত্রীর কথাবার্তার যেটুকু শুনিনি সেটুকু শুনতে হলে হয় জলপাই হতে হবে, নাহয় কাউকে যে মামা ডাকা লাগবে!!
যে অংশ শুনেছি তার সম্পর্কেই বলুন, যারা আর্মি পারসোনাল হয়ে নিজেদের ক্ষতিতে মাথাগরম করে চিৎকার-চেঁচামেচি করে বক্তব্য দেয় দেয়, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করে, সংসদে আর্মিকে নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করে, তারা দেশের দুর্যোগে কি কাজে লাগবে? তাদের কি শৃংখল বাহিনী মনে হয়েছে?

শাকিলের স্ত্রী কি করেন তাও আমি জানি;) আপনাকে বলেছিলাম, ছেলেমেয়ের খবর নিতে। শুধু স্কুলিং না, তাদের লাইফ-স্টাইল সম্পর্কেও আমি জানি। কিন্তু সেটা তো আপনাকে বললে বিশ্বাস করানো যাবে না, তাই না? তর্কে ইতি টানতে চাইলে টানেন, ব্যাপার না। আমার ব্লগে আপনি ভালো খারাপ চাই বলবেন, আমি যদ্দুর সম্ভব জবাব দেব।

৪৬. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
তীর্থক বলেছেন: ভাই, আপনি পুরোটা মন্তব্যেই রাগ ঝারলেন। কালকে একটা লেখা পেলাম, "রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন"। আপনি হারবেন না আমি সিওর :-))

লেখক বলেছেন: প্রথমত আমি আর্মির বিপক্ষে না, তাদের শৃংখলার শিকল পড়ানোর পক্ষে। দ্বিতীয়ত আমি আর্মির বিপক্ষে বলে আমি অন্ধ, আর আপনি স্বপক্ষে দেখে আপনার চারটা চোখ আছে? কখনো দেখা হলে নিশ্চয়ই পায়ের ধুলা মাথায় নিবো।

তীর্থক: আমার আসলেই চার চোখ। আপনি আর্মি'র বিপক্ষে না জেনে খুশি হলাম। আমি হয়ত ভুল ভেবে ছিলাম :-))

লেখক বলেছেন: ফান্ডের টাকা মৃত অফিসারদের পরিবার চলতে পারে যেন সেভাবেই চিন্তা করে দেয়া হয়। শত্রুর গুলিতে মরলে যে টাকা দেয় হয়, বিডিয়ারের গুলিতে মরলে তার চাইতে বেশি দেয়ার কোনো প্রয়োজন নাই। যারা যুদ্ধে মারা যায় তাদের ছোট বাচ্চা থাকে না?

তীর্থক: ভাইজান, আপনার লেখার পেইনফুল দিক হচ্ছে এতগুলো আর্মি'কে নৃশংস ভাবে মারা হল অথচ আপনি তাতে সামান্যও ব্যথিত না। সরকার তাদের পরিবারকে যদি টাকা দিতে চায় তাতে আপনার কি সমস্যা সেটাতো বুঝতে পারছি না। ওদের ফ্যামিলিগুলো যদি এই টাকায় ভাল থাকে তাহলে আপনি কেন বাঁধা দিবেন? কই তারেক জিয়া যখন কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করলো তখনতো আপনাদের চেহারা দেখিনাই। হাসিনা যখন মিগ২৯ কিনে তখনতো আপনারা চামচামিতে ব্যাস্ত থাকেন। তখন কেন মনে হয়না ওটা অন্যায়। নাকি ওরা আপনার নির্বোধের মত দেয়া ভোটে নির্বাচিত বলেই এদের সব দোষ মাপ। আর কত সরকারের লেজুরবৃত্ত করবেন?

লেখক বলেছেন: দেশের ব্লাডি সিভিলিয়ানরা জাতীয় দুর্যোগে মরে ছাগল পায়, আর আপার ক্লাস জলপাইরা লাখ লাখ টাকা পাবে, সেটা মানতে না পারলে যদি কম্যুনিজম হয়ে থাকে তাহলে হয় আমি কম্যুনিস্ট, নাহয় আপনি কম্যুনিজম চিনেন না।

তীর্থক: বলতে বাধ্য হচ্ছি আপনি না পড়ে জবাব দিচ্ছেন। আমি লিখেছি "যারা ছাগল পায় তারা কেন গরু পেলনা সেটা নিয়ে যদি আপনি লিখেন তবে অবস্যই আমার সাপোর্ট থাকবে।" আমি বুঝিনা আর্মি'র গুষ্টি উদ্ধার করে করে গলা শুকিয়ে ফেলছেন অথচ সেই সিভিলিয়ানদের দাবির পক্ষে একটা ব্লগও লিখছেন না। এটা কেমন ভন্ডামি?

