আমার প্রিয় পোস্ট

ইসলামের জন্মের পেছনে অন্তত একজন ডাকিনীর ভুমিকা প্রবল

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

শেয়ারঃ
0 1 0

আল তাবেরী, ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ঐতিহাসিক যিনি ইসলামের ইতিহাসের একটা সংকলন করেছিলেন। সম্ভবত তার ইতিহাসকে লিখিত ইতিহাস বলা যায় না, বরং বলা যায় প্রচলিত তথ্যগুলোকে একত্র করে রাখবার একটা প্রয়াস । কোথাও তার কোনো বক্তব্য নেই, প্রতিটা প্রচলিত ঘটনারই বর্ণনা সেখানে আছে।

কোনোটা বেশী বিশ্বাসযোগ্য কোনোটা কম। হয়তো সকল ঘটনাই বাস্তব নয় বরং এদের কিছু কিছু অংশ সত্যি।

মুহাম্মদের দাদা আব্দুল মুত্তালিব শপথ করেছিলেন যদি তার ১০ ছেলেই যুবক হয় তবে তাদের একজনকে তিনি বলি দিবেন। যখন তারা সবাই যুবক হলো তখন তিনি দুশ্চিন্তায় পড়লেন- ১০ জনের কাকে তিনি বলি দিবেন।
কা'বা প্রাঙ্গনে ছিলো হুবালের উঁচু মুর্তি। যখনই মক্কাবাসী সংশয়াচ্ছন্ন হতো তখন তারা ১০০ দিহরাম, কোরবানীর পশু এবং যা নিয়ে সংশয় সেটা নিয়ে উপস্থিত হতো সেই দেবতার পূজারীর কাছে।
হুবালের পাশে ৭টা তীর রাখা থাকতো, সেখানের লিখিত বক্তব্যই চুড়ান্ত বলে মেনে নিতো তারা।

সুতরাং সংশয়াচ্ছন্ন মুত্তালিব হাজির হলো দেবতা হুবালের কাছে, তার সাথে তার ছেলেরা এবং বলির উট এবং ১০০ দিহরাম।
যখন লটারি করা হলো তখন তীরটা পড়লো আব্দুল্লাহর পাশে, সুতরাং লটারিতে নাম উঠলো আব্দুল্লাহর। তাকেই বলি দিতে হবে। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আব্দুল মুত্তালিব বলির স্থানে নিয়ে উপস্থিত হলেন।

সে সময়েই জটলা ভেঙে উঠে আসলো কোরাইশ গোষ্ঠি এবং আব্দুল্লাহর মা। তারা বললো এটা করা কোনোভাবেই উচিত হবে না, বরং আপনি অন্য কোনো সমাধান খুঁজে দেখেন।
আব্দুল মুত্তালিব তার ছেলে এবং অন্যান্য কোরাইশদের পরামর্শ অনুযায়ী আব্দুল্লাহকে নিয়ে গেলেন হিজাজে। সেখানের এক ডাকিনীর কাছে।

ডাকিনীর কাছে উপস্থিত হয়ে আব্দুল মুত্তালিব তার সংকটের কথা পেশ করলেন, তা শুনে ডাকনী বললো আজ আমার পক্ষে এটার নিরসন করা সম্ভব হবে না, আপনার বরং কাল সকালে এখানে উপস্থিত হন, তখন এটার সমাধান আমি দিতে পারবো।

পরদিন সকালে আব্দুল মুত্তালিব যখন উপস্থিত হলেন ডাকিনীর কাছে, ডাকিনী সমাধান দিলো-
পুনরায় সন্তানকে নিয়ে হুবালের মুর্তির সামনে গিয়ে দাঁড়ান। এক পাশে ১০টা উট এবং অন্য পাশে আব্দুল্লাহকে রাখবেন, প্রতিবার তীর ছুঁড়বার পরে যদি সেটা আব্দুল্লাহর পাশে পড়ে তবে বলির উটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিবেন।

এভাবে যখন বলির উটের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ১০০ তখন তীর পড়লো উটগুলোর পাশে, সুতরাং এটা নিশ্চিত হলো এখন আব্দুল্লাহর বদলে ১০০ উট কোরবানী দিলেও হবে।
তবে আব্দুল মুত্তালিব নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরপর ৩বার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেন।

