আমার প্রিয় পোস্ট

কেয়ামতের কালপঞ্জি

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

বেশ কিছু বিষয় চোখে পড়ছে, নতুন একজন বিজ্ঞানমনস্ক!!! ব্লগার এসে আমাদের বিজ্ঞানের নতুন কিছু ধারনা শিখাচ্ছেন। হকিং সাহেবকে নিয়ে বিস্তর টানাটানি হচ্ছে তাও দেখা গেলো, কথা হলো হকিংএর ব্রিফ হিস্টোরি ওফ টাইম বইটার কিয়দংশ জনাব ত্রিভূজ পড়েছেন কি পড়েন নি? তার রেফারেন্সে তিনি হকিংএর নাম নিলেন বলেই প্রশ্নটা সামনে এলো,
কোরানের 4টা আয়াত এসেছে সহায়ক হিসাবে
81ঃ15 "তারারা পিছে হটিয়া যায়," জনাব ত্রিভুজকে এবার কিছু বলাটা উচিত হবে না তিনি বলেছেন সকল নক্ষত্রই পৃথিবী থেকে দুরে সরে যাচ্ছে কিন্তু ঘটনা সেরকম নয় মোটেও, এনড্রোমিন্ডা বলে একটা গ্যালাক্সি মিল্কি ওয়ের দিকে এগিয়ে আসছে, মিল্কি ওয়ে হচ্ছে সেই গ্যালাযি যেটার একটা দূরবর্তি কোণে সূর্য্য সহ আমাদের সৌর জগতের অবস্থান। নিখাদ বৈজ্ঞানিক তথ্য যদিও সকলা তারা পিছনে সরে যাচ্ছে কিন্তু প্রায় 10 কোটি নক্ষত্র সহ একটা সম্পুর্ন গ্যালাক্সি পৃথিবী তথা এই মিল্কি ওয়ের দিকে এগিয়ে আসছে এবং এই বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার মতো না,
যাই হোক কথা হলো এই পশ্চাত গমনটা মাপা হয় কি ভাবে? হাবল সাহেব পৃথিবীতে বসে 40 হাজার আলোকবর্ষ দুরের নক্ষত্রদের ঘরের খবর কি ভাবে জানলেন? উত্তর হলো বর্নালী বিশ্লেষন, রেড শিফট এবং ব্লু শিফট এর কথা , কিছু তারার ব্লু শিফট হচ্ছে এর মানে এই না যে তারা রলজ্জায় নীল হয়ে যাচ্ছে এইটার অর্থ তাদের বর্নালীর রেখাগুলো নীলের দিকে সরে যাচ্ছে, এইটা ডপলার শিফট,যেইটা বলে যদি উৎস এগিয়ে আসে দর্শকের দিকে তাহলে দর্শকের সাপেক্ষে কম্পাংক বৃদ্ধি পাবে, এই কম্পাংক বৃদ্ধির ঘটনাকে বলে ব্লু শিফট, এবং যদি উৎস দুরে সরে যেতে থাকে তাহলে কম্পাংকের সংখ্যা কমতে থাকবে, এইটাকে বলে রেড শিফট। ব্লু শিফটের ফলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কমে যায় এবং রেড শিফটের ফলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়, সার্বিক বিশ্লেষন করে দেখা গেছে কিছু গ্যালাক্সির ক্ষেত্রে সেখান থেকে আগত আলোক রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে অর্থ্যাৎ তারা দুরে সরে যাচ্ছে, কিছু গ্যালাক্সির ক্ষেত্রে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কমছে মানে ঐ গুলো পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে, তবে সবটা বিচার করলে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসা গ্যালাক্সির চেয়ে পৃথিবী থেকে দুরে সরে যাওয়া গ্যালাক্সির সংখ্যা বেশী, সুতরাং আমরা নিশ্চিতে বলতে পারি মহাবিশ্ব প্রসারিত হইতেছে।
হকিংয়ের বইটা না পড়লে কিংবা হকিংয়ের বইগুলোর ভাষা খুবই সরল মানের মনে হলেও এর ভিতরেও কিছু যুক্তির বিষয় আছে, চিন্তার বিষয় আছে, হকিংয়ের এনথ্রোপলজিক্যাল প্রিন্সিপালের ক্ষেত্রেও এই কথাটা প্রযোজ্য, আশা করছি মানুষের উৎপত্তি হিসেবে কোনো এক মহান ইসলাম প্রেমি ভবিষ্যতে এই মহাবিশ্ব তৈরির মানব তত্ত্ব নিয়ে কিছু লিখে ফেলবে, বাঁদরের হাতে এটম বোম দিলে বাঁদর ওটা কামড়াবে, যদিও জানে না ওটা দিয়ে কি কাজ হবে তার পরও বাঁদর এটম বোম হাতে পেলে বলে বসবে ঐ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী বাঁদর, কোরান হাতে উল্মফনরত এই ব্লগের বিভিন্ন মানুষ দেখলে আমার সেই বাঁদরের উপমাই মনে আসে। যারা বিজ্ঞান নিয়ে কিছু না জেনেই অতি সরলীকৃত মন্তব্য করে, একজন কয়দিন আগে নক্ষত্রের মৃতু্য এবং কেয়ামত নিয়ে কয়েক লাইন লিখেছে, সবাইকে সমান মাপে শিক্ষিত করা সম্ভব নয়,
যাই হোক কেয়ামত এবং বৃহত সংকোচনের মধ্যে যারা একটা সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করবেন অনাগত ভবিষ্যতে তাদের জন্য একটা ছোটো দুঃসংবাদ আছে,
যদি বোলড ফন্টের ব্যাবহার থাকতো তাহলে এটাকে লাল করে বড় ফন্টে লিখতাম সম্ভব না বিদঃায় একটু ফাঁকা রেখে লিখছি


