ছোট কাল থেকেই আমি নতুন কিছু লেখতে চাইতাম। গান শুনলে গুনগুনাতাম। এক বার কি হয়েছিল, তখন খুবই ছোট ছিলাম, বয়স কত হবে স্মরণ নেই, যাক কি হয়েছিল বলি, আমার ছোট চাচা এবং পাশের বাড়ির চাচা মিলে সাপঘুড্ডি বানিয়েছেন। ওটা দেখেতো আমি কান্না শুরু করেছি। ঘুড়িটা আসলে খুবই বড় ছিল, আমার হাতে সুঁতা দিয়ে অন্যরা অন্যমনস্ক হলে, আমাকে নিয়ে আকাশে উড়বে। আমি কান্না শুরু করেছি। উনারা পড়লেন বিপদে। আমি হলাম নেই আখড়া, যা চাই তা পাই এবং প্রথম সন্তানের প্রথম সন্তান। ঘটনা হয়তো আঁচ করতে পারছেন। আম্মা এবং দাদীর মাথা গরম। চাচারা কি করলেন, এক জন এসে আমাকে কিছুর দিয়ে ব্যস্ত করলেন এবং অন্যজন ঘুড়ি লুকিয়ে বললেন সাপঘু্ড্ড ঔ পুকুরে ডুবে সাপ হয়ে গেছে। আমি দেখতে চাইলে পুকুর দেখিয়ে বললেন, 'ওটাতে। খবরদার পাশে যাবি, তোকে গিলে ফেলবে। হেই মোটা হয়ে গেছে। আমি শান্ত হলাম। আজ পর্যন্ত আমার বিশ্বাস অটুট, ঔ ঘুড্ডি পুকেরেই আছে। যাক ঘুড়ির কথা, এখন আসল কথায় আসি। যত বয়স বাড়তে লাগল লেখার প্রতি টানটা জোরদার হতে লাগল। কি লেখতে চাই জানিনা। এমন করে বয়স ১৩ হলে লন্ডন চলে এলাম। এখানে এসে উদাস হয়ে গেলাম। কেমন বন্ধি বন্ধি লাগত নিজেকে। স্কুলে ভর্তি হলাম হৃদয়ঘটিত ব্যপারও ঘটল, মানে লেখার চুল্লিতে আগুন ধরল। ১৬ তে কাজে লেগে গেলাম। হাতে অনেক সময় কিন্তু কিছু করার নেই। খাতা একখান কিনলাম। এখানে একটা কথা বলতে হচ্ছে, স্কুলে থাকতে একখান ডায়েরী বানিয়েছিলাম এখনো আছে। যাক, প্রথম প্রেমের কবিত লেখেই খেলাম ধাক্কা, তাল সামলাতে প্রায় ছয় মাস লেগেছিল। এক বন্ধুর জন্য একটা কবিতা লেখেছিলাম, কবিতা লেখার পরই তাকে খুন করা হয়েছিল এবং আমার কবিতা বাস্তব হয়েছিল। আমিতো হতভম্ভ হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর থেকে কিছু লেখতে হলে আমার নিজেরে জীবনের সাথে মিলিয়ে লেখতাম। লেখা পাড়া মাত্র এইট পর্যন্ত, তেমন শব্দ জানিনা এবং প্রতিদিন স্কুল কামাই করতাম এবং পত্রিকাও পড়তামনা শব্দ ভান্ডার ফাকা। একবার এক বন্ধু আমার কবিতা পড়ে এত হেসেছিল যে আমি রেগেমেগে কেঁদে ফেলেছিলাম। তাকে বলেছিলাম, একমাস পর আমার কবিতা পড়িস। সে বলেছিল, একমাস কেন তোকে হাজার বছর দিলাম। তো রবিবারে ব্রিকলেইন এসে শব্দকোষ কিনলাম এবং প্রতিশব্দ ব্যবহার শুরু করালাম। ইস, পড়তে কি সুন্দর লাগে এবং শুধু আমি বুঝি অন্যরা সব শব্দ বুঝেনা। পরের সপ্তা বন্ধুর সাথে দেখা হলে বললাম নে