লেখক বলেছেন: নাহ, আমার জানা নাই। জলপাই বীরদের চিনতাম, উনারাই শ্রেষ্ঠ বীর ছিল। উনাদের উপরে আবার কোনো বীর ছিল নাকি!

তীর্থক: কি লিখলেন বুঝলাম না। জবাব এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ আছে কি? আপনার জানা থাকলে হ্যা বলুন আর না জানা থাকলে নাই। আমার জানা নাই। অন্যকারও জানা থাকতে পারে। আমি এটাও জানিনা বীরশ্রেষ্ঠ পদবীগুলো আর্মিথেকেই দেয়া হয়েছিল কি না। অর্থাৎ আর্মিরাই নির্বাচিত করেছিল কি না যে কারা বীরশ্রষ্ঠ-বীরবিক্রম বা বীরউত্তম হবে :-))

লেখক বলেছেন: রহস্য জানেন না? দেশের সরকারী অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অবঃ জলপাই, দুর্নীতি দেখেও না দেখা...সেই সাথে জেনারেল অবঃ মুস্তাফিজের(নামটা মনে হয় মুস্তাফিজ) মত পলিটিকাল প্লাটফর্মের কথা নাহয় বাদই দিলাম! ধরেই নিলাম নাহয়, আওয়ামী লীগ আমলে সেনাপ্রধান হলে কি হবে, উনি অবঃ হবার পর পলিটিকস শুরু করছেন

তীর্থক: এতে কি প্রমানিত হল? আর্মি'র আর ক্ষমতা দখলের সুযোগ নাই নাকি সরকার আর্মি'র ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। বুঝলাম না :-))

লেখক বলেছেন: তাইলে নির্বাচিত সরকারের দোষ মানেই আর্মির যোগ্যতা? উনাদের কি এখন দ্বিতীয় সরকার ভাববো নাকি? সংবিধানে পরিবর্তন আনার একটা দাবি শুরু করেন। সাথে আছি।

তীর্থক: হাসালেন। হে হে। খুব রেগে আছেন বুঝতে পারছি।
ভাইজান আর্মি'র যোগ্যতা অযোগ্যতা কোন বিষয় না এটাই আপনি নাবুঝে বাচ্চাদের মত বায়না করছেন। সরকারগুলো করাপটেড এবং নিজেদের আখের গুছাতে ব্যাস্ত। সাধারন জনগন সরকারের উপরে ক্ষেপে উঠছে আর সেই সুযোগে আর্মি বার বার ক্ষমতা দখল করেছে। আপনি আর্মি'র বিপক্ষে বলতে যেয়ে সরকারগুলোকে ধোয়া তুলশিপাতা বানিয়ে ফেলছেন। আমার অবজেকশান শুধু সেখানেই।


লেখক বলেছেন: পাকিস্তান আর্মি যা করছে বাংলাদেশে, বাংলাদেশ আর্মি তার কাছাকাছি আচরণ পাহাড়ে করে আসছে, চলেশ রিছিলদের কথা না জানলে খুঁজে দেখুন।

তীর্থক: আমি মানছি আপনার এই কথা। কিন্তু আপনার সাথে আমার মতের অমিল যে সেখানে না সেটা কি আপনি ধরতে পারেন নি? আমার কথা খুব সিম্পল। যতদিন পিলখান'র ঘটনার রিপোর্ট না হচ্ছে ততদিন বি দি আর জওয়ানেরাই খুনি। আর যারা খুন হয়েছে তারা নির্দোষ। সুষ্ঠ তদন্ত রিপোর্টই একমাত্র প্রমান করবে কে প্রকৃত অপরাধী। তবে ভয় হয় আপনার নির্বাচিত সরকার সঠিক রিপোর্ট আমাদের জানতে দেবেতো। যেভাবে তদন্তে'র সময় বাড়াচ্ছে। হে হে। উদিচির বোমা, আইভি রহমান হত্যা, দেশব্যাপি গ্রেনেড হামলার কোন রিপোর্ট কিন্তু আমরা পাইনি। আপনি পেয়েছেন :-))

লেখক বলেছেন: আর্মি দেশের গর্বিত বাহিনী। আমার এই পোস্ট তাদের কেউ দেখলে ভাববে তাদের মুন্ডুপাত করছি, ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছি, যেভাবে আপনারাও দেখছেন। এটা আমাদের বাঙ্গালির সমস্যা, সমালোচনা করলে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। জোট সরকার জে.এম.বি. পুষছে, জঙ্গিবাদের কথা বললে জঙ্গিবাদ চাপা না দিয়া মিডিয়ারে চাপা দিতে চাইছে, পাছে ভাবমূর্তির গরুটা দড়ি ছিড়ে ছুটে যায়!

