আমার প্রিয় পোস্ট

বুকাইলির কোরান ও বিজ্ঞান

১৮ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

বুকাইলির বাইবেল কোরান ও বিজ্ঞান নিয়ে লেখাটা সমাপ্ত হয়েছিলো সৃষ্টিতত্ত অংশে গিয়ে। বুকাইলি আরও অনেক লিখেছেন, এর পরবর্তি অংশ পৃথিবী এবং সৌরজগত নিয়ে কোরানের বানী।
বুকাইলির দাবি, সূর্য নক্ষত্র এবং চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে উজ্জল হয় এ ধারনাটা প্রথম এসেছে কোরানে।
দাবিটা ভুল, কিন্তু বুকাইলি বিষয়টাকে অতিলৌকিক রূপ দেওয়ার চেষ্টায় এটা অস্ব ীকার করেছেন( যেমনটা করেছেন সৌরজগত সৃষ্টি প্রসংগে তার পছন্দনিয় অংশটা গ্রহন করে বাকি কয়েকটি প্রচলিত মত বিসর্জন করে?) অথবা এটা তার চোখ এড়িয়ে গেছে?
সূর্য গ্রহন কালে চাঁদ সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে চলে আসে এই অনুমান করে এর সপক্ষে কয়েকটা কথা বলেছেন গ্র ীক মনিষীরা। এসব ধারনা বাহিত হয়ে গেছে মিশরের উপকূলে, সেখানে থেকে সিরিয়া, সেখান থেকে আরব জাহান। এ প্রসংগে কোরানের একটা আয়াতে রঅনুবাদ দেই, তিনি দুটি সমুদ্্রকে পৃথক করেছেন একটি পর্বত মালা দ্্বারা,
এ পর্বতমালা যা পরে সুয়ে জ খাল হিসেবে ছিন্ন হয়ে 2টি সাগরকে যুক্ত করেছে। সিরিয়া হলো 3টা মহান সভ্যতার সংগমস্থল। 3টা মহাদেশের সংগম স্তল। 3 মহাদেশের 3 উন্নত সভ্যতার সবচেয়ে কাছাকাছি ভূমি।
বুকাইলির বইয়ে ফিরে যাই বাক্য ব্যায় না করে।
সূর্যের কক্ষপথের কথা এসেছে, চাঁদের কক্ষপথের কথা এসেছে, এসব নিয়ে কথা না বলে পৃথিবী বিষয়ক কোরানীয় আলাপনে যাই, এবং এর বুকাইলিয় ব্যাখ্যা দেখি।

পৃথিবীকে অমাদের আবাসস্থল হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, এতে আমি নদী প্রবাহিত করেছি, এর মধ্যে আমি পর্বতস্থাপন করেছি, এর মধ্যে আমি পথ তৈরি করেছি, এর মধ্যে আমি শস্য ৎটপাদন করিয়েছি, এর মধ্যে উৎপাদন করেছি ফলফলাদি, এর উপরে চড়তে দিয়েছি পশু যা তোমরা খাও এবং যার চামড়া পরিধান করে তোমরা বিরূপ প্রকৃতির মোকাবেলা করো।
মোটামুটি এই কথাগুলোই বিভিন্ন আয়াতে বলা আছে।
পৃথিবী সমতল নয়, পৃথিবী গোলাকার, এই একটা বিষয় কোরানে সঠিক বলা নেই, যেটা বলা সবচেয়ে সহজ হতো কারন পৃথিবীর গোলত্বের ধারনাটা তখন বেশ প্রতিষ্ঠিত।
2য় টা হলো পর্বত স্থাপন, পর্বত উত্থানের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হলো জিওগ্রাফিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষ। এর একটা সংঘর্ষ সামপ্রতিক সুনামির কারন, যারা একটু অনবগত তাদের জন্য বলা, হিমালয় পর্বতের উচ্চতা প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে বাড়ছে, কারন এই খানের 2টা প্লেট পরস্পরের দিকে সরে আসছে।
এটাই হলো পর্বতের পেছনের কাহিনি এটাকে স্থাপন করতে হয় নি এটা উত্থিত হয়েছে।

যেমন আরও একটা হাস্যকর কারন পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ এর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য নাই, শুকতারা বলে দাবি করা শুক্র যে আসলে গ্রহ এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই। গ্রহ বিষয়ে কোনো কথাবার্তাই নেই, নক্ষত্র এবং গ্রহকে একই ভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
7 আসমানের বুকাইলিয় ব্যাখ্যা হলো এটা অসংখ্য আসমানের নির্দেশক, কিন্তু কোন আসমান? বুকাইলির ধারনা সৌরজগতকে প্রথম আসমান বলা হচ্ছে তাহলে পরবর্তি আসমানগুলো কি কি??
মিরাজের সময় বিভিন্ন নবীর অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু কথা আছে, তারাই বা সেখানে কি করছিলো??


