ওয়ারাকা ইবন নওফলের তেমন ভুমিকা ছিলো না নবুয়ত্বপ্রাপ্তির পরে......
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪২
ওয়ারাকা ইবন নওফল, খাদিজার ভাই- মুহাম্মদের জ্ঞাতি চাচা- তার ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায় না, বরং তার ভাষ্যে এটাই প্রতিষ্ঠিত হয় যে সে জানতো একজন ত্রাতার আগমন ঘটবে অতিশীঘ্রই, এবং মুহাম্মদ সম্ভবত সেইজন, সুতরাং সে নিয়মিত খাদিজার সাথে যোগাযোগ রাখতো এবং অপেক্ষা করতো। আর কতদিন, আর কতদিন।
[সূত্র সিরাত ইবন হিশাম]
অতঃপট সত্যি সত্যি একদিন ওহী নাজিল হলো, মুহাম্মদ প্রতিবছর রমজান মাসে একাকী প্রার্থনা করতে যেতো, এমনই কোনো এক সময়ে শবে কদরের রাত্রে জিব্রাঈল এসে বললো পড়ো তোমার প্রভুর নামে.............. যিনি তাকে শিখিয়েছেন যা সে জানতো না।
এই ঘটনার মুহাম্মদ ভীত হয়ে ছুটে চলে আসে বাসায় এবং এসে খাদিজাকে বললো, আমাকে আবৃত করো।
সাহীহ বুখারী Narrated 'Aisha(R): Volume 1, Book 1, Number 3
Khadija then accompanied him to her cousin Waraqa bin Naufal bin Asad bin 'Abdul 'Uzza, who, during the pre-Islamic Period became a Christian and used to write the writing with Hebrew letters. He would write from the Gospel in Hebrew as much as Allah wished him to write. He was an old man and had lost his eyesight. Khadija said to Waraqa, "Listen to the story of your nephew, O my cousin!" Waraqa asked, "O my nephew! What have you seen?" Allah's Apostle described whatever he had seen. Waraqa said, "This is the same one who keeps the secrets (angel Gabriel) whom Allah had sent to Moses. I wish I were young and could live up to the time when your people would turn you out." Allah's Apostle asked, "Will they drive me out?" Waraqa replied in the affirmative and said, "Anyone (man) who came with something similar to what you have brought was treated with hostility; and if I should remain alive till the day when you will be turned out then I would support you strongly." But after a few days Waraqa died.
এখানে যে ঘটনার বর্ণনা আছে, সেটা মুহাম্মদের উপরে ওহী নাজেল হওয়ার পর পর যখন খাদিজা চাদর গায়ে দিয়ে তার ওহী প্রাপ্তির সংবাদ দিতে গেলো তারপর পরের ঘটনা। সে সূত্রে এটা যখন মুহাম্মদের বয়েস ৪০ তখনকার ঘটনা।
এমন কি মুহাম্মদের নবুয়তপ্রাপ্তি এবং নবী হয়ে উঠবার বিষয়েও তার কোনো সংশয় ছিলো না, কিন্তু এরপরও সে ইসলাম গ্রহন করে নি, কোনো সময়ই গ্রহন করে নি। এতটা নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও তার ইসলাম না গ্রহনের কোনো কারণ ছিলো না।
এর কিছুদিন পরেই ওয়ারাকার মৃত্যু হলো এবং এই ঘটনার পরপরই কিছুদিন ওহী নাজেল হওয়া বন্ধ ছিলো, অতঃপর মুহাম্মদ যখন অনুতপ্ত এবং চিন্তিত তখন পুনরায় ওহি নাজিল হলো, হে মুহাম্মদ তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমাকে ভুলে যায় নি।
বৃদ্ধ এবং মৃতপ্রায় হয়েও আম্মার ইবন ইয়াসিরের মা তাদের গোত্রের মানুষদের অত্যাচারে নিহত হয়েছে এবং তাদের অত্যাচারের দৃশ্য দেখে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুহাম্মদ বলেছে
হে ইয়াসিরের পরিবার ধৈর্য্য ধারণ করো , তোমাদের দেখা হবে বেহেশতে।
তবে এই মৃত্যু বিচলিত করে নি মুহাম্মদকে তেমন ভাবে। এটাই হয়তো স্বাভাবিক মনে হয়েছে , তবে তার সঙ্গী আবু বকর দুর্বলদের উপরে অত্যাচারের প্রতিবিধান করতে যথাসাধ্য করেছে, এবং মদীনায় হিজরতের আগেই ৭জনকে দাস-দাসীকেন িজের পয়সায় মুক্ত করে দিয়ে যান।
মুহাম্মদ যখন ইসলাম প্রচার করছে অনেকেই তার বানীতে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহন করেছে, কুরাঈশদের অত্যাচারে কেউ কেউ ধর্মত্যাগ করেছে কিংবা ধর্মত্যাগে বাধ্য হয়েছে।
ওয়ারাকা ইবন নওফলের সবচেয়ে বড় বক্তব্য যখন বিলালকে অত্যাচার করা হচ্ছে সে সময়ে- সে সময়ে সে অত্যাচারীদের গিয়ে বললো, তোমাদের অত্যাচারে যদি বেলাল মারা যায় তাহলে আমি তার কবরস্থানকে আশীর্বাদপুষ্ঠ জায়গা মনে করে নেবো।
[ সূত্র সিরাত ইবন হিশাম]
এরপরপরই আবুবকর বিলালকে মুক্ত করেন।
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: মূল ব্যাপার আছে আগের একটা পোষ্টে, ওয়ারাকা ইবন নওফলের ভুমিকা নবুয়ত প্রাপ্তিতে। তার চাওয়া কিংবা তার ঘোষণা কি কোনোভাবে মুহাম্মদকে প্রভাবিত করেছইলো।
সাহেদ সাকিব বলেছেন:
ভাইয়া,আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এভাবে ধর্ম বিষয় আরো জানালে খূশি হব।
শারমিন সুলতানা লিলি বলেছেন:
didn't understand.
