ম্যানিয়াক ধার্মিক
১১ ই জুন, ২০০৬ রাত ৮:৩৬
ইসলামবিদ্্বেষ ম্যানিয়া, অতিরিক্ত ইসলাম প্রেম ম্যানিয়া কি না এইটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সমস্যাটা মাত্রাবোধের- ম্যানিয়া মানুষের আচরনের সেই অংশকে নির্দেশ করে যখন সেটা স্বাভাবিকতা ছেড়ে অস্বাভাবিকের দিকে যাত্রা করে।
সংস্কৃতি বিষয়টাও এমন- সুন্নত পালন- রসুলের পদাঙ্ক অনুসরন দোষের বললে এখানে লোকজন লাফালাফি করবে- কিন্তু খেজুর আর যবের আটার রুটি খায় এমন বাংলাদেশি মানুষকে ম্যানিয়া আক্রান্ত বলতে আমার কোনো দ্্বাধা নেই। কারন এটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি না।
তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসলো আফগানিস্তানে, এসে তারা 2000 বছরের পুরোনো কয়েকটা বুদ্ধ মুর্তি ভেঙে ফেললো। দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপর আঘাত। এটা কি ম্যানিয়া পর্যায়ে পড়ে?
1400 বছর আগে আরবে লোকজন ঘরের ভেতর খালি গায়ে থাকতো- এখন বাংলাদেশে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ঘরে খালি গায়ে ঘুরছে এমনটা যদি সুন্নত পালনের তরিকা হয় তাহলে তাদের ম্যানিয়া আক্রান্ত বলা হবে?
হিজাব বলে একটা জিনিষের প্রচলন হয়েছে যার কোনো উললেখ হাদিসে নেই, হাদিস ঘেঁটে দেখাও কোথাও হিজাব পড়তে বলা হয়েছে। কোরানের কোথায় হিজাবের কথা বলা আছে। একটা লৌকিক সংস্কৃতিকে জোড় করে বাংলাদেশে টেনে এনে ঐটাকেই ঐসলামিক বলে রায় দেওয়ার অর্থ কি?
হােিদ বলা আছে শোভন এবং শালীন ভাবে পোশাক পরিধান করতে, শোভনতা এবং শালীনতা সমাজে সমাজে বদলায়- এমন কি কালের সাথেও পরিবর্তন হয়। এখন যারা সাধারন পোশাকে ঘুরছে তারা কি অশালীন পোশাকে ঘুরছে? যারা হিজাবের পট্টি বাঁধছে না তারা কি সবাই অশোভন অশালীন পোশাক পরিধান করছে?
মুসলিম মেয়েরা বাইরে বের হলে বুক এবং মাথার চুল ঢেকে বের হবে। এইতো নিয়ম, এখন কথা হলো এই নিয়মটা সেই সময়ের শোভনতার মাপকাঠি। তারা একটা চাদরে মাথা বুক ঢেকে বাইরে শোভন হয়ে ঘুরতে পারলে এখনকার বাংলাদেশে কেনো 3/4টা অংশ দিয়েও সেটা পূরণ হবে না।
সেখানে অন্য একটা নিয়ম ছিলো, পরিবার বহির্ভুত কারো সামনে যাওয়া যাবে না। এমন কি বাইরের মানুষও যখন তখন ঘরেআসতে পারবে না। ঘরে যদি সক্ষম বালেগ কোনো পুরুষ আসে মেয়েদের দেয়ালের ওপাশ থেকে কথা বলতে হবে- এই নিয়মটা বাংলাদেশ কেনো এই বর্তমান যুগে কোথাও চালাইতে চাইলে কে ইসলাম ধরে রেখে বাইরে যেতে পারবে?\
তারা কি ইসলাম রক্ষার্থে ঘরের ভেতর আদুল গায়ে থাকবে এবং দেয়ালের ওপাশ থেকে কথা বলবে? মুসলিমদের ঘরে ঢোকার আগে গৃহকর্তা অনুমতি নেওয়ার বিধান আছে- এমন এক অসময়ে নিজের ছেলের ঘরে ঢুকে ছেলের বৌকে দেখে কামার্ত হয়ে হজরত নিজেই ছেলের বিবাহিত বৌকে বিয়া করেন- ইহার পর মদিনার নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। এবং হজরতের বিয়েতে নিষেধাঞ্জা জারি হয়ে একটা আয়াত নাজিল হয়। সমস্যা হইলো এমন শোভন মানুষ অসময়ে ছেলের ঘরে ঢুকে ছেলের বৌকে দেখে কামার্ত হইলেন কেনো? তার যৌনচাহিদা পুরনের মানুষের অভাব ছিলো না- অন্য একটা হাদিসে দেখা যায় তিনি তার 2 বৌ সহযোগে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন এমন সময় 2 সাহাবা তাকে দেখে কুশল বিনিময় করতে আসলো তিনি উত্তরে বলিলেন তোমরা যা ভাবছো সেটা ঠিক না- আমি এই হাদিসের আগামাথা বুঝি নাই। নিজের বৌ নিয়ে যাচ্ছে এই বিষয়ে কৌফিয়তের প্রয়োজন কি?
কিন্তু যেই প্রসংগে এটার অবতারনা তা হলো আমাদের সময়ের মাপে যেসব বিধান আমরা গ্রহন করছি তা এই সময়ের দাবি মেনে শোভন- এই খানে 1400 বছর আগের শোভনতার সংজ্ঞা খাটে না। আয়েশা যুদ্ধে মুহাম্মদের সহগামি হয়েছিলেন, সাথে ছিলো হাফসা- এদের দুজনের জন্যই পর্দা লাগানো উটের ব্যাবহার করা হয়েছিলো- একেবারে চারপাশ বদ্ধ, এখন কোন মুসলিম মেয়েটা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাবে এমন ঘোরটোপ লাগিয়ে?
আমার মাতামহ এখনও কোথাও যেতে হলে একটা বিশাল শাড়ী দিয়ে আরাল তৈরি করে যাতায়ত করেন। সেটা তার সুন্নত পালন, কিন্তু এটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পড়ে।
আমার বাসায় অহরহ আমার বন্ধুরা আসছে- আমার বোনের বন্ধুরাও আসে- কিন্তু ইসলামি আইন এমনটা নিষেধ, কিন্তু কথা হইলো এদের পালকপুত্র বানানোর জন্য 5 বার স্তন্য দানের কোনো প্রয়োজনিয়তা আমার পরহেজগার পরিবার মনে করছে না। এইখানে যারা ইসলাম নিয়ে বড় বড় বুলি কপচায় তারা কি তাদের বন্ধুদের বাসায় যাওয়ার জন্য সেই বাসার মহিলাদের পালকপুত্র হয়েছে?
