সমতল পৃথিবী কোরানের আলোকে- যদিও অবৈজ্ঞানিক তবুও কোরান বিজ্ঞান সম্মত।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:৫০
সুরা কাহফ,চমৎকার একটা গল্প, কোরানের 18 নং সুরা, তবে একটু সমস্যা আছে, পরম করুনাময় আল্লাহ নিজের কৃতিত্ব প্রচার করতে গিয়ে অবৈজ্ঞানিক কিছু কথা বলে ফেলেছেন। তিনি বিজ্ঞান পড়েন নাই এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আমরা অনেক আগে একটা তর্ক শুরু করেছিলাম, যেখানে বলেছিলাম কোরানের ভাষ্য মতে পৃথিবী চ্যাপ্টা থালার মতো, হারুন ইয়াহিয়া সাহেবের বরাত দিয়ে অনেকেই অনেক রকম কথা বলে ফেললো। সহজ কথাকে বেঁকিয়ে কতটা ধোঁয়াটের করা যায় তার একটা প্রতিযোগিতা হয়ে গেলো, আমার আলোচনা নির্দিষ্ট করি আপাতত সুরা কাহাফ-এ।
সুচনায় বেশ চমৎকার বানী আছে- সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি এই কিতাব রচিয়াছেন এবং ইহাতে কোনো বক্রতা রাখেন নাই। এই সুচনার বক্তব্যটাই আমরা সত্য মানি, কোনো রকম বাঁকা কথার মধ্যে নেই আল্লাহ, তিনি যখন কিতাব রচিয়াছেন, এমন ভাবে রচিয়াছেন যেনো একজন এই কোরান পড়েই বিশ্বের সকল জ্ঞান, রুহানী, বাতেনী, শরিয়তি লাভ করিতে পারে। কোনো এক মহিলার লেখা প্রবন্ধ পড়লাম সেখানে বলা হয়েছিলো, হাদিস পড়তেও শিক্ষক লাগে, শিক্ষক ছাড়া হাদিস পড়ে জ্ঞান লাভ করা যাবে না এমন না, তবে সেই জ্ঞান সুসম্পূর্ন হবে যদি কেউ হাতে ধরে পার করে দেয়। রবি ঠাকুর বলেছেন হাত ধরে মোরে নিয়ে চলো সখা-আমি তো তোমায় চিনি নে। তাই আল কোরাআন হাতে ধরে আমরা সামনে আগাবো।
সুচনায় খুবই গভীর একটা বর্ণনা আছে- একদল যুবক পাহাড়ের গুহায় অবস্থান গ্রহন করে এবং ঘুমিয়ে পড়ে, রিপ ভ্যান এর গল্পের আরবি ভার্সন বলা যায় ঘটনাটাকে। 309 বছর ঘুমিয়ে কাটানোর পর তারা যখন উঠবে তখন তাদের মনে হবে মাত্র গতকাল ঘুমিয়েছিলো তারা গুহার ভেতরে। ছোটো বেলায় একজন খুব গম্ভির মুখে বলতো এই বিষয়টাই ঘটবে কেয়ামতের পর, সকল মুর্দা কবর থেকে চোখ কচলে উঠবে, ভাববে তারা মাত্র গতকাল ঘুমাতে গিয়েছিলো।
চমৎকার কিছু নিদর্শন বিশ্বাসীদের সামনে আনা হয়েছে অতঃপর- 2জন কৃষকের গল্পও আছে এখানে, যাদের এক জন ইশ্বরের বিশ্বাস করে অন্য জন করে না। এবং যে বিশ্বাস করে না তার অহংকারের ফলে তার বাগান ধ্বংস হয়ে যায়।
তিনি অবশ্য মাঝে মৃদু হুংকার দিয়ে বলেছেন যারা বিভ্রান্ত করে তাদের তিনি সাহায্যকারী হিসেবে রাখবেন না।
এর পর মুসার ভ্রমন কাহিনী শুরু হয়, একজন সঙ্গিকে নিয়ে মুসার নিরুদ্দেশ গমনের গল্প। মুসার বিশ্বাস খুঁজে পাওয়ার গল্প।
যাই হোক এক পরে শুরু হয় যুলকারনাইনের গল্প।
এখানেই আরও কিছু অবৈজ্ঞানিক কথা, যা প্রমান করে মুহাম্মদের দৃঢ় বিশ্বস ছিলো পৃথিবী সমতল।
আয়াত 18:86-
অতঃপর সূর্য যেখানে অস্ত যায় তিনি সেখানে পৌগগছালেন, এবং সূর্যকে ডুবে যেতে দেখলেন পঙ্কিল জলাশয়ে, এবং এখানে এক সমপ্রদায়ের সাথে তার দেখা হলো--
সূর্য অস্ত যায় এটা একেবারে স্থানীয় বিষয়, সূর্য কখনোই অস্ত যায় না, আমরা যা দেখে ভাবি সূর্য অস্ত গেছে তা হলো পৃথিবী গোলাকার বলে এর অন্য পৃষ্টে চলে যাওয়ার ঘটনা। কেনো সূর্য কোনো এক জলাশয়ে গিয়ে আত্মাহুতি দিবে? সূর্য কোথায় অস্ত যায়? যেখানে অস্ত যায় সেখানে কিভাবে মানুষ পৌঁছায়?