স্পাইডার বলেছেন:
তার ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায় না জানার জন্য কি কি পড়াশোনা করেছেন তা কি জানতে পারি?
লেখক বলেছেন: আপনি একটু তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন, আমার দৌড় আসলে বেশী না, এই একটু তাবেরী, একটু ইসহাক, একটু হিশাম, এই।
শয়তান বলেছেন:
এর কিছুদিন পরেই ওয়ারাকার মৃত্যু হলো এবং এই ঘটনার পরপরই কিছুদিন ওহী নাজেল হওয়া বন্ধ ছিলো, অতঃপর মুহাম্মদ যখন অনুতপ্ত এবং চিন্তিত তখন পুনরায় ওহি নাজিল হলো, হে মুহাম্মদ তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমাকে ভুলে যায় নি।
-- এই প্যারাটা বুঝি নাই ।
লেখক বলেছেন: ঘটনায় হয়তো ওয়ারাকার কোনো হাত নেই। প্রথম বার ওহী নাজেল হওয়ার পরে বেশ কিছু দিন ওহী নাজেল হওয়া বন্ধ ছিলো। সেই সময়েই, এক জীবনিকারের ভাষ্য মতে ওহী নাজেল বন্ধ ছিলো।
আবার অন্য একজনের মতে সে সময়েও ওয়ারেকার মৃত্যু হয় নি। বললাম না, টাইম ফ্রেমে ৫ ১০ বছরের একটা গ্যাপ তৈরি হয়ে যায়, ওয়ারেকার মৃত্যু হইলো কবে এইটাও খুইজ্যা পাইতেছি না।
স্পাইডার বলেছেন:
আপনাকে সসম্মানে নয়া ব্লগ পয়গম্বর উপাধিতে ভূষিত করা হলো
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
আপনার পোস্টটি পড়ে মনে হল আপনি বোঝাতে চাচ্ছেন১. নবী স. এর নবুয়াত প্রাপ্তির ঘটনাটি খাদিজা ও নওফলের পূর্বপরিকল্পনার বাস্তবায়ন মাত্র।
২. সেই কারণে নওফল এতকিছু বলার পরেও নিজে মুসলমান হননি।
আর যেহেতু নবুয়াতের ব্লু প্রিন্টটি নওফলের মস্তিষ্কপ্রসূত তাই উনি মারা যাওয়ার সাথে সাথেই অহি নাযিল হওয়া বন্ধ হয়ে গেল , যতদূর সম্ভব আপনার বক্তব্যের সারমর্ম তাই। কিন্তু এটা আমার মাথায় আসছে না নওফল মারা যাবার পরপরেই অহী অবতীর্ণ হওয়া বন্ধ হয়েছিল এই আজগুবি তথ্য আপনি কই পেলেন!