এই যে মাত্রাবোধ এইটাই স্বাভাবিক থেকে অস্বাভাবিকতাকে পৃথক করে রাখে। এই বোধটা যাদের নেই তারা দিন দিন আরও অসংলগ্ন আচরন করবে, এবং এটাকে মানসিক সমস্যা বলতে আমার সমস্যা নেই মোটেও।
ধর্ম পালন এবং ধর্মিয় উন্মাদনার মধ্যে যেই চেতনাগত পার্থক্য সেটা যদি কেউ নিজে অনুভব না করতে পারে তাহলে তাকে বুঝানো যাবে না সে অস্বাভাবিক আচরন করছে। মানসিক সমস্যাক্রান্ত মানুষ একেবারে ভয়ংকর পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত সাহায্যের প্রয়োজন অনুভব করে না।
অ্যামিশ বলে একদল মানুষ থাকে যারা জীবনযাপনে এখনও মধ্যযুগীয় প্রথা বজায় রেখেছে। তারা বিদু্যত ব্যাবহার করে না, তারা এখনও ঘোড়ার গাড়ী চড়ে যাতায়ত করে। তাদের ছেলেদের পাবলিক স্কুলে দেয় না হোম স্কুলিং করায়। শতেক রকম নিয়ম কানুন, তাদের গোষ্ঠিভুক্ত সংস্কৃতি আমার কাছে ম্যানিয়া মনে হয়, তারা নিজেরা বিচ্ছিন্ন জগত তৈরি করেছে সেখানে পৃথিবীর কোনো সম্পর্ক নেই। অতিরিক্ত ইসলাম প্রেমি যারা তারা নিজেদের এমন সমাজবিচ্ছিন্ন একটা ঘোরটোপে রাখলে আমার নিজের কোনো আপত্তি নেই, তারা নিজেদের সংস্কৃতির চর্চা করুক নিজেদের জায়গায়। কিন্তু তারা যদি সবাইকে তাদের মতো সংস্কৃতি ধারন করতে বলে তাহলে আমার আপত্তি আছে।
যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্ভব সেই সব মানুষের সামনে বেপর্দা যাওয়া নিষেধ এমন শর্তে নিজের চাচা মামার সামনেও বেপর্দা যাওয়া নিষেধ। তা এখন বলে যাও ইসলামম্যানিয়াক কে কে এই চরম সীমা পর্যন্ত গেছে-
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
আমি ধর্ম আর সেনাবাহিনীর মাঝে একটা মিল খুঁজে পাই । সেনাবাহিনী ছাড়া ও দু'একটা দেশ --ভালই আছে পৃথিবীতে, তবু অন্য সবাই এটা কে আবশ্যিক মনে করে ।বেশীর ভাগ সেনাবাহিনীওয়ালা দেশের সেনাবাহিনী সাধারন জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন তবু বেশীর ভাগ জন গন এদেরকে তাদের ত্রাতা মনে করে । সেনাবাহিনী সুন্দর ,নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ-- ঠিক যতক্ষন তারা ব্যরাকে থাকে এবং যতক্ষন না তারা রাস্ট্রকে নিয়ন্ত্রনের সুযোগ পায় না ।
অতিথি বলেছেন:
ইসলামে 'পালক পুত্র' বলতে কোন কনসেপ্ট নেই। হ্যা, এতীমদের দেখা শোনা নিয়ে অনেক কোরআনের আয়াত আছে (বাকারা 177, সুরা বনী ইসরাইলের বেশ কিছু আয়াত), কিন্তু এতিমদের 'বাবা' বনে যাওয়া যাবে না, যিনি জন্ম দেন, তাকে কেউ রিপ্লেইস করতে পারবেন না, এটা হল ইসলামের মূলনীতি। কিন্তু আরবে মুখে ডাকা ভাই, বোন, সন্তানদের প্রতি ব্যবহার ছিল একদম রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়ের মত। এই প্রথাটা ভাঙতে মুহাম্মাদ (সা) তার মুখে ডাকা পুত্র যায়েদ (রা) (যাকে মুহাম্মদ (সা) এতটাই আদর করতেন, যে অন্যরা তাঁকে মুহাম্মদ (সা) ছেলে মনে করত) এর স্ত্রী যয়নাব (রা) কে বিয়ে করেন। এখানে 'কামার্ত' হওয়ার প্রশ্নই আসেন না, কারণ যয়নাব (রা) মুহাম্মদ (সা) এর চাচাতো বোন, মুহাম্মদ (সা) নিজে এই বিয়ের ঘটকালী করেছেন, তিনি চাইলে আগেই বিয়ে করতে পারতেন। বিয়েটা তিনি করেছেন নেহায়ত আল্লাহর নির্দেশে, এই মুখে ডাকা ছেলে সংক্রান্ত প্রথা ভাঙার জন্য। তিনি নিজে এ নিয়ে কোন ব্যবস্থা না নিলে এই প্রথা ভাঙা কঠিন হত। বিয়েটা নিষেধ হয়ে কোন আয়াত নাজিল হয়েছিল জানি? বরং আয়াত নাজিল হওয়ায় মুহাম্মাদ (সা) বিয়ে করেন, কারণ তিনি জানতেন বিয়ে করলে আরব সমাজে কি ধরণের কথা উঠবে, মুখে ডাকা ছেলে নিয়ে আরবদের বাড়াবাড়ির কারণে। "God did not make your adopted son as your own sons. To declare them so is your empty claim. God's word is righteous and constitutes true guidance. (Q.33: 4)
"After a term of married life with her husband, We permitted you to marry her so that it may hence be legitimate and morally blameless for a believer to marry the wife of his adopted son provided that wife has already been divorced. That is God's commandment which must be fulfilled (Q.33: 37)."
