আমার প্রিয় পোস্ট

আমাদের প্রজনন - বিপাকে ইলেক্ট্রনের ভুমিকা- কোয়ান্টাম মেকানিক্স

২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:০৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভাববাদী মানুষের সাথে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করতে যাওয়া বিষম পীড়াদায়ক । তাদের অনুভবের সাথে বিজ্ঞানের নৈর্ব্যাক্তিক দর্শণের ভঙ্গিটা যায় না। তারা সাধারণত এমন একটা অর্থ তৈরি করে যা কোনো কোনো সময় অনভিপ্রেত- কোনো কোনো সময় সেটা মূল নীতির বিরোধি একটা অবস্থান।

বিজ্ঞানের নৈর্ব্যাক্তিকতা কিংবা বিজ্ঞানের অবস্থাননিরপেক্ষতার ধারণাটা গ্রহন করবার মানসিকতা তৈরি না হলে কিংবা বিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে না দেখে অন্য কোনো ভাববাদী অবস্থান থেকে দেখলে সেটা বৈজ্ঞানিক মানস তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে না। বিজ্ঞানের তত্ত্ব কিংবা অনুসিদ্ধান্তগুলো গ্রহন এবং বর্জনের প্রক্রিয়াটা পুরোনো- তবে সেটার কিছু যৌক্তিক ভিত্তি আছে-

কোয়ান্টাম ফিজিক্স কিংবা কোয়ান্টাম মেকানিক্স বিষয়ে অনেক রকম ভাববাদী অবস্থান দেখা যায়- এখানে মানুষের পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া এবং আমাদের যন্ত্রের ব্যবহারে বস্তুকণার মৌলিক পর্যবেক্ষণযোগ্য দশার পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা আছে- আমাদের পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া কিংবা আমাদের বস্তুকণার উপস্থিতি এবং দশা নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।

মূলত আমরা যেসব যন্ত্র ব্যবহার করে বস্তুকণার দশা পরিমাপের প্রচেষ্টা করি তা মূলত তড়িৎচুম্বকীয় পদ্ধতি- এখানে বস্তুর দশা পরিমাপের জন্য আমরা আলোক কণিকা কিংবা অন্য কোনো তড়িৎ আধানযুক্ত কণিকার সাথে বস্তুর সংঘর্ষ কিংবা বস্তুর শক্তির আদানপ্রদান লক্ষ্য করি- এবং এর ফলে আমাদের পাঠানো কণিকার দশার পরিবর্তন লক্ষ্য করে হিসাব কষে নির্ধারণ করি ঠিক কি কি কারণে কোন কোন দশায় থাকলে এই বস্তুকণাটির সাথে সংঘর্ষে আমাদের পঠানো প্রোব কিংবা পর্যবেক্ষণকার্যে নিয়োজিত কণিকার এই পরিবর্তণগুলো হওয়া সম্ভব- এইভাবেই আমরা নিশ্চিত হই বস্তুকণার তাৎক্ষণিক দশা সম্পর্কে। তবে এই দশাটাই যে চুড়ান্ত দশা তাও সঠিক কিংবা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না।

বস্তুকণা নিজের জগতে যতগুলো অবস্থা কিংবা দশায় থাকা সম্ভব তার কোনো একটাতে অবস্থান করে- আমাদের পর্যবেক্ষণও এটাই নিশ্চিত করে যে বস্তুকণাটি আমাদের বোধগম্য বিবেচনায় যে কয়টা দশা কিংবা অবস্থা আমরা কল্পনা করেছিলাম তার কোনো একটাতেই বিদ্যমান। এটাকে যদি আমরা একটা গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে চিহ্নিত করতে চাই তাহলে আমাদের সমীকরণ ধরে নিতে হবে- এই সমীকরণে থাকবে বস্তুর সাম্ভাব্যদশাগুলোর সমষ্ঠি- যদি সেগুলোকে "ক" :খ" ; "গ" এইরকম ভাবে চিহ্নিত করা যায় তাহলে আমরা সবগুলো দশার সমষ্ঠি হিসেবে একটা সমীকরণ লিখবো-
পর্যবেক্ষণের পূর্বে বস্তুর অবস্থান হবে এই দশাগুলোর সবগুলোই।

আমরা পর্যবেক্ষণ করবো, পর্যবেক্ষণ শেষে বস্তুর দশা কোনটা হবে এটা নিশ্চিত করলে দেখবো আমাদের সমীকরণে যে দশাগুলো ছিলো তার কোনো একটাই আসলে বস্তুর দশা। গাণিতিক হিসাব যেমনই হোক না কেনো দশাগুলোর প্রতিটি আরও কিছু বিধি মেনে নির্দিষ্ট হয়- এই বিধিগুলোও যৌক্তিক এবং এদের গ্রহন করবার কারণও নির্ধারিত হয় বস্তুর চরিত্র কিংবা বস্তুকণার চরিত্র দিয়ে। এই বিধিগুলো মেনে কোনো কোনো দশায় অবস্থান করা কণাটির জন্য অন্য দশাগুলোর তুলনায় অধিক সহজ, সেখানে বস্তুকণাকে খুঁজে পাওয়ার সম্ভবনাও বেশী।

যাই হোক কোয়ান্টাম মেকানিক্সে ভাগ্যের ভুমিকা বলে কিছু নেই- একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অনিশ্চয়তা থাকবে প্রতিটা পর্যবেক্ষণে- আর এই পর্যবেক্ষণের অনিশ্চয়তার ন্যুনতম মানটা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে-
পর্যবেক্ষণের এই অনিশ্চয়তা কেনো তৈরি হয় তারও একটা ব্যখ্যা দেওয়া আছে-

আমাদের পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত থাকলে হয়তো সেটা বুঝানো সহজ হতো। আমাদের পর্যবেক্ষণ অন্তত অতি আণবিক ক্ষেত্রে যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। এই যন্ত্র আমাদের অতি আণবিক কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানায়- তার বিভিন্ন দশা কিংবা পর্যায় সম্পর্কে জানায়।

শ্রোয়েডিঙ্গারের কালো বিড়ালের উপাখ্যানে যে কথাটা বলা আছে সেটা দার্শণিক সমস্যা না, সমস্যা হলো অন্ধকার একটা ঘরে একটা বেড়াল আছে- সেটা জীবিত কিংবা মৃত এই দুই অবস্থায় থাকতে পারে- আপনার পর্যবেক্ষণের কাজটা করতে হলে ঘরটা কিংবা বাক্সটা খুলতে হবে, বাক্সটা খুলার আগে বিড়ালটার অবস্থা দুটোই হতে পারে- হয় সেটা জীবিত কিংবা সেটা মৃত- তার দশা কিংবা অবস্থা নিয়ে যদি কোনো গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করতে হয় তবে তার জীবিত অবস্থা এবং মৃত অবস্থা এই দুটি অবস্থাকেই আমার সম্ভাবনায় রাখতে হবে-
যখন আমি বাক্সটা খুলবো ( স্থুল অর্থে বললে- সুক্ষ্ণার্থে যখনই আমরা কোনো একটা পর্যবেক্ষণ করবো তখনই পদার্থ কিংবা অতি আণবিক কণার দশাটা নির্দিষ্ট হবে) তখনই আমি জানতে পারবো বিড়ালটা মৃত না কি জীবিত- অর্থ্যাৎ আমাদের বাক্সটা খোলা কিংবা পর্যবেক্ষণ একটা নির্দিষ্ট দশা কিংবা অবস্থায় দেখায় অতি আণবিক কণাগুলোকে।