এর পরে আয়াত 18:90 এ নজর দিতে হবে, এখানে যুলকারনাইন সাহেব অন্য দিকে রওনা দিলেন, এবং সুর্য যেখানে উদিত হয় সেখানে পৌঁছালেন- সেখানে এমন এক দল মানুষের সাথে যুলকারনাইনের সাক্ষাৎ হলো যাদের সূর্যতাপ থেকে আত্মরক্ষার কোনো উপায় আল্লাহ সৃষ্টি করেন নি।
পৃথিবী গোলাকার ধরে নিলে এই সমস্যা এড়ানো যেতো। তবে সমতল ধরে নিলে সমতলের এক মাতায় পৌঁছে বলা যায়, আহা এই তো পূর্বের সব চেয়ে শেষ সীমানা, এর পর আর কিছু নেই, সূর্য ঐ ঐকোণ দিয়ে উদিত হচ্ছে। এবং একেবারে পশ্চিমে গিয়ে বলা যায়, এর পর পথ নেই আর- এর পর সূর্য ডুবে গেলো জলাশয়ের নীচে। তাও কাদামাটি মেখে অস্ত গেলো।
যাই হোক এই যে সূর্যের অস্ত যাওয়ার পর সূর্য কোথায় যায় এর বর্ণনাও আল্লাহ দিয়েছেন- সুরা ইয়াসীন এ। সুরা ইয়াসীন, কোরানের 36 নং সুরা- এখানে তিনি সৃষ্টির উপরে তার করূণাধারার বর্ণনা দিয়েছেন, মানুষ অকৃতজ্ঞ, সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ স্ব ীকার করে না, তিনি তাদের খাদ্য দিচ্ছেন, পানীয় দিচ্ছেন তার পরও সামান্য শোকরানা আদায় করে না তারা।
এখানে এসে দেখতে হবে আয়াত নং 38-39-40
সূর্য তার জন্য নির্দিষ্ট অবস্থানে ফিরে যায়, যা সৃষ্টিকর্তা কতৃক নির্ধারিত- অবশ্য এটার শোভন একটা অনুবাদও করা হয়েছে- সূর্য তার জন্য নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে- যদিও বোখারির হাদিস প্রথম অর্থটাকে প্রাধান্য দেয়- আল আমীন মুহাম্মদ বলেছেন- আবুজর গিফারি তুমি জানো অস্ত যাওয়ার পরে সূর্য কোথায় যায়, আবুজর গিফারি পরম শ্রদ্ধার সাথে বললেন, আল্লাহর রসুল এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। এর পর মুহাম্মদ বলেন, সূর্য অস্ত যাওয়ার পর আল্লাহর আরশের নীচে গিয়ে পরবর্তি দিন উদিত হওয়ার নির্দেশের অপেক্ষা করে। কেয়ামটের দিন সূর্যকে উদিত হওয়ার আদেশ দেওয়া হবে না।
এর বিপরীত বানীও আছে, কেয়ামত নিয়ে একটা আলোচনায় পাওয়া যায়, সূর্য কেয়ামতের দিন আরও নীচে চলে আসবে, এবং গরমে মানুষের বহ্মতালু টগবগ টগবগ করে ফুটবে। ভয়ংকর বর্ননা, তবে সূর্য আল্লাহর আরশের নীচে থেকে এই ঘটনা ঘটাবে না মাথার উপরে ঘটাবে এটা নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা যায়, তবে উদিত হওয়াটাই ভালো। কারন আল্লাহর আরশ যদি আমাদের মাথার উপরে হয়, যার নীচে গিয়ে যূর্য রাতের খাবার খেয়ে ঘুম যায়, সেটার প্রভাবে আমরা রাতে সূর্যকে দেখতে পেতাম নিশ্চিত ভাবেই।
যাই হোক কেয়ামতের দিন সূর্য উদিত না হলেও সমস্যা নেই, যেভাবেই হোক সেটা মাথার উপরে এসে যন্ত্রনা দিবে।
আয়াত 39 চাঁদের জন্য আলাদা আলাদা ঘর আছে, আলাদা আলাদা ঠিকানা, ভয়ংকর বিষয়, চাঁদ আমার জানা মতে একটাই কক্ষ পথে ঘুরছে, সেটার ঘন ঘন বদল হয় না, এমন কি তার যে কলা র পরিবর্তন এটা ঘটানোর জন্য চাঁদকে কোথাও যেতে হয় না কক্ষপথ ছেড়ে, তার কক্ষপথে থেকেই এই আশ্চর্য ঘটনা ঘটাতে সক্ষম চাঁদ।
আয়াত 40 সবচেয়ে ভয়ানক, যেখানে বলা আছে সূর্য চাঁদকে তাড়া করছে, এবং ইশ্বরের অভিপ্রায় এমন যে সূর্য কখনই চাঁদকে ধরতে পারবে না।
এটার শোভন ব্যাখ্যাও আছে- যেখানে বলা আছে- চাঁদের জন্য নির্দিষ্ট কক্ষপথ এবং সূর্যের জন্য নির্দিষ্ট কক্ষপথ বিদ্যমান তারা একটা অন্যটাকে অতিক্রম করে না। বিষয়টা ঠিক কি রকম যেনো। চাঁদ ঘুরপাক খায় পৃথিবীকে ঘিরে, আর পৃথিবী ঘুরপাক খায় সূর্যকে ঘিরে। এখানে কক্ষপথের অধিক্রমনের ঘটনা ঘটবে কিভাবে? যদি না এমন কোনো দৃশ্য কল্পনা করা হয় যে সূর্য ও চাঁদ উভয়েই পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরছে তাহলে আয়াত 40 এর একটা গ্রহন যোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
দিন ও রাত্রিও পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন এবং একে অন্যকে ধরার চেষ্টা করছে। ভাব খানা এমন যে দুজনেই জীবন্ত প্রানী এবং তাদের ভেতরে একটা প্রতিযোগিতা চলছে অহর্নিশি।
যাই হোক সূর্য প্রসঙ্গে এবং চন্দর প্রসঙ্গে কথা বললেই কোরানে এর সাথে সাথে দিন ও রাতের কথা এসেছে-
সুরা 21 আয়াত 33
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন, চাঁদ ও সূর্য এবং তারা আপন কক্ষপথে ঘুরে। যদিও এর আগে কারো লেখায় বলেছিলাম দিন ও রাতকে সৃষ্টি করার কিছু নেই, তাদের আলাদা করে তৈরি করার কিছু নেই, এর পরও এই যে ধারাবাহিকতা এটা দেখলে যা সহজ কল্পনায় আসে তা হলো সূর্য ও দিন সমার্থক, চাঁদ ও রাত্রি সমার্থক, সূর্যকে সৃষ্টি করা মানে দিন সৃষ্টি করা চাঁদ সৃষ্টি করা মানে রাত সৃষ্টি করা। এবং এর ব্যাখ্যায় একজন বলেছেন, এই যে আপন কক্ষপথের কথা বলা হয়েছে তা আসলে সূর্য ও চাঁদের কক্ষপথের কথা। সূর্যের কক্ষপথ(!!!) পৃথিবীর সাপেক্ষে? নাকি সূর্য যে কক্ষপথে প্রায় 25 কোটি বছরে একটা ঘূর্ণন সম্পন্ন করে সেই কক্ষপথের কথা বলা হয়েছে?
