আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের বাড়ি নিজে তৈরীর আগে করণীয়....
- নকীবুল বারী
- হার্ট এ্যাটাক: হবার আগেই ব্যবস্থা নিন। - জুহো.
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১): মঞ্জুরের হত্যাকান্ডসহ কিছু অজানা তথ্য ও আমাদের সুশীল সমাজ। প্রকাশনা উৎসব ২১ জুলাই - শওকত হোসেন মাসুম
- নিজে নিজেই পিসি সংযোজন - কমপিউটার জগৎ
- আবৃত্তি শুনছি, আপনারাও চাইলে শুনতে পারেন...... - নাজনীন১
- ল্যাসিক আই সার্জারি(lasik eye surgery)-চশমার বিকল্প। - মিতা রহমান
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- রাজাকারে ঠেকান দিতে - মেহেরুল হাসান সুজন
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস্ - মানচুমাহারা
- কবর - সুমি
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- জামাত-শিবির প্রতিহত করতে আসুন এইসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বয়কট করি-১ - আমি সাগর
একটি কবিতা ও একটি দেশের জন্ম।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২১
আহমেদ তাকদীর: স্বাধীনতার কাঙাল ছিলেন গিন্সবার্গ। ছুটে বেড়িয়েছেন বিশ্বের অসংখ্য দেশে। ঝোলায় এলএসডির রঙিন মাদকতা নিয়ে সন্ত সেজেছেন। তার চোখে অবাধ স্বাধীনতা। আভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ছিলো প্রতিনিয়ত। বিক্ষত হয়েছেন বাংলাদেশের জন্মš§দেখে। গুমড়ে উঠেছে তার অন্তস্বর আমিত্ব। তিব্বতের সরু রাস্তায় হেঁটে হেঁটে চলে আসলেন বঙ্গভূমে। কবিতা আর মানুষের খোঁজে চষে বেড়াচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ। সঙ্গী সাথী সাহিত্য সংঘ কৃত্তিবাসের চ্যালারা। বাঙালী তখন গৃহহারা। জন্মের কষ্টে আড়ষ্ট বাঙালির দুখে আঁতকে উঠেছিলেন সেদিনের গিন্সবার্গ। তুচ্ছ জ্ঞান করেছিলেন হাঁটার কষ্টকে। যশোরের প্রান্তে সরু পিচের রাস্তায় সারি সারি হাড্ডিসার মানুষ দেখে গিন্সবার্গ নিজের অজান্তেই অশ্রুসজল হলেন লিখলেন একটি কবিতার চার লাইন
Millions of babies watching the skies
Bellies swollen, with big round eyes
On Jessore Road-long bamboo huts
No place to shit but sand channel ruts
আদ্যপান্ত উল্টোপাল্টা গিন্সবার্গ লিখলেন দুর্দশার বিশ্বস্ত শোকগীতি। বিশ্ব টের পেলো বাঙালির দুর্দশা। ত্যাগ আর বেদনা। যশোর সীমান্তে তখন তিনি বেআইনি পরিদর্শক। অবশ্য আইনের প্রসঙ্গ অমূলক। মাতৃভূমি ছেড়ে জীবনের মায়ায় বাঙালি তখন পরজীবী। সেই সব মানুষের জন্য লিখলেন গিন্সবার্গ তার কবিতার দ্বিতীয় স্তবক
Millions of fathers in rain
Millions of mothers in pain
Millions of brothers in woe
Millions of sisters nowhere to go
সত্যিই তখন বাঙালির যাওয়ার কোন জায়গা নেই। মৃত্যুই শুধু নিশ্চিত ঠিকানা। ব্যক্তিগতভাবে গিন্সবার্গের উপলব্ধি বাঙালি তখন বেদনাকাতর দুর্ভাগা ও রিফিউজি। শিশুদের মুখগুলো তাকে বেশি ভাবিয়ে তোলে। অনেক ক্ষেত্রে কেঁদেও ফেলেন। সঙ্গী সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সেদিনের স্মৃতি চারণেও এ কথাগুলো স্বীকার করেছেন। কবিতা লিখতেন গিন্সবার্গ। ভুল হলো, কবিতা নয় স্বাধীনতাকে ধরে নিয়ে আসতেন অক্ষরের ভেতরে। সব কিছু সম্ভব তার কাছে। তাই বাংলাদেশের জন্মলগ্নে গিন্সবার্গ বিশ্বকে শুনিয়েছিলেন একটি শিশু জন্মের কথা। জন্ম বেদনায় আড়ষ্ট দেশের মানুষের কথা। আত্তত্যাগে বলিয়ান মানুষের কথা। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতাদের মরে যাওয়ার আর বেঁচে থাকার কথা। বিখ্যাত সেই কবিতার একস্থানে তিনি কাতর কণ্ঠে বলেন-
How many souls walk through Maya in pain
How many babes in illusory pain?
How many families hollow eyed lost?
How many grandmothers turning to ghost?
বাংলাদেশ বান্ধব বিখ্যাত এ মার্কিন কবি শুধু কবিতা লিখেই থামেননি। নিজ কণ্ঠে কবিতার রেকর্ড বের করেছেন। বিক্রি করেছেন বাঙালির স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করার জন্য। গিন্সবার্গকে নিয়ে একটা কথা বলা হয়, আদমের পর গিন্সবার্গই পোশাক নিয়ে সবচে অকপট। নিজেকে উজাড় করতে, উদার করতে, নাঙ্গা করতে দ্বিধা ছিলো না বিন্দুমাত্র। সত্যিই তিনি বাঙালির সেদিনের অদম্য ইচ্ছা ধরতে পেরেছিলেন। জন্মের তাণ্ডবলীলাকে সৃষ্টির বেদনা হিসেবে ভেবে ছিলেন তিনি।
Finish the war in your breast with a sigh
Come tast the tears in your own Human eye
Pity us millions of phantoms you see
Starved in Samsara on planet TV
যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেই তিনি জন্ম দিয়েছেন প্রতিবাদী ও স্বাধীন সব পঙক্তিমালা। বাংলাদেশবান্ধব এ কবি বিশ্বকে যে শিশুর আগমনী শুনিয়েছিলেন। যে শিশু আজ ৩৫ বছরের যুবা। তবে জাতি আজও মাঠে ঘাটে ময়দানে, উত্তাল জনসভায়, মিছিলে মিছিলে স্বাধীনতা খুঁজে বেড়াচ্ছে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
স্যালুট
কোবরা বলেছেন:
সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড এর বাংলাটা সত্যিই অসাধারণ।@অচেনা বাঙালি
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
৫
রহমান মাসুদ বলেছেন:
স্যালুট কবিকে। তার প্রতি আপনার আগ্রেহর কারণে আপনাকে ৫।
কোবরা বলেছেন:
ধন্যবাদ প্রশ্নোত্তর,অচেনা বাঙালি,অমি রহমান পিয়াল এবং রহমান মাসুদ ।
রাশেদ বলেছেন:
ভালো লাগলো।
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
৫
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