খেয়াল করেন 'হুইচ মাস্ট বি ফুলফিলড' বলে আল্লাহ এটা মুহাম্মদ (সা) এর জন্য ফরজ করে দিয়েছেন।
না জেনে এত কথা কন কেন? ইসলামের বিরুদ্ধে না জেনে উঠে পড়ে লাগছেন দেখি! নিচ থেকে দ্্বিতীয় প্যারায় যা বললেন, চাচা মামার সামনে পর্দা করতে হবে এই আইডিয়া আপনারে কে দিল? চাচা মামার সাথে বিয়ে হারাম।
1400 বছর আগের ভারতীয় ইতিহাস পড়ে সেটা আরবে ট্রানসফর্ম করার চেষ্টা করছেন তাতে আপনার কূপমুন্ডুকতাই প্রমাণ হচ্ছে।
আপনার ইসলাম নিয়ে না জেনে কথা বলা ছাড়া কোন কাজ নাই? আপনি না জেনে কথা বলেন, সেটা নিয়ে রিসার্চ করে আমার আরও অনেক পড়া হচ্ছে। বাহ বাহ। কালপুরুষের পোস্টটার কথা মনে হচ্ছে। ইসলামের বিরুদ্ধে লাগবেন এট এনি প্রাইস, রাইট? তাতে আপনার নিজের সময় নষ্ট হোক, কোন পরোয়া করেন না? ভাল ভাল করেন। আমিও রিফিউট করি। এই উসিলায় অন্যরা তো জানবে সত্যটা!
অপ বাক বলেছেন:
সাইফ ভুইয়া সাহেব ভালো লাগলো আপনার কথা। আপনি সুন্নতের সংজ্ঞা কি বলে তা নিশ্চই জানেন- মুহাম্মাদ এবং তার ঘনিষ্ঠ সাহাবাগন যেভাবে জীবন যাপন করতো। বিশেষত মুহাম্মদের জীবনযাপন ধারাটাকে সুন্নত বলা হচ্ছে- অনেকগুলো বিষয়ই সাধারন মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ, ওটা একমাত্র মুহাম্মদের জন্য জায়েজ ছিলো।আপনি যদি পোশাক পরিচ্ছদের বিষয়ে তর্ক করতে চান তাহলে বিষয়টা ভিন্ন। কি করবেন বলেন 1400 বছর আগের আবরের প্রথায় ঘরের ভিতরে কাপড় পড়ার রেওয়াজ ছিলো না, কিংবা এই রীতিটা প্রযোজ্য ছিলো না তেমন করে- একটা সুরায় মেয়েদের পর্দা এবং পরিচ্ছদ নিয়ে আলোচনা আছে সেখানে গিয়ে পড়ে দেখেন, বৃদ্ধাদের বুকের কাপড় খুলে রাখার অনুমতি পর্যন্ত আছে। এটা কোরানের বানী। আমি বানাইনি মোটেও। আয়াত নামবার সম্ভবত 60 কিংবা 59 এমন কিছু হবে।
আর দুধ খেলে পালক সন্তান হবে এই বিষয়টাও কোরানের আইন, এর প্রয়োগ করাও হয়েছে- অএবং এই একটা নিয়ম পালন করতে পারে নাই বলে আয়েশা র সাথে একজনে পর্দাবিহীন দেখা হয় নাই।
ঐ হাদিসের বর্ননা পাইবেন আমি কোথাও দিয়েছি রেফারেন্স হিসেবে, সম্ভবত মহুয়ামঞ্জুরি আস্তমেয়ে স্বাধীনতাতে।
আর অন্য কোনো কথায় যদি আপনার আপত্তি থাকে তাহলে বলেন।
অযথা কথা বলার আগে নিজে পড়ে যাচাই করে আসলে ভালো হয়।
আমি আবেগ এবং আপনার অনুভবের ইসলাম নিয়ে কথা বলছি না প্রাথমিক ইসলামের সময়কালে যে ভাবে মানুষ জীবন যাপন করতো তার কথা বলছি। তথ্য বানোয়াট না কোরান হাদিস থেকে নেওয়া।
অতিথি বলেছেন:
ধাত্রী মাতার মেয়েকে বিয়ে করা জায়েয আমি বলেছি? সেটা হালাল না।
অতিথি বলেছেন:
অপবাক,আপনার আগের কয়েকটা লেখায় আপনাকে ধীমান লেখক মনে হয়েছে, আপনার প্রতি আমার একটা সমীহ জন্মেছিল।
ভাগ্য খারাপ, আপনার এই লেখাটা পড়ে ফেললাম - সমীহটা পুরোপুরিই নষ্ট হয়ে গেছে।
ইসলাম সম্পর্কে আপনার নলেজ খুবই কম বলে আমার মনে হয়েছে;
ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করতে হলে আপনাকে আসলে এই বিষয়টা নিয়ে আরও পড়াশোনা করতে হবে।
আমি ইসলাম সম্পর্কে খুব একটা জানিনা, তবে বুঝতে পারলাম আপনি আমার চেয়েও কম জানেন।
বেশ কয়েকটা জায়গায় ভুল তথ্য দিয়েছেন;
1. যায়েদ (রাঃ) এর স্ত্রী এর সাথে নবীর বিয়ে সম্পর্কিত আয়াত নিয়ে আপনি ভুল বলেছেন।
2. বাসায় খালি গা থাকা নিয়ে আপনি প্রায় পাগলের প্রলাপ বকেছেন;
নবী মরুর দেশে ছিলেন, তাই বলে সব মুসলিমকে মরুর দেশে থাকতে হবে তা না - মরুর দেশে থাকা সুন্নত না। একটা মানুষকে অনুসরন করার অর্থ এই না যে তাকে হুবহুনকল করতে হবে, কারণ তাহলে আমাদের সবার নাম মুহাম্মদ হওয়া উচিৎ ছিল, আবার বাবা হলে নাম পালটে আবদুল্লাহ হওয়া উচিৎ ছিল, তাইনা?
একজন মানুষকে অনুসরন করার অর্থই যদি না বোঝেন তবে সেটা নিয়ে আলোচনা কেন করেন?
নবী ঘরে খালি গায়ে থাকতেন কিনা আমি জানিনা, তবে সেজন্য আমাকেও থাকতে হবে তা তো না!
সেটা নবীর আদর্শ না - তাঁর আদর্শগুলো হাদীস বলে পরিচিত।
বাসায় খালিগায়ে থাকতে হবে এমন কোন হাদীস দেখাতে পারবেন?
