নিজস্ব নিরাপত্তাহীনতার বোধে মুহাম্মদ যা যা করেছিলো-
১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৮
মুহাম্মদের লক্ষ্য আদতে কি ছিলো সেটা নিয়ে একটা প্রশ্ন জাগে যখন তার ধর্মপ্রচারের ধরণ পাঠ করি।৪০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্তির পরের ১০ বছর মুহাম্মদ বিভিন্ন ভাবেই মক্কা নগরীর অধিবাসীদের একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী করতে চেয়েছে, এর ভেতরে প্রথম ৩ বছর একেবারে গোপনে গোপনে ইসলামের বানী প্রচারিত হয়েছে এবং সে সময়েই আবু বকর, উসমান এবং মক্কাবাসী অন্যান্য একেশ্বরবাদীরা ইসলাম গ্রহন করেছে। এবং সেটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিলো মক্কায়।
আবু তালিব ছায়ার মতো রক্ষা করেছে মুহাম্মদকে এই সম্পূর্ণ সময়টাতে। তেমন বৈরীতার মুখোমুখি হতে হয় নি মুহাম্মদকে একেশ্বরবাদ প্রচারে। আধুনিক রাষ্ট্র এবং তার রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের চরিত্র বিশ্লেষণ করে অন্তত এইটুকু নিশ্চিত বলা যায় মুহাম্মদের জীবন সংশয় হয়েছিলো শুধুমাত্র ১ বারই, সেটাও ইসলাম প্রচারের প্রথম এক যুগে ঘটে নি। শয়তানের প্ররোচনা আবু জাহেল এবং অন্যান্য কোরাঈশগণ যখন মুহাম্মদকে কতলের জন্য মুহাম্মদের বাসার দরজায় অপেক্ষা করছে তার আগেই মুহাম্মদ তাদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেছে মদীনার উদ্দেশ্যে। সেই একবার বাদ দিলে আদতে মুহাম্মদকে খুব বেশী শাররীক নির্যাতন সহ্য করতে হয় নি
তবে মুহাম্মদের নিজস্ব নিরাপত্তাহীনতার বোধ তাকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করেছিলো, নিরাপত্তাহীনতা থেকে মুক্তি এবং মক্কার অধিবাসীদের সমর্থন পাওয়ার জন্য আল্লাহর সাথে শিরক, আবু তালিবের মৃত্যুর পরে গোত্রগত বিদ্বেষকে কাজে লাগিয়ে নিজের এবং নিজস্ব ধর্মপ্রচারের নিরাপত্তা কবচ খুঁজতে তায়েফ গমন এবং অবশেষে মদীনার অধিবাসীদের কাছে সহায়তা চাওয়া এবং পরিশেষে নিরাপদ জীবনের খোঁজে মদিনায় হিজরত এবং সেখানেও ইহুদী এবং খ্রীষ্টানদের সমর্থনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন অব্যাহত ছিলো।
অবশ্য সে সময়ে শাররীক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো মুহাম্মদের দরিদ্র অনুসারীগণ, কারণ তাদের রক্ষা করবার মতো কোনো গোত্রপতি ছিলো না। মূলত ইসলাম গ্রহন কিংবা ইসলামের বিস্তারের সাথে সাথে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীলদের আঘাতটা এসেছেই দাস এবং হতদরিদ্র ধর্মান্তরিতদের উপরে। আবু বকর, উসমান, কিংবা ওমর, কিংবা অন্য যারা নিজস্ব গোত্রের সুরক্ষা পেয়েছে কিংবা যাদের নিজস্ব ব্যবসা এবং প্রভাব ছিলো, তারা সবাই মক্কায় ঘুরেছে এবং নির্বিঘ্নেই চলাচল করেছে, ব্যবসা করেছে।
প্রকাশ্যে নামাজ পড়েছে তারা, কোরাঈশদের বিদ্রুপের শিকার হয়েছে কিন্তু শাররীক নির্যাতনের প্রচন্ডতা ছিলো না কোনো সময়ই। মুহাম্মদকে কবি, মিথ্যুক, প্রতারক এবং অন্যান্য বিশেষণে ভুষিত করাকে আমি শাররীক নির্যাতনের অংশ ধরছি না, তার গায়ে বেশ কয়েকবার নাড়ীভুড়ি ছুড়ে ফেলা হয়েছে, এবং একবার তার মাথায় ধুলো দেওয়া হয়েছে- এর বাইরে শাররীক হেনেস্তা হতে হয় নি তাকে ।
এর বিপরীতে আমরা আধুনিক রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের কথা বিবেচনা করি, নতুন কোনো ধর্ম নয়, বরং সকল মানুষের সমান অধিকার এবং ফসলের ন্যায্য ভাগের দাবিতে তেভাগা আন্দোলনের নেতাদের যখন আটক করা হলো তাদের উপরে যে নির্যাতন চলেছে সেটার বর্বরতা মুহাম্মদের ইসলামের বানী প্রচারে প্রাপ্ত বর্বরতার শতগুণ বেশী।
মুহাম্মদের কোনো মহিলা অনুসারী শাররীক নির্যাতনের শিকার হয় নি, কোনো সময়ই না, মক্কার জাহেলিয়াত পরিবেশেও অহেতুক শাররীক নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ জাতীয় ঘটনা ঘটে নি , নও মুসলিম নারীদের ভেতরে আবু বকরের বড় মেয়ে আসমাই সর্বপ্রথম কোরাঈশদের হাতে শাররীক নিগৃহীত হয়েছে, সে নিগ্রহ ছিলো গালে একটি চড়।
অথচ এর বিপরীতে আমরা ইলা মিত্রের অভিজ্ঞতা স্মরণ করলে দেখবো আমাদের আধুনিক সময়ে নতুন কোনো সাম্যবাদী মতামতের প্রসার হওয়া অনেক বেশী বৈরিতার জন্ম দেয় । রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো সম্ভবত এইসব নতুন মতাদর্শিক বিকাশকে সহ্য করতে চায় না, নিজেকে নিরাপত্তাহীন ভাবে। ধর্মীয় জঙ্গীবাদীদের যেভাবে দমন করছে উন্নত এবং অনুন্নত দেশগুলো, তেমন বড় মাপের নৃশংসতাও দেখে নি মুহাম্মদের অনুসারীগণ।
মুহাম্মদকে আমার কখনই ঠিক বড় মাপের নেতা মনে হয় নি, বরং চরিত্রে সে আপোষকামীই ছিলো। সারাক্ষণ নিরাপত্তাহীনতার বোধ তাকে তাড়া করেছে, আবু তালিবের সাথে অন্যান্য কোরাইশ নেতাদের বৈঠকে আবু তালিবের নিরবতা তাকে নিরাপত্তাহীন করেছে, এবং আবু তালিব তাকে আশ্বস্ত করেছে আমি যতদিন বেঁচে আছি আমি তোমাকে রক্ষা করবো।