পানিচক্র এবং কোরান নিয়ে কিছু কথা আছে, আকাশ থেকে পানি পড়ে, অর্থ্যাৎ বৃষ্টি, বৃষ্টিপাতের পরোক্ষ কারন সমুদ্্রের পানি বােেষ্প রূপান্তরিত হয়ে বৃষ্টি যখন মরূভুমিতে পড়ে কোথায় যায়?
বালি শুষে নেয়, কোরানের বানীতে এই বর্ননা থাকতেই পারে। কিন্তু এসব সহজ অবলোকনের অতিলৌকিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন কোথায়??

কোরানের সমুদ্্রগামীতার আগেই সমুদ্্রের ব্যাবহার জানতো মানুষ, জাহাজের ব্যাবহার জানতো, জানতো বিভিন্ন চোরা স্রোত আর বিভিন্নমুখী বাতাসের কথা, এসব যখন কোরানে উঠে আসে ওটা কোরানের অলৌকিকত্ব প্রমান করে না, অবশ্য এটা নিয়ে বলে লাভ নেই বোধ হয়,
আমার বক্তব্য সংক্ষিপ্ত হলো, কোরানে বর্নিত এমন কোনো ঘটনা বা ইশারা নেই যা সে সময় মানুষের অবগত ছিলো না, সেই সমসাময়িক ধারনাগুলোই কোরানে আছে, পর্বত সৃষ্টি সম্পর্কিত জ্ঞান ছিলো না মানুষের তাই এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো কথা নেই কোরানে।
গ্রহ এবং নক্ষত্র বলে আলাদা কিছু ছিলো না, ছিলো গ্রহ এবং খসে পড়া তারা( উল্কা, কোরানে বর্নিত আছে, আসমানের দেয়ালে কান পেতে শয়তান যখন ইশ্বরের গোপন কথা শুনতে চায়, তখন ফেরেশতারা ঢিল ছুড়ে, সেটাই উল্কা, ) এখনকার বিজ্ঞান বলছে, উল্কা অতি প্রাচীন কোনো ধুমকেতুর ধ্বংসাবশেষ, যা পৃথিবীর মহাকর্ষের প্রভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে বাতাসের ঘর্ষনে জ্বলে উঠলে আমরা দেখতে পাই,

মানুষ যখন সুয়েজ খাল কাটলো তখন ইশ্বরের প্রানে ব্যাথ্যা লেগেছিলো কিনা সেটা জানতে ইচ্ছা করে আমার।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: সাদিক, দ্রাবিড়দের দাবীতে আপনার সমর্থনের জন্য অভিনন্দন। আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমার "ডাক দেয় দীক্ষক দ্রাবিড়" পড়ার জন্য। আর আপনার প্রশ্ন আর আলোচনায় আমি কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে একটি লেখা লিখতে চাই। আর তা হলো ইসলামে পৌত্তলিকদের অবদান। কিন্তু সে যুক্তি কি আপনারা শুনতে পারবেন? না কি হা রে রে করে তেড়ে আসবেন? শুনতে চান পৌত্তিলকতার ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে ইসলাম?
২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: And certainly We have explained in this Quran every kind of example, and man is most of all given to contention.
৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অপ বাক বলেছেন: আমারও আপত্তি এই খানেই যদি বিজ্ঞান সাধনা করতে চাও তাহলে খোলা মন নিয়ে কর। কোরানের একটা আয়াত আমাকে একবার আমার এক বন্ধু বলেছিলো।
যার মর্মার্থ আমার মনে হয়েছে এ রকম।
তুমি ইচ্ছা করলেই যে ভাবে খুশি ভাবতে পারো। অবশেষএ প্রকৃতই দর্শন শেষে তুমি আমার দিকেই ফিরে আসবে।
এখানে কিন্তু প্রকৃতিকে খোঁজার বিষয়টাও আছে, সেখানেই থেমে যাই
৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: বুখাইলি সম্পর্কে নেতিবাচক অনেক কিছুই শোনা যায়। অনেক তথাকথিত ইসলাম পন্থীরা বুখাইলির ঐ বইটিতে বেদ বাক্যের মতো মনে করে যেটিও ঠিক নয়।

