কিংবদন্তীর জল
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
স্রোতের বিন্যাসে কোন প্রতিভা নেই
অনির্দিষ্ট অভিমুখে
শুধু যাত্রা
নশ্বর হতে অবিনশ্বর শ্মশানঘাটে
আছড়াতে কিসের
বিভা ?
দু' পাড়ে ঢেউ ছপছপ
নৌকা ভাসিয়েছি
জলে
পোড়া ধুপ গন্ধ কুলে
বেণী মাধবী খুলে দিলাম
কিংবদন্তীর জলে।
ঋতাচার
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
'অভিশাপ দিলাম কিনা' -
চলে গিয়ে যেতে যেতে
ফিরে এলে জিজ্ঞাসিতে
উপপথে
অর্পন করে নানা ছারখার
ভার
ছিন্ন শুন্য নীড়ে
উত্তীর্ণ হতে দিলে
যাবতীয় দুঃখ সম্ভোগে
আমি :
নির্জলা হাওয়ায় ভাসি
আবর্তীত কক্ষপথ ভ্রমিয়া শেষে
জানি,
প্রকৃতি তোমারে বাধিবে
একই আচারে
পতন প্রবাহন
১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
খুলে রাখি স্যান্ডেল। কপালের শক্ত ঘাটলার প্রথম সিঁড়িতে
...............প্রতারণা। প্রথম অবাক হয়ে ভাবা, মানুষ !
.........................অর্থাৎ আমি পৌঁছে গেলাম দ্বিতীয় সিঁড়িতে
......................................তৎক্ষণাৎ দ্বি-চারিণীগণের খিলখিল হাসি।
তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম আঙুলের দাগে কালসিটে চটি জুতো
আমার তলায় ওটা নয়, ওটার তলায় আমি।
খুলে রাখি স্যান্ডেল। সান বাধানো ঘাটলায়
.................এক সিঁড়ি
.............................দুই সিঁড়ি
.........................................তিন সিঁড়ি
সাঁতার শিখিনি বলে সাঁতরাতে পারিনি মাথা উঁচু করে রৌদ্র বায়ুতে
ডুব সাঁতরে এক ধাপ, দুই ধাপ করে ক্রমাগত নেমে গেছি নিম্ন গোত্রতে
মানুষ ? চতুর্পদী ? গিরগিটি ? পরজীবী ? ৩৬৫ প্রজাতির বিভ্রান্ত পদাতিক
বিব্রত স্যান্ডেল।
অতঃপর
খালি পায়ে
জলদীঘি ঘাটলায়
আমি
এক পা,
দুই পা করে নামি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