যদিও এই ভ্রমনের সাথে দিন রাতের কোনো সম্পর্ক নেই এর পরও, রাত্রি ও দিনের কথা উঠা মাত্রই চাঁদ ও সূর্যের কথা এসে পড়ে।
সুরা 31 আয়াত 29
তুমি কি দেখো না আল্লাহ রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের ভেতরে(? ?) এবং তিনি চাঁদ ও সূর্যকে নিজস্ব কাজে নিয়োজিত রেখেছেন, তারা নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত পরিভ্রমন করে? কোনটা নির্দিষ্ট কাল? একটা সীমানা দিয়ে রাখা হয়েছে, সেটা খুব আধুনিক ব্যাখ্যা মতে কোথাও নিয়ে যায় না আমাদের, 25 কোটি বছরের ভ্রমনের কথা বলা যায় উদাহরন হিসাবে আবার বলা যায় প্রায় অনির্দিষ্ট প্রসারনের কথা, যা কোনো সেন্টার রাখে নি বৃহৎ মহাবিশ্বের সাপেক্ষে যেখানে সূর্যের কক্ষপথ হতে পারে। তবে সহজ ব্যাখ্যা নিলে বলা যায় এটা বলা হয়েছে সূর্য দিনের বেলা উদিত হয়, রাতে অস্ত যায়, এভাবেই দিনের ভেতরে রাত প্রবেশ করে রাতের ভেতরে দিন।
এ ছাড়া এমন কোনো খাপ কিংবা খাপ খোলা বিষয় নেই যা একেবারে রাত্রি বলে মেনে নেওয়া যায়। এখন আমেরিকার রাত্রি আর বাংলাদেশের দিনের ভেতরে সমসাময়িকতা আছে, ঠিক কোন খানে কে প্রবেশ করছে। শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ করে ফেললে বিষয়টাকে এই দিন রাত্রির বিষয়টা নির্দিষ্ট হয় , এবং এটাকে সবার জন্যই এক মনে করার জন্য একটাই পূর্বানুমান লাগবে তা হলো পৃথিবী সমতল। এই সমতল পৃথিবীর ধারনার বাইরে কখনই এ বিষয়টা থাকতে পারবে না। সব এলাকায় এক সাথে ঝুপ করে অন্ধকার নেমে আসা এর দিনাগমন বিষয়টা সম্ভব না গোলাকার পৃথিবীতে।
সুরা 44 আয়াত 58 বলে শেষ করি -
আমি আপনার ভাষায় কোরানকে সহজ করে দিয়েছি যেনো তারা স্মরন রাখে। অন্য একটা অনুবাদে আসে যেনো তারা কর্ণপাত করে ।
কোরানের ভাষা সহজ এবং এটার বানী শুনে যেনোম্মুসলিম উম্মাহ ধর্ম পালন করে সৃষ্টিকর্তার এই একান্ত ইচ্ছা - তিনি গোপন,খুব গোপন কোনো এনকোডেড ম্যাসেজ পাঠান নাই, সহজ কথা সহজ করে বলেছেন যেনো মানুষ ইশ্বরের বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
আল্লামা অপ বাকের অপ ব্যাখ্যা পড়লাম। আশা করি সবাই অনুবাদ নিজ নিজ দায়িত্বে পড়ে নিবেন। কারণ আল্লামা অপ বাকের বিরতি চিহ্নের ব্যবহার জ্ঞান অতটা আল্লামা মার্কা না। তাই কোরআনের আয়াত কোথায় শেষ হয়, আর কোথায় 'অপ বাক' শুরু হয়, সেটা বোঝা যায় না। এই অপ-টেকনিকের সিস্টেম নিয়ে দারুণ ফিকশন ঝাড়েন অপ বাক। চালান।
অতিথি বলেছেন:
আপনি তো ভাই মুফাচ্ছের মানুষ। সব আয়াতের ব্যাখা দেবেন ধারাবাহিকভাবে। আপনার স্টাডি দেখে ইর্ষা হচ্ছে। ইউ আর রিয়েলিং ব্রিলিয়ান্ট। দেখি আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা কেউ অন্যভাবে দেয় কিনা। তবে একটা লাভ হলো - আমি এখনই এই আয়াত গুলো একবার দেখে নিচ্ছি।
অতিথি বলেছেন:
ব্যাখ্যা করলাম না, শুধু নিশ্চিত হলাম, এই ধরণের মানুষের সাথে যুদ্ধে এক সাড়িতে দাঁড়ানোর আগে আমি একশ বার চিন্তা করব। কেউ করে থাকলে তার কারণ স্পষ্ট। ক্ষমতা থাকলে এত পুরানো, রাবিশে ভরা, অপ-বাকীয় বিজ্ঞানের অজ্ঞানীর লেখা বইটা যে সবার আগে ব্যান করতেন!
অতিথি বলেছেন:
কৌশিক, কয়েকটা অনুবাদ পাশাপাশি রেখে পড়ুন। গল্পের অন্য ভার্সন পেয়ে আপনিও কিছু একটা লিখে ফেলতে পারেন।
সুর বাংলা বলেছেন:
culn down!
সুর বাংলা বলেছেন:
Calm
অরূপ বলেছেন:
অপ বাক যে ইহুদি সেইটা প্রমাণ করার চেষ্টা করে না কেন কেউ ? হিন্দুও প্রমাণ করা যায়.. অপ বাক যে কিশোরী ধর্ষন করে সেইটাও প্রমাণ করা যেতে পারে..ভদ্রলোক ডিফেস করাটা খুব তাড়াতাড়ি ট্যাকটিকাল প্রায়োরিটিতে আসবে..
অপ বাক কাছা টাইট দেন..
অপ বাক বলেছেন:
আস্তমেয়েতোমার সুবিধার্থে আয়াতগুলোর কপি দেই মন্তব্যে
018.086
YUSUFALI: Until, when he reached the setting of the sun, he found it set in a spring of murky water: Near it he found a People: We said: "O Zul-qarnain! (thou hast authority,) either to punish them, or to treat them with kindness."
PICKTHAL: Till, when he reached the setting-place of the sun, he found it setting in a muddy spring, and found a people thereabout. We said: O Dhu'l-Qarneyn! Either punish or show them kindness.
SHAKIR: Until when he reached the place where the sun set, he found it going down into a black sea, and found by it a people. We said: O Zulqarnain! either give them a chastisement or do them a benefit.
018.089
YUSUFALI: Then followed he (another) way,
PICKTHAL: Then he followed a road
SHAKIR: Then he followed (another) course.
018.090
YUSUFALI: Until, when he came to the rising of the sun, he found it rising on a people for whom We had provided no covering protection against the sun.
PICKTHAL: Till, when he reached the rising-place of the sun, he found it rising on a people for whom We had appointed no shelter therefrom.
SHAKIR: Until when he reached the land of the rising of the sun, he found it rising on a people to whom We had given no shelter from It;
অপ বাক বলেছেন:
036.038 YUSUFALI: And the sun runs his course for a period determined for him: that is the decree of (Him), the Exalted in Might, the All-Knowing.
PICKTHAL: And the sun runneth on unto a resting-place for him. That is the measuring of the Mighty, the Wise.
SHAKIR: And the sun runs on to a term appointed for it; that is the ordinance of the Mighty, the Knowing.
036.039
YUSUFALI: And the Moon,- We have measured for her mansions (to traverse) till she returns like the old (and withered) lower part of a date-stalk.
PICKTHAL: And for the moon We have appointed mansions till she return like an old shrivelled palm-leaf.
SHAKIR: And (as for) the moon, We have ordained for it stages till it becomes again as an old dry palm branch.
036.040
YUSUFALI: It is not permitted to the Sun to catch up the Moon, nor can the Night outstrip the Day: Each (just) swims along in (its own) orbit (according to Law).
PICKTHAL: It is not for the sun to overtake the moon, nor doth the night outstrip the day. They float each in an orbit.
SHAKIR: Neither is it allowable to the sun that it should overtake the moon, nor can the night outstrip the day; and all float on in a sphere.
সুরা ইয়াসীনের অংশটুকু।
অপ বাক বলেছেন:
031.029 YUSUFALI: Seest thou not that Allah merges Night into Day and he merges Day into Night; that He has subjected the sun, and the moon (to his Law), each running its course for a term appointed; and that Allah is well-acquainted with all that ye do?
PICKTHAL: Hast thou not seen how Allah causeth the night to pass into the day and causeth the day to pass into the night, and hath subdued the sun and the moon (to do their work), each running unto an appointed term; and that Allah is Informed of what ye do?
SHAKIR: Do you not see that Allah makes the night to enter into the day, and He makes the day to enter into the night, and He has made the sun and the moon subservient (to you); each pursues its course till an appointed time; and that Allah is Aware of what you do?
021.033
YUSUFALI: It is He Who created the Night and the Day, and the sun and the moon: all (the celestial bodies) swim along, each in its rounded course.
PICKTHAL: And He it is Who created the night and the day, and the sun and the moon. They float, each in an orbit.
SHAKIR: And He it is Who created the night and the day and the sun and the moon; all (orbs) travel along swiftly in their celestial spheres.
আস্তমেয়ে এই যে সুরা 33 আর সুরা 21
অপ বাক বলেছেন:
044.058 YUSUFALI: Verily, We have made this (Qur'an) easy, in thy tongue, in order that they may give heed.
PICKTHAL: And We have made (this Scripture) easy in thy language only that they may heed.
SHAKIR: So have We made it easy in your tongue that they may be mindful.