আমাদের প্রতিটা পর্যবেক্ষণ অতি আণবিক কণাগুলোর দশার পরিবর্তন করে-
আরও সংক্ষিপ্ত উদাহরণ হতে পারে আপনি একটি রাস্তায় হাঁটছেন- আপনার অবস্থান এবং আপনার গতিবেগ জানা থাকলে ঠিক পরবর্তী ১০ সেকেন্ডে আপনি কোথায় থাকবেন এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে- এটাই ক্ল্যাসিকাল ফিজিক্সের বক্তব্য- ডিটারমিনিস্টিক নেচার কিংবা পরবর্তী দশা সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করতে পারবার ক্ষমতা-
কিন্তু এটা কি সত্য হবে যখন আপনার গতিবেগ মাপার জন্য আমি একটা কামানের গোলা ছুড়লাম। কামানের গোলা আপনার গায়ে লেগে যখন আমার কাছে কিংবা পর্যবেক্ষণ যন্ত্রের কাছে ফেরত আসবে তখন কামানের গোলার যাওয়ার বেগ আসার বেগ, তার কৌণিক সরণ এইসব মেপে আমি বলতে পারবো আপনি ঠিক সেই মূহূর্তে কোথায় ছিলেন- তবে আপনি কি সত্যিই কামানোর গোলার ধাক্কা খাওয়ার পরে আগের গতিতেই সরল পথে চলতে থাকবেন?
আপনার গতিতে পরিবর্তন আনবার জন্য সামান্য ভরবেগই যথেষ্ট- এটাই নিউটন বলে গিয়েছেন সপ্তদশ শতাব্দিতে- ভরবেগের সামান্য সংযুক্ত আমাদের গতির অবস্থা পরিবর্তন করে।


অতি আণবিক পর্যায়ে আমাদের প্রতিটা পর্যবেক্ষণ বস্তুকণার দশাকে বাড়তি কিছউ ভরবেগ দিয়ে দেয়- তাই তার তাৎক্ষণিক অবস্থান কিংবা গতিবেগ জানতে পারলেও আমাদের জানা হয় না এইমূহুর্তে সেটা কোন দিকে রওনা দিলো- প্রতিটা পর্যবেক্ষণ এক একটা কামানোর গোলার মতোই বস্তুকণাকে দিক পরিবর্তণে বাধ্য করে-
আর বস্তুর দশা সম্পর্কিত অনিশ্চয়তার উৎস আমাদের সাম্ভাব্য যতগুলো অবস্থা হওয়া সম্ভব তার সবগুলোকে বিবেচনায় আনলে পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা উপরে উল্লেখিত দশাগুলোর একটাতে বস্তুকণাকে দেখবো- অনিশ্চয়তা হলো ঠিক কোন দশায় দেখবো এটা আমরা বলতে পারবো না- তবে আমি চাইলে যেই দশায় দেখতে চাই সেই দশায় বস্তুকণা থাকবে এই বাস্তবতা নেই- বস্তুকণা আমার মনের খবর জানে না, বস্তুকণা জানে তার পক্ষে ঠিক কোন কোন খানে যাওয়া উচিত কিংবা যাওয়া বৈধ - সেই বৈধ অবস্থান ব্যতিত অন্য কোনো অবস্থানে গিয়ে বস্তুকণাকে জেনা করতে দেখা যাবে না- আমাদের যাবতীয় প্রার্থনা এবং কামনাকে ব্যর্থ করে বস্তুকণা তার নিজের মতোই আচরণ করবে। আমি যতই প্রার্থনা করি, মনের জোর খাটাই দুটো ইলেক্ট্রনকে একই দশায় রাখতে পারবো না-
আমাদের চারপাশের দৃশ্যমাণ জগতের বাস্তবতা কিংবা তাদের এই আকৃতি- তার সবটাই এই ছোটো একটা কারণে- আমাদের দৈর্ঘ্য আমাদের প্রস্থ আমাদের উচ্চতা- আমাদের বিপাক এবং আমাদের প্রজনন সবগুলোই এই নীতিকে বাস্তবায়ন করে। দুটো ইলেক্ট্রন কিংবা দুটো প্রোটন কিংবা দুটো নিউট্রন একই দশায় থাকবে না।

 

 

  • ৭৫ টি মন্তব্য
  • ৪১৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:১৮
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: বস্তুকণা নিজের জগতে যতগুলো অবস্থা কিংবা দশায় থাকা সম্ভব তার কোনো একটাতে অবস্থান করে- আমাদের পর্যবেক্ষণও এটাই নিশ্চিত করে যে বস্তুকণাটি আমাদের বোধগম্য বিবেচনায় যে কয়টা দশা কিংবা অবস্থা আমরা কল্পনা করেছিলাম তার কোনো একটাতেই বিদ্যমান। এটাকে যদি আমরা একটা গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে চিহ্নিত করতে চাই তাহলে আমাদের সমীকরণ ধরে নিতে হবে- এই সমীকরণে থাকবে বস্তুর সাম্ভাব্যদশাগুলোর সমষ্ঠি- যদি সেগুলোকে "ক" :খ" ; "গ" এইরকম ভাবে চিহ্নিত করা যায় তাহলে আমরা সবগুলো দশার সমষ্ঠি হিসেবে একটা সমীকরণ লিখবো-
পর্যবেক্ষণের পূর্বে বস্তুর অবস্থান হবে এই দশাগুলোর সবগুলোই।

আমরা পর্যবেক্ষণ করবো, পর্যবেক্ষণ শেষে বস্তুর দশা কোনটা হবে এটা নিশ্চিত করলে দেখবো আমাদের সমীকরণে যে দশাগুলো ছিলো তার কোনো একটাই আসলে বস্তুর দশা।

=======
চমৎকার। নোট করুন.. "পর্যবেক্ষণ শেষে বস্তুর দশা কোনটা হবে এটা নিশ্চিত করলে দেখবো আমাদের সমীকরণে যে দশাগুলো ছিলো তার কোনো একটাই আসলে বস্তুর দশা।"
আর মনের ভূমিকা ওখানেই যে, বিকল্প 'দশা'গুলির গাণিতিক সম্ভাবনা সবগুলিরই সমান কিন্তু বাস্তবে রূপ পাবে একটিমাত্র 'দশা'। সেই একটিমাত্র 'দশা' কোনটি তা দেখার জন্য একজন 'দর্শক' লাগবে। তবেই না তাকে 'বাস্তব' বলা যাবে। আশা করি বুঝেছেন। ধরে নিন, মহাজগতে মানুষ বা অন্যকোনো চেতনাশীল কোনো সত্ত্বা অনুপস্থিত। সেক্ষ্রত্রে একটি কণা'র সবগুলি 'দশা'ই গাণিতিকভাবে সত্য। তাহলে আপনাকে স্বীকার করতে হচ্ছে একটি কণার সবগুলি সম্ভাবনাই 'সিমালটেনিয়াসলি' সত্য। এখন অপবাকের কাছে প্রশ্ন- তা কি হওয়া সম্ভব? অতগুলি সম্ভাবনার মধ্যে একটিই সঠিক হওয়া সম্ভব। অতগুলি সিমালটেনিয়াস সত্যের মধ্যে ঠিক কোনটি আসলে 'বাস্তব' হবে তা চাক্ষুস করার জন্য ও অতগুলি সিমালটেনিয়াস সত্যের মধ্যে ঠিক কোনটি আসলে 'বাস্তব' সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য একজন 'দর্শক' বা চেতন 'মন' দরকার। আমার বক্তব্য এটাই।
২. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:১৯
comment by: নেমেসিস বলেছেন: অনেকদিন বাদে বিজ্ঞান বিষয়ক পোস্ট দিলেন । ধন্যবাদ ।