গোত্র এবং পরিবার প্রীতি ছিল হামজার ইসলাম ধর্ম গ্রহনের নেপথ্যে- ইসলামের একেশ্বরবাদীতা বানী শুনে হৃদয় বিগলিত হয়ে যে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে নি বরং সেটা প্রতিশোধস্পৃহাজাত একটি প্রবনতা। হামজা যখন শিকার থেকে ফিরে এসে কাবা শরিফ প্রদিক্ষণ করছিলো, তার একটু এগেই নতুন গোত্রপতি আবু জাহেল মুহাম্মদকে হেনেস্তা করেছে, এই সংবাদ পেয়েই হামজার ভেতরে ভাতুস্পূত্রের প্রতি স্নেহ জাগ্রত হয় এবং নিজের পোত্তলিকতা প্রত্যাখ্যান করে সে ঘোষণা দেয় আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলাম এখন তোমাদের যদি সাহস থাকে তাহলে মুহাম্মদকে হেনেস্তা করো।
হামজা কোরাইশদের ভেতরে পরিচিত বীর হলেও আবু তালিবের মৃত্যুর পরে আবু জাহেলের গোত্রপতি হওয়ায় মুহাম্মদের নিরাপত্তাহীনতার বোধ একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নি।
মুহাম্মদকে এবং তাদের অনুসারীদের সাথে কোনো রকম সম্পর্ক না রাখবার সিদ্ধান্ত ছিলো আবু জাহেলের মস্তিকজাত এবং মুহাম্মদের নিরাপত্তাহীনতার বোধটা এ সময়ে আরও জঘন্য ভাবে প্রকাশিত হয়। এই বয়কটের সিদ্ধান্ত তাদের উপরে বিশাল আঘাত হিসেবে এসেছিলো। তাদের সঞ্চিত সম্পদ এবং আহার্য সমাপ্ত হয়ে যাওয়ার পরে তাদের প্রতি সহানুভুতীশীলদের অনুদানেই তাদের জীবন চলছিলো, ঠিক এই সময়েই কোরাঈশদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আসে- তুমি যদি আমাদের দেব দেবীদের অপমান না করো এবং তোমার ধর্মের অন্তর্ভুক্ত করো তবে আমরা তোমার ইসলাম প্রচারে কোনো বাধা দিবো না। আমরা সবাই তোমার ধর্ম পালন করবো ১ বছর এবং অন্য বছরে তুমি আমাদের ধর্ম পালন করবে।
এই প্রস্তাবের পরপরই মুহাম্মদ আল লাত, উজ্জা এবং মানাতকে স্বীকৃতি দিয়ে একটি সুরা পাঠ করে।
সেই সুরাটিই বিখ্যাত স্যাটানিক ভার্সেস,
By the Star when it sets, your comrade does not err, nor is
he deceived; nor does he speak out of (his own) desire . . .
Have you thought upon al-Lat and al-`Uzza and Manat, the
third, the other?
These are the high-flying cranes; verily their intercession
is accepted with approval.
-------------------------------------------------------
মুহাম্মদের অনুসারীগণ এতে কোনো আপত্তি করে নি, এবং কোরাঈশগণ আনন্দের সাথেই এটা মেনে নেয়।
কি ঘটেছিলো এটার পরে সেটাই আদতে মুল রহস্য- কোরাঈশগণ অবরোধ তুলে নেয় এবং মুসলমানগণ নির্বিঘ্নে ধর্মাচরণের সুযোগ পায়, এই সংবাদ পৌঁছায় আবিসিনিয়ায়, যেখানে ৮৩ জন মুসলিম হিজরত করে চলে গিয়েছিলো, মক্কাবাসী ইসলামকে স্বীকৃতি দিয়েছে এই সংবাদ পাওয়ার পরে তারা আবিসিনিয়া থেকে মক্কায় ফেরত আসে- তবে.........
তারা যখন ফেরত আসছে মক্কায়, তার আগেই মুহাম্মদকে জিব্রাঈল এসে বলেছে এটা আসলে শয়তানের প্ররোচনায় ঘটেছে, আল্লাহ জিব্রাঈলকে এমন কোনো ওহী দিয়ে পাঠান নি। মুহাম্মদ নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে পুনরায় সংশোধন করে সুরাটি। এবং সুরা হজ্জ্বের ৫২ নং আয়াতটি নাজেল হয় এই শয়তানের আয়াতকে নস্যাৎ করবার প্রতিক্রিয়ায়।
Never did we send a messenger or a prophet before you but
that when he recited (the Message) Satan cast words into his
recitation (umniyyah). God abrogates what Satan casts. Then
God established his verses. God is knower, wise [ ২২.৫২ ]
আবিসিনিয়া থেকে ফেরত আসা মুসলিমগণ মক্কায় প্রবেশের পূর্বেই এই সংবাদ জানতে পারে এবং তারা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গোত্রপতিদের অনুরোধ জানায়। এবং তারা সেই রক্ষাকবচ পাওয়ার পরই মক্কায় প্রবেশ করে এবং মদীনায় হিজরত করবার আগ পর্যন্ত তারা সেখানেই বসবাস করছিলো।
এরপর পরই পুনরায় বয়কট আরোপ করা হয়।
নবুয়তের ১০ বর্ষে আবু তালিব এবং খাদিজার মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। আবু তালিবের বদলে নতুন গোত্রপতি হয় আবু জাহেল, এবং মুহাম্মদ নিজস্ব প্রাণভয়ে তায়েফে ছুটে যান নিরাপত্তার আশ্বাস খুঁজতে- সেখানকার একটি গোত্র যদিও মক্কাবাসীদের সাথে মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলো কিন্তু তারা মক্কায় কোরাঈশ এবং অন্যান্য গোত্রদের তেমন পছন্দ করতো না বরং তাদের প্রতি বৈরীই ছিলো, সেই বৈরীতার সুযোগ নিতে মুহাম্মদ তায়েফে গমন করেন এবং তায়েফের তাহিকফ গোত্রপতি মুহাম্মদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাকে নির্বিঘ্নে ধর্ম প্রচারের জন্য নিরাপত্তা দিতে রাজী হয় নি। এই প্রত্যাখ্যানের পর মুহাম্মদের প্রতিক্রিয়া ছিলো, আমি যে এখানে সহায়তার জন্য এসে প্রত্যাখ্যার হয়েছি এই সংবাদ যেনো মক্কাবাসী জানতে না পারে, এবং অতঃপর সেই গোত্র মুহাম্মদকে হেনেস্তা করে ফেরত পাঠায়।
মুহাম্মদ ফেরার পথে অন্য এক মহিলার কাছে নিজের দুঃখের বয়ান করে বলেন আপনার স্বামী এবং তার ভাইয়েরা আমার আহ্বানে সাড়া দিলো না।
তারপর মুহাম্মদ মক্কায় ফেরত আসেন
Then the Messenger of God came back to Mecca, and found
that its people were even more determined to oppose him and to