মহাবিশ্বের বর্তমান বয়েসের অর্ধেক অতিক্রান্ত হওয়ার পর সূর্যের জন্ম। সূর্যের গড় আয়ু যদি 1000 কোটি বছর হয়, সূর্যের মাপের নক্ষত্রের ক্ষেত্রে বয়স সীমাটা এমনই, তাহলে সূর্য আরও 500 কোটি বছর আলো দিবে এর পর সূর্য ধ্বংস হয়ে যাবে। এই পর্যন্ত বুঝতে পারলেই হবে,
বিজ্ঞানের নিয়মকানুন খুব সরল, যদি মহাবিশ্ব বিকশিত হয়ে 1200 থেকে 1500 কোটি বছরে এই অবস্থানে আসে তাহলে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হলে ঠিক ততটা সময়ই অতিক্রম করতে হবে, আমি সংক্ষেপে যা বলতে চাইছি আমাদের সূর্যের মৃতু্যর পরেও মহাবিশ্ব থাকবে, কিন্তু সূর্যের মৃতু্যর পরে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব থাকবে না, অন্তত সূর্যের মৃতু্যর পরে প্রায় 500 থেকে 1000 কোটি বছর আমাদের অপেক্ষা করতে হবে যদি এর পর বৃহৎ সংকোচন হয়, বৃহৎ সংকোচনের বিপক্ষেই যত সব পর্যবেক্ষন এখন পর্যন্ত এর পরও
যদি কোনো দিন বৃহৎ সংকোচন( বিগ ক্রাঞ্চ) হয় তাহলে ওটা হবে আমাদের পরিচিত পৃথিবীতে সভ্যতার এবং জীবনের সবটুকু নিশ্চিহ্ন হওয়ার 500 কোটি বছর পরে। এবং আল্লা মিয়া তার যতই ক্ষমতা থাক এই সময়সীমাকে অতিকড়ম করতে পারবে না।
আমরা মানুষেরা যদি এই সময়ের মধ্যে উন্নত মানের কোনো মহাকাশযান তৈরি করে অন্য কোথাও পারি না জমাই তাহলে আমাদের সভ্যতার মৃতু্যর পরও 500 কোটি বছর বামন সূর্য টিকে থাকবে, এক সময় তাপবিকিরন ক্ষমতা হারিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
বিজ্ঞান আমাদের 400 কোটি বছর দিয়েছে এই ঘটনা ঘটার আগে এর তাই অন্তত 400 কোটি বছর মাস্তি করতে পারবে মানুষ সেই সময় পর্যন্ত কেয়ামত হবে না। এবংআমি বলতে পারি যদি আগামি কালই সংকোচন শুরু হয় তাহলেও আরও 1200 কোটি বছর পর আবার বিগ ক্র্যাঞ্চের ফলে মহাবিশ্ব ঠিক সূচনার অবস্থায় ফিরে যাবে। বড়ই কষ্টের কথা। কিন্তু কি আর করার।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
অতিথি বলেছেন: এই তো বিজ্ঞান নিয়ে নেমে পড়লেন আমাদের অপ বাক ভাই।যথারীতি কিছুটা ধর্ম রিলেটেড ও। এবার বাকীরা কি বলেন?
২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
অতিথি বলেছেন: "আল্লা মিয়া"র ক্ষমতা কতটুকু জানি না, তবে আল্লাহর ক্ষমতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই... তবে তিনি নির্দিষ্ট নিয়মে সব কিছু করেন, নিয়মের বাইরে বেরিয়ে গিয়ে না...
কিয়ামত আসুক কিয়ামতের সময়ে... কেউ দাবী করছে না, কালই কিয়ামত হবে... তবে কি জানেন, একটা হাদীসের কথা হচেছ, যার যার মৃত্যু হচ্ছে তার তার জন্য কিয়ামত।
তা, ওই বৃহৎ সংকোচন না সম্প্রসারণ, সেটার এতো দেরী দেখে আপনার স্বস্তি পাওয়ার কিছু নেই, আপনি তার আগেই খুব সম্ভবত আখিরাত পেয়ে যাবেন...
আমার ব্যপারও তাই, সেজন্য সেটা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই...
৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৪
অতিথি বলেছেন: খুব ব্যস্ত নিশ্চয়ই। ইদানীং আপনার লেখা খুব মিস করছি। ভাল থাকুন।
৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অতিথি বলেছেন: ব্যাঙ? ব্যাঙ সম্পর্কে কালকে কি জানি লিখছিলাম...
৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অতিথি বলেছেন: অপ,
আপনার সমস্যাটা কোথায়... নাহ আপনি নিজেকে এবং 'সেই সব অবিশ্বাসী' কে এই সুসংবাদ দিতে পারবেন না... কারণ আপনার মারা যাওয়ার জন্য 1200 কোটি বছর অপেক্ষা করতে হবে না...
কিয়ামতের কনসেপ্ট না বুঝে আপনি লাফালাফি করছেন, যারা বিজ্ঞান না বুঝে লাফালাফি করে শুধু তাদের দোষ দিচ্ছেন কেন?
৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অতিথি বলেছেন: লাফালাফি এবং ব্যাঙ এর মধ্যে গভীর যোগসূত্র......
৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অতিথি বলেছেন: অপ,
বিগ ব্যাঙ, ডেথ অফ স্টার... এসবের কোটি কোটি বছরের হিসাব একটা ক্লাস টেনের বাচ্চাও বুঝে, এসব তথ্যের জন্য আপনার ব্লগ পড়ি নি।
পড়েছি আপনি কোটি কোটি বছরের হিসাব দেখিয়ে ইউনিভার্সকে একরকম অবিনশ্বর দেখানোর চেষ্টা করেছেন/ কিয়মতের অসম্ভবতা দেখাতে চেয়েছেন, সে জন্য পড়েছি।
কোটি কোটি বছর হোক, আর দু'দিন পরে হোক, কিয়ামত আসবে, আমার মূল বক্তব্য ছিল সেটা। তবে 'কবে' সেই কিয়ামত আসবে সেটা নিয়ে আমি বেশি চিন্তিত না... কিয়ামত বোধ হয় আমার জীবদ্দশায় আসবে না, তাই আমার মৃত্যু পরবতর্ী জীবনই আমাকে বেশি ভাবায়... আপনি বোলড করে লিখে চোখ খুলতে চেয়েছেন কিয়ামতে বিশ্বাসীদের.. আমিও বোলড করে বলে আপনার চোখ খুলতে চেয়েছি... আপনার নিজের আখিরাতের কথা ভাবেন... সেজন্য আপনার কোটি বছর অপেক্ষা করতে হবে না... বড় জোড় 100 বছর...
ইউনিভার্স ধ্বংস হবে না... সেটা
থিওরী/হাইপোথিসিস, এখন পর্যন্ত এমন কোন অবজারভেশন হয় নি, যার জন্য সেটাকে এসটাবলিশড ফ্যাক্ট বলে মেনে নিতে হবে...
৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অপ বাক বলেছেন: আড্ডা নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করছি কিন্তু এখন পড়ার চাপ বেড়েছে তাই নিয়মিত লিখতে চাইলেও হয়তো আগামি কেয়ক সপ্তাহ তা সম্ভব হবে না।

মেয়ে বিষয়টা বুঝো নি বলেই মন্তব্যটা করলে এবং হাস্যকর একটা মন্তব্য করলে, আমার কিংবা তোমার মৃতু্যর সাথে মহাবিশ্বের ধ্বংসা বা সৃষ্টির সম্পর্ক নেই।
আমি যা বলছি সেটা হলো পৃথিবীভিত্তিকসভ্যতা, যদি মানুষ এর আগেই নিজেরা নিজেদের নিশ্চিহ্ন না করে ফেলে ফেলে তবে সূর্যের ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত মানে অন্তত আরও 400 কোটি বছর টিকবে, কিন্তু সূর্যের মৃতু্য মানেই মহাবিশ্বের ধ্বংস হয়ে যাওয়া নয়, মহাবিশ্ব সূর্যের জন্মের আেেগও ছিলো এবং সূর্যের মৃতু্যর পরও থাকবে, সুতরাং যেই ভয়াবহ কেয়ামতের বর্ননা দেওয়া আছে আকাশ পাতাল এক হয়ে যাওয়া সেই ঘটনা ঘটতে হলে মহাবিশ্বকে সংকুচিত হতে হবে, যদি সূর্য নিভে যায় তাহলে সেই জিনিষ ঘটবে না, এবং এই বিষয়টা এখনও নিশ্চিত নয় মহাবিশ্ব সংকুচিত হবে কি না? যদি হয়ও তাহলেও আরও 1200 কোটি বছর হাতে আছে সেই মহাসংকোচন ঘটার, বিজ্ঞান যেহেতু এই ভবিষ্যতবানী করছে তাই আল্লামিয়া আগামি 1200 কোটি বছর, মনে মানুষের সভ্যতা ধংসের পরও 700 কোটি বছর অন্য কিছু করবে অতঃপর কেয়ামতের কাজ শুরু করতে পারবে।
৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৭:০৪
অপ বাক বলেছেন: মেয়ে সমস্যাটা কার আমার না তোমার? তোমার আখেরাত নিয়া সন্দেহের অবকাশ নাই কারন তুমি ধর্মবিশ্বাসী
আমার লেখাটা শুধু তাদের উদ্দেশ্যে যারা সূর্য্যের মৃতু্য, বিগ ব্যাং, বিগ ক্রাঞ্চ এবং মাঝের বিষয়গুলা নিয়া ধর্মগ্রন্থের সাথে মিলমিশ করতে চাইছে, তোমার বিশ্বাস আমি বদলাবো কেনো এইটা আমাকে বলো। আমি বিজ্ঞানের কিছু তথ্য দিচ্ছি যেইটা স্বয়ং ইশ্বরকে মানতে হবে, তার স্বেচ্ছাচারিতার কোনো সূযোগ নেই মহাবিশ্বে,ইচ্চা করলেই কেয়ামত নাজেল করে ফেলবে এমন ক্ষমতা তার নাই, যদি কেয়ামত নাজেল করতে হয় তাহলে ইস্রাফিলকে আরও 1200 কোটি বছর অন্তত বাশী ঝুলায় দাড়িয়ে থাকতে হবে, আমি সেই সব অবিশ্বাসীদের সান্তনা দিতে পারি যে আরও 400 কোটি বছর আনন্দ উল্লাস করা যাবে আর 1200 কোটি বছর প[রে কেয়ামত হবে। মাঝের 700 /800 কোটি বছর ইশ্বর কি করবে এইটা আমি বুঝে পাচ্ছি না। পৃথিবীর সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেলে ইশ্বরের আর কিছুই করার থাকবে না এই কোটি কোটি বছর কিভাবে কাটবে তার??
১০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক, আমি নিজে খুব মুর্খ মানুষ। বুঝি কম। আপনার শেষ মন্তব্যের প্রসঙ্গেই বলি, আপনি মহাবিশ্বের সংকোচনের কথা বললেন, তার সাথে কেয়ামতও বললেন। বললেন আল্লা মিয়া চেষ্টা করেও কেয়ামত আনতে পারবে না।

