আমার প্রিয় পোস্ট
- ইস্নিপস থেকে ডাউনলোডের নয়া সিস্টেম! - রাশেদ
- সবাইর জন্য নয়। যারা স্বাস্থ্য সচেতন কেবলমাত্র তাদের জন্য! - টাকাআনাপাই
- রসমালাই বানানো খুব সোজা - বায়েজীদ
- মুভি প্রেমিকদের জন্য অনলাইনে ফ্রি মুভি দেখার ওয়েবটাইট ! - ঝাড়ুদার
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- ভুনা খিচুরী - তামিম ইরফান
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! সাথে মুভী ডাউনলোডের ইউনিভার্সাল সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলো....আপনি কোন স্কুল? কত সনের ব্যাচ? - বকলম
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সোর্স থেকে সহজেই অডিও ভিডিও ফাইল খুজে বের করার সহজ উপায় - নাজিরুল হক
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- মা, তোমাকে। - নরাধম
- শেরন শ্টোনের কাহিনি - মিসির আলি
- আপনার প্রিয় মুভির তালিকা দিন - সাঈফ শেরিফ
- হায়দার মওদুদী - আব্দুল মওদুদীর পোলা বলেন - সালিশদার
নরুর লাইগা ফিস কারি রেসিপি..
০৪ ঠা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
![]()
নরু হুনো......আমার মাছ রান্নার রেসিপি....
১। পোরথমেই কিচু পিয়াজ কাইটা তেলে বসাইয়া দিবা।
২। মাছের আশবাশ ছড়াইয়া ভালা কৈরাধুয়া লবন আর হলুদ মাখাইয়া কিচু খন(৫ মিনিট) রাইখা তেলে ভাজবা। করকরা কৈরা।
৩। ৫/৬ মিনিট পর পিয়াজ একটু নরম হৈলে রসুন কাটা অর বাটা দিবা ১ বা ২ চা চামচ (পরিমান মতো)
৪। পিয়াজগুলা আরো নরম হয়া আইলে (হালকা লাল) তাতে হলুদ, মরিচ গুরা (সমান পরিমান আন্দাজ মতো. ...এবং কতটুক খাইবা সেটা আস্তে আস্তে বুঝতারবা কৈলে কাম হৈবো না), লবন দিবা পরিমান মতো।
৫। একই সময়ে কিচু ধইনা গুড়া, জিরা গুড়া দিতারো তয়মনডাটরি না। তয় আদা দিও না কিন্তুক। আদা খালি মাংসের লাইগা।
৬। এর পর আধা গেলাস পানি দিয়া কিচুক্ষন কসাইবা। যখন তেল টা ভাইসা আসবো উপরে তখন ভাজা মাছ ছাইড়া দিবা। লগে আলু (ছোটো কৈরা কাটা ) দিতারো।
৭। একইসাথে হালকা গিরিন ধৈনা পাতা এবং ১/২ টা ছুটো টমেটো স্লাইস কৈরা দিতারো তার পর একগেলাস পানি ঠাইলা। মাঝা মাঝি আচে চুলায় বসাইয়া দাও। কতক্ষন পর পর হালকা নাড়া দিতারো। তয়
১০/১৫ মিনিটে ই শেষ হয়া যাইতারে রান্না।
৮ । মোটামুটি বেসিক এইটাই বাকিডা করতে করতে হাত পাকবো।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মে, ২০০৮ দুপুর ১:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কেমতে কি?
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
+++++ .... পইড়াই কওন যায় .. জব্বর হৈবো খাইতে । টেরাই মারুম
লেখক বলেছেন: আবার জিগস!
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
বস্, অনেক ধন্যবাদ। কিন্তুক "পরিমাণমত" টা কেমনে বুঝুম? আর "ধইন্যা গুড়া" জিড়া এসবের ইংরেজী কি?
লেখক বলেছেন: Dhoinna= coriender, jira= ভুইলা গেছি খাড়াও দেকি নেটে পাইনি।
ওয়ালমাটে যেই ফ্রোজেন তেলাপিয়ার পেকেট পাওয়াযায় সেরকম একপিসওয়ালা পেকেট ৪ টা যদি দেও তাহলে ১ টা বড়ো পিয়াজ দিবা। দের চা চামচ রসুন দিবা, ১ চা চামচ হলুড, ১ চা চামচ মরিচ গুড়া, আধা চ চামচ, জিরা আধা চা চামচ ধৈন্যা দিবা। আর লবন নিরভর করে পানি কট্টুক দেও সেটার উপর তয় লবন কম দিয়া শুরু করবা কারন কম হৈলে পরে এড করতারবা মাগার বেশি হৈলে উপায় নাই।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
cumin powder , Coriander Powder @ নারু
লেখক বলেছেন: বিমা বস!!