[ আপ্রাসংগিকঃ আপনার আগেকার লেখা অনেক সিরিজই অসম্পুর্ন রয়ে গেছে । একটু সময় করে সেগুলোতেও হাত দিবেন প্লিজ ]
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: অনেকগুলো সিরিজ অসম্পূর্ন কারণ উপযুক্ত সময়ের অভাব- এর তুলনায় আরও বেশী হলো উপকরণের অভাব- অবস্থান পরিবর্তণের কারণে এখন আগের মতো ম্যাটেরিয়ালের সহজলভ্যতা নেই।

৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৩
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: কথাটা আসছে এটাই যে, ক্লাসিক্যাল পদার্থ বিদ্যায় যে একটা নির্ভার নিশ্চয়তা ছিল তা কি কোয়ন্টামে এসে কিছুটা চান্স নির্ভর হচ্ছে না? আপনি বিকল্প সম্ভাবনাগুলি যতই মাপাজোখা করুন না কেন শেষ পর্যন্ত অতগুলি সম্ভাবনার মধ্যে ঠিক কোনটা 'সত্য' হয়ে দেখা দেবে তা ঘটনার শেষ বিন্দুতে না পেঁৗছা পর্যন্ত বলা যাবে না। তাহলে একটা ঐ মাপাজোখায় ব্যাবহারিক সুবিধাটুকু আপনি পেতে পারবেন বটে কিন্তু প্রশ্নটা যখন বিজ্ঞানের দর্শন নিয়ে তখন আপনাকের একটু ভাববাদের দিকে এক পা হলেও আগাতে হবে। আপনার হিসেবের মধ্যে 'চান্স' কে একটু সুযোগ দিতেই হবে। এবং 'বাই চান্স' কোনটা সত্য বলে নির্ধারিত হলো তা প্রত্যক্ষ করার জন্য একজন 'দর্শক' বা 'মন' অব্শ্যই লাগবে। এটাই কথা। ফিলোসফি অব সাইন্স বলে কথা।
৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর আচরণ পূর্বে থেকে অনুমান করা যায় না। ফলে বাস্তব জগতে কোনো ঘটনার কমপক্ষে দুইটি সমান সম্ভাবনা থাকতে পারে। ঐ দুইটির মধ্যে কোনটি আসলে বাস্তব তা কেবল ঘটনার 'দর্শক' বা কোনো 'মন' ই বলতে পারবে। গাণিতিক সম্ভাবন একের অধিক হলেও বাস্তব একটাই এবং সেটা ''দর্শক'' এর উপস্থিতিতে। 'বিড়াল টেস্ট' দ্বারা এটাই পরিক্ষা করা হয়। একটি বিড়ালকে একটি চারদিক বন্ধ বাক্সে রেখে খাবার খেতে দেয়া হয়। আর বাক্সের মধ্যে এমনভাবে একটি 'বিষ' বা পয়েজনের পাত্র রাখা হয়। তারপর বাক্সের বাহির থেকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি আণবিক 'কণা' নির্গত করা হয়। কোয়ান্টাম সূত্র অনুসারে ঐ কণাটি চলার কমপক্ষে দুইটি পথ থাকতে পারে। কণাটি যদি একটি বাক্সের মধ্যে নিদিৃস্ট পয়েন্টে আঘাত করে তবে বিড়ালের খাবারের সাথে বিষ মিশে যায় এবং বিষ মিশ্রিত খাবার খেয়ে বিড়াল মারা যায়। এখন কোয়ান্টাম সুত্র অনুযায়ী যেহেতু কণাটির চলার পথ একাধিক তাই বিড়ালের খাবারে বিষ মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং একই সঙ্গে না মিশে যাওযার সম্ভাবনা সমান সমান। অর্থাৎ বাক্সবন্দী বিাড়লটি 'একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত' যা বাস্তবে হওয়া সম্ভব নয়। অথচ ক্লাসক্যিাল পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী কণাটি চলার একটিমাত্র পথ থাকা উচিত তাতে, প্রতি মুহুর্তে বিড়ালটি 'হয় জীবিত নতুবা মৃত'- যা গাণিতিক সিধান্ত হিসেবে সঠিক এবং বাস্তবে হওয়া সম্ভব। কিন্তু কোয়ান্টাম বিদ্যা অনুযায়ী বিড়ালটি "প্রতি মুহুর্তে একইসঙ্গে জীবিত ও মৃত"- যা গাণিতিক সিন্ধান্ত হিসেবে একটি ভুতুড়ে সিধান্ত। এক্ষ্রেত্রে একজন "দর্শকের" বা একটি সচেতন 'মন' ই কেবল বাস্তব সিধান্তটি দিতে পারে। এ্ক্রেত্রে একজন 'দর্শক'ই কেবল বলতে পারে কোনটি সঠিক বাস্তবতা। তাই ভৌত বাস্তবতার 'দর্শক'নিরপেক্ষ বা 'মন'নিরপেক্ষ উপযোগিতা নেই। এ ই হচ্ছে 'বেড়াল পরীক্ষা'র প্রতিপাদ্য। এবং কোয়ান্টাম পদার্থ বিদ্যা এটাই বলতে চায়। মানুষের 'অনু থেকে পরমাণু আর পরমাণু থেকে আরও সুক্ষ পর্যায়ে যতই গবেষণা করতে ততই কোয়ান্টাম বিদ্যার সম্ভাবনা উজ্জল হয়ে উঠছে। তবে পদার্থবিদ্যার সাধারণ ভিত্তি হিসেবে ক্লাসিক্যাল পদার্থ বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা থাকবে সবসময়।
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: এই রকম কোনো পরীক্ষা কোথাও হয়েছে এমনটা আমি শুনি না, বৈজ্ঞানিক সত্য নির্ধারণের এই রকম পন্থার কথাও আমার জানা নেই- তবে যদি কোনো বস্তুকণাকে পাঠানো হয় এই কাজ তবে গাণিতিক সমীকরণ বলেই আমি নিশ্চিত করতে পারি বিড়ালটা মারা যাবে না।
যখন দুটো সাম্ভাব্য পথ থাকবে তখন বস্তকণা নির্দিষ্ট একটা দিকে যাবে না- বরং ইন্টারফেরেন্স ঘটবে - এই ইন্টারফেরেন্স যদি ঘটে তাহলে নির্দিষ্ট একটা দিকে যাবে না বস্তুকণা- মাঝামাঝি কোথাও এটার থাকবার সম্ভাবনা বেশী থাকবে- এবং কোনো জায়গায় এটা থাকবেই না- তবে এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি যদি ২টা সরল রেখে টানা হয় তবে সেই ২ সরল রেখার কোথাও যাবে না এই বস্তুকণা।
থাকবে এই দুই সরল রেখার মাঝামাঝি- এবং ইন্টারফেরেন্সের সুত্র মেনে আর যতগুলো অবস্থান সম্ভব সেখানে- আপনি চাইলে ১০০০ কণা পাঠাতে পারেন- তবে তাতে বিড়ালের মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়বে না, বিড়ালটা জীবিতই থাকবে-

যে বিজ্ঞ ব্যক্তি আপনাকে কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে সে একটা উৎকট রসিকতা করেছে- সরল ভাষায় বললে আপনাকে উল্লুক বানিয়েছে-

৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: আল-কোরানে নিশ্চয়ই এসব কিছুর ব্যাখ্যা আছে।
৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: অপ বাক বলেছেন: সাম্ভাব্য যতগুলো অবস্থান সম্ভব তার একটাতেই থাকবে বস্তুকণা- তবে সাম্ভাব্য যতগুলো পথ আছে তার সবগুলোই গ্রহন করবে, অন্তত পরীক্ষাগারে এটাই নিশ্চিত হয়েছে- বস্তুকণা একই সাথে একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে- এটার গাণিতিক ভিত্তি আছে তবে আমাদের সচেতনতার সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থান এটা।
ক্ল্যাসিকাল পদার্থ বিজ্ঞান কিংবা আমাদের চারপাশের বস্তুজগতের অবস্থান বিবেচনা করে এটাকে অগ্রহনযোগ্য মনে হতে পারে-

গাণিতিক সমীকরণের উপরে নির্ভর করবে বস্তুর কিংবা বস্তুকণার অবস্থা এবং অবস্থান এটা অগ্রহনযোগ্য হলেও এটা কোয়ান্টাম বাস্তবতা- আমাদের সমীকরণের সবগুলো দশাই বাস্তব দশা- এদের একক- একাধিক সবগুলো সম্মিলনই বাস্তব গাণিতিক সমীকরণ- এইগুলো গ্রহন করতে বস্তুকণার কোনো দ্বিধা নেই-

পারমিসিবল অল দ্যা স্টেট এন্ড দেয়ার লিনিয়ার কম্বিনেশন আর ইক্যুয়ালী ফিজিবল ফিজিক্যাল রিয়ালিটি।
৭. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: একই ভুলটা আপনি আবার চাপিয়ে দিলেন। ব্স্তুর গতিকে মন পূর্ব থেকে প্রভাব খাটিয়ে পরিবর্তন করতে পারে না সেটা ঠিক একশবার। আমি বলছিলাম যে, আপনার গাণিতিক হিসাব যখন অনেকগুলি সম্ভাবনার কথা বললো বটে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১০ টা (ধরে নিচ্ছি) সিমালটেনিয়াস সম্ভাবনার মধ্যে ঠিক কোনটা শেষ পর্যন্ত রূপলাভ করল আর কোন সম্ভাবনাগুলি বাতিল হলো তা আপনি যতক্ষণ না দেখার জন্য জীবিত থাকছেন ততক্ষণ আপনার গাণিতিক হিসাব আর আপনার সমীকরণ সবই শুভঙ্করের ফাঁকি হয়ে থেকে গেল। ঐ গণিত কষার 'মন' নিরপেক্ষ এবং ইউনিভার্সাল কোনো মূল্য থাকলো না।
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আমার জীবিত থাকবার কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে আদতে?
ধরেন একটা বিস্ফোরক ১০ ভাবে ফাটতে পারে- ১০টাই সমান বাস্তব সম্ভাবনা- তবে নিশ্চিত ভাবে বলা যায় ১১তম কোনো উপায়ে এটা ফাটবে না- আপনি একই সাথে ১০ হাজার বোমা ফাটালে দেখবেন প্রায় ১০০০ করেই সবগুলো পন্থায় বোমাটা বিস্ফোরিত হয়েছে- এখানে কোনো সম্ভাবনাই বাতিল হলো না। সবগুলোর সাম্ভাব্যতাই প্রমাণিত হলো- অন্তত আপনার কথা যদি কোনো কারণে সত্য হতো তাহলে এত পয়সা খরচ করে সার্নে কোলাইডার তৈরি করে ডাটা এনালাইসিস করতো না লোকজন।

কোনটা রুপ লাভ করলো কোনটা করলো না এটা নির্ধারণের জন্য স্যাম্পল সংখ্যা বাড়াতে হবে- স্যম্পল সংখ্যা বাড়ালেই এটা নির্ধারিত হবে কোনটার ঘটবার সম্ভবনা কতটুকু- কোনোটার সম্ভবনা ১ শতাংশ- কোনোটার ৫০ শতাংশ, কোনোটার .০০০০৫ শতাংশ- কিন্তু সম্ভবনা থাকলে সেটা স্যাম্পলের সংখ্যা দিয়েই নির্ধারণ করা সম্ভব- আমাদের গাণিতিক সমীকরণে সাম্ভাব্য দশা এবং এটা ঘটবার সম্ভবনা নির্ধারিত করে দেওয়া থাকে।

৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: "আমাদের সমীকরণের সবগুলো দশাই বাস্তব দশা- এদের একক- একাধিক সবগুলো সম্মিলনই বাস্তব গাণিতিক সমীকরণ- এইগুলো গ্রহন করতে বস্তুকণার কোনো দ্বিধা নেই- "

দ্বিধা আছে কি নেই তা কেউ কোনোদিন বস্তুকণাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারবে না। কথা হলো, কোয়ান্টাম বিদ্যার পথ সুচারু এবং মসৃণ করার জন্য উপরের কোটেশনের বক্তব্যটি একটি "মনে করি" ধরনের প্র্রতিপাদ্য। তা ও ক্ন্তিু "মনে করি" বা "ধরে নেই" করেছে মানুষের "মন"।
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: মানুষের মন কিছু করে না- অন্তত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষণের বিষয়ে মানুষের মন সাম্ভাব্য ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলে না- কিছু বৈজ্ঞানিক বিধি আছে- যেগুলোকে অনুসিদ্ধান্ত বলে এই অনুসিদ্ধান্তগুলোই নির্ধারণ করে আমাদের বস্তুকণার দশাগুলো সমীকরণে লিখবার সময় আমরা কিভাবে সাজাবো।
কোন কোন দশাকে বাদ দেওয়া যায়- সমস্যা হলো কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ক্ষেত্রে পরীক্ষাগারের ভুমিকাই প্রধান- সেখানে গাণিতিক অনুসিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবতা নিরীক্ষা করা হয়- বিজ্ঞানের প্রথম শর্ত হচ্ছে এটা বস্তুর অবস্থান নিরপেক্ষ হতে হবে- দ্বীতিয় শর্ত হচ্ছে এটা নৈর্ব্যাক্তিক হতে হবে- অর্থ্যাৎ এটা উপস্থিত পরীক্ষকের উপরে নির্ভর করবে না- একজনের সাথে জ্বিন থাকতে পারে- সে ছাড়া আর অন্য জনের সাথে জ্বিনের কেরামতি দেখা যাবে না- কিন্তু বিজ্ঞানের তামাশা সবার সাথেই হবে- আমার সাথে যা ঘটবে আপনাকে যন্ত্র হাতে পরীক্ষায় নিয়োগ করলেও একই ঘটনা ঘটবে।
সমীকরণে যাদৃচ্ছিক দশার সম্মিলিন সম্ভব না- এই একটা অবস্থান পরিস্কার না হওয়া পর্যন্ত আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব না।
আপনি গরু আর ছাগলেকে এক খোঁয়ারে রাখতে পারেন তবে হিসাব করবার সময় আলাদা আলাদা করে হিসাব করতে হবে- ১০টা গরু ৫টা ছাগল থাকলে সেটাকে এইভাবেই সমীকরণে লিখতে হবে- আপনি ৯টা গরু- ৫টা ছাগল এবং একটা গরু ছাগলের সংকর লিখতে পারবেন না।
এটা গাণিতিক সমীকরণের প্রাথমিক শর্ত- সবগুলো মাত্রাগত ভাবে সমান না হলে তাদের সরল সমীকরণে লেখা যায় না-

৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল' পরীক্ষাটা আপনি আবার ভালভাবে দেখুন ও বুঝুন।
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: শ্রোয়েডিঙ্গারের বেড়াল পরীক্ষাটা একটা কাল্পনিক পরীক্ষা- এটা কেউ বাস্তবে করেছে কি না সেটা জানতে চাইছিলাম- ধরেন পরীক্ষাটাকে আরও সরল করে উপস্থাপন করা যাক- একটা বাক্সবন্দী বেড়াল, ভেতরে খাবার পাত্র রাখা- একটাতে বিষ মেশানো অন্যটাতে বিষ নেই- বেড়াল কোনটাতে মুখ দিবে সেটা আমার জানা নেই- যদি বেড়াল বিষের পেয়ালায় চুমুক দেয় বেড়াল মৃত-
যদি সে না দেয় তাহলে সে জীবিত- এই অবস্থায় বাইরের দর্শকের কাছে বেড়ালটার সাম্ভাব্য অবস্থান কি? আধা মৃত আধা জীবিত- এই কথাই প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন?