abandon his religion, except for a few weak people who believed
in him. Some say that when the Messenger of God left al-Ta'if for
Mecca193 a certain Meccan passed by, and the Messenger of God
said, "Will you deliver a message which I entrust to you?" He
agreed, and he said, "Go to al-Akhnas b. Shariq and say to him,
'Muhammad asks you if you will give him protection so that he
can deliver the message of his Lord.' The man went to him and de-
livered the message, and al-Akhnas replied, "The confederate does
not give protection against the men of pure blood." He went back
to the Prophet and gave him this reply. Muhammad then asked
him if he would go back again, and when he indicated that he
would, said, "Go to Suhayl b. `Amr and say to him, `Muhammad
asks you if you will give him protection so that he can deliver the
message of his Lord.'" He went to him and delivered the message,
and he replied, "The Banu `Amir b. Lu'ayy do not give protection
against the Banu Ka`b.'' The man went back to the Prophet and
gave him this reply. Muhammad asked him if he would go back
yet again, and when he indicated that he would, he said, ''Go to al-
Mut`im b. `Adi and say to him, `Muhammad asks if you will give
him protection so that he can deliver the message of his Lord.'"
Al-Mut`im replied, "Yes, let him enter."
The man went back and told him this, and the next morning
al-Mut`im b. `Adi, his sons, and his brother's sons appeared wear-
ing their weapons and entered the mosque. When Abu Jahl saw
him, he said, "Are you offering protection to someone or follow-
ing a call to arms?" "I am offering protection," he said. Abu Jahl
replied, "We shall protect whomever you protect." The Prophet
entered Mecca and remained there. One day he went into the sa-
cred mosque while the polytheists were by the Ka`bah. When Abu
Jahl saw him he said, "This is your prophet, Banu `Abd Manaf."194 [1204]
To this `Utbah b. Rabi`ah said, "Is there anything wrong with there
being a prophet or a king from among us?" The Prophet was told
of this or heard it, and he went to them and said, "As for you, `Ut-
bah b. Rabi`ah, by God, you were not angered on behalf of God or his Prophet, but were angered on behalf of your own pride; and
as for you, Abu Jahl b. Hisham, by God, not long will pass before
you laugh little and weep much; and as for you, council (mala') of
Quraysh, by God, not long will pass before you will enter unwill-
ingly into that which you dislike."
এই নিরাপত্তার আশ্বাসও আসলে যথেষ্ঠ ছিলো না মুহাম্মদের জন্য, সুতরাং মুহাম্মদ এই সময়েই মদীনাবাসীদের কাছে ইসলামের প্রচার ও প্রাসারের জন্য সাহায্য সহযোগিতা চান। তবে মুহাম্মদ প্রত্যাখ্যাত হন মদীনাবাসীদের কাছেও, কারণটা মুহাম্মাদের মৃত্যুর পরে নেতৃত্ব যাবে কার কাছে এই বিষয়ক সংকট।
Ibn HumaydSalamahMuhammad b. IshaqMuhammad b.
`Abd al-Rahman b. `Abdallah b. Husayn: He went to a clan of
Kalb called the Banu `Abdallah in their encampments, summoned
them to God and offered himself to them, and finally said, "Banu
`Abdallah, God has given your ancestor an excellent name." How-
ever, they did not accept what he offered them.
Ibn HumaydSalamahMuhammad b. Ishaqone of his
companions`Abdallah b. Ka`b b. Malik: The Messenger of God
went to the Banu Hanifah in their encampments, summoned
them to God and offered himself to them, but not one of the Arabs
gave him an uglier answer than they.
Ibn HumaydSalamahMuhammad b. Ishaq and Muhammad
b. Muslim b. Shihab al-Zuhri: He went to the Banu `Amir b.
Sa`sa`ah, called them to God and offered himself to them. One
of them called Bayharah b. Firas said, "By God, if I could take this young man from Quraysh I could conquer all the Arabs with
him." Then he said, "Do you think that if we follow you and God
gives you victory over your opponents we shall have the command
after you?" He replied, "Command belongs to God, who places it
where He wills.'' Bayharah said, ''Are we to expose our throats to
the Arabs in your defense, and when you are victorious the com-
mand will go to someone else? We do not need your religion." So
they refused him.
