somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটা ডায়েরী, যার তাল মাত্রা নেই পড়তে পড়তে ঝিমুনী আসতে পারে। তাই আগেই চা বিস্কুট সামনে দিয়ে রাখলাম।

এক.
ছলাৎ করে একপাক কাদা এসে আমার প্যান্টের গায়ে লেপ্টে রইল। আমি তাকিয়ে রইলাম। কি করার আছে এ মুহুর্তে। প্রচন্ড ক্রোধে ফেটে পড়তে পারি, চিৎকার গালাগালি দিয়ে একটা ভীষন রকমের শোরগোল তুরতে পারি। কিংবা দুঃখে কাতর হয়ে এখানেই ভেঙে পড়তে। আর কিছুই না করতে পারলে ভাল মানুষের মত কিছুই হইনি বিবেচনা করে যথারীতি হেটে যেতে পারি। বেশি আগ্রহ থাকলে হয়তো একবার দেখতে পারি কাছাকাছি কোথাও পানি পাওয়া যায় কিনা।

সত্যি কথা বলতে এর বাইরে আমার কিছুই করার নেই। চার চাকার সৌখিন গতিযন্ত্র, বাসের হেলপার যাকে আদর করে ডাকে প্লাস্টিক বলে, সে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে অনেকদুর।........<img src=(" style="border:0;" />

দুই.
প্রায় প্রতিদিনই এ পথে আসি আর যাই। প্রতিদিন বলা ভুল, বরং যতদিন একানে থাকি ততদিনই। সকালে, দুপুরে, বিকেলে, কিংবা সন্ধায়। সেদিন কে একজন বলল হঠাৎ করে নাকি মানুষ বেড়ে গেছে। আমি সাথে সাথে সায় দিলাম। এ পথে কখনো এত মানুষ দেখিনি। ঈদের পরে যেন মানুষ বেড়ে গেল দেড়গুন। আসলেই কি তাই! কে জানে! হয়তো এটা ঢাকা শহরের জন্য ঈদ বোনাস।........<img src=" style="border:0;" />

তিন.
ভদ্রলোকের সাথে দেখা হয়ে ভালই হলো। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। এখন আছেন একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট টিচার। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনছিলাম। আমার আবার নাটক লেখার খুব শখ, আর উনি বলছিলেন কিবাবে নাটক লিখতে হয়। শিখলাম অনেক কিছু। ভাবছি এই যে শিখলাম সেটা আবার নাটক হয়ে না যায়!! .........<img src=" style="border:0;" />

চার.
ড্রয়ারের চাবি হারিয়ে ফেললাম। কি বিপদের কথা, খানিকটা বিব্রতও। কালই কেবল ড্রয়ারের ব্যবহার শুরু হয়েছে। একানে খুজি, ওখানে খুজি। টেবিলের তলা, অন্য ড্রয়ার, সেলফের মাথায়, কলমদানীর মধ্যে, বালিশের নিচে, সবগুলো পকেটে... এবং সবার অলক্ষে ডাস্টবক্সেও। নাহ, কোথাও নেই।

পেয়েছি শেষ পর্যন্ত। কে একজন অতিউৎসাহী টেবিল গুছাতে এসেছিলেন। দিলাম একটা কড়া ধমক। (প্রকাশ্যে নয়, মনে মনে।)...........<img src=" style="border:0;" />


পাচ.
লেখক হবার বড় সাধ কিন্তু কি লিখব তাই খুজে পাইনা।যা যা মনে ছিলো সব লেখা শেষ। এখন ইস্যু সংকটে ভুগছি। ব্লগ এসে আরো জ্বালা। আগে যাহোক কিছু একটা খসড়া লিখে, তারপর ফাইনাল করে কোথাও পাঠানো উপলক্ষে বেশ কিছুদিন ব্যয় হয়ে যেতো। পাঠানোর পরে অপেক্ষায় থাকতাম ছাপা হয় কিনা। সেই অপেক্ষা করতে করতে কেটে যেত আরো দু মাস। দুমাস পরে যখন ছাপা হতো না তখন সম্পাদকের যোগ্যতার পর্যালোচনা করতে ব্যয় হতো আরো একমাস। তিনমাস পরে যখন নতুন লেখা লিখতে বসতাম ততদিনে নতুন বিষয় একটা জমা হয়ে যেতো।

এখন সব দুই মিনিটের ব্যাপার। তাই বাকী সময় এখন বেকার...কেবলই বেকার।...........<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28855008 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28855008 2008-10-15 14:42:33
আমার আলস্য অবসর আর ডিআইজির সাত শিশু।
গভীর নীলে হালকা সাদা মেঘে
শরৎ আঁকো তুমি
সিক্ত বুকে অঝোর হাসি ঢেলে
সাজাও জলাভুমি।


অনাহুত ব্যস্ততায় বোধ করি আমাদের প্রানের মেলায় নেমে এসেছে সুনসান নিরবতা। শরৎ আসেনি ভেবে বুঝি অবচেতন মন কোন সাড়া দেয়না। কতদিন ধরে ভাবছি কিছু একটা লিখব। লিখতে হবে। লিখার জন্য বসি আর সবার লেখা পড়তে পড়তে সময় চলে যায়। শূন্য পড়ে থাকে নিজের খাতা। শরৎ আসেনি ভেবে কী বোর্ডে কোন ঢেউ ওঠেনা। এ নিরবতা ভাঙতেই হবে। তাই..

ফজরান্তে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠি। কিছু একটা লেখার জন্য সকল ইচ্ছ কে একত্রিত করি। হোক যাচ্ছেতাই তবু কিছু একটা হোক। আচ্ছা তার আগে এককাপ চা খেলে কেমন হয়।

যদিও চায়ের অব্যাস নেই। তথাপি এখন একচাপ চা খাওয়া যেতেই পারে। যদি তাতে খুলে যায় মস্তিস্কের দ্বার। যদি এই ফাকে একবার ভাবের জগতে ঘুরে আসা যায়। সুতরাং এককাপ চা হয়ে যাক, সাথে কিছু টা হয়ে যাক। এবং সেই সাথে চলতে থাকুক সেদিনের গল্প যেদিন আমি এককাপ চা পান করেছিলাম।
......................................<img src=" style="border:0;" />
সেদিন হঠাৎই ঝুপ করে একটু বৃস্টি নেমেছিলো। কতক্ষন থাকল?..বোধহয় পনের মিনিট। তিনটা পিচ্চি মেয়ে এসে বৃস্টিতে ভিজতে লাগল। হায় হায় জ্বর আসবে তো..!

আমি বুঝলেও ওরা বুঝতে চায়না। ওদের অত বোঝার দরকারও নেই। ওদের আম্মুরা এখন কাছে নেই সুতরাং এই তো সুযোগ......স্কুল ব্যাগটা এক কোনায় দাড়ানো রিকশার মধ্যে রেখে ওরা সৃস্টি সুখের উল্লাসে নাচানাচি করছে। জামা, জুতো, চুলের ফিতা, মোজায় কারুকাজ করা লার ফুল, হাতের মুঠোয় থাকা মুখ মোছার রুমাল সব ভিজে যাচ্ছে। এর মধ্যে আরেকটা এসে যোগ দিয়েছে। বৃস্টিটা জোরসে নামলে হয়তো পিচ্চি পাচ্চাদের মিছিল হয়ে যেতো। বৃস্টিতে ভেজা..এ এক সংক্রামক ব্যাধির মতো। কাউকে ভিজতে দেখলেই মনের মধ্যে উসখুশ করে..

নামব নাকি
না থাক
আচ্ছা নামি
না জ্বর আসবে
আম্মু বকবে
আচ্ছা বকুক না হয়
আম্মু তো দেখবেই না, যেতে যেতে শুকিয়ে যাবে।
যদি না শুকায়
ধ্যাৎ, একটু নামি, কিছু হবেনা।
না থাক
আচ্ছা হাতটা ভিজাই
পায়ে একটু দেই না কেন
ইশ, জুতাই তো ভিজে গেল
আরে ধ্যাৎ মাথায় দেখি কয়েক ফোটা পানি পড়েছে।
যাহ, নেমে যাই...

শেষ পর্যন্ত নেমেই যাই...

হারে রেরে রেরে আমায় ছেড়ে দেরে দে রে ....

এভাবেই হয়তো ওরা নেমে গেল। আমি চেয়ে চেয়ে দেখলাম।

পনের মিনিট মাত্র...বৃস্টি হলো সারা। ভেজা বাতাসের ছোয়ায় শরীরটা আদ্র। আজ যদি সারাদিন বৃস্টি হতো!! যদি সারাদিন পিচ্চিগুলো নেচে গেয়ে বেড়াত জলপরীদের সাথে!! বেশ মজা হতো

লোকজন আবার রাস্তায় নামা শূরু করেছে। পনের মিনিটের স্থবিরতা শেষে আবার চঞ্চল ঢাকার ফুটপাত। দোকানের চায়ের কেটলিতে পানি ফুটছে। হ্যা, চা খাবার একটা মোক্ষন সময়।

চা খাবার ছলে মনোযোগটা একটু সরে যায়। আবার যখন দৃস্টি ফেরাই... ওরে বাবা কতগুলো জমেছে।

এক, দুই, তিন ... সাত পর্যন্ত এসেই আমি অফ হয়ে যাই।

........................................../<img src=" style="border:0;" />
ডিআইজির স্ত্রী কি সাতটি সন্তানের জন্ম দিয়ে কোন অপরাধ করে ফেলেছিলো। একসাথে সাত সন্তানের জন্ম দেয়া নতুন ঘটনা নয়। এইতো সেদিনও পত্রিকায় দেখলাম উন্নত বিশ্বেরই কোন এক মা সাতটি সন্তানের গর্বিত মা হয়েছিলেন। এমনকি বাংলাদেশেও এক মা ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন দেখলাম এইতো সেদিন। কথাগুলো অত্তন্ত সহানুভুতির সাথে ভাবতাম কিছু দিন আগ পর্যন্তও। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। আসলে এই এখনও আমি পৃথিবীটাকে যতটা সরলভাবে দেখি পৃথিবী আসলে মোটেই ততটা সরল নয়। ভদ্রতা আর সামাজিকতার মুখোশের আড়ালে পদে পদে হা করে আছে স্বার্থবাদিতা, অসভ্যতা আর ভয়ানক অপরাধের হাতছানি। কেবল আমিই রয়ে গেছি সহজ সরল একদম পল্লী গায়ের সেই গেদু চাচার মত। ডিআইজির স্ত্রীর আবেগঘন কথা তাই আমাকে সহজেই বিভ্রান্ত করে দিয়েছিলো। জানিনা আর কাউকে করেছিলো কিনা।

এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। সাত শিশুর পিতৃত্ব কি মাতৃত্ব এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কেন এই সাতশিশুকে একত্রিত করা হয়েছিলো, কিভাবে একত্রিত করা হয়েছিলো.. জবাব এখনও পর্দার আড়ালে। ওদের কি সত্য সত্যই প্রতিপালনের জন্য আনা হয়েছিলো! যদি তাই হয় তাহলে কেন এত লুকোচুরি, নিয়ম অনুযায়ী পালনের দ্বায়িত্ব নিলে সাত কেন সত্তর শিশু নিলেও আপত্তি থাকার কথা নয়। শিশুদের কি চুরি করে আনা হয়েছিলো !! যদি তাই হতো তাহলে এতদিনে বাংলাদেশের কোন এক প্রান্ত থেকে কেউ একজনও কি ওদের অভিভাবকত্ব দাবি করত না!! নিদেন পক্ষে একটু খোজখবর! ওদের কি পাচার কিংবা ... অন্য কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে ,,, নাহ, না জেনে একজন সম্পর্কে এতটা খারাপ ধারণা পোষনের কোন যুক্তি আমার কাছে নেই। আমি বোধহয় এখনও সেই সরলই রয়ে গেছি।

চায়ের কাপ শূন্য হয়ে গেছে সে অনেকক্ষণ। মিলিয়ে গেছে ইষদোষ্ণ তরলের সর্বশেষ গন্ধটুকু। মরমী শিল্পি আব্দুল আলীম একমনে গেয়ে চলছেন কে যাও ভাটির দেশের নাইয়ারে ভাই জারি গান গাইয়া। ফুলদানীর যত্নহীন ফুলগুলোর দিকে তাকিয়ে ওদের বড় সৌভাগ্যবান মনে হয়। কৃত্রিম হলেও ওদের একটা অলস অভিভাবক আছে। অথচ সাতটি মানব শিশুর অভিভাবক কে তাই জানেনা অভাগা পৃথিবী।

শুনেছি আইনের হেফাজতে শিশুগুলি মোটেই স্বাচ্ছন্দে নেই। ওদেরকে কি ডিআইজির দ্বায়িত্বে দিয়ে দেয়া যায়না!! সাত শিশুর প্রতিপালনের মত আর্থিক সামর্থ তার আছে। যদি সত্যিই ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের থেকে থাকে তাহলে ওটাই শিশুদের সবচেয়ে নিরাপদ, নিঝঞ্জাট আশ্রয়স্থল। আর আদতে কোন দুরভিসন্ধি থেকে থাকে তাহলেও এখন নিরাপদ ধরা যায়।কারণ মিডিয়ার চোখ এখন ওদিকে চলে গেছে, নিয়মিত ফলোআপে থাকবে নিশ্চয়ই।

আমার এই ভাবনাটা কতটুকু পরিপক্ক সেটা যাচাইয়ের কোন সুযোগ নেই। চায়ের কাপ কিংবা আয়েশী শরৎ বড়জোড় ভাবনার খোরাক জোগাতে পারে। একটা সমাধানের জন্য আমরা তাকিয়ে আছি আইন, আদালত, সমাজ, রাস্ট্র.. এবং আরো নানাবিধ মানদন্ডের দিকে।

অলস সময় তর তরে বরে বয়ে চলে। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়, রোদের আঁচে খুলতে থাকে পৃথিবীর পর্ণপুট। শরৎ নীলের সীমানায় পেজা তুলোর মেঘ আমাকে বিশেষিত করতে থাকে।

আমি পৃথিবীর সকল শিশুদের জন্য ফুলে ফুলে দুলে ওঠা ঝঞ্জাটমুক্ত কাশবনের প্রত্যাশা করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28835480 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28835480 2008-08-27 10:03:22
Only for কোলাহল প্রকাশিত পোস্টের ব্যাকআপ এটি। সুতরাং বিরক্ত, বিস্মিত কিংবা বিব্রত হবার কোনই কারন নেই।

মেহেদী রাঙা হাত
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪২

ক্যাটাগরি: গল্পচ্ছলে

একহাতে স্টিয়ারিং ধরে আরেক হাতে গিয়ারটাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে টেনে নিলাম। গাড়ী সাই সাই করে এগিয়ে চলছে। আমার শার্টের কলারে ফত ফত শব্দ হয়। আমি সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে থেকে থেকে ওর দিকে তাকাচ্ছি। ওড়নার ফাক দিয়ে একগাছি চুল বের হয়ে ফড়িংয়ের মত উদ্দেশ্যহীন ওড়াওড়ি করছে। ও ভয়ে ভয়ে তাকিয়ে আছে সামনের দিকে। আরেকটু ভয় দেখাই। একটা কড়া ব্রেক করে দিলাম। ক্যাচ..চ...চ করে ভীষন আর্তনাদে গাড়ি থেমে যাবার উপক্রম। এবার আবার ছেড়ে দিয়ে স্বাভাবিকভাবে এক্সেলেটরে পা রাখি।

ইস, এভাবে কেউ গাড়ী চালায়!
ভয় পেয়েছ বুঝি!
ভয় পাবনা আবার! এক্সিডেন্ট হতো যদি। মিহি কন্ঠে একটা শীতল আশংকা ঝরে পড়ে।
হলে হবে । দুজন একসাথে মারা যাবো।
উহু...
বোঝা যাছে কথাটা তার পছন্দ হয়নি। আমি তাকে সাহস দিয়ে বলি না পাকা চালক আমি, এত সহজেই কি আর এক্সিডেন্ট হয়।
সে আবার আগের প্রসংগে ফিরে যায়। আচ্ছ যদি একজন বেচে যাই। তাহলে কি হবে।
তার জন্য বিষ খাওয়া ছাড়া কোন উপায় দেখছি না।
যাহ !! রাগের তীব্রতা আঁচ করতে পারি।

সুন্দর বিকেলটা কোনভাবেই নস্ট করা যায় না। এবার তাই মান ভাঙানোর উদ্যোগ নেই।
রাগ করলে নাকি।
....... ....... .......
কি ব্যাপার কথা বন্ধ কেন। আচ্ছা ঠিকাছে আমার ভুল হয়েছে । এই যে মুখে সেলাই মেরে দিরাম। নকশী কাথার সুক্ষ্ম সেলাই। দক্ষ শিল্পী ছাড়া কেউ খুলতে পারবেনা।

আমার পাগলামীতে তার মুখ আবার সচল হয়। গাড়ি চলতে থাকে। আমাদের খুনসুটিও চলতে থাকে।

রোদের ভেতর ইলশেগুড়ি, সংগে পাখির ডাক
আমবাগানের ভেতর যেন মৌমাছিদের ঝাক
মন মেলে দেয় পাখা
যায় না ঘরে থাকা
আকাশে কার উঠলো নেচে হিজল বনের বাঁক।

প্লেয়ারে চলতে থাকা দেশাত্ববোধক গান শুনতে শুনতে অজানা ছন্দে দুলতে থাকি দুজনে। নীতল গোলাপী অধরে বিকেলের মিস্টি রোদের লুকোচুরি। গানের মৃদু তালে ড্যাশবোর্ডের উপর আনমনে আঙুর দোলাচ্ছে। ঠিক যেন তবলায় আনাড়ী হাতের বোল। চিকন কলমি লতার মত আঙুল। মধ্যমায় চকচক করছে সোনার আংটি। এ আংগুলে ডায়মন্ডের হলে বড় মানানসই হতো। নিজেই নিজেকে দমিয়ে রাখি। মানুষের সব সাধ পূরণ হবেনা। এত ছোট পৃথিবীতে দরকারই বা কি সব সাধ পুরনের। কিছু না হয় জমা থাকল অনন্ত জীবনের জন্য।

এই তোমার হাতটা একটু মেলে ধর না।
কেন। হাতে আবার কি হলো।
আহা দেখাওনা।
আমার কথার অর্থ বোঝেনা। তবুও মেহেদী রাঙা হাতটা চোখের সামনে মেলে ধরে। আমি প্রকৃতির রঙে আকা আল্পনা দেখতে থাকি। সে আল্পনায় অনেক কিছু দেখা যায়, একটি ফুল, ফুলের পাশে একটি লতানো কলি, একটি পাখির বাসা, একটি সজল মুখ একটি পাখির উড়ে চলা, কত কি! সমগ্র বাংলাদেশটাই যেন জেগে ওঠার অপেক্ষায় পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে আছে আলতো রেখার ভাঁজে ভাঁজে।

কি ব্যাপার কি দেখছো। আমার হাত ব্যাথা হয়ে যাছে তো।
কে একে দিয়েছে এই মেহেদীর নকশা।
তুমি তাকে চিনবেনা।
তবুও বলো
কেন ? ভাল হযনি বুঝি
ইস এতক্ষনে এই বুঝলে।
আচ্ছা বলোনা তোমার ভাল লেগেছে কিনা।
ভাল হয়নি...... তবে......
তবে......
চমৎকার।

একটা ছোট্ট স্বীকৃতি মানুষকে কতটা আনন্দিত করতে পারে তা অনেকসময় না দেখলে বুঝা যায়না। ও অনেক গল্প বলে, ছোটট বেলার মেহেদী দেয়ার গল্প। মেহেদী দেয়া নিয়ে মান অভিমানের গল্প। বলতে বলতে তার গলা আদ্র হয়ে ওঠে। কেমন একটা অদ্ভুত চোখে আমার দিকে তাকায়-
তুমি কি জানো এই মেহেদীর রং বিবর্ণ হয়ে যেতে পারতো। যদি..
মানে। উত্তেজনায় আমি দাড়িয়ে যাই। কি বলতে চাচ্ছো তুমি?
সে নির্লিপ্ত মুখে আমার দিকে চেয়ে থাকে। চোখে ঘন মেঘের আবাস। একটু আগে মেহেদীর নকশায় যে বাংলাদেশ উকি দিচ্ছিলো সে বাংলাদেশের উদভ্রান্ত চেহারায় আমার পাগল হয়ে যাবার মত অবস্থা। আজানা শংকায় আমার ভিতর বাহির কেঁপে ওঠে। আমি আর স্থির থাকতে পারি না। প্রচন্ড ঝাকুনী দিয়ে বলি কি বলনা কেন?

সে মোটেই বিচলিত না হয়ে বলে এই যে উজ্ঝলতা; সেও অনুজ্জল হতে পারতো যদি একফোটা যৌতুকের রস মিশে যেতো মেহেদী পাতার সাথে।

যাহ, আমি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলি। এক্সেলেটরের চাপ সহ্য করতে না পেরে গতির যন্ত্রটা
ভো ভো চিৎকার করে ওঠে। একটা সমৃদ্ধ সুখী সমাজের স্বপ্ন বুকে নিয়ে আমাদের গাড়ি ছুটতে থাকে।


পড়েছেনঃ ২৪জন মন্তব্যঃ ১৫টি
পোস্ট রেটিং(৩.৫/১১)

মুকুটবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

সবই কপাল!

লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫০
কার কপাল! আপনার না আমার।



কাকটারুয়াবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৯


চমৎকার, আপনার ভালবাসার গল্প ........

এক্কেবারে ৫
লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫১
ধন্যবাদ।



মুকুটবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৪


অবশ্যই আপনার!


আমারটা ভাঙ্গা!

উত্তর দিনঃ



ভোরের কোলাহলবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৭


ওরে বাপরে। ভয় পাইছি মুকুট ভাই

আপনার কপাল দেখি জাফরান রাঙা।
উত্তর দিনঃ



বিডি আইডলবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৯


নতুন গাড়ী কিনলাম কিছুদিন আগে...বউকে নিয়ে ড্রাইভ করা হয় প্রতিদিন...

গল্পটা ভালো লাগলো
লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০১
এতক্ষনে পাইছি। কপাল আসলে আপনারই। আমাদেরটা ভুয়া।



রহস্য বালিকাবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩০


কমেন্ট পড়েও ব্যাপক মজা পেলাম.... কপালের ব্যাপার না, কপালের সাথে হার্টও লাগে বুঝলেন..
মেহেদীর রং যেন কখনো ঝাপসা না হয়, এই কামনা করি- বিশ্বের সব প্রেমিক যুগলের জন্য।
লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
উহু কপাল নিয়া তাও একটু আশায় ছিলাম। হার্টের কথা বললে আমি শেষ। এইতো আপনি আবার কি সব প্রেমিক ট্রেমিক নিয়ে টানাটানি শুরু করলেন। হার্টখানা এইবার চিরদিনের জন্য বনবাসে চলল।



মনের মানুষবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩২


মেহেদীর রং যেন কখনো ঝাপসা না হয়, এই কামনা করি- বিশ্বের সব প্রেমিক যুগলের জন্য।
লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪১
এই পিচ্চি, ভীষন পেকে গেছ দেখছি। যাও, তোমার আম্মুকে বলে দেবো।



মুকুটবলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৪


@রহস্য বালিকা, টাকাও লাগে!! কপাল আর হার্ট থাকলেই হয়না!

লেখক বলেছেনঃ
২৪শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
নতুন ইস্যু। পরিস্থিতি দিনে দিনে জটিল হয়ে যাচ্ছে।



আরিশাবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫০


খু-উ-ব সুন্দর করে সাজিয়েছেন গল্পটা, পড়ে মুগ্ধ হতে হয়। এককথায় অসাধারন হয়েছে। ভালো লাগলো।

আমিও এমন এক সুখি সমাজের স্বপ্ন দেখি, যেদিন বাংলার আর কোনো মেয়ের মেহেদীর রঙ অনুজ্জল হবে না যৌতুকের দাবিতে।

সুন্দর গল্পের সাথে সাথে, মেহেদীর একটা নকশাও পেয়ে গেলাম বোনাস হিসেবে।
লেখক বলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:২৯
আপনার মন্তব্য সব সময়ই উৎসাহব্যঞ্জক। ধন্যবাদ। ছবির মডেল কিন্তু আমার ছোট বোন।



বিডি আইডলবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:১০


@লেখক: বলতে ভুলে গেছি আমার বর্তমান বউ ৬ বছরের প্রেমিকা ছিল
লেখক বলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫১
হে হে ! আগেই বলেছি কপাল আসলে আপনারই। আপনার কপাল দেখে আমারা নয়ন জুড়াই। যৌতুক নেননি তো আবার। ঠিকাছে আপনার বৌয়ের জন্য একটু শুভেচ্ছা



মাহমুদ রহমানবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮


কপাল! এখানে কপাল আসল কোথা থেকে?

তবে যা-ই বলুন না কেন, গল্পটি কিন্তু হয়েছে একেবারে চমৎকার...... তবে সবই কল্পনা!
লেখক বলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৩৫
কপাল আসলো কেমনে! আমিও তাই ভাবছি। কান টানলে মাথা আসে সেরকম কোন সূত্রে পড়ে কিনা। মুকুট ভাই মাস্টার মানুষ কত সূত্রইতো তার মেমোরিতে থাকে।



ভোরের কোলাহলবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪


ছবিখানা বড় হয়ে গেল।

আচ্ছা থাক না হয়, সবই বিডি আইডলের কপাল
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭


অসাধারন।
উত্তর দিনঃ



মনের মানুষবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯


সুন্দর পোষ্ট।
উত্তর দিনঃ



বিডি আইডলবলেছেনঃ
২৫শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮


@লেখক: অসংখ্য ধন্যবাদ..
উত্তর দিনঃ



সীমানা
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪
বুকমার্ক করুনঃ


ক্যাটাগরি: গল্পচ্ছলে

এ্যাই, তোমার নামটা যেন কি।
একটা মিহি কন্ঠের ডাক আমাকে মোহাবিস্ট করে ফেলে। শুধু আমাকে কেন যে কাউকেই মোহাবিস্ট করার মত। রক্ত মাংসে গড়া মানুষ আমি। রোবটিক প্রাণ নিয়ে আসিনি। হিংসা, দ্বেষ, ভালবাসা, স্বার্থ, মমতা সবকিছুর মধ্যে দিয়ে বেড়ে উঠেছি। সুতরাং হঠাৎ মোহাবিস্ট হয়ে পড়াটা বিশেষ কোন অপরাধের মধ্যে পড়েনা। আমি তাই ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাই। আমি পুরোপুরিই তাকে দেখতে পাই। চাইলে অনেকক্ষন ধরেই দেখার একটা সুযোগ তৈরী হয়েছিলো। কিন্তু আপাতত সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করার কোন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিনা। কেবল এক ঝলকে এতটুকু খেয়াল করলাম যে একটা মিস্টি হাসির ঝিলিক তার ঠোটে ঝুলে রয়েছে। সে হাসিতে বিশেষত্ব আছে। হাসি বলে দিচ্ছে নাম জিজ্ঞেস করাটা মুখ্য নয় বরং প্রয়োজন একটু মনোযোগ। তার মনোযোগ যেদিকেই থাকুক আমার মনোযোগ কিন্তু আর একঘন্টা পরে কি হচ্ছে তার দিকে। কেবলই ভাইভাটা দিয়ে বের হয়েছি। যদিও আমি আত্ববিশ্বাসী, এ মুহুর্তে , এই ভাইবা দেয়ার পরে, এবং আগেও সর্বদাই এতটুকু আশাবাদী ছিলাম যে জুতার তলা ক্ষয় করার মত দুভার্গ্য আমার পোহাতে হবেনা। তবুও পরিস্থিতি কখনো কখনো কাউকে কিছুটা হলেও চিন্তাগ্রস্থ করে রাখে। এখন আমিও তাই। তবুও আমি তার দিকে মনোযোগ দিলাম। মানুষের একটা স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও সৌজন্যবোধের দরকার আছে।

ডাকছিলেন মনে হয়।
হ্যা
কি ব্যাপার
না সেরকম জরুরী কিছু না। তুমি কি খুব ব্যস্ত নাকি।
খুব ব্যস্ত সেটা বলব না তবে স্বাবাবিক একটা ব্যস্ততা থাকছেই। আরো যখন চাকুরী বাকুরীর ব্যাপার।
তুমি তো যবটা পেয়ে যাচ্ছো। এত চিন্তার কি আছে।
তাই নাকি। ভাইবা বোর্ডে আপনার কেউ আছে নাকি।
নাহ, আমার কেউ থাকলে আমিই চাকুরীটা পেয়ে যেতাম। তাহলে তুমি আর পেতেনা। আসলে তোমাকে দেখেই আমি বুঝতে পারছি।
ভাইভার আগে পড়ে তোমার বডি ল্যাংগুয়েজে বলে দিয়েছে তুমি কনফিডেন্ট । এ সমস্ত জব কনফিডেন্টদের জন্য।
থ্যাংকস। কিন্তু আমার চাইতেও কনফিডেন্ট কেউ ভাইবা দিয়ে থাকতে পারে।
আমার চোখে তেমন কেউ পড়েনি।

আপনি আর তুমির ব্যালান্সড কম্পোজিশনে কথোপকথন চলতে থাকে। তার কথা শেষ হয়ে আসে। আমি কি বলব খুজে পাইনা।
আপনার ভাইবা কেমন হলো।
দিলাম আর কি।

বলতে বলতে তিনি কি কারনে একবার ডানদিকে তাকালেন এই ফাঁকে আমি একবার হাত তুলে ঘড়ি দেখলাম। তার দৃস্টি এড়ায়নি। আমি মনি মনি খুশি হলাম। বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই জানে চলে যাবার সুস্পস্ট ইংগিত। তার বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা হয়ে যাক এই ফাকেঁ। তিনি ভালভাবেই কৃতকার্য হলেন। আবার হেসে বললেন আপনাকে আর আটকে রাখতে চাইনা। আমি সীমানা। ..........

কোন দক্ষ হাতের ছোয়ায় হয়তো এটা একটা গল্প হতে পারতো। কিন্তু দুভার্গ এ লেখাটির। পাঠক হিসেবে দুর্ভাগ্য আমারও। আমি ভীষন মন খারাপ করে ঘুমাতে গেলাম।


পড়েছেনঃ ২৪জন মন্তব্যঃ ৯টি
পোস্ট রেটিং(৪.৮/৪)

বাতিল ব্যক্তিবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪


শেষ!?
আমি আবার ভীষন মন খারাপ করে বসে রইলাম বাকিটুকু পড়ার জন্যে।
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
মন খারাপ কইরেন না। বাইচা থাকলে কত কিছু পড়বেন!



Salmanবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২২


আপনি না হয় সীমানা পার হয়ে চলে গেলেন। আর আমি সীমানা প্রাচীরের ঐ আলো-আধাঁরীর মাঝে নতুন আরো আকর্ষনীয় গল্পের অপেক্ষায় রইলাম


লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
পার হইলাম কই। তার আগেই তো ... হাওয়া। আপনার মত আমিও আলো আধারীর মাঝে অপেক্ষায় রইলাম।



মুকুটবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫


শেষ হইয়াও হইলো না শেষ-এমন একটা অনুভূতি নিয়ে শেষ করলাম! ভালোই লাগলো! ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬
হুম, ভাল লাগছে তাহলে। ধন্যবাদ



আতেলবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০১


একেবারে ছবির কাহিনী, নায়ক আর ভিলেনের ফাইট চলছে । নায়ক একটা দেয়তো ভিলেন দুইটা দেয়, আরার নায়ক দুইটা দেয় তো ভিলেন একটা দেয় । কে জিতবে টান টান উত্তেজনা । ঠিক তখনই লোডশেডিং...................
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
ধ্যাৎ, লোডশেডিংয়ের আর সময় পাইলো না। একদম যায়গামতো.... আবার যে কবে এমন একটা সিন আসবে ...!



নিলীনবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩


আহারে। আ-ফ-সো-স।
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
আফসোস। কস্টে আমার হৃদয়টা পেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে।



সোহেলবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৬


বুঝলামনা। আপনি এখানে লেখক না পাঠক না . . .? পুরোদমে রহস্য।

তবে পাঠকের নাকে ঠিকই দড়ি দিয়ে ঘুরালেন।

লেখাটা অবশ্য খারাপ হয়নাই।
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১
আমিও বুঝলাম না যে আমি আসলে কি। আপনার নাকে রশি বাধার সময় একটু লুজ হয়ে গিয়েছিল সেটা অবশ্য বুঝতে পারছি। হি..হি...হি



পৃথিবীবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪১


ভাল হয়েছে।
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২
খুশী হলাম।



আরিশাবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪



লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩
হ্যা ঠিকাছে। ভাল করে কান পরিস্কার করেন।



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫


চমৎকার।
লেখক বলেছেনঃ
২৩শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০০
ধন্যবাদ।



বেকার সময়কে কুচিকুচি করি।
১২ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১৭
বুকমার্ক করুনঃ

ক্যাটাগরি: বেকার সময়

বিকেল থেকে একটু আধটু মাথাব্যাথা করছে। ঠিক বিকেল নয় বিকেলের একটু আগ থেকে। কে একজন ডেকে তুলেছিলো পাতলা ঘুম থেকে। এ সময়ে সাধারনত ঘুমাই না, আজ রেস্ট নিতে নিতে ঘুমিয়ে যাচ্ছিলাম। উঠে কত না এদিক ওদিক করলাম, নাহ কাজ হচ্ছেনা। আজকের বাকী সময় কি এভাবে কাটবে!

কাটুক, আমি কোন পাত্তাই দেবোনা। দাম না পেয়ে অনেক সময় ছোট খাট অসুস্থতা আপনাতেই সেরে যায়। তারচেয়ে বরং দু'কলম লিখি। আজকের ডায়েরী আগামীতে অনেক তথ্যের উৎস হতে পারে। নিজের প্রয়োজনেই এমন অনেক তথ্যের সংগ্রহ থাকা প্রয়েজন। নিজের পছন্দ, আগ্রহ, ভাবনার মালমসলা নিজেকেই গুছিয়ে রাখতে হবে। বড় বড় লেখকদের এমন সব দুর্লভ তথ্যের সংগ্রহশালা থাকে যা দেখে আশ্চর্য হতে হয়। প্রয়োজনের সময় সঠিক তথ্যটি রেফারেন্স সহকারে উপস্থাপন করেন।

ডায়েরী আসলেই কাজের জিনিষ। আগে লিখতাম হাতে, এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোয়ায় কীবোর্ডের খটখটানি চলে সময় সুযোগ পেলেই। বেহুদা কস্ট কে করে। একবার ছেড়া পৃস্ঠায় খসরা লিখতে হবে। তারপর কেটেকুটে ঠিক করে ডায়রীতে তোলা, অতপর দেখে দেখে কম্পোজ করো। তারচেয়ে বরং সরাসরি ছাপার অক্ষরে উঠে যাক। যখন যা মনে আসে তাই জমা হয়ে থাক কম্পু যন্ত্রে। আবার যখন ইচ্ছে হবে তখন একসময় বসে ঠিক করে নেয়া যাবে।

ছোটবেলায় কাগজ পেলেই যেভাবে পেপার কাটার দিয়ে টুকরো টুকরো করতাম। সেরকমভাবে এখন বসেছি অবসর সময়কে কুচি কুচি করতে। সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা সত্য তবুও কখনো কখনো সময়কে গাড়ি বারান্দায় দাড় করিয়ে রেখে নিজেরা একটু পিছন দিকে ঘুরে আসতে পারলে আনন্দ পাই।

আমি না জানালেও একজন সুপরিচিত ব্লগারের একটি পোস্টের কল্যানে অনেকেই জেনে গিয়েছেন আমি আরো একটি ব্লগে লিখে থাকি। সে প্রায় সাতমাস হয়ে গেল। আমি নিজে জানানোর ব্যাপারে খুব একটা উদ্যোগী ছিলামনা। না থাকার কারণ দুটো।

প্রথমত এক যায়গায় থেকে আরেক যায়গার কথা টেনে সহযাত্রীদের বিরক্তি উৎপাদনকে এড়িয়ে চলতে চাইছিলাম।

দ্বিতীয়ত...... আচ্ছা, আগেই বলে রাখি দ্বিতীয় পয়েন্টটি কিন্তু আযাইরা প্যাচাল ধরনের, ব্যাখ্যা করতে করতে আমি নিজেই মুল প্রসঙ্গ থেকে সরে যাবার আশংকা করছি। আমার সাথে অতক্ষন ধৈর্য ধরে বসে থাকতে পারবেন তো। ঠিক আছে এতই যখন ইছে চেস্টা করে দেখেন।

প্যাচালী ভিজিট করতে এসে সাইটটির চেহারা দেখে ভাল লাগে। মোটামোটি পরিছন্ন। সবচেয়ে বেশী যেটা চোখে পড়েছিলো সেটা হচ্ছে ইউজার খুব কম। ঐ মুহুর্তে আমার মাথায় একটা বিষয় বেশ কাজ করে। লেখালেখি করতে গিয়ে একটা রাফখাতার দরকারিতা খুব ফিল করছিলাম। প্যাচালী দেখেই আমার সেই ইচ্ছাটা জাগ্রত হয়। একটা ঠান্ডা আবহাওয়া, লোক সমাগম কম, শহরের কোলাহল থেকে একটু দুরে নির্ঝঞ্জাট পরিবেশে আপন মনে বাঁশি বাজিয়ে যাবার জন্য লোভনীয় যায়গা বটে। আমি রেজিস্ট্রেশন করে ফেললাম।

কি নাম দেবো। একবার ভাবলাম নিজের আসল নামেই পরিচিত হই, আবার ভাবলাম না আড়ালেই থাকি। খুব বিখ্যাত কেউ না আর রাফখাতার ব্যাপার যখন ভার্চূয়াল দুনিয়ায় পরিচয়টা ভার্চূয়ালই থাকুক। একই নিকেই পরিচিত হব নাকি নতুন নিকে আসব তা নিয়েও নিজের সাথে নিজের লড়াই চলে কিছুক্ষন। শেষমেষ একটু চেঞ্জ করে দিলাম ভোরের কোলাহল। তবে এই নামের একটা লজিক্যল বেজ আছে কিন্তু। আমি শুরুতেই ঠিক করে নিলাম আমার লেখার বিষয়বস্তু হবে ভোরের কোলাহল অর্থাৎ প্রতিদিন সকালে উঠে আমার ভাবনায় যা আসবে তাই টুকে ফেলবো চট করে। রীতিমত সকাল বেলার ডায়েরী।

শুরুও করলাম। প্রথম কিছুদিন চালালাম। সকাল সাতটা থেকে আটটার দিকে বসতাম। কিছু একটা লিখে ব্যাস আবার নিজ কাজে চলে যাই। তাতেই দু একজন মন্তব্য করে। আমি পরদিন আবার তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে দেই। তখন ইউজার ছিলো কম। পোস্টও হতো কম। যা হতো তাও বেশীরভাগ দুই লাইন চার লাইনের কিংবা ছবি মাত্র। কাকতারুয়া, আশাবাদী মানুষ আর উম্মু আব্দুল্লাহকে মনে হয় চোখে পড়তো নিয়মিত। বিপুলও ছিলো । দুলাল আর হ-য-ব-র-ল কে দেখতাম মাঝে মাঝে। এক সময়ে দুইজনের বেশী লগইন পাওয়া যেতো না। আমি আমার রাফখাতা লিখে চলছি। ভোরের কোলাহল হলেও মাঝে মাঝে দুপুর বা বিকেল হয়ে যেত। আবার কখনো কখনো অনেক বাসী ঘটনাও চলে আসতো। তবুও ওটা ভোরের কোলাহল। একজন দুইজন করে ইউজারর বাড়ছে। একসময় নিজেই খেয়াল করলাম কয়েকজন ব্লগার কিছুটা নিয়মিত আমার ব্লগে আশা শুরু করেছেন এবং তাদের বাড়াবাড়ি রকমের উস্কানীতে আমি রাফখাতা ছেড়ে একটু একটু ফ্রেশ ডায়েরীর মধ্যে ঢুকে যাছি। আরো কয়েকজনও একটু ভারী লেখা দেয়া শুরু করেছেন্ । মানুষের মধ্যে একটা স্বাভাবিক প্রবনতা কাজ করে। প্রতিবেশীকে ভাল থাকতে দেখলে তারও ভাল থাকার ইচ্ছা জাগে। অন্যকে ভাল পোষাক পড়তে দেখলে তারও সাধ হয় আকর্ষণীয় পোষাক পরে তৃপ্তি মেটাতে। আমার সহযাত্রীরা যখন তাদের ব্লগকে সমৃদ্ধ করা শুরু করলেন তখন আমিও লোভে পড়ে গেলাম। মাথা খাটানো শুরু করলাম।

আজ এক্ষনে দেখি আমার ব্লগে হাতির আনাগোনা শুরু হয়েছে বটে তবে মাঝখান দিয়ে রাফখাতাটা হারিয়ে গেছে। অথচ ওটাই যে আমার দরকার ছিলো। আমার রাফখাতায় আমি যা ইচ্ছা লিখতাম, ওটাই ছিলো আমার ভাবনার জমিন। ওটাকেই লাঙ্গলের চাষ দিয়ে উলটপালট করে মই চালিয়ে আবার সমান করে আদি বাসস্থানে রপ্তানী করতাম। কারো কারো পাল্লায় পড়ে ওটাকেই তোষকের তলায় অযতনে ফেলে রেখেছি।

রাফখাতার জন্য আমার মনে একটা দরদ উথলে উটেছে। ভাবছি আবার শুরু করতে হবে। যে যাই মনে করুক আমি আবার ওটাতে ফিরে যেতে চাই।

ফিরে যেতে চাইলেই কি যাওয়া যায়। সময় পেরিয়ে গেছে অনেক। সৃজনশীল প্রতিযোগীরা মাথাছাড়া দিয়েছেন। সুতরাং এখন রনেভঙে দেয়া যায় না। অনেক ভেবে ভেবে একটা বুদ্ধি বের হলো। সবই লিখবো। দুটোই একসাথে চলবে। কিন্তু এখানেও একটা সমস্যা। আমি না হয় দুটোই লিখবো যারা পড়বে তারা বুঝবে কিভাবে কোনটা কি। তারা যদি সবগুলোকেই আমার নির্ভেজাল পোস্ট মনে করে।