আর নওফলের একজন একশ্বরবাদী খৃষ্টান পাদ্রীর জন্য নবীর অপেক্ষায় থাকাটা আপনার কাছে অস্বাভাবিক লাগছে কেন তা বোধগম্য নয়।রোম , গ্রিস ও ইউরোপের ইতিহাসে এমন অনেক খৃষ্টান গোত্রের উল্লেখ পাওয়া যায় যারা যিশুকে ঈশ্বর পুত্র ভাবতেন না ও ট্রিনিটি ধারণায় অবিশ্বাসী ছিল। নওফেল তেমন-ই একজন খৃষ্টান ছিলেন । এমন একজন খৃষ্টান, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তনের আগে, একজন বিশ্বাসীই ছিলেন , কারণ খৃষ্টান ধর্মই ছিল সমসাময়ীকতায় সর্বশেষ ধর্ম ।
যে কোন লোক এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করলেই মুসলিম বলে গণ্য হয় না। তাকে মুসলিম বলে গণ্য হতে হলে মুহাম্মদকেও নবী হিসেবে মানতে হয়।তা করলে তাকে মুসলিম হিসেবেই বিবেচনা করা হবে । মসজিদে মাইক লাগিয়ে সে যদি প্রচার নাও করে তাহলেও সে মুসলিম।এই পোস্টে আপনি নিজেই উল্লেখ করেছেন “এমন কি মুহাম্মদের নবুয়তপ্রাপ্তি এবং নবী হয়ে উঠবার বিষয়েও তার কোনো সংশয় ছিলো না...” । একজন একশ্বরবাদী যদি মুহাম্মদকে স. নবী হিসেবে মেনে নেয় তাহলেই সে মুসলিম। সে ক্ষেত্রে তার জনসমক্ষে তা ঘোষণা করতে হবে এমন কোন নিয়ম ইসলামে নেই।
একজন গোড়া একশ্বরবাদী খৃষ্টান পাদ্রী নওফেল , যিনি কখনো মূর্তি পূজা করেন নি, পৌত্তলিকতার সাথে যার ন্যূনতম সম্পর্ক ছিল না , এমন একজন লোক মুহাম্মদকে নবী হিসেবে মেনে নিলে অবশ্যই সে একজন মুসলিম, ইসলামি বিশ্বাস মতে। তাই নিশ্চিন্তেই বলা যায় , নওফেল ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। একশ্বরবাদী হওয়ার পাশাপাশি মুহাম্মদকে নবী হিসেবে বিশ্বাস করে তিনি মুসলমান হওয়ার সমস্ত শর্তই পূরণ করেছিলেন। খৃষ্টান ধর্মের মত ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে চার্চে গিয়ে ঢোক ঢাল পিটিয়ে ব্যপটিজম অনুষ্ঠান করে নিজের ধর্মান্তরিত হওয়ার কাহিনী সবার মধ্যে প্রচার করতে হবে এমন কোন শর্ত ইসলামে নেই।
সোজা কথায় একজন একশ্বরবাদী ও মুসলিমের মধ্যে পার্থক্য হোল মুহাম্মদকে নবী হিসেবে মনে না নেওয়া ও নেওয়ার মধ্যে , সে ক্ষেত্রে নওফাল মুসলিম হয়েছিলেন এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
এবার খৃষ্টান পাদ্রীদের একজন নবীর অপেক্ষা জন্য করে থাকার কারণটা বলা দরকার। শুধু নওফেল না, সমস্ত খৃষ্ট জগৎ একজন নবীর অপেক্ষায় ছিলেন। কারণ ওল্ড ও নিউ টেস্টামেন্টে সেই ভাববাদী নবীর আগমনের ভবিষ্যৎ বাণী করা হয়ছে কয়েক জায়গায়। ওল্ড টেস্টামেন্টের অনেক জায়গায় এমন ভবিষ্যৎ বাণী রয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি:
সদাপ্রভূ ঈশ্বর মুসাকে বলছেন:
“ আমি তাদের ইস্রায়েলীয় ভাইদের মধ্য থেকে তাদের জন্য তোমার মত একজন নবী দাঁড় করাব। তার মুখ দিয়েই আমি আমার কথা বলব, আর আমি যা বলতে তাকে আদেশ দেব সে তা-ই তাদের বলবে” বাইবেল- দ্বিতীয় বিবরণ ১৮:১৮
“ একজনের কণ্ঠস্বর চিৎকার করে জানাচ্ছে,
‘তোমরা মরু এলাকায় সদাপ্রভূর পথ ঠিক কর;
মরুভূমিতে আমাদের ঈশ্বরের জন্য
একটা সোজা রাস্তা বের কর ‘ “ বাইবেল- যিশাইয় ৪০:৩
নিউটেস্টামেন্ট(ইন্জিল) এ যিশু বলছেন:
“......আমি পিতার কাছে চাইব , আর তিনি তোমাদের কাছে চিরকাল থাকবার জন্য আস একজন সাহায্যকারীকে পাঠিয়ে দেবেন। সেই সাহায্যকারীই সত্যের আত্মা।“ ইন্জিল , যোহন : ১৪:১৭
“ সেই সাহায্যকারী, অর্থাৎ পবিত্র আত্মা যাঁকে পিতা আমার নামে পাঠিয়ে দেবেন , তিনিই সব বিষয়ে তোমাদের শিক্ষা দেবেন, আর আমি তোমাদের যা কিছু বলেছি সেই সব তোমাদের মনে করিয়ে দেবেন” ইন্জিল- যোহন-১৪:২৬
“ তবুও আমি তোমাদের সত্যি কথা বলছি যে , আমার যাওয়া তোমাদের টক্ষে ভাল, কারণ আমি না গেলে সেই সাহায্যকারী তোমাদের কাছে আসবে না। কিন্তু আমি যদি যাই তবে তাঁকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দিব। তিনি এসে পাপ সম্বন্ধে ঈশ্বরের ইচ্ছামত চলা সম্বন্ধে এবং ঈশ্বরের বিচার সম্বন্ধে লোকজনদের চেতনা দিবেন। ” ইন্জিল: যোহন ১৬:৭-৮.........
এরকম আরো অনেক ভবিষ্যৎ বাণী রয়েছে। তাই নওফেলের মত একজন পণ্ডিত খৃষ্টান বিশ্বাস করতেন মরুর বুকে এমন কেউ একজন আসবেন। তাই তাঁর নবীর জন্য অপেক্ষায় থাকার অবস্থানকে বাঁকা চোখে দেখবার কোন কারণ আমি দেখছি না।
লেখক বলেছেন: ইহুদীদের ভেতরে প্রতীক্ষা এখনও আছে, এটা ওদের ধর্মগ্রন্থের কিংবা ধর্মবিশ্বাসের অন্যতম অংশ। তাদের যখনই বড় কোনো বিপদ হবে তখনই ইশ্বর তাদের রক্ষা করবার জন্য একজন পয়গম্বর পাঠাবেন এটাই তাদের মৌলিক বিশ্বাস।
নবুয়তের সিল মোহর তারা মানে না।
এটা হইলো জোর কইরা তারে মুসলিম বানানোর চেষ্টা কিংবা আপনার সাধারণ মনোভাব, সে স্পষ্ট কইরাই বলছে যদি সে যুবক হইতো তাহলে সে মুহাম্মদের উপকারে আসতো, সেইটা বুখারীর হাদিসে বয়ান করা আছে,
লেখক বলেছেন: সেইটা আমার বানানো কিছু না, আমি শুধু অনুবাদ করছি মাত্র,
বিভিন্ন আয়াত নাজেল হচ্ছে এবং সেসব আয়াত নাজেল হচ্ছে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনেই। সেসবের বর্ণনা তাফসিরেও আছে, সিরাত উন নবীতেও আছে। অন্তত প্রেক্ষাপট এবং সেই প্রেক্ষাপটের সাথে আয়াতের সাযুজ্যতা নিয়ে অনেক কিছুই আছে এইসব জীবনীতে
শ্বাশত সত্য বিষয়টা নিয়েই আমি চিন্তিত।
অলস ছেলে বলেছেন:
আপাদমস্তক মিথ্যাবাদী। কিছু সত্য ঘটনার সাথে বড় কয়েকটা মিথ্যা কথা বানিয়ে লিখেছেন।
সীরাতে ইবনে হিশাম কে সূত্র বলতে চেয়ে আরেক মিথ্যাচার করেছেন। তর্ক করার কোন অর্থ হয় না।
লেখক বলেছেন: আগে পড়েন তারপর সত্যবাদী মিথ্যাবাদী বিতর্কে যাবেন।
না পড়েই যদি আপনি সিদ্ধান্ত দিয়ে বসে থাকেন তাহলে বিপদ।
লেখক বলেছেন: কষ্ট পাইলাম।
অলস ছেলে বলেছেন:
আপনার উপদেশ পেয়ে খুব ভালো লাগলো, এত ভালো কথা জানেন, মিথ্যা বলেন কেন?
মূল আরবীতো পড়তে পারবেন না সম্ভবত, আপনি কার অনুবাদ পড়েছেন, পাবলিকেশন ডাটা সহ দয়া করে দেন।
অপ বাক বলেছেন:
চমৎকার লাগলো প্রস্তাবটা-প্রকাশক
আল ফালাহ ফাউন্ডেশন ফর ট্রান্সলেশন
২৪ আত তায়রান স্ট্রীট
নাসের সিটি
কায়রো ইজিপ্ট
অনুবাদক
ইনাস এ ফরিদ
আইএসবিএন নং: ৯৭৭-৫৮১৩-৮০-৮
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
কাজের পোস্ট ++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















মূল ব্যাপারটা ধরতেই পারলাম না!