নবী তো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাননি, কিন্তু তিনিই বলেছেন বিদ্যা অর্জন প্রত্যেক নরনারীর জন্য ফরজ।
এখন, পাগলের প্রলাপ বকতে চাইলে আপনি বলতে পারেন যে নবীর আদর্শ স্ববিরোধী; কিন্তু আদর্শ শব্দটার অর্থ বুঝলে ছোট একটা বাচ্চাও বুঝবে যে নবীর আদর্শ হলো বিদ্যা অর্জন করা, কারন সেটাই তিনি অন্যদের করতে বলে গেছেন।
3. দাইমার সাথে পর্দার ব্যাপারে আপনি জিনিসটাকে উলটে ফেলেছেন। আপনি যদি মা ছাড়া অন্য কোন মহিলার স্তন পান করেন, তবে তার সাথে পর্দার ব্যাপারে আপনার শিথিলতা আছে (আমি ধরে নিচ্ছি আপনি 'সিক' না) ... কিনতু, একজন মহিলার সাথে আপনি পর্দা করতে চাননা বলে এই বুড়ো বয়সে তার স্তন পান করতে চান ইসলামের দেফাই দিয়ে - এটা টোটালি 'সিক'। মানসিক হাসপাতালে যেতে পারেন।
আগে পড়ুন, জানুন, যারা জানে তাদের জিগ্গেস করুন; আমি তেমন জানিনা, তবে আমাকেও জিগ্গেস করতে পারেন; আমার মনে হচ্ছে অন্ততঃ আপনাকে দেয়ার মতো কিছু আমার ষ্টকে আছে।
গুড লাক। ভাল থাকবেন।
অপ বাক বলেছেন:
প্রশ্নটা এখানেই মুহাম্মদ নিজের উদ্দেশ্যে আয়াতটা বানাইলো না কি এটা উপর মহল থেকে আসছিলো। প্রয়োজনের সময় উপযুক্ত আয়াত এবং নির্দেশ খুঁজে পাওয়ার মধ্যে আমি কোনো মাহত্ব্য দেখছি না।আর পালক পূত্রের ধারনাটার সাথে ধাত্রি মাতার ধারনাটা এক করে ফেললে কিভাবে হবে।
ধাত্রি মাতার মেয়েকে বিয়ে করা কি জায়েজ?
এতিমকে বিয়ে করে ফেলার আইনকানুন বিদ্যমান- সমস্যাটা উপলব্ধির- এবং হিজাব নিয়ে কথা বললে তোমার এগিয়ে আসা দেখে মনে হয় তুমি নিজেও বিষয়টা মানো না, নিজের সপক্ষে যুক্তি দাঁড়া করানোর জন্য বারবার পরীক্ষা করছো নিজেকে। তুমি বললেই হিজাব ইসলামের প্রথা হয়ে যাবে না। হিজাবের প্রচলন মিশরে, সেখানে র সম্ভ্রান্ত মানুষেরা মাথায় এইসব পড়তো। ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে। এখন যেমন শুধুমাতর মেয়েদের মাথায় হিজাব দেখা যায়, এবং ইড়ান এবং এর আশেপাশের দেশগুলোতে ধর্মনির্বিশেষে মানুষ এই পরিচ্ছদ পড়ে, এই বিষয়টার মধ্যে ইসলামি চেতনা আসলো কোথা থেকে? এটা লোকজ সংস্কৃতি।
অতিথি বলেছেন:
ইসলামফোবিয়া এক ধরণের মানসিক সমস্যা, হিজাব দেখলেই সারা গা চুলকান শুরু করে... আরও কিছু সিমপটম আছে, এক সাথে করব দেখি।
সদরুল বলেছেন:
ইসলাম বিদ্্বেস কেন যে কোন ধর্ম বিদ্্বেস ম্যানিয়া, আবার আমার ধর্মই সেরা এটাও ম্যানিয়া, এটা অনেকটা আমার সন্তান যা করবে সব ভাল, চিফ হুউপের পুত্র পবনের মত।
অপ বাক বলেছেন:
আমি কোনো দোহাই দেই নাই, আমি একটা ম্যানিয়াক অবস্থার বিবরন দিচ্ছি যেই খানে শুধুমাত্র অনুসরনের বিষয়টা চলে আসে, সমাজের সাথে রীতিনীতি বদলানোর বিষয়টা আসে না।বাসায় খালি গায়ে থাকতে হবে এমন কোনো হাদিসের কথা আমি বলি নাই, আমি বলছি সেই সময়ে এই রীতিটা ছিলো। এই বিষয়ে বোধ হয় আলোচনাটা ভুল পথে যাচ্ছে- আরবের রীতি ছিলো এবং মুহাম্মদ এই সংস্কৃতির মধ্যে জীবন ধারন করেছে বলে এটাকে সব যুগে প্রয়োগ করতে হবে এমন কোনো কারন আমি দেখছি না।
আর দাই মা র সাথে পর্দার বিষয়টা আসছে না- আসছে অন্য একটা প্রসংগে, সেই প্রসঙ্গ হলো- যদি কারো সাথে পর্দা শিথিল করতে হয় তাহলে তার স্তব্য পান করতে হবে। এইটাই কোরানের রীতি।
তাহলে তার মেয়েদের সাথে উল্লেখিত ব্যাক্তির বিবাহ জনিত সম্পর্ক থাকবে না। এবং তারা ভাই বোনের মতোই পর্দাবিহীন থাকতে পারবে- যেই বিষয়টার প্রয়োজন আমি সমাজে দেখছি না। আমাদের সমাজে এটা ছাড়াও আমাদের বাসায় অহরহ মানুষ আসছে এবং তাদের বাসায় গিয়েও আমাকে পর্দা করতে হচ্ছে না যদিও তারা বালেগ হয়েছে আমিও বালেগ হয়েছি। এই সহজ সম্পর্কের জন্য আমাকে তার মা কে ধাত্রি মাতা করতে হয় নাই। এই দৃশ্য 1400 বছর আগের আরবে অচিন্তনীয় ছিলো মুসলিমদের ভিতরে- এই বিষয়টা বুঝতে ভুল করছেন আপনি।
বিষয়টা যেই প্রসংগে এসেছে সেই প্রসংগটা বুঝার চেষ্টা করলেই হবে।
আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে এমন ম্যানিয়ার মতো কোরান হাদিসের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরনের প্রয়োজনীয়তা এবং 1400 বছর আগের জীবনযাপন ধারায় ফিরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন আছে কি না এই নিয়ে লিখছি।
অতিথি বলেছেন:
জি্বনের বাদশা আমি জয়নব বিনতে যহশ বা যায়েদের বিবাহিত বৌয়ের সাথে মুহাম্মদের বিবাহের বিবরনটা পড়লাম-আপনিও পড়ে একটা ধারনা দেন যে ঠিক কামার্ত শব্দটার বদলে কোন শব্দ স্থাপন করতে হবে এই জায়গাতে-
[ইংলিশ]গঁযধসসধফ ওনহ ণধযুধ ওনহ ঐধুুধহ হধৎৎধঃবফ, "ঞযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ পধসব ঃড় তধরফ'ং যড়ঁংব ংববশরহম যরস. [তধরফ ধিং ঃযবহ পধষষবফ তধরফ ওনহ গঁযধসসধফ]. চবৎযধঢ়ং ঃযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ সরংংবফ যরস ধঃ ঃযধঃ ঃরসব, ঃযধঃ রং যিু যব ংধরফ, 'ডযবৎব রং তধরফ?' ঐব বিহঃ ঃড় যরং যড়ঁংব ংববশরহম যরস ধহফ, যিবহ যব ফরফ হড়ঃ ভরহফ যরস, তধরহধন ইরহঃ ঔধযংয ংঃড়ড়ফ ঁঢ় ঃড় [সববঃ] যরস রহ ধ ষরমযঃ যড়ঁংব ফৎবংং, নঁঃ ঃযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ ঃঁৎহবফ ধধিু ভৎড়স যবৎ. ঝযব ংধরফ, 'ঐব রং হড়ঃ যবৎব, গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ, ংড় ঢ়ষবধংব পড়সব রহ; সু ভধঃযবৎ ধহফ সড়ঃযবৎ ধৎব ুড়ঁৎ ৎধহংড়স.' ঞযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ ৎবভঁংবফ ঃড় পড়সব রহ. তধরহধন যধফ যঁৎৎরবফ ঃড় ফৎবংং যবৎংবষভ যিবহ ংযব যবধৎফ ঃযধঃ ঃযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ ধিং ধঃ যবৎ ফড়ড়ৎ, ংড় ংযব ষবধঢ়ঃ রহ ধ যঁৎৎু, ধহফ ঃযব গবংংবহমবৎ ড়ভ এড়ফ ধিং ফববঢ়ষু সড়াবফ নু যবৎ যিবহ ংযব ফরফ ঃযধঃ. ঐব বিহঃ ধধিু সঁঃঃবৎরহম ংড়সবঃযরহম ঃযধঃ ধিং যধৎফষু ঁহফবৎংঃধহফধনষব নঁঃ ভড়ৎ ঃযরং ংবহঃবহপব:'চৎধরংব নব ঃড় এড়ফ যিড় ফরংঢ়ড়ংবং ঃযব যবধৎঃং.[/ইংলিশ]
আমার কাছে যৌনকামনার চেয়ে যোগ্য প্রতিশব্দ অন্য কোনোটাই মনে হচ্ছে না।
অতিথি বলেছেন:
ওহ হা হা হা হা হা হা হা। অপ বাক যে দাই মা নিয়ে এমনটা ভেবেছেন তা আমি বুঝিই নি! ধন্যবাদ জি্বনের বাদশাহ, আপনি বলে দিয়েছেন। বয়সটা 2.5 বা 2, অথ্যর্াৎ স্বাভাবিক দুধ পানের বয়স। দাই মাকে বিয়ে করা হারাম, দাই মায়ের সাথে আসল মায়ের সম্পর্ক হয়ে যায়, দাই মায়ের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম, দাই মায়ের বোন আসল খালার মত, অর্থ্যাৎ বিয়ে করা হারাম ইত্যাদি। অপ বাকের মাথায় এত অদ্ভূত চিন্তা কিল বিল করে... হা হা হা।
অতিথি বলেছেন:
Click This Link দুঃখিত এই খানে সব বিবাহের বিবরন এবং বৌদের বিবরন আছে- জয়নব 7 নম্বরে। ইংরেজিটা ঠিক মতো আসছে না
Zainab Bint Jahsh stood up to meet him in a light house dress, but the Messenger of God turned away from her. She said, 'He is not here, Messenger of God, so please come in; my father and mother are your ransom.' The Messenger of God refused to come in. Zainab had hurried to dress herself when she heard that the Messenger of God was at her door, so she leapt in a hurry, and the Messenger of God was deeply moved by her when she did that. He went away muttering something that was hardly understandable but for this sentence:'Praise be to God who disposes the hearts.'
অতিথি বলেছেন:
আপনার পয়েন্টটা বুঝেছি ...সরি ...
আসলেই ধর্ম মানতে গিয়ে অনেকেই বাড়াবাড়ি করে ফেলে - 100% একমত।
তবে দাদা, দাইমার ব্যাপারটা আপনি আসলেই উলটে ফেলেছেন ...
কারো সাথে পর্দা শিথিল করতে হলে তার স্তন্য পান করতে হবে - এটা কোরানের রীতি না।
কোরাণের রীতি হলো, একটা ছেলে ছোটবেলায় (সম্ভবতঃ 2.5 বছর বয়স পর্যন্ত) কারও স্তন্য পান করলে, সে যখন বড় হবে, তার উপর যখন পর্দা করার দায়িত্ব হবে তখন ঐ দাইমার সাথে তার পর্দা শিথিল হবে।
যুক্তিবিদ্যার ভাষায় বললে, এ্যানালজিটা হলো অনেকটা,
অতিথি বলেছেন:
রেফারেনস দেন নি, তাই অথেনটিসিটি যাচাই করতে পারছি না। কোথাও পড়িনি এইগুলো। ইমামরা এ ব্যপারে একমত, শুধুমাত্র দুধ পানের বয়স, অথর্্যাৎ, দুই বা দেড় বছরের কম বয়সে দুধ পান করলে দাই মাতার সম্পর্ক এস্টাবলিষ্ট হবে।
অতিথি বলেছেন:
রাসেল, এটা আপনার মত মেধার অপচয়কারী কোন উর্বর মস্তিষ্কের ফসল।হা হা হা। উপরের লেখাটা লিখে রাসেলের দেয়া ওয়েব সাইটের হোম পেইজে গেলাম, লেখা:
Investigating Islam from a Christian point of view
গড, আপনারা! সাধারণ সততাটুকু দেখান ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করার সময়!