আস্তমেয়ে অনুবাদগুলো নিজে করে নাও।
অযথা আঙ্গুল তোলার আগে ভিত্তিটা দেখে নেওয়া উচিত ছিলো।
অরূপ বলেছেন:
ছি ছি অপ বাক,ইহুদী ওয়েবসাইট থেকে কি যাতা তুলে দিলেন? আরবী শিখেন.. নাকি আলিফ, বে-ও চিনেন না.. ? এই লেখার আগে মরমীদের সাথে আলাপ করতে হয়...
অতিথি বলেছেন:
অপ বাক, প্রথম আয়াতটারই দেখুন, এক জায়গায় লেখা 'মার্কি ওয়াটার', আরেক জায়গায় 'মাডি স্প্রিং', আরেক জায়গায় 'ব্ল্যাক সি', এবং আমি আপনার লেখা পড়ে সাথে সাথে যেখানে দেখলাম, সেখানে লেখা 'ব্ল্যাক ওয়াটার'।
আপনি অনুবাদ করলেন 'পঙ্কিল জলাশয়' এবং শুধু এই বাক্যাংশের উপর বিশাল গল্প ফেঁদে বসলেন, যেটার অনুবাদের ব্যপারেই কয়েক রকমের মত পাওয়া যাচ্ছে। অথর্্যাৎ, যে আসলেই শব্দগুলোর অরিজিনাল কনটেক্সটে ব্যবহার জানে না, তাদের ছাড়া সবাই এক একটা অনুবাদ করেছে।
অন্যরকম ঠেকলে, আমি কয়েকটা অনুবাদ এক সাথে পড়ি। তখন বুঝি, আসলে এটা আমার বুঝার সমস্যা। এই রিয়েলাইজেশনটা অপ-চিন্তায় মাথা ঘিজ ঘিজ করলে আসবে না। এটা একটা কমন সেনস, অনুবাদে সব সময় সঠিক রিপ্রেজেনটেশনটা আসে না।
উৎস বলেছেন:
তথ্য বিকৃতি আইনে অপ বাকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। এখনই।
অপ বাক বলেছেন:
Sahih Bukhari Volume 4, Book 54, Number 421Sahih Bukhari Hadiths: Abzur Ghifari (ra) narrated: one day Prophet Mohammad (pbuh) asked me,
অপ বাক বলেছেন:
আস্তমেয়ে কাদাভর্তি জলাশয় আর পঙ্কিল শব্দটা এসেছে পঙ্ক থেকে যার ভদ্্র অর্থ কাদা।যাই হোক যেখানে সূর্য অস্ত যায় সেখানে গিয়ে পৌঁচেছে এটাই আয়াতের মূল বানী, সেটা কাদা ভর্তি জলাশয় নাকি ব্লাক সি এটা নিয়ে বিস্তর কূতর্ক করা কি উচিত??
অতিথি বলেছেন:
খুব পুরাতন, টেসে যাওয়া যুক্তি - যার যুক্তিখন্ডন 60, 70 এর দশকেই বহু ইসলামী স্কলার দিয়ে গেছেন। নতুন এ্যাগনোস্টিকদের কাছে অপবাকের এই পোস্ট খুব রোমাঞ্চকর মনে হলেও দু:খজনকভাবে এখন পর্যন্ত কুরআন অবৈজ্ঞানিক প্রমান করা সম্ভব হয় নাই।
যে লাইনে আপনি যুক্তি দিয়েছেন তার প্রতিটি যুক্তিকেই ডিকনস্ট্রাক্ট করা যায়। অনেক জ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নাই, কমন সেনস থেকেই সেটা করা যায়।
বিস্তারিত লিখতে প্রচুর সময় নিবে, তাই সেই প্রচেষ্টায় এখন যাচ্ছি না। একটা সহজ উদাহরন দিয়ে যাই -সূর্য ওঠার আয়াতটা প্রসঙ্গে।
জাপানকে বলা হয় "ল্যান্ড অফ রাইজিং সান"। তারমানে কি পৃথিবীতে সেইখানেই শুধু সূর্য ওঠে?
"লিটারেল ইন্টারপ্রেটেশন" করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা কুরআনেই আছে। কোথায় আছে আল্লামা অপবাক নিজেই জানেন, বা জেনে নিতে পারবেন। কিন্তু এই ধরনের বিভ্রান্তিকর লিটারেল ইন্টারপ্রেট যারা করেন, সেই ওয়াহাবীদের সাথে নিজেকে এক কাতারে ফেলাটা একটু ক্যামন হয়ে গ্যালো না?
ধন্যবাদ।
অরূপ বলেছেন:
মুরতাদ সৈয়দ অপ বাক রহমান এর ফাসী চাই!..
অতিথি বলেছেন:
শুরুটা নিয়ে বললাম, এবার একেবারেই শেষটা নিয়ে বলি। সূরা 44:58 কোট করলেন মনে হল। কিন্তুআমি একটা বাংলা একটা ইংরেজি কোথাও সেই আয়াত পাইলাম না। অন্য কোন অনুবাদের কথা কি কি কইলেন... এটাই বলতেছিলাম, বিরাম চিহ্নের ব্যবহারে আপনার সিরিয়াস সমস্যা আছে। এটা ইচ্ছাকৃত নাকি অজ্ঞতা আমার জানা নাই।44:58-59
আমি আপনার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি। যাতে তারা স্মরণ রাখে।
অতএব আপনি অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে।
O Prophet. We have made this Book easy in your own tongue so that they may take counsel Wait then, as they too are waiting.
মাঝখানের গুলো না হয় বাদই রাখলাম। জানি, সেই একই লুপ হবে। যা কিছু আসবে তাতে কয়েকটা ব্যপারই করা হবে:
1. বিদ্রুপ। মরমী লেখা। বহুৎ ঘুরায়ে কথা বার্তা ইত্যাদি ইত্যাদি। [স্যাটায়ারে খুব ভাল এক একজন লেখকরা। আমি জানি। স্যাটায়ার মুখ বন্ধে খুব ভাল টেকনিক তাও জানি। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে তাও দেখতেছি।]
2. সেটায় কাজ না হলে থাপপড় অফার! মহা শক্তিমান মাশাল্লাহ এক এক জন লেখক!
অতিথি বলেছেন:
বুখারী হাদীস প্রসঙ্গে:বুঝায়ে বলবেন আল্লার আরশ কি?
আপনি এবং আপনার সহমত ওয়াহাবীদের ব্যাখ্যায় এইটা হইলো একটা বিশাল সিংহাসন যেখানে স্রষ্টা আসন গ্রহন করেন। আসলেই?
আরশ হইলো The Presence of God । স্রষ্টা সর্বব্যাপী বলে তার আরশ মহাকাশ ও ভূমন্ড পরিব্যাপ্ত বলা হয়। অথর্াৎ তার Presence সর্বত্র।
সূর্য স্রষ্টার আরশে মাথা নত করে, এইটার ইন্টারপ্রেটেশন যদি সিংহাসনের পেছনে সূর্য লুকায় বলতে চান, তবে আমার কিছু বলার নাই।
টার্মগুলো নিয়ে এক্কা দোক্কা খেলতে চাইলে খেলা যায়। তবে তার আগে টার্মগুলো সম্পর্কে ধারনাটা পরিস্কার করে নিলে খুব ভালো হয়।
অরূপ বলেছেন:
মরমী ইন অ্যাকশন!অপ বাক কাদা মানে হইল ফ্লুইড.. ফ্লুইডে আমারা ভাইসা থাকি, স্পেস এও ভাইসা থাকি.. তারমানে কি? কাদা হইল স্পেস..
