somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিজস্ব নিরাপত্তাহীনতার বোধে মুহাম্মদ যা যা করেছিলো-

১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুহাম্মদের লক্ষ্য আদতে কি ছিলো সেটা নিয়ে একটা প্রশ্ন জাগে যখন তার ধর্মপ্রচারের ধরণ পাঠ করি।৪০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্তির পরের ১০ বছর মুহাম্মদ বিভিন্ন ভাবেই মক্কা নগরীর অধিবাসীদের একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী করতে চেয়েছে, এর ভেতরে প্রথম ৩ বছর একেবারে গোপনে গোপনে ইসলামের বানী প্রচারিত হয়েছে এবং সে সময়েই আবু বকর, উসমান এবং মক্কাবাসী অন্যান্য একেশ্বরবাদীরা ইসলাম গ্রহন করেছে। এবং সেটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিলো মক্কায়।

আবু তালিব ছায়ার মতো রক্ষা করেছে মুহাম্মদকে এই সম্পূর্ণ সময়টাতে। তেমন বৈরীতার মুখোমুখি হতে হয় নি মুহাম্মদকে একেশ্বরবাদ প্রচারে। আধুনিক রাষ্ট্র এবং তার রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের চরিত্র বিশ্লেষণ করে অন্তত এইটুকু নিশ্চিত বলা যায় মুহাম্মদের জীবন সংশয় হয়েছিলো শুধুমাত্র ১ বারই, সেটাও ইসলাম প্রচারের প্রথম এক যুগে ঘটে নি। শয়তানের প্ররোচনা আবু জাহেল এবং অন্যান্য কোরাঈশগণ যখন মুহাম্মদকে কতলের জন্য মুহাম্মদের বাসার দরজায় অপেক্ষা করছে তার আগেই মুহাম্মদ তাদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেছে মদীনার উদ্দেশ্যে। সেই একবার বাদ দিলে আদতে মুহাম্মদকে খুব বেশী শাররীক নির্যাতন সহ্য করতে হয় নি

তবে মুহাম্মদের নিজস্ব নিরাপত্তাহীনতার বোধ তাকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করেছিলো, নিরাপত্তাহীনতা থেকে মুক্তি এবং মক্কার অধিবাসীদের সমর্থন পাওয়ার জন্য আল্লাহর সাথে শিরক, আবু তালিবের মৃত্যুর পরে গোত্রগত বিদ্বেষকে কাজে লাগিয়ে নিজের এবং নিজস্ব ধর্মপ্রচারের নিরাপত্তা কবচ খুঁজতে তায়েফ গমন এবং অবশেষে মদীনার অধিবাসীদের কাছে সহায়তা চাওয়া এবং পরিশেষে নিরাপদ জীবনের খোঁজে মদিনায় হিজরত এবং সেখানেও ইহুদী এবং খ্রীষ্টানদের সমর্থনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন অব্যাহত ছিলো।

অবশ্য সে সময়ে শাররীক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো মুহাম্মদের দরিদ্র অনুসারীগণ, কারণ তাদের রক্ষা করবার মতো কোনো গোত্রপতি ছিলো না। মূলত ইসলাম গ্রহন কিংবা ইসলামের বিস্তারের সাথে সাথে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীলদের আঘাতটা এসেছেই দাস এবং হতদরিদ্র ধর্মান্তরিতদের উপরে। আবু বকর, উসমান, কিংবা ওমর, কিংবা অন্য যারা নিজস্ব গোত্রের সুরক্ষা পেয়েছে কিংবা যাদের নিজস্ব ব্যবসা এবং প্রভাব ছিলো, তারা সবাই মক্কায় ঘুরেছে এবং নির্বিঘ্নেই চলাচল করেছে, ব্যবসা করেছে।
প্রকাশ্যে নামাজ পড়েছে তারা, কোরাঈশদের বিদ্রুপের শিকার হয়েছে কিন্তু শাররীক নির্যাতনের প্রচন্ডতা ছিলো না কোনো সময়ই। মুহাম্মদকে কবি, মিথ্যুক, প্রতারক এবং অন্যান্য বিশেষণে ভুষিত করাকে আমি শাররীক নির্যাতনের অংশ ধরছি না, তার গায়ে বেশ কয়েকবার নাড়ীভুড়ি ছুড়ে ফেলা হয়েছে, এবং একবার তার মাথায় ধুলো দেওয়া হয়েছে- এর বাইরে শাররীক হেনেস্তা হতে হয় নি তাকে ।