...হু, এটারও একটা সমাধানে আসলম। ক্যাটাগরি করা শুরু কররাম লখাগুলোকে। সেই ভোরের কোলাহল আমার থাকলো রাফখাতা হিসেবেই। ভাল মন্দ, হিজিবিজি, এটা ওটা সব জমা থাকবে ওটাতে। বেকার সময়টাকে নিয়ে ভাবছি একটু মাথা খাটানো যায় কিনা। বেকার হলেওএক অর্থে সময়গুলো মোটেও ফেলনা নয়। আপেল গাছের নিচে বসে হাওয়া খেতে খেতে নিউটন বিশাল আবিস্কার করে ফেললেন আমরা কিছুই আবিস্কার করতে পারবোনা এমন দুর্বল ভাবতে চাইনা।

ক্যাটাগরী করতে গিয়েও আরেকটা ঝামেলা রয়ে গেছে। হঠাৎ হঠাৎ স্মৃতিরা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে আর আমিও একটু সায় দেই এই ভাবনায় যে একদিন যখন কেউকেটা টাইপের কিছু হয়ে যাবো, টেলিভিশনের মাউথপিস আর পত্রিকার সাংবাদিক যখন আমার অতীত কাহিনী শোনার জন্য হা করে থাকবে তখন এগুলোই সম্বল হতে পারে। কিন্তু কোন ক্যাটাগরীতে ফেলবো এগুলোকে। কোনভাবনা চাড়াই আরেকটি ক্যাটাগরী বানিয়ে ফেললাম। হ্যা ছেড়াপাতা হিসেবেই থাক তাহলে। ছেড়া পাতার আবার ভাল মন্দ কি।

কেমন আছি জিজ্ঞেস করলেই যেমন আমরা একটা গড়পড়তা উত্তর সন্ধান করি। ভাল আছি সেটাও বলা যায়না কারণ ভালোর কোন শেষ নেই। আবার খারাপও বলা যায়না কারণ আসলে যেরূপ আছি সেটা একেবারে মন্দ নয়্ । সুতরাং কেমন আছির নিরাপদ উত্তর মোটামোটি। ধরুন আমার ছেড়াপাতার ক্যাটাগরীও তেমন মোটামোটি ধরনের। যদি রাফ ধরেন তাহলে মোটামোটি রাফ, আবার ফেয়ার র ধরেন তাহলে মোটামোটি ফেয়ার।

হা..হা..হা..। নিজের কান্ডকারখানায় নিজেই হাসছি। এতক্ষন যা বললাম তা সবই বেকার সময়ের যতসব আজগুবী ভাবনা। খুব সিরিয়াসলি নেয়ার কোন কারণ নেই। আসলে কি হবে না হবে সবই আমার জানা। শেষে দেখা যাবে সবই রাফখাতা হয়ে গেছে। আমার এই কথাটা কিন্তু খুবই সিরিয়াস। পুরা জীবনটাই যেখানে রাফখাতার উপর পার করে এলাম সেখানে লেখালেখিতে আর ভিন্ন কিছু করব কি।

আপনাদের কি সেই মাইকম্যান আর বক্তার গল্পের কতা মনে আছে। বক্তা মাইক হাতে নিয়ে সেই যে বক্তব্য মুরু করে দিয়েছেন, দেশ, জাতি, মাটি, মানুষের জন্য তার সকল অবদানের কথা বলতে বলতে বক্তৃতা আর শেষ আর হয়না। শেষ যখন হলো তখন কেবল মাইকম্যানই সামনে আছেন শ্রোতা হিসেবে। আমি ভাবছি আমার আজকের লেখার শেষে সেই অবস্থা হলো কিনা। দেখি এখনও কেউ টিকে আছেন কিনা। রোল নং ১, রোল নং ২, রোল নং ৩... থাক আর ডাকতে হবে না। দেখতে পাছি দু একজন এখনো বিরস বদনে...তাহলে। আপনাদের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

পড়েছেনঃ ৩৩জন মন্তব্যঃ ১৩টি
পোস্ট রেটিং(৪.৩/৯)

উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:০৪


প্যাচালীতে এটা আপনার সেরা লেখা। সামহোয়ারে আপনার ভালো লেখা অনেক এসেছে। কিন্তু প্যাচালীর জন্য এটা মাইলফলক।

যে কারনে আপনি প্যাচালীকে ভালবেসেছেন, আমিও সে কারনে ভাল বেসেছি।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩
ব্যাপার কি। আমি একটু কৈফিয়ত দিতে গেলাম আপনারা সেটাকে সেরা লেখা বানিয়ে দিলেন। কনফিউজড হয়ে যাচ্ছি।



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:৪৩


বেকার সময় পড়ে খু-উ-ব ভাল লাগল ।

আমি কেন প্যাচালীকে ভালবেসেছি আমি জানি না । নাকি এমনি এমনি খাই তাও বুঝিনা । আমি কি বুঝি কি বুঝি না তাও বুঝি না ।

আমার সারা জীবনকেই রাফ খাতা বানিয়ে রেখেছি ।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
ওরে বাপরে। আপনি দেখি জটিল ডায়লগ দিয়েছেন। আপনি যে জিনিয়াস এই মন্তব্যেই বোঝা যায়।



আরিশাবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:০৪


আপনার লেখার আমি কিন্তু খুবই ভ্ক্ত, সেটা বেকার সময়ই হোক আর ছেরাপাতাই হোক। আমার ব্লগিংয়ের বয়স সবে ২ মাস পুরো হলো। প্যাঁচালীকেই প্রথমে খুজে পেয়েছি, পরে উম্মু আপুর কাছে সামোহোয়ারের লিংক পেয়ে মাঝেমাঝে ঘুরে আসি।
আমার ব্লগিং এর জন্ম এখানে, তাই প্যাচাঁলীকেই ভালো লাগে।

প্যাঁচালীতে আপনার লেখা আমি আগেই পড়েছিলাম, তখন থেকেই ভালো লাগতো।
আপনার লেখায় একটা অন্যরকম স্বাদ আছে। যে ক্যাটাগরিতেই হোক, সব লেখাতেই কেমন যেনো একটা মাটির গন্ধ পাওয়া যায়। বড় আপন মনে হয়।

এই রকম আরো সুন্দর লেখা দিয়ে আমাদেরকে এবং প্যাচালীকে ভরিয়ে রাখুন, এই কামনাই থাকলো।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৪০
ধন্যবাদ। মাটিতেই জন্মেছি, মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে বড় হয়েছি ( ছোট বেলায় নাকি পালিয়ে পালিয়ে মাটি খেতাম। হা..হা..হা....) এখনও নিয়মিতই গ্রামের বাড়ি ছুটে যাই দাদীর ফুল তোলা আঁচলে খেজুরের রস কিংবা কাঠালের কষ মুছতে। হয়তো এ কারনেই মাটির গন্ধটা একনও লেগে আছে। এইতো আজ আবার গ্রামে যাবো পরিকল্পনা করেছি। কাঠাল আর আছে কিনা জানিনা। তবে বড় বড় কমলালেবু পেঁকে ওঠার কথা। আবার একটু মাটি গায়ে মেখে আসি।



আল-আমিন গাজিপুরবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:১১


আপনার সব লেখাই আমার কাছে ভালো লাগে।আমার ফেভারিট ব্লগারদের মধ্যে আপনি এক্জন।এই লেখাটিও দারুন ভাল লেগেছে।ব্যক্তিগত ভাবে আপনার কাছে কিছু পরামর্শ চাইব বলে আপনার ই-মেইল এড্রেস টা আমার বেশ দরকার।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
আমার ইমেইল এড্রেস ভ্যালিড আছে কিনা সন্দেহ। নেটের লাইন খুব স্লো বিধায় মেইল খোলা কস্ট। তবু আপনার বিষয়টা মাথায় থাকলো। দেখি আপনাকে মেইল করা যায় কিনা।



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:১৬


"প্যাঁচালীতে আপনার লেখা আমি আগেই পড়েছিলাম, তখন থেকেই ভালো লাগতো।
আপনার লেখায় একটা অন্যরকম স্বাদ আছে। যে ক্যাটাগরিতেই হোক, সব লেখাতেই কেমন যেনো একটা মাটির গন্ধ পাওয়া যায়। বড় আপন মনে হয়।"

আরিশা আপু যেন আমার কথাগুলো বলেছেন। নিতান্ত অবহেলায় লেখা পোস্ট গুলোতেও রয়েছে মাটির গন্ধ।

উত্তর দিনঃ



আরিশাবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৫০


ব্ড় ভালো লাগে আপনার কথাগুলো।

দেশেই যেতে পারিনা কতদিন, আর গ্রাম!
আপনি ঘুরে আসুন, আপনার লেখা থেকেই খুজে নিব আমার বাংলাকে, সর্বোপরি গ্রামকে।
উত্তর দিনঃ



মুকুটবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৫


একটু বিজি, পড়ে নেক্সট মন্তব্য দিব!!
উত্তর দিনঃ



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:১১


বেশি বড় লেখা দেখে ভাসা ভাসা পড়ে গেলাম :-D


উত্তর দিনঃ



ইট্টুস্বলেছেনঃ
১৪ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৭


যদিও অনেক দেরি হলো পড়তে কিন্তু পড়ে খুব ভাল লাগল। কি সুন্দর গুছানো লেখা। রেটিং দিয়ে গেলাম কিন্তু।
উত্তর দিনঃ



ভোরের কোলাহলবলেছেনঃ
১৫ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৩


মুকুট, বিবেক সত্যি এবং ইট্টুসকে ধন্যবাদ
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
১৬ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২


ভাবছিলাম বিকেল পর্যন্ত একটু ঘুমাবো। তা আর পারলাম কই। পড়া শেষে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বেকার লোকটা সংগোপনে আমার টাইম চুরি করে নিয়েছে
লেখক বলেছেনঃ
১৬ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
আপনি যে কতজনের টাইম চুরি করেছেন তার যে হিসেব নেই।



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৬ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮


হাহ, সোহেলের মন্তব্য আমার ক্ষেত্রে খুব প্রযোজ্য। সব সময় চুরি করে নিয়ে যায় প্রিয় ব্লগাররা।
লেখক বলেছেনঃ
১৬ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
সোহেলের মন্তব্যের উত্তরও আপনার জন্য প্রযোজ্য



সারওয়ার চৌধুরীবলেছেনঃ
১৭ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫


এ্যাটোমিক গদ্য লেখার ক্ষমতা আছে আপনার। গতিশীল।
চমৎকার দাগানো হলো।
লেখক বলেছেনঃ
১৮ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
ধন্যবাদ চৌধুরী।



মীরার জন্য দু'কলম
৯ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
বুকমার্ক করুনঃ