ডুইবা যাওয়া মানে কি? নীচে নামা.. আপেক্ষিকতা কি বলে? একজনের নীচে নামা মানে আরেক জনের উপরে উঠা.. তার মানে কি? পৃথিবী উপরে উঠে.. উপরে উঠা মানে মুভ করা ..
খারাইল কি? পৃথিবী মুভ করে..
এইটা হইল মরমী ব্যাখ্যা
আপনে মিয়া পুরা ফাউলের গুষ্ঠী!!
অপ বাক বলেছেন:
ঠিক লিটারেলি অর্থ করা উচিত না। এইটা রূপক। কিন্তু ঐ রূপক বিষয়টাই সমস্যা তৈরি করে, সরল একটা বক্তব্য যা কোরানে অন্তত 23 জায়গায় পাবা সেটাকে এমন একটা রূপক দেওয়া, জাপানের মানুষ যখন নিজেদের ল্যান্ড ওফ মর্নিং সান বলতো তখন তারা জানতো না পৃথিবী গোলাকার।আমরা একটা নাম দিয়ে দেই, তোমার নাম সাদিক না হয়ে আবদুল্লাহ হলেও কোনো ক্ষতি হতো না ।তবে কেউ একজন তোমাকে সাদিক নামটা দিয়েছে তাই তোমাকে সাদিক বলে ডাকি। কোরানের আয়াতের বানীর সাথে রূপক কিংবা ল্যান্ড ওফ মর্নিং সান আসলো কিভাবে? ভু-গোল পড়তে বলবে এর পরে? বলবে যুলকারনাইন সাহেব চলতে চলতে জাপানে গিয়ে হাজির হয়ে এই কথা বলেছে আর জাপানের লোকেদের সূর্যতাপ থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই??
উৎস বলেছেন:
আহ কোরান অবৈজ্ঞানিক প্রমান সম্ভব হয় নাই, দারুন মরমী ব্যখ্যা তো, এটাও মনে হয় 60-70 দশকের। আমার তো মনে হয় কোরানে স্ট্রিং থিওরীও বিস্তারিত আছে, কেবল আবিস্কারের অপেক্ষা।
অপ বাক বলেছেন:
আমার মনে হচ্ছে এর পর কোরানের আয়াতের অর্থ টেনে, বাঁকিয়ে অনেক রকম করার চেষ্টা হবে- তবে সাবধান, মুহাম্মদের কথাটাও মনে রাখতে হবে- কোরানের অর্থ এমন পরিবর্তন করা যাবে না যা মূল অর্থকে ছাপিয়ে ভিন্ন একটা অর্থ ধারন করে।
উৎস বলেছেন:
আমি মুরতাদ অপবাকের মরমী মতে শাস্তি চাই।
অতিথি বলেছেন:
আপনার মূল পোস্টে ফিরে গেলেই বুঝতে পারবেন কেন "ল্যান্ড অফ রাইজিং সান" উদাহরনটা আসলো। কারন আপনি নিজেই 18:90 আয়াতকে ইন্টারপ্রেট করে, পৃথিবী সমতল এই ধারনা নিয়ে গান গাইছেন, সেইটা যে ভুল যুক্তি সেটাই প্রমান করে।
হাহা... ল্যান্ড অফ রাইজিং সান মোটেও পৃথিবী সমতল বলে মনে করায় কেউ বলতো না। বলতো দেশকে সন্মান দেখিয়ে।
সোনার বাংলা মানে এই দেশে সোনার খনি নাই। কথাটার ওই অর্থ করলে তো মুশকিল!
অপ বাক বলেছেন:
আল্লাহর আরশ যদি সব খানে হয় তাহলে আরশের নীচে গিয়ে লুকানোর দরকার কি? আর কেয়ামতের বর্ননা পরলে আরশকে খুবই সীমিত স্থান বোধ হয়। যেখানে বসে- সমস্যা এই ক্রিয়া পদের ব্যাবহারটা নিয়ে, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান, তার একটা জায়গায় আসন গ্রহনের কি প্রয়োজন? তবে মরমীদের ব্যাখ্যা অন্য কিছু বলতে পারে, তিনি সর্বত্র বিরাজমান হয়েও একটা জায়গায় আসন গ্রহন করে বিচার সভা পরিচালনা করবেন,
অতিথি বলেছেন:
তবে আমার মনে হয় আমরা এখানে অপবাকের উদ্দিষ্ট আয়াতগুলোর সোজাসুজি আরবী বোঝার চেষ্টা করতে পারি। যেমন 18 নম্বর আয়াতে আসলে একদল লোকের সাথে সাক্ষাতের বিষয় আসলে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একটা গল্প বলার চেষ্টা, কোর-আন শরীফ একই সংগে সাহিত্যমানেও উত্তীর্ণ - সুতরাং সেখানে মানবীয় প্রকাশই থাকবে , যেহেতু মানুষের জন্য, সেক্ষেত্রে উপমার ব্যবহারে সাদিকের কথা ঠিক আছে। তবে বিখ্রাত ইসলামী ইন্টাপ্রেটাররা এনালাইসিস সহ এটাকে কিভাবে দেখিয়েছেন কেউ এখানে তুলে ধরবেন কি?
অরূপ বলেছেন:
সাদিকের এই অসাধারন মরমী যুক্তির পর এই মুনাফেখি পোস্ট মুছে ফেলার দাবী জানাই.. না হলে মহাজনীয় স্টাইলে ঘেউ ঘেই করুম
অতিথি বলেছেন:
কৌশিকের অনুরোধে শুধু প্রথমটার ইনটারপ্রিটেশন দিচ্ছি। আর দিব না। কোরআনে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা এখন পৃথিবীতে বিলিয়নের বেশি। এবং সংখ্যাটা প্রতিদিন বাড়ছে। যার আগ্রহ আছে, সে অপ-ব্যাখ্যা না পড়ে, নিজেই পড়ে দেখতে পারে। 18: 85-88
At first, he made preparations for an expedition (to the West and marched on) till he reached the limit where the sun set, and found it setting in black waters, and there he saw a people. We said to him, "O Zul-Qarnain! you have the power to punish them and also the option to treat them generously". He said, "We will punish that one of them who will commit iniquity: then he shall be returned to his Lord and He will inflict on him a grievous torment: And as for the one, who will believe and do righteous deeds, there is a generous recompense and We will prescribe for him easy tasks."
Explanation:
"The limit where the sun set" does not mean the "place" of the setting of the sun. According to Ibn Kathir, it means that he marched to the West conquering one country after the other till he reached the last boundary of the land, beyond which there was ocean.
"He found the sun setting in black muddy waters of the sea": if ZulQarnain was Cyrus, then that place would be the western limit of Asia Minor and the "black waters" would be the Aegean Sea. This interpretation is supported by the use of the word "`ain"instead of "bahr" in the Qur'an.