ধরেন আপনি এই রকম ১০০০টা বাক্সে বিড়াল রাখলেন- যদি খুলেন একই সময়ে তাহলে ৫০০টা মৃত এবং ৫০০টা জীবিত বেড়াল পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী- এখানে আপনি ১০০০ ভিন্ন ভিন্ন মানুষ দিয়ে করলে যা সমাধান পাবেন- আপনি নিজে ১০০০ টা বেড়াল ১০০০ বার বাক্সে ঢুকিয়েও একই সমাধান পাবেন। সেই ৫০০- ৫০০
ব্রিটানিয়া ৫০-৫০

১০. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: কোথায় কি যে পড়াশুনা করেন জানিনা। দুঃখ লাগে যখন আপনাদের মত কুপমুন্ডুকরা বলগায়। এত কিছু বলগাইলেন আর এটুকু জানেন না যে শ্রোয়েডিঙ্গাররের বিাড়াল পরীক্ষার নামটি যদিও একটি উপাখ্যানের নাম অনুসারে করা হয়েছে। তা ঐ নামটি মাত্র নেয়া হয়েছে উপাখ্যান থেকে প্রকৃত পক্ষে এটা সম্পূর্ণ একটি বিজ্ঞানের একটি ল্যাবরেটরী টেস্ট। বিস্তারিত দেখুনঃ বহুল জনপ্রিয় উইকিপিডিয়াতে, নিজে দেখুন, অন্্যদেরকে জানান। ছবি, তথ্য, সমীকরণ সবই পাবেনঃ দ্রুত দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
১১. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১১
comment by: অপ বাক বলেছেন: ভাই এখনও উইকিশায়েখ হয়ে উঠতে পারি নি- পড়াশোনা অল্পবিস্তর করেছি - তবে যা শিখেছি তাই বলছিলাম, ভাববাদের সাথে বৈজ্ঞানিক কল্পনের মিল নেই-
১২. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৭
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: Click This Link

লেখার লিংকটা বাংলায় লিখে দেওয়া যাচ্ছে না-

পদ্ধতিটা বলি- উইকিপিডিয়া সার্চে গিয়ে শ্রোয়েডিংগারস ক্যাট লিখে এন্টার চাপলেই চলে আসবে পাতাটা- সেখানের ডান পাশে একটা বেড়ালের ছবি আছে- তবে ছবি না দেখে কষ্ট করে পাতাটা সম্পূর্ণ পড়তে হবে- তারপরে আপনি একটা কাজ করতে পারেন- আপনি যে লিংকটা দিলেন -সেটা কপি করে দেখলাম উইকিপিডিয়া- শ্রোয়েডিংগার লেখা- এটা দিয়ে কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না। যদি লিংক আকারে দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে দেন গিয়ে পড়ে আসি-

১৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৮
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: তো উইকি ত গেলেন না যে। আরেকদিন যেয়েন। আজ এপর্যন্তই. ধন্যবাদ।
১৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: আচ্ছা উনি না যাক অন্যরা যাদের এ ব্যাপারে আগ্রহ আছে সঠিক তথ্য পেতে দয়া করে দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
১৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: শ্রোয়েডিঙ্গারের বেড়াল পরীক্ষাটা একটা কাল্পনিক পরীক্ষা- এটা কেউ বাস্তবে করেছে কি না সেটা জানতে চাইছিলাম- ধরেন পরীক্ষাটাকে আরও সরল করে উপস্থাপন করা যাক- একটা বাক্সবন্দী বেড়াল, ভেতরে খাবার পাত্র রাখা- একটাতে বিষ মেশানো অন্যটাতে বিষ নেই- বেড়াল কোনটাতে মুখ দিবে সেটা আমার জানা নেই- যদি বেড়াল বিষের পেয়ালায় চুমুক দেয় বেড়াল মৃত-
যদি সে না দেয় তাহলে সে জীবিত- এই অবস্থায় বাইরের দর্শকের কাছে বেড়ালটার সাম্ভাব্য অবস্থান কি? আধা মৃত আধা জীবিত- এই কথাই প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন?

ধরেন আপনি এই রকম ১০০০টা বাক্সে বিড়াল রাখলেন- যদি খুলেন একই সময়ে তাহলে ৫০০টা মৃত এবং ৫০০টা জীবিত বেড়াল পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী- এখানে আপনি ১০০০ ভিন্ন ভিন্ন মানুষ দিয়ে করলে যা সমাধান পাবেন- আপনি নিজে ১০০০ টা বেড়াল ১০০০ বার বাক্সে ঢুকিয়েও একই সমাধান পাবেন। সেই ৫০০- ৫০০



=======
ছিঃ কি নিলর্জ্জ।
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: যদি বাক্স দেখেন তাহলে বাক্সগুলোকে কপি করে ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে ইংরেজি কোনো ফন্ট সিলেক্ট করলেই দেখা যাবে সেখানে লেখা আছে-

দিস এক্সপেরিমেন্ট ইজ এ পিওরলি থিওরেটিক্যাল ওয়ান, এন্ড দ্যা ম্যাশিন প্রোপোজড ইজ নট টু নোন টু হ্যাভ বিন কনসট্রাকটেড।

যার বঙ্গানুবাদ হলো
এই পরীক্ষাটা সম্পূর্ণভাবেই পুঁথিগত কিংবা কাল্পনিক পরীক্ষা- আর এখানে উল্লেখিত যন্ত্রটি আমাদের জানা মতে কখনই তৈরি করা হয় নি।

১৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২৩
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: অপবাক বলেছেনঃশ্রোয়েডিঙ্গারের বেড়াল পরীক্ষাটা একটা কাল্পনিক পরীক্ষা
দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
সে কত কিছু বলগাইল। সমীকরণ টমীকরণ দেখাইলো। কই গেইলো?
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: যাই হোক আপনার মনে হয় আরও একবার পড়া উচিত নিবন্ধটা- সেখানে পড়ে দেখেন সম্পূর্নটাতেই বলা হয়েছে এটা একটা কাল্পনিক পরীক্ষা- কেউ এখনও করে দেখে নি-
এর অনেকগুলো বিকল্প পন্থার কথাও দেখলাম, সেগুলো করা হয়েছে কি না জানি না -

১৭. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: আপনার দেওয়া লিংকটা দেখতে পারছি না, বাক্স আসছে- কোয়ান্টাম বেড়ালের বাক্স-

তবে এই উইকিপিডিয়াতে গিয়ে শ্রোয়েডিঙ্গার ক্যাট লিখে সার্চ দিলে যেই পাতাটা আসে সেটাতে বিস্তারিত বলা আছে- ছবি দেখি নি-

লিংক এখানে দিলাম
বাক্স বাক্স দেখবো আমি- আপনি কি দেখবেন জানি না

Click This Link
১৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২৮
comment by: স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: ছালুয়ার কি ওয়ালড চাইন্স মুখস্ত কইরা ফিজিক্সের এমডি অপবাকের সঙ্গে লাগতে আইচো?
১৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩১
comment by: মুকুল বলেছেন: অপবাক ভাই কি ফিজিক্সের ছাত্র না কি?
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: ছিলাম এক সময়

২০. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: অপবাক ভাই, প্রবন্ধটির লাইলে লাইনে অসংখ্য লিংক আছে সেসব লিংকে ঢুকে অনেক প্রয়োজনীয় সব তথ্যই পেতে পারবেন।
২১. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৪
comment by: অপ বাক বলেছেন: আমি নিবন্ধটা কপি করে দিচ্ছি- ভাই আপনি পড়েন পড়ে একটু বুঝান- বাংলা করে দিতে পারলে আরও ভালো হয়।

Schrödinger's cat, often described as a paradox, is a thought experiment devised by Austrian physicist Erwin Schrödinger around 1935. It attempts to illustrate what he saw as the problems of the Copenhagen interpretation of quantum mechanics when it is applied beyond just atomic or subatomic systems.

The concept of superposition, one of the strangest in quantum mechanics, helped provoke Schrödinger's conjecture. Broadly stated, the superposition is the combination of all the possible positions of a subatomic particle. The Copenhagen interpretation implies that the superposition only undergoes collapse into a definite state at the exact moment of quantum measurement.

Schrödinger's mind-game was meant to criticize the strangeness of this. Influenced by a suggestion of Albert Einstein, Schrödinger extrapolated the concept to a larger scale. He proposed a scenario with a cat in a sealed box, where the cat's life or death was dependent on the state of a subatomic particle. According to Schrödinger, the Copenhagen interpretation implies that the cat remains both alive and dead until the box is opened.

Schrödinger did not wish to promote the idea of dead-and-alive cats as a serious possibility; quite the reverse: the thought experiment serves to illustrate the bizarreness of quantum mechanics and the mathematics necessary to describe quantum states. Several interpretations of quantum mechanics have been put forward in an attempt to resolve the paradox. How they treat it is often used as a way of illustrating and comparing their particular features, strengths and weaknesses.

২২. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: অপ বাক বলেছেন: যারা বাক্স ছাড়া অন্য কিছু দেখতে পারছে তাদের প্রতি অনুরোধ এই বাক্স দেখা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়টা জানিয়ে দিতে

Schrödinger wrote:

One can even set up quite ridiculous cases. A cat is penned up in a steel chamber, along with the following device (which must be secured against direct interference by the cat): in a Geiger counter there is a tiny bit of radioactive substance, so small, that perhaps in the course of the hour one of the atoms decays, but also, with equal probability, perhaps none; if it happens, the counter tube discharges and through a relay releases a hammer which shatters a small flask of hydrocyanic acid. If one has left this entire system to itself for an hour, one would say that the cat still lives if meanwhile no atom has decayed. The psi-function of the entire system would express this by having in it the living and dead cat (pardon the expression) mixed or smeared out in equal parts.

It is typical of these cases that an indeterminacy originally restricted to the atomic domain becomes transformed into macroscopic indeterminacy, which can then be resolved by direct observation. That prevents us from so naively accepting as valid a "blurred model" for representing reality. In itself it would not embody anything unclear or contradictory. There is a difference between a shaky or out-of-focus photograph and a snapshot of clouds and fog banks.[1]

The above text is a translation of two paragraphs from a much larger original article, which appeared in the German magazine Naturwissenschaften ("Natural Sciences") in 1935.[2]

It was intended as a discussion of the EPR article published by Einstein, Podolsky and Rosen in the same year. Apart from introducing the cat, Schrödinger also coined the term "entanglement" (German: Verschränkung) in his article.

Schrödinger's famous thought experiment poses the question: when does a quantum system stop existing as a mixture of states and become one or the other? (More technically, when does the actual quantum state stop being a linear combination of states, each of which resemble different classical states, and instead begin to have a unique classical description?) If the cat survives, it remembers only being alive. But explanations of the EPR experiments that are consistent with standard microscopic quantum mechanics require that macroscopic objects, such as cats and notebooks, do not always have unique classical descriptions. The purpose of the thought experiment is to illustrate this apparent paradox: our intuition says that no observer can be in a mixture of states, yet it seems only cats can be such a mixture. Are cats required to be observers, or does their existence in a single well-defined classical state require another external observer? Each alternative seemed absurd to Albert Einstein, who was impressed by the ability of the thought experiment to highlight these issues;

২৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৮
comment by: অপ বাক বলেছেন: সর্বশেষ অংশটা তুলে ধরি-


[edit] Practical applications
The experiment is a purely theoretical one, and the machine proposed is not known to have been constructed.
২৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: আমি তো আগেই কইছিলাম মহাজাগতিক উরপে সালুয়ার একটা বেকুব
২৫. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: এত ব্যস্ত হলে কি আর বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা চলে? আচ্ছা, অতবড় একটা আলোচনায় যেখানে আইনস্টাইনও অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে আইনস্টাইনেরই পরামর্শে শ্রোয়েডিঙ্গার পরীক্ষাটা করেছিলেন, (ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সমর্থক আইনস্টাইন)
দেখুনঃ
Influenced by a suggestion of Albert Einstein, Schrödinger extrapolated the concept to a larger scale. He proposed a scenario with a cat in a sealed box, where the cat's life or death was dependent on the state of a subatomic particle. According to Schrödinger, the Copenhagen interpretation implies that the cat remains both alive and dead until the box is opened.
আপনি পুরো রচনাটি আবার মনোযোগদিয়ে পড়ুন আর সৎভাবে বলুন রচনাটিতে আসলে কি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পোস্টে আরও অনেকেই আসে যারা শুধু হাততালি দেওয়ার দর্শক, এদের শুধু হাত দুটিই আছে মাথায় কিছু নেই। নিজস্ব কোনো বিজ্ঞান চেতনা নেই। কিন্তু আমি মনে করি আপনার তা আছে তাই আমি আপনার কাছে একটা বিজ্ঞানমনস্ক এবং গভীর পর্যায়ের চিন্তভাবনার আলোকপাত আশা করি। দেখুন উইকিপিডিয়াতে দেয়া ঐ রচনার মূল বিষয় ছিল, কোয়ান্টাম স্টেট নিয়ে কোপেনহেগেন ইন্টারপ্রিটেশনের বিপরীতে আইনস্টাইনের ব্যাখ্যা কিভাবে কার্যকরী তা প্রমাণ করা। সে কারণেই আইনস্টাইন শ্রোয়েিডিঙ্গারকে একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যাতে আইনস্টাইনের ব্যাখ্যাটি সঠিক বলে প্রমাণ হয় যদিও পরীক্ষাটি ছিল 'থিয়োরিটিক্যাল ওয়ান' । (থিয়োরিটিক্যাল ওয়ান- কাল্পনিক পরীক্ষা??? না কি তত্বমুলক পরীক্ষা? এমনকি বিজ্ঞাান আলোচনায়ও মানুষ বিকৃতির আশ্রয় নিয়ে দলবাজী করতে চাইবে? সরি)
এখন এক এক করে আলোচনা করা যাক।
কোয়ন্টাম নিয়ে আজকাল যেমন 'মন নিয়ন্ত্রণ' জাতীয় বই আমাদের দেশে পাওযা যায় তেমনি কোয়ান্টাম থিয়েরি নিয়ে জার্মানীর কোপেনহেগেন এর একদল বিজ্ঞানী ও তাদের কিছু অনুসারী কোয়ান্টাম স্টেট কে একটি 'অধিভৌতিক অবস্থা' বলে বর্ণনা করতে চাইলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, 'যে কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভাবনাগুলি একটির সাথে আরেকটি মিশেল অবস্থায় থাকে এবং সেটা একটা 'অতিপ্রাকৃতিক অবস্থা' এবং এ ব্যাখা দিয়ে তারা প্রকৃতিতে 'সুপারস্টিশনকে' জায়গা করে দিতে চাইলেন। তারা বলতে চেয়েছিলেন, কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভাগুলি একত্রে অবস্থান করে একটি খিচুড়ী মার্কা অবস্তায় থাকে যে অবস্থাকে 'ক্লাসিক্যাল স্টেট' বলা যায়না। তাদের কোয়ান্টাম পর্যায়ের ঐ খিচুড়ীমার্কা অবস্থাকে ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়না। তাদের মতে ওটা একটা অধিভৌতিক অবস্থা। কিন্তু ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সমর্থক আইনস্টাইন তা মানতে চাইলেন না। ফলে তিনি শ্রোয়েডিঙ্গারকে একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যেখানে কোপেনহাগেন দলের ব্যাখ্যাকে ভুল প্রমাণ করা যায়। এভাবে শ্রোয়েডিঙ্গার এই 'থট এক্সপেরিমেন্ট' বা 'চিন্তামূলক পরীক্ষা' হাজির করেন। 'থট এক্সপেরিমেন্ট' চিন্তামূলক পরীক্ষা ('কাল্পনিক পরীক্ষা' নয়। আপনাদের চিন্তাভাবানা কি কাল্পনিক???? কল্পনাবাদী চিন্তাভাবনা পোষণ করেন নাকি? না চিন্তার মধ্যে যুক্তী থাকে আপনাদের? যুক্তি যদি থাকে আর আপনাদের চিন্থাভাবনার যদি কোনো মূল্য থাকে তাহলে 'থট এক্সপেরিম্নেট' কথাটিকে কিভাবে অনুবাদ করেন, 'কাল্পনিক পরীক্ষা'? নিজের মূল্য কিছুই বোঝেন না দেখছি।)
২৬. ২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: আপনার মত বিজ্ঞান বোদ্ধা আমি স্বল্প ব্লগজীবনে একজনকেই দেখলাম, বাকীরা সব হাতসাফাই। তাই আপনার কাছে প্রত্যাশা আমার বেশী। আপনার বিজ্ঞানভাবনার দোহাই, বলুন তো উইকিপিডিয়ার ঐ রচনাতে নিচের বিষয়গুলি ঠিক এভাবেই আছে কি না। ঐ রচনার সারমর্ম হিসেবে নিচের কথাগুলি যদি সঠিক হয় তাহলে 'হ্যাঁ' বলুন আর যদি সঠিক না হয় তবে আমাকে সঠিকটি বুঝিয়ে বলুন।