বলা হয় (নিশ্চিত নই) যে বুখাইলিকে ফান্ডিং করেছিলো তৎকালীন সৌদ রাজপরিবার। আর এ কারনেই তার স্কলারলি কাজের ব্যাপারটিতে একটু সংশয় আছে।

কোরআনকে বৈজ্ঞানিক ধারনার অংশ হিসেবে যারা মেনে নিতে চায় আমি তাদের প্রতি নির্বিকারই থাকতে চাই। অনেকে অনেকভাবে ইন্টারপ্রেট করতেই পারে একটা বিষয়কে যেমনটি সব বিষয় নিয়েই করা যায়। সুতরাং অতি ভক্তিতে কেউ যদি বিজ্ঞানকে টেনে আনতে চায়, আসুক না। এর পরিবর্তে তার দুই পাতা বিজ্ঞানও পড়া হবে। মন্দ কি !!

কয়জন আর সখ করে আজকাল বিজ্ঞানের বই হাতে টেনে নেন, বলেন ?
৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: কাল ফিরে আসবো এই আলোচনায়। এখন যাচ্ছি। সিঙ্গাপুর সময়ে প্রায় ভোর ছয়টা। ঘুমনো দরকার।

ঈশ্বর সবাইকে সুখি করুন।
৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: প্রথম কথা হচ্ছে, কুরআন এর কথা আসলেই মরিস বুকাইলিকে কেন ডাকা হয় আমি বুঝি না।

আর যে বিষয়গুলো মানুষের অনুধাবন করার মতো কুরআনে সেই ব্যাপারগুলোই সমসাময়িক সময়ের জ্ঞানের উপযোগী করেই উপস্থাপন করা হয়েছে।

কুরআন নাজিল হওয়ার ব্যাপারটা টাইম ডিপেন্ডেন্ট। এই ব্যাপারটি ভুলে যাওয়া ঠিক নয়। ঠিক যেমন এর ভাষা তৎকালীন আরবের উপরে ডিপেডেন্ট ঠিক তেমনি।

খুব এ্যাডভানসড নলেজ যদিও বা যুক্ত করা হতো তা তখনকার দিনে ব্যাখ্যা করা সম্ভব ছিলো না। আর কুরআন নাজিল হওয়ার সাথে সাথে হযরত মুহাম্মদ (সালাম) -কে তার ব্যাখ্যা করতে হতো সাহাবীদের মধ্যে।

এখন আপনার কি মনে হয় খুব এ্যাডভানসড নলেজ (বৈজ্ঞানিক) নাজিল হলে তবে সেটা খুব যুক্তি সংগত হতো না।

আশা করি এই কমনসেনস উত্তরটি মেক সেনস টু ইউ।
৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অপ বাক বলেছেন: আর অন্য কথাটা হলো কোরানকে সার্বজনীন গ্রন্থ না বলে কেনো তাহলে সাময়িক গ্রন্থ বলা হবে না, কোরানের উপমা এবং উৎস কিন্তু সে সময়ের আরব সংস্কৃতি, বর্তমানের সংস্কৃতি বা চিন্তন ধারা নয়, আমি যখন বলছি কোরানের সংস্কৃতি আধুনিক সংস্কৃতির সাথে সমঞ্জস্য পুর্ন নয় তখন এই কথা আসছে কোরান সর্বকালের সব মানুষের জন্য নাজিলকৃত কেতাব, আমি আসলে এটার উত্তর খুঁজছি।
৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অপ বাক বলেছেন: আমার সমস্যাটা অন্যখানে, কোরানকে বৈজ্ঞানিক ধারনার অংশ বলে মেনে নেওয়াটা। বৈজ্ঞানিক চিন্তনধারা অগ্রসর হবে, কিন্তু কোরানের বানীগুলো সেই অবস্থানেই স্থির থাকবে এটা বলা শুধু। আর ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের অংশ নিয়াও কথা বলছি না, বুকাইলির কথা এসেছে এজন্যই যে বুকাইলি এটা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে কোরানের বানীগুলো আধুনিক বিজ্ঞান সমর্থন করে, আমি বিজ্ঞানের জায়গা থেকে বিষয়টা দেখার চেষ্টা করছি। আর সেখানেই নিজের স্থির রাখছি।
৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: অপবাক, আপনার প্রোফাইলে দ্রাবিড়দের নিয়ে কথাগুলো আমার মন ছুঁেয়ছে।