অতিথি বলেছেন:
অপবাকের আপত্তিগুলা ভালো। তবে কুরআনের কথাগুলো যে বিজ্ঞানের সাথে বিরোধী না, এটার জন্য স্কলার হওয়ার দরকার নেই। জাস্ট একটা কথা: কুরআনে অনেক কিছু আছে সুস্পষ্ট, আর অনেক কিছু অস্পষ্ট বা রূপকে ভরা। কুরআন অনুসারে ওগুলোর প্রকৃত ব্যাখ্যা একমাত্র আল্লাহ জানেন। আর সবচেয়ে বড় কথা, অস্পষ্ট বিষয়গুলো মেইন না। অনেক স্কলার আবার এগুলোর ব্যাখ্যা কইরা স্কলার সাজনের চেষ্টা করেন। আমার কাছে অবশ্য তাদেরকে মূর্খই মনে হয়। এ বিষয়ে শার্লক হোমস একটা বস ডায়লগ দিছে। পৃথিবী না ঘুরে সূর্য যদি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতো, তাহলেও আমার কাজকামের কোনো ওলোটপালোট হতো না।ধর্ম নিয়া ক্যাচালে যেতে চাই না। অতএব নিশ্চুপ।
উৎস বলেছেন:
আসলে অপ বাকের মতো উজবুক একটা ব্যাপার বুঝতে পারে নাই। পশ্চিমারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার রিসার্চে খরচ করে বলে শোনা যায়, কিন্তু আসলে ওরা যা করে তা হলো - রাতে কোরান পড়ে, এবং সেখান থেকে বের করে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এমনকি কম্পিউটার সায়েন্সের সুত্র। এ পর্যন্ত যত আবিস্কার গবেষনা নোবেল পুরস্কার পেয়েছে সবগুলোই কোরান থেকে কোন না কোন ভাবে চুরি করা। মুরতাদ অপ বাক দুপাতা ফিজিক্স পড়ে তার ব্যাঙের আধুলি নিয়ে ব্লগ ফেদে বসেছে।
উৎস বলেছেন:
অরূপকে সাধুবাদ। এই মোনাফেকি পোস্ট মোছা হোক।
অপ বাক বলেছেন:
হা হা হা হা, সাদিকের সেন্স ওফ হিউমার খুবই ভালো, 18ঃ90 কে মরমি ব্যাখ্যা করলে কি দাঁড়ায় টার একটা ক্ষীন চেষ্টা করিঅতঃপর তিনি পৌছানের যেখানে সূর্য উদিত হয়। এটা আসলে কৌশলে রিপ্রেজেন্ট করছে সূর্যের জন্মের সময়টাকে। যুলকারনাইন কোনো এক ভাবে সূর্য জন্মানোর সময়টাতে পৌঁছে গেলো এবং সূর্যকে সৃষ্টি হতে দেখলো। এবং এর পরের অংশের মরমী ব্যাখ্যাটা কি হতে পারে, তারা চাক কিংবা না চাক, পৃথিবীর মানুষকে সুর্যের আলোতেই বসবাস করতে হবে।
সমস্যা হলো সাদিক, এই যে টেনে নিয়ে ভিন্নার্থে প্রয়োগ করা এটা তোমার সান্তনা হতে পারে।
যেমন সেই হাদিসটাকে বাঁকিয়ে অর্থ করলে ওটা সূর্যের যেকোনো স্থানে গমন বোঝায়? তা অস্ত যাওয়া শব্দটা কেনো ব্যাবহৃত হলো এটার মরমী ব্যাখ্যাটা দাও।
আমার ধারনা তুমি বাংলা ভালোই বুঝো, অন্তত বাক্য গঠনের নিয়ম আর উদ্দেশ্য বলে একটা বিষয়ও আছে
সুর্য অস্ত যাচ্ছে এবং সেটা চোখ থেকে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনাটাকেই ব্যাখ্যা করেছে মুহাম্মদ এই তো?
এখন এখান থেকে সমতল পৃথিবীর ধারনাটা কিভাবে আসে বলি-
মুহাম্মদ যদি জানতো সূর্য এমন একটা জিনিষ যা উদিত হয় না বা অস্ত যায় না, তাহলে সে অন্য প্রশ্নের উত্তর খুঁজতো। তবে তার ধারনায় এটা ছিলো না, তার ধারনায় ছিলো গ্র ীক মিথোলজির এপোলোর ধারনা, সপ্তাশ্ব রথ ছুটিয়ে এপোলো আকাশ পথে পাড়ি দিয়ে সন্ধ্যায় ঘোরা বেঁধে রাখে এবং সেই রথটাই সূর্য।
এই এপোলোর গল্পটা এসেছে আবার সেই ব্যাবিলন সভ্যতা থেকে, সেই সভ্যতার একটা অংশ আবার আরবের যাযাবরদের সভ্যতাও।
এসব উৎস নিয়ে কথা বলতে গেলে আসলে কোথাও পৌঁছাবে না আলোচনা।
শুধ ু এটাই প্রতিষ্ঠিত হবে যে সেই 6000 থেকে 10000 বছর আগের ইতিহাস, গীলগামেশের রূপকথা ধার করে নোয়ার নৌকার গল্প, একেশ্বরবাদী ইশ্বরের ধারনার জন্ম এবং আব্রাহামের মুর্তি পূজা ত্যাগ, এসবই সেই সভ্যতার অগ্রগতির চিহ্ন।
আল্লাহর এই বিষয়ে কিছুই করার ছিলো না -
অপ বাক বলেছেন:
আস্তমেয়ে তোমার ব্যাখ্যা পড়ে ভালো লাগলো, তবে সমস্যা হলো সেই যুলকারনাইন যদি দিগবিজয়ের উদ্দ্যেশেই বাহির হইতো তাহলে তার ব্লাক সিএর পাশ দিয়ে গিয়ে মেসিডোনিয়ায় চলে যাওয়ার কথা, সেখানে গেলো না কেনো?? সেটাও পশ্চিমে আর সেখানে যাওয়ার জন্য কোনো স্থলগত বাধাও নেই।
অপ বাক বলেছেন:
ইউসুফ আলী সাহেব বেশ চমৎকার করে ব্যাখ্যা করেছেন যে যুলকারনাইন বলে যেই ব্যাক্তিকে চিহি্নত করা হচ্ছে সে আসলে মহাবীর আলেকজান্ডার দি গ্রেট।সমস্যা একটাই- তা হলো আলেকজান্ডার দি গ্রেটের পূর্বমুখী সফর শেষ হয়েছে সিন্ধের কাছে এসে, এর ওপারেও আরও জায়গা ছিলো, যা পুর্বে এবং সেখানেই সূর্য উদিত হয় না।
তবে মৌলিক সমস্যা হলো আলেকজান্ডার দি গ্রেট মানুষটা পৌত্তলিক ছিলো, কখনই ইশ্বরবিশ্বাসী বান্দা নয়।
নয়-ছয় করে ছাপান্ন করা যায়, তবে তা কোরানের বিশুদ্ধতাকে রক্ষা করে না।
আরও অনুমিত চরিত্র আসতে পারে , এসিরিয়ান রাজাদের কথা আসতে পারে যায়া তবে সমস্যা হলো তারা কোথাও গিয়ে লোহার গেট তৈরি করে নাই, আলেকজান্ডার এই কাজ করেছে।
বিস্তারিত পাওয়া যাবে ইউসুফ আলির বইয়ে। কিভাবে আলেকজান্ডার দি গ্রেটের কথা কোরানে আসলো, কিভাবে এই পৌত্তলিক মানুষটা জাপান পর্যন্ত জয় করলো, আর কিভাবে এই পৌত্তলিক মানুষটাই আল্লাহর মর্জিতে ক্ষমা করে দিলো অভাজনদের।
অতিথি বলেছেন:
আমি বিশ্বাসীদের এ বিশ্বাস লালন করার জন্য বলি, অবিশ্বাসীদের সূত্র খুঁজতে বলি, পৃথিবীর বিকাশে এ বিতর্কিয় উপাদানগুলো অনেক বেশী ইম্পর্টেন্ট। একাত্তর সালের ঘোষণা নিয়েই এত বিপত্তি - ভিন্নদুটো বিশ্বাসে মানুষের কত শক্তিশালী অবস্থান। আর হাজার বছর আগের বিষয় নিয়ে ঐক্যমত না হওয়াই ভাল। দ্যা ডিবেট উইল রান দ্যা নলেজ রোলিং!