এর বিপরীতে আমরা আধুনিক রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের কথা বিবেচনা করি, নতুন কোনো ধর্ম নয়, বরং সকল মানুষের সমান অধিকার এবং ফসলের ন্যায্য ভাগের দাবিতে তেভাগা আন্দোলনের নেতাদের যখন আটক করা হলো তাদের উপরে যে নির্যাতন চলেছে সেটার বর্বরতা মুহাম্মদের ইসলামের বানী প্রচারে প্রাপ্ত বর্বরতার শতগুণ বেশী।

মুহাম্মদের কোনো মহিলা অনুসারী শাররীক নির্যাতনের শিকার হয় নি, কোনো সময়ই না, মক্কার জাহেলিয়াত পরিবেশেও অহেতুক শাররীক নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ জাতীয় ঘটনা ঘটে নি , নও মুসলিম নারীদের ভেতরে আবু বকরের বড় মেয়ে আসমাই সর্বপ্রথম কোরাঈশদের হাতে শাররীক নিগৃহীত হয়েছে, সে নিগ্রহ ছিলো গালে একটি চড়।

অথচ এর বিপরীতে আমরা ইলা মিত্রের অভিজ্ঞতা স্মরণ করলে দেখবো আমাদের আধুনিক সময়ে নতুন কোনো সাম্যবাদী মতামতের প্রসার হওয়া অনেক বেশী বৈরিতার জন্ম দেয় । রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো সম্ভবত এইসব নতুন মতাদর্শিক বিকাশকে সহ্য করতে চায় না, নিজেকে নিরাপত্তাহীন ভাবে। ধর্মীয় জঙ্গীবাদীদের যেভাবে দমন করছে উন্নত এবং অনুন্নত দেশগুলো, তেমন বড় মাপের নৃশংসতাও দেখে নি মুহাম্মদের অনুসারীগণ।

মুহাম্মদকে আমার কখনই ঠিক বড় মাপের নেতা মনে হয় নি, বরং চরিত্রে সে আপোষকামীই ছিলো। সারাক্ষণ নিরাপত্তাহীনতার বোধ তাকে তাড়া করেছে, আবু তালিবের সাথে অন্যান্য কোরাইশ নেতাদের বৈঠকে আবু তালিবের নিরবতা তাকে নিরাপত্তাহীন করেছে, এবং আবু তালিব তাকে আশ্বস্ত করেছে আমি যতদিন বেঁচে আছি আমি তোমাকে রক্ষা করবো।

গোত্র এবং পরিবার প্রীতি ছিল হামজার ইসলাম ধর্ম গ্রহনের নেপথ্যে- ইসলামের একেশ্বরবাদীতা বানী শুনে হৃদয় বিগলিত হয়ে যে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে নি বরং সেটা প্রতিশোধস্পৃহাজাত একটি প্রবনতা। হামজা যখন শিকার থেকে ফিরে এসে কাবা শরিফ প্রদিক্ষণ করছিলো, তার একটু এগেই নতুন গোত্রপতি আবু জাহেল মুহাম্মদকে হেনেস্তা করেছে, এই সংবাদ পেয়েই হামজার ভেতরে ভাতুস্পূত্রের প্রতি স্নেহ জাগ্রত হয় এবং নিজের পোত্তলিকতা প্রত্যাখ্যান করে সে ঘোষণা দেয় আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলাম এখন তোমাদের যদি সাহস থাকে তাহলে মুহাম্মদকে হেনেস্তা করো।
হামজা কোরাইশদের ভেতরে পরিচিত বীর হলেও আবু তালিবের মৃত্যুর পরে আবু জাহেলের গোত্রপতি হওয়ায় মুহাম্মদের নিরাপত্তাহীনতার বোধ একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নি।

মুহাম্মদকে এবং তাদের অনুসারীদের সাথে কোনো রকম সম্পর্ক না রাখবার সিদ্ধান্ত ছিলো আবু জাহেলের মস্তিকজাত এবং মুহাম্মদের নিরাপত্তাহীনতার বোধটা এ সময়ে আরও জঘন্য ভাবে প্রকাশিত হয়। এই বয়কটের সিদ্ধান্ত তাদের উপরে বিশাল আঘাত হিসেবে এসেছিলো। তাদের সঞ্চিত সম্পদ এবং আহার্য সমাপ্ত হয়ে যাওয়ার পরে তাদের প্রতি সহানুভুতীশীলদের অনুদানেই তাদের জীবন চলছিলো, ঠিক এই সময়েই কোরাঈশদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আসে- তুমি যদি আমাদের দেব দেবীদের অপমান না করো এবং তোমার ধর্মের অন্তর্ভুক্ত করো তবে আমরা তোমার ইসলাম প্রচারে কোনো বাধা দিবো না। আমরা সবাই তোমার ধর্ম পালন করবো ১ বছর এবং অন্য বছরে তুমি আমাদের ধর্ম পালন করবে।

এই প্রস্তাবের পরপরই মুহাম্মদ আল লাত, উজ্জা এবং মানাতকে স্বীকৃতি দিয়ে একটি সুরা পাঠ করে।
সেই সুরাটিই বিখ্যাত স্যাটানিক ভার্সেস,

By the Star when it sets, your comrade does not err, nor is
he deceived; nor does he speak out of (his own) desire . . .