আব্দুল মুত্তালিব তখন ছেলেকে নিয়ে কা'বা প্রাঙ্গন ত্যাগ করে যাচ্ছিলেন তখনই তার সাথে দেখা হলো উম্মে কাত্তাল বিনতে নওফলের সাথে। উম্মে কাত্তাল আব্দুল্লাহর মুখের দিকে তাকিয়ে বললো যদি তুমি আমার সাথে সঙ্গমে রাজী থাকো তবে তোমার নামে যতগুলো উট কোরবানী হয়েছে আমি সে পরিমাণ উট তোমাকে দিবো।

প্রত্যুত্তরে আব্দুল্লাহ তাকে জানালো- আমি এখন আমার বাবার সাথে আছি, আমি তার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে পারবো না কিংবা তাকে ত্যাগ করতে পারবো না।

আব্দুল মুত্তালিব তাকে নিয়ে গেলেন এবং আমিনার সাথে বিবাহ দিলেন। আব্দুল্লাহ বিবাহের পরপরই আমিনার সাথে মিলিত হলেন, পরের দিন যখন আব্দুল্লাহ ফিরছিলো, তার সাথে পুনরায় দেখা হলো উম্মে কাত্তালের। আব্দুল্লাহ তাকে বললেন, তুমি গতকাল আমাকে যে প্রস্তাব দিয়েছিলে সেটা কি এখন পুরণ করা সম্ভব?
প্রত্যুত্তরে উম্মে কাত্তাল জানালো, গতকার তার চেহারায় যে দেবকান্তি ছিলো সেটা আজ আর নেই , সুতরাং তার প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া এখন তার পক্ষে সম্ভব নয়।

এই ঘটনার ভিন্ন একটা উপস্থাপন আছে-
আব্দুল্লাহ যখন বাইরে থেকে ফিরে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে চাইলেন, তখনও তার শরীরে কাদা লেগে আছে, সুতরাং তার স্ত্রী তাকে বললো , যাও হাতমুখ ধুয়ে আসো।
আব্দুল্লাহ হাতমুখ ধুয়ে তার অন্য স্ত্রী আমিনার ঘরে গিয়ে তার সাথে মিলিত হলো।
পুনরায় যখন তার সাথে প্রথম স্ত্রীর দেখা হলো তখন প্রথম স্ত্রীকে মিলিত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পরে সে স্ত্রী তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো।

এই ঘটনার তৃতীয় একটা বয়ান আছে-
আব্দুল মুত্তালিব যখন আব্দুল্লাহকে নিয়ে যাচ্ছিলো আমিনার বাসায়, পথিমধ্যে তাদের সাথে একজন ভবিষ্যতবেত্তা মহিলার দেখা হলো।
ভবিষ্যতবেত্তা মহিলা আব্দুল্লাহকে প্রস্তাব দিলেন, তুমি কি আমার সাথে মিলিত হবে?
আব্দুল্লাহ জানালো, আমি আমার বাবার সাথে যাচ্ছি, আমি তার ইচ্ছার বিরোধিতা করতে পারবো না, এমন কি তাকে ত্যাগ করতে পারবো না।

সুতরাং আব্দুল্লাহ আমিনাকে বিবাহ করিলেন এবং তিন দিন সেখানে থাকলেন, পরে যখন তিনি ফিরে আসছিলেন, তখন পুনরায় সেই ভবিষ্যতবেত্তার সাথে তার দেখা হলো।

তিনি বললেন তুমি আমাকে যে প্রস্তাব দিয়েছিলে, সেটা কি এখন পুরণ করা সম্ভব।
সে মহিলা এর উত্তরে জানালো, তোমার চেহারায় যে দেবকান্তি ছিলো সেটা এখন অনুপস্থিত। কিছু মনে করো না, আমার চরিত্রের দোষ নেই, বরং তোমার চেহারার দেবকান্তি আমি আমার গর্ভে ধারণ করতে চেয়েছিলাম, সেটা যখন নেই তখন আর সে প্রস্তাবে সম্মত হয়ে লাভ নেই আমার।