একটু বুঝিয়ে বলবেন কি কেয়ামতের কি ধরনের ছবি আপনি আপনার মননে?
১১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক আমি আপনার রাজনৈতিক সচেতনতার প্রশংসা করি। দুষ্ট লোক যতই ধর্ম বিক্রি করে রাজনীতি করতে স্বপ্ন দেখুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন এ ব্যাপারে। আপনার বেশি ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

মানুষকে সচেতন করা খুব ভালো কথা। কিন্তু তার অনুভূতিকে অসন্মান দেখিয়ে সেটি করতে হবে কেন?

বিচার দিনের যে ধারনা তার মধ্যে অনেক হাবিজাবি কনসেপ্ট ঢুকানো হয়েছে বিভিন্ন সসময়ে। সেগুলোতে আমি ইন্টারেস্টেড নই। লিটারেল ইন্টারপ্রেটেশন সব কিছুর জন্য প্রযোজ্য না।
১২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক, ইশ্বরের ধারনা একটা পুরা বোগাস ধারনা, প্রাচীন বস্তা পঁচা, অশিক্ষিতের গাঁজাতে দম দেওয়া কাহিনী। তারপরেও কেন যে আপনি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করেন এর পেছনে !!

আপনি কেন ইশ্বরকে বোঝার চেষ্টা করবেন? 'মাঝের 700 800 বছর ইশ্বর কি করবে' এইসব প্রশ্ন মাথায় এনে খামাখা সময় নষ্ট করছেন। আপনার মূল্যবান সময় বরং 'থিওরী অফ এভরিথিং' নিয়ে পড়তে ব্যয় করুন। সময়কে উপভোগ করুন।

আপনার এবং আরো অনেকের জন্য একটা কবিতা উৎসগর্ করেছিলাম। পড়েছিলেন কি?