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
বিমা, তোমার উপর ছাকীনা নাজেল হোক!!
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ঝাঝ বেশী হইলে .. দু'চিমটি যথেষ্ঠ (জিরা ,ধইন্না)আর হলুদ এক থেকে দু চিমটি এনাফ
মরিচ তো নিজের আন্দাজ মত দিবা ।
**চিমটি = তিন আঙ্গুল (স্যালাইনের লবন এর চিমটি)
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
অরে অরে, আমার তো নাচতে ইচ্ছে হচ্ছে। এবার রান্না করব দ্রৌপদীর রান্না। আমার রান্না যদি বিশ্বসেরা না হয় তাহলে আমি নরাধম না!!
লেখক বলেছেন: আমারও
রাগ ইমন বলেছেন:
আন্নেরে কেডা কইসে আদা শুধু মাংসের লাইগা ? মাইনাচ
কোন কিছুর পরিমান ঠিক মত দেওয়া নাই । কিছু ভাইটাল সাবধানতা বলেন নাই । মিয়া ভাই , আপনে বুঝাই যাইতাছে , ভালো রান্না করেন । তাই অনেক কিছুই বলার কথা মনে নাই ।
নভিশ নারু কইলাম ধরা খাইবো । সাবধানতা গুলা দয়া কইরা লিক্ষা দেন। হের এখনো কোন আন্দাজই নাই ।
লেখক বলেছেন: রাগুদি, বড় গন্দযুক্ত মাছ হৈলে আদা দিতারে....তয় নরু সেগুলি রানবো না মনে হয়....নরু চেক করুক আগে......মজা না হৈলে আচিই তো.......
আর কি কি বাদ গেছে?
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
মিষ্টি খাবারের মধ্যে পুডিং অনেকেরই প্রিয়। অনেকেই এটা ওভেনে করেন। প্রেসারকুকারেও এটি করা যায় সহজেই। তৈরীর প্রনালী এমন....উপকরন -
১. দুধ ১ লিটার,
২. ডিম ৬টা,
৩. গুড়া দুধ ১কাপ,
৪. চিনি ২ কাপ,
৫. ভেনিলা এসেন্স ১/২ চা চামচ
৬.ক্যারামেল তৈরীর জন্য কিছু চিনি
প্রথমে ১লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ১/২লিটার করে নিতে হবে,ভালো মতো নেড়ে জ্বাল দিতে হবে যেন সর না জমে। দুধ ঠান্ডা হলে গুড়া দুধ মেশান।
অন্য পাত্রে ডিম ভেঙে নিয়ে ভেনিলা এসেন্স আর চিনি দিয়ে ভালো মতো মেশান। এই মিশ্রনটা দুধে ঢেলে অনেকক্ষন যাবত নাড়ুন যাতে সব উপকরন ভালো মতো মিশে। এই পরিমান মিশ্রন দিয়ে মাঝারি আকারের দু'টি পুডিং বানান যায়।
এবার প্রেসারকুকারের সাথে দেওয়া বাটিসেট(যাতে দু'টা বাটি, একটা ঢাকনা কিন্তু এটি নিরেট হয়না ঝাঝরির মত হয়,আর একটা কেরিয়ার) (বাটিসেট নিয়ে এত বুদ্ধি ঝাড়লাম কারন অনেক প্রেসারকুকারে এই সেটটা থাকেনা। যাদের ঐসেটটা নাই তারা ছোট সাইজের টিফিনবাটি যা আপনার প্রেসারকুকারে আটেঁ ব্যবহার করতে পারেন)