অতিথি বলেছেন:
Book 30, Number 30.1.4: Yahya related to me from Malik from Thawr ibn Zayd ad-Dili that Abdullah ibn Abbas said, "The milk which a child under two years old sucks, even if it is only one suck, makes the foster relatives haram."
অতিথি বলেছেন:
আপনি তো শুধু আমার আর জ্বীনের বাদশাহর বলা কথাগুলোর পক্ষেই রেফারেনস জোগাড় করে দিলেন রাসেল, অবশ্য বয়স সম্পর্কে শিওর ছিলাম না, দুই বছরের নিচে থাকতে হবে দুধ পানের সময়।
অতিথি বলেছেন:
বিষয়টার প্যাঁচটা আস্তমেয়ের মাথায় ঢুকবে ?
অতিথি বলেছেন:
Book 30, Number 30.1.2: Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa from his father that A'isha, umm al-muminin said, "My paternal uncle by suckling came to me and I refused to give him permission to enter until I had asked the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, about it. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, came and I asked him about it. He said, 'He is your paternal uncle, so give him permission.' So I said, 'Messenger of Allah! The woman nursed me not the man.' He said, 'He is your paternal uncle, so let him enter.' "
A'isha said, "That was after the veil had been imposed on us."
A'isha added, "What is haram by birth is made haram by suckling."
অতিথি বলেছেন:
Yahya related to me from Malik from Nafi that Safiyya bint Abi Ubayd told him that Hafsa, umm al-muminin, sent Asim ibn Abdullah ibn Sad to her sister Fatima bint Umar ibn al-Khattab for her to suckle him ten times so that he could come in to see her. She did it, so he used to come in to see her
Yahya related to me from Malik from Nafi that Salim ibn Abdullah ibn Umar informed him that A'isha umm al-muminin sent him away while he was being nursed to her sister Umm Kulthum bint Abi Bakr as-Siddiq and said, "Suckle him ten times so that he can come in to see me."
Salim said, "Umm Kulthum nursed me three times and then fell ill, so that she only nursed me three times. I could not go in to see A'isha because Umm Kulthum did not finish for me the ten times."
Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "There is no kinship by suckling except for a person who is nursed when he is small. There is no kinship by suckling over the age of two years."
Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Dinar from Sulayman ibn Yasar and from Urwa ibn az-Zubayr from A'isha umm al-muminin, that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, " What is haram by birth is haram by suckling."
এই হাদিসগুলোর মধ্যে সম্পর্ক কি?
একদল বলছে 2 বছরের উর্ধে গেলে ওটা শুধুমাত্র খাদ্য বিবেচিত হবে এবং ধাত্রি মাতার সম্পর্ক তৈরি হবে না- অথচ আয়েশার জবানি হলো দুধ পান করলেই সেটা ধাত্রি মাতার সম্পর্ক হবে এবং জন্মসূত্রে যা যা হারাম বিবেচিত হয়েছে সেই সব সম্পর্কও হারাম বিবেচিত হবে,
পার্থক্যটা বিশাল এবং ব্যাপক। সমস্যা হলো আয়েশার কথার গুরুত্ব বেশি নাকি অন্য উমরের কথার গুরুত্ব বেশি। কারন আয়েশা মুহাম্মদের জবানিতে বলছে কথাগুলো আর উমরের বিধিটা ছিলো এক দাসিকে দুধ পান করানোর মাধ্যমেদাসি সম্ভোগ হারাম হবে কি না এই সম্পর্কিত।
অন্য একটা বিষয় হলো আয়েশা সব সময় এই নিয়মটা পালন করতে বলেছে, প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রেও শৈশবের দুধ পানে মাতার নিয়মটা পালিত হবে সব বিধিনিষেধ সহ অথচ উমর এটা মানছে না।
অতিথি বলেছেন:
Book 30, Number 30.1.1: Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr from Amra bint Abd ar-Rahman that A'isha, umm al-muminin informed her that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, was with her and she heard the voice of a man asking permission to enter the room of Hafsa. A'isha said that she had said, "Messenger of Allah! There is a man asking permission to enter your house!" The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "I think it is so-and-so" (referring to a paternal uncle of Hafsa by suckling). A'isha said, "Messenger of Allah! If so-and-so were alive (referring to her paternal uncle by suckling) could he enter where I am?" The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Yes. Suckling makes haram as birth makes haram."
