বাংলা গান
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:১৭
আমার বেশ কিছু বন্ধু গানের সাথে যুক্ত। কেউই পেশাদার শিল্পী না। নিজেরা গান লিখে নিজেরা সুর করে আর আমরা বন্ধুরা শ্রোতা। আমি গায়ক হিসেবে ভয়ংকর। এক গানের আড্ডায় গান শুরুর পর বন্ধুর লাথি খেয়েছি। অতএব গান গাওয়া আমার কাজ না। এখন চেষ্টা করছি নতুন ধাঁচের গান লেখার। মাঝে আটকে আছি। কেউ জট খুলে বাকিটা শেষ করে দিলে ভালো হয়। বিষয়টার সূচনা দিতে পারি বাকিটা দেখা যাক কোথায় দাড়ায়---
বাড়ুই নদীর পারে মধুখালি গ্রাম
হেমন্তে পাতা ঝড়া বনে
আদিবাসী তরুনির ঘরে
শুকনো পাতা শেষ হলে
শরীরে আগুন জ্বেলেছিলাম।।
উৎসবে মেতে ছিলো সাঁওতাল পাড়া
মহুয়া মদির রাতে মাদলের তালে
ভরা চাঁেদর নীচে উর্বরা উজাড় মিলন.....
এরপরের অংশ জুড়ে কেউ কি কোন সহযোগিতা করবে???
প্রকাশ করা হয়েছে: গানের জন্মকথন বিভাগে ।
২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০১
লুনা রুশদী বলেছেন:
হা! হা! মলি! জোস হইছে। বিশেষ করে শেষ লাইন। রাবীন্দ্রিক আর আধুনিকের দারুণ মিলন! মুগাম্বো খুশ হুয়া!
অপবাক, আপনার দোস্ত তেলাপোকারে বলেন, শেষ (খতম) করে দিবে।
অপবাক, আপনার দোস্ত তেলাপোকারে বলেন, শেষ (খতম) করে দিবে।
৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০১
অপবাক বলেছেন:
মলি মিলছে তবে এটা দিয়ে গান করা যাবে না।
লুনা তেলাপোকা সফল হলে কি আর এ জিনিষ নিয়ে আমার এমন হেনেস্থা হয়। ও এটার বিষয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে।
অপবাক বলেছেন:
মলি মিলছে তবে এটা দিয়ে গান করা যাবে না। লুনা তেলাপোকা সফল হলে কি আর এ জিনিষ নিয়ে আমার এমন হেনেস্থা হয়। ও এটার বিষয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে।
৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০১
বলেছেন:
তেলাপোকার মতে জিনিষটা গোবরজাতিয় হবে। এটাতে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। প্রথম অংশের বিষয়ে আমি নিজেও সন্দিহান শেষ পর্যন্ত ওটা রাখা যাবে কিনা। আসলে বোহেমিয়ান ধাঁচের জন্যে না সাঁওতাল উর্বরা উৎসবের মোহে লেখা।
আমার নিজের সমস্যা গেয়ার্তুমি। যাচ্ছে না প্রথম পংক্তি তার পরও কোনভাবে রাখা যায় কিনা এটার চেষ্টা করি। অবশ্য এটাকে চেষ্টা দিতে পারেন
তুমি স্লানঘরে খুলে ফেলো বসন তোমার
তুমি স্বপ্ন সাজিয়ে রাখো রাতের বালিশে
তুমি মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে খুজো আমার হাত
ভালোবাসো আজও এই আমাকে
বলেছেন:
তেলাপোকার মতে জিনিষটা গোবরজাতিয় হবে। এটাতে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। প্রথম অংশের বিষয়ে আমি নিজেও সন্দিহান শেষ পর্যন্ত ওটা রাখা যাবে কিনা। আসলে বোহেমিয়ান ধাঁচের জন্যে না সাঁওতাল উর্বরা উৎসবের মোহে লেখা। আমার নিজের সমস্যা গেয়ার্তুমি। যাচ্ছে না প্রথম পংক্তি তার পরও কোনভাবে রাখা যায় কিনা এটার চেষ্টা করি। অবশ্য এটাকে চেষ্টা দিতে পারেন
তুমি স্লানঘরে খুলে ফেলো বসন তোমার
তুমি স্বপ্ন সাজিয়ে রাখো রাতের বালিশে
তুমি মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে খুজো আমার হাত
ভালোবাসো আজও এই আমাকে
৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০১
লুনা রুশদী বলেছেন:
অপবাক আমি চেষ্টা করতাম, কিন্তু আমার লেখা তো আবার ছাতা পরা! আর আপনার গানের প্রথম অংশও আমার বেশী ভালো লাগছেনা। মনে হচ্ছে বেশী বেশী ঢং । ইচ্ছা করে বোহেমিয়ান সাজা। সাঁওতাল, মহুয়া এইগুলা নিয়ে লেখার কি দরকার, যা কিছুতে আপনি সাধারণভাবে ইউজড টু, সেরকম কিছু লেখেন। বাই দ্যা ওয়ে, তেলাপোকা কই, কারো পিছে লাগতেছে না, ব্যাপার কি, আশা করি বেঁচে আছে।
৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১০:০১
অরুণিমা বলেছেন:
ভাই, আপনার গান শুনে কোন কোর জাতীয় প্রাণি জড়ো হয় ? ......................................
অরুণিমা বলেছেন:
ভাই, আপনার গান শুনে কোন কোর জাতীয় প্রাণি জড়ো হয় ? ......................................
৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১০:০১
মাহফুজ বলেছেন:
হেলো কেমন আছো আশা করি ভালো
মাহফুজ বলেছেন:
হেলো কেমন আছো আশা করি ভালো
৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১১:০১
অপবাক বলেছেন:
অরুনিমা প্রনী জড়ো হয় না,তবে এক রাতে গান শুরু করার পর ঘর মশাশুন্য হয়ে গেল। ঘরে মশা সমস্যা থাকলে খবর দিয়েন, গান পাঠিয়ে দিবো মশারি ছাড়াই ঘুমাতে পারবেন।
অপবাক বলেছেন:
অরুনিমা প্রনী জড়ো হয় না,তবে এক রাতে গান শুরু করার পর ঘর মশাশুন্য হয়ে গেল। ঘরে মশা সমস্যা থাকলে খবর দিয়েন, গান পাঠিয়ে দিবো মশারি ছাড়াই ঘুমাতে পারবেন।
৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০১
মলি বলেছেন:
ধন্যবাদ লুনা রুশদীকে, আমার পংক্তিটুকু পছন্দ করার জন্য।
মলি বলেছেন:
ধন্যবাদ লুনা রুশদীকে, আমার পংক্তিটুকু পছন্দ করার জন্য।
১০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০১
অতিথি বলেছেন:
আমার
অতিথি বলেছেন:
আমার



















হঠাৎ দেখি তরুণীর বাপ আমাদের পিছে
লাঠি হাতে খাড়া,
তারপর??......
তাহার আর পর নাই
চক্ষু মুদিয়া দৌড় দিলাম ঝাড়া।