সভ্যতার ইতিহাসে এই দ্রাবিড়দের আমিও লাল, সবুজ সালাম জানাই। তাদের অধিকার দাবীদারের দলে আমিও নাম লেখালাম ভাই।
১০. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: অবশ্যই শুনতে চাই। সবারই শোনা উচিত প্রতিটি তথ্য। গ্রহন করবে কি করবে না সেটা প্রত্যেকের বিবেকের ব্যাপার।

আমি ঐ হারে রে রে করে তেড়ে আসার দলে নই রে ভাই।

আমি আপনার মতের সাথে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু যে কারো নিজস্ব মত বলার অধিকার আমি নিজের শেষ সাধ্য পর্যন্ত রক্ষা করে যাবো।

যেকোন মত প্রকাশের অধিকারে আমি পাশে আছি।
১১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: পৌত্তলিকতা প্রসঙ্গে বলে রাখি, ধর্ম এবং মাটির সংস্কৃতি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। যে মাটির গন্ধে পৌত্তলিকতা জড়িত, সেই মাটিতে রূপ নেওয়া ধর্মেতো পৌত্তলিক সংস্কৃতি থাকবেই ।

আমি সেটাকে পৌত্তলিকতা বলি না, আমি বলি সংস্কৃতির প্রভাব। হজ্জের অনেক রিচুয়ালই নবী পৌত্তলিকদের পালন করা রীতিকেই রেখে দিয়েছেন। কারন তিনি সংস্কৃতি মনা ছিলেন, ধর্মান্ধ ছিলেন না।

আজ রাতেই ধর্ম এবং সংস্কৃতির মিল নিয়ে এবং ব্রাহ্ম ধর্ম নিয়ে একটি পোস্ট করেছি আমার ব্লগে। পড়ে দেখতে পারেন।
১২. ২১ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
অতিথি বলেছেন: মানুষ আর পৃথিবীর পশুর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দেয় দ্্বীন। দ্্বীনের প্রয়োজনীয়তা কখনও ফুরায় না। আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়েত করুন।
১৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
হাসিব বলেছেন: ভালো লেখা । পড়ে ভালো লাগলো ।
১৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৪
অতিথি বলেছেন: কোরআন কি গ্রহ নক্ষত্রের কক্ষপথের কথা বলেনি। সেগুলো কিভাবে একে অন্যকে ঘিরে আবর্তন করছে, বলেনি কিভাবে প্রাণের সৃষ্টি?? (সুরা ইয়াসিন)।
কয়েকদিন পূর্বে একটি কনভারটেট মেয়ের সাথে দেখা। জাতে বৃটিশ, বয়স 23। আমার একটা প্রশ্ন ছিল- তুমি মুসলমান ধর্ম গ্রহন করেছ কেন? সে আমাকে উলেটা প্রশ্ন করলো. তুমি কি কখন ও প্রজাপতির দিকে ভালো করে থাকিয়ে দেখেছ, তার রঙ?? তুমি কি কখনও সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা করেছ?? "
সুরা ইয়াসিনের 2য় আয়াতের অর্থ হচ্ছে " কোরআন বিঙ্গানময়"। সো,
কোরআন যদি বিশ্বাসই করি, তবে তার সবকিছুই বিশ্বাস করা উচিত।
১৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
অতিথি বলেছেন: মিয়াভাইয়েরা চলতে চলতে যে হোচট খাইতেছিলেন। একটু ভাল রাস্তা দেখাইতেছিলাম, তাতেই সমস্যা। তাইতো বলে- কানাকে রাস্তা না দেখাইতে নেই।
১৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
অতিথি বলেছেন: ভালই চলতাছিল, এই ফ্রুলিংক্স আইসা পচাইয়া দিল। ধুত্তোরি,,,
১৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
অতিথি বলেছেন: কে হোচট খাইতে ছিল? কি কন? বাংলায় কন..
১৯. ০৩ রা মে, ২০০৬ সকাল ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: অপ বাককে ধন্যবাদ, চমৎকার এই পোস্টের জন্যে । এই স্ববিরোধীতাপূর্ণ পুস্তকটিকে 70-80'র দশকে জামাত ব্যপকভাবে ব্যাবহার করেছে , তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ।
২০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২৮
অতিথি বলেছেন: তোমার বৈজ্ঞানিক পোস্ট কইমা গেল ক্যা ?
২১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২
তীতুমীর বলেছেন: এই পোস্টে অনেক মন্তব্য ছিল।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৮৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবু ও মানুষ কাঁদে
অধিকার চায় একটি শিশুর
তবুও মানুষ বাঁচে
কার হাতে অধিকার
মানুষ না যীশুর............

অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্্বৈত্বতার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