অতিথি বলেছেন:
মালিকের মুয়াত্তা সংকলন- মুসলিম পড়ো সেখানে আয়েশাকে কয়েকবার বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই রীতি পালন করার নির্দেশ দিতে দেখা গেছে-
দুধপানে যৌন সম্পর্ক হারাম হয় এবং পর্দাপ্রথা শিথিল হয়- এবং উমর দাস মালিকের স্ত্রির কুটচক্রান্ত যেই দাসিকে দাস মালিক ভোগ করে তাকে নিজের স্তন্য পান করিয়ে দাস মালিকের জন্য হারাম করে দেওয়ার পর দাস মালিক উমরের কাছে এর বিস্তারিত জানতে চাইলে উমর বলেন শুধুমাত্র দুধপানের বয়সের সময় এটা জায়েজ- অথচ মুহাম্মদ এবং আয়েশার জবানীতে এটা সব বয়সের জন্য যায়েজ গন্য হয়েছে-
সমস্যাটা আমাদের কোন হাদিস মানবো এটার বিবেচনার- একদল বলছে এটা শুধুমাত্র সালিমের জন্য প্রযোজ্য এবং আয়েশার দাবি অনুযায়ি এটা সবার জন্য প্রযোজ্য-
অতিথি বলেছেন:
জি্বনের বাদশা দুধ পান জায়েজ না যদি কেউ দুধ পান করে ফেলে 10 চুমুকের বেশি তাহলে নিজের বিবির সাথে তার সম্পর্ক নাযায়েজ হবে কি না প্রশ্ন এখানে।আর আমি যেই হাদিসগুলার ুদ্ধৃতি দিলাম সেইটার সাথে বেগানা নারীর সম্পর্কটা হলো
আয়েশার ধারনা যদি কাউকে অবাধ প্রবেশের অধিকার দিতে হয়, যেই খানে পর্দাপ্রথা থাকবে না, এবং বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হবে, এই যে বেগানা পুরুষের সামনে পর্দার বিষয়টা এসেছে কিন্তু বৈবাহিক সম্পর্ক সম্ভব এবং সম্ভব না এই বিভাজন থেকে, যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্ভব না তাদের সামনে বেপর্দা ঘোরা যাবে- আয়েশা বিভিন্ন মানুষকে উপদেশ দিয়েছে যদি এমন কোনো ক্ষেত=র তৈরি হয় যেখানে পর্দার অনাবশ্যকতা তৈরি করতে হবে তাহলে 10 বার স্টন্য দান হলো পদ্ধতি, এটা শিশু যুবক নির্বিশেষে কার্যকরি।
কিন্তু অন্য একটা সূত্র বলছে না এই নিয়ম শুধু দুধপানে বয়েস পর্যন্ত কার্যকরি-এই সূত্রমতে বৌয়ের দুধ পান করলে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক নষ্ট হবে না।
অতিথি বলেছেন:
আমার জানামতে বেশির ভাগ আলেমই শেষের মতামত গ্রহণযোগ্য মনে করেন।পড়ে আসলাম ঘটনাটা, সলিম নামের একজন, যাকে দেখাশোনা করেছেন উম্মে কুলসুম, অর্থ্যাৎ পালক পুত্রের মত, পালক সন্তান ইসলামে জায়েয না, সেই আয়াত নাজিলের পরে আজন্ম লালিত সলিমের জন্য তার সামনে আসা নিষিদ্ধ হয়ে গেল। তখন আয়েশা (রা) এই নির্দেশ দেন।
এটা একটা একসেপশনাল অবস্থা ছিল। রাসুল (সা) এর অন্য কোন স্ত্রী, বা তিনি নিজে বা তাঁর অন্যান্য সাহাবীরা কেউই এর সমর্থনে কিছু বলেন নি।
তাই ইমামরা ঐক্যমত পোষণ করেন, দুই/আড়াই অথ্যর্াৎ দুধ খাওয়ানোর বয়স পেড়িয়ে গেলে এই আদেশ কার্যকরী হবে না। এর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই স্ত্রীর ব্যপারে সিদ্ধান্ত দেন।
ইসলামের শরীয়াহের একটা মূলনীতি হল বেশির ভাগ সোর্স যেটা সমর্থন করে সেটা করা, এ ক্ষেত্রেও সেই হিসেবেই 2/2.5 বছরের ব্যপারে সবাই ঐক্যমত পোষণ করেন। কোরআনের আয়াতও সেটা সমর্থন করে।
অতিথি বলেছেন:
রাসেল,স্ট্রং রিফারেন্স লাগবে।
ইন্টারনেটের যেই সেই সাইটের রিফারেন্স দিলে তো যে কেউ যে কোন কিছু লিখে যে কাউকে হালকা/অথবা ভারী বাঁশ মারতে পারে।
রাসেল, একটা কথা স্বীকার াপনাকে করতেই হবে যে মুসলিমদের নবী মুহাম্মাদ (সঃ) এর সমালোচনা করার জন্য একটি ব্লক সবসময় মুখিয়ে আছে। আপনি ইন্টারনেটেএমন কিছু সাইটও পাবেন যেখানে তারা আল্লাহকে স্বীকার করে কিন্তু মুহাম্মাদ (সঃ)কে সহ্য করতে পারেনা।
কেন তারা এটা করে তারাই ভাল জানে।
তবে নবীর সমালোচনার ক্ষেত্রে আপনি দেখবেন সবসময় তাঁর বিয়ের কথাগুলো বলা হয়।
আমি এর আগে সাদিকের একটা ব্লগের মন্তব্যে লিখেছিলাম, আবার লিখছি - নবীর সময়ে মেয়েরা থাকতেন ঘরে, কারন বাহিরের কাজ বলতে সে যুগে কঠিন কায়িক পরিশ্রমের কাজগুলোই ছিল। হযরত খাদিজা (রাঃ) এবং আয়েশা (রাঃ) ছাড়া নবীর অন্যান্য বিবিদের সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য আসলে নেই। তৎকালীন সংকলকরাও এগুলোকে প্রয়োজন মনে করেননি। তাই এই ফাঁকামাঠে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে গল্পবানিয়ে নবীকে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা অনেকদিন ধরেই চলে আসছে।
এখন আমার প্রশ্ন হলো, আপনি এসব দ্্বারা প্রভাবিত হবেন কি হবেননা, সেটা আপনার ব্যাপার। তবে দূর্বল রিফারেন্সের জিনিস উপস্থাপন করা ঠিকনা, বিশেষ করে যখন কাউকে 'কামার্ত বলে গালি দেবেন তখন।
আমিজানিনা আপনার রিফারেন্সটা কতটা গ্রহনীয়, টারপরেও একজন নারীর সৌন্দর্য দেখে আকৃষ্ট হওয়াটা দোষের কিছুনা; নবী কোনদিন নিজেকে 'ডিভাইন' কিছু বলে দাবী করেননি, এবং যয়নবের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার ুপর ঝাঁপিয়েও পড়েননি।
তাছাড়া নবীর বিয়েগুলো মুসলিমদের জন্য অনুসরনীয় না, মুসলিমরা 4 টার বেশী বিয়ে করতে পারেনা (আমি জানিনা কেন এটা স্পেশাল); তাই তাঁর বিয়ের ঘটনাগুলোকে ইসলামের সাথে গুলিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করার মানে হয়না।
ইসলামকে আপাততঃ আলোচনার বাইরে রেখে ব্যাক্তি মুহাম্মদের উপর আলোচনা করলে আপনাকে শুধু একটাই প্রশ্ন করব:
মুহাম্মদের কোন বিবি তার সম্পর্কে কটুকথা বলেছে, অভিযোগ করেছে এমন কোন রিফারেন্স কি আছে? আমি এখনও পাইনি।
দুধপানের ব্যাপারটা আপনারা আসলেই কি গুলিয়ে ফেলছেন কিনা আমি বুঝছিনা। আমাকে এখন বুঝিয়ে বলতেইভবে:
1. 2 বছর (মতান্তরে 2.5 বছর) পর্যন্ত দুধ পান জায়েজ। এরপর আর না!!