১। 'কোপেনহেগেন দল' কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভ্যাব 'দশা'গুলিকে একটি খিচুড়ি মার্কা অবস্থায় থাকে (a mixture of states) বলে বর্ণান করেন।

২। আইনস্টাইন একজন ক্লাসিক্লাল পদার্থবিদ্যার ঘোর সমর্থক হিসেবে একথা মানতে চাইলেন না। তিনি বললেন, . কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর 'দশা'গুলি খিচুড়ি অবস্তায় নয বরং এক একটি তন্ত্র সম্ভাবনা' হিসেবে বিরাজ করে। একারণে তিনি শ্রোয়েডিঙ্গার কো একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যে পরীক্ষায় দেখানে সম্ভব হয় যে, কিভাবে বস্তুর 'দশা'গুলি একটি লিনিয়ার সমীকরণের আওতায় স্বতন্ত্র সম্ভাাবনা হিসেবে বিরাজ করে।


৪। কোপেনহেগেন দলের বিপরীতে আইনন্টাইন বলতে চেয়েছিলেন যে, কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর দশাগুলি একত্রে মিলেমিশে (collapse into a definite state) একটি 'অধিভৌতিক' বা সুপারস্টিশাস অবস্থা তৈরী করে না বরং সব সম্ভাবনা আলাদা আলাদা ভাবে বিরাজ করে।

৫। 'থট এক্সপিরিমেন্টের' উদ্দেশ্য ছিল কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর দশাগুলি 'ক্লাসিক্যাল' নিশ্চয়াতপূর্ণ অবস্থায় থাকে না কি কোপেনহেগেন দলের প্রস্তাবিত 'অধিভৌতিক' বা '(collapse into a definite state) এ থাকে তা প্রামাণ করা।
Schrödinger's famous thought experiment poses the question: when does a quantum system stop existing as a mixture of states and become one or the other? (More technically, when does the actual quantum state stop being a linear combination of states, each of which resemble different classical states, and instead begin to have a unique classical description?)
২৭. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: মহাজাগতিক বলেছেন: কোয়ান্টাম দশাগুলি কোপেনহেগেন দলের কথামতো 'খিচুড়ি' অবস্থায়ই থাকুক আর আইনস্টাইনের মতানুসারে তা 'স্বতন্ত্র' অবস্থায়ই থাকুক না কেন তাতে আমার বক্তব্যের কোনো হেরফের তো হয়না। কোয়ান্টাম দশাগুলি যে অবস্তাতেই থাকুক না কেন শেষ পর্যন্ত কোন সম্ভাবনাটি 'রিয়েল' বা বাস্তব হয়ে উঠবে তা প্রতক্ষ্য করার জন্য একজন 'দর্শক' দরকার, তা না হলে ঐ গাণিতিক সম্ভাগুলি 'আনরিয়েল' থেকে যাবে। আমার বলবার বিষয় ছিল কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর আচরণ বিশ্লেষন করলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া যায় যে, আমাদের চারপাশের এই ভৌতজগত বা ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ডের একাধিক প্যারালাল আছে। সেই প্যারালাল গুলির কোনটি 'সত্য' হয়ে দেখা দেবে তা একজন 'দর্শক' বা 'মন' ই কেবল প্রতক্ষ্য করতে পারে। 'দর্শক' ছাড়া ঐ প্রকারের 'সত্য'র কোনো একরৈখিক, চিরন্তন বা ইউনিভার্সাল কোনো রূপ নেই।
২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: কোয়ান্টাম দশাগুলি কোপেনহেগেন দলের কথামতো 'খিচুড়ি' অবস্থায়ই থাকুক আর আইনস্টাইনের মতানুসারে তা 'স্বতন্ত্র' অবস্থায়ই থাকুক না কেন তাতে আমার বক্তব্যের কোনো হেরফের তো হয়না। কোয়ান্টাম দশাগুলি যে অবস্তাতেই থাকুক না কেন শেষ পর্যন্ত কোন সম্ভাবনাটি 'রিয়েল' বা বাস্তব হয়ে উঠবে তা প্রতক্ষ্য করার জন্য একজন 'দর্শক' দরকার, তা না হলে ঐ গাণিতিক সম্ভাগুলি 'আনরিয়েল' থেকে যাবে। আমার বলবার বিষয় ছিল কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর আচরণ বিশ্লেষন করলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া যায় যে, আমাদের চারপাশের এই ভৌতজগত বা ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ডের একাধিক প্যারালাল আছে। সেই প্যারালাল গুলির কোনটি 'সত্য' হয়ে দেখা দেবে তা একজন 'দর্শক' বা 'মন' ই কেবল প্রতক্ষ্য করতে পারে। 'দর্শক' ছাড়া ঐ প্রকারের 'সত্য'র কোনো একরৈখিক, চিরন্তন বা ইউনিভার্সাল কোনো রূপ নেই