ক্যারামেল তৈরীর জন্য প্রেসারকুকারের বাটিতে চিনি ছড়িয়ে হালকা আচেঁ দিতে হবে, চিনি গলে আসতে থাকলে বাটিটার কিনারা সাবধানে ধরে ঘুরিয়ে দেন। খেয়াল রাখতে হবে যেন চিনি পুড়ে না যায় আর গলা-চিনির আস্তরটা বাটির পুরো অংশ জুড়ে থাকে। রং গাঢ় লালচে হলে আগে থেকে কাছে রাখা ঠান্ডা পানি ভর্তি প্লেটে চুলা থেকে বাটিটা নামিয়ে রাখুন, যেন দ্রুত গলা-চিনিটা জমে যায়। এই লালচে জমে যাওয়া অংশটাই ক্যারামেল।
এবার ক্যারামেল করা বাটিতে দুধ-ডিমের মিশ্রন নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন মিশ্রনটা বাটির ৩/৪ ভাগ জুড়ে থাকে এবং ১/৪ ভাগ খালি থাকে। প্রেসারকুকারের মধ্যে ঐজালি ঢাকনাটা বসিয়ে ঢাকনার সমান সমান পানি দিয়ে (যেটা অনেক অল্প পানিই হয়) পুডিং মিশ্রনের বাটিটা কেরিয়ারের সাহায্যে জালিটার উপর দিয়ে প্রেসারকুকারের ঢাকনা বন্ধ করে জ্বাল বাড়িয়ে দিন। একটা সিটি বাজলে আচঁ কমিয়ে মাঝারি আচেঁ ১০/১৫ মিনিট জ্বাল দিন।
১০/১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে একটা ছুরি পুডিং এ আস্তে ঢুকিয়ে বের করে আনুন, যদি ছুরির গায়ে মিশ্রন না লেগে থাকে তবে পুডিং হয়ে গেছে। আর লেগে থাকলে আরো কয়েক মিনিট জ্বাল দিন।
ঢাকনা খোলার পর পুডিং এর উপর পানি উঠা দেখলে ঘাবড়াবেন না। সাবধানে বাটিটা বের করে একটা প্লেট বাটির উপর রেখে প্লেট ও বাটি একসাথে ধরে উল্টে দিন আস্তে আস্তে। উল্টে দিলেই পুডিংটা নেমে আসবে। তবে উল্টে দিবার আগে ছুরি দিয়ে বাটির ভেতরের কিনারা ধরে ঘুরিয়ে নিলে বাটির গা থেকে সহজেই ছেড়ে আসবে। এবার কিচেন টিস্যু দিয়ে পুডিং এর চারপাশ আস্তেআস্তে চেপে বাড়তি পানিটা শুষে নিন। ব্যাস, পুডিং বানান শেষ ....এবার ফ্রিজে ঠান্ডা হতে দিন......তারপর.....
কৃতজ্ঞতা: Click This Link
লেখক বলেছেন: মেনি মেনি থেংকু!!
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপিকি কি লাগবোঃ
খাসির মাংস (হাড় সহ) ১ কেজি
পোলাওয়ের চাল ( দেশী কালিজিড়া ভালো, নাইলে বাসমতি ) ১ কেজি
পেঁয়াজ ২ টা (বড়)
লেবুর রস ১/৪ কাপ
আদা রসুনের পেস্ট ৬ টেবিল চামচ
লাল মরিচের গুড়া ১/২ টেবিল চামচ ( ইচ্ছা হইলে )
কাঁচা মরিচ ৬ টা
এলাচ ৪ টা
কালো এলাচ ২ টা
দারচিনি ২ টুকরা ( ১" লম্বা )
তেজপাতা ২ টা
পুদিনা পাতা ১/২ কাপ
ধনিয়া পাতা ১/২ কাপ
টক দই ১/২ কেজি
ঘি ২ টেবিল চামচ
তেল ২ কাপ
লবন ( পরিমাণ মতো )
সেফ্রন ( ২ চিমটি ১ কাপ পানিতে গুলানো )
টমাটো ১ টা , কিউব করা
