শেখ হাসিনা বেশী কথা বলেন, তিনি পেটের ভেতরে কথা চেপে রাখতে পারেন না, পেটে কথা চেপে রাখলে না কি গ্যাসের সমস্যা হয়। তাই তিনি গতকাল গ্যাস নিয়ে কথা বলে পেটের গ্যাসের চাপ কমিয়েছেন।
আজকে সকালে শেখ হাসিনার বানী পড়ে মনটাই উৎফুল্ল হয়ে গেলো। আমাদের ডক্টরেটধারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তাই কথাটাকে হেলাফেলা করে উড়িয়ে দিতে পারছি না।
আমাদের জ্বালানী সংকট হয়তো দীর্ঘ মেয়াদী হবে না। এত দিন বিজ্ঞানীরা যে আশংকা প্রকাশ করছিলেন সেটারও কোনো ভিত্তি নেই। আমাদের খনিজ জ্বালানী গ্যাসের মজুত সোনার ডিম পাড়া হাঁসের মতোই, কখনই শেষ হওয়ার নয়। এটা অনন্ত প্রসবন।
তিনি বলেছেন গ্যাসক্ষেত্র কখনই পরিত্যাক্ত হয় না। ২০ ৩০ বছর পরে তা পুনরায় পূর্ণ হয়।
আমি জানি না কিভাবে তিনি এই তথ্যটা উচ্চারণ করলেন। তিনি পেটে কথা চেপে রাখতে পারেন না। মনে যা আসে বলে ফেলেন। তবে সাংবাদিকরা বিশ্বাস করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে না কি এটাও তাদের জটিল কৌতুকবোধের পরিচায়ক এটা আমি এখনও নিশ্চিত নই।
আমাদের দেশনেত্রী সম্ভবত পৃথিবীকে দরিদ্র নাগরিক ভেবেছেন। বাংলাদেশের দিকে তাকালে মিলটা স্পষ্ট হয়ে উঠে, যত্ন নেই, পেটের ভেতরে অমিত সম্পদ নিয়ে বসে আছে।
আমাদের মতো জনশক্তি আর কোথায়। আমাদের সম্পদ এই জনশক্তি। আমরা জনশক্তি রপ্তানী করেই উচ্চ আয়ের দেশ হয়ে যেতে পারি। তবে আমাদের জনশক্তির দৈনন্দিন জীবন চালানোর মতো পর্যাপ্ত ক্যালোরি জোগান নেই- খেতে না পেরে তাদের গ্যাস্ট্রিক হয়, বাংলাদেশের দরিদ্র অশিক্ষত মানুষ এটাকে বলে পেটে গ্যাস হওয়া। না খেলে নিয়মিতই পেটে গ্যাস হতে থাকে।
বাংলাদেশের দরিদ্র ভুখন্ড পর্যাপ্ত পরিচর্যা পায় না , সেটাও পেটের ভেতরে অনেক গ্যাস নিয়ে বসে আছে-
শেখ হাসিনা ভুল বলেন নি, অবশ্যই বাংলাদেশের মাটির পর্যাপ্ত খাদ্য জোটে না- এই অবস্থায় গ্যাসক্ষেত্রগুলো গ্যাসের অভাবে পরিত্যাক্ত হবে কেনো? ২০ ৩০ বছর পরে পুনরায় গ্যাস পূর্ণ হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

