কি আর হবে সুশীল হয়ে। লজ্জায় অপমানে ব্যর্থতায় সুশীলরা আজ গর্তে। হয়তো কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা একটাই "ধরণী দ্বিধা হও।"
সুশীলরা আমাদের অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ছেড়া খাতায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন। আওয়াজে হাওয়া গরম করেছেন আর তাওয়া গরম করতে দিয়েছেন অদ্ভুত প্যাঁচালে।
ময়দান এখন ফকফকা। কোথাও কেউ নেই। কিভাবে মুখ দেখাবেন ? এখন সবাই জানে দুনীর্তিবাজ রাজনীতিবিদরা চালের দাম বাড়ায় আস্তে আস্তে কারন তাদের ভোটের দরকার আছে। কিন্তু সুশীলরা বাড়ায় ঘোড়ার গতিতে। রাজনীতিকদের জবাবদিহি করতে হয় সুশীলের কাছে, সুশীলের তো কোন জবাবদিহি নেই। তারা কার কাছে জবাবদিহি করবে ? জনগনের কাছে ? জনগন তো মানুষই না। পুওর হাঙ্গরী পিপল ।
কদিন আগেও অর্থনীতি নিয়ে শুনতাম বিশাল বিশাল লেকচার। মনে হতো তারা সুযোগ পেলে দুদিনেই সব সমাধান। তত্বের পর তত্ব লেখার কাগজ সাপ্লাই দিতে দিতে নিউজপ্রিন্ট মিল উজার। রাউন্ড টেবিল স্কয়ার টেবিল বাদ নেই কোনটাই। কেবল চেয়ার উল্টে পড়ে গেছেন কেউ কেউ।
বড় গলার লোকগুলো এখন কোথায়। দুজনকে এখনো জ্বলজ্যান্ত দেখতে পাচ্ছি। কেউ ন্যাশনাল কেউ বা ইন্টারন্যাশনাল। শুধু পাইনা গলা। তারা এতদিনে বুঝতে পেরেছেন তত্ব আর বাস্তবে কত ফারাক। আমরা বুঝেছি অনেক আগেই।
ভাবার কোন কারন নেই আমি আগের দিনে ফিরে যেতে চাই। আমিও পরিবর্তন চাই। তবে শিকড় উল্টে আমুল পরিবর্তন চাই না। চাই কেবল সুষম ধারাবাহিক বিবর্তন। চাই পরিবর্তনের সংস্কৃতি। সুশীলের বদলে চাই সাধারন কর্মী।
আমার চাওয়ায় কোন খাঁদ নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