[ তাবেরী ৬ষ্ঠ খন্ড, মুহাম্মদ ইন মক্কা]
একটা বিষয় স্পষ্ট মদীনাবাসীরা ইসলামের মাধুর্য্যে ধর্মান্তরিত হয় নি, বরং তাদের নিজস্ব স্বার্থ ছিলো প্রবল, এবং সেটার ভেতরে একটা ছিলোমদীনায় বসবাসরত ইহুদীদের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ লড়াই করতে আগ্রহী কিনা এই বিষয়ক নিশ্চয়তা। সে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরে মদীনাবাসীদের একাংশ ইসলামের শরণ গ্রহন করে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
পুরোটা পড়ি নাই , তবে কিচুক্ষনের মধ্যে ডিসুম ডিসুম বিতর্ক শুরু হয়ে রাতটা গরম হবে তা আচ করতে পেরেছি ।
এস বাসার বলেছেন:
ফালতু।
শাওন বলেছেন:
প্রথম মাইনাস আমি দিতে চেয়েছিলাম, লগ ইন করতএ করতএ দেখি একটা পড়ে গেছে ;( আপনি যে একটা গাজাখোর বুঝতে পারছেন ? নাকি পারেন নাই ? মানুষকে সম্মান করতে শেখেন এতে নিজের আত্মমর্যাদাবোধ কমেনা বরং বাড়ে ।
এতবড় পোস্ট লিখছেন সা: শব্দটা লিখলে হাত ব্যাথা করতো না । বা কিছুই হত না শুধু নিজে একটা আবাল তাই লেখেন নাই । যাহোক ভালো থাকবেন ।
লেখক বলেছেন: আমার সম্বোধনের তুলনায় বক্তব্যটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ, মাইনাস কিংবা প্লাস হিসাব করে লাভ নেই, বক্তব্য পড়ুন, অনুধাবণ করুন, সেটার পরে মাইনাস প্লাস তেমন গুরুত্ববহন করবে না।
কবন্ধ বলেছেন:
পেলাস
কবন্ধ বলেছেন:
সা, মানে কি শাওন?তার উপ্রে শান্তি বর্ষিত হৌক তো?
শান্তি শুধু একজনের উপ্রে বর্ষিত হবে কেন???????
কবন্ধ বলেছেন:
মোহাম্মদরে শাউন বা যে কেউ শ্রদ্ধা করতেই পারে, যার যার ব্যপার। আবার এটাও যার যার ব্যপার মোহাম্মদরে শ্রদ্ধা না করার, তার চরিত্রের আরেকটা দিক উন্মোচন করার।
পুরোটাই যার যার। এখানে আক্রমনাত্মক ভাষায় কাউকে শ্রদ্ধা প্রদর্শনে বাধ্য করার মানসিকতাই কি প্রমাণ করে না ইসলামের সন্ত্রাসবাদী পরিচয়,
(ধরে নিচ্ছি শাওন ইসলামের ধর্ম-রক্ষী।)
সাগর চক্রবতী বলেছেন:
ভালো মাইনাস পরবে।
সাগর চক্রবতী বলেছেন:
++++++++++++
লড়াকু বলেছেন:
প্লাস।শাওন আবার সবাইকে সম্মান করে না। গোলাম আযম হইল তার শ্রদ্ধার পাত্র, প্রিয় আঙ্কেল। তাই না?
জূয়ারি বলেছেন:
ফালতু।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
হা হা হা! দারুন মজার পোস্ট। অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী, সেটা আবার জানতে পেরে ভালো লাগলো!-- নিচেরটুকূ পড়েই বাকিটুকু পড়ার মানসিকতা চলে গেলো! অল্পবিদ্যার দারুন উপস্থাপন! হা হা হা! উদাহরণ আমি আর দিলাম না। জানিতো, দিলেই তো পিছলায়ে বেড়াবেন। হা হা হা!
"মুহাম্মদের কোনো মহিলা অনুসারী শাররীক নির্যাতনের শিকার হয় নি, কোনো সময়ই না, মক্কার জাহেলিয়াত পরিবেশেও অহেতুক শাররীক নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ জাতীয় ঘটনা ঘটে নি , নও মুসলিম নারীদের ভেতরে আবু বকরের বড় মেয়ে আসমাই সর্বপ্রথম কোরাঈশদের হাতে শাররীক নিগৃহীত হয়েছে, সে নিগ্রহ ছিলো গালে একটি চড়।"
----------------
ভালো থাকুন। হা হা হা!
লড়াকু বলেছেন:
যারা লাফায়ে ঝাপায়ে মাইনাস দিয়ে দেশ জাতি ধর্মকে উদ্ধার করছেন তাদের বলি - পোস্টটা পড়েন, বক্তব্যগুলো খণ্ডন করেন। এতে তো আপনার ধর্মেরই লাভ হবে তাই না?
দুরের পাখি বলেছেন:
আরাফাত ছাব, একটা উদাহরণ দেন না । মোহাম্মদের কোন মহিলা অনুসারী শারিরীক নির্যাতনের শিকার হৈছে ? ওমর তার বইন আর বৈন্জামাইরে পিটাইছিলো , ঐটা ?
লেখক বলেছেন: সেটা কি সামগ্রীক গোষ্ঠীয় অত্যাচার? রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের মতো নৈর্ব্যাক্তিক, অনুভুতিশূণ্য কিছু? ওমর বোনকে আঘাত করেছিলো, তবে সেটা নিজস্ব গোত্রের সম্মানহানীর প্রতিক্রিয়ায়- কিন্তু সামগ্রীক ভাবে কিংবা সংঘবদ্ধ ভাবে নির্যাতনের বক্তব্য জানলে ভালো হতো-
দেশী পোলা বলেছেন:
খারাপ না, ডিসকাশন চলুকআমি একটা জিনিস শুধু পয়েন্ট আউট করতে চাই, পৃথিবীতে তো হরহামেশাই নতুন নতুন ধর্মের উদ্ভব ঘটছে, এতগুলো ধর্ম থাকতে আরবীয় ধর্মগুলো (ইসলাম, খৃস্টান বা ইহুদী ধর্ম) কেন টিকে থাকল বা টিকে আছে? এটা নিয়ে একটা পোস্ট চাই
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন:
আমি আমার নিজের প্রতিদিনের ঘটনাপ্রবাহের অনেক কিছুই হুবহু মনে রাখতে পারিনা ঠিক মতো। ১৪ শ বছর আগের ঘটনাপ্রবাহ তো অনেক দুরের ব্যাপার। সেটা ইতিহাসের নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, বহু জ্ঞানী-অজ্ঞানী, ইতিহাস বেত্তার কলমের খোচায় সংকলিত হয়ে এসেছে নি:সন্দেহে। আর ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে দেখলে সাধারন ইতিহাস বর্ণনার বাইরেও কোরআন, হাদীস (এবং বহু মত-পথে বিভক্ত ইমামদের/মুহাদ্দিসদের অনসৃত/বিবৃত/রচিত) ইত্যাদি উৎসের কথা মাথায় রাখতে হয়। এমন তো না যে আপনি-আমি কোরআনের কোথায় কি আছে, কিংবা দুনিয়ায় যতো রকম হাদীসগ্রন্থ রয়েছে তার সব ক'টি শুধু পড়েই নয়, আত্নস্থ: করে ঠিকমতো উপলদ্ধি করেছি! মুহম্মদ (সালেখক বলেছেন: বিকৃতি মেনে নিয়েও বলছি, মুসলিমদের মুহাম্মদ প্রীতি এবং তাকে মহান করে তুলবার প্রতিক্রিয়ায় তারা মুহাম্মদের পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখা, তাকে মৌখিক হেনেস্তা করবার বিষয়টাকে অনেক বেশী গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে, সুতরাং যদি শাররীক নির্যাতনের ঘটনা ঘটতো, সেটা বহুগুণ বিবর্ধিত হয়েই প্রচারিত হতো- এটা ভক্তিবাদ- যে ভক্তিবাদে একেশ্বরবাদে অন্য দেবতাদের অন্তর্ভুক্তিতেও মুমিনদের হৃদয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হয় নি, ঠিক তেমন ভক্তিবাদীতাই মুহাম্মদের শাররীক নির্যাতনকে আমাদের সামনে উন্মোচিত করতো।
মুহাম্মদ যুদ্ধে একটা দাঁত হারিয়েছিলো, সেটার ভিত্তিতে একটা ধর্মীয় উপাচার শুরু হয়ে গিয়েছে। সুতরাং বিষয়টা সেভাবে ভাবলে মনে হয় না এই উপসংহারে পৌঁছানোতে কোনো সমস্যা হয়।
কবন্ধ বলেছেন:
@আরাফাত, আপনার কমেন্টে দেখা যাচ্ছে...