আল ওয়াকিদির বয়ান হলো, আব্দুল মুত্তালিব এবং আব্দুল্লাহ উভয়েই নিজেদের স্ত্রীর খোঁজে রওনা দিয়েছিলেন, এবং আব্দুল মুত্তালিব হালাহ বিনতে উয়াহেব এবং আব্দুল্লাহ আমিনা বিনতে ওহাবের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন।
সিরিয়া থেকে ফিরবার পথে আব্দুল্লাহ অসুস্থ অবস্থায় মদীনায় যাত্রা বিরতি করেন এবং সেখানেই মৃত্যু বরণ করেন।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
রাগ ইমন বলেছেন: গল্প গুলা চিত্তাকর্ষক , সন্দেহ নেই।

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: গল্পগুলো গল্পই, তবে কিছু গল্প মানুষ বিশ্বাস করে গাল কাটে, কিছু গল্প বিশ্বাস করে রুপকথা হিসেবে।

২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: এ ধরনের অর্থহীন উদ্দেশ্যহীন পোস্ট না কররেই কি নয়।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: এটা একটা লিখিত ইতিহাস। এটার একটা ঐতিহাসিক মূল্য আছে।

তার চেয়ে বড় কথা আল তাবেরীর বাংলা অনুবাদ হয়তো আছে, তবে আমার চোখে পড়ে নি। নইলে বাংলাদেশে এই গল্প অনেক আগেই মানুষের জানা থাকতো।

৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: অনুসন্ধানজাত এসব লেখা আরো বেশী করে চাচ্ছি। ইসলামে পুরো ইতিহাসটা যদি উঠে আসে- আপনার ব্লগে নিয়মিত হানা দেব নিশ্চিত।
৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: এ ধরনের অর্থহীন উদ্দেশ্যহীন পোস্ট না কররেই কি নয়।
৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: তবে সত্যি না নেহাত গল্পকথা সে প্রশ্নেরও মীমাংসা করা দরকার...
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: সত্য বলে আলাদা কিছু নেই পৃথিবীতে, বিশেষত যা আমরা পত্রিকায় পড়ি, ইতিহাসে পড়ি, সবই মানুষের নির্মাণ, হয়তো ঘটনায় সামান্য সত্যতা আছে,

এটা হয়তো সত্যই আব্দুল মুত্তালিব আব্দুল্লাহকে কতল করতে গিয়েছিলো, কারণ এরপরেও এমন ঘটনার পুনারাবৃত্তি ঘটেছে। নিজের মনোবাঞ্ছা পুরণ হলে সন্তান বলি দেবো এমন সাধারণ ভাবনা অনেক মুসলিমের ভেতরেও ছিলো। তবে অনর্থক রক্তপাত কিংবা হত্যাকে কখনই ইসলাম সমর্থন করে নি, এমন কি বিশেষত উদ্ভট শপথের মাধ্যমে সন্তানকে বলি দেওয়ার ধারণাকে ইসলাম সমর্থন করে নি।

যে ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছি সেটা উমরের পুত্র আব্দুল্লাহ যখন মদিনার একজন বড় মাপের ধর্মচিন্তক সে সময়ের।
সে সময়ে এক মহিলা তার কাছে এসে একটা সমস্যার সমাধান চাইলো- আমি আমার মনোবাঞ্ছা পুরণ হলে সন্তানকে বলি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলাম, এখন আমার কি করা উচিত।
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বললেন।
আল্লাহ বলেছেন তুমি তোমার শপথ পুরণ করবে এবং তোমাকে অনর্থক হত্যা করতেও নিষেধ করেছে। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বললেন, ইতিপূর্বে আব্দুল মুত্তালিব এমন একটি শপথ নিয়ে সংশয়ে পড়েছিলেন এবং তিনি পূত্র আব্দুল্লাহ বদলে ১০০ উট কোরবানী দিয়েছিলেন, আমার মনে হয় তোমারও ১০০ উট কোরবানী দেওয়া উচিত।
----------------------------------------------------------------

৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: লুতফুল বারি পান্না @ইসলামে পুরো ইতিহাসটা যদি উঠে আসে- আপনার ব্লগে নিয়মিত হানা দেব নিশ্চিত।