ক্যাটাগরি: বেকার সময়

১. প্রথম যখন মিরার দিকে চোখ পড়ল তখনই আমার কেমন যেন ভাল লেগে গেল। বড় বড় চোখে তাকিয়ে দেখছে সবকিছু। ভ্রু দুটো খুব সুন্দর করে সাজানো। মনে হচ্ছে যেন পুতুল। গোলগাল চেহারায় কেমন একটা স্নিগ্ধ আভা ছড়িয়ে পড়েছে। কতই বা বয়স বড়জোড় চার কি পাঁচ। চোখে মুখে বুদ্ধিমত্তার ছাপ। আমাদের দিকে একবার চোখ পড়া মাত্রই কেমন একটা মিষ্টি হাসি দিল। যেন কতদিনের চেনা। কখন যে আমার বন্ধু হয়ে গেল টেরও পাইনি।
শিমলার বরফঢাকা আঁকাবাঁকা পথ পাড়ি দিতে গিয়েই চোখে পড়েছিল মেয়েটিকে। দু পাশে ওর বাবা আর মা ই হবেন। বেশ গোলগাল সুন্দর চেহারা। যেন সদ্য পাকা আপেল। দেখলেই তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয়। আরো সুন্দর লাগছে।

পিচ্ছিল ঢালু রাস্তায় চলাচল করতে হলে যথেষ্ঠ সাবধান থাকতে হয়। আমাদের মধ্যে কে একজন হাত পা নেড়ে খুব উৎসাহ নিয়ে কি যেন একটা দেখাচ্ছিল। এর মধ্যেই ছ.র.র.........ধপাস!!!
পিচ্চিটা পেছনে তাকিয়েই হেসে উঠল। খিল খিল হাসির শব্দে আমাদের মনোযোগ কাড়ল। জিন্সের প্যান্ট আর অরেঞ্জ কালারের সুন্দর জ্যাকেটে ঢাকা ছোট্ট মেয়েটা বাবা আর মার হাত ধরে উঠে আসছে। ছোট্ট দূর্ঘটনাটা ইমনের জন্য বিব্রতকর হলেও আমাদের জন্য শাপে বর। এ সুবাদে খানিকটা পরিচয় হয়ে গেল।
আস্তে আস্তে বেশ পরিচয় হলো। আমার অনুমান ঠিক। ওনারা চন্ডিগড় থেকে এসেছেন। বেশ সম্পদশালি পরিবার। সময় পেলে মাঝে মাঝে বেড়াতে আসেন।

পিচ্চি হলেও মীরা দুষ্টামীতে মোটেই পিছিয়ে নেই। এক সুযোগে আমার গামবুটের মধ্যে মুঠো ভর্তি গুড়ো বরফ ঢেলে দিল। ওফ কি বিপদ! জুতা খুলতে খুলতে বরফ গলে মুজা ভিজে সারা। আরেকবার তো চকলেট দেবার নাম করে একদলা খোসা ঢুকিয়ে দিল মুখের মধ্যে। কথায় কথায় জানলাম চন্ডিগড় থেকে এসেছেন । লী কর্বুজিয়রের চন্ডিগড় মাত্রই সকালে দেখে এসেছি। মীরা তাই এখন আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
আচ্ছা মীরা তুমি কি কর্বুজিয়রকে চেনো? প্রশ্নটি মনে হয় একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। কিন্তু মীরা হাসল।
-- কর্বুজিয়র আমার নানা হয়।
নানা হয় মানে! মেয়েটা বেশ রহস্য করতে জানে। আমি সত্যিই ওর কথায় চোখে তারা দেখতে থাকি।

২. চন্ডিগর হচেছ উত্তর- পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের রাজধানী। ক্লিন সিটি খ্যাত এ মনোরম শহরটিকে ডিজাইন করা হয়। পন্ডিত নেহেরু তার অগ্রসরমান রাষ্ট্যের জন্য এমন একটি মডেল সিটির কথা চিন্তা করেছিলেন যা কিনা সমৃদ্ধশালী ভারতের প্রতীক হিসেবে উন্নত বিশ্বের কাছে ভারতকে তুলে ধরবে। এই চিন্তা থেকেই স্থপতি লী কর্বুজিয়রকে আমন্ত্রন জানানো হয়। তার তত্বাবধানে অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা এবং আধুনিক প্লানিং বৈশিষ্টের অধিকারী এই শহরটি গড়ে তোলা হয়। এর জন্য মুল শহর থেকে দূরে সরে এসে খালি যায়গা বেছে নেয়া হয়। সম্পূর্ন যায়গাটিকে অনেকটা স্কেল ধরার মত করে লম্বালম্বি এবং আড়াআড়ি ভাবে চলে যাওয়া সড়কের সাহায়্যে সমান কতগুলো ভাগ করা হয়। বিভিনন্ন ভাগে বিভিন্ন কাজের জন্য নির্ধারন করা হয়। যেমন একভাগে শুধুমাত্র আবাসিক ভবন , আরেকভাগে শুধুমাত্র মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্স , একভাগে শুধুমাত্র স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি। বিনোদনমুলক কার্যক্রম, সরকারী অফিস আদালত, বাস টার্মিনাল ইত্যাদির জন্যও রয়েছে আলাদা জোন।
এভাবে সমগ্র চন্ডিগড়টিকে নিখুঁত ভাবে সাজিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। তীরের মত সোজা প্রশস্ত ঝকঝকে রাস্তাগুলো চোখে লাগার মত পরিচ্ছন্ন। রাস্তার দু পাশে পায়ে হাটার জন্য গোছানো পথ, নির্দিষ্ট দূরত্বে পর পর দাড়িয়ে আছে ছায়াদার বৃক্ষ। সবুজ ঘাসে আচছন্ন সবকিছু ধুলোর কোন দেখা পাওয়া যাবেনা। একটু পর পর চৌরাস্তা । গোল চক্করগুলো ধাপে ধাপে ছোট বড় বিভিন্ন জাতের লতাপাতা আর গুল্ম নিয়ে কারুকাজ করা। রাসতার পাশে মাঝে দু একটার বাড়ি চোখে পড়ে। আশপাশের পরিবেশের সাথে মিল রেখে বানানো বাড়ির সামনে প্রশস্ত লনে লাল, গোলাপী, নীল নানা ধরনের ফুল ফুটে আছে।দোতলায় বেডরুমের সাথে থাকা বড় বারান্দাটা ঝুলে রয়েছে লনের মাঝ বরাবর। দেখলেই ইচছা হয় একটু বসে যাই। আবার বাহিরে ঘুরতে বেরোলেই নির্দিষ্ট দূরত্বে পাওয়া যাবে পার্ক । এদের মধ্যে অন্]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28824258 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28824258 2008-07-26 08:23:24
গল্পের খোঁজে।
গল্প কি আসলেই বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি! মানা না মানা একেবারেই আমার ব্যাপার। আমি অধীর হয়ে মাথা খাটাতে থাকি। মাথা খাটালে কি হবে মাথায়তো আসলে ব্রেনই নেই। ছোটবেলায় স্কুলের মাস্টার মশাই যখন অপদার্থ বলতেন তখন মনে মনে ভীষন প্রতিবাদ জানাতাম কারণ ওজন, আকার, এবং আয়তন সবই আমার ঠিক আছে। গাধা বললেও কোন মিল পেতাম না। তবে মাতাভর্তি গোবর আছে বললে আমি সত্যিই চিন্তায় পড়ে যেতাম। মাথায় কি আছে সে দেখতে পারিনা সুতরাং থাকলেও থাকতে পারে। আর গুরুজন যখন বলেছেন তখন নিশ্চয়ই একেবারে বানিয়ে বলেননি। হয়তো তাদের অভিজ্ঞতা আছে। হয়তো তাদের মাথায়ও গোবর ছিলো আস্তে আস্তে সেই গোবর থেকে ইউরিয়া সারের জন্ম হয়েছে। এখন তাই সেখানে ব্যাপক প্রতিভার ছড়াছড়ি। হা..হা..হা..

আমি আজকাল বেশ কল্পনা বিলাসী হয়ে পড়েছি। কোথা থেকে কোথায় চলে যাচ্ছি। ৫টনের সমগ্র বাংলাদেশেই এখন ব্যাপক প্রতিভার ছড়াছড়ি। নিত্যনতুন সারের প্রভাবে উর্বর মগজ চুইয়ে প্রতিভা গলে গলে পড়ছে চারিধার জুড়ে। অতিপুস্টিতে টিকতে না পেরে কারো কারো কেশরাশি পটল তুলে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছে। অথচ আমি এখনও অপুস্টিতে ভুগছি। একটা গল্প লিখবো অথচ গল্প কি কল্পনা হবে নাকি বাস্তব হবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে নিতেই দিন গেল ফুরিয়ে।

আচ্ছা সেই বাচ্চা ছেলেটাকে নিয়ে একটি গল্প লেখা যায়না। উঠোনে জমিয়ে রাখা বালুর মধ্যে হাত ঢুকিয়ে যে ইদুরের গর্ত বানাত। দফায় দফায় বৃস্টিতে সে বালুর ঢিবি ধুয়ে ছড়িয়ে পড়েছে উঠোনময়। ঠিক যেন বালুর সৈকত। বৃস্টির ধারা গড়িয়ে সে সৈকতে অদ্ভুত আল্পনা একে দিয়েছে। মাঝে মাঝে পায়ের ছাপ। চোট বড় মাঝারী কোনটাকে পাচটা আঙুলের দাগ অস্পস্ট আবার কোনটাতে অস্পস্ট হয়ে গেছে হাস মুরগীর এলামেলো দৌড়াদৌড়িতে।

উপুর হয়ে আনমনে বসে দাগ একে চলছে দশ বছর বয়সী মেয়েটা। ন্যাংটো ভাইটা অবাক হয়ে তাই দেখছে। বয়স দু বছরও হবেনা হয়তো। বালির ক্যানভাসে আকা ফুলের ছবি দেখে কি বুঝল কে জানে প্রাণখুলে হাসছে । মেয়েটা আবার আঁকে। ঘর আকে, পাখি আঁকে, ভাল হয়না তাই মুছে দেয় আবার বিড়ালের মুখ আকে। তারপর বিড়ালের মত কৃত্রিম গোফ উচিয়ে ডাকে মিউ!! ন্যাংটো বালক হেসে কুটি কুটি।

কি এক দৃশ্য দেখতে দেখতে আমার সময়গুরো পার হয়ে যায়। ভাল লাগে এই পরিচ্ছন্ন বিকেল। রংদনু রাঙা বিকেলে আমি পিচ্চিটার গাল টেনে দেই। মাথায় হাত বুলাই, বোনটিকে বলি কেমন আছো। ও সহাস্যে মাথা নেড়ে বলে হ্যা ভাইয়া ভালো, আপনি কেমন আছেন।

--ভালো আছি। এবার কোন ক্লাসে উঠেছো।
--ক্লাস ফোরে
--বাহ, বড় হয়ে গেছো।
--একা আসছেন নাকি সবাই । ও আবার জিজ্ঞেস করে। হয়তো ভাবছে ছোট বোনটা আসলো কিনা।
--নাহ, একাই এসেছি। কথা বলতে বলতে আমারা হাটতে থাকি। ভাইকে কোলে নিয়ে ও আসছে সাথে সাথে। কোন কারণ ছাড়াই তৃপ্তিতে আমার মন ভরে যায়। এটাকে কি কোন গল্প বলা যায়??