প্রথমে আপনি বল্লেন 'অল্পবিদ্যা'.. এর স্বপক্ষে কোন যুক্তি বা প্রমান আছে?
তারপরে একটা উদ্ধৃতি দিয়ে ঠা ঠা করে একটা হাসি দিলেন, এর অর্থ্ও বোঝা গেলো না।
তার পরের প্রতিটা কমেন্টেই ঠা ঠা করে হাসছেন।
আপনি সুস্থ আছেন তো?
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
বলেছি তো ভাই! আমি তো মোটামুটি পুরান ব্লগার। অনেক পুরান ব্লগ পড়ছি, দেখছি তো কিভাবে এই ধরণের ব্লগার রা পিছলায়া যায়! তয় কখনই কমেন্ট করিনাই এই সব ব্লগে। তবে, আজ ইচ্ছে হলো.--- হা হা হা! “The daughter of Khabbaat and the mother of ‘Ammaar ibn Yaasir, she was the seventh person to enter Islam. She was tortured by Abu Jahl who stabbed her in her private parts, and she died. She was the first shaheedah (martyr) in Islaam…
Click This Link
কারেন্ট গেছে। বাই। হা হা হা!
লেখক বলেছেন: আবু জাহেলকে ইসলাম যেভাবে চিত্রিত করেছে সেটা সম্ভবত ঘৃণায় পরিপূর্ণ।
ইবনে হিশাম ব্যতীত অন্য কেউ এটাকে উল্লেখ করে নি, এবং হিশাম নিজের পছন্দ মতো ভাষ্য গ্রহন এবং বর্জন করেছে।
ইয়াসিরের স্ত্রীর বিষয়টা অন্য ঐতিহাসিকেরা যেভাবে দেখছে-
0 Yasir belonged to a tribe in Yemen of the Madhij or Cahlan stock. He with two brothers visited Mecca to
seek out their maternal relatives. Instead of returning to Yemen he remained behind with his patran Abu
Hodzeifa, who gave him in marriage his slave girl Sommeya. She bore to him Ammar (freed by Aub
Hodzeifa) and Abdallah.
"After Yasir" Sommeya married Azrack, a Greek slave, belonging to a man of Taif, and to him she bore
Salma. It is not easy to explain this, for at the time referred to in the text ( i.e. 614 or 615 A.D.) Yasir was
alive, and is mentioned as having with his wife joined the cause of Mahomet and suffered severe
persecution. The second marriage of Sommeya, and the birth of Salma, were consequently after this period
But Ammar, her son by Yasir, was at least one year (perhaps four) older than Mahomet; that is he was now
at lent forty-six years of age. Consequently, his mother (who had moreover borne to Yasir a son, Horeith,
older than Ammar, Katib al Wackidi p.227), must have been at this time sixty years old. Yet we are to
believe that she married, and bore a son, after that age!
এটা সত্য হলে ইবনে হিশামের বক্তব্যটা মিথ্যাচার- যে যা বলেছে
Sommeya suffered martyrdom at the hands of Abu Jahl
(after a day of persecution) when it was evening, Abu Jahl came and abused Sommeya, and used filthy
language towards her, and stabbed (or reviled?) her, and killed her. And she was the first martyr in Islam, -
excepting Bilal, who counted not his life dear unto him in the service of the Lord; so that they tied a rope
about his neck and made the children run backwards and forwards, pulling him between the two hills of
Mecca (Abu Cobeis and Ahmar, marg. gloss.); and Bilal kept saying , ONE, ONE! I only God
শুধুমাত্র হিশামের সীরাতুন্নবীতে এটার উপস্থিতি এটুকুই প্রমাণ করে আমাদের জানবার আগ্রহ কম এবং আমাদের যেসব সত্য পছন্দনীয় নয় সেসবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সৎসাহস আমাদের নেই।
মুহাম্মদের মতো আমাকেও উপহাসের শিকার হতে হচ্ছে বিশ্বাসীদের হাতে। পার্থক্য একটাই, মুহাম্মদকে যারা উপহাস করতো তারা পৌত্তলিকতায় বিশ্বাস করতো- তাই বলে আমি মুহাম্মদের সমকক্ষ ভাবছি না নিজেকে কিংবা নিজেকে নতুন ধর্ম প্রচারক বলছি না।
বাউমে বলেছেন:
সুন্দর, ধন্যবাদ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
হ বুঝলাম। উনার মধ্যে কিছু আছিল না। তাইলে যে কইলেন কথা শুইনা দাস আর অনেক দরিদ্র মুসলমান হইছিল !!!কেন ভাই? হেদের প্রোটেকশন দিব না, বাচাইব না, তাইলে কেন ধর্মান্তরিত হইছিল হেরা ??