খাসির মাংস ভালো করে ধুইয়া একটা গামলায় লন। টক দই, আদা রসুনের পেস্ট, লেবুর রস, সামান্য লবন, তেল দিয়া ভালো কইরা মাইখা গামলার মুখ বন কইরা ব্লগিং এ বইসা পরেন।২ ঘন্টা ব্লগিং এর পর আইসা দেখবেন মাংস মোটামুটি ম্যারিনেট হইয়া গেছে।
তয় সেরম ম্যারিনেটের জন্য সারা রাইত রাখতারেন।
এইবার চাল ধুইয়া একটা গামলায় রাখেন। একটা হাঁড়িতে ঘির গরম করেন। পেঁয়াজ কুচি দিয়া লাড়াইতে থাকেন। লাড়াইতে লাড়াইতে যখন দেখবেন পেঁয়াজ নরম হয়ে গেছে তখন এলাচ, কালো এলাচ, দারচিনি,তেজপাতা দ্যান। কিছুক্ষন লাড়ান। এই সময় লবন দিতারেন। লবন দিলে পেঁয়াজ পুড়বো না ( টিপস
এই বার চাইল ঢাইলা দেন হাঁড়িতে। চাইলের মধ্যে ১ চামচ আদা রসুন পেস্ট, সামান্য লবন দিয়া ভালো কইরা ভাজা শুরু করেন। যখন দেখবেন চাল হাঁড়ির নিচে আটকাইয়া যাইতাছে তখন গরম পানি এমন ভাবে ঢাইলা দেন যাতে পানি চাইল থেইকা ১" উপরে থাকে।
কিছুক্ষন পর যখন দেখবেন পানি কমে আসছে, চাইলের মধ্যে বুদবুদ কম তখন হাড়ি উপরের চাল তুইলা আরেকটা গামলায় রাখেন।
আধা সিদ্ধ চাইলের উপরে ম্যারিনেট করা মাংস ঢালেন। মাংসে উপরে পাশের গামলায় রাখা কিছু আধা সিদ্ধ চাল ঢালেন। এর উপরে কুচি কুচি করা পুদিনা পাতা, ধনিয়া পাতা, কাঁচা মরিচ ফালি ছিটাইয়া আবার এর উপর বাকি চাল ঢাইলা দেন। চাইলের উপর সেফ্রনের পানি ঢাইলা হাঁড়ির মুখ ভালো করে সিল কইরা দেন। হাঁড়ির ঢাকনার চার পাশে আটা দিয়া বন করবেন। এইভাবে হাঁড়িটারে ২ ঘন্টা রাইখা দেন। এই টারে দম বলে।
১ ঘন্টা পর হাঁরি হইতে কাচ্চি সার্ভিং ডিশে ঢালেন। এর উপরে টমাটো কুঁচি, পেঁয়াজ ভাজা ছিটাইয়া খাওয়া শুরু করেন।
কৃতজ্ঞতা : Click This Link
লেখক বলেছেন: মেনি মেনি থেংকু!!
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
রেসিপি: ১. http://www.somewhereinblog.net/blog/recipeblog
২. Click This Link
৩. Click This Link
৪. Click This Link
আপাতত এইগুলা শেষ হউক...
আইজকা কোন কাজ নাই
যাইগা.. খাইয়া আসি
লেখক বলেছেন: খাইচে!! আগে দেকি নাইএগুলি!! মেনি মেনি থেংকু!
রাগ ইমন বলেছেন:
যেমন , ১। পোরথমেই কিচু পিয়াজ কাইটা তেলে বসাইয়া দিবা।
তেল কতটুকু ?
২। মাছের আশবাশ ছড়াইয়া ভালা কৈরাধুয়া লবন আর হলুদ মাখাইয়া কিচু খন(৫ মিনিট) রাইখা তেলে ভাজবা। করকরা কৈরা।
----- আলাদা প্যানে , এইটা বলা লাগতো , নারু পেয়াজের ভিতরই ভাজতে লেগে যাবে । আর এইটা আগে করে রেখে দিতে হয় । তারপর আসল রান্না শুরু করতে হয় । একই প্যানে ভাজলেও , মাছ গুলা যে ভাইজান উঠায় রাখা লাগবে , এইটা কইবেন না?
এবং মাছ ভাজবে কতটুকু তেলে?