হয়তো এভাবেই একটি গল্পের সমাপ্তি হতে পারতো। অতপর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো এমন টাইপের। কিন্তু গল্প যে বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। ওদের মা মারা গিয়েছেন কয়েকদিন আগে। বাতজ্বর নামক আপাত নিরীহ রোগটিই মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ হয়ে দাড়ালো সেই নারীর। আমি কোনটাকে গল্প বলবো। বালুর ক্যানভাসে দুই ভাইবোনের স্বপ্নের ঘর বিড়ালের মুখের আঁকিবুকি নাকি তাদের মায়ের হারিয়ে যাওয়া।

দেড় বছরের দুগ্ধপোষ্য শিশুর কথা ভাবতে গিয়ে আমি পাথর হয়ে বসে থাকি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28818397 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28818397 2008-07-09 10:27:53
একদিন এক বাদলা দিনে। " style="border:0;" />

মুক্ত মালার ছাতি মাথায় বর্ষা এলা রে
সারা গায়ে গোলাপ পানি ছিটিয়ে দিলো রে.....

ফাকে ফাকে আকাশের ঘেমে ওঠা দেখলেই বর্ষার সম্ভাবনায় একটা মানসিক প্রস্তুতি চলে আসে। রংয়ের পসরা সাজিয়ে ময়ুর মেখম মেলে দেয় উম্মুক্ত নীলের পানে। চাতক তার লম্বা ঠোটে বৃস্টিকে স্বাগত জানাবার ইচ্ছায় অধীর আগ্রহে সময়ের পালা গোনে।

এখানে এখন ময়ুরও রনই চাতকও নেই। এই জনারন্যে ওদের পাবো কোথায়। হয়তো এজন্যই ময়ুরের বদলে আকাশটা নিজেই কেমন পেখম মেলে আছে। বৃস্টি হবে নাকি!! হলে হোক, না হলে না হোক। বিশেষ কিছু যায় আসে না।

বৃস্টি আমার অত বেশী প্রিয় নয়। রাস্তায় হাটতে চলতে যদি গায়ে কাঁদা লাগে তাতে দারুন বিরক্তি ধরে। ছোটবেলায় অবশ্য বৃস্টিতে ভিজতে মজা লাগত।কিন্তু ভয়ে নামা যেতনা। অপেক্ষায় থাকতাম কখন বন্যা হবে, ঘরে পানি উঠবে, পানির মধ্যে পা ভিজিয়ে হাটবো। কাগজ দিয়ে নৌকা বানিয়ে পাল উড়াবো। বন্যা আসে বন্যা যায় বন্যায় দেশ ডুবে মরে কিন্তু আমার ঘরে পানি আর ওঠেনা, পুরন হয়না পা ভিজানোর শখ।
----------- <img src=" style="border:0;" />
এখনও আষাঢ় আসেনি। এত আগে ভাগেই আষাঢ়ে গল্প শুরু করা উচিত হবে কিনা তাই নিয়ে প্রকৃতিতে দ্বিধাদ্বন্দ কাজ করছে। একবার মেঘকালো হয় আবার ফিকে হয়ে সূর্যের দেখা মেলে। একসময় সত্যিই বৃস্টি নামে। নামলেই ভালো। কাজ বন্ধ করে বসে থাকা যায়। কাঠালের ঘ্রান আসছে। সাথে আরো কিছু দরকার। তাহলে জমবে ভালো। আয়োজন হোক তারপর একসাথে বসা যাবে। আচ্ছা এই ফাকে কি একটু পিছনের দিনগুলোতে ঘুরে আসার অনুমতি দেয়া যায়!

------------ <img src=" style="border:0;" />
আকাশে গুড় গুড় করছে। যাবো কি যাবো না, বের হবো কি হবো না করতে করতে গাড়িতে চেপে বসি। আস্তে আস্তে আকাশ পরিস্কার হয়ে যায়। সামনের সিটে একজনের এলোকেশ বাতাসে ওড়াওড়ি করছে। ভালই লাগছে । একসময় পথ শেষ হয়ে যায় তবে ভাললাগা শেষ হয় না। অগত্যা একতরফা ভাললাগাকে বিদায় জানিয়ে সুপারভাইজারের কথা মত বাম পা দিয়ে মাটি স্পর্শ করি।

বাস থেকে নেমে রিকশায় উঠি। আঁকা বাঁকা মেঠো পথের সোদা গন্ধ গায়ে মেখে, নির্জন বাঁশের সাঁকো পার হয়ে একসময় আমি সত্যিই পৌছে গেলাম সেই ছায়াকুটিরে, যেখানে আমার শেকড় গ্রন্থিত আছে পরম মমতায়। এক বৃদ্ধার প্রতীক্ষীত চাহনী আর চোখের পানিতে সে শেকর দিনে দিনে শক্তিমান হয়ে ওঠে।

----------- <img src=" style="border:0;" />
শেষ বিকেলের আলোয় বাশঝাঁড়ের তলায় দাড়িয়ে বুক ভরা নিশ্বাসে তুলে নেই ডাহুকীর একটানা বিরহের সুর, নতুন পানির খুশীতে কোলাব্যাঙের ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ, সবুজ পাতার শিরশির ঝিরঝির আর বিচিত্র ধরনের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। বাশবাগানের মাথার উপর এখনও চাঁদ ওঠেনি।

ঝুপ করা সন্ধ্যা নেমে আসে পশ্চিম লালিমায় আধার মেখে, সাথী হয়ে আসে বৃস্টি। টিনের চালে টুপ টাপ ছন্দের তালে মনের গহীনে নাচতে থাকে সেই বুস্টি দিনের ছড়া

বৃস্টি এলো কাশবনে
জাগলো সাড়া ঘাসবনে
বকের সারি কোথায় রে
লুকিয়ে গেলো বাশবনে

নদীতে নাই খেয়া যে
ডাকলো দুরে দেয়া যে......

সেযুগে মনে হয় ফেরী ছিলনা সবাই খেয়াতে পার হতো। এখনকার যুগে হলে ছড়াটা এ রকম হতে পারতো।

নদীতে নাই ফেরী যে
আজকে হলো দেরী যে...

----------- <img src=" style="border:0;" />
সেই ক্লাশ থ্রি'র যুগে হয়তো মায়ের চোখ এড়াতে পারলেই বৃস্টিতে নেমে যেতাম। বাধভাঙা উল্লাস অতঃপর অবধারিত পিটুনী। সুযোগ থাকলেও এখন আর বৃস্টিতে ভিজতে যাইনা। নিজেরা স্ব-অধীনতায় বেধে নিয়েছি যান্ত্রিক নগর জীবন। আর বৃদ্ধাদেরকে পাহারা দেই। একদিন আমরা যেমন তাদের অবাধ্য ছিলাম আজ তারা অবাধ্য আমাদের। নিজেকে শেষ করে দিয়ে হলেও আমাদের সুখ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রানান্ত প্রচেস্টা। তসবিহর দানা গুনতে গুনতে আমার দৃস্টিকে ফাঁকি দিয়ে টুপটাপ বৃস্টিতে কখন যেন নেমে পড়েন।

----------- <img src=" style="border:0;" />
কাজ শেষ করে ভেজা রান্নাঘর থেকে উঠে আসেন বৃদ্ধা, যথারীতি ঠোটে ঝুলে থাকে অকৃত্রিম হাসির পরশ। টুকটাক এদিক ওদিক করে একসময় খাটের নিচ থেকে কি একটা বের করে বসে পড়েন। আমি কৌতুহলে তাকিয়ে দেখি আর কিছু নয় একটা আস্ত কাঠাল। আহ, কাঠাল। আম জাম লিচু কাঠালের এই মধু মাসে কাঠাল সে বড় লোভনীয়, উপাদেয় এক।

হাতে সরিষার তেল মেখে দাদী কাঠাল ভাঙতে থাকেন। খইয়ের সাথে মিস্টি কাঠালের গোল্লা মুখে পুড়ে আমি ভাঙতে থাকি বর্ষনমুখর সাঁঝের নিরবতা।

------------ <img src=" style="border:0;" />
দেখতে দেখতে সময় বয়ে যায়। শেষ হয়ে যায় আমার আষাঢ়ে গল্প। স্মৃতি যতই তাড়িয়ে বেড়াক কাজের তাকিদে সবাই উঠে পড়ে। আমাকেও উঠতে হয়।
কোথায় যাবো, বাইরে যে সত্যিই বৃস্টি পড়ছে। আষাঢ় কি তাহলে এসে গেল!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28806668 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28806668 2008-06-06 00:27:46
ইচ্ছেমতন সকালগুলো। সুন্দর পরিপাটি সাজানো বিছানায় বালিশের একপাশে আলগোছে পড়ে থাকে নজরকাড়া মলাটের একটি বই, নানা মতের নানাপথের গুনীজন অন্তত যার অমরত্বের ব্যাপারে কোনরূপ দ্বিমত পোষন করার কারন খুজে পাননি। ক্লান্ত শরীরে গা এলিয়ে দিতে গেলেই বইয়ের দিকে নজর পড়ে। আস্তে করে তুলে নেই। অন্যরকম সুবাস মাখা পৃষ্ঠাগুলো একটা একটা করে উল্টাতে থাকি। যতই গভীরে যাই ততই যেন আমার ইচ্ছেরা তাদের পুরাতন ভুলের প্রায়শ্চিত্য করার জন্য উম্মুখ হয়ে ওঠে।

একসময় খুব বই পড়ার অভ্যাস ছিলো। এখনও যে নেই তা নয় তবে নানা কাজের চাপে একটু কমেছে। বাসায় আসতে পারলেই আরেকবার সে অভ্যাসের দিকে হেটে যাবার একটা মৃদু তাকিদ চারপাশে হাটাহাটি করতে থাকে। গোলাম মোস্তফা সমগ্র হাতে নিয়ে আমি পুরাতন দিনের কথাগুলো মনে করে নিজেকে তিরস্কার করছিলাম। পৃথিবীর তাবৎ জানা অজানা কথা গুলো লেখা আছে বইয়ের পাতায় অথচ আমি কিনা ধীরে ধীরে বইয়ের আঙিনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ঠিক না, একদমই ঠিক না। বই হোক আমাদের নিত্য সঙ্গী। দ্বিধাদ্বন্দ ছেড়ে আমি আরেকবার জেগে উঠতে চাই। জেগে উঠতে গিয়ে নরম বিছানায় হারিয়ে যাই ঘুমের দেশে।

২.
পেটে অসম্ভব ক্ষুধা নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠি। গতকাল রাতে খেয়েছিলাম তাড়াতাড়ি এবং পরিমানেও কম। রাত পোহাতেই তাই ক্ষুধার দৈত্য হানা দিয়েছে। তর্জন গর্জন উথাল পাথাল গুড়গুড়ানীতে আমার সাধের ঘুম পালিয়ে যায় দুরে, বহুদুরে।

ছুটে গিয়ে অসম্ভব দ্রুততায় উদরপূর্তি করে আমি শান্তির নিশ্বাস ফেলি। আমি শান্ত হলেও আমার মনে খচখচানী লেগেই থাকে। মনে হচ্ছে যেন এতদিনে একটি চরম বাস্তবতাকে আমি আমার উপলব্দিতে যায়গা করে দিতে পেরেছি। যে নির্মম সত্যকে প্রান্তিক জনপদের মানুষ নিয়মিত মোকাবিলা করে আমি যেন আজই প্রথম তার দেখা পেলাম।

প্রত্যেকদিন সকালেই কি এমন ক্ষুধা নিয়ে বাংলাদেশ জেগে ওঠেনা !