এগুলোকে ইতিহাস বলে না।

২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: ইতিহাস কি যদি জানাতেন কৃতার্থ থাকতাম।
এটা ইসলামের ইতিহাস নয় তবে এই ডাকিনী যদি আব্দুল মুত্তালিবকে ১০০ উট কতল দিতে প্ররোচিত না করতো তবে হয়তো মুহাম্মদের জন্মই হতো না। সে বিচারে সেই ডাকিনী ইসলামের ইতিহাসের সূচনা পর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

৮. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: কোন ধরণের রেফারেন্স আছে?
৯. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: নবীর বয়স ৪০ হওয়ার পূর্বে তো ইসলাম ওখানে ছিলনা। তাহলে এই তথাকথিত ইতিহাস উপস্থাপনের উদ্দেশ্য কি? আর যে ইতিহাসের কথা বলছেন তার উৎসের পূর্ণ বর্ণনা নেই কেন?
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: এটা তাবেরীর বইয়ের ভাষ্য- আমি রচনা করছি না। মুহাম্মদের জন্মের পেছনে যদি তার বাবার অবদান থাকে, তবে সেই বাবার জীবনের পেছনে অবদান আছে ডাকিনীর।

১০. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: হযরত মুহম্মদ (সাঃ) জন্ম হউক আর না হোক । সমাজ বিকাশের অংশ হিসাবে ' আরব সমাজের' পুঞ্জিভূত বণিকী পুজির বিকাশের পথ ধরে তৎকালিন আরব সমাজ মানসে ইসলাম বা সমগোত্রীয় দার্শনিক দৃষ্টি ভঙ্গির বিকাশ অপরিহার্য ছিল।

কোন ডাকিনী যোগিনীর কোন সংযোগ নাই। ঐতিহাসিক বাস্তবতা এবং সময়ের প্রয়োজনীয়তা ইসলামের জন্ম দিয়েছে।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: তাই যদি হয় তাহলে আর ইসলাম নিয়ে মাতামাতির কি আছে? মুহাম্মদের জন্মের অনিবার্যতা কিংবা ইসলামের অনিবার্যতার জন্য নুর নবী মোস্তফার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই এটা সত্য হলে বিষয়টার অলৌকিকত্ব থাকে না।

আর যা অলৌকিক নয় সেই গল্প উপস্থাপন করলে সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই।

১১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
অপ বাক বলেছেন: Muhammad At Mecca SUNY Series in Near Eastern Studie
Tabari.; Watt, W. Montgomery; McDonald, M. V

State University of New York Press
isbn10 | asin : 0887067069
১২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
শরীফ উদ্দীন বলেছেন: কি আজগুবি কথাবার্তা। ধর্মীয় বিষয়ের মত এমন সেন্সিটিভ ইস্যু নিয়ে এমন আজগুবি কথাবার্তা ছড়ানোটা অনুচিত। আর যদি লিখতেই হয় তবে তা খুব ভাল ভাবে যাচাই বাছাই করে যেটাতে মোটামুটি সবাই একমত সেধরনের লেখা লেখাটাই বুদ্ধিমানের পরিচায়ক।


আশা করি আমাকে ভুল বুঝবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।। তবে প্লাস দিতে পারলাম না। সে জন্য দুঃখিত।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: এইটার ভেতরে আজগুবী কি আছে?
ভারতে উনবিংশ শতাব্দীতে এমন কি বিংশ শতাব্দীতেও মনোস্কামনা পুরণ হলে সন্তানের বলি দেওয়ার প্রথা ছিলো। সেটা অদ্ভুত কোনো ঘটনা নয়। সন্তানকে দেবতার পায়ে উৎসর্গ করে দেওয়ার ঘটনা এইসব বহুদেবতাভিত্তিক সমাজে অভূতপূর্ব কোনো ঘটনা নয়।

বলি দেওয়া, কুরবানী করবার ঘটনা তো ইব্রাহিমকে নিয়েও আছে, ইসমাইলকে নিয়ে গিয়ে কুরবানী করতে গিয়ে ইসলামে কুরবানীর অন্তর্ভুক্ত ঘটলো। সেটা নিয়ে কি কেউ প্রশ্ন করেছে কখনও, সেটা নিয়ে কেউ কি ঐক্যমতে পৌঁচেছে?

১৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
অলস ছেলে বলেছেন: আচ্ছা। কথা সত্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাবারীতে আমিও একটু একটু দেখার সুযোগ পাইছিলাম। আপনার উপস্থাপনাটাও কৌশলী। ওরিয়েন্টালিষ্টদের শিখানো।
১৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
রাতুল" বলেছেন: আপনি ব্লগে আমার পছন্দের একজন ব্লগার, কারন আপনি সত্য কথা অনেক সহজে বলে থাকেন, তাতে কারও কষ্ট লাগুক আর নাই লাগুক! ধর্ম্ম নিয়ে মাতামাতিতে আমার কোনদিন আগ্রহ ছিল না, এখনও নাই। মাঝে মাঝে ফাউল কিছু পোস্ট দিসি জাস্ট মজা করার জন্য! জানি না আপনিও মজা করার জন্যই এই পোস্ট দিসেন কিনা! মাইনাস প্লাস ণিয়ে আমার আগ্রহ কম কিছু কিছু ক্ষেত্রে। কিন্তু আপনাকে কিছুই দেব না! শুধু একজন ভক্ত হিসেবে বলে যাই, আপনার ক্রিয়েটিভ মাইন্ডটাকে অন্য দিকে দিলে আমাদের দেশের লাভই হবে, ক্ষতি হবে না। নাইব হল ধর্ম নিয়ে খোচাখুচি! আশাকরি ভুল বুঝবেন না!
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: আল তাবেরীর বই আমি খুঁজছিলাম গত ৩ বছর ধরে। একসেট দেখেছিলাম অন লাইনে, তবে দামে কুলাতে পারি নি, এখন অন লাইনে ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে, আমি পড়ছি। সেই পড়ার একটা অংশ এটা। জানা ছিলো না বলেই লিখলাম।

১৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
অলস ছেলে বলেছেন: আরেকটা ঘটনা মনে পড়লো, ছাগল পানি খাচ্ছিলো। বাঘ তার ঘাড় মটকাতে আসলো। বললো, ব্যাটা তুই পানি ঘোলা করছিস, এইবার মর। ছাগল বললো, স্যার, আমি তো উজানে :(, তখন বাঘ বলে, ব্যাটা, তাইলে তোর বাপ পানি ঘোলা করছিল। আপ্নে যখন বলছেন, ডাকিনীর অবদান। তাইলে ঠিক আছে, ইসলাম ডাইনীই আনছে। জয়তু।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: ডাকিনীর অবদান শুধু আব্দুল্লাহর প্রাণ বাঁচানোতে। সেই প্রাণ বাঁচানোর ঘটনার পরপরই আব্দুল্লাহ বিয়ে করতে গেলো, অদ্ভুত সমপাতন, বলির মঞ্চ থেকে উঠে সোজা বিবাহমঞ্চে, সেখানেই মুহাম্মদের জন্ম হলো।

১৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
পৃথীবি বলেছেন: ছিঃ, ইসলাম সম্পরকে এই ধরনের বাজে কথা লিখার আগে একবারও চিন্তা করেন নাই??? আমি এই গল্প এক বিন্দুও সত্যি হিসেবে মানতে পারছি না। আপনি কি বলতে চান, একটা ডাকিনী যদি না চাইতো তাহলে আল্লাহ আমাদের নবীকে পৃথিবীতে আনতে পারতেন না??? ইসলামের জন্ম হতো না??? দয়া করে, এই ধরনের কথাগুলো লিখবেন না। আপনার ব্লগ আপনি যা ইচ্ছা লিখতে পারেন, কিন্তু এই ভাবে ইসলামকে আঘাত করে কিছু লিখার আধিকার আপনার নাই।

আমেরিকানরাতো ইসলামকে পছন্দ করে না, হইতো এই ঘটনাটা এই রকম ছিল না, ওরা এটাকে নিজেদের ইচ্ছামত পরিবরতন করেছে। যা পান তাই ব্লগে লিখা দিবেন নাকি??? আরো কয়েকটা বইকি দেখা উচিত ছিল না??? একটা বই পরে এত বড় একটা কথা বলে ফেললেন???
১৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: যে সময়টুকু এই সব পোস্টের পেছনে দেন সেই সময়টুকু একটা ভালো কাজে দিলেও পৃথিবী উপকৃত হইতো।

আপনে কি পোস্ট দিবেন , কি দিবেন না সেইটা বলার আমি কেউ না হইলেও মনে হইলো তাই বল্লাম।
আমি কি বলবো সেইটা বলার অধিকার নিশ্চয়ই আমার আছে , তাই না রাসেল ভাই ?