গ্রামের দিকে গরীব অশিক্ষিত মানুষগুলারে দেইখা আসেন। নিজেদের সাংস্কৃতির বিরুদ্ধে কোন দিন যাবে না। পিটাইলেও মুসল্পমানরে হিন্দু বানাওতে পারবেন না।তয়,ফুসলাইলে জঙ্গী হইতারে।
কিন্তু, ধর্মান্তরিত হইব না। মুহম্মদের কথায় কেন হইল ?
তায়েফে হেরে পতথ্র মারা হইছে, পাগল মনে কইরা পাত্তর মাইরা মাইরা কাহিল কইরা লাইছে, সেইটার কী হইব??
আর, আপনি আসলে কী বলতে চান? মানে, আপনার মতে কি কোরাইশদের মর্টার আর গ্রেনেড লঞ্চার নিয়ে মুসলমানদের উপর ঝাপায়া পড়া উচিত ছিল?
লেখক বলেছেন: এইটা হিশামের বয়ানেও নেই, এটা বাঙালী নির্মাণ সম্ভবত কিংবা পরবর্তীকালে নির্মিত ভাষ্য-
তায়েফের বিষয়ে হিশামের বক্তব্যটা বাঙলায় নয় ইংরেজিতে সংকলিত করে দিলে ভালো হয়। আমি তাবেরীরটা দিতে পারি, সেখানে তেমন ভয়ংকর কিছুর বর্ণনা নেই-
the Banu Jumah. He sat down with them and called them to God,
and spoke to them of the requests which he had come to them to
make, (that is,) that they should come to his aid in defense of Islam
and take his side against those of his own tribe who opposed him.
One of them said, "If God has sent you, I will tear off the covering
of the Ka`bah;" another said, "Could God find no-one but you to
send?" and the third said, "By God, I shall never say a single word
to you, for if you are a messenger from God as you say, you are too
important for me to reply to you, and if you are lying against God,
it is not right for me to speak to you."
The Messenger of God rose up and left them, despairing of get-
ting any good out of Thaqif. I have been told that he said to them,
"If that is your decision, do not tell anyone about it," for he did
not want his tribe to hear about this matter and be emboldened
against him. However, they did not comply with his request, but
incited against him their ignorant rabble and their slaves, who re-
viled him and shouted at him until a crowd gathered and forced
him to take refuge in a garden belonging to `Utbah b. Rabi`ah and
Shaybah b. Rabi`ah, who were in it at the time.186 Those of the
rabble of Thaqif who had followed him went back, and he went
to the shade of a trellised vine and sat there while the two sons
of Rabi`ah watched him, seeing what he had to endure from the
rabble of Thaqif.
I have been told that the Messenger of God met that woman [1201]
from the Banu Jumah.187 and said to her, "What have I had to en-
dure from your husband's relatives?" I have been told that when
he felt secure the Messenger of God said, "O God, I make com-
plaint to You of the weakness of my power, the fewness of my
expedients, and the contempt in which I am held by men. O most
merciful of the merciful, You are the Lord of the oppressed, and
You are my Lord. To whom will You entrust me? To a stranger
who will regard me with displeasure or to an enemy to whom
You have given power over me? If You are not angry with me, I do
not care, but Your protection is wide enough for me. I take refuge
in the light of Your countenance by which the darkness is illuminated, and in which this world and the next are rightly ordered,
refuge from the descent of Your anger upon me or the falling of
Your wrath upon me. You shall have satisfaction from me until
You are content. There is no might and no power except in You."
এই হলো তাবেরীর ভাষ্য
কবন্ধ বলেছেন:
দাস আর দরিদ্রদের মাঝে মুসলমান হবার প্রবণতা আজকের পৃথিবীতেও দেখা যায়। এই উপমহাদেশে নমঃ আর শুদ্ররাই প্রথম ইসলামে প্রবেশ করে। তাদের কাছে 'সকল মুসলিম ভাই' এই কথাটা বিরাজমান জাত-পাত-কূলীন ইত্যকার ব্যবস্থার বিরূদ্ধে যাবার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।
তবে 'আকাশ_পাগলা' কমেন্টে একটা ফ্যালাসির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আধিপত্যবাদী ইসলাম যেভাবে এক লাইন কলেমা পড়েই মুসলমান বানাতে উৎসাহ দেয়, হিন্দু ধর্মে সেভাবে প্রবেশ করার সিস্টেম আছে বলে আমরা শুনি নাই।
তার বলা .. 'পিটাইলেও মুসল্পমানরে হিন্দু বানাওতে পারবেন না' কথাটা এক ধরনের সোনার পাথরবাটি। জঙ্গী হয় মুসলমান, কারন তার ধর্মে এর প্রভিশনিং করাই আছে।
আসলে 'গরীব' এবং 'অশিক্ষিত' মানুষের জন্য ইসলাম একটা বেশ যুৎসই ধর্ম। এই ধর্মে শিক্ষা বিষয়ে চীন দেশে যাবার কথা বলা হলেও এ সম্পির্কিত হাদিস আবার জাল বলা হচ্ছে।
এই যে ধর্ম, তাতে গরীবকে আরো গরীব করে রাখা হলেও তাকে দেখানো হচ্ছে ছদ্ম পরকালের লোভ ও ভীতি।
লেখক বলেছেন: আজ থেকে ১০০ বছর আগেও মুসলমান হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেছে এবং সেটা সে সময়ের পত্রিকায় ছাপাও হয়েছে।
মুসলমানেরা খ্রীষ্টান হয়েছে, পৌত্তলিক হয়েছে এসব ইসলামের প্রাথমিক যুগেও ঘটেছে। আবিসিনিয়ায় হিজরত করবার পরে একজন মুসলিম থেকে খ্রীষ্টান হয়েছিলো, সেটা এর আগে কোনো একটি লেখায় উল্লেখ করেছি আমি।
জার্মানীতে একজন মুসলিম ধর্মান্তরিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়।
পোপের কাছে খ্রীষ্টান ধর্ম গ্রহন করেছে এক মুসলিম এবং ঘোষণা করেছে খ্রীষ্ট ধর্মই শান্তির ধর্ম এবং ইসলাম আদতে জঙ্গীবাদকে উস্কানী দেয়- এটা নিয়েও ব্যপক বিতর্ক হয়েছে-
তবে যুক্তি কিংবা উদাহরণ মানবার প্রবনতা মনে হয় না বিশ্বাসীদের থাকে।
এস এম এ যাহিদ ফুয়াদ বলেছেন:
হিরোইঞ্চি
আই আনাম বলেছেন:
ভাইসাব এইডা আপনার কয় নম্বর নিক? এত কষ্ট করে ব্লগে না লিখে রাস্তায় মাইক নিয়া নাইমা যান, কাজ হইতে পারে। @কবন্ধ, আপনারে অপ বাকের ছায়া মনে হইতেসে।
লেখক বলেছেন: ভাই আনাম, যারা এক বই পড়ে তাদের কাছ থেকে দুরে থাকবার পরামর্শ দিয়েছেন যেসব বুজুর্গ, তাদের দুরদৃষ্টির প্রশংসা করতে বাধ্য হচ্ছি।
সত্য আমাদের মনঃপুত না হলে কিংবা সেটাকে গ্রহন করবার ক্ষমতা কিংবা অস্বীকার করবার অক্ষমতা দুটাই পীড়াদায়ক পরিস্থিতিতে ফেলে বিশ্বাসীদের।
এখানে আমি আমার একটা অভিমত তুলে ধরেছি, মুহাম্মদ নিজেকে সার্বক্ষণিক আক্রান্ত মনে করতো, এবং আমার এই অভিমতের সমর্থনে আমি কিছু ঘটনা উল্লেখ করেছি যেসব ঘটনা আমার নিজস্ব নির্মাণ নয়, বরং এটা ইসলামের স্বীকৃত ইতিহাসের অংশ-
সূত্র উল্লেখ করা আছে,
কবন্ধ বলেছেন:
যার ফার্স্টনেম 'এস এম এ যাহিদ ফুয়াদ'.. হিরুইঞ্চি কি আপনার নামের শেষাংশ??