৩.
ক্ষুধা না থাকলেও ঘুম থেকে উঠি খুব সকালেই তবে আলস্যবশত সময় কেটে যায় বিছানায় গড়াতে গড়াতে। টম এন্ড জেরি কার্টুনের টমের মত চোখের দু পাতা মাসকিন দিয়ে আটকে তারপর তাকিয়ে থাকি জানালা দিয়ে বাইরে। সকালের এই নিরব সময়ে সবুজ গাছ, শুভ্র ফুলের হাসি কিংবা কোলাহল মুখর পাখির ডানা ঝাপটানো দেখার ইচ্ছে থাকলেও ঢাকা শহর বলে কথা, যেদিকেই তাকাই কেবল নিস্প্রান দেয়াল কখনোবা পাশের বাড়ির জানালা। আমি আনমনে তাকিয়ে থেকে ইট গুনি। গুনতে গুনতে কখন ঘুমিয়ে পড়ি আবার। লাল নীল স্বপ্নগুলো খেলা করে যায় স্বপ্নের আঙিনায়।

কখনো কখনো ঘুম ভেঙে যায় আরো আগে। টুং টাং থালা বাসনের নড়াচড়া, পানির কল থেকে ছরছর পানি পড়ে, আবার বন্ধ হয়। গরম তেলে পড়ে কিছু একটা ঝলসে ওঠার শব্দ শোনা যায়। আমি জানি কি ঘটছে তাও আরেকবার কৌতুহল ভরে এগিয়ে যাই। আপন মনে চলছে রান্নাঘরের টুকিটাকি। নিত্য দিনের চালচিত্র। একদিন.. দুইদিন.. প্রতিদিন..........। জ্ঞান হবার পর থেকে দেখে আসছি যে স্বাভাবিক চিত্র কখনো কখনো তাই বড় অসাধারন, ব্যতিক্রম হয়ে ওঠে আমার অভিভূত চোখের পর্দায়। শীতের তীব্রতায় কাপে যখন পুরো শহর. উত্তুরে কনকনে হাওয়ায় মুড়ি দিয়ে পড়ে থাকে জনপদ, একটা পাতলা চাদর গায়ে রান্নাঘরের ছোট্ট চৌহদ্দিতে তখন ঠিকই তার আনাগোনা।

ছাদের সাথে ঝুলানে পাখা ফুল স্পীডে ঘুরিয়ে মাথার নিচে বালিশ আরো একটা দিয়ে আমার আরামের ব্যারাম মাথাচারা দিয়ে ওঠে কিন্তু ততক্ষনে উনুনের তাপে নেয়ে ঘেমে একাকার সারা শরীর, তীব্র আচে লাল হয়ে যায় মুখমন্ডল।

দাত ব্রাশ করি, মুখে পানি দিয়ে গড়গড়া করে তোয়ালে ছুয়ে একসময় ডাইনিং টেবিলে এসে বসি। হটপটে সাজিয়ে রাখা পরোটার ঘ্রান পেটের মধ্যে একটু আধটু ইচ্ছেরা জানান দিতে শুরু করেছে। চেয়ার টেনে বসার শব্দেই রান্না ঘর থেকে ধুয়া উঠানো সব্জির পাত্র নিয়ে চলে আসেন তিনি। সকল কস্টকে ছাপিয়ে ভোরের ফোটা ফুলের স্নিগ্ধতা লেগে থাকে তার চোখে মুখে। আমি কেবল অবাক হয়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28804053 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28804053 2008-05-29 08:04:39
নজরুলের কাঠবিড়ালী আমি দেখেছিলাম।
মেটে রঙের লম্বা লেজওয়ালা বড় সড় ইদুরের মত দেখতে বৃক্ষচারী প্রানীটাকে বেশ ছোট থেকেই চিনি। কাদামাটির মধ্যে যারা জন্ম নিয়েছেন, মানুষ হয়েছেন তারা সবাই চিনেন বোধ হয়। না চিনলেও অচিরেই ওটাকে চিনে নেবেন যখন দেখবেন আপনার গাছের নারিকেলের মধ্যে কিছু নেই। বিলেতি গাবের মধ্যখানে বিশাল এক গর্ত। বাতাবী নেবুর অর্ধেক নেই, আমের একপাশ পচে আছে মিস্টি পাকা পেয়ারাটা হঠাৎ উধাও। বুঝবেন ওটা কাঠবিড়ালীর কাজ এবং অতঃপর কাঠবিড়ালী দেখা মাত্রই আমার মত নেমে পড়বেন হৈহৈ রৈরৈ করে।

কাঠবিড়ালী বুঝেছে আজ আর ওর রক্ষে নেই। তরতর করে ওটা নেমে আসে তাল গাছ ধরে। মাঝামাঝি এসে লাফ দিয়ে পড়ে সুপারী গাছের মাথায়, ওখান থেকে দেবদারুর ডালে ঝাপিয়ে পড়ে। এরপর আবার উপরে উঠতে থাকে। ভীষন একটা ঝাকুনি দেই দেবদারু ধরে আর তৎক্ষনাৎ নুয়ে পড়া শাল গাছে ঝাপিয়ে পড়েই জামের ডাল বেয়ে দৌড়াতে থাকে। কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে যায়, পাতার শিরশিরানী দেখে খুজে বের করি। আবার তাড়া, যথারীতি এডাল থেকে ওডালে দৌড়াদৌড়িকরে একসময় মাটিতে নেমে আসে একটু পড়েই বেল গাছ বেয়ে আবার উপরে ওঠে, চালতা পাতার আড়ালে কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে পুকুর পাড়ের ঝুকে পড়া আম গাছ পার হয়ে পেয়ারা গাছে। পেয়ারা গাছে আসামাত্রই কবি নজরুল আমার স্মৃতিতে উকি দেয়।

নজরুলের সম্মানে কিংবা ইতমধ্যে ছুটাছুটির ক্লান্তিজনিত কারনে আমার মধ্যে কিছুটা মানবতাবোধ জাগ্রত হয়। আমি ছেড়ে দেই এ যাত্রায়। আজ না হয় একটা অবলা প্রানীকে মাফ করে দেয়া যায়। ক্ষমা বড় মহৎ গুন, ধরতে না পারলে দুর থেকে ক্ষমা করতে পারা আরো মহৎ নিসন্দেহে। এ মুহুর্তে আমি কি একজন মহৎ লোক চিন্হিত হতে পারি না !

কাঠবিড়ালী, কই পালালি
কোথায় গেলি হারিয়ে
কার পিটুনী ভুত ছাড়ালো
স্বস্তি দিলো তাড়িয়ে

পেয়ারা খাবি? সাহস আছে!
আয়না কাছে, দেখাচ্ছি
আজ না পারি, কালতো আছে
এখন তবে যাচ্ছি।


মহৎ হৃদয়ের কোলাহল আবার আকাশ দেখায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কি সুন্দর নীল রং ছড়িয়ে আছে। কাঠবিড়ালী তার সুন্দর লেজটাকে গোলানো চুনের মধ্যে ডুবিয়ে একটা পোজ দিয়েছে আকাশের গায়ে। আর তাতেই ছোপ সাদা মেঘ ছড়িয়ে পড়ে সারা আকাশ জুড়ে। বাহ দারুন তো! আরে সত্যিই তো আকাশ দারুন সুন্দর লাগছে।

খামোখাই এতক্ষন সময় নস্ট করেছি। আমাকে আরেকবার বকা দিতেই যেন রবী ঠাকুরের এক পায়ে দাড়িয়ে থাকা তাল গাছ ওর ডানা ঝাপটাতে লাগল দখিনা বাতাসে। এই সুন্দর আকাশ ওকেও কাছে টানছে। আর থাকবেনা সে মাটির ঘরে। গোল গোল পাতা ঝাপটিয়ে পাখির মত উড়ে যাবে মহাশুন্যের পানে যেখানে কাঠবিড়ালীর সাদা মেঘ একা একা কথা বলে ।

সুন্দর আকাশ দেখে কাঠবিড়ালীর উপর আমার একটা শ্রদ্ধাবোধ চলে আসে। ওর অপরাধ সেতো নগন্য। না হয় খেলোই কটা গাছের ফল তাতেই কি দরকার ওকে নির্মমভাবে পৃথিবীছাড়া করার। ইস!

পৃথিবীর কোন মানুষেরই ওর জন্য একটু দরদ নেই। নজরুল কাজীই একটু দরদ দেখাতো ওর জন্য। ওর সাথে ভাব করতে চাইতো। মানবতার গান যে গেয়ে চলেছে আজীবন এটুকু জীবপ্রেম তার থাকা স্বাভাবিক। কাঠবিড়ালী মনে হয় নজরুল কাজীর খোঁজেই এধারে ওধারে ঘুরে বেড়ায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28800566 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28800566 2008-05-20 20:26:50
ব্যাকআপ নেয়ার নিয়ম জানাবেন কেউ ? (সাময়িক পোস্ট।) http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28798351 http://www.somewhereinblog.net/blog/kolahalblog/28798351 2008-05-15 18:04:40 মাথাটা ঝিম ঝিম করছে, করলেই তাতে কার কি! ..........................

চতুরভুজ , ফারজানা মাহবুবা, সন্ধাবাতি। তিনজনই নারী ব্লগার। সামহোয়ারে সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় তিন