Have you thought upon al-Lat and al-`Uzza and Manat, the
third, the other?

These are the high-flying cranes; verily their intercession
is accepted with approval.

-------------------------------------------------------

মুহাম্মদের অনুসারীগণ এতে কোনো আপত্তি করে নি, এবং কোরাঈশগণ আনন্দের সাথেই এটা মেনে নেয়।

কি ঘটেছিলো এটার পরে সেটাই আদতে মুল রহস্য- কোরাঈশগণ অবরোধ তুলে নেয় এবং মুসলমানগণ নির্বিঘ্নে ধর্মাচরণের সুযোগ পায়, এই সংবাদ পৌঁছায় আবিসিনিয়ায়, যেখানে ৮৩ জন মুসলিম হিজরত করে চলে গিয়েছিলো, মক্কাবাসী ইসলামকে স্বীকৃতি দিয়েছে এই সংবাদ পাওয়ার পরে তারা আবিসিনিয়া থেকে মক্কায় ফেরত আসে- তবে.........

তারা যখন ফেরত আসছে মক্কায়, তার আগেই মুহাম্মদকে জিব্রাঈল এসে বলেছে এটা আসলে শয়তানের প্ররোচনায় ঘটেছে, আল্লাহ জিব্রাঈলকে এমন কোনো ওহী দিয়ে পাঠান নি। মুহাম্মদ নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে পুনরায় সংশোধন করে সুরাটি। এবং সুরা হজ্জ্বের ৫২ নং আয়াতটি নাজেল হয় এই শয়তানের আয়াতকে নস্যাৎ করবার প্রতিক্রিয়ায়।

Never did we send a messenger or a prophet before you but
that when he recited (the Message) Satan cast words into his
recitation (umniyyah). God abrogates what Satan casts. Then
God established his verses. God is knower, wise [ ২২.৫২ ]

আবিসিনিয়া থেকে ফেরত আসা মুসলিমগণ মক্কায় প্রবেশের পূর্বেই এই সংবাদ জানতে পারে এবং তারা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গোত্রপতিদের অনুরোধ জানায়। এবং তারা সেই রক্ষাকবচ পাওয়ার পরই মক্কায় প্রবেশ করে এবং মদীনায় হিজরত করবার আগ পর্যন্ত তারা সেখানেই বসবাস করছিলো।

এরপর পরই পুনরায় বয়কট আরোপ করা হয়।

নবুয়তের ১০ বর্ষে আবু তালিব এবং খাদিজার মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। আবু তালিবের বদলে নতুন গোত্রপতি হয় আবু জাহেল, এবং মুহাম্মদ নিজস্ব প্রাণভয়ে তায়েফে ছুটে যান নিরাপত্তার আশ্বাস খুঁজতে- সেখানকার একটি গোত্র যদিও মক্কাবাসীদের সাথে মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলো কিন্তু তারা মক্কায় কোরাঈশ এবং অন্যান্য গোত্রদের তেমন পছন্দ করতো না বরং তাদের প্রতি বৈরীই ছিলো, সেই বৈরীতার সুযোগ নিতে মুহাম্মদ তায়েফে গমন করেন এবং তায়েফের তাহিকফ গোত্রপতি মুহাম্মদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাকে নির্বিঘ্নে ধর্ম প্রচারের জন্য নিরাপত্তা দিতে রাজী হয় নি। এই প্রত্যাখ্যানের পর মুহাম্মদের প্রতিক্রিয়া ছিলো, আমি যে এখানে সহায়তার জন্য এসে প্রত্যাখ্যার হয়েছি এই সংবাদ যেনো মক্কাবাসী জানতে না পারে, এবং অতঃপর সেই গোত্র মুহাম্মদকে হেনেস্তা করে ফেরত পাঠায়।

মুহাম্মদ ফেরার পথে অন্য এক মহিলার কাছে নিজের দুঃখের বয়ান করে বলেন আপনার স্বামী এবং তার ভাইয়েরা আমার আহ্বানে সাড়া দিলো না।
তারপর মুহাম্মদ মক্কায় ফেরত আসেন