আপনার প্রশ্নটা বুঝলাম না ঠিক মতো- তবে আমার যেটুকু অনুমাণ এই বক্তব্য পড়ে সেটা হলো- আপনার প্রসঙ্গ উত্থাপনের গুরুত্ব কিংবা বারংবার পর্যবেক্ষণকরে দর্শক নির্ভর করে তুলবার আগ্রহ এ কারণেই যে, বস্তুকণাগুলো যে অবস্থায়ই থাকুক না কেনো সেগুলো মিশ্র দশায় অবস্থান করুক কিংবা আইনস্টাইনের ভাষ্যমতে!!! আলাদা আলাদা সতন্ত্র দশায় অবস্থান করুক না কেনো শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের ফলেই তার এই দশাটা বাস্তব বা প্রত্যক্ষ হয়ে উঠে---
যদি এই হয় প্রশ্নটা তবে সেটার উত্তর হবে-
বস্তুকণাগুলো নিজেদের ভেতরে যখন কোনো প্রক্রিয়ার ফলে শক্তি বিনিময় করবে কিংবা একে অন্যকে প্রভাবিত করবে তখন সেটা নির্ধারণ করে দেওয়ার জন্য যদি কোনো পর্যবেক্ষক নাও থাকে তাহলেও চলবে- বস্তুকণার দশা দর্শকের দেখবার উপরে নির্ভর করে না- দর্শক যখন দেখতে চাইবে কোনো একটা বিশেষ বৈশিষ্ঠ্য তখন সে এমনই একটা পর্যবেক্ষণ কণিকা পাঠাবে যা সেই বৈশিষ্ঠ্যকে প্রকট করে তুলতে পারে বা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় বস্তুর সেই চরিত্রটা প্রকাশ পায়-
কিন্তু এই পর্যবেক্ষণ ছাড়াও বস্তুকণিকাগুলো নিজেদের ভেতরে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া-মিথস্ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে- তখন তাদের আমাদের পর্যবেক্ষণ করবার উপায় নেই- কিন্তু আমরা এই প্রতিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন ফলাফল দেখেই শনাক্ত করে ফেলতে পারি পারস্পরিক ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া যে কয়েকটি বস্তুকণার ভেতরে ঘটেছে তারা কি ছিলো? তাদের বৈশিষ্ঠ্য এবং দশা কি ছিলো-

প্রক্রিয়াটাতে দর্শকের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ নয়- এমন কি যদি কেউ ডাটা রেকর্ড করে রাখে- যেমনটা বড় বড় পরীক্ষাগারে ঘটছে- ইন্টারমেনেট মাধ্যমে পরীক্ষার ডাটাগুলো বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে যাচ্ছে এখানে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো প্রভাষক কিংবা শিক্ষক কিংবা গবেষক সেখানে উপস্থিত নেই- তারা কিছু গাণিতিক সংখ্যা কিছু সঙ্কেত দেখে সমীকরণে মাণ বসিয়ে সহজেই উপস্থিত কণিকাগুলোর বৈশিষ্ঠ্য শনাক্ত করতে পারছে- এবং পারেও-

যদি আপনার বলবার বিষয় হয়ে থাকে তারা কিভাবে বস্তুকণার চরিত্রনির্ধারণ করে ডাটা থেকে- এই বস্তুকণার চরিত্র নির্ধারণের সময় একটা কার্যকরী সমীকরণ উদ্ভাবন করাটাই গবেষণার ক্ষেত্র হতে পারে-

মূলত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা সমাপ্ত হতে লাগে বড়জোড় ১ দিন- কিন্তু এক দিনের সংকলিত তথ্য বিশ্লেষণ করে সমাধানে পৌঁছানো এবং সেখানে পারস্পরিক ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়ারত বস্তুকণাগুলোর বৈশিষ্ঠ্য এবং চরিত্র এবং নাম ধাম ঠিক করতে লাগে বাকী ৪ বছর- এখনও অনেক তথ্য যাচাই করা বাকী আছে-

তারা নিজেদের ভেতরে কিভাবে সংঘর্ষ এবং ইন্টারাকশন করবে এটা আমাদের দেখার উপর নির্ভর করে না- সূর্য্যের আলো আমরা পাচ্ছি নিরবিচ্ছিন্ন ভাবেই- সেখানে কিভাবে শক্তি উৎপন্ন হচ্ছে সেটার ধাপগুলো আমরা নিশ্চিত ভাবে জানি না- তবে আমাদের এডুকেটেড গেস বলছে অন্তত ৫ থেকে ৬টা বিভিন্ন পারমাণবিক বিক্রিয়া সেখানে চলছে- তবে সূর্যের ভেতরে না ঢুকেও সেখান থেকে ফেরত আসা আলোকে বিশ্লেষণ করে আমরা বলতে পারি সেখানে কি কি পরমাণু, কি কি অণু আছে- সেখানে পারমাণবিক বিক্রিয়ায় কোন কোন নিউক্লিয়াস অংশ গ্রহন করেছে- এবং এটা আমরা করতে পারছি শুধুমাত্র সমীকরণ ব্যবহার করে-

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আশ্চর্য বিষয়টা এর ভিত্তি নেহায়েত সমীকরণের উপরে তবে বাস্তবতা হলো আমরা যে সমীকরণগুলো ব্যবহার করছি কোনো এক অবাক কারণে বস্তুকনাগুলো সেই সমীকরণ অনুসারেই আচরণ করছে- আমাদের সমীকরণ সাজানোর উপরে তাদের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া নির্ভর করছে না কোনোভাবেই- আমাদের অভিজ্ঞতা আমাদের একটা নির্দিষ্ট ফ্রেম দিয়েছে সেই ফ্রেমটা অবশ্যই সকল বস্তুকণাকে অনুসরণ করতে হয়- এটা সকল বস্তুকণার বৈশিষ্ঠ্য এখানে আমার আপনার আইনস্টাইনেরক কিংবা নীলস বোরের উপস্থিতি তেমন গুরুত্বপূর্ণ না।

২৮. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
comment by: স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
সালুয়ারচৌ ওরফে থাবড়া চৌ ওরফে মহাজাগতিক, ধরা খাওয়ার আগে ও পড়ে

২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৬ মহাজাগতিক বলেছেন: কোথায় কি যে পড়াশুনা করেন জানিনা। দুঃখ লাগে যখন আপনাদের মত কুপমুন্ডুকরা বলগায়।

২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯ মহাজাগতিক বলেছেন: আপনার মত বিজ্ঞান বোদ্ধা আমি স্বল্প ব্লগজীবনে একজনকেই দেখলাম, বাকীরা সব হাতসাফাই। তাই আপনার কাছে প্রত্যাশা আমার বেশী।
২৯. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
comment by: বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: এ এমনই এক আলী যে ঝড়ের আগে পরে দুইবারই ষাঁড়ের পোন্দানি খায়।
৩০. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
comment by: অপ বাক বলেছেন: আপনার অধিবিদ্যা সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য আসলে- পর্যবেক্ষক উপস্থিত না থাকলে বিশ্লেষণ করবে কে? সূর্য গ্রহ নক্ষত্র- উপগ্রহ- সবাই নিজের কক্ষপথে বিচরণ করছে- তারা বিচরণ করছে এটা অনেক আগে থেকেই সত্য ছিলো-
তবে তাদের বিচরণের সমীকরণ সময়ের সাথে বদলেছে- এটা ম্যাটার অফ কনভিনিয়েন্স যদি সেভাবে বলতে চান-

মানুষজন প্রথম যখন শুক্র কিংবা মঙ্গলের কক্ষপথকে চিন্তা করেছিলো স্থির পৃথিবীর সাপেক্ষে তখন সমীকরণে যে জটিলতা ছিলো সেই জটিলতা কেটে গিয়ে সরল একটা সমীকরণ আসলো যখন মানুষ পৃথিবীর স্থিরতাকে বর্জন করে সূর্যকে সৈরজগতের কেন্দ্রে স্থাপন করলো-

এই সমীকরণের আবিস্কার এবং পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্র থেকে হটিয়ে দেওয়া এটা সমীকরণের কারণেই ঘটেছে - ব্যাখ্যা সব উপায়েই করা সম্ভব তবে ব্যাখ্যাগুলোর ভেতরে একটা ব্যখ্যা কিংবা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক ব্যখ্যাই একটা সরল সমীকরণে বস্তুর গ