অতিথি বলেছেন:
যার যার ধর্ম তার তার কাছে। তবে ধর্মরে ব্যবহার করে যারা ফায়দা লুটে তাদের শায়েস্তা করো। এসব ফালতু প্যাচাল মনে হয়........ পড়তেও আগ্রহ পাইনা একদম।অপ বাক ভালো থেকো বন্ধু..........
মুড়িওয়ালা বলেছেন:
পন্ডিতের সাথে একমত। ঈশ্বর আছে কি নাই, এইটা নিয়া হাজার বছর ধইরা তর্ক চইলা আসতেছে, এবং চলতে থাকবেও। কোন উপসংহারে পৌঁছানো যাবে কিনা জানিনা। সুতরাং যার যার ধর্ম, তার তার কাছেই থাকুক। কোরআন সত্য নাকি মিথ্যা- এইটা প্রমাণ কইরা কি ফায়দা হবে ভাই? প্রশ্নটা যারা ধর্মের পক্ষে ও বিপক্ষে কন্টিনিউয়াস প্যাঁচাল পাড়েন- দুই দলের উদ্দেশ্যেই।
অতিথি বলেছেন:
আমার তো মনে হয় এবার একটা কনক্লুশেনে পৌছানো যাবেই!
অতিথি বলেছেন:
এবার যেমন সিরিয়াসলী সবাই নেমেছে - আমার মনে হয় একটা ডাইরেক্ট ওহী নাজিল হবে ব্লগে।
অতিথি বলেছেন:
মুড়িওয়ালার মন্তব্যটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ একারণে না যে, তার যুক্তিটা তুলনাহীন। গুরুত্বপূর্ণ একারণে যে তার এই মত অনেক জ্ঞানী বা বুদ্ধিমান লোক অনুসরণ করেন। এরকম একটা নীতি মেনে চলেন। একধরণের নির্বিরোধিতা। অর্থাৎ সত্য যা জানার আমি তো জানলাম, আরেকজন মিথ্যা নিয়ে আছে কি নেই তা আমি আগ বাড়িয়ে বলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনবো কেন? বিপদের ভয়ে পিছিয়ে থাকা সাধারণ সংসারী মানুষ কখনও সত্যকে এগিয়ে নিয়ে যায় না। তারা একরকম হরেদরে ভেড়ার পালের সাথেই ঘুরে বেড়ায়। সীমানার বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করে সাহসী কেউ কেউ। তখনই অন্যদেরও পথ হয় কাঁটাতারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে বড় মাঠে আসার।
ধর্ম নিয়ে লোকে কেন প্যাঁচাল পাড়ে তার একশত কারণ আছে। নিজের মতটাই বলি। ধর্ম নিয়ে আমিও ব্যাপক প্যাঁচাল পাড়ি। কারণ আমি যে পৃথিবীতে বড় হয়েছি তাতে বিরোধ, হিংসা, ধ্বংস, হানাহানির একটা দক্ষযজ্ঞ তৈরি করে রেখেছে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলো। বিজ্ঞান, সভ্যতা, দর্শন যেখানে মানুষকে মিলিত করতে চায়, ঐক্য গড়তে চায় সেখানে ধর্মগুলো দাঁড়িয়ে থাকে নিজ দলবল নিয়ে অন্যের বিরুদ্ধে লাঠিবাজি করার জন্য। অথচ তাদের বিশ্বাসগুলো ফাঁপা ও যুক্তিহীন।
অনেকে এ দেখে ও বুঝে চেপে যান। অনেকে মরমিবাদের আশ্রয় নিয়ে ধর্মগুলোর মধ্যে মিলন ঘটানোর চেষ্টা করেন। আমার মতে তাতে নতুন একটা ধর্ম সৃষ্টি হয় কিন্তু বিভিন্ন ধর্মের মিলন হয় না। ফলে পৃথিবীতে সেই অনৈক্যের হানহানি।
আমার কাছে এই ঐক্যের মরমীবাদের পথ ভ্রান্ত মনে হয়। আদিম ও মধ্যযুগের মানুষদের কুসংস্কারগুলো আঁকড়ে ধরে আছে ধর্মগুলো। এই কুসংস্কারগুলোকে সরাসরি কুসংস্কার বলতে হবে। প্রবৃত্তিগতভাবে মানুষ যে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের অসৎ প্রচারকৌশলের শিকার হয়ে জঙ্গি হয়ে উঠে তা থেকে তাকে রক্ষা করতে হবে।
এই বাস্তবতায় শাক দিয়ে মাছ ঢেকে লাভ নেই। বরং শাক তুলে দেখাতে হবে এটা সত্যি সত্যি মাছ। মাছ প্রমাণ করার ফায়দা অবশ্যই আছে, পাওয়াও যাবে।
অতিথি বলেছেন:
মুড়িওয়ালারে স্বরি শোমচৌর শেষের দুইলাইন আমিও সুর করে গাইতাছি
মুড়িওয়ালা বলেছেন:
কথা ভুল বলেন নাই, শোমচৌ। কিন্তু ঝামেলা লাগে তো ঐ মাছটা নিয়েই। সবাই প্রমাণ করতে চায়, তার ধর্মই শ্রেষ্ঠ। এখানে অনেকেই পোস্ট দেয় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্ঠায়। কিন্তু এইটা বুঝেনা যে অন্য ধর্মের কারো গায়ে লাগতে পারে এইটা, ঠিক যেমন তাদের গায়ে লাগে কেউ যখন কোরআন নিয়া কথা বলে। ধর্মনিয়া যাবতীয় দ্্বন্দ্বের এইটা মূল কারণ। সবাই চায় প্রমাণ করতে আমিই সবার সেরা। একই ব্যাপার ঘটে কেউ যখন প্রমাণ করতে চায়, ধর্ম বলে আসলে কিছুই নাই।সব ধর্মের মূল ব্যাপারটা আমার কাছে একটাই, ভালমত বাঁচ, ভালভাবে থাক। কঁ্যাচাল বাঁধে এই সহজ ব্যাপারটা প্যাঁচাইলেই। দাঙ্গা-হাঙ্গামার মূল কারণ কিন্তু এইটাই। চরমপ্থিী হয়ে কারোই কোন লাভ হয় না।
আর ধর্ম তো একটা হাতিয়ার মাত্র, আপনিও খুব ভাল করে জানেন, যারা এই হাঙ্গামার হোতা, তাদের মূল মোটিভটা কি। গোটা পৃথিবীর মানুষ ধর্মহীন হলে এর অবসান হবে, এটা আমি মোটেও বিশ্বাস করি না।
অতিথি বলেছেন:
অপ'র কষ্ট সার্থক হোক! অন্তত এই ঠ্যালায়তো দুই একজন কোরআন হাদীস পড়তাছে। আর হাছা মিছা ঠাওর পাইতাছে!আমিতো আরো এই রকম লেখা চাই!