Then the Messenger of God came back to Mecca, and found
that its people were even more determined to oppose him and to
abandon his religion, except for a few weak people who believed
in him. Some say that when the Messenger of God left al-Ta'if for
Mecca193 a certain Meccan passed by, and the Messenger of God

said, "Will you deliver a message which I entrust to you?" He
agreed, and he said, "Go to al-Akhnas b. Shariq and say to him,
'Muhammad asks you if you will give him protection so that he
can deliver the message of his Lord.' The man went to him and de-
livered the message, and al-Akhnas replied, "The confederate does
not give protection against the men of pure blood." He went back
to the Prophet and gave him this reply. Muhammad then asked
him if he would go back again, and when he indicated that he
would, said, "Go to Suhayl b. `Amr and say to him, `Muhammad
asks you if you will give him protection so that he can deliver the
message of his Lord.'" He went to him and delivered the message,
and he replied, "The Banu `Amir b. Lu'ayy do not give protection
against the Banu Ka`b.'' The man went back to the Prophet and
gave him this reply. Muhammad asked him if he would go back
yet again, and when he indicated that he would, he said, ''Go to al-
Mut`im b. `Adi and say to him, `Muhammad asks if you will give
him protection so that he can deliver the message of his Lord.'"
Al-Mut`im replied, "Yes, let him enter."

The man went back and told him this, and the next morning
al-Mut`im b. `Adi, his sons, and his brother's sons appeared wear-
ing their weapons and entered the mosque. When Abu Jahl saw
him, he said, "Are you offering protection to someone or follow-
ing a call to arms?" "I am offering protection," he said. Abu Jahl
replied, "We shall protect whomever you protect." The Prophet
entered Mecca and remained there. One day he went into the sa-
cred mosque while the polytheists were by the Ka`bah. When Abu
Jahl saw him he said, "This is your prophet, Banu `Abd Manaf."194 [1204]
To this `Utbah b. Rabi`ah said, "Is there anything wrong with there
being a prophet or a king from among us?" The Prophet was told
of this or heard it, and he went to them and said, "As for you, `Ut-
bah b. Rabi`ah, by God, you were not angered on behalf of God or his Prophet, but were angered on behalf of your own pride; and
as for you, Abu Jahl b. Hisham, by God, not long will pass before
you laugh little and weep much; and as for you, council (mala') of
Quraysh, by God, not long will pass before you will enter unwill-
ingly into that which you dislike."

এই নিরাপত্তার আশ্বাসও আসলে যথেষ্ঠ ছিলো না মুহাম্মদের জন্য, সুতরাং মুহাম্মদ এই সময়েই মদীনাবাসীদের কাছে ইসলামের প্রচার ও প্রাসারের জন্য সাহায্য সহযোগিতা চান। তবে মুহাম্মদ প্রত্যাখ্যাত হন মদীনাবাসীদের কাছেও, কারণটা মুহাম্মাদের মৃত্যুর পরে নেতৃত্ব যাবে কার কাছে এই বিষয়ক সংকট।

Ibn HumaydSalamahMuhammad b. IshaqMuhammad b.
`Abd al-Rahman b. `Abdallah b. Husayn: He went to a clan of
Kalb called the Banu `Abdallah in their encampments, summoned
them to God and offered himself to them, and finally said, "Banu
`Abdallah, God has given your ancestor an excellent name." How-
ever, they did not accept what he offered them.

Ibn HumaydSalamahMuhammad b. Ishaqone of his
companions`Abdallah b. Ka`b b. Malik: The Messenger of God
went to the Banu Hanifah in their encampments, summoned
them to God and offered himself to them, but not one of the Arabs
gave him an uglier answer than they.

Ibn HumaydSalamahMuhammad b. Ishaq and Muhammad
b. Muslim b. Shihab al-Zuhri: He went to the Banu `Amir b.
Sa`sa`ah, called them to God and offered himself to them. One
of them called Bayharah b. Firas said, "By God, if I could take this young man from Quraysh I could conquer all the Arabs with
him." Then he said, "Do you think that if we follow you and God
gives you victory over your opponents we shall have the command
after you?" He replied, "Command belongs to God, who places it
where He wills.'' Bayharah said, ''Are we to expose our throats to
the Arabs in your defense, and when you are victorious the com-
mand will go to someone else? We do not need your religion." So
they refused him.
[ তাবেরী ৬ষ্ঠ খন্ড, মুহাম্মদ ইন মক্কা]

একটা বিষয় স্পষ্ট মদীনাবাসীরা ইসলামের মাধুর্য্যে ধর্মান্তরিত হয় নি, বরং তাদের নিজস্ব স্বার্থ ছিলো প্রবল, এবং সেটার ভেতরে একটা ছিলোমদীনায় বসবাসরত ইহুদীদের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ লড়াই করতে আগ্রহী কিনা এই বিষয়ক নিশ্চয়তা। সে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরে মদীনাবাসীদের একাংশ ইসলামের শরণ গ্রহন করে।


সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৪
৪১টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×