2. এখন প্রশ্ন হলো, নিজের স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুধপান জায়েজ কিনা?
এটা নিয়ে মতান্তর আছে।
রাসেল, এই মতান্তর সম্পর্কিত হাদিসগুলো তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। তবে এরসাথে অপবাকের 'বয়স্ক পুরুষের জন্য বেগানা নারীর স্তনপানের' ঘটনার কি যোগসূত্র? বেগানা নারীর সাথে আপনি দেখাই করতে পারবেননা, দুধপান করবেন ক্যামনে?
অতিথি বলেছেন:
কোরানের আয়াত বয়েস নির্দিষ্ট করে দেয় নাই- যা চলছে তা হলো ব্যাখ্যা করা এবং একটা বিশেষ ব্যাবস্থা বলে উমরের মতকে প্রাধান্য দেওয়া। এই ক্ষেত্রে মুহাম্মদের মতের চেয়ে উমরের মত প্রাধান্য পাচ্ছে বেশী এটাই একটা চিন্তার কারন।
অতিথি বলেছেন:
রাসেল,ধন্যবাদ। চমৎকার একটা বিষয় তুলে ধরেছেন। নতুন কিছু শিখলাম।
ব্যাপারটা আমার জানা ছিলনা, এবং আসলেই খটকার ব্যাপার, তাইনা?
যেখানে দেখা করাই জায়েজ না সেখানে দুধপান কিভাবে সম্ভব!!
যাই হোক, আস্তমেয়ের ব্যাখ্যাটা দেখে খটকাটা দূর হলো; ব্যাতিক্রমী একটা কেইস ছিল -- তাহলে মানা যায়।
পড়ে মনে হচ্ছে, সলিম আর কুলসুমের মাঝে মা-ছেলে সম্পর্ক ছিল, এবং নতুন নিয়ম আসায় তাঁরা দেখা করতে পারছিলেননা। তাই, তাদের ক্ষেত্রে একটা বিশেষ ব্যাবস্থা করা হয়েছিল, তাইনা?
অপবাককে ধন্যবাদ দিতে হয় যে, এই বিষয়টার অবতারনার কারণে আজকে নতুন একটা ব্যাপার জানলাম।
এ বং, রাসেল ও আস্তমেয়েকেও অবশ্যই ধন্যবাদ।
পুরো ব্যাপারটা ক্লিয়ার হবার আগ পর্যন্ত মাথা আসলেই ভনভন করে ঘুরছিল ..
অতিথি বলেছেন:
অপ বাক, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রসঙ্গ ও প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। সময় ও ভূগোলের সাথে ধর্মের কতটুকুবদলাবে। ধর্মের কোন কোন জিনিস সংস্কৃতি থেকে এসেছে এবং কোন কোন জিনিস সময় বদলানোয় আর পালন সম্ভব নয়, এগুলো নিয়ে আলোচনাই ধর্মের খারাপ দিক থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারে। ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে সবচে বড় অভিযোগ হলো, ধর্মবিশ্বাসের কারণে পৃথিবীর মানবসভ্যতার যত উপকার হয়েছে তার চেয়ে বেশি হয়েছে অপকার। এই যে বিশাল অভিযোগ তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ধর্মবিশ্বাসীদেরকেই পরীক্ষা দিতে হবে বারবার আর এগিয়ে নিয়ে যেতে ধর্মের ধারণাগুলোকে।
আশার কথা হলো, পৃথিবীতে ম্যানিয়াকের চেয়ে সাধারণ বিশ্বাসীদের সংখ্যাই বেশি। মানুষ নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় কি কি জিনিস সে বদলে ফেলবে। দূরদর্শীরা হয়তো নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সেই পথ অনেক আগেই দেখাতে চান।
শাড়ি পেঁচিয়ে রিকশা চড়ার উদাহরণ আমি ঢাকাতেও দেখেছি। ফতোয়াটা যেই আগে দিয়ে থাকুক, এখন তাদের শিষ্যরা আর সেই ফতোয়া দেয় না।
কিংবা জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি নিয়ে ঘোর আপত্তি উঠেছিল সেই আইয়ুবের আমলেই। 'খোদার সঙ্গে খোদকারী' ভেবে পশ্চিমা বিশ্বেও একে প্রতিরোধ করেছিল বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসীরা। আজো হয়তো বাংলাদেশের অজপাড়াগায়ে লাইগেশনের রোগীর জানাযা পড়তে চায় না কোনো বিচ্ছিন্ন মৌলভী। কিন্তু পলিটিক্যালি কানেক্টেড মৌলভীরা আর এর বিরোধিতা করে না বরং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইমামদেরকে জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রচারের জন্য ট্রেনিং দেয়।
সমাজ এভাবেই এগিয়ে যায়। অনেকের হয়তো আফসোস গতিটা বড় ধীর।
আমরা যারা পৃথিবীর সব ধর্মগুলোর নির্যাস মেনেই জীবনকে দেখতে চাই, ধর্মের বাড়াবাড়ি আর হত্যা-খুনের বিরোধকে থামাতে চাই, কার বই কত বেশি সত্য সে বিবাদে কান দেই না তারা হয়তো বিষয়গুলোকে বস্তুনিষ্ঠভাবে দেখি। কিন্তু অনেকেই নিজের বিশ্বাসের বাইরে এসে আউট অব দ্যা বক্স ভাবতে চায় না বা পারে না।
কিন্তু সন্তানের প্রতি এত আবেগ থাকলে তার ত্রুটি যেমন বোঝা যাবে না এও তেমনি। সন্তানকে মানুষ করতে হলে তাকে শুধু ভালবেসে রক্ষা করলে চলে না তার ত্রুটি বিশ্লেষণ করে তাকে শাসনও করতে হয়।
উৎস বলেছেন:
শোমচৌর শেষ মন্তব্য চমৎকার হয়েছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















এটি তো সত্যি ইসলামের শত্রুতো ইসলামের কল্যাণ চাইতে পারেনা। সে চাইবে ইসলাম চিরতরে শেষ হয়ে যাক। অপবাক আপনার অবস্থান বলে দিচ্ছে আপনি কি চান।