যাই হোক, ইসলাম নিয়া পোস্টাইয়া আমাদের আমোদিত করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। সুখে থাকুন ;)
১৮. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
মারুফ সৈকত বলেছেন: আপনি কেবল আল তাবেরির বই পড়েই এমন মন্তব্য করতে পারেন না। নঈম সিদ্দিকীর লেখা ‌‌'মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ (সা)' বইটাও একবার পড়ে দেখতে অনুরোধ করব। আর তাছাড়া কেউ একটা বই লিখলেই সেটা ইতিহাস হয়ে যায় না। আল তাবেরির বর্ণনাকে সঠিক বলে মেনে নিতে হলে তার ইতিহাসটাও আগে জেনে নেয়া জরুরি। আশা করি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সঠিক তথ্য জেনেই কেবল উপস্থাপন করবেন। আর তাছাড়া আপনার মেধাটাকে সৃষ্টিশীলতার পেছনে ব্যয় করলে জাতি অনেক বেশি উপকৃত হবে। আপনার মঙ্গল কামনা করছি।
১৯. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনে কি গল্প লিখছেন না ইতিহাস থেইকা লইছেন ? যদি ইতিহাস থেকে পান তবে রেফারেন্স দেন। ছাগু নাস্তিকগো তো রেফারেন্স ছাড়া কথা বলে বলে না।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ১১নং মন্তব্য--

২০. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: তাবেরীরে রে ইসলামের নামে কেউ হোগা মারছিলো মনে লয় ;)
২১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
শয়তান বলেছেন: এই কি সেই ভবিষ্যতের জন্য তুলে রাখা প্রশ্ন পোস্টের নওফল ?

নাকিঅন্য কেউ ?
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: সম্ভবত-

তবে আরও মজার বিষয় হলো, তাবেরীর মতে

হামজা বিন আবদুল মুত্তালিব মোহাম্মদের সাথে গিয়েছিলো খাদিজার বাবা খালিদ বিন আসাদের কাছে - এবং তখন তারা বিবাহের প্রস্তাব দেয়।

অন্য একটি সূত্রে মতে সেই খালিদ বিন আসাদ মৃত্যু বরণ করেছে ৫৮০ খ্রীষ্টাব্দেই।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: খাদিজার বিবাহ বিষয়টা নিয়ে এত বেশী জলঘোলা হয়েছে, আরবদের স্মৃতিশক্তি বিষয়ক যত প্রশংসা শুনেছিলাম, সব মিথ্যা মনে হচ্ছে-

এক দলের মতে খালিদ বিন আসাদ মৃত্যু বরণ করেন ৫৮০ খ্রীষ্টাব্দে, এবং খাদিজা তার সম্পদের উত্তরাধিকারী হন, অন্য একদলের মতে খালিদ বিন আসাদ মারা যায় ৫৯০ খ্রীষ্টাব্দে কোনো এক যুদ্ধে এবং খাদিজা তার মৃত স্বামীর সম্পদের উত্তরাধিকারী হন।

একটা ভাষ্য খাদিজা তার বাবাকে মাতাল করে নিজের বিয়ের সম্মতি আদায় করে এবং অন্য ভাষ্যে মৃত মানুষকে নিয়ে টানাটানি না করে বলা হয়েছে খাদিজাকে মুহাম্মদের হাতে সমর্পন করেন তার চাচা।

২২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
ফারুক৫৫ বলেছেন: "কোনোটা বেশী বিশ্বাসযোগ্য কোনোটা কম। হয়তো সকল ঘটনাই বাস্তব নয় বরং এদের কিছু কিছু অংশ সত্যি।"
আপনার এই বক্তব্যের সাথে একমত। ধন্যবাদ অজানা এইসকল গল্প বলার জন্য।
২৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
সাইফ শামস বলেছেন: আপনার লেখার টাইটেলটা আমার মোটেও পছন্দ হয়নি। তবে, আপনার গল্পপড়ে, সে সময়ের আরবের সমাজিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারলাম।