তীর্থক: আপনি নিজের মত করে ভাবলেতো হবে না ভাই।
আর্মি'র পিছনে মোট বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় করছে কে? কার ইশারায়? যেখানে দেশের একটা বিশাল জনসংক্ষা না খেয়ে- আধাপেট খেয়ে ঘুমাতে যায় সেখানে আর্মি'র পিছনে এত ব্যয় করার কারন কি? কার স্বার্থে? এতে সরকারের কোন ভুমিকা নাই বলতে চান? আর কত সরকারের চামাচামি দেখতে হবে আল্লাহই জানে।

লেখক বলেছেন: তারা ফেরেশতার বাহিনীর আর কোনো দোষ আপনাদের যেন কেউ জানাতে না পারে সেজন্য কানে আঙ্গুল দিন। বালিতে মুখ ডুবিয়ে ভাবতে থাকুন, বালিঝড় হচ্ছে না।

তীর্থক: আর্মিরা এমন মহিরুহ হতে পেরেছে আপনাদের মত কিছু চামচা শ্রেনী'র লোকের কারনে যারা সরকার পেসাব করলেও তাতে সুগন্ধ পান। কানে আমার আঙ্গুল দিতে হবে না কারন আর্মি ধংস হয়ে গেলেও আমার কিছু যাবে আসবে না। কিন্তু আপনাদের মত অন্ধ মানুষরা দেখতেও পাবেন না যে সরকারই আর্মি'কে মাথায় তুলছে। বাংলাদেশ যত সেনাবাহিনী'র ক্যু হয়েছে তার পিছনে অন্যতম কারনই হচ্ছে নির্বাচিত সরকারগুলোর ব্যর্থতা। সরকার যদি সৎ হত তাহলে কখনই কোন অনির্বাচিত দল বা বাহিনী এদেশের স্বাধীনতাকে কুক্ষীগত করতে পারত না।

কি বলব আর। তর্ক করতে করতে অসুস্থ হয়ে পরলাম। ভাল থাকুন :-))
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: অসুস্থ মানুষের সাথে তর্ক নাই তাহলে। ধন্যবাদ।

৪৭. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
হাইফেন বলেছেন: পুস্টের থাইকা @তীর্থক ভাইডুর কমেন্ট অনেক ভালা হইচে।@তীর্থক ভাইডু, আপনের লিগা ৩ডা বেনসন ফিরি। আর ভাঙ্গা পেন্সিল, বুয়েটে কুন ব্যাচ, কুন ডিপার্টমেন্ট কও। কহনো দেহা অইলে একখান থাবড়া দিমু আন্দাজে বকবক করার লাইগা।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: দেখা করতে আসেন। সি এস ই ডিপার্ট্মেন্ট ০৬ ব্যাচ। দেখি কে থাবড়াটা দেয়।

৪৮. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
তীর্থক বলেছেন: হাইফেন, আমার দল ভারি হল। ধন্যবাদ।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: আপনিও আসেন থাবড়া দিতে...:)একই দলের লোক বলে কথা

৪৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৯
তীর্থক বলেছেন: লেখক বলেছেন: দেখা করতে আসেন। সি এস ই ডিপার্ট্মেন্ট ০৬ ব্যাচ। দেখি কে থাবড়াটা দেয়।
লেখক বলেছেন: আপনিও আসেন থাবড়া দিতে...একই দলের লোক বলে কথা

তীর্থক: ভাই, মাফ চাই। আমি খুবই সাধারন মানুষ। এমনেই অসুস্থ তার উপরে যদি থাবরা দেন তাইলে মইরাই যামু। আপনেরা আবার সরকারি পক্ষ......ভিষন ভয় পাইছি। আপনেরা অবস্য চাইলে থাবড়া দিতেই পারেন..........গুলি কইরা মানুষ মারলেও আপনেরাই রাইট। অন্যায় হইলে ক্ষমা কইরা দিয়েন.....
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি কি কাউরে থাবড়া দিতে চাইলাম? নাকি আপনার দল্ভারী করা লোক চাইল? ভালো করে পড়েন।

৫০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
হাইফেন বলেছেন: আমি ০৩, ইইই। আফসুস, ক্যাম্পাসে নাই অহন। তুমার বেয়াদবির একখান ফয়সালা করথে পারথাম।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: ০৩ ব্যাচ!! আপনারে তো ভাই জলপাইর থেকে বেশি ভয় পাই।=p~
আইসা থাবড়া দিয়া যাইয়েন। আমার গাল সিভিলিয়ান গাল, থাবড়া দিলে সমস্যা নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সকল লেখার সর্বসত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