কবন্ধ বলেছেন:
একলা একজন অপবাকের পোস্টে অযৌক্তিক আক্রমন দেখছি। 'সুত্র ও যুক্তি বিহীন সন্ত্রাসী অনৈতিক আক্রমনের' সমালোচনা করছি মাত্র।
আপনার কি সমস্যা হচ্ছে, @আই আনাম?
নুভান বলেছেন:
গাধার বাচ্চা আগে ভালো মতন ইতিহাস পড় এর পর পুষ্টাইতে আইস, আবাল কোনহান কার।"মুহাম্মদের কোনো মহিলা অনুসারী শাররীক নির্যাতনের শিকার হয় নি, কোনো সময়ই না, মক্কার জাহেলিয়াত পরিবেশেও অহেতুক শাররীক নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ জাতীয় ঘটনা ঘটে নি , নও মুসলিম নারীদের ভেতরে আবু বকরের বড় মেয়ে আসমাই সর্বপ্রথম কোরাঈশদের হাতে শাররীক নিগৃহীত হয়েছে, সে নিগ্রহ ছিলো গালে একটি চড়। "
বেটা রামছাগল 'সুমাইয়া (রাঃ)' এর নাম শুনচ নাই? Click This Link
বেটা হিরুইঞ্চি আর পাইছত কিছু সাঙ্গু-পাঙ্গু , লাফা দেখি, কত লাফাইতে পারছ। বেটা বেক্কল।
লেখক বলেছেন: এক কিতাব যারা পড়ে তাদের কাছ থেকে দুরে থাকবার উপদেশ দিয়েছে জ্ঞানীরা,
সুমাইয়া বিষয়ে বক্তব্য হলো, ইবনে হিশাম ব্যতীত অন্য কেউ বলে নি আবু জাহেল তাকে ছুড়িকাঘাতে হত্যা করেছে, অন্য একজন বলছে সে অন্তত ৬০ বছর জীবিত ছিলো। এবং তায়েফে বসবাস করছিলো তার দ্বীতিয় স্বামীর সাথে।
সুতরাং বিষয়টা নিয়ে অযথা উত্তেজিত না হয়ে পড়ুন, জানুন, তারপর বলুন,
লেখক বলেছেন: আপনি কি করবেন সেটাও যদি আমাকে বলে দিতে হয় তাহলে কিভাবে জীবন চালাবেন?
আই আনাম বলেছেন:
@কবন্ধ, আপনারাই বা কী সমস্যা হচ্ছে? অপ বাকের পোস্টে তার চেয়ে আপনারাই তো বেশি লাফালাফি চোখে পড়ছে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
কমেন্টগুলি পইড়া মনে হইতাছে, ছাগলগুলির খুরে কিছু অবশিষ্ট নাই;
রাগ ইমন বলেছেন:
একটা কথা আছে , ইতিহাস নাকি লেখা হয় বিজয়ীর হাতে । ইসলাম যদি বিজয়ী হয়ে থাকে তাহলে ইতিহাসটাও ইসলামিকই হবে । না হয়ে থাকলে বিপরীতমূখী কিছু পাওয়া যাবে । এর বাইরে এসেও বলা যায়, কোন অবিসংবাদিত ঘটনাকেও দশটা মানুষ ধশ রকম দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখতে পারে। আপনিও পারেন । পারাটা উচিত ও। তর্ক করলে , বিপরীত ধর্মী যৌক্তিক তর্কে জ্ঞান বাড়ে । সত্য শানিত হয়। মিথ্যার সম্ভাবনা কমে আসে । সবই ঠিক আছে । কিন্তু , অমানবীয় পর্যায়ের একটা ঐতিহাসিক চরিত্রকে মানবীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য অপমানজনক হওয়ার মনে হয় কোন দরকার নাই ।
জ্ঞানীরা শুধু তর্কই করে না , তর্কের ফল কি কাজে লাগবে সেইটাও মাথায় রেখে কথা বলে ।
আশা করি , ইঙ্গিতটা ধরতে পারবেন ।
লেখক বলেছেন: কোন জায়গাটা অপমানজনক হয়েছে এটা কয়েকবার পড়েও বুঝলাম না। আদতে ইশারা ইঙ্গিত বিষয়ে আমার তেমন পারদর্শীতা নেই। স্পষ্টবাদীতা ভালো লাগে, এবং স্পষ্টতাই দেখতে চাই।
যদি আপনার কোনো কিছু বলবার থাকে, সেটা স্পষ্ট করে বলেন, এখানে অযথা এমন অর্থহীন ইশারা ইঙ্গিত করে যা বলে গেলেন তা ধরতে পারি নি, আমার মোটা মাথায় সেটা ঢুকবে না এটা বুঝে নিয়েই বলছি ঐতিহাসিক চরিত্র যা অমানবীয় সেটাকে মানবিক করে তুলবার বিষয়টা আপনি নিজে খোলাসা করে বলেন তাহলে আমার বুঝবার সম্ভবনাটা সামান্য হলেও বাড়তো।
হুমায়ুন হাকিম বলেছেন:
এই বেকুব কবে এবং কিভাবে গজিল বুঝিতে পারিলাম না। ব্যাপক জ্ঞানের আধার বলিয়া মনে হইতেছে।
হুমায়ুন হাকিম বলেছেন: এই বেকুব কবে এবং কিভাবে গজিল বুঝিতে পারিলাম না। ব্যাপক জ্ঞানের আধার বলিয়া মনে হইতেছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
হা হা হা হা....মন্তব্যে উট্টম ঝাঝা......