আল্লাহ মাফ করুক। মুহম্মদ (সঃ)-একজন মানুষ। তিনি রাসুল কারন আল্লাহ তাকে পছন্দ করে তার মাধ্যমে ইসলামের বাণী মানুষের কাছে পাঠিয়েছিলেন। এখানে জেনেটিক্সের কোন সম্পর্ক আছে কিনা জানিনা। যদি না থাকে, তবে নির্দিষ্ট কোন মানুষের জন্য ইসলাম আটকে থাকত বলে মনে হয়না। আবার আল্লাহ যদি চায়, তবে ওই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে রক্ষাও করতে পারেন। এটা বোঝা খুব কঠিন বিষয় নয়। কাজেই এ রকম নাম দেওয়ার আগে ভাবা উচিত। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, সত্যি কথা বলতে এই টাইটেল দেখে আমি মনে কষ্ট পেয়েছি। শুধু ইসলাম নয়, অন্য যে কোন ধর্মের নামে এভাবে লিখলে,সে ক্ষেত্রেও আমি এরকমই মন্তব্য দিতাম।
২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: এটা অলৌকিকত্ব আরোপের একটা চেষ্টা বলা যেতে পারে।
আব্দুল্লাহ সুদর্শন ছিলো এবং তৎকালীন মক্কায় কাম্য পুরুষ ছিলো। সেটার পরবর্তী বয়ানগুলো আকর্ষণীয় বলা যায়-

তার চেহারার দেবকান্তী এবং অভিজ্ঞ নারীদের সেটা বুঝে বুঝে তার সাথে মিলিত হতে চাওয়ার আগ্রহ- এই আব্দুল্লাহ যে একজন প্রেরিত পুরুষের জন্ম দিবেন সে সময়ে সেটা উপলব্ধি করতে পারা কিংবা তার চেহারায় সেই দীপ্তির বিষয়টা আরোপিত মনে হলেও সেটা ইবনে হিশামও করেছে, আবু ইসহাকও সেই একই রকম অলৌকিকত্বের ভেতর দিয়ে প্রকাশ করেছে ঘটনা।

২৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: লেখক বলছেন উনি জেনেছেন বলেই প্রকাশ করেছেন। এখন আমার প্রশ্ন যে টাইটেলও কি ঐ রেফারেন্স থেকে নেয়া? যদি তাই হয় তাহলে এই ধরনের মন্তব্য ধর্মী বই কে রেফারেন্স হিসেবে নেয়ারই বা যৌক্তিকতা কি? নাকি ধর্মের ব্যাপারে উনার চিন্তাধারার ফসলই হচ্ছে এই বিশেষ ধরনের টাইটেল।
২৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ইসলামের জন্মের পেছনে অন্তত একজন ডাকিনীর ভুমিকা প্রবল -- হুমম! এভাবে চিন্তা করলে তো ভালোই। তাহলে আরও এটকু আগে যান, ইসলামের জন্মের পেছনে অন্তত ইবলিস শয়তনের ভুমিকা প্রবল। ----এই ইবলিস যদি আদমরে ফুসলাইয়া গন্দম না খাওয়াইতো তাইলে আদম দুনিয়াতেই আসতো না। মোহাম্মদ(সাঃ) এর জন্মও দুনিয়াতে হতো না, আপনের কথা মতো ইসলামের জন্মও হতো না ....... কি আর কমু /:)/:)/:) মুক্তচিন্তার ভাব নেওয়া আর সত্যিকারের মুক্তচিন্তার লালন করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস ......