লিংকটি এখানে: http://tinyurl.com/jx5su
১৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: কোরআন হাদীসের একটা কথাও অস্বীকার করি নি... কখনই করব না, ইনশাল্লাহ।
কিয়ামতের 'নিদর্শন'গুলো আসবেই... তার জন্য কোন 'কাল' নির্দিষ্ট করে দেয়া হয় নি... 12000 কোটি বছর পরেই হোক, আমার সমস্যা কি আর আপনার লাভ কি? আপনাকে আনন্দিত মনে হচ্ছে? আপনি ততদিন বেঁচে থেকে ফালতু কথা বলে কোরআন হাদীসের অবমাননা করতে পারবেন না...
১৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: টাইপোর জন্য দু:খিত। প্রশ্নটা হবে, একটু বুঝিয়ে বলবেন কি কেয়ামতের কি ধরনের ছবি আপনার মননে এঁকে নিয়েছেন?
১৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অপ বাক বলেছেন: ঠিক বলছো মেয়ে, সঠিক কিন্তু পৃথিবী না থাকলে কোথায় দজ্জাল হম্বিতম্বি করবে? বিষয়টা একেবারে যুক্তির বিষয়, আমি বিষয়টাকে এইভাবেই বিচার করতেছি, 5টা বিষয়ে বিশ্বাসের কথা বলা হইছে যেইখানে সেই বিশ্বাসগুলা সর্বকালেই প্রযোজ্য হবে কিন্তু এইটার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই, আমার প্রথম সমস্যা এইখানে যে সংকোচনের জন্য প্রয়োজনীয় ভর নাই এখনও মহাবিশ্বে, সুতরাং মহাবিশ্বের ভবিষ্যত এখনও বৈজ্ঞানিক মহলে নিশ্চিত নয়, তবে ধর্মগ্রান্থের হিসাবে প ৃথিবীর এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যত নিশ্চিত বলা আছে, এখন পর্যন্ত পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য হিসেবে মহাবিশ্ব সংকোচনের জন্য প্রয়োজনীয় ভরের 1% ও এখনও নাই মহাবিশ্বে, এই সংখ্যাটা যদি সঠিক হয় তাহলে মহাবিশ্ব অনন্ত কাল প্রসারিত হতে থাকবে, তখন আল্লা মিয়া সব কিছু দিয়া চেষ্টা করলেও কেয়ামত আনতে পারবে না। এইটাও একটা সমস্যার কথা কিন্তু।
১৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অপ বাক বলেছেন: কেয়ামতের সাধারন যেই ছবিটা সাধারন মানুষের মনে আমার মনেও একই ছবি আশা করি,
ইস্রাফিলের শিংগায় ফুঁক দেওয়া হবে, আকাশ পাতাল সব ভেঙে চুড়ে যাবে, কিংবা পৃথিবী এবং আকাশ এক হয়ে যাবে, অবশেষে আরাফাতের ময়দানে পূনরুত্থান হবে , সেখানে বিচার সভা বসবে, সবার আমল নামা সবার হাতে দেওয়া হবে, যারা ডান হাতে পাবে তারা স্বর্গবাসী যারা বাম হাতে পাবে তারা নরক বাসী,
এই পর্যায়ে তাদের পূল সিরাত পার হতে হবে, যারা পাপি তারা ঝুপঝাপ জাহান্নামে পরবে যারা পূন্যবান তারা অনায়াসে চুলের চেয়েও সূক্ষ সেই পুল সিরাত পার হয়ে যাবে বেহেশতে, আমি যতটুকু পড়েছি সব কিছুতেই এই রকম একটা বর্ননাই দেওয়া আছে কেয়ামত এবং পুনরুত্থানের।
জনাব শমসের আলীর বয়ান শুনেও মনে হয়েছে এই কল্পনা সঠিক, তিনিও কেয়ামতের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিগ ক্রাঞ্চের প্যানপ্যানানি করেছেন, যেহানে আকাশ পৃথিবি সব মিলে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া কথা।
১৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অপ বাক বলেছেন: আশ্চর্য বিষয় দেখি,তুমি কেয়ামত নিয়ে মাতলে কেনো? আমিতো তোমাকে ততদিন অপেক্ষা করতে বলি নি, তুমি যদি বলো মরার পর পরই কেয়ামত হয়ে যাবে তাহলে সেটা ভিন্ন কথা, এইখানে আমি আরও বড় মাপের কেয়ামতের কথা বলতেছিলাম যেইটা কেতাবে আছে, যেইটার আগে দজ্জাল আসবে, যেইটার াগে ইমাম মাহাদি আসবে, ইশার আগমন হবে মুসলিম হিসাবে, ঐ সময়টার কথা বলতেছিলাম, তুমি মরে গেলে তোমার কেয়ামত ঐটা নিয়ে আমার কি সমস্যা বলো? না কি তুমি বলবে হাদিসে কোরানে এই সব কথা বলা নাই? হাদইসে কোরানে পৃথিবী এবং মহাবিশ্ব ধ্বংসের বিষয়ে কোনো কথা নাই?
ইস্রাফিলের শিংগা ফুঁকার কথা নাই?
এর পর আরাফাতের ময়দানে সবাইকে খাড়া করে বিচার করার কথা নাই? পুল সেরাতের কথা নাই?
মুহাম্মদের সাফাই গাওয়ার কথা নাই?
আজ্জব, কোরান হাদিসের কোনো কথা অস্ব ীকার করলে সে কাফের হয়ে যায় এইটা জানো??
১৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অপ বাক বলেছেন: সাদিক তোমার জন্য নষ্ট করতেছি না নষ্ট করতেছি বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মাথার উপরে শকুনের থাবার মতো ধর্মভিত্তইক রাজনীতির ছায়া ঝুলতেছে, ওরা ইসলাম এবং কোরানের আইন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতেছে, আমি শুধু মাত্র সেই ক্ষেত্রে যাচাই করে দেখতেছি যে এই জিনিষটার বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নাই, তুমি কি এই বিজ্ঞানভিত্তিক তত্ত্বগুলো বিশ্বস করো এবং কেয়ামতে বিশ্বাস করো? আমার এবং আমাদের জন্য উৎসর্গকৃত কবিতা পরেছি কিন্তু মন্তব্য করতে সাধ জাগে নি,
১৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: হামারি পল খা যায়ে....
কেয়ামত আ যায়ে...
২০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অপ বাক বলেছেন: Volume 4, Book 54, Number 421:
Narrated Abu Dhar:

The Prophet asked me at sunset, "Do you know where the sun goes (at the time of sunset)?" I replied, "Allah and His Apostle know better." He said, "It goes (i.e. travels) till it prostrates Itself underneath the Throne and takes the permission to rise again, and it is permitted and then (a time will come when) it will be about to prostrate itself but its prostration will not be accepted, and it will ask permission to go on its course but it will not be permitted, but it will be ordered to return whence it has come and so it will rise in the west. And that is the interpretation of the Statement of Allah: "And the sun Runs its fixed course For a term (decreed). that is The Decree of (Allah) The Exalted in Might, The All-Knowing." (36.38)



পইড়া মজা পাইলাম, বোধ হয় মুহাম্মদও কোরান না বুইঝ্যাই পড়ছে। হা হা হা হাহা
২১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: যতুটকু পড়েছেন ভুলে যান। ওগুলো বুজরুকি!!

আকাশ পাতাল ভেঙ্গে পড়লে আরাফাত ময়দানটা কোথায় থাকবে? খোদা কি মানুষ যে তিনি সিংহাসনে বসে থাকবেন? তার কি চেয়ার লাগে যা আবার দেবদুতেরা কাধে বয়ে বেড়াবে? বাম হাত ডান হাত কি অস্থি মজ্জার তৈরী?

সব কঠিন রকমের বুজরুকি ব্রাদার। এই সব পইড়া বেজায় সময় নষ্ট করছেন। আপনার পাসের বাসার অন্ধ বিশ্বাসী (তথাকথিত) আবদুল যেমন ভুল বুঝেছেন, আপনিও একই ফাঁদে পড়ে গেছেন যে ভাই !!
২২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অপ বাক বলেছেন: ভাই এই যে একটা সমস্যায় ফেললেন এখন আপনি আপনার মতের কেয়ামত কেমন সেইটা কন, শমসের মিয়ার কেয়ামত আর আপনের কেয়ামত এক না কিন্তু, শমসের প্রতি রোজার মাসে টিভিতে এই কথাগুলাই কইতাছে ,
আচনের বাসার সামনের মসজিদের ইমামও এই কথাই কইতাছে, ওয়াজে হুজুররাও এই কথাই কইতাছে, তো এই এত গুলা মানুষ ভুল জাইন্যা কইতাছে কইতে চাও?
আমি এই বিষয়টা বুঝলাম না, আমার সংগ্রহে যেই কয়টা ধর্মগ্রন্থ ছিলো সবখানেই এই বর্ননা, এবং এই ধর্মগ্রন্থগুলা সব ভুল এইটাও কিতে চাও?
সব কিছুরই সমাধান থাকে, সব ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর আরাফাত ময়দান তৈরি করা হবে, সেখানে খোদার তখত বসবে,
তউমি এখটা সহায়ক পোষ্টে এই সব বুজরুকি সবাইরে জানাও?
২৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: মিছামিছি কোলাহল করার মুড নাই। মুড আসলে জানামুনে।

তখন অনেক সহব্লগার, ধার্মিকেরা মাইন্ড খাইতে পারে; বিশাল কোলাহল হইতে পারে।

আমার মতের আলাদা কোনো কেয়ামত নাই। শুধু এইটা বুঝি যে ইচ্ছা মতো কেয়ামতের লালনীল ছবি আঁকা বইগুলাতে সমস্যা আছে।
২৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অপ বাক বলেছেন: Volume 4, Book 54, Number 430:
Narrated 'Abdullah bin Mus'ud:

Allah's Apostle, the true and truly inspired said, "(The matter of the Creation of) a human being is put together in the womb of the mother in forty days, and then he becomes a clot of thick blood for a similar period, and then a piece of flesh for a similar period. Then Allah sends an angel who is ordered to write four things. He is ordered to write down his (i.e. the new creature's) deeds, his livelihood, his (date of) death, and whether he will be blessed or wretched (in religion). Then the soul is breathed into him. So, a man amongst you may do (good deeds till there is only a cubit between him and Paradise and then what has been written for him decides his behavior and he starts doing (evil) deeds characteristic of the people of the (Hell) Fire. And similarly a man amongst you may do (evil) deeds till there is only a cubit between him and the (Hell) Fire, and then what has been written for him decides his behavior, and he starts doing deeds characteristic of the people of Paradise."