অপ বাক বলেছেন:
এখন একই পোষ্টের 2টা পর্ব করতে হবে বোধ হয়, একটা সেসব আনপড় মানুষের জন্য যাদের জীবন তাদের দৃশ্যমান জগত দিয়ে বদ্ধ করা আর অন্যটা যারা চিন্তা ভাবনা করে এই সাধারন অবলোকনের পর্যায় থেকে উপরে উঠতে পেরেছে।সমস্যাটা খুবই সাধারন ছিলো- সূর্যের অস্ত যাওয়া এবং সূর্যের উদিত হওয়ার বিষয়টা একটা সাধারন পর্যবেক্ষন, যেমন সাধারন পর্যবেক্ষন দিন ও রাতের বিষয়টা।
সূর্য ডুবে যায় না, কিংবা উদিত হয় না, তা তার অবস্থানেই স্থির থাকে।সেখানে জ্বলতেই থাকে অবশ্য, রাত হলে সূর্য অন্ধকার হয়ে যায় না- এই সাধারন পর্যবেক্ষনটাকে সত্য মানার কিছু নেই,
দন্দ্বটা লাগে যখন এটাকে লৌকিক একটা অবস্থান দেওয়া হয়। সমতলীয় পৃথিবীর ধারনাটা আসছে এভাবেই, যেই পৃথিবীতে নীচের পৃষ্ঠে কোনো মানুষের বসতি নেই সেই পৃথিবীতে সব সময় সত্য হিসেবে এটা চালানো যেতে পারে তবে গোলাকার পৃথিবীতে এই ধারনার অবস্থান নেই কোন।
অবৈজ্ঞানিক বিষয়টার জন্ম হয় যখন আমরা আমাদের পর্যবেক্ষনকে সত্য মনে করি। বিজ্ঞান প্রথমেই এই বিষয়টাকে এড়িয়ে যেতে বলে।কেউ যদি বিশ্বস করে সূর্য অস্ত যাওয়া এবং উদিত হওয়া অতীব সত্য এবং বিজ্ঞানসম্মত বিষয় তাহলে তাদের সাথে বৈজ্ঞানিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাওয়াটা ষন্ডামি হয়ে যায়।
অপ বাক বলেছেন:
কি করবে, লিখবে না পড়বে??
অতিথি বলেছেন:
হ্যাটস অফ!
অতিথি বলেছেন:
আহারে! আমার অপবাকরে একটু হেল্প করতে ইচ্ছা করতাছে। অপবাক, "মহা=জ্ঞানী" আাঁরজ আঁলী মাঁতুব্বর বঁলেছিলেন 'মানুষ যখন মরার পর পচে গলে যাবে তখন তাকে আবার পুনুরুত্থান করবে সৃষ্টি কর্তা তাকে পুনরায় কিভাবে সৃষ্টি করবেন?"আহা, কত চমৎকার যুক্তি! বদের হাড্ডি বিজ্ঞানীগুলা ডিএনএ মিয়েনে নিয়া ঘাটা ঘাটা করেই যত সমস্যা লাগিয়ে দিল বেচারা "আাঁরজ আঁলী মাঁতুব্বর" এর যুক্তিতে। যাক বেচারা না হয় বিজ্ঞান না জেনে ভুল করে ফেলছিল।
আমাদের "অপ+বাক" কেও নাহয় আমরা কিছু না বলি। বেচারা সাহিত্য একটু কম বুঝে... বিজ্ঞানী মানুষতো!
যাক, অপ+বাক আপনি কিছু মনে করবেন না। পোলাপান একটু বেশী বুঝে। আপনি চালিয়ে যান। এই টপিককেই নাহয় আরেকদিন নতুন করে নতুন কোন (অপ)ব্যাখ্যা সহকারে হাজির করবেন। ব্যাপার না।
অতিথি বলেছেন:
[link|http://www.somewhereinblog.net/devil71blog/post/18688|fviZxq `vjvj wZwifyR Avevi wK wbqv KvD KvD K
অতিথি বলেছেন:
সবচেয়ে ভদ্রচিত আলোচনা যা এমন একটা পোস্টে কমই দেখা যায়, এটাতে দেখলাম।
উৎস বলেছেন:
সাচ্চুর মন্তব্য ভালো হইছে।
অতিথি বলেছেন:
সাচ্চুরে এক প্লেট কাচ্চি দাও তারপর কাচ্চু খেলুম সাচ্চুর লগে।
বিঙানিক যুক্তির কোন দরকার নাই। কোরআন রচিত হয়েছে আল্লাহ কর্তৃক। আর আমরা জানি পৃথিবীর সব কিছুই ঐ আল্লাহর সৃষ্টি। একজন বিঙানির মাথায় যে নলেজ দেয়া হয়েছে সেটাও ঐ আল্লাহ কর্তৃক। সুতরাং দেখতে হবে বিঙান আগে নাকি আল্লাহ আগে।
যারা কোরআন কে বিশ্বাস করে বা আল্লহকে বিশ্বাস করে তারা যুক্তি ছারাই বিশ্বাস করে। ধর্মের নিয়ম এটাই। আজ যদি কোন মুসলমান কে প্রশ্ন করা হয় আল্লাহ যে আছে এটার কি প্রমান আছে তোমার কাছে? সে কি জবাব দিতে পারবে? এটা কোন ধর্মের লোকেই পারবে না। আগেই বলেছি ধর্ম মানেই হল অন্ধ বিশ্বাস। নাস্তিকেরা ধর্মকে দেখে প্রমান আকারে। ধর্মের দলিল চায় শয়তানের অনুষারিরা।
ইসলাম ও কোরআন আপনার জন্মের অনেক আজেই নাজিল হয়েছে। সে সময় থেকে আজ পর্যন্ত আপনার মতো অনেক অপবাকের জন্ম্ন হয়েছে,তারা তো আর কোরআন এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি। যারা তুলেছে তাদেরকে কি বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে অবশ্যই সেটা জানেন।
সুতরাং ওরাও পারেনি কোরআন কে অসত্য প্রমান করতে আপনিও অসত্য প্রমানের বৃথা চেষ্টা করবেন না।
অতিথি বলেছেন:
বছর কয়েক আগে বায়তুল মোকাররমের খতিবে ওয়াজ দিছিলো পড়ালেখা জানা কয়টা মানুষের পাপেই পাকিস্তান ভাংগছে ।ঠিক । জেনে ফেলাটাই তো আদি পাপ ।
না জানলেই পাককা ইমানদার । জান্নাতুল ফেরদৌসে বসে হুর আর গেলমান স হ চরে শরাবান ত হুরা পানের অপার সৌভাগ্য !
এখন দেখি ঘটনা সত্যিই।
অতিথি বলেছেন:
হা। অতিজ্ঞানীদের হইতে সাবধান।
অতিথি বলেছেন:
অনেক কথা
লাল মিয়া বলেছেন:
ঈশ্বর নিশ্চিতভাবেই আছেন এবং তিনি নিশ্চিতভাবেই একজন তিলে খচ্চর
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
এরকম একটা পোস্ট আইজকাইল পড়তে দেখি না
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















বরাবরের মতো পড়লাম..
ধৈর্য্য ধরেন, মরমী ব্যাখ্যা চলে আসবে..