আর, ইসলামে জন্ম মোহাম্মদ (সাঃ) এর থেকে হয়নি। মুসলমানরা বিশ্বাস করে ঈসা (আঃ), মুসা(আঃ), নূহ(আঃ) থেকে আদম (আঃ) পর্যন্ত সবাই মুসলমান ছিলেন।

ও, এ সিম্পটমের সাথে রিলেটেড একটা রম্য গল্প লিখছিলাম, সময় পাইলে পইড়া দেখতে পারেন। এক ফোঁটাও যদি উপকৃত হোন তাহলে মনে করবো আমার লিখাটা স্বার্থক হয়েছে

সুরুজ আলী - লুকিং ফর “পটল” ইন দা শেক্সপীয়ার।
২৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হা হা হা.....
সত্য ঘটনার বিকৃত উপস্থাপন।
২৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০০
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই জন্য বলা হয়, দুঃসংবাদ যে বহন করে আনে, তারই গর্দান যায়। আর দুঃসংবাদ যে জন্ম দেয়, তার জন্য উদ্বিগ্ন থাকে সবাই। তাবেরীর কাহিনী কইতে গিয়া চিপা খাইতেছেন আপনে।
৩০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২২
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
কোন সমালচনা অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ হওয়া উচিত। সেখানে অবশ্যই দায়িত্ব থাকতে হবে আর মুহাম্মদের মত মানুষের ক্ষেত্রে তো অবশ্যই।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন: এইখানে সমালোচনা আসলো কোথা থেকে? গৎবাঁধা বুলির মতো কিছু বাক্য এবং শব্দুগুচ্ছ আমদানী করে সেসবের উপযোগিতা এবং প্রয়োগ না জেনে যত্রতত্র প্রয়োগ নিজের ভাষাবিষয়ক দুর্বলতাকেই প্রকট করে তোলে।

৩১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: ইতিহাসরে ইতিহাস হিসাবে দেখলেই অনেক রকম 'ওনুবুটি'র সুরসুরানি দাফন হয়া যাবে..

এই ঘটনাগুলা মুহম্মদের বংশের বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখলে তেমন কোন গুরুত্ব হয়তো নাই, কিন্তু আবাল মোছলেমের দল মাঝে মাঝে ছ্যান ছ্যান করে উঠে....
৩২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫১
সাইফ শামস বলেছেন: ইতিহাসটা সত্য না মিথ্যা এ+ইটা নিয়ে কিন্তু আমার কোন অভিযোগ নাই। আপনি জাননোর চেষ্টা করেছেন, তাও ঠিক আছে আমার আপত্তিটা শুধু আপনার মন্তব্যে যে ইসলামের পেছনে...
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: আমার উপসংহার সেটা-

যদি মুত্তালিব সে সময়ে আব্দুল্লাহকে কতল করে ফেলে, যা করবার জন্য তাকে বলির স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো- তবে আমরা কিন্তু সেই মুহাম্মদকে পেতাম না। বিশেষত ইবনে হিশাম যে পর্যায়ে গিয়ে বলছে ইসহাক আর ইসমাইলের বংশধর সে অর্থে।

অন্য একজন ইঙ্গিত দিয়েছে সেটা সামাজিক কারণেই তৈরি হতো- সেটা যদি হয়, যদি সামাজিক কারণই ইসলাম এবং মুহাম্মদকে নির্মাণ করে তবে এই সব অলৌকিকত্বের আড়াল খুলে সেভাবেই বিষয়টাকে দেখা হোক। ইসলাম গোটা বিশ্বের জন্য মুক্তির বারতা হিসেবে আসে নি ধরাধামে বরং সেই নির্দিষ্ট পরিপ্রেক্ষিতে সেই নির্দিষ্ট সমাজের নিজস্ব প্রয়োজনেই এই নেতা তৈরি হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে ডাকিনী যোগিনীর ভুমিকা একেবারে শূণ্য হয়ে যায় এবং আমরাও অলৌকিকত্ব বাদ দিয়ে সমাজ বিশ্লেষণের ধারায় একটা ধর্মমতকে যাচাইয়ের প্রকল্প হাতে নিতে পারি।

৩৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩
নাসিম কাদের বলেছেন: সস্তা জনপিয়তার জন্য এসব লেখা?
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়ে মনে হলো আসলেই আমি জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৪. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫১
স্পাইডার বলেছেন: আর কত এইসব বালছাল দিয়া পোষ্টাইবা

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবু ও মানুষ কাঁদে
অধিকার চায় একটি শিশুর
তবুও মানুষ বাঁচে
কার হাতে অধিকার
মানুষ না যীশুর............

অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্্বৈত্বতার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