আরও মজার হাদিস এইটা, হে বুখারি বিবিধ রতন তব ভান্ডারে
তাহলে আর আমাদের কষ্ট করার কি দরকার, আমাদের সব কিছুই তো নির্দিষ্ট হয়েই আছে, আমরা পাপি হবো না পুন্যবান হবো সবই যদি আগে থেকেই ঠিক থাকে তাহলে আর ভড়ং কেনো মিছামিছি??
২৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: এরচেয়ে বলি কি, রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেন। ভালো লাগবে। মনটাও হাবিজাবি পড়ে বিক্ষিপ্ত কম হবে। কাজেও কনসেনট্রেট করতে পারবেন ভালো ভাবে।

রেকমেন্ডেড গান:

আমারে তুমি অশেষ করেছো, এমনও লীলা তব; ফুরায়ে ফেলে আবার ভরেছো, জীবনও নব নব।

অথবা এই গানটা:

শুধা সাগরের তীরেতে বসিয়া পান করে শুধু হলাহল; তোমার কথা হেথা কেহ তো বলে না। করে শুধু মিছে কোলাহল।
২৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক আপনি যা কইছেন মহাবিশ্ব সম্পর্কে (বিজ্ঞানের আলোকে) তার সব কিছুই কোরানে আছিল, এখোনো আবিষ্কার হয় নাই। সময়মত ব্যাখ্যা আসবো। বিবর্তনবাদ সত্য হইলে দরকার হইলে হেইটার স্বপক্ষেও তথ্য পাওয়া যাইবো কোরআনে । অপেক্ষা করেন।
২৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১০:০৪
অপ বাক বলেছেন: Then the bridge will be laid across Hell." We, the companions of the Prophet said, "O Allah's Apostle! What is the bridge?'

He said, "It is a slippery (bridge) on which there are clamps and (Hooks like) a thorny seed that is wide at one side and narrow at the other and has thorns with bent ends. Such a thorny seed is found in Najd and is called As-Sa'dan. Some of the believers will cross the bridge as quickly as the wink of an eye, some others as quick as lightning, a strong wind, fast horses or she-camels. So some will be safe without any harm; some will be safe after receiving some scratches, and some will fall down into Hell (Fire). The last person will cross by being dragged (over the bridge)." The Prophet said, "You (Muslims) cannot be more pressing in claiming from me a right that has been clearly proved to be yours than the believers in interceding with Almighty for their (Muslim) brothers on that Day, when they see themselves safe.



বুখারি শরিফের হাদিস এইটা 9 নং খন্ডের 532 তম হাদিস। এইটার বিষয়ে কিছু বলবা সাদিক??
২৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক: বুখারী আপনার খুব পছন্দের গ্রন্থ এবং সেই সাথে আমার অনেক বন্ধুরও। আমি খুব একটা ইন্টারেস্টেড না ঐটার প্রতি।

আপনার তুলে দেওয়া প্রথম হাদিসটা আপনার খুব পছন্দের এটা আমি জানি। এরআগেও অনেকবার দেখেছি আপনাকে এটি দিলের দরদের সাথে কপি পেস্ট করতে। আমি বুখারী সাহেবের খুব বড় ফ্যান না। এইটা নিয়া সহ বন্ধুদের সাথে কিছু কথাও হইছিলো এক সময়ে। বিতর্কিত কথাবার্তা আর কি।

ভাগ্য আগে থেকে নিধর্ারিত থাকলে পাপ পূণ্যের দরকার কি? এই কনসেপ্ট বুঝতে যদি আপনার সমস্যা থাকে তাইলে বলতে পারেন। আলাপ করা যাবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৬০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবু ও মানুষ কাঁদে
অধিকার চায় একটি শিশুর
তবুও মানুষ বাঁচে
কার হাতে অধিকার
মানুষ না যীশুর............

অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্্বৈত্বতার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