৩। ৫/৬ মিনিট পর পিয়াজ একটু নরম হৈলে রসুন কাটা অর বাটা দিবা ১ বা ২ চা চামচ (পরিমান মতো)
জ্বাল কন নাই । ৫ /৬ মিনিট কড়া জ্বালে ভাজলে , পিয়াজের ইন্নালিল্লাহ হইয়া যাইবো । তয় , বেরেস্তাও খারাপ না।
৪। পিয়াজগুলা আরো নরম হয়া আইলে (হালকা লাল) তাতে হলুদ, মরিচ গুরা (সমান পরিমান আন্দাজ মতো. ...এবং কতটুক খাইবা সেটা আস্তে আস্তে বুঝতারবা কৈলে কাম হৈবো না), লবন দিবা পরিমান মতো।
৫। একই সময়ে কিচু ধইনা গুড়া, জিরা গুড়া দিতারো তয়মেডাটরি না। তয় আদা দিও না কিন্তুক। আদা খালি মাংসের লাইগা।
৬। এর পর আধা গেলাস পানি দিয়া কিচুক্ষন কসাইবা। যখন তেল টা ভাইসা আসবো উপরে তখন ভাজা মাছ ছাইড়া দিবা। লগে আলু (ছোটো কৈরা কাটা ) দিতারো।
পানিটা গরম পানি হওয়া উচিত । ঠান্ডা পানিতে তরকারি পোতাইয়া যায় , টেস্ট কম। আর আধা গেলাস এক সাথে না , একটু একটু কইরা । মসল্লাটা তেলে কষানো লাগে । এই সময়ের পানিটা স্রেফ যাতে নিচে ধরে না যায় , হেই লাইজ্ঞা । এই সময় মসল্লাটাই রান্না হইবো ।
ধনিয়া পাতা , টমেটু এই সময় দিলে ঝোলটা স্বাদের হয় । গুড়া মরিচের চাইতে কাচা মরিচ দিলে স্বাদ আরো ভালো হয় । পছন্দ অনুযায়ী ৩ - ৪ টা দেওয়া যাইতে পারে ।
৭। একইসাথে হালকা গিরিন ধৈনা পাতা এবং ১/২ টা ছুটো টমেটো স্লাইস কৈরা দিতারো তার পর একগেলাস পানি ঠাইলা। মাঝা মাঝি আচে চুলায় বসাইয়া দাও। কতক্ষন পর পর হালকা নাড়া দিতারো। তয়
১০/১৫ মিনিটে ই শেষ হয়া যাইতারে রান্না।
--- মাছ ছাড়ার পরে নাড়া দিবেন? কন কি! মাছ তো হালুয়া হইয়া যাইবো । নাড়া নাড়ি একদম নিষেধ ।
শেষ বার পানিটা মাছ ডুবায় দেওয়াটা নিয়ম , যদি ঝোল খাওয়ার ইচ্ছা থাকে । তবে ভুনা খাইলে , এক গেলাস পানিই ঠিক আছে । আর এইবার ঢাকনা দিলে ভালো । মাঝে মাঝে খুলে চেক করা দরকার পানি কমে গেলো কিনা ।
নামানোর ২-৩ মিনিট আগে দুই তিনটা কাঁচা মরিচ , ধনিয়া পাতা দিয়ে ঢেকে দিলে ভীষন সুন্দর গন্ধ হবে। এইবারের মরিচ কিন্তু ঝালের জন্য না , গন্ধের জন্য।
৮ । মোটামুটি বেসিক এইটাই বাকিডা করতে করতে হাত পাকবো।
নামানোর পরে সামান্য জিরার গুড়া উপরে ছিটিয়ে দেওয়া যাইতে পারে ।
লেখক বলেছেন: ঠিক কৈচো রাগুদি!!
ভুল না করলে তুমি এত কষ্ট কৈরা লিকতা নাকি?
হা হা!! একন শিকলাম!!
আর আরেকটা কতা আমি ভালো রান্না পারি না। পেট চালানোর জন্য আর কি পারি। সব পারলে বউ অলটাইম রানতে কৈবো। তাই ছেলেদের ইচ্চা কৈরাই সব শিখা উচিত না। মেয়েরা সব শিখলেই হয়। কি বলো?
রাগ ইমন বলেছেন:
প্রতু , লিংক গুলান আমার ব্লগে দিয়া আসো । হ্যারির জন্য পোস্টে ।
রাগ ইমন বলেছেন:
আপনে আসলেই একখান মিন মিনা শয়তান ।
ভাই রে , মাফ করে দেন । আপনারে শিখাইতে চাই নাই , নারুরু মিয়া হাত পুড়াইয়া রান্না কইরা খাইতে পারে কি না পারে , সেই জন্য লিখলাম । আপনি ভালো রান্না না জানলে "মাছ রান্না করার সাহস " করতেন না ।
বউ রান্না করতে বলবে বলে ভালো করে রান্না করবেন না , কেমন স্বার্থপর হয়ে গেলো না ? বাচ্চা পেটে নিয়া বউটাতো একাই নয় মাস ঘুরবে , আপনি মাঝে মাঝে নিজের পেটে নিবেন?
ব্যালেন্স করা এত সোজা না ।
অবশ্য অন্য কাজ করে পুষায় দিলে , অন্য কথা । বিদেশে মিলে মিশে কাজ না করে উপায় তো থাকে না ।
আপনার এবং আপনার বউ এর ঘর সংসার সুখী , সুন্দর হোক ।
আমিন।
লেখক বলেছেন: সেইটা ইতো কৈলাম ঠেকার কাজ সারার জন্য যা দরকার ততটুকু তো জানি। আমার ধারনা মেয়েদের আল্লায় স্পেশাল কোয়ালিটি দিছে রান্নাতে। ছেলেরা চাইলেও তাগো সমান হয়তো পারবো না। দোয়া কৈরো যাতে ভালো রান্না জানা কোনো মাইয়া কপালে জুটে!
লেখক বলেছেন: কমারশিয়াল রান্না আর ঘরের মধ্যে মোহাব্বতের সাথে রান্না মনে হয় ডিফারেন্ট! ![]()
মাহবুব সুমন বলেছেন:
নতুন স্টাইলে মাছ রান্নাঃ১) তেলাপিয়া ২ টা, ভালো করে ধোয়া, মাছের দু পাশ চাকু দিয়ে স্লাইস করা কাটা
২) টমাটো ২ টা বড় , স্লাইস করা
৩) রসুন বাটা ২ চা চামচ
৪) লবন, স্বাদ মাফিক
৫) মরিচ গুড়ো , ১ চা চামচ
৬) জিড়া ১ চা চামচ
৭) হলুদ ১ চা চামচ
৮) লেবুর রস।
৯)পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ
১০) ধনিয়া পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ
১১) তেল ৪ টেবিল চামচ
১২) ফয়েল পেপার।
সামান্য তেলে মরিচ, হলুদ,জিড়া,লেবুর রস, ধনে পাতা বাটা মাখায়া পেস্ট বানান।
মাছে সব গুলা মশলা মাখায়া রাগিমনের সবচাইতে বড় পোস্ট পড়তে থাকেন। কমেন্ট সহ পড়তে ২০ মিনিট লাগতারে।
পোস্ট পড়ে রাগি মনে একটা বেকিং ট্রেতে সামান্য তেল দিয়া ঐটার মধ্যে মাছ টা রাখেন। মাছের উপর বাকি সেই সব মশলা থাকবো সেইগুলা ঢাইলা দেন। সামান্য তেল ব্রাশ দিয়ে মাছের উপর ঘষেন। এর পর মাছ ২ টা কে ফয়েল পেপার দিয়া ভালো করে মুইরা চোক বন কইরা ওভেনে ঢুকান। কতক্ষন রাখবেন সেইটা বলতারি না, ২৩০ ডিগ্রি তে ১৫/২০ মিনিট রাখলেই হয়।
মাছ রোস্ট হয়ে গেলে খাইয়া ফেলান। মাছের উপর লেবুর রস দিলে মজাই লাগে।
মাছের সাথে সাদা ওয়াইন চলে, লালটা না (যারা ড্রিংক করেন )
লেখক বলেছেন: থেনকু !! টেরাই দিমুনে!!
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
সমু ভাইজান থাকেন কৈ? দ্যাশে থাক্লে আপ্নের রান্ধন খাওনের আব্দার কর্তাম আর কি
লেখক বলেছেন: না ভাইজান, দেশথন ১১ ঘন্টা ডিফারেন্স জায়গায় থাকি!!
েজবীন বলেছেন:
আবার কি রান্না মহামারী শুরু হবে নাকি??Click This Link
লেখক বলেছেন: ![]()
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
পোস্ট প্রিয়তে হান্দাইলাম!! পরীক্ষা শেষ কইরা খালি রান্না করব আর যদি উল্টাপাল্টা হয় তাইলে কিন্তু রাগাপু আর সমালোচনাকারীভাইয়ের খবর আছে। আমার রান্নাটা আপনাদের গিলতে হবে!!
নরাধম বলেছেন:
আপ্নে কই? He goes টু goes, এমনভাবে goes, আর didn't come. সে গেল যে গেল, এমনভাবে গেল, আর ফিরে এলনা। কোন নিকে আছেন হেইডা নাহয় কইলেন এট্টু।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















মাছে বাড়ে বল
শাকে বাড়ে মল