গতকাল প্রকাশ্যে একটা ঘোষণা এসেছে, বাংলাদেশের গেরোস্থালী সহযোগীরাও শ্রমিক, আমাদের কাজের বুয়ারা এখন শ্রমিক, তাদের শ্রম অধিকার আছে, তাদের নিয়মিত ঘন্টা হিসেবে পারিশ্রমিক দাবি করবার অধিকার আছে, এবং বাংলাদেশে ভবিষ্যত অর্থনীতিতে নতুন একদল উদ্যোক্তা জন্ম নেবে যাদের কাজ হবে গেরোস্থালী শ্রমিক সরবরাহ করা।
অবশ্য শোষণ থামানো যাবে না, নতুন মোড়কে এই শোষণ অব্যহত থাকবে, কিন্তু যদি এমন কোনো উদ্যোক্তার জন্ম হয় যারা নিয়মিত গেরোস্থালী শ্রমিকদের তথ্য সংগ্রহ করবে, তাদের খবরাখরব রাখবে, তবে গেরোস্থালী শ্রমিকের উপরে নির্যাতন কমে যাবে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমিকদের অন্তত শ্রমিকের মর্যাদা দেওয়া হলো সরকারী ভাবে এটাই ভালো লাগছে। যদিও এখনও ন্যুনতম মজুরি নির্ধারিত হয় নি, কাজের পরিবেশ কেমন হওয়া উচিত এই নিয়েও উচ্চবাচ্য নেই, এরপরও আপাতত শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া মানুষেরা সময়ের সাথে অন্যসব চাহিদার দাবিও জানাবে। প্রাথমিক স্বীকৃতি পেলে মানুষের অধিকারবোধের সীমা প্রসারিত হয়।
বাংলাদেশকে অভিনন্দন অন্তত একটা ভালো কাজের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