কবিতা পড়। সে মহানায়কের মতা হাত নাচিয়ে বলল, যা যা তোর কবিতা পড়ে আমি এখন হাসতে চাইনা। আমি এখন আমার প্রিয়তমার ধ্যানেন মগ্ন। আমি বললাম, আরে বন্ধু একটা কবিতা পড় আমার কবিজীবন সার্থক হবে। তখন সে অপারগ হয়ে মানসীকে অপেক্ষা করার জন্য বলে খাতা হাতে লয়েই বিষম খেল। আমি মুখ লুকিয়ে হাসি কিছু বলিনা। বন্ধু অবাক হয়ে বলল, 'কবিতা কার, চুরি করেছিস নাকি? কবিতা পড়তে পারছিনা তো দাঁত কটকট করছে। কালিদাসের কবিতা নাকি? কালিদাসের কবিতা আমি পড়িনা।'
আমি চোখ পাকিয়ে বললাম, 'কবিতা পড় নতুবা দেব একটা মধ্যখানে।'
বন্ধু বলে পারলেতো পড়ব, আগা ডগা কিছুই খুঁজে পাচ্ছিনা। এই বিপদ কোথা থেকে সংগ্রহ করলি?'
আমারতো তখন মাথা গরম আজ এক হাত হবেই হবে। বন্ধু কান্নার ভান করে বলল, প্রথমবারে মত মাফ করে দে পরের বার জীবনেও কবিতা পড়ে হাসবনা।
গেল লেখা লেখির কথা। এখন গানের কথা বলি, আমি কখনো সুরচর্চা করিনি সময়ও পাইনি। তবে সবসময় গান শুনতাম। বললে হয়তো অবাক হবেন, নতুন গানের কেসেট আসলেই আমি প্রথম শুনতাম। আমি আবার বেইস পছন্দ করি। গাড়িতে ভালো সাউন্ডসিসটেম ছিল। আহ, কাজ শেষে রাত নিশায় গান শুনার জন্য গাড়ি চালাতাম। ইংলিস মিউজিক খুব ভালো লাগত। আমাদের গায়কদের গান ভালো লাগলেও মিউজিক আমার ভালো লাগতনা। যাক, গত বছর কি হল, একটা কবিতা আবৃত্তি করার জন্য মিউজিক সপ্টওয়ার ব্যবহার করলাম এবং কিছুটা শিখলাম এবং মাস কয়েক পর আরেকটা সপ্টওয়ার পেলাম। Virtual studio সব বাজনা আছে। শুরু করলাম গান গাওয়া কিন্তা আমিত গান গাইতে পারিনা। তবুও হাল ছাড়লামনা। এই ব্লগে আমাকে একবার জেনারেল করা হয়েছিল আমার গানের কারণে যাক, দিন যায় মাস যায় আমিত মাথা বেঁধে লেগেছি ছাড়ার নাম নেই। ওমা, এক রাত নিশায় আমার এক গানে টান দিলাম (গানটা আমার এক উপন্যাসের ওটা আঞ্চলিক ভাষায় লেখা) গানে টান দিয়ে আমিতো আহ্মক। বউ দৌড়ে এসে বলে গান কে যায়? মেয়েরা হতবাক। আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, ভূ...ভূ...ভূত হবে হয়তো।
ওরা চলে গেল। আমিতো ভয়ের গরমে কাঁপতে কাঁপতে ঘামতে শুরু করেছিলাম।। নিচে গানের ভিডিও লিংক দিলাম। MP3 নেই। শুনে জানাবেন গানটা কেমন। এর পর প্রায়শ দুয়েক গান গেয়েছি কিন্তা সিডি বার করার কথা চিন্তা করলেই পিলে চমক দেয়ে বিজলির মত
সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।" তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন