আমার প্রিয় পোস্ট

চোখ মেলে দেখি জানালায় ভোরের পাখি

আমার আলস্য অবসর আর ডিআইজির সাত শিশু।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

ক্যালেন্ডারের পাতায় আজকের তারিখটা যথারীতি জ্বলজ্বল করছে অন্য দিনের মতই। ২৬ আগস্ট। এক এক করে দিন চলে যায়, মাস ফুরিয়ে যায়; আস্তে করে হারায় তরঙ্গায়িত সময়ের রেশ। যদিও এখনও চলার পথে কোন পরিবর্তনের ছাপ পাইনা, শুভ্র কাঁশের ছোয়া হিল্লোলিত করতে পারেনি নিরন্ন প্রহর, তবুও নিস্প্রাণ বর্ষপঞ্জিকা নিরবে জানিয়ে দিচ্ছে এখন শরৎ চলছে। অথচ কতদিন ধরে আমি ওর অপেক্ষায় আছি।

গভীর নীলে হালকা সাদা মেঘে
শরৎ আঁকো তুমি
সিক্ত বুকে অঝোর হাসি ঢেলে
সাজাও জলাভুমি।


অনাহুত ব্যস্ততায় বোধ করি আমাদের প্রানের মেলায় নেমে এসেছে সুনসান নিরবতা। শরৎ আসেনি ভেবে বুঝি অবচেতন মন কোন সাড়া দেয়না। কতদিন ধরে ভাবছি কিছু একটা লিখব। লিখতে হবে। লিখার জন্য বসি আর সবার লেখা পড়তে পড়তে সময় চলে যায়। শূন্য পড়ে থাকে নিজের খাতা। শরৎ আসেনি ভেবে কী বোর্ডে কোন ঢেউ ওঠেনা। এ নিরবতা ভাঙতেই হবে। তাই..

ফজরান্তে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠি। কিছু একটা লেখার জন্য সকল ইচ্ছ কে একত্রিত করি। হোক যাচ্ছেতাই তবু কিছু একটা হোক। আচ্ছা তার আগে এককাপ চা খেলে কেমন হয়।

যদিও চায়ের অব্যাস নেই। তথাপি এখন একচাপ চা খাওয়া যেতেই পারে। যদি তাতে খুলে যায় মস্তিস্কের দ্বার। যদি এই ফাকে একবার ভাবের জগতে ঘুরে আসা যায়। সুতরাং এককাপ চা হয়ে যাক, সাথে কিছু টা হয়ে যাক। এবং সেই সাথে চলতে থাকুক সেদিনের গল্প যেদিন আমি এককাপ চা পান করেছিলাম।
......................................:)
সেদিন হঠাৎই ঝুপ করে একটু বৃস্টি নেমেছিলো। কতক্ষন থাকল?..বোধহয় পনের মিনিট। তিনটা পিচ্চি মেয়ে এসে বৃস্টিতে ভিজতে লাগল। হায় হায় জ্বর আসবে তো..!

আমি বুঝলেও ওরা বুঝতে চায়না। ওদের অত বোঝার দরকারও নেই। ওদের আম্মুরা এখন কাছে নেই সুতরাং এই তো সুযোগ......স্কুল ব্যাগটা এক কোনায় দাড়ানো রিকশার মধ্যে রেখে ওরা সৃস্টি সুখের উল্লাসে নাচানাচি করছে। জামা, জুতো, চুলের ফিতা, মোজায় কারুকাজ করা লার ফুল, হাতের মুঠোয় থাকা মুখ মোছার রুমাল সব ভিজে যাচ্ছে। এর মধ্যে আরেকটা এসে যোগ দিয়েছে। বৃস্টিটা জোরসে নামলে হয়তো পিচ্চি পাচ্চাদের মিছিল হয়ে যেতো। বৃস্টিতে ভেজা..এ এক সংক্রামক ব্যাধির মতো। কাউকে ভিজতে দেখলেই মনের মধ্যে উসখুশ করে..

নামব নাকি
না থাক
আচ্ছা নামি
না জ্বর আসবে
আম্মু বকবে
আচ্ছা বকুক না হয়
আম্মু তো দেখবেই না, যেতে যেতে শুকিয়ে যাবে।
যদি না শুকায়
ধ্যাৎ, একটু নামি, কিছু হবেনা।
না থাক
আচ্ছা হাতটা ভিজাই
পায়ে একটু দেই না কেন
ইশ, জুতাই তো ভিজে গেল
আরে ধ্যাৎ মাথায় দেখি কয়েক ফোটা পানি পড়েছে।
যাহ, নেমে যাই...

শেষ পর্যন্ত নেমেই যাই...

হারে রেরে রেরে আমায় ছেড়ে দেরে দে রে ....

এভাবেই হয়তো ওরা নেমে গেল। আমি চেয়ে চেয়ে দেখলাম।

পনের মিনিট মাত্র...বৃস্টি হলো সারা। ভেজা বাতাসের ছোয়ায় শরীরটা আদ্র। আজ যদি সারাদিন বৃস্টি হতো!! যদি সারাদিন পিচ্চিগুলো নেচে গেয়ে বেড়াত জলপরীদের সাথে!! বেশ মজা হতো

লোকজন আবার রাস্তায় নামা শূরু করেছে। পনের মিনিটের স্থবিরতা শেষে আবার চঞ্চল ঢাকার ফুটপাত। দোকানের চায়ের কেটলিতে পানি ফুটছে। হ্যা, চা খাবার একটা মোক্ষন সময়।

চা খাবার ছলে মনোযোগটা একটু সরে যায়। আবার যখন দৃস্টি ফেরাই... ওরে বাবা কতগুলো জমেছে।

এক, দুই, তিন ... সাত পর্যন্ত এসেই আমি অফ হয়ে যাই।

........................................../:)
ডিআইজির স্ত্রী কি সাতটি সন্তানের জন্ম দিয়ে কোন অপরাধ করে ফেলেছিলো। একসাথে সাত সন্তানের জন্ম দেয়া নতুন ঘটনা নয়। এইতো সেদিনও পত্রিকায় দেখলাম উন্নত বিশ্বেরই কোন এক মা সাতটি সন্তানের গর্বিত মা হয়েছিলেন। এমনকি বাংলাদেশেও এক মা ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন দেখলাম এইতো সেদিন। কথাগুলো অত্তন্ত সহানুভুতির সাথে ভাবতাম কিছু দিন আগ পর্যন্তও। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। আসলে এই এখনও আমি পৃথিবীটাকে যতটা সরলভাবে দেখি পৃথিবী আসলে মোটেই ততটা সরল নয়। ভদ্রতা আর সামাজিকতার মুখোশের আড়ালে পদে পদে হা করে আছে স্বার্থবাদিতা, অসভ্যতা আর ভয়ানক অপরাধের হাতছানি। কেবল আমিই রয়ে গেছি সহজ সরল একদম পল্লী গায়ের সেই গেদু চাচার মত। ডিআইজির স্ত্রীর আবেগঘন কথা তাই আমাকে সহজেই বিভ্রান্ত করে দিয়েছিলো। জানিনা আর কাউকে করেছিলো কিনা।

এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। সাত শিশুর পিতৃত্ব কি মাতৃত্ব এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কেন এই সাতশিশুকে একত্রিত করা হয়েছিলো, কিভাবে একত্রিত করা হয়েছিলো.. জবাব এখনও পর্দার আড়ালে। ওদের কি সত্য সত্যই প্রতিপালনের জন্য আনা হয়েছিলো! যদি তাই হয় তাহলে কেন এত লুকোচুরি, নিয়ম অনুযায়ী পালনের দ্বায়িত্ব নিলে সাত কেন সত্তর শিশু নিলেও আপত্তি থাকার কথা নয়। শিশুদের কি চুরি করে আনা হয়েছিলো !! যদি তাই হতো তাহলে এতদিনে বাংলাদেশের কোন এক প্রান্ত থেকে কেউ একজনও কি ওদের অভিভাবকত্ব দাবি করত না!! নিদেন পক্ষে একটু খোজখবর! ওদের কি পাচার কিংবা ... অন্য কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে ,,, নাহ, না জেনে একজন সম্পর্কে এতটা খারাপ ধারণা পোষনের কোন যুক্তি আমার কাছে নেই। আমি বোধহয় এখনও সেই সরলই রয়ে গেছি।

চায়ের কাপ শূন্য হয়ে গেছে সে অনেকক্ষণ। মিলিয়ে গেছে ইষদোষ্ণ তরলের সর্বশেষ গন্ধটুকু। মরমী শিল্পি আব্দুল আলীম একমনে গেয়ে চলছেন কে যাও ভাটির দেশের নাইয়ারে ভাই জারি গান গাইয়া। ফুলদানীর যত্নহীন ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে ওদের বড় সৌভাগ্যবান মনে হয়। কৃত্রিম হলেও ওদের একটা অলস অভিভাবক আছে। অথচ সাতটি মানব শিশুর অভিভাবক কে তাই জানেনা অভাগা পৃথিবী।

শুনেছি আইনের হেফাজতে শিশুগুলি মোটেই স্বাচ্ছন্দে নেই। ওদেরকে কি ডিআইজির দ্বায়িত্বে দিয়ে দেয়া যায়না!! সাত শিশুর প্রতিপালনের মত আর্থিক সামর্থ তার আছে। যদি সত্যিই ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের থেকে থাকে তাহলে ওটাই শিশুদের সবচেয়ে নিরাপদ, নিঝঞ্জাট আশ্রয়স্থল। আর আদতে কোন দুরভিসন্ধি থেকে থাকে তাহলেও এখন নিরাপদ ধরা যায়।কারণ মিডিয়ার চোখ এখন ওদিকে চলে গেছে, নিয়মিত ফলোআপে থাকবে নিশ্চয়ই।

আমার এই ভাবনাটা কতটুকু পরিপক্ক সেটা যাচাইয়ের কোন সুযোগ নেই। চায়ের কাপ কিংবা আয়েশী শরৎ বড়জোড় ভাবনার খোরাক জোগাতে পারে। একটা সমাধানের জন্য আমরা তাকিয়ে আছি আইন, আদালত, সমাজ, রাস্ট্র.. এবং আরো নানাবিধ মানদন্ডের দিকে।

অলস সময় তর তরে বরে বয়ে চলে। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়, রোদের আঁচে খুলতে থাকে পৃথিবীর পর্ণপুট। শরৎ নীলের সীমানায় পেজা তুলোর মেঘ আমাকে বিশেষিত করতে থাকে।

আমি পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য ফুলে ফুলে দুলে ওঠা ঝঞ্জাটমুক্ত কাশবনের প্রত্যাশা করি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অলস শরৎশিশুদের পৃথিবী ;

 

  • ২১ টি মন্তব্য
  • ২০৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২২
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আমি পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য ফুলে ফুলে দুলে ওঠা ঝঞ্জাটমুক্ত কাশবনের প্রত্যাশা করি।..................ভাল লাগল
প্লাস
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেকদিন পরে দেখলাম।

কানাডায় কি এখনো বরফ পড়ে নাকি!!

২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: ইলা বলেছেন: বেশ পাকা হাতের লেখা মনে হচ্ছে। পেশগত লেখক নিশ্চয়ই। যা উগ্গা কঁাচা আর পাকা নিয়ে কথা নয়, কথা হচ্ছে সাবেক ডিআইজির সাত সন্তান নিয়ে। সরকারী কর্মকর্তা কর্ম চারী দের নিয়ে অভিযোগের শেষ নাই। যেমন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, কর্তব্যে অবহেলা অনেক অনেক ধরনের অভিজোগ। আবার কারো কারো আলূর দোষ, পরকীয়া, স্বনামে-বেনামে সম্পত্তি অর্জন, একাধীন স্বামী/স্ত্রী রাখারও রসালো অভিজোগও আছে। আর পুলিশ বিভাগের অভিযোগের ফিরিস্ত শেষ করা যাবে না। চুরি চোট্টামী থেকে শুরু করে হেন অপকর্ম নাই যে পুলিশ করে না। পুলিশ কি না পারে, ভাল করতে চাইলে যেমন অকৃতিম দক্ষতা দেখাতে পারে, তেমনি উদ্দেশ্য খারাপ থাকলে মোফাজ্জেল হয়ে ডাকাতি করতে পারে, স্টেডিয়ামে সাংবাদিককে থাপ্পড় মারতে পারে, ফারুকী হয়ে বিদেশীনির মোবাইল চুরি করতে পারে, জজ মিয়াকে ২১ আগস্টের গ্রেনেড থামলায় আসামী বানিয়ে দিতে পারে, রুবেদের পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারে। কিন্তু নিজের সন্তান নয়-অথচ নিজের বলে দাবী করা তা-ও আবার একটা দু`টো নয়-এক সাথে সাত সাতটা সন্তানের জনক হওয়ার অভিযোগ এর আগে শুনা যায় নি। এটা যদি উদ্ধর্তন কোন কর্মকর্তা না হয়ে অন্য কারো বিরুদ্ধে হত তাহলে পুলিশই তার চামড়া খুলে ফেলত, বাঙ্গালকে আর হাই কোর্ট দেখাতে হতোনা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: নাহ, পেশাগত নই তবে নেশাগত লেখক হবার চেস্টায় আছি।


আপনার কথাগুলো শতভাগ সত্য।

৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: যাক অবশেষে লেখা হল কিছু ১টা,ভাল লেখাই হল।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: হ্যা কিছু একটা লেখা হল সেটাই আসল কথা।

অকুন্ঠ সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা।

৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনার লেখার এমনই যাদু যে লেখার সাথে একমত পোষণ করতে ইচ্ছা করতেছে... :)

ডিআইজির কাছেই ৭ শিশুকে লালন পালনের ভার তুলে দেয়া হোক সেইসাথে এদের সত্যিকার পরিচয় খুজে বের করার চেষ্টা করা হোক ৭ শিশুকে কোনরকম বিরক্ত না করে...
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম, লেখকদের তাহলে জাদুবিদ্যা শেখার দরকার আছে। সবাই নিমেষে একমত হয়ে যাবে।

আমার ভাবনার একজন সমর্থক পাওয়া গেলো।

৫. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনার পোস্ট।

আমিও পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য ফুলে ফুলে দুলে ওঠা ঝঞ্জাটমুক্ত কাশবনের প্রত্যাশা করি।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ভাল থাকবেন।

৬. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
comment by: বোকামাষ্টার বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা।

"শিশুদের কি চুরি করে আনা হয়েছিলো !! যদি তাই হতো তাহলে এতদিনে বাংলাদেশের কোন এক প্রান্ত থেকে কেউ একজনও কি ওদের অভিভাবকত্ব দাবি করত না!!"

কিন্তু আপনার বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না, স্যরি। বাংলাদেশের অধিকাংশ গ্রামবাসীই অশিক্ষিত এবং দরিদ্র। হয়তো বা কোন কোন বাবামা হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের খোজ করেছিলেন প্রথম প্রথম, এরপর জীবনের তাগিদে, জীবিকার তাগিদে হারিয়ে যাওয়া সন্তানটির স্মৃতি বুকের ভেতর চাপা দিয়ে রেখে আবার জীবনযুদ্ধে নেমে গেছেন। অজ্ঞতার জন্য হয়তোবা এ খবর পাননি। আমি বলছিনা যে ডিআইজি সাহেব সাতটি শিশুকেই পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছিলেন, তবে এটা বেশ ভালো রকমের সম্ভাবনা, তাই না?
আর কোর্ট যেহেতু মানবাধিকার সংগঠনের হেফাজতে শিশুগুলোকে দিয়েছে, তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সেটা দেখাও কোর্টর দায়িত্বের মাঝেই পড়ে। যাহোক, সরকারের উচিত শিশুগুলোকে তাদের প্রকৃত বাবামার কাছে পেৌছে দেয়া আর সে পর্যন্ত যেন তারা ভালো থাকে তা এনশিউর করা।
পাশাপাশি আমার মনে হয় সমাজের সচ্ছল লোকদের এব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত।
ধন্যবাদ আপনাকে।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।


চুরি হবার ব্যাপারে আমার মনে হচ্ছিলো যে বেশ কিছুদিন ধরে সকল জাতীয় পত্রপত্রিকায় যেভাবে বিষয়টা নিয়ে সংবাদ এবং বিভিন্ন পর্যালোচনা হয়েছে তাতে কোন না কোনভাবে কারো একজনের কানে যাবার কথা ছিলো। একটা শিশু হারিয়ে গেলে বা চুরি গেলে আশে পাশে সর্বত্রই আলোড়ন তৈরী হয়ে থাকে।

তবে হ্যা আপনি যেটা বলেছেন সেটা হওয়াও সম্ভব। এবং সেটা যদি সত্য হয় তাহলে শিশুগুলোর দুর্ভাগ্য।

আবারও ধন্যবাদ।

৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পড়লাম। শিশু রহস্য উদঘাটন জরুরী।
৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: অনেক দিন পরে অনলাইনে দেখছি। ভাল লাগল। প্যাচালীতে দেখি না অনেক দিন। খুব মিস করি।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি লগ ইন খেয়াল করিনি। আপনাকেও দেখলাম অনেকদিন পরে। ভাল থাকবেন। পেচালীতে যাবো দেখি।

৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
comment by: চাঁদের বুড়ি বলেছেন: +, :)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ++

১০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৫
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
একমত/দ্বিমত কিছুই হলামনা। লেখাটার দুই অংশের মিল খাওয়ানোটা বেশ লেগেছে। ... আপনার আগের লেখায় মন্তব্য নিলেন না কেনো? ঐ লেখার প্রথম অংশটা এত দারুন হয়েছে!
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


আগের পোস্টটা স্রেফ ব্যাকআপ । তবু আপনার অভিমত জানা হয়ে গেলো।

১১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
পড়ার সময় পাচ্ছি না, পরে এসে পড়ব।
ঈদ মোবারক।:)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।



.এখন কি আর ঈদ মোবারক দেয়া যাবে !

 



 


চোখ মেলেছি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১২১৯১