প্রতিদিন সকাল হলেই পাশের মসজিদ থেকে আজানের সুর ভেসে আসে। ধর্মপ্রান আব্দুস সাত্তার কায় ক্লেশে নামাজ পড়ে আর স্থির থাকতে পারেন না। ছুটে চলেন মনের টানে । হাতে লাল সবুজের চিরল পতাকা। চিরল মনের বিরল সুখ তার সকল কষ্টকে ভুলিয়ে দেয় যেন ওটুকু সময়ের জন্য। সকালের শিশির ভেজা বাশের খুটিটাকে স্পর্শ করেন। পরম মমতায় মাথায় বেধে দেন পতাকা নামক এক বিজয় চিন্হ। লাল সবুজের বর্ণালী ঢেউ রাঙ্গিয়ে তোলে তার মনের আকাশ।
না , কেউ তাকে এ দ্বায়িত্ব দেয়নি। কেউ তাকে বলেনি বৃদ্ধ বয়সে বয়ে বেড়াতে এ গুরুভার । তবুও তিনি ১২ বছর ধরে করে চলেছেন পতাকা উড়ানোর কাজ। গল্লামারী স্মৃতি সৌধের পতাকার ভার বহন করে চলেছেন। হয়তো কোন এক বৃষ্টির দিনে, হয়তো ঝরের তান্ডবে ক্ষয়ে কোন সকালে অথবা ভুলোমনা কোন একজন একদিন ভুলে যাবার কারনে উড়েনি পতাকা, আর আব্দুস সাত্তার তো তা দেখে বসে থাকতে পারেন না। নিজেই পতাকা এনে লাগিয়ে দিয়েছেন। সেই যে একবার দ্বায়িত্ব নিয়েছেন আর ছাড়েন নি। যদি কেউ ভুলে যায়, যদি কেউ দ্বায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়! আব্দুস সাত্তার কারো াবহেলায় জাতীয় পতাকার অসন্মান সইবেন কেন।
আজো
প্রতিদিন সকাল হয়, আবার বিকেল গড়িয়ে সূর্য হারায় পাঁটে। আব্দুস সাত্তার পদচিনহ একে যান গল্লামারীর এই বাটে।
পুনশ্চ: আব্দুস সাত্তারের ডিজিটাল ফরমেটের ছবি সংগ্রহ করতে পারিনি তাই দেয়া গেলনা।
কাহিনীর তথ্যসূত্র: দৈনিক পূর্বাঞ্চল, ১৬ ডিসেম্বর, ২০০৭ সংখ্যা
ছবি: দৈনিক আমার দেশ থেকে সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