এই বেকুব বহু পুরানা বেকুব। গিয়ান বাইয়া বাইয়া পড়ে। আর সারা দুনিয়ার হাজার হাজার কুটি মানুষ থুইয়া ইনি সব সময় মুহম্মদের নেশায় বুদ হৈয়া থাকেন। আর টাল হৈলৈ মাইনসে কতকিচুই না কয়!
নাফিস ইমতিয়াজ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
মাহবুব সুমন বলেছেন:
পারলে জিওনিজম নিয়ে কিছু লেখেন। সেইটা অবশ্য লেখবেন না লেখক বলেছেন: ইসলাম এইখানে কিভাবে আক্রান্ত হইলো সেইটা বুঝতে পারি নি এখনও। একজন ধর্মপ্রচারক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এটা কি ধর্মের অন্তর্গত কোনো বিষয়?
পূর্বের অভিযোগ ছিলো নাস্তিকেরা নিজস্ব মনগড়রা গল্প বানিয়ে বলে, তারা মিথ্যাচার করে, এটা অন্তত সেই দায় থেকে মুক্ত। যীশু, মুসা ইহুদদের নিয়ে অনেক গল্প প্রচারিত হয়, সবগুলোই যে তাদের প্রতি অতিরিক্ত শ্রদ্ধা পোষণ করে লিখিত এমন নয়, তাদের নৈর্ব্যক্তিক সমালোচনা এবং বিশ্লেষণের জায়গা উন্মুক্ত এবং সেটা করলে জাত এবং সমাজ এবং ধর্ম চলে গেলো এমন হাহাকারও সম্ভবত উঠে না। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, তুলনামূলক সাহিত্যতত্ত্বে এইসব ঐতিহাসিক চরিত্র নিয়ে বিশ্লেষনী লেখা অনেক আছে, গিগাপিডিয়াতে গিয়ে খুঁজলে পাওয়া যাবে,
কিন্তু এইসব একাডেমিক বিশ্লেষণের জায়গাটা নিয়ে স্পর্শ্বকাতরতা বিশ্বাসী মুসলিমদের ভেতরে বেশী। সম্ভবত এই সমস্যাটা বাংলাদেশের একক সমস্যা নয়, বৈশ্বিক সমস্যা। ঐতিহাসিক চরিত্র নিয়ে লেখা যাবে না, মুহাম্মদের নামোচ্চারণের সাথে সাথে দুই একটা সেজদাহ দিতে হবে- এমন চাওয়া পাওয়ার সাথে নিরাবেগ নৈর্ব্যক্তিক বিশ্লেষণ এক পাত্রে বসবাস করে না।
অযোণীসম্ভুত কিংবা অযোণীসম্ভুতা হয়ে উঠা নাস্তিকেরা হয়তো আমার আদর্শের জায়গায় নেই। তারপরও আদতে ইতিহাস পাঠের আনন্দটা মাঠে মারা যাক এমনটা চাইছি না।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
কানা বাবা বলেছেন:
ইসলাম নিয়া জেইপোরিমান টাইম আপ্নে 'বর্বাদ' (!?) কোর্তাচেন, আপ্নের আনতি বর্তমানের উল্টা হৈলে, কওন জায় না, জবরদস্ত ওলিআউলিয়া-ও হৈয়া জাইতার্তেন অ্যাতোদিনে...
হাহ্ হাহ্ হাহ্...

পুস্টে পিলাচ্...
চনদ্র্রমানব বলেছেন:
কার এসাইনমেনট পাইছেন ভাইজান?আপনার বংশে কি পাগলের রোগ আছে?তাহলে একখুনী যারা এসাইনমেনট দিয়েচে তাদের বলেন পাগলা গারদে আপনাকে
নিয়ে যেতে।
আত্মা দীপ্ বলেছেন:
যে যেভাবে বুঝে।শুধু একটা প্রশ্ন আমার সকল যুক্তিবাদী ইতিহাস ও মানবতাবাদীদের কাছে,কোরান কিভাবে এতশত বছর ধরে অবিকৃত রইল?
লেখক বলেছেন: আজ যে বইটা আমাদের কাছে ডিজিটাল ফর্মাটে আছে কিংবা গত দুইশ বছরে ছাপাখানায় যেসব বই ছাপা হয়েছে এবং যা লাইব্রেরীতে সুসংরক্ষিত, কিংবা অতীতে প্যাপিরাসে কিংবা মৃত্তিকাফলকে লিখিত গ্রন্থগুলোও এখনও অবিকৃত আছে, মাটির ফলকে লেখা অনেক বই অক্ষরসমেত এখনও অবিকৃত, তাতে আমরা ধারণা করবো সেসব বই ধর্মগ্রন্থতুল্য,
সত্যচারী বলেছেন:
পোষ্টে প্লাস দিলাম.............।একটা ব্যাপার খেয়াল করেন, ইসলামের বিরুধ্বে কিছু লিখলে প্রচুর মাইনাস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিংক দেওয়ার জন্য, যদিও এটা তাবেরীর ইতিহাস সংকলন থেকে নেওয়া তবে পরবর্তী ঐতিহাসিকেরা নিশ্চিত ভাবেই বাড়তি কিছু আবিস্কার করেছে যা আমার গোচরে আসে নি এবং মূলত লক্ষ্য হলো তাবেরীর ভেতরেই থাকা, এরপরও সময় করে পড়ে নিবো আপনার সাহাবাদের জীবনিগ